post
বাংলাদেশ

বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর: বিএসএমএমইউ

মানুষের শরীরে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী প্রধান জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার এর প্রথম ও প্রধান কারণ। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নিতে যাওয়া ৭২ হাজার ৬৭০ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।সোমবার বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার গবেষণাপত্র তুলে ধরেন। আর সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জসমূহ বর্ণনা করেন অধ্যাপক ডা. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অন্তত ৭৫ ভাগ ইনফেকশন হয় টাইফয়েড, ই-কোলাই, স্ট্যাফাউরিয়াস, ক্লিবশিয়েলা ও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। এসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকসেস ও ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ অকেজো হয়ে গেছে। এছাড়া আইসিইউয়ের রোগীদের যে অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা চলতো, তা এখন ওয়ার্ডের রোগীদেরও দিতে হচ্ছে। এতে বোঝা যায় পরিস্থিতি কতটা খারাপের দিকে যাচ্ছে একই সঙ্গে যেসব জীবাণু আগে শুধু আইসিইউতে মিলতো সেগুলো এখন কমিউনিটিতেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। অযাচিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানুষ এখন প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৭০ হাজার লোক মারা যায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ২০৫০ সালে গিয়ে দেখা যাবে করোনার থেকেও বেশি রোগী মারা যাবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে।হাসপাতালে দর্শনার্থীরা রোগীদের দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, হাসপাতালে যাবেন রোগী দেখতে, একটু দূরে থেকে দেখতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় রোগীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে সাধারণ মানুষও রোগী হয়ে যায়। এটিকে ক্রস ইনফেকশন বলে। এজন্য হাসপাতালে গেলেও দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে হবে।অনুষ্ঠানে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত রোগীর নমুনায় সব ধরনের জীবাণুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ।বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায় রোগীদের নমুনায় জীবাণু শনাক্তকরণ ও জীবাণুসমূহের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা নির্ণয়ের বিএসএমএমইউতে থাকা প্রযুক্তিসমূহ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্ট মোকাবিলায় এ বিভাগের ভূমিকা তুলে ধরেন।

post
বাংলাদেশ

ডা. আবদুল মালিক আর নেই

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার ডা. আবদুল মালিক আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন তিনি। বাংলাদেশে হৃদরোগের চিকিৎসায় ১৯৭৮ সালে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন ডা. আবদুল মালিক। ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদককে ভূষিত হন। ২০০৬ সালে সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক মনোনীত করে। অধ্যাপক আবদুল মালিকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

post
বাংলাদেশ

৫০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল

১৯৭০ সালে নির্মিত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে, সেই ৫০ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে, বর্তমান চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। ২০০৩ সালে হাসপাতালটিকে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসা সেবায়,তা বাস্তবায়ন হয়নি এখনও। এদিকে,শীতজনিত কারনে হাসপাতালে প্রতিনিয়ত ভর্তি হচ্ছে,শিশু রোগী। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে জানা গেছে,চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহে শীতজনিত কারনে,নিউমোনিয়া, এ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে পাঁচশোর অধিক শিশুরোগী। এছাড়া,হাসপাতালে নারী পুরুষ ও অন্যান্য ওয়ার্ডে প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের সংখ্যাও বাড়ছে।অসহনীয় পর্যায়ে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে, গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। শীতের হিমেল হাওয়া ও ঠান্ডা উপেক্ষা করে, হাসপাতালের বারান্দায় থেকেও কেউ কেউ নিচ্ছেন,চিকিৎসা সেবা। শিশু ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫ শয্যার বিপরীতে চিকিৎসা নিচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ জন রোগী। অল্প সংখ্যক জনবল দিয়ে এসব রোগীদের চিকিৎসা সেবা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টায় বাচ্চাদের অধিক সতর্কাবস্থায় রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদ ডা. মাহমুদুর রহমান মিলনের। সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন তিনশ’র অধিক শিশুকে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে,চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন অভিভাবকরা। অতিরিক্ত রোগীর ভিড় ঠেলে  চিকিৎসা সেবা নিতে স্বজনদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে। 

post
সংবাদ

ডেঙ্গু মশার উৎসস্থল ধ্বংস করতে নতুন করে বিটিআই আমদানী হচ্ছে: ডিএনসিসি মেয়র

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন কোরে বিটিআই আমদানীর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।ডেঙ্গুর জন্য কাউকে দোষারোপ না কোরে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে, নিপসম আয়োজিত ‌কমিউনিটি পর্যায়ে ‌ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে বর্ণাঢ্য র‍্যালী শেষে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

নওগাঁ বিলের নতুন রাস্তায় বদলে গেছে লাখো মানুষের জীবনযাত্রা

বর্তমান সরকারের উন্নয়নে নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার বিল এলাকার মধ্য দিয়ে রাস্তা নির্মাণ হওয়ায়, চার ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা বদলে গেছে। সহজ হয়েছে কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যবস্থা। নতুন রাস্তার ফলে এখন বর্ষাকালেও সদরের সাথে যোগাযোগ থাকে সরাসরি।নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটী ও হাসাইগাড়ি ইউনিয়নের প্রায় ৩০ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ বিল এলাকা বর্ষা মৌসুমসহ অধিকাংশ সময় পানিবন্দী থাকে। অত্র এলাকার মানুষের চলাচল একমাত্র মাধ্যম ছিল নৌকা। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ সারতে বা হাট-বাজার যাতায়াত করতে হলো পানিপথে। আবার শুকনো মৌসুমে মাঠে ধরে হাঁটা পথ ছাড়া কোন বিকল্প ছিলো না।বর্তমানে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার প্রকল্পের আওতায় বিলের মাঝ দিয়ে রাস্তা নির্মিত নতুন দিগন্ত খুলেছে এই জনপদে। সদর উপজেলার গুটিয়ার বিল,দিঘলী বিল, হাসাইগাড়ি বিল, মুনসুর বিল ও পাকুড়িয়া বিলের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন এলাকারা সাথে সংযোগকারী ১০টি নতুন রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় পাল্টে গেছে ৪ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা। নওগা সদরের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান জানালেন, সম্পূর্ণ নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে ১৮ কিলোমিটার রাস্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আন্তরিকতা এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে জানালেন নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন।বিল এলাকার নতুন রাস্তাগুলোর পাশে গাছ লাগানোসহ অবিলম্বে পাঁকাকরণের দাবি স্থানীয় জনসাধারনের।

post
বাংলাদেশ

যোগাযোগ শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে লাভবান লক্ষ্মীপুরের মানুষ

সরকারের উন্নয়ন ধারায় পাল্টে গেছে লক্ষ্মীপুর জেলার চিত্র। সারাদেশের মতো এ জনপদেও যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। এখন অল্প সময়ে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের সুবাধে কৃষিপণ্য ও মেঘনার ইলিশসহ বিভিন্ন পন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে। একইসঙ্গে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে জেলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগেও।সড়কপথে আমূল পরিবর্তনে অর্থনৈতিকভাবে চাঙ্গা হচ্ছে উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুর। প্রশস্তকৃত লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল জাতীয় মহাসড়ক বছরখানেক আগে উদ্বোধন করা হয়েছে। চাঁদপুর-রায়পুর-লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কটি প্রশস্তকরণসহ সংস্কার কাজ করা হয় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই। এছাড়া নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়ক ও উত্তর তেমুহনী থেকে দক্ষিণ তেমুহনী পর্যন্ত বাজার সংযোগ সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। চলতি বছরই সম্পন্ন হয়েছে লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কের ৪০ কিলোমিটার সংষ্কার কাজ। আওয়ামী লীগ সরকারের এসব উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়র মোজাম্মেল হোসেন মাসুম ভূঁইয়া ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান। এদিকে, লক্ষ্মীপুরে ১০০ শয্যা হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নিতকরণ করা হয়েছে। সদর উপজেলার বটতলীতে নির্মিত হয়েছে মডেল মসজিদ। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিল পাস হয়েছে।

post
সংবাদ

স্বাস্থ্যখাতে জনবলের সংকট : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নে জনবলের সংকট সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ, তবে এরপরও স্বাস্থ্যসেবা দেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে- বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।সোমবার সকালে সচিবালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে সায়মা ওয়াজেদের বিজয়লাভ ও বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম কালাজ্বর ও ফাইলেরিয়া মুক্ত হওয়া উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সবধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে স্বাস্থ্যখাত এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

post
সংবাদ

আবারো বাড়ছে ডেঙ্গু, শনাক্ত ২১০৩, মৃত্যু ১৫

বাংলাদেশ আবারো বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১০৩ জন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠছে।নতুন শনাক্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৩ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৭০ জন। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৫ জনের। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর সারা দেশে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১৩৫৭ জন, সেদিন মৃত্যু হয়েছিলো ১০ জনের। এরপর গত ৪ নভেম্বর ১৬৩৮ জনের ডেঙ্গু শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিনও ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। এ ধারাবাহিকতায় আজ (৫ নভেম্বর) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২১০৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের।

post
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে চলেছে স্থুলকায় মানুষের সংখ্যা

বর্তমানে স্থুলতা বা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ওজন একটি গুরুতর সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোতে এ সমস্যা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে স্থুলকায় বা মোটা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, লুইজিয়ানা ও ওকলাহোমা প্রদেশে সবচেয়ে বেশি স্থুলকায় মানুষ বসবাস করছে। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, এই প্রদেশগুলিতে প্রায় ৪০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কের ‘বডি মাস ইন্ডেক্স’ বা বিএমআই ৪০ শতাংশ বা তার বেশি। রবার্ট উড জনসন ফাউন্ডেশনের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত দাতব্য সংগঠনের জেমি বাসেল মন্তব্য করেছেন, “সিডিসি-র সাম্প্রতিক তথ্য ভয়ানক।” তিনি পরিসংখ্যা দেখিয়ে বলেন, এক দশক আগে কোনও প্রদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্থুলত্বের হার ৩৫ শতাংশ ছিল না, কিন্তু এখন এটি বাড়তির দিকে। অন্যান্য প্রদেশের মধ্যে যেগুলি স্থুলত্বের হার ৩৫ শতাংশ বা তার বেশি তা অ্যালাবামা, আরকানসা, ডেলাওয়্যার, জর্জিয়া ইত্যাদি। স্থুলত্বের প্রকোপ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায়। কৃষ্ণকায়, হিস্পানিক, আদিবাসী আমেরিকান ও আলাস্কার মূলনিবাসীদের মধ্যে এ হার তুলনামূলকভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রদেশেই স্থুলত্বের হার অন্তত ২০ শতাংশ ছিল। স্থুলতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য বাড়তি সাহায্যের বিষয়কে “জরুরি অগ্রাধিকার” বলে অভিহিত করেছে সিডিসি।

post
আন্তর্জাতিক

করোনার টিকায় চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার পেলেন ক্যারিকো ও ওয়েইসম্যান

অত্যাধুনিক এমআরএনএ করোনা টিকা আবিষ্কারে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০২৩ সালে চিকিৎসা খাতে নোবেল পুরস্কার জয় করলেন ক্যাথিলন কারিকো এবং ড্রিউ ওয়েইসম্যান। ২ অক্টোবর সোমবার সুইডেনের নোবেল অ্যাসেম্বলি চিকিৎসায় চলতি বছরের নোবেলজয়ী হিসেবে এই দুই বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেছে। করোনা টিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নাম ম্যাসেঞ্জার আরএনএ বা এমআরএনএ। মার্কিন কোম্পানি ফাইজার ও মডার্নার করোনা টিকা এমআরএনএ প্রযুক্তির। এই প্রযুক্তিতে টিকা প্রস্তুতে মৃত বা বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত জীবাণু ব্যবহার করা হয় না। বরং ব্যবহার করা হয় এক ধরনের প্রোটিন, যা দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর কোনো নির্দিষ্ট জীবাণুর বিরুদ্ধে মানবদেহের সহজাত প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। এই এমআরএনএ প্রযুক্তিকে কার্যকর করতে মানবকোষের প্রধান অংশ নিউক্লিয়াসের অনুপুঙ্খ গবেষণা জরুরি ছিল। এই দুই বিজ্ঞানী সেই কাজটিই করেছেন। তাদের ‘নিউক্লিওসাইড বেইজড মডিফিকেশন’ গবেষণার সাফল্যই এমআরএনএ করোনা টিকার আগমনের পথ সুগম করে। পুরস্কার হিসেবে তারা দুজনে মিলে মোট ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রাউন বা ৯ লাখ ৮৬ হাজার ডলার ভাগাভাগি করবেন। এর পরিমাণ বর্তমান বিনিময় হার (১ ডলার সমান ১০৯ টাকা ৭৫ পয়সা) অনুযায়ী প্রায় ১০ কোটি ৮২ লাখ ১৮ হাজার টাকা। এবার নোবেল বিজয়ীদের পুরস্কারের অর্থ ১০ লাখ ক্রাউন বেড়েছে। সম্প্রতি পুরস্কারদাতা প্রতিষ্ঠান নোবেল ফাউন্ডেশন এ ঘোষণা দেয়। ১৯৯০ এর দশকের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনির্ভার্সটি অব পেনসেলভেনিয়ায় একত্রে কাজ করতে শুরু করেন ক্যাথলিন কারিকো এবং ড্রিউ ওয়েইসম্যান। ২০০৫ সালে ‘নিউক্লিওসাইড বেইজড মডিফিকেশন’ গবেষণার ফল প্রকাশ করেন তারা। বিশ্বে এমআরএনএ প্রযুক্তির প্রথম করোনা টিকা আনে মার্কিন কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান কোম্পানি বায়োটেক। এ বছর ২ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ধাপে ধাপে ঘোষণা করা হবে নোবেল বিজয়ীদের নাম। ৩ অক্টোবর পদার্থে, ৪ অক্টোবর রসায়নে নোবেল জয়ী/জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তারপর ৫ অক্টোবর সাহিত্যে এবং ৬ অক্টোবর শান্তিতে নোবেলজয়ীর নাম জানা যাবে। দুদিন বিরতি দিয়ে ৯ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীর নাম।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.