post
লাইফ স্টাইল

কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে রাখুন ফলগুলো

কোষ্ঠকাঠিন্য হলে আমাদের দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার ওপর বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ এই সমস্যা থাকলে সব খাবার খাওয়া যায় না। নির্দিষ্ট কোনোও নিয়ম মেনে না চললে সমস্যা আরও দ্বিগুণ হয়ে উঠতে পারে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের ঘরোয়া খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদ এবং চিকিৎসকরা। কয়েকটি ফল বেশ কাজে দিতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে। যেমন-পেঁপে পুষ্টিবিদদের মতে, পেটের ময়লা পরিষ্কার করতে পেঁপে বেশ উপকারী। এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কারণ, এতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম রয়েছে। যা হজমের উন্নতি করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আপেল খোসা ছাড়ানো আপেল খাওয়া পেটের জন্য ভীষণ উপকারী। কারণ, আপেলে থাকা ফাইবার অন্ত্রের গতি বাড়াতে সহায়ক। এছাড়াও এতে রয়েছে পেকটিন, যা মলত্যাগের উন্নতি ঘটিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। নাশপাতি পুষ্টিগুণে ভরপুর নাশপাতি। এটি পেট সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে কার্যকর। ফাইবার, ফ্রুক্টোজ এবং সরবিটলের মতো উপাদানগুলি নাশপাতিতে পাওয়া যায়। যা অন্ত্রের গতি বাড়ায়। আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট সম্পর্কিত সমস্যা থাকে, তবে আপনি এটি আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ করতে পারেন। কিউই এই ফলে ভালো পরিমাণে জল ও ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে অ্যাক্টিনিডিন নামক এনজাইম রয়েছে, যা প্রোটিন ভাঙতে সাহায্য করে। সঙ্গে হজম এবং মলত্যাগে সাহায্য করে।

post
লাইফ স্টাইল

ডেঙ্গু নাকি সাধারণ জ্বর- বুঝবেন যেভাবে!

বর্ষা আসতেই বেড়ে যায় ডেঙ্গুর প্রকোপ। এডিস মশাবাহিত ভাইরাসজনিত জ্বর হলো ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর উপসর্গ হলো- জ্বর, পেশি ব্যথা, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা ইত্যাদি। তবে এখন জ্বর হলেই সেটি সাধারণ জ্বর নাকি ডেঙ্গু বা করোনা কি না তা বুঝার উপায় নেই শুরুতেই। তাই চিকিৎসায় অনেকটাই দেরি হয়ে যায়।তবে জ্বর হলেই ধরে নেওয়া যাবে না সেটা ডেঙ্গু জ্বর।এর আলাদা কিছু লক্ষণ আছে। যেগুলো শরীরে দেখা দিলে বুঝতে হবে সাধারণ জ্বর নয় বরং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময় জ্বর হলেই উদ্বিগ্ন না হয়ে বরং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গুর তিনটি ধরন আছে। ক্লাসিক্যাল, হেমোরেজিক, শক সিনড্রোম। জেনে নিন ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো- ডেঙ্গুর ক্লাসিক্যাল জ্বরের লক্ষণ কী কী? ১. ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়ে থাকে। ২. জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৩. তীব্র পেটে ব্যথাও হতে পারে। ৪. শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি এবং মাংসপেশীতে তীব্র ব্যথা হয়। ৫. এছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। ৬. এই জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’। ৭. জ্বর হওয়ার ৪ বা ৫ দিনের সময় সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়, যাকে বলা হয় স্কিন র্যাশ। যা অনেকটা এলার্জি বা ঘামাচির মতো। ৮. পাশাপাশি বমি বমি ভাব, এমনকি বমিও হতে পারে। ৯. রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে ও রুচি কমে যায়। ১০. সাধারণত ৪ বা ৫ দিন জ্বর থাকার পর তা এমনিতেই চলে যায়। কারও ক্ষেত্রে ২ বা ৩ দিন পর আবারো জ্বর আসে। যাকে বাই ফেজিক ফিভার বলে।

post
লাইফ স্টাইল

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে যে ৩ কারণে

সম্পর্কে ভালোবাসা থাকলে থাকবে মান-অভিমান কিংবা ভুল বোঝাবুঝিও। ভালোবাসার এই অংশকে মেনে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাই। কিন্তু মাঝে মাঝে হওয়া এক কথা আর ভুল বোঝাবুঝি লেগেই থাকা আরেক কথা। একে অন্যকে বুঝতে না পারলে সেই সম্পর্ক থেকে আর কী-ই বা পাওয়ার থাকে?আমরা বেশিরভাগই মনে করি যে, মুখে না বললেও অপরপক্ষ ঠিকই বুঝে নেবে। কিন্তু আমরা নিজের মনের কথাই কি সব বুঝতে পারি? সেখানে আরেকজনকে না বলতেই সে বুঝে নেবে, এমনটাই আশা করাই বোকামি। কেউ কেউ আবার বলতে চেয়েও নিজের কথা গুছিয়ে বলতে পারেন না। যে কারণে বাড়তে থাকে ভুল বোঝাবুঝি। এছাড়াও ভুল বোঝাবুঝি বৃদ্ধি পাওয়ার আছে আরও কিছু কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক- সঙ্গী মানে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সঙ্গী মানে যিনি আপনার সঙ্গে আছেন, আপনার সুখ ও দুঃখের অংশীদার। তাই তার ভুলগুলোর সমালোচনা করা বন্ধ করুন। এর বদলে কোথায় তার ভুল হচ্ছে তা তাকে বুঝিয়ে বলুন। আপনি যদি অনবরত তাকে আক্রমণ করে কথা বলতে থাকেন তাহলে খুব স্বাভাবিকভাবেই তার কাছ থেকে সম্মান আশা করতে পারবেন না। তাই অপরপক্ষ থেকে ভালোবাসা পেতে চাইলে তাকেও ভালোবাসা ও সম্মান জানানো জরুরি। যদি চান সে আপনাকে বুঝুক, তাহলে তাকেও বোঝার চেষ্টা করতে হবে। নিজে দোষ থেকে বাঁচতে সঙ্গীকে দোষারোপ করেন? যেকোনো ভুলের দায় তার কাঁধে ঠেলে দেন? এমনটা করতে থাকলে নিজেকে হয়তো সাময়িক কিছু ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারবেন কিন্তু আপনাদের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে। তাই দোষারোপ বন্ধ করুন। এমনকী যদি সে সত্যিই দোষ করেও থাকে তবে তাকে শোধরানোর জন্য বুঝিয়ে বলুন। এক্ষেত্রে আপনার দোষারোপ করার অভ্যাস থাকলে তা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করবেই।

post
লাইফ স্টাইল

গর্ভাবস্থায় যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, গর্ভাবস্থার লক্ষণগুলো প্রথম ত্রৈমাসিকের সময়য়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ মহিলারা ৫-৬ সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণগুলো অনুভব করেন। এই সময়ে হবু মায়ের নিজের সর্বোচ্চ যত্ন নেওয়া এবং উপসর্গগুলো বুঝতে পেরে সে অনুযায়ী চলা গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে হবু মায়ের শরীরে অনেক পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে রয়েছে- স্তনের পরিবর্তন,ক্লান্তি,ঘন ঘন মূত্রত্যাগ, মেজাজ পরিবর্তন, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া ও বমি বমি ভাব।গর্ভাবস্থার লক্ষণগুলো প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই, কারণ এগুলো গর্ভাবস্থায় শরীরে ঘটে যাওয়া রূপান্তরের একটি অংশ। তবে উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করার এবং যাত্রা সহজ করার উপায় রয়েছে। মায়ো ক্লিনিকের মতে, মর্নিং সিকনেস প্রথম ত্রৈমাসিক জুড়ে এবং কখনও কখনও তার পরেও স্থায়ী হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের বিভিন্ন সমস্যা সহজ করার কিছু উপায় চলুন জেনে নেওয়া যাক- ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ সুষম খাদ্যের দিকে মনোযোগ দিন। ক্লান্তি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য মোকাবিলায় হাইড্রেটেড থাকুন। অল্প পরিমাণে বার বার খান। এটি আপনার বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। আদা চা বা মিছরিযুক্ত আদা বেছে নিন, কারণ আদা বমি বমি ভাব বিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। শিশুর জন্মপূর্ব ভিটামিন ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে যা ভ্রূণের বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসময় চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করুন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনো ওষুধ খাবেন না।

post
লাইফ স্টাইল

যেসব কারণে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে

গর্ভধারণের আকাঙ্ক্ষা কারও কারও ক্ষেত্রে অধরা থেকে যায়। এমন অনেক নারী আছেন যারা অনেকদিন ধরে চেষ্টা করেও গর্ভধারণে সফল হতে পারছেন না। অনেক কারণেই এমন সমস্যা হতে পারে। সেসব কারণ সম্পর্কে জানা থাকলে সমস্যা খুঁজে বের করা এবং তার সমাধান করা সহজ হতে পারে। এক্ষেত্রে কারণগুলো জেনে সে অনুযায়ী সতর্ক থাকতে হবে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন কোন কারণে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে-জরায়ুর আকৃতি অনেক সময় গর্ভধারণ না হওয়ার পেছনে সেই নারীর জরায়ুর আকৃতি দায়ী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরায়ুর আকৃতি যদি সঠিক না হয় তাহলে তা অনেক সময় ডিম্বাশয়ের নিষেক প্রতিরোধ করতে পারে। যে কারণে গর্ভধারণে সফলতা আসে না। আবার ডিম্বাশয়ের আকৃতি সঠিক না হলেও একই সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরুষের স্বাস্থ্য গর্ভধারণ না হওয়ার পেছনে যে কেবল নারীর স্বাস্থ্যই দায়ী তা কিন্তু নয়। অনেক সময় এক্ষেত্রে পুরুষের স্বাস্থ্যও দায়ী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপর্যাপ্ত শুক্রাণু সংখ্যা, শুক্রাণুর অস্বাভাবিক গতিশীলতা বা আকৃতি পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। সেইসঙ্গে পুরুষের যদি মদ্যপানের অভ্যাস থাকে কিংবা ডায়াবেটিস থাকে, তবে সেক্ষেত্রেও নারীর গর্ভধারণ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। স্ট্রেস স্ট্রেস শরীরের জন্য নানাভাবে ক্ষতিকর হতে পারে। তার মধ্যে একটি হলো গর্ভধারণে সমস্যা সৃষ্টি করা। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই যতটা সম্ভব চাপমুক্ত জীবনযাপন করতে হবে। এক্ষেত্রে স্ট্রেস নারীর থেকে পুরুষকে বেশি প্রভাবিত করে থাকে। বয়স গর্ভধারণের ক্ষেত্রে বয়সও একটি কারণ হতে পারে। কারণ আমাদের বয়সে সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হতে থাকে উর্বরতার হার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীর বয়স ৩৭ পার হলে তাদের ডিম্বানুর গুণগত মান কমতে থাকে। যে কারণে এই বয়সের পর অনেকের ক্ষেত্রে গর্ভধারণ কঠিন হতে পারে। এদিকে পুরুষের বয়স ৪০ পার হলে তাদের শুক্রাণুর উর্বরতাও কমতে থাকে।

post
লাইফ স্টাইল

যে খাবারগুলো মনোযোগ নষ্ট করতে পারে

কিছু খাবার স্বাস্থ্যকর পুষ্টিতে ভরপুর এবং আমাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকার করে। মেডিকেল নিউজ টুডে-এর মতে, এই স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে রয়েছে তৈলাক্ত মাছ, ডার্ক চকলেট, বেরি, বাদাম, বীজ, গোটা শস্য, ডিম ইত্যাদি। আবার কিছু খাবার এবং পানীয় রয়েছে যা আপনার মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। কোন খাবারগুলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক-গ্রেট লেকস ফাংশনাল নিউরোলজি অনুসারে, পেস্ট্রি, মাফিন, কেক, টোস্ট করা সাদা রুটি ইত্যাদিতে উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবার সামগ্রিক মস্তিষ্কের কার্যকারিতার ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি রক্তে শর্করার বৃদ্ধি ঘটায়, যা মস্তিষ্ককে আগের চেয়ে বেশি শক্তির জন্য ক্ষুধার্ত রাখতে পারে এবং ক্লান্তি এবং ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। নেচার নিউরোসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে অতিরিক্ত লবণ মনোযোগের ঘাটতির কারণ হতে পারে। সেরিব্রাল রক্তনালীর ভেতরের এন্ডোথেলিয়াল কোষ মস্তিষ্কের ভাস্কুলার টোন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত লবণ যুক্ত খাবার এই কোষগুলোর কর্মহীনতার কারণ হতে পারে। বেশির ভাগ লোকই অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয়তে চুমুক দিতে পছন্দ করেন। অত্যধিক চিনি খেলে তা রক্তে শর্করাকে দ্রুত বৃদ্ধি করতে পারে, যা মনোযোগ বজায় রাখা কঠিন করে তুলতে পারে। সাইকোলজি টুডে অনুসারে, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় অলসতা, স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকির বাড়িয়ে দেয়।

post
লাইফ স্টাইল

শরীর সুস্থ রাখে যেসব ভিটামিন

নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য আপনার খাবারের তালিকার দিকে খেয়াল রাখবেন। সেখানে প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি রাখতে হবে ভিটামিন সি যুক্ত খাবারও। আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে বিভিন্ন ভিটামিন যুক্ত খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক সুস্থতার জন্য কোন ভিটামিনগুলো খাবেন এবং তা কোন খাবারে পাওয়া যাবে-শরীরের জন্য সবচেয়ে জরুরি ভিটামিনের একটি হলো ভিটামিন এ। এটি হাড়, ত্বক এবং দাঁত উন্নত করতে বেশ কার্যকরী। ভিটামিন এ সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হলো চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে। তাই আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য ভিটামিন এ যুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি, আম, খেজুর, ব্রকোলি এবং স্যামন ফিশে এই ভিটামিন মিলবে। ভিটামিন বি হলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ। এই ভিটামিনের ভেতরে সবচেয়ে উপকারী হলো ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি ২, ভিটামিন ডি ৩, ভিটামিন বি ৫, ভিটামিন বি ৭, ভিটামিন বি ৯ এবং ভিটামিন বি ১২। কোন খাবারে ভিটামিন বি পাবেন? মাছ, মাংস, ডাল, বাদাম, পাউরুটি এবং খাসির মাংসে পেয়ে এসব ভিটামিন। শরীরের জন্য সবচেয়ে জরুরি ভিটামিনের একটি হলো ভিটামিন সি। এটি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে লেবু এবং কমলায় ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়া আঙুর, স্ট্রবেরি, পেয়ারা, ডেউয়া ইত্যাদি ফলেও থাকে প্রচুর ভিটামিন সি।

post
লাইফ স্টাইল

আনন্দে থাকতে চাইলে যা করবেন

আমরা আনন্দে থাকতে চাই, কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত আনন্দ খুঁজে পাই না। আসলে আনন্দে থাকার জন্য আলাদা কোনো প্রচেষ্টার প্রয়োজন নেই। আপনার প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজই পারে জীবনে আনন্দ নিয়ে আসতে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-কৃতজ্ঞতা এমন এক জিনিস যা আপনাকে অনাবিল আনন্দ দিতে পারে। একজন কৃতজ্ঞ মানুষ কখনো হতাশ হয় না। দিনের শুরুতেই আপনার ধর্মীয় প্রার্থনা দিয়ে কৃতজ্ঞতা পেশ করুন। যাদের প্রতি আপনি কৃতজ্ঞ তাদের নাম রাখুন প্রার্থনায়। ছোট্ট এই কাজ আপনার শরীরে বাড়িয়ে তুলবে ডোপামিনের মাত্রা। প্রতিদিন সকালে অন্তত বিশ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। এর ফলে পরিবর্তন আপনি নিজে দেখতে পাবেন। মানুষ যখন কোনো ব্যায়াম করে তখন তার শরীর এন্ডোরফিল নিঃসরণ করে। এই হরমোনও আমাদের সুখী করতে কাজ করে। অল্প কিছুক্ষণ হাঁটাচলাও আপনাকে খুশি রাখতে পারে। রাতে আগে ঘুমাতে যাবেন এবং খুব সকালে ঘুম থেকে জাগবেন। এই অভ্যাস আপনার জীবন থেকে অনেক অশান্তি দূর করে দেবে। সকালের রোদ নিয়ম করে গায়ে মাখবেন। এই অভ্যাস শরীরকে সেরোটোনিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই হরমোন সুস্থতা এবং সুখের অনুভূতি দেয়। আনন্দের অনুভূতির পেছনে আমাদের খাবারের তালিকারও কিন্তু ভূমিকা রয়েছে। আপনার খাবারের তালিকায় ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার যোগবার করুন। চর্বিযুক্ত মাছ, বীজ এবং বাদাম জাতীয় খাবারে এই উপাদান মিলবে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

post
লাইফ স্টাইল

যেসব সবজির খোসা ফেলবেন না

কিছু সবজি আছে যেগুলোর খোসা না ফেলে খাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে খোসা ছাড়িয়ে রান্না করাই ঠিক আছে। কিন্তু এমন এমন অনেক সবজি আছে যেগুলোর খোসাসহ খাওয়া যায় এবং এভাবে খাওয়াই উত্তম। আমরা হয়তো না জেনেই তার খোসা ফেলে রান্না করি। এতে বিভিন্ন পুষ্টি থেকে আমাদের শরীর বঞ্চিত হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন সবজিগুলোর খোসা ফেলবেন না-কুমড়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী একথা সবারই জানা। কারণ এতে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেলের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। তবে মজার বিষয় হলো ‍কুমড়ার থেকেও কুমড়ার খোসায় আরও অনেক বেশি পুষ্টিগুণ লুকানো থাকে। এর খোসা শুধু শরীরের সুস্থতার জন্যই নয় বরং ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী। উপকারী সব সবজির মধ্যে অন্যতম হলো শসা। এটি আমাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে দারুণ কার্যকরী। এই সবজিতে থাকে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য এবং ভিটামিন ও মিনারেল। এটি ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকরী। শসার প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। এটি নিয়মিত খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়, দূর হয় পানিশূন্যতাও। মিষ্টি স্বাদের মিষ্টি আলু খেতে কে না পছন্দ করেন! তবে এই আলু খাওয়ার সময় আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খোসা ফেলে দিই। কিন্তু আপনি জানেন কি, মিষ্টি আলুর খোসায়ও অনেক পুষ্টি উপাদান থাকে। এর খোসায় থাকে ভিটামিন সি, ই, ফাইবার, বিটা ক্যারোটিনের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান। এর ফলে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়েই, সেইসঙ্গে বৃদ্ধি পায় দৃষ্টিশক্তিও। ভাতের পরে সম্ভবত আমরা আলুই বেশি খেয়ে থাকি। এই এক সবজি দিয়ে তৈরি করা যায় অসংখ্য পদের খাবার। এতে থাকে থাকে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট। তবে আলু খোসাসহ খেলেই মিলবে বেশি পুষ্টি। এতে থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ। রান্নার সময় তাই আলুর খোসা বাদ দেবেন না।

post
লাইফ স্টাইল

চুলে মধু ও কলা ব্যবহার করলে কী হয়?

চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো। মধু এবং কলার হেয়ারপ্যাক এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। ভিটামিন, খনিজ এবং প্রাকৃতিক এনজাইম সমৃদ্ধ এই দুই উপাদান শুধুমাত্র চুলের বৃদ্ধিই নয় বরং চুলকে রেশম ও উজ্জ্বলও করে। তাই আপনার চুলের নিয়মিত যত্নে এই দুই উপকারী উপাদান যুক্ত করতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুলের যত্নে মধু ও কলা ব্যবহার করলে কী উপকার পাবেন-মধুর উপকারিতা: মধু প্রকৃতির অমৃত হিসাবে পরিচিত। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ। মধু হিউমেক্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করে, যা চুলের মধ্যে আর্দ্রতা টেনে এবং তা আটকে রাখে। হিউমেক্ট্যান্ট বাতাস থেকে বা ত্বকের গভীর থেকে পানিকে আকর্ষণ করে। এতে ইমোলিয়েন্ট বৈশিষ্ট্যও রয়েছে, যা চুলের ফলিকল মসৃণ করে। এর ফলে চুল চকচকে ও নরম হয়। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য খুশকি এবং অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ফলে স্বাস্থ্যকর স্ক্যাল্প বজায় রাখা সহজ হয়ে যায়। কলার উপকারিতা: গবেষণা অনুসারে, কলা পটাসিয়াম, প্রাকৃতিক তেল, কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস। এই পুষ্টিগুলো চুলকে নরম করে এবং এর প্রাকৃতিক স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে, সেইসঙ্গে চুলের আগা ফেটে যাওয়া এবং ভঙুরতা রোধ করে। কলায় সিলিকাও থাকে, যা চুল মজবুত করে এবং বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তৈরি করতে যা লাগবে: ১টি পাকা কলা ২ টেবিল চামচ মধু ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল। যেভাবে তৈরি করবেন: কলার খোসা ছাড়িয়ে একটি পাত্রে ভালো করে ম্যাশ করুন যতক্ষণ না এটি একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি হয়। কলায় যেন কোনো দলা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কারণ দলা থাকলে তা চুলে আটকে থাকতে পারে। এবার ম্যাশ করা কলায় মধু যোগ করুন এবং ভালোভাবে মেশান। আপনি যদি অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন তবে এই পর্যায়ে সেটি যোগ করুন। অলিভ অয়েল অতিরিক্ত পুষ্টি এবং উজ্জ্বলতা যোগ করবে, যা হেয়ার মাস্কটিকে আরও কার্যকরী করে তুলবে। তৈরি হয়ে গেলে চুল ও স্ক্যাল্পে ভালোভাবে মেখে অপেক্ষা করুন ঘণ্টাখানেক। এরপর ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু করতে চাইলে মাইল্ড কোনো শ্যাম্পু বেছে নেবেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.