post
সংবাদ

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি সাংবাদিক ও লেখক মাইন উদ্দিন আহমেদ আর নেই

বাংলাদেশে ইংরেজি ভাষার সংবাদমাধ্যমে চার দশকের বেশি সময় ধরে অবদান রাখার পর যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কে বসবাসকারী সাংবাদিক ও লেখক মাইন উদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর।গত ১ জানুয়ারি (রবিবার) রাত সাড়ে ১১টায় নিউইয়র্কের জ্যামাইকা মেডিকেল সেন্টারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মাইন উদ্দিন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওজন পার্কের বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিডনি সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন মাইন উদ্দিন। মাইন উদ্দিন আহমেদ এর ছেলে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানান, তারা বাবার কিডনিতে টিউমার ধরা পড়লে চিকিৎসকরা ক্যান্সারের সম্ভাব্যতা যাচাই করছিলেন। রিয়াজ জানান, তার বাবাকে নিউ জার্সিতে সমাহিত করা হবে। মাত্র কয়েক বছরের প্রবাস জীবনে মাইন উদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন মহলে অনেক পছন্দের মানুষ হয়ে উঠেছিলেন। কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার ছিলো সরব উপস্থিতি। নিউ ইয়র্ক বাংলাডটকম এর বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ, দেশ পত্রিকার সাপ্তাহিক কলাম ‘কথার কথকতা’ লিখে যাওয়া, টাইম টিভির ‘প্রেস ভিউ’তে অংশ নেওয়া এসব নিয়ে সব সময় ব্যস্ত সময় কাটতো তার। মাইন উদ্দিন আহমেদের এই অকাল প্রয়ানে শোকের ছায়া নেমে আসে নিউইয়র্কের সাংবাদিক মহল তথা বাংলাদেশি কমিউনিটিতে।

post
অনুষ্ঠান

চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ নর্থ আমেরিকার অডিশন রাউন্ডে ওয়াশিংটন ডি.সি ‘র ৫ জনের মিললো 'ইয়েস কার্ড'

এখানে গানের প্রতিযোগিতায় এসেছিলো শিশুরা। তারা গাইলো তাদের প্রিয় গানগুলো। বড়রাও এসেছিলেন কেউ কেউ। তারাও শিশুদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়লেন। তবে প্রতিযোগিতা ছাপিয়ে অনুষ্ঠানস্থল গানের হয়ে উঠলো। আর হয়ে উঠলো উপভোগ্য। তাতে ইয়েস কার্ড পেলো ৫ জন। তবে জয়ী হলো তারা সবাই। গত ৩০ ডিসেম্বর শুক্রবার, ভার্জিনিয়ার আলেক্সজেন্ড্রিয়ার “ডাটা গ্রুপ সেন্টার” মিলনায়তনে চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ নর্থ আমেরিকা-ওয়াশিংটন ডিসি অডিশন অংশ নেন এমন ২০ জন প্রতিযোগী। তাদের মধ্যে ইয়েস কার্ড পেয়ে চ্যানেল আই সেরাকন্ঠ উত্তর আমেরিকায় ফাইনাল রাউন্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ মিললো ৫ জনের। বড়দের চেয়ে অপেক্ষাকৃত শিশুরাই ছিলো এগিয়ে। এবং তারাই বিজয়ী হয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়ার গৌরব অর্জন করে নিয়েছে।এর হচ্ছে- মাহদীয়া ঈশাল, অপ্সরা বণিক, শ্রেয়সী বড়ুয়া, ঐশ্বর্য্য বণিক এবং এন্থনী রুদ্র।ওয়াশিংটন অডিশনের বিচারক ছিলেন প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায় ও নাসের চৌধুরী।বিচারকরা কাগজ কলম নিয়ে টেবিলে বসলে প্রথমেই গান গাইতে এলো শিশু শিল্পী ঐশ্বর্য্য বণিক। সে গাইলো সোলসের সেই বিখ্যাত গান- এ এমন পরিচয়, অনুমতি প্রার্থনা। দারুণ সুর ছড়িয়ে ঐশ্বর্য্য মঞ্চ ছাড়লে স্ট্যাফানি মন্ডল দিশা গেয়ে শোনালো যারে, যারে উড়ে যারে পাখি গানটি। শিশুকণ্ঠে লতা মুঙ্গেশকরের সেই গান উপভোগ করলো সকলে। সে সুরের রেশ কাটতে না কাটতেই চিরকূট ব্যান্ডের গান নিয়ে এলো তানজিমা মিষ্টি। সে গাইলো একটু তোমায় নিলাম আমি- গানটি। পরে শাহনাজ রহমতউল্লার দেশাত্ববোধক গান আমার দেশেরও মাটিরও গন্ধে ভরে আছে সারা মন গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করলো শ্রেয়সী বড়ুয়া। আর সুবীর নন্দীর দিন যায় কথা থাকে গানটি গেয়ে শোনালেন আবদুল্লাহ আল মাসুদ। মান্না দের কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই থেকে গাওয়ার চেষ্টা করলেন সুব্রত বাইন। খালিদ হাসান মিলুর যে প্রেম স্বর্গ হতে এসে জীবনে অমর হয়ে রয় এই গানটি গেয়ে বিচারকের মন পেতে চেষ্টা করলেন পরপর দুই জন নিহারজিৎ দত্ত ও তানভীর। তবে আবারও সুবের তালে দর্শকদের মাতিয়ে বিচারকদেরও মন কেড়ে নিলো শিশু শিল্প মাহদীয় ঈশাল। সে গেয়ে শোনালো রবীন্দ্র সঙ্গীত- তোমার খোলা হাওয়া, লাগিয়ে পালে। রবীন্দ্র সঙ্গীতের রেশ কাটতে না কাটতেই নজরুল গীতি নিয়ে এলো অপ্সরা বণিক। ফিরিয়া যদি সে আসে এই রাগপ্রধান গানটি গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করলো সে। এরপর কিছুটা বক্তৃতার পালা হলেও সবশেষে ছোট্ট শিশু এন্থনি রুদ্র তার গানে দর্শককে মুগ্ধ করলো। গান শেষ হলে ফলের অপেক্ষা। অবশেষে জানানো হলো চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ নর্থ আমেরিকার অডিশন রাউন্ডে ইয়েস কার্ড পেয়েছে ওয়াশিংটন ডি.সি ‘র মাহদীয়া ঈশাল, অপ্সরা বণিক, শ্রেয়সী বড়ুয়া, ঐশ্বর্য্য বণিক ও এন্থনী রুদ্র।আগামী ২রা জানুয়ারী নিউ ইয়র্কের গুলসান টেরেসে জাকজমকপূর্ণ ফাইনাল রাউন্ডে যোগ দেবার আমন্ত্রণ জানিয়ে ইয়েস কার্ড দেন চ্যানেল আই ইউএসএ’র চীফ অপারেটিং অফিসার রাশেদ আহমেদ।ডিসি অডিশন রাউন্ডে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রবীন সাংবাদিক সরকার কবির উদ্দিন, মাসুদা খাতুন, প্রযোজক ওয়ালি ফাহমি, ড. ফয়সল কাদের ও স্পন্সর‌ ডাটা গ্রুপ সিওই জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানের সাবির্ক সহযোগিতায় ছিলেন শামীম চৌধুরী, রেদোওয়ান চৌধুরী, প্রানেশ হালদার, মাহসাদুল ইসলাম রূপম।ওয়াশিংটন ডিসির আগে কানাডার টরন্টো, ফিলাডেলফিয়া, নিউজার্সি, নিউইয়র্কসহ পৃথক পৃথক রাজ্যে জুমে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ২রা জানুয়ারী উত্তর আমেরিকার সকল আঞ্চলিক বিজয়ীরা নিউইয়র্কে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবে। সেখানে বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ বাংলাদেশে চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ পর্বে অংশ নেবে। তবে নিউইয়র্কে সেরা পাচ নির্বাচিত করা হবে। কোন কারনে চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার্স আপের কেহ বাংলাদেশ পর্বে অংশ গ্রহনে অপরাগ হলে পর্যায়ক্রমে বাকী তিনজন থেকে অন্তর্ভূক্ত করা হবে।

post
অনুষ্ঠান

বিসিএ'র আনন্দঘন বড়দিন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান বড়দিন উদযাপনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-মেরিল্যান্ড- ভার্জিনিয়া (ডিএমভি)'র বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ছিলো নানা আনন্দময় আয়োজন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা।কীর্তন, গির্জায় খ্রীষ্টযাগ, বাড়িতে বাড়িতে আলোকসজ্জা, ক্ষমা অনুষ্ঠান ও নানা পদের বাংলা খাবার পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বড়দিনের ঐতিহ্যবাহী উদযাপন সম্পন্ন হলো এখানে। বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন, ইনক(বিসিএ) মেট্রো ওয়াশিংটন এলাকায় তিন দশক ধরে বাঙালি কায়দায় বড়দিন উৎসব উদযাপন করে আসছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম ছিলো না। দীর্ঘ এক মাস বাড়ি বাড়ি কীর্তন পরিবেশনা শেষে গত ২৬ ডিসেম্বর সিলভার স্প্রিং এলাকার রস্কো আর নিক্স এলিমেন্টারি স্কুল অডিটোরিয়ামে বড়দিন পূর্ণমিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তিন শতাধিক প্রবাসী বাঙালির উপস্থিতিতে স্থানীয় শিল্পীদের নাচ, গান, যীশু খ্রীষ্টের জন্মের উপর নাটিকা, ব্যান্ড সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উদাপিত হয় বড়দিন। এছাড়াও ছিলো লটারির র্যাফেল ড্র। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ডা. পেট্রিসিয়া শুক্লা গমেজ অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। তিনি উপস্থিত দর্শকের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বড়দিন আমাদের ধর্মীয় প্রাণের উৎসব। প্রবাসে নানা বাস্ততার মাঝেও আমরা সকলে আজ একত্রে মিলিত হতে পেরেছি। বাংলা সংস্কৃতি আপনারা ভালোবাসেন বলেই আজ আমাদের ডাকে আপনারা সাড়া দিয়েছেন। সংগঠনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিয়তি নির্মলা রোজারিও অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের ঘোষণা করে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তিলোত্তমা ও বিস্ বিভাষ ফ্রান্সিস রোজারিওকে মঞ্চে আহ্বান করেন তাদের হাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেন। এর আগে বর্তমান কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের উপস্থিতিতে বড়দিনের কেটে কাটেন প্রেসিডেন্ট ডা. পেট্রিসিয়া শুক্লা গমেজ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্যামল ডি'কস্তা। এ সময় সংগঠনের উপদেষ্টা জুড ভি গোমেজ, খ্রিষ্টফার গোমেজ ও ড. পল ফেবিয়ান গোমেজ উপস্থিত ছিলেন। সাংস্কৃতিক পর্বে সংগঠনের নিয়মিত শিল্পীদের পরিবেশনায় বড়দিনের গান 'আজ এলো সেই বড়দিন' ও দেশের গান 'প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে' পরিবেশন করা হয়। যার পরিচালনায় ছিলেন মুক্তা মেবেল রোজারিও ও সবিতা গোমেজ। একঝাঁক শিশু-কিশোরদের নিয়ে সুমা গোমেজের পরিচালনায় পরিবেশন করা হয় যীশুর জন্মভিক্তিক নাটিকা। শিশু-কিশোরদের গানে অংশ নেয় অনন্ত পিউরিফিকেশন, মেঘা পিউরিফিকেশন দ্রোহী পেরেরা। নাচে অংশ নেয় স্যান্ড্রা মারিয়া পেরেরা, মনীষা গোমেজ, পিটার পালমা, এলিজাবেথ পালমা ক্লাউডিয়া রিবেরু, তিলোত্তমা রোজারিও , পরমেশ্বপরী, মেঘা পিরিফিকেশন, এমিলিয়া গোমেজ ও ক্লেয়ার রোজারিও। নৃত্যে কোরিওগ্রাফি করেন মঞ্জুরি নৃত্যালয়ের শিল্পী গ্লোরিয়া রোজারিও ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন নৃত্যশিল্পী রোজ মেরি মিতু রিবেরু। বাংলা বাজারের সৌজন্যে উপস্থিত দর্শকদের অংশগ্রহণে ক্যুইজ পর্ব ও পুরস্কার বিতরণ পরিচালনা করেন বিপুল এলিট গনসালভেস ও খ্রীষ্টফার রোজারিও। আহার পর্ব চলাকালে প্রজেক্ট এক্স ব্যান্ড দল সংগীতের মাধ্যমে বড়দিনের আনন্দকে আরো একধাপ উত্তাপ ছড়িয়ে দেয়। হৃদয় পেরেরা, অদিতি পিউরিফিকেশন ও সক্রেটিস পিউরিফিকেশন এক এক করে জনপ্রিয় ব্যান্ড সঙ্গীত পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন। আহার পর্বের শেষে লটারি ড্র এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্যামল ডি'কস্তার ধন্যবাদ বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় বড়দিন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান গ্রান্ড স্পন্সর ছিলেন লোন অফিসার শরীফ আহমেদ, লোন অফিসার মতিন, রিয়েলেটর আলবার্ট গোমেজ, রিয়েলেটর টমাস ডেনিম রোজারিও, ডায়না ফেশন ও মৌরিয়া কাবাব রেষ্টুরেন্ট (শীতল ডমিনিক গমেজ)।

post
যুক্তরাষ্ট্র

বৈরি আবহাওয়ায় ২৯০০ ফ্লাইট বাতিল, যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ভোগান্তি

ছুটির মওসুমে হাজার হাজার ভ্রমণেচ্ছু যাত্রী আটকা পড়ে আছেন বিমানবন্দরগুলোতে। ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ের পর যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ২৯০০ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ফলে ছুটি শেষে যারা বাড়ি ফিরছিলেন তারা বিপাকে পড়েছেন।এয়ারলাইন্স কাউন্টারগুলোতে ভির করে আছেন কিন্তু ফ্লাইটের সিডিউল মিলছে না। খবরে বলা হচ্ছে, ছুটির শেষদিকের গোটা সপ্তাহ জুড়েই বিমানবন্দরগুলোতে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকবে। বিমানবন্দরগুলোতে দেখা গেছে ঘরফেরতা মানুষগুলো মেঝেতে ঘুমুচ্ছেন। কাস্টোমার সার্ভিসে লাইন ধরে আছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং সার্ভিস ফ্লাইট অ্যাওয়ার এর তথ্য মতে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৯০০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ১৬০০টির বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত। বাতিলকৃত ফ্লাইটের মধ্যে ২৫০০টিরও বেশি ফ্লাইটই সাউথ-ওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের। এই কোম্পানির ৬০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিলের আওতায় পড়েছে। গত সোমবার অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ৪০০০ ফ্লাইট বাতিল ও ৮৫০০ ফ্লাইট বিলম্বিত ছিলো। সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্স সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, পরিস্থিতি অনেকাংশেই অসহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এ জন্য আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। সোমবার থেকে শুরু করে মঙ্গলবার সকালেও সাউথওয়েস্ট ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে যাত্রীরা টুইটারে তাদের ক্ষুব্ধ হতাশা ব্যক্ত করছে। আর এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বারবার ক্ষমা প্রার্থণা করা হচ্ছে। তবে তা দিয়ে সবাইকে শান্ত করা যাচ্ছে না। 

post
যুক্তরাষ্ট্র

পশ্চিম নিউইয়র্ক ঢাকা পড়েছে বরফে, জীবন বিপর্যস্ত

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে শীতকালীন ঝড়-বৃষ্টি ও বরফে ঢাকা পড়েছে বিভিন্ন অঞ্চল। বিশেষ করে নিউইয়র্কের পশ্চিমাঞ্চলের বাফেলো শহরের গাছপালা-দালান কোঠাও বরফে আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তুষারপাতের রেকর্ড করা হয়েছে এই অঞ্চলে। ঠান্ডার মাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে নেমে গেছে। অনেক এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাড়িগুলোতে আটকা পড়েছেন বাসিন্দারা। অনেক সড়কে যানবাহন আটকা পড়ে, গাড়িতেই অবস্থান করতে হচ্ছে আরোহীদের। আর উদ্ধারকারী সদস্যদের পক্ষেও অনেক স্থানে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। বাফেলোতে এমন তুষার-ঝড় কয়েক দশকেও দেখা যায়নি। সেখানে বাতাস ৭০ মাইল বেগে বইছে। কখনো কখনো তার চেয়েও বেশি। শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে। যা রোববারেও অব্যহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক স্থান ছয় ফুট পর্যন্ত তুষারে ঢাকা পড়েছে। অনেক গাড়ি তুষারের নিচে চাপা পড়ে আছে। গাছগুলোও তুষারে ঢাকা। আর ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ। পুরো অঞ্চলই এখন অচল। সরকারি দফতর থেকে সতর্ক করা হয়েছে রবিবার রাত পর্যন্ত পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 

post
টেক মেন্টর

ডেভঅপস, সেলেনিয়ামের দুটি কোর্স শুরু করছে পিপলএনটেক

২০২৩ সালে আইটি প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ সব কোর্স নিয়ে আসছে পিপলএনটেক। যুক্তরাষ্ট্রে আইটি খাতে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহে প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করে আসা প্রতিষ্ঠানটি জানুয়ারিতে শুরু করছে সেলেনিয়াম কোর্স। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে ডেভঅপস কোর্স। উভয় কোর্সই পরিচালিত হবে পিপলএনটেকের ভার্জিনিয়া ক্যাম্পাস থেকে।এরই মধ্যে দুটি কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ১৪ জানুয়ারি শুরু হবে সেলেনিয়াম কোর্স। যা প্রতি সপ্তাহান্তে শনিবার ও রবিবারগুলোতে চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লাস নেবেন সেলেনিয়ামের দক্ষ প্রশিক্ষকরা। ১৪টি মডিউলে ভাগ করে পুরো প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটি শেষ করা হবে, জানাচ্ছিলেন পিপলএনটেকের কর্মকর্তারা। তারা বলেন, পিপলএনটেক প্রশিক্ষণরুমে কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি করা হয়। এতে প্রশিক্ষণার্থীরা চার মাস ধরে ক্লাসরুমে সৃষ্ট ওয়ার্কপ্লেস এনভায়রনমেন্টে কাজ করেন। আর তার মধ্য দিয়ে তারা প্রশিক্ষণ শেষে নিজেদের এতটাই দক্ষ করে তুলতে পারেন যে কর্মজগতে ঢুকতে তাদের বেগ পেতে হয় না। কেবল তা-ই নয়, এই প্রশিক্ষণার্থীরা নিজেদের এতটাই দক্ষ করে তুলতে পারেন যে তারা মধ্যম থেকে উচ্চ পর্যায়ের কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান। এবং সরাসরি সিক্স ডিজিট কিংবা তারও বেশি বেতনের কাজ পেয়ে যান। সেলেনিয়াম কোর্সের ওরিয়েন্টেশন হবে আগামী ৭ জানুয়ারি এবং ডেভঅপস কোর্সের ওরিয়েন্টেশন আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি। যার জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। কেবল সেলেনিয়ামই নয় ২০২৩ এর ফেব্রুয়ারি পিপলএনটেক শুরু করতে যাচ্ছে ডেভঅপস কোর্সটি। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই কোর্সের ক্লাস হবে প্রতি শনি ও রবিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। কোর্স দুটিতে অংশ নিতে যোগাযোগ করুন: ফোন: +1 (855) 562-7448ই-মেইল: [email protected]বিস্তারিত জানতে ব্রাউজ করুন: www.piit.us

post
অনুষ্ঠান

বাই'র নতুন পরিচালনা পর্ষদের শপথ ও বিজয় দিবস উদযাপন

শপথ নিলেন বাংলাদেশ আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ইনকর্পোরেশন-বাই'র নতুন পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। তারা সংগঠনের সংবিধান মেনে তাদের দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করলেন।যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের প্রাচীনতম সংগঠন এই বাই। সম্প্রতি এর ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন হয়ে গেলো। নতুন বছরে এসে বাই যাতে তাদের গৌরবময় পথচলা আরও প্রসারিত করতে পারে সে লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে নতুন কমিটি। গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের বেথেসডায় এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। আয়োজনে একই সঙ্গে ছিলো বাই-এর সাধারণ সভা। আর মহান বিজয় দিবস উদযাপন। নাচ-গান-কবিতায় উদযাপিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়। সুদুর আমেরিকায় বসে বাংলাদেশের জাতীয় দিনগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করাই বাই-এর অন্যতম প্রধান একটি কাজ। সে কথাই বলছিলেন বাইয়ের সাধারণ সম্পাদক দিলশাদ চৌধুরী ছুটি। সাধারণ সভায় বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরছিলেন তিনি। সাধারণ সভায় বাইয়ের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সালেহ আহমেদ বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম। তুলে ধরা হয় বার্ষিক অর্থ প্রতিবেদন। সংগঠনের ভবিষ্যত কর্মপন্থা ও পথচলা সুগম করতে করণীয় দিকগুলো নিয়ে সদস্যরা আলোচনা করেন। বিভিন্ন প্রশ্নও উত্থাপন করেন তারা যার উত্তর দেন বিদায়ী ও নতুন কমিটির প্রধানরা। এতে ডিসি, ভার্জিনিয়া, মেরিল্যান্ডের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অন্য রাজ্যগুলো থেকেও যাতে সদস্য নেওয়া হয় সে বিষয়ে প্রস্তাব ওঠে। কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কথা উঠে আসে আলোচনায় যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বাই এগিয়ে চলেছে। এতে বারবারই উঠে আসে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের নাম। পরে ২০২৩-২৪ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত পরিচালনা বোর্ডের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনার বশির আহমেদ ও শফি দেলোয়ার কাজল এসময় উপস্থিত ছিলেন। নতুন পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা হচ্ছেন সভাপতি শফিকুল ইসলাম (মেরিল্যান্ড), সহসভাপতি দিলশাদ চৌধুরী ছুটি (মেরিল্যান্ড), সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ শাহরিয়াদ (ভার্জিনিয়া), যুগ্ম সম্পাদক আনিসুজ্জামান খান (ভার্জিনিয়া), কোষাধ্যক্ষ আফরিন বেগম ফেন্সী (মেরিল্যান্ড), পরিচালক মেরিনা রহমান (মেরিল্যান্ড), ফয়সাল করিম (ভার্জিনিয়া), আরিফ আহমেদ (মেরিল্যান্ড), রেহানা কুদ্দুস (ভার্জিনিয়া), ফ্রেন্সিস গোমেজ (মেরিল্যান্ড), তারিক হাবীব (ভার্জিনিয়া), ডোরা গোমেজ (মেরিল্যান্ড), সামিউল ইসলাম (ভার্জিনিয়া), আবুল এহসান ভুঁইয়া (মেরিল্যান্ড)বাইয়ের সাবেক নেতৃত্বদের মধ্যে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নতুন প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম। এরপর শুরু হয় বিজয় উদযাপন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সেই বিজয়ের দিনটিকে স্মরণ করে ডোনা গোমেজ গাইলেন জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো। পরে ফ্রান্সিস গোমেজের কণ্ঠে সকলে শুনলো যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা। ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক আনিস আহমেদ পড়ে শোনালেন স্বরচিত কবিতা ২৫ থেকে ২৬। পরপর দুটি দিনের দুটি উল্টো চিত্র বাংলাদেশের জন্য কতটা কষ্টের ও আবেগ-আনন্দের তা ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। এরপর নাচ। নতুন প্রজন্মে এই দেশে বেড়ে ওঠা ছেলে-মেয়েরা নাচলো ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা... মুক্তিরও মন্দিরও সোপানও তলে কত প্রাণ হলো বলিদান.... তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবো রে... আর পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে রক্তলাল রক্তলাল রক্তলাল এমন সব মুক্তির প্রাণ জাগানিয়া গানে। সবশেষে ছিলো নৃত্যনাট্য। বাংলাদেশের কিংবদন্তী শিল্পী লায়লা হাসানের নির্দেশনা ও পরিচালনায় দর্শক দেখলো সব কটা জানালা খুলে দাওনা ওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ এর উপর একটি অনন্য উপস্থাপনা। এসব উপস্থাপনায় শিল্পীরা ছিলেন মকবুল আহসান টিটো, প্রণব বড়ুয়া, ফারিয়া ইসলাম মাহিন, মারিয়া ইসলাম জাহিন, হারুনুর রশিদ, তিলক কর, সামারা এলাহী, সানিকা এলাহী, রাকিন এলাহী, আহসান সাদাফ, লাবিবা ইসরাত রহমান। মুক্তিসেনাদের সেই স্মৃতিজাগানিয়া গানের রেশ কানে রেখে দর্শকরা বিদায় নিলো দেশাত্ববোধের নতুন চেতনা নিয়ে। 

post
যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ইউএসবিসিসিআই নারী উদ্যোক্তা সামিট ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান

নারী উদ্যেক্তাদের স্বীকৃতি ও তাদের উৎসাহিত করতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র (ইউএসবিসিসিআই) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'ইউএসবিসিসিআই উইমেন্স এন্টারপ্রেনিউর সামিট এবং উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ডস-২০২২'।শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে এ অনুষ্ঠিত হয়। ২য় বারের মতো নারী উদ্যেক্তাদের স্বীকৃতি ও তাদের উৎসাহিত করতে আয়োজন করা হয়েছে ‘উইম্যান এন্টারপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ড - ২০২২। নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিবছর ১৯ নভেম্বর তারিখটিকে নারী উদ্যেক্তা দিবস বা উইম্যান এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডে হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ১৩ জন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা জানিয়েছে ইউএসবিসিসিআই। এতে সম্মাননা প্রাপ্ত ১৩ জন নারী উদ্যোক্তারা হলেন, সুমনা রিমি প্রতিষ্ঠাতা স্টাইল উইথ মি, ডিম্পল উইলাবাস প্রেসিডেন্ট ও সিইও রিদম নেশন এন্টারটেইনমেন্ট, রোকসানা আহমেদ প্রতিষ্ঠাতা, রোকসানা হালাল ডেলাইটস, পুজা রাই প্রতিষ্ঠাতা স্টেটস ভেনচার করপোরেশন, নাহিদ আহমেদ, প্রেসিডেন্ট ও সিইও আরবান সাটার, মাহবুবা রহমান সিইও ইনফিনিটি বিউটি বার, আনা গাজারা, চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার ভারসাইলস ভেনচার, অর্পি আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা ব্রাইড বাই অর্পি, মেহেজাবিন মাহাবুব মেহা, সিইও ওমেনস ফ্যাশন, সাহেরা চৌধুরী কো ফাউন্ডার এস জে ইনোভেশন, ফাতেমা নাজনীন প্রিসিলা, প্রতিষ্ঠাতা প্রিসিলা নিউইয়র্ক আই এন সি, মেগডালিনা কুলিটস, সিইও অরেঞ্জ রিভার মিডিয়া ও ফারজানা হক চেয়ারম্যান হাইমোকান্তি ট্রেড করপোরেশন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মেকডালিনা কুলসিজ, ও চেম্বারের পরিচালক শেখ ফরহাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের প্রধান কার্যনির্বাহী ও প্রেসিডেন্ট লিটন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন লুইস, নিউইয়র্ক স্টেট এসেম্বলিম্যান ডেভিড আই. ওয়েপ্রিন, দিলীপ চৌহান, ডেপুটি কমিশনার, দ্যা নিউইয়র্ক সিটি, মেয়র অফিস ফর ইন্টারন্যাশনাল এফ্যায়ার, অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী, ডেমোক্রেট ডিস্টিক লিডার, এট লার্জ কুইন্স নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লীসা সরিন, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, ব্রঙ্কস চেম্বার অফ কমার্স। অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাহেরা চৌধুরী, কো-ফাউন্ডার, এস জে ইনোভেশন, পুজা রায়, ফাউন্ডার এন্ড সিইও, স্ট্যাটস ভেঞ্চার্স ইনক, মেকডালিনা কুলসিজ, নাহিদ আহমেদ, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, উরবান সেটার, আহাদ আলী, সিইও, আহাদ এন্ড কোং-সিপিএ, ইমরান ভূঁইয়া, ডাইরেক্টর অব সেলস, এক্সিট রিয়েলিটি প্রিমিয়াম, সাহেদ ইসলাম, ফাউন্ডার এস জে ইনোভেশন সহ আরো অনেকে। স্বাগত বক্তব্যে ইউএস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান কার্যনির্বাহী, মো. লিটন আহমেদ বলেন, আমরা সবাই এখানে জড়ো হয়েছি এই অঞ্চলে এবং এর বাইরেও নারী উদ্যোক্তা দিবসের অর্জন উদযাপন করতে। আজকের সামিটে নতুন উদ্যোক্তারা তাদের কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জনে কিভাবে কাজ করেছে তা বিভিন্ন শ্রোতাদের জন্য একটি ইন্টারেক্টিভ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ এবং তথ্য গ্রহণ করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দেয়। এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের নানান পেশাদারদের সাথে পরিচিত হবার সুযোগ করে দিয়েছে এবং তাদের সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলির নিয়ে আলোচনা করারও সুযোগ পেয়েছে। এই সামিট নতুন নারী উদ্যোক্তাদের তাদের পরবর্তী পরামর্শদাতা, বন্ধু এবং ক্লায়েন্টদের সাথে সংযুক্ত করবে, বলেন তিনি। বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি লক্ষ করা যায়। কারণ সামাজিক ও পারিবারিক দায়বদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা বিশেষ বাধা হয়ে দাঁড়ায় না বলে অনলাইন ভিত্তক উদ্যোগে নারীরা খুব স্বচ্ছন্দেই পদচারণা করতে পারে। এ আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সহ সভাপতি ইউএসবিসিসিআই-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট বখত রুম্মান বিরতীজ, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, সংগঠনের পরিচালক শেখ ফরহাদ, উইমেন এম্পাওরমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন রুমা আহমেদ, একসপো ইউএসবিসিসিআই বদরুদুজ্জা সাগর, শেখ ফারজানা প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হোক, প্রত্যাশা বার্নিকাটের

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলোর অব্যহত বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করেছেন মার্সা বার্নিকাট। বাংলাদেশের সাবেক এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত দেশটির অব্যহত উন্নয়ন এবং আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয় সে ব্যাপারেও তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান বিজয় দিবস উদযাপন আয়োজনে অংশ নিয়ে এনআরবি কানেক্ট টেলিভিশনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।মার্সিয়া স্টেফেন ব্লুম বার্নিকাট বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।  তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশের নেওয়া সকল নীতি ও উদ্যোগগুলো আমাকে গর্বিত করেছে। এখন বাংলাদেশ এই সঙ্কটকে অতিক্রম করে গেছে। এছাড়াও বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছে সেগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।বার্নিকাট আরও বলেন, "দেশটিতে নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। আমি চাই একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সংগঠিত হোক। আর এই বিজয় দিবসে এই প্রত্যাশাই করি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হোক।"   বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করার পর মার্সা বার্নিকাট আরও বলেন, সবসময়ের মতো এবারও দূতাবাসের বিজয় উদযাপন ছিলো অসাধারণ। "আমার সবসময়ই নাচের আয়োজনগুলো দেখতে ভালো লাগে। বিশেষ করে এখানকার তরুণ-তরুণীরা যখন তাদের নৃত্যকলা প্রদর্শণ করে আমি ভীষণ উপভোগ করি।" কোভিড-১৯ এর পর এবার আমরা আবার সশরীরে হাজির হয়ে এই আনন্দ উদযাপন করতে পারছি, এটাও ভালো লাগছে। এখানে সকল বাংলাদেশি বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা হয়ে গেলো, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, বলছিলেন মার্শা বার্নিকাট। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি কমিউনিটির অতি পরিচিত মুখ, শিক্ষা ও আইটি প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিযার আবুবকর হানিপ এসময় মার্শা বার্নিকাটের পাশে ছিলেন। বাংলাদেশকে তিনি ভীষন মিস করেন, বাংলাদেশের জন্য তিনি ভীষণ হোমসিক বোধ করেন এমনটাই বলছিলেন মার্সা বার্নিকাট। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মসলাদার খাবারগুলোও তার প্রিয়। দূতাবাসের ডিনারে সেই খাবারগুলো খেতে পারবেন বলেও তার ভালো লাগছে। বাংলাদেশের কথা তিনি আজও তার নতুন কর্মস্থলের সবাইকে শেয়ার করেন। বাংলাদেশ কখনো তার হৃদয় থেকে মুছে যাবে না, বলছিলেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কথা উল্লেখ করে মার্সা বলেন, বাংলাদেশ এখন একজন অসাধারণ রাষ্ট্রদূতকে পেয়েছে। অ্যাম্বাসাডার হাস আমার খুব প্রিয় বন্ধু, দারুণ এক সহকর্মী। আমি সত্যিই গর্বিত পিটার হাসের মতো এক রাষ্ট্রদূত এখন বাংলাদেশে নিযুক্ত রয়েছেন। 'জয়বাংলা' বলে সাক্ষাৎকারটি শেষ করেন মার্শা বার্নিকাট। 

post
বিনোদন

নিউইয়র্কে গান-কবিতা-অভিনয়-আলোচনায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ‘পঞ্চম হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন’। ১১ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় একটি পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের আয়োজন করে ‘শোটাইম মিউজিক’। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রবাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও কবি বেলাল বেগ।এ সময় বেলাল বেগ বলেন, মানুষকে আকর্ষণ করার অসম্ভব এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছিলেন লেখক হুমায়ূন আহমেদ, যিনি ছিলেন একজন জাদুকর। তার লেখায়, তার ব্যক্তিত্বে, সর্বোপরি তার কাজে তিনি অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন। অপর বক্তারা বলেন, লেখক হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের অন্যতম। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র। প্রবাসে বসবাসরত কবি ও লেখকদের প্রকাশিত বই সমূহ প্রদর্শন করা হয় এ সম্মেলনে। বই বিনিময়, প্রদর্শন ও বিক্রয় অনুষ্ঠান সকলে উপভোগ করেছেন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে ছিল চিত্রাঙ্কন, গানে গানে হুমায়ূন, মুক্ত আলোচনা: লেখকের ভাবনায় হুমায়ূন, হুমায়ূন সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বদেশ প্রেম, আবৃত্তি, আমার আছে জল, হুমায়ূন স্মৃতিচারণ এবং গল্পে গল্পে হুমায়ূুন। সম্মেলনে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঞ্জলি শিল্পী গোষ্ঠী। সঙ্গীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় শিল্পী এস আই টুটুল এবং সেলিম চৌধুরী, সেলিম ইব্রাহীমসহ অনেকে। সমবেত সংগীত পরিচালনায় ছিলেন-চন্দন চৌধুরী। এতে অংশ নেন হুমায়ূন ভক্ত সকলে। চিত্রাঙ্কন পরিচালনায় ফারজিন রাকীবা ও আবু সাঈদ রতন, সহযোগিতায় ছিলেন ড. হাফসা সিদ্দীকা, আলমা ফেরদৌসী লিয়া, খালেদ সরফুদ্দীন, সুমন শামসুদ্দীন ও শিবলী সাদিক। মুক্ত আলোচনা পর্বে লেখকের ভাবনায় হুমায়ূন, পরিচালনায় ছিলেন রওশন হাসান ও শারমিন রেজা ইভা। এ পর্বে অংশ নেন প্রবাসে বসবাসরত কবি ও লেখকবৃন্দ। হুমায়ূুন সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বদেশ প্রেম,পরিচালনায় ছিলেন মোশাররফ হোসাইন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বেলাল বেগ, অধ্যাপিকা হোসনে আরা, তমিজউদ্দীন লোদী, ফকির ইলিয়াস, ফাহিম রেজা নূর ও ড. মহসিন আলী। ‘আমার আছে জল’ নিয়ে আলোচনা পর্ব পরিচালনায় ছিলেন জি এইচ আরজু ও সাবিনা নিরু। অংশ নেন কবি তমিজউদ্দিন লোদী, শামস আল মমিন, সোনিয়া কাদের, আনোয়ার সেলিম, লায়লা ফারজানা। কবিতা আবৃত্তি করেন আনোয়ারুল লাভলু, নজরুল কবির, নাশ নাসরিন, আহসান হাবিব, পিংকি চৌধুরী ও নীলুফার যারীন ও সিনহা মনসুর। হুমায়ুন আহমেদের রচনা নিয়ে স্মৃতিচারণ পর্বের পরিচালনায় ছিলেন ছন্দা সুলতান। অংশগ্রহনে: আবু রায়হান, রওশন হাসান, এ বি এম সালেহ উদ্দিন। নৃত্যাঞ্জলি পরিচালনায় ছিলেন চন্দ্রা ব্যানার্জী ও তার দল। ‘গল্পে গল্পে হুমায়ূন’ পর্বটি পরিচালনায় ছিলেন মনজুর কাদের ও শিশুরা। হুমায়ূন স্মৃতিচারণ পর্ব পরিচালনায় ছিলেন এ বি এম সালেহ উদ্দিন। অংশগ্রহণে ছিলেন বেলাল বেগ, শারমিন রেজা ইভা, শামীম শাহেদ। আগামী জুনের ৩-৪ তারিখ দু’দিনব্যাপী আরও বর্ধিত পরিসরে হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করেন হোস্ট সংগঠন ‘শোটাইম মিউজিক’র স্বত্বাধিকারী আলমগীর খান আলম।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.