post
আন্তর্জাতিক

আনন্দঘন ঈদ ভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

এলামী মোঃ কাউসার, কায়রো, মিশরগত ২৮ জুন বুধবার সন্ধ্যায় পবিত্র ঈদুল আদহা উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন,মিশর’ এর উদ্যোগে কায়রো শহরের সুপ্রসিদ্ধ তাইসির হলে উদযাপিত হয় আনন্দঘন ঈদুল আদহা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। লাল সবুজের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে, ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে, পরিবারের প্রিয়জনদের রেখে, নীলনদ আর পিরামিডের দেশে, শিক্ষার্থীদের একাকীত্বের ঈদ, আনন্দমুখর করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন। ঈদের সন্ধ্যায় মহাগ্রন্থ আল-কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। সাধারণ সম্পাদক, জনাব সাইমুম আল-মাহদী ও শিক্ষা-সংস্কৃতি সম্পাদক আবদুর রহমানের যৌথ উপস্থাপনায়, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইত্তেহাদের ২০২২-২৩ সেশনের কার্যকরী পরিষদের সভাপতি জনাব নাজিব শাওকি। সভাপতি মহোদয় উদ্ভোধনী বক্তব্যে বলেন, বিদেশের মাটিতে সকল বাংলাদেশী শিক্ষার্থী যেন মিলেমিশে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করতে পারে ঈদের আমেজ সেই লক্ষেই এ মিলনমেলা ও জাঁকজমকপূর্ণ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। তিনি সকলকে কুরবানীর আত্মত্যাগের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করার মাধ্যমে, সত্যিকারের মানুষ রুপে নিজেকে গড়ে তুলার আহ্বান‌ও জানান। সভাপতির উদ্ভোধনী বক্তব্যের পর ‘ইত্তেহাদ সাংস্কৃতিক ফোরাম’ এর শিল্পীবৃন্দ মন মাতানো সুরের মূর্সনায় উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী ও শিশু-কিশোরসহ সকলকে‌ই উপহার দেয় এক স্মরনীয় মুগ্ধ প্রহর। অনুষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে সকলের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, মো. তাজদীদ বিন ওয়াদুদ ও জনাব মাজহারুল ইসলাম। সর্বশেষ দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বের সমাপ্তি ঘোষনা করেন উপদেষ্টা প্রধান শিহাব উদ্দীন। এরপর শুরু হয় ঈদ ভোজন পর্ব। ইত্তেহাদের পক্ষ থেকে কুরবানীকৃত গরুর ভুনা গোশতের মৌ মৌ ঘ্রাণ পূর্ণতা এনে দেয় সকল শিক্ষার্থীর ঈদ আনন্দে। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও ঈদ ভোজনসহ বাহারি আয়োজন উপভোগ করে উপস্থিত পাঁচশত শিক্ষার্থীর মুখে যখন আনন্দের হাসি ফুটে উঠে তখন আড়ালে ঘাম ঝরানো দায়িত্বশীলগণের হৃদয়‌ও পুলকিত হয়ে উঠে ত্যাগ ও কুরবানীর আমেজে।

post
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসব আমেজে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত !

মুসলিম বিশ্বসহ সমগ্র মানবতার কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসব আমেজে ২৮ জুন বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা। চমৎকার আবহাওয়া থাকায় বিভিন্ন মসজিদের ব্যবস্থাপনায় খোলা মাঠে ও মসজিদে ঈদ জামাতে মানুষের ঢল নেমেছিল। সকালে সপরিবারে মসজিদে মসজিদে নামাজ আদায় করেন তারা। মসজিদে মসজিদে ধ্বনিত হতে থাকে- আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর... লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু...আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর... ওয়ালিল্লাহিল হামদ।যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ অ্যাডামস সেন্টারে মুসলমানদের ঢল নামে ঈদের জামায়াত আদায়ের জন্য। মসজিদে চারটি জামাত অনুষ্টিত হয়। সেখানে যোগ দেন এই অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই। এখানে বিপুল সংখ্যক নারী জামাতে অংশ নেন। এই মসজিদে নামাজ আদায় করেন কমিউনিটির সুপরিচিত মুখ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ ও সিএফএ ফারহানা হানিপ। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে বায়তুল মোকাররম মসজিদে চারটি জামাত অনুষ্টিত হয়। সকাল ৮টা ৯টা ১০টা ও ১১টায় অনুষ্ঠিত এসব জামাত। এই মসজিদেও বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি মুসলিম ঈদের নামাজ আদায় করেন। ভার্জিনিয়ার গ্রিনসভিলেও হয়েছিলো বিশাল জমায়েত। পুরষদের পাশাপাশি ছিলো নারীদের উপস্থিতি। ওয়াশিংটন ডিসি ইসলামিক সেন্টারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সোয়া ১০টায়। ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক ঈদুল আজহার নামাজের আয়োজন করে। ভার্জিনিয়ার দার আল নূর মসজিদ, দার আল হুদা, ফাতেমা মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।নিউইয়র্কসহ আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে বসবাসরত মুসলমানরা এদিন সপরিবারে নিকটস্থ মসজিদ ও খোলা মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। নিউইয়র্কে ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কুইন্সে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের আয়োজনে থমাস হাইস্কুল খেলার মাঠে। অন্য জামাতগুলোর মধ্যে ছিল জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক ঈদগাহ, ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদ, পার্কচেস্টার জামে মসজিদ, নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদ, ওজোন পার্কে মসজিদ আল আমান, এস্টোরিয়ায় আল আমিন মসজিদ, ব্রুকলিনে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার ও বায়তুল জান্নাহ মসজিদ।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনবহুল ও বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, ইলিনয়স, কলারাডো, ডেলাওয়ার, জর্জিয়া, কানসাস, ম্যারিল্যান্ড, মিশিগান, সাউথ ক্যারোলিনা, ওয়াশিংটন ও কেন্টাকি’র বিভিন্ন মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার ও দেড় শতাধিক খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে খবর পাওয়া গেছে। এসকল মসজিদে মসজিদে খুতবায় ঈদুল আযহার নামাজের তাৎপর্য এবং বর্তমান মুসলিম বিশ্বে ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে মুসলমানদের কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মুসলিম বিশ্বের শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষভাবে মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের গৌরবে গৌরবান্বিত মুসল্লিরা কোলাকুলি করে পরষ্পরের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদের নামাজ শেষে প্রবাসের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করেন এই ধর্মীয় উৎসব। অপরদিকে গ্রোসারীর মাধ্যমে অনেকেই মহান আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য খাসী ও গরু কোরবানী দেন। যার কারণে দোকানগুলোতে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা গেছে সবাইকে। কোরবানীর মাংস হাতে পাওয়ার পর সেই মাংস আত্বীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের বাসায় বাসায় গিয়ে বিতরণ করা হয়। ঈদের জামাত আদায় ও পশু কোরবানি এবং প্রিয় জনের সান্নিধ্যে থেকে নানারকম উপাদেয় খাবার খেয়ে দিনটি কাটিয়েছেন এখানকার মুসলিম কমিউনিটির মানুষগুলো

post
শিক্ষা

বর্ণিল আয়োজনে সম্পন্ন ডব্লিউইউএসটির সমাবর্তন ২০২৩, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের শুভেচ্ছা

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের একটি শুভেচ্ছাপত্র পেলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র গ্রাজুয়েটেড শিক্ষার্থীরা। শনিবার ১৭ জুন ছিলো এই গ্রাজুয়েশন সেরিমনি। ক্লাস অব টোয়েন্টি টোয়েন্টিথ্রি। গাউন ও হ্যাট পরে শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশন প্যারেডে অংশ নেন। আর গ্রহণ করেন গ্রাজুয়েশন সনদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৬ জন শিক্ষার্থী পেলেন এই সমাবর্তন।এক আলোঝলমল বিকেলে ভার্জিনিয়ার জর্জ সি মার্শাল হাইস্কুল প্রাঙ্গণটি ভরে উছেছিলো কালো ও কমলার গাউন পরা নব্য গ্রাজুয়েটদের আনাগোনায়। আর অভ্যাগত অতিথিরা পরে ছিলেন কালোর সঙ্গে আর হরেক রঙ মিশিয়ে- কোনোটি নীল, কোনটি মেজেন্টা কিংবা লাল। সব মিলিয়ে এক বর্ণিল গ্রাজুয়েশন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা বহন করে এনেছিলেন তারই সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বব জে ন্যাশ। চিঠিতে সাবেক ইউএস প্রেসিডেন্ট ডব্লিউইউএসটির কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। ডব্লিউইউএসটি যেভাবে শিক্ষার সেবা দিয়ে যাচ্ছে এই সেবা যেন অব্যাহত থাকে তার আহ্বান জানান। আর গ্রাজুয়েটড শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "পরিবর্তনশীল পৃথিবীটাকে সঠিক পথ ধরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব এখন আপনাদের।" সমার্তন শুরু হয় দুপুর ২টায়। তখন গাউনধারী শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশন প্যারেড করে নির্ধারিত নিজ নিজ আসনে বসেন। ওদিকে আগে থেকেই মঞ্চ ততক্ষণে ঝলমল গুরুত্বপূর্ণ সকল উপস্থিতিতে। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ, শিক্ষকরাও। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব। এরপর মঞ্চে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ। তুলে ধরেন তার জীবনের গল্প। সাফল্যের পথটি যে নয় মসৃণ। সেখানে কত থাকে উত্থান-পতনের গল্প তা তুলে ধরেন। আনুষ্ঠানিক সমার্বতন বক্তৃতায় তিনি গ্রাজুয়েটেড শিক্ষার্থীদের উদ্যেশ্যে বলেন, জীবনের প্রকৃত যুদ্ধ এখান থেকেই শুরু, একটা দৃঢ়চেতা মন নিয়ে অব্যহত চেষ্টাই পারবে জীবনের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে। সমাবর্তনে প্রধান অতিথি ও কি-নোট স্পিকার ছিলেন সাবেক ইউএস রিপ্রেজেন্টেটিভ জিম মোরান। তার উপদেশমূলক বক্তব্য মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শোনেন শিক্ষার্থী তথা অভ্যাগত অতিথিরা। নিয়মিত শারিরিক ব্যায়াম করা, প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা, এবং নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ রাখেন তিনি। গেস্ট স্পিকার ছিলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সের স্টেট সিনেটর চ্যাপ পিটারসেন। মাস্টার্স সম্পন্ন করা গ্রাডুয়েটদের তাদের শিক্ষার আলো নানা ভাবে সর্বত্র ছড়িয়ে দেবার আহবান জানান। তিনি বলেন, ডাইভারসিটিই যুক্তরাষ্ট্রের সেরা সৌন্দর্য। একজন প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে আবুবকর হানিপ এখানে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছেন যা আমাদের গৌরবান্বিত করে, বলেন চ্যাপ পিটারসেন। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির গ্রাজুয়েটদের এবং কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানান ইউএস সেনেট মেজোরিটি লিডার চ্যাক শুমার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সকল সেক্টেরেই রয়েছে শিক্ষার্থীদের সুযোগ, এই সুযোগকে কাজে লাগাতে এগিয়ে যেতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেটা পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেন সেনেটর চাক শুমার। ভিডিও বার্তা পাঠান কংগ্রেস ম্যান গ্যারি কন্নলী ও কনগ্রেস উইম্যান গ্রেস মেং। অনুষ্ঠানে অভ্যাগত অতিথি হয়ে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে স্বীয় ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত অন্য আরও অনেক বাংলাদেশি-আমেরিকান। যারা এই গ্রাজুয়েশন-কনভোকেশনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি-আমেরিকান জর্জিয়ার ডেমোক্র্যাট স্টেট সেনেটর শেখ রহমান তুলে ধরেন তার জীবনে গল্প। একটি বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি তার জীবনটাকে কিভাবে বদলে দিয়েছে তা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে। টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্যে তুলে আনেন কতগুলো ডিগ্রি তাকে নিতে হয়েছে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে, নেতৃত্বের দিকে এগিয়ে নিতে। আইটি বিশেষজ্ঞ ও আইটি উদ্যোক্তা ড. ফয়সাল কাদির নব্য গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন পরবর্তী করণীয় দিকগুলো। প্রকৌশল উদ্যোক্তা ও ফিলানথ্রপিস্ট, মোলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি সৈয়দ জাকি হোসেন বলেন, অসীম সম্ভাবনা দেশ এই যুক্তরাষ্ট্র। শিক্ষার্থীদের সামনে রয়েছে অপার সুযোগ। বক্তব্য রাখেন ডব্লিউইউএসটির উপদেষ্টা মো: মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা মো: সিদ্দীক শেখ। বিশ্ববিদ্য্যলয়ের সিএফও ডব্লিউইউএসটির সিএফও ফারহানা হানিপ শিক্ষাউদ্যোগে তার পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভর্সিট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারকেই খুঁজে পাবে এই ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্কুল অব বিজনেসের কেলি ডি আলসেন্টারা এবং ইনফরমেশন টেকনোলজিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করে সনদপ্রাপ্ত অফুনি এডা আগাডা। তারা তাদের এগিয়ে যাওয়ার উদ্দীপনার কথা তুলে ধরেন। যা তারা পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টিদের কাছ থেকে। পরে একে একে শিক্ষার্থীদের মাঝে তাদের গ্রাজুয়েশন ডিগ্রির সনদ তুলে দেওয়া হয়। প্রথমেই মঞ্চে আসে স্কুল অব আইটির গ্রাজুয়েটরা। এই স্কুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. পল এপোস্টোলস আগাসপোলস শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন। আর স্কুল অব বিজনেসের গ্রাজুয়েটদের সনদ দেন এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন। শিক্ষার্থীরা সনদ নিয়ে ছবি তোলার সুযোগ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবুবহর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের সঙ্গে।পরে সনদ হাতে শিক্ষার্থীরা নিজ আসনে বসলে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রিপ্রাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করেন ড. হাসান কারাবার্ক। শিক্ষার্থীরা তাদের গ্রাজুয়েশন হ্যাটে ট্যাসলটি ডান দিক থেকে বাম দিকে সরিয়ে দিয়ে গ্রাজুয়েশন রিচুয়াল শেষ করে। আর এর পরপরই সেই অনন্য দৃশ্য। শিক্ষার্থীরা তাদের হ্যাট খুলে ছুঁড়ে মারে উপরে আর মেতে ওঠে আনন্দ উদযাপনে। যা শেষ হয় ফটো সেশনের মধ্য দিয়ে। সনদ বিতরণ শেষে অভ্যাগত অতিথিরা যোগ দেন কনভোকেশন ডিনারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম, ড. শ্যান চো, অ্যাসোসিয়েট ডাইরেক্টর ড. হুয়ান লি ছাড়াও শিক্ষকদের অনেকেই অংশ নেন এই কনভোকেশনে। মাস্টার অব দ্য সেরিমনি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা র্যাচেল রোজ। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জি. আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ- বিবিএ কোর্সে বর্তমানে প্রায় ১৫'শো শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। যার মধ্যে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে ৬শর মত। বিশ্বের ১২১ দেশের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যয়নরত রয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৭.৮৮ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানি এর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটিইএক্সএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ৩ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারের পোশাক পণ্য রপ্তানি করেছিল। কিন্তু এই বছর এর পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার।২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি করে ৯ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সব দেশ থেকে পোশাক আমদানি কমিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশ। তবে চলতি বছরের এপ্রিলে তা কমে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে আসে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি কমেছে, কিন্তু এরপরেও আগামী আরও কয়েক মাস সেখানে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানি কমই থাকতে পারে। তিনি বলেন, 'মার্কিন ক্রেতারা পোশাকের মতো খাতে এখনো কম অর্থ ব্যয় করছেন। তাই আমরা আশা করছি যে আমাদের রপ্তানি ডিসেম্বর নাগাদ স্বাভাবিক হবে।' 'চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি মূল্যমান বিবেচনায় ১৯ শতাংশ এবং আকার বিবেচনায় ৩০ শতাংশ কমেছে', যোগ করেন তিনি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোয় আরও কয়েক মাস এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ওটিইএক্সএর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অন্যান্য পোশাক রপ্তানিকারকদের তুলনায় বাংলাদেশ ভালো করছে। বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় পোশাক সামগ্রী রপ্তানিকারক দেশ চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে ৩২ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমেছে। ভিয়েতনাম থেকে রপ্তানি ২৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ভারত থেকে ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়া থেকে রপ্তানি ২৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। ওটিইএক্সএর তথ্য বলছে, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র ২৫ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ে তুলনায় ২২ দশমিক ১৫ শতাংশ কম।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

ওয়াশিংটন ডিসি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১ মে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে অংশীদারিত্বের ৫০ বছর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজ ওয়াশিংটন ডিসিতে এসে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ২৮ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে মিনিটে (স্থানীয় সময়) ওয়াশিংটন ডিসির ডালাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান। ওয়াশিংটন ডিসিতে সাত দিনের সফর শেষ করে তিনি যুক্তরাজ্য ও কমনওয়েলথ রাজ্যের রাজা ও রানী হিসাবে তৃতীয় চার্লস এবং তার স্ত্রী ক্যামিলার রাজ্যাভিষেকে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ৪ মে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ চার্টার্ড ভিভিআইপি ফ্লাইট (বিজি১৪০৩) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে (স্থানীয় সময়) টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে একই দিনে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ চার্টার্ড ভিভিআইপি ফ্লাইট (বিজি১৪০৩) জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে তাঁর ১৫ দিনের সরকারি সফরের প্রথম ধাপে সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়। জাপানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সম্বর্ধনা জানানো হয় এবং বিমানবন্দরে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। তাঁর জাপান সফরকালে ঢাকা ও টোকির মধ্যে কৃষি, মেট্রো রেল, শিল্প উন্নয়ন, জাহাজ রিসাইক্লিং, শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়, মেধা সম্পদ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, আইসিটি ও সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা সহ আটটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । গত ২৬ এপ্রিল শেখ হাসিনা জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একই দিনে, তিনি চুক্তি স্বাক্ষরের পর তার জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। প্রধানমন্ত্রী গত ২৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চারজন জাপানি নাগরিককে ‘ফ্রেন্ডস অফ লিবারেশন ওয়ার অনার’ প্রদানের পাশাপাশি একটি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন এবং একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন। টোকিও সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশির সঙ্গে বৈঠক এবং জাইকা, জেট্রো, জেইবিআইসি, জেবিপিএফএল ও জেবিসিসিইসি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকসহ একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেন। শেখ হাসিনা জাপানের প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রী আকি আবে এবং একজন জাপানি স্থপতি তাদাও আন্দোর সাথেও বৈঠক করেছেন। বোন শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। আগামী ৯ মে লন্ডন থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

post
আন্তর্জাতিক

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, এমপি, উদীয়মান বাংলাদেশ এবং এর আর্থসামাজিক অর্জনের বিষয়ে ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘আটলান্টিক কাউন্সিল’-এর সাউথ এশিয়া সেন্টার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক কূটনীতি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং প্রধান শক্তিগুলির সাথে সম্পর্ক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি চমৎকার আর্থসামাজিক অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের অসাধারণ সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। পরে তিনি কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রের সিনিয়র ডিরেক্টর প্রফেসর ডঃ ইরফান নুরুদ্দিনের সঞ্চালনায় একটি প্রাণবন্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।সভায় অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট, এর নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন। আইআরআই কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন যা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড্যানিয়েল টুইনিং সভা সঞ্চালনা করেন। এ দুটি অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা) জনাব খন্দকার মাসুদুল আলম এবং ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবুর্ক এবং চ্যান্সেলর ও প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বক্তব্য রাখেন। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে 'ম্যাজিক ম্যান' আখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর বাংলাদেশি-আমেরিকান সফল উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানপিকে 'ম্যাজিক ম্যান' বলে আখ্যায়িত করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের আমন্ত্রিত সফরে থাকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে তিনি এ মন্তব্য করেন। উদ্বোধনের দু'বছর পর এসে বিশ্ববিদ্যালয়র শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নতি ও ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা পাঁচগুন বৃদ্ধি দেখে তিনি বলেন আবুবকর হানিপ একটি সফলতার গল্পের নাম। আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে যে ল্যান্ড অব অপরচিউনিটি বলা হয় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ তা প্রমাণ করিয়ে দেখিয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি পূর্ণ সহযোগীতা থাকবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে পরিদর্শনে সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান। প্রথম বারের মত ক্যাম্পাস পরিদর্শনে এসে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনিও। প্রথম কোন বাংলাদেশি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ২০২১ সালে একটি পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব নেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। যার উদ্বোধন করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। দুই বছরে ব্যবধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আবারো পেয়ে আবেগ আপ্লুত ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ। অল্প সময়ের পথচলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনে যে সব নতুন পালক যোগ হয়েছে তিনি তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। জানান তিনশো থেকে ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন প্রায় ১৫শ। তার মাঝে ৬শর মত বাংলাদেশি স্টুডেন্ট। জুলাই থেকে নিজেদের নতুন ক্যাম্পাসে শুরু হতে যাচ্ছে কার্যক্রম। যোগ হবে নার্সি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স, ডেটাসায়েন্সসহ নতুন কিছু প্রোগাম। নিজেদের বক্তৃতার শেষে ড. মোমেন নামে এক লাখ ডলারের স্কলারশিপের ঘোষণা দেন আবুবকর হানিপ। অল্প সময়ের ব্যবধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দ্বিতীয়বারের মতো পেয়ে নিজেদের ইচ্ছাস প্রকাশ করেন ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক. প্রধান অর্থকর্মকর্তা ফারহানা হানিপ, ডিরেক্টর অব স্কুল অব বিজনেস ড. মার্ক এল রবিনসন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তাগনকে আমন্ত্রিত অতিথীদের সাথে পরিচয় করিয়েদেন ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট। পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই সফরের জন্য তারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের কনসূল্যার মিনিস্টার ব্রিগেডিয়ার মো: হাবিবুর রহমান, প্রেস মিনিস্টার এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন ও ফার্স্ট সেক্টেটারি আতাউর রহমান। আয়োজনের শেষ ভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, অ্যাম্বাসিডর মোহাম্মদ ইমরানসহ আগত অতিথীদের হাতে উপহার তুলে দেয়া হয়। ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পররাষ্টমন্ত্রীর এই পরিদর্শন। যাবার আগে আশ্বাস দিয়ে যান নতুন ‌ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু হলে তিনি আবারও আসবেন।

post
আন্তর্জাতিক

আইএওটিপির-২০২৩'র সেরা অ্যাটর্নিদের একজন হলেন বাঙ্গালী মেয়ে মোহাইমিনা

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব টপ প্রোফেশনালাস অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এর শীর্ষ অ্যাটর্নিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাঙ্গালী পরিবারের সন্তান অ্যাটর্নি মোহাইমিনা হক। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে তার প্রতিষ্ঠিত পিএলএলসি ল’ ফার্মের মাধ্যমে পেশাগত জগতে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। চলতি বছরের ২ ডিসেম্বরে নিউইয়পিকের আইকনিক প্লাজা হোটেলের আইএওটিপির বার্ষিক গালা নাইটে তাকে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করা হবে। প্রতি বছর বিভিন্ন পেশায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাটর্নি, এ্যাক্সিকিউটিভ শিল্পী ও অন্য পেশাদের মধ্য থেকে সেরাদের তালিকা প্রকাশ করে আইএওটিপি। পেশাগত দক্ষতা, একাডেমিক কৃতিত্ব, নেতৃত্বের দক্ষতা, কর্মক্ষেত্রে স্থায়ীত্বসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ বিচার করে তৈরি করা হয় সেরাদের তালিকায়। সে সব যোগ্যতার ভিত্তিতে এই বছরের সেরা অ্যাটর্নিদের তালিকায় যারা জায়গা করে নিয়েছেন মোহাইমিনা হক। মোহাইমিনা হক তার ক্লায়েন্টদের কাছে পরিচিত ‘অ্যাটর্নি মিনা’ নামে। ব্যাক্তিগত ও যে কোন প্রতিষ্ঠানের জটিল সব কেস দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে সমাধান দিয়ে থাকেন তিনি। যার কারণে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে মিনা বেশ পরিচিত একটি নাম। আইনী পরামর্শক হিসেবে পেশাগত জগতে বেশ জনপ্রিয় তিনি। সেবা গ্রহনকারীদের পরার্মশ দেয়া থেকে আদালতে গিয়ে প্রতিনিধিত্ব করা পর্যন্ত ব্যাপক সহায়তা করার বিশেষ সুনাম রয়েছে তার। কর্পোরেট আইন, অভিবাসন আইন, টর্ট আইনসহ আর বেশ কিছু বিষয়ে মিনা আইনি সেবা দিয়ে এসেছেন সফলতার সাথে। এছাড়া ব্যক্তিগত সমস্যা, বাণিজ্যিক চুক্তি, ফ্র্যাঞ্চাইজি আইন, মানহানি, ভোক্তা অর্থ এবং ট্রেডমার্ক, শক্তিশালী ট্র্যাক রেকর্ড, মিথ্যা বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটন ডিসি-তে আইনী সেবা প্রদান করে থাকেন। এই সফলতার হার বিবেচনা করেই আইএওটিপির সেরা অ্যাটর্নিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মোহাইমিনা। সোশাল ও পাবলিক পলিসি বিষয়ের উপর জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোহাইমিনা হক তার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর করেন। এরপর তিনি আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ওয়াশিংটন কলেজ অফ ল থেকে মর্যাদাপূর্ণ কাম লাউড ডিস্ট্রিঙ্কশনের সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবন শুরুর পর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রয়াত সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির অফিসে নির্বাচকদের জন্য অভিবাসন মামলায় কাজ করেছিলেন। কাজ করেছেন ভার্জিনিয়া সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারের হয়েও। এছাড়া তিনি ওবামা প্রশাসনের সময় হোয়াইট হাউসে ইন্টার্নশিপের জন্য যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রেসিডেন্টের কার্যনির্বাহী অফিসে ডোমেস্টিক পলিসি কাউন্সিলে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বব্যাপী কাজ করার জন্য তিনি বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। চলতি বছর তাকে আইএওটিপি-এর ক্ষমতাপ্রাপ্ত নারী পুরস্কারের জন্য এবং টাইমস স্কোয়ারের বিখ্যাত নাসডাক বিলবোর্ডে প্রদর্শনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া ২০২১ সালে ওয়াশিংটনিয়ান ম্যাগাজিন মোহাইমিনা হককে একজন অসাধারণ নারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোহাইমিনার জন্ম বাংলাদেশে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে। তারা দাদা ফিরুজোর রহমান মাস্টার ছিলেন ফরিদপুরের বিখ্যাত একজন ব্যবসায়ী। আর নানা আদিলুদ্দিন আহমেদ ছিলেন যুক্ত ফ্রন্টের সাবেক মন্ত্রী। মোহাইমিনা এক বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন। তারা বাবা মিজানুর রহমান বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ড্রাসি বিসিআইয়ের একজন ডিরেক্টর। দুই ভাই বোনের মধ্যে মোহাইমিনা বড়। একই পেশায় আছেন মোহাইমিনার স্বামী মো: এহতেশামুল হকও। তিনি প্রযুক্তি ও লেনদেন বিষয়ক অ্যাটর্নি। দুই কন্যা ও স্বামীসহ পরিবার নিয়ে মোহাইমিনা বসবাস করেন ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রো এলাকায়।

post
আন্তর্জাতিক

মুসলিম কমিউনিটির ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্য স্টার্লিংয়ে হলো প্রথম আমিন-অ্যাডাম অ্যাক্সপো

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার স্টার্লিংয়ে মুসলিম কমিউনিটিকে নিয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো আমিন-অ্যাডাম অ্যাক্সপো। ১৮ মার্চ শনিবার আমিন প্রজেক্ট ও অ্যাডাম সেন্টারের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় একদিনের এই অ্যক্সপো।ডিএমভি এরিয়ার অর্ধশতাধিক নানা রকম পণ্য ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহনের বাণিজ্যিক এই প্রদর্শনীতে ভিড় করে মুসলিম কমিউনিটির হাজারো দর্শনার্থী। বেশ কিছু অন্যান্য কমিউনিটি বেজড কাজের পাশাটাশি মুসলিম ব্যবসায়ী ও উদোক্তাদের এক সাথে মিলিত করা এবং তাদের ব্যবসায়িক উন্নয়নের লক্ষ্যে দুই বছর আগে থেকে কাজ শুরু করে আমিন প্রজেক্ট। সেই প্রজেক্টের অধীনে বিজেনেস নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে অ্যাডাম সেন্টারের সাথে যৌথভাবে আয়োজন করে এই অ্যাক্সপোর। একদিনের এই অ্যাক্সপোতে দর্শনার্থীদের এমন সাড়া দেখে অভিভুত আয়োজকরা।অ্যাডাম সেন্টারের পুরোটা জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ছিলো এই আয়োজন। নানা রকম পণ্যের সেম্পল, হালাল নিউট্রেশন পণ্য, বিশ্ববিদ্যালয়, আইটি ট্রেইনিং, চাকরির নিয়োগ, হেলথ সার্ভিস, রিয়েলেস্টেট, মটগেজ, ইন্সুইরেন্স, ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস, হ্যান্ডিক্রাপট, স্কিন ক্যারিয়ারের প্রতিষ্ঠানসহ নানা রকম ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিলো প্রদর্শনীতে। প্রতিটি স্টলের প্রতিনিধিরা দর্শকদের সাথে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন দিনভর। নিজেদের পণ্য ও সেবার তথ্য পৌছে দিতে পেরেছেন সরাসরি।নারী উদ্যেক্তাদের অংশগ্রহন ছিলো চোখে পড়ার মত। ডিএমভির বাইরের দূরের স্টেট থেকে অংশ নিয়েছে কেউ কেউ। ঈদের কেনাকাটার সুযোগ ছিলো এখানে। মুসলিম কমিউনিটির বিভিন্ন দেশের নারী উদ্যেক্তারা হরেক রকম কাপড়ের স্টল নিয়ে বসেছিলো অ্যক্সপোতে। দর্শকদের সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলো কাপড়ের স্টলগুলোতে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং সফট স্কিল ডেভেলপমেন্টের আইটি ইনস্টিটিউট পিপলএনটেকর মতো বড় প্রতিষ্ঠানও অংশ নিয়েছিলো প্রদর্শনীতে। ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপও। সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা দেখে প্রশংসা করেন আগত দর্শনার্থীরাও। হালাল খাবারের বেশ কয়েকটি স্টল বসেছিলো অ্যাডাম সেন্টারের নীচ তলাতে। শুধু ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নই নয়, মাহে রমজানরের আগে মুসলিম কমিউনিটির একে অপরের সাথে দেখা হবার সুযোগ তৈরি হয়েছিলো এই আমিন-অ্যাক্সপোর মাধ্যমে।

post
আন্তর্জাতিক

আইটিখাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে ডব্লিউইউএসটির দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন সিনেটর পিটার্সেন

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে গেলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সিনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসেন। সোমবার ডব্লিউইউএসটি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে যেভাবে এগিয়ে চলছে তা প্রশংসার দাবিদার। যে কোন প্রয়োজনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে আসতে চান বলে জানান তিনি। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি ভার্জিনিয়া সিনেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স টেকনোলজিকে বিশেষ রিকগনিশন দেন ভার্জিনিয়ার চল্লিশজন সেনেটর। সেই বিশেষ মুহুর্তের পর সিনেটর পিটারসেন এবার নিজেই পরিদর্শন করলেন তার নির্বাচনী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ডব্লিউইউএসটি। এসেই ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন পিটারসেন। বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে সে সম্পর্কে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে ডব্লিউইউএসটির হলরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন। প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবার্কের পরিচালনায় উপস্থিত সবাই পরিচিত হন সিনেটর পিটারসনের সাথে। আধা ঘন্টার ওই মতবিনিময়ে সিনেটরের সামনে তুলে ধরা হয় ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষাপদ্ধতি, নিজেদের বিশেষত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশন। মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে উর্তেগার উপস্থাপনার পর পিটারসেন তার মন্তব্যে ডব্লিউইউএসটির দারুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যত যেদিকে হাটছে এই বিশ্ববিদ্যালয় সেই প্রজন্ম তৈরি করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন সিনেটর চ্যাপম্যান পিটারসেন। এই মিশনে তিনি নিজেও সংযুক্ত হবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার এলাকায় পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন প্রয়োজনে তিনি পাশে থাকতে চান। গত ২৫ বছর ধরে ডেমোক্রেটের একজন প্রতিনিধি হয়ে আমেরিকায় মুলধারায় রাজনীতি করে আসছেন পিটারসেন। সিনেট অ্যাসেম্বলির বিশেষ সম্মাননার পর তার এই পরিদর্শনে উচ্ছসিত চ্যান্সেরল ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যন্ড টেকনোলজির দায়িত্ব নেবার পর থেকে এমন কাউকে খুজছিলেন যার পরামর্শে আরও সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে যেতে পারবেন। এতোদিনে সেই মানুষটা মনে হয় তিনি পেয়ে গেছেন। যিনি নিজ আগ্রহে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পরিদর্শনে আসার জন্য সিনেটর পিটারসনকে ধন্যবাদ জানান, ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকমর্কতা ফারহানা হানিপ।এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো এবং স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন ছাড়াও ডব্লিউইউএসটির সব বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। সিনেটর পিটারসেনের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তুলে দেয়া হয় বিশেষ উপহার। এরপর নিজ আগ্রহে সবার সাথে ছবি তোলায় অংশ নেন সিনেটর। তার বর্তমান সিনেটর মেয়াদের শেষ কার্য দিবস আসছে ৩১ মার্চ। সেদিন রাতে একটি নৌশভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছেন তিনি। সেই নৌশভোজে সবাইকে আমন্ত্রন জানিয়ে বিদায় নেন সিনেটর পিটারসেন। বলে যান, সময় পেলেই আবারও ছুটে আসবেন ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাসে। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.