post
খেলা

এশিয়া ও বিশ্বকাপে সাকিবই অধিনায়ক

জল্পনা-কল্পনা শেষ। আসন্ন এশিয়া কাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য সাকিব আল হাসানকেই অধিনায়কের দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এটি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এর আগে গত বছর টি-টোয়েন্টি ও টেস্টেও অধিনায়কত্ব পান সাকিব। সবমিলিয়ে তিন ফরম্যাটেই টাইগারদের অধিনায়ক এখন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। গত ৩রা আগস্ট ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন তামিম ইকবাল। এরপর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে কে? অবশেষে ৮ দিন পর উত্তর মিললো। এর মধ্যে একই প্রশ্নে কখনও সাকিব, কখনও বর্তমান সহ অধিনায়ক ও ৫টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়া লিটন কুমার দাস বা মেহেদী হাসান মিরাজের নামও শোনা গেছে। যদিও অভিজ্ঞতা, পারফর্মেন্স, গ্রহণযোগ্যতা, সবমিলিয়ে বাকিদের তুলনায় সাকিবই এগিয়ে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের হাতেই অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব দিলো দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদিও তামিম অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর পরবর্তী অধিনায়ক হিসেবে সাকিবকেই ‘অবধারিত’ পছন্দ বলেছিলেন বিসিবি সভাপতি পাপন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সাকিবকে নেতৃত্বে পাওয়া যাবে কিনা সেটা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সাকিবকেই বেছে নেয়া হলো। এ নিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করবেন সাকিব। এর আগে ঘরের মাঠে ২০১১’র বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ২০১৫ সালে দুটি ও ২০১৭ সালে একটি ওয়ানডে ম্যাচে তিনি নেতৃত্ব দিলেও সেটা ছিল নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার অনুপস্থিতিতে। ২০০৯ সালে প্রথম ওয়ানডে অধিনায়কত্ব করেন সাকিব আল হাসান। মাশরাফি বিন মুর্তজার চোটে এই সিরিজে অধিনায়কত্ব পান তিনি। এখন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত, খণ্ডকালীন সবমিলিয়ে ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ২৩ ম্যাচে আর হেরেছে ২৬ ম্যাচে। বাকি ১ ম্যাচ পরিত্যক্ত। অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের সাফল্যের হার ৪৬%। ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এরপর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব ছিল তার। সর্বশেষ ২০১৭ সালে এ সংস্করণে অধিনায়কত্ব করেছিলেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। অধিনায়ক হিসেবে ৫০ ম্যাচে সাকিবের পারফর্মেন্সও উজ্জ্বল। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারার দক্ষতা তাকে আলাদা করেছে বাকিদের থেকে। অধিনায়ক সাকিবের ৪৮ ইনিংসে ব্যাট হাতে রান ৩৫.৯৭ গড়ে ১৫৪৭, স্ট্রাইক রেট ৮৭.৩০। এ সময় এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সেঞ্চুরি করেছেন ৩টি আর ফিফটি ৯টি। বল হাতে ৪৯ ইনিংসে সাকিবের শিকার ৬৮ উইকেট। ইকোনোমি ৪.৩৩ আর ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছেন ৩ বার। সেরা বোলিং ফিগার ৩৩ রানে ৪ উইকেট।

post
খেলা

বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচসহ বিশ্বকাপের মোট নয়টি ‌ম্যাচের সূচিতে পরিবর্তন

অনেকটা দেরি করেই ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছিল ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক ১০০দিন আগে সূচি প্রকাশ করে তারা। তবে সে সূচি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হতে সময় লাগেনি। ফলে শেষ সময়ে এসে সূচি বদলের গুঞ্জন ডালপালা মেলেছিল। অবশেষে এটাই সত্যি হলো। বিশ্বকাপের মোট ৯টি ম্যাচের সূচিতে পরিবর্তন এসেছে।বিশ্বকাপে দর্শক চাহিদার তুঙ্গে থাকা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সূচি একদিন এগিয়ে আনা হয়েছে। বড় পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশের ম্যাচের সূচিতেও। টাইগারদের মোট তিনটি ম্যাচের সূচি বদলে গিয়েছে। পরিবর্তিত তারিখ অনুযায়ী বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ হবে ১০ অক্টোবর। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের বিপক্ষে র ম্যাচ হবে ১১ নভেম্বর আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩ অক্টোবর মাঠে নামবে সাকিব-লিটনরা।পুরনো সূচি অনুযায়ী বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি ১৫ অক্টোবর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হাইভোল্টেজ ম্যাচটি একদিন এগিয়ে ১৪ অক্টোবর একই ভেন্যুতে আয়োজন করা হবে। এর ফলে বদলে গেছে ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান ম্যাচের সূচিও। ১৪ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।এশিয়ার সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাকিতান ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচ ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে, তবে বদলাচ্ছে না ভেন্যু। হায়দরাবাদেই হবে ম্যাচটি। লখনৌয়ে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটিও একদিন এগিয়ে ১২ অক্টোবর আয়োজন করা হবে।বাংলাদেশের মোট তিনটি ম্যাচের সূচি বদলেছে আইসিসি ও বিসিসিআই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চেন্নাইয়ে ১৪ অক্টোবর খেলার কথা বাংলাদেশের। কিন্তু নতুন সূচি অনুযায়ী একদিন আগেই মাঠে নামতে হচ্ছে টাইগারদের। ধর্মশালায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটির দিন তারিখ অপরিবর্তিত থাকলেও বদলে গেছে সময়। আগের সূচি অনুযায়ী এই ম্যাচটি দিবারাত্রির হওয়ার কথা থাকলেও নতুন সূচি অনুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী যা সকাল ১১টা।পরিবর্তন হয়েছে রাউন্ড রবিন লিগে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচের সূচিতেও। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ম্যাচটি ১২ নভেম্বর হওয়ার কথা থাকলেও নতুন ঊচি অনুযায়ী হবে ১১ নভেম্বর। তবে ভেন্যু আগের মতো পুনেতেই থাকছে।

post
খেলা

পদ্মা সেতু ঘুরে গেল ওয়ানডে বিশ্বকাপ ট্রফি

৬ আগস্ট রবিবার মধ্যরাতে ঢাকায় আসে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি। ৭ থেকে ৯ আগস্ট এই তিনদিন বাংলাদেশে ছিলো ট্রফিটি। তিন দিনের সফরে তিনটি ভিন্ন তিনটি জায়গায় প্রদর্শনী হয়েছে ট্রফিটি।  ৭ আগষ্ট সোমবার বিকেল চারটায় পদ্মা সেতুর মাওয়া পয়েন্টে ১ নম্বর পিলারের পাশে রাখা হয়। সেখানে আইসিসির আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনের পর সংবাদমাধ্যমকে ছবি তোলার সুযোগ দেওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে নিয়ে হোটেলে রাখা হয় ট্রফিটি।পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রদর্শন করা হয় ট্রফি। যেখানে জাতীয় দল, নারী দল, বর্তমান ও প্রাক্তন ক্রিকেটার, ক্রিকেট কর্মকর্তা এবং সংগঠক এবং ক্রীড়া সাংবাদিকদের ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ করে দেয়া হয়।শেষের দিন বুধবার ঢাকার পান্থপথের বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে সর্বসাধারণের জন্য ট্রফি প্রদর্শন করা হয়। সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় বিশ্বকাপ ট্রফি। একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে ছবি তুলেছেন ভক্তরা। এ জন্য লাগেনি কোনো টিকিট। বেশি সংখ্যক মানুষকে ট্রফি দেখা ও ছবি তোলার সুযোগ করে দিতেই বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে ট্রফি প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানায় বিসিবি।গত ২৭ জুন ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি ভূপৃষ্ঠ থেকে এক লাখ ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় মহাশূন্যে উন্মোচন করে নামানো হয় ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এরপর নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশে ভ্রমণ করেছে ট্রফিটি। বাংলাদেশ থেকে এটি যাবে কুয়েতে। সব মিলিয়ে এবার ১৮টি দেশে ঘুরবে ট্রফিটি।আসছে ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গত বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এবারের আসর।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফিস্ট-২০২৩ এ বিশেষ সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড পেলেন রথীন্দ্রনাথ রায় ও কাজী মারুফ!

৬ আগষ্ট রোববার নিউইয়র্কের উডসাইটের গুলশান ট্যারেসে হয়ে গেলে ওয়ার্ল্ড ফেয়ার এন্ড ফিস্ট-২০২৩। অনুষ্ঠানটির আয়োজক অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফিস্ট ইউএসও ইনক। তারা কাজ করে বিভিন্ন পেশাজিবীদের মাঝে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রচার, প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও পরিষেবা অন্য দেশগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে। সন্ধ্যা সাতটায় ফিতা ফ্যাস্টিভলের উদ্বোধন করেন আয়োজনের আহ্ববায়ক মেহজাবিন মেহা, প্রধান উপদেষ্টা মো: আতিকুর রহমান ও সভাপতি তারেক মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী, লেস্টার চ্যাং, মার্ক মেয়ার অ্যাপেল ও কে সি রায়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুলে আনিষ্ঠানিকতা।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ অংশ নেন এই আয়োজনে। একে অপরের ভাবনা শেয়ার করেন মঞ্চে। ফাকে ফাকে চলে বিশেষদের সম্মান জানানো ও বিশিষ্ট অতিথীদের পরিচিতি পর্ব। সেখানে আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথীরা পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১২ জন ব্যাক্তিবর্গকে। পুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তিরা হলেন অভিনেতা কাজী মারুফ, রথীন্দ্র নাথ রায়, তমালিকা করমোকার, ইরফান খান। পুরস্কার দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়েছে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথীদেরও। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন লেস্টার চ্যাং, প্রতিষ্ঠাতা বিএমএপিসি মার্ক মেয়ার অ্যাপল, কে সি রায়, মার্সিডিজ নার্সিস, মার্ক মেয়ার অ্যাপল, অ্যাল্ডার অ্যাম্বার, ডাঃ সিমা কারেতনয়া এবং ফাহাদ সুলাইমান পুরস্কার পেয়েছেন।এরপর মার্ক মেয়ার আপেল নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট গ্রহন করেন আয়োজনের আহ্বায়ক মেহাজাবিন মেহা এবং প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। এরপর তাদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মডলে মোনালিসা। আমন্ত্রিত নগর কর্মকর্তাদের সামনে মঞ্চে ডেকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পাশাপাশি বিশেষ সম্মান জানানো হয় অনুষ্ঠানের রাষ্ট্রদূত সগীর খানকে, বাংলাদেশ আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদর্ক প্রিন্স আলম, বাপার দ্বিতীয় সহ-সভাপতি আলী চৌধুরী, সিডব্লিউ লোকাল ১১৮২'র সভাপতি সৈয়দ রহিম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইসলাম ও সহ-সভাপতি সাদিক প্রমুখকে। অনুষ্ঠানে শেষ অংশে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৌশ ভোজ। খাবার গ্রহনের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথীরা উপভোগ করেছেন জমকালো সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান। যেখানে পারফর্ম করে বাংলা ব্যান্ড। গান গেয়ে দর্শকদের মাতান রেশমী মির্জা, হীরা, মার্শাল টিটো, শামীম সিদ্দিক, অউনিক ও আহবায়ক নিজেও। সবশেষে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার রিজিয়া পারভিন। রাত ১২টায় শেষ হয় ওয়ার্ল্ড ফিস্ট অ্যান্ড ফেয়ারের দ্বিতীয় আসরের আয়োজন। সংগঠনের কার্যক্রম ও পুরো আয়োজনকে সফল করতে যারা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা হলেন সহ-আহ্বায়ক মার্শাল টিটো, সহ-সভাপতি সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান অণিক, অনুষ্ঠান কমিটির সদস্য হীরা, নিলুফার ইয়াসমিন, নাসরিন ঝুমুর, ডা. রফিক, ডা. মোক্তার, ড. কামরুল, প্রধান সমন্বয়ক মিন্টু কুমার রায় ও সদস্য সচিব দীপক দাস। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করে আনিকা চৌধুরী। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সংগঠনটি ২০২২ সালে ওরলেন্ডুতে করিছেলা তাদের প্রথম ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফ্যাস্টিবল। গতবারের আয়োজনে অংশ নিয়েছিলো বিশ্বের ছয়টি দেশের প্রতিনিধগণ। এবার আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন দশটি দেশের বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা। 

post
এনআরবি সাফল্য

ফজলুল কবির ম্যারিল্যান্ডের কলেজ পার্ক সিটির নির্বাচিত মেয়র

ম্যারিল্যান্ডের কলেজ পার্ক সিটির মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফজলুল কবির। তিনি এই সিটির প্রথম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম নির্বাচিত মেয়র ।তিনি ঢাকায় পড়াশুনা শেষ করে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনীয়ারিংয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।এরপর তিনি কানাডাতে চলে যান। সেখান থেকে তিনি ২০০৩ সালে আমেরিকাতে এসে ম্যারিল্যান্ডের কলেজ পার্কে বসবাস করতে থাকেন।এখানে মেয়র হওয়ার আগে তিনি মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটিতে সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে অধ্যাপনা করেন। ডঃ কবির দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে কলেজ পার্কে বসবাস করছেন। তিনি ২০১১ সাল থেকে সিটি কাউন্সিলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন:”আমি বাংলাদেশে বেড়ে উঠেছি। আমার মা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক এবং আমার বাবা ছিলেন রেলওয়ে একজন সাধারণ কেরানি। তারা দুজনেই আমাকে এবং আমার ভাইবোনদের একটি ছোট বাড়িতে বড় করার জন্য অনেক সংগ্রাম করেছেন।সেখানে মৌলিক সুবিধার অনেক অভাব ছিল। এই অভিজ্ঞতা আমাকে কঠোর পরিশ্রমের মূল্য উপলব্ধি করতে এবং কৃতজ্ঞ হতে শিখিয়েছে।এবং এই অভিজ্ঞতা আমার জীবনে উচ্চতর সাফল্য অর্জনের জন্য, আমার ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য এবং তারপর আমেরিকান স্বপ্নের সন্ধানে আটলান্টিক অতিক্রম করতে অনুপ্রাণিত করেছে।আমি এই দেশ এবং আমার প্রতিবেশীদের কাছে তাদের ভালবাসা, আমাকে গ্রহণ করা এবং সমর্থনের জন্য আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ।তাছাড়া আপনাদেরকে সেবা করার যে অনুমতি আমাকে দিয়েছেন তার জন্যও আমি কৃতজ্ঞ। আমি এই দেশে জন্মগ্রহণ করিনি, আমি এই দেশে বড় হইনি। আমি একজন অভিবাসী, আমি একজন কালো বর্ণের মানুষ এবং আমি একজন মুসলিম। তবুও আপনারা সবাই আমাকে আপনাদের সেবা করার সবচেয়ে বড় সুযোগ দিয়েছেন।

post
আন্তর্জাতিক

ইসলামকে ‘মহান ধর্মের’ স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব!

ইসলাম ধর্মকে মহান ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আইন পরিষদের নিম্নকক্ষ কংগ্রেসে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। টেক্সাসের প্রতিনিধি আল গ্রিন এই প্রস্তাবটি দিয়েছেন। এতে সম্মতি জানিয়েছেন ইলহান ওমর, রাশিদা তাইয়িব এবং আন্দ্রে কারসন। দ্য ডন। কংগ্রেসে এমন সময় এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হলো- যখন ইসলামকে বিশ্বব্যাপী নতুন করে আবারো উগ্র ধর্ম হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই প্রস্তাব গত কয়েক দিন ধরে পশ্চিমা বিশ্বে কুরআন অবমাননাসহ যেসব ইসলামবিরোধী কার্যক্রম হচ্ছে- সেগুলো বন্ধ হতে সহায়ক হবে। টেক্সাসের আইনপ্রণেতা গ্রিন কংগ্রেসে পাকিস্তান রাজনৈতিক সমিতিরও একজন সদস্য। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম দেশগুলোর শরণার্থীদের প্রবেশে নিষেধজ্ঞা দিতে চেয়েছিলেন। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন গ্রিন। এ ছাড়া ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামকে একটি উগ্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এটির বিরোধিতাও করেছিলেন তিনি। গ্রিনের এই প্রস্তাবটি গত ২৮ জুলাই গ্রহণ করে কংগ্রেস। প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো আমেরিকান সমাজে ইসলামের মাহাত্ম্য তুলে ধরা। প্রস্তাবটি পরবর্তীতে হাউজ কমিটির ফরেন অ্যাফেয়ার্সে পাঠানো হয়। প্রস্তাবে ইসলাম ও মুসলিমদের সাধারণ রীতিনীতি, আচার-আচরণ তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বলা হয়েছে ইসলামের অর্থ হলো ‘সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা’ এবং ‘শান্তি।’ এ ছাড়া প্রস্তাবে কুরআনকে ইসলামের প্রধান ধর্মগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে মুসলিমরা এটিকে ঐশ্বরিক নির্দেশিকা হিসেবে বিবেচনা করেন। এ ছাড়া এ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ইসলাম বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ এবং দ্রুত বর্ধনশীল ধর্ম। বিশ্বের ২০০ কোটি মানুষ ইসলাম ধর্ম পালন করেন এবং শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে তিন কোটি ৫০ লাখ মুসলিম বসবাস করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়াশিংটন ডিসিতে হয়ে গেলো রাবি এলামনাই'র বনভোজন ও কমিটি গঠন

মতিহারের সবুজ চত্বরে ফেলা আসা স্মৃতি রোমান্থন করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ছুটে এসেছেন বনভোজনে। প্রবাসে ব্যস্ত জীবনের পিছুটান ঠেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি'র অনুষ্ঠান, তাইতো এমন প্রাণের উচ্ছাস। টগবগে যৌবনে পেরিয়ে অনেকেই এখন প্রৌঢ় বয়সে পড়েছেন। কিন্তু রাবির প্রতি আন্তরিকতা ও ভালোবাসা যেন এতটুকু ম্লান হয়নি তাঁদের। অনুষ্ঠানে এসে কেউ খুঁজে পায় তাদের শিক্ষক, বন্ধু, বড় ভাই-বোনকে। প্রবাসে যেখানে বাংলাদেশী মানুষ পেলে উচ্ছাসের ঘাটতি থাকে না, সেখানে ক্যাম্পাসের পরিচিত যেনকে পেয়ে যেন আনন্দ- উল্লাসের কমতি ছিল না।'এসো মিলি শেকড়ের টানে, রাবিয়ানরা একসাথে' এই স্লোগানে গেল ২৯ শে জুলাই শনিবার বনভোজন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি।একইসাথে সংগঠনের কাজ বড় পরিসরে করতে গঠন করা হয় নতুন কমিটি। কোরআন তোলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। তেলাওয়াত করেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এস এম জাহিদুর রহমান এবং ড. ইয়াসমিন এর কন্যা জাফরা রহমান।এরপর শুরু হয় পরিচিতি ও বক্তব্যের পালা। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যাক্ত করেন। ব্যক্তব্যের সময় অনেকে আনমনা হয়ে ক্ষণিকের জন্য ফিরে যায় রাবি ক্যাম্পাসে। ক্যাম্পসের প্রিয় মানুষদের সাথে মিলতে নিজ গৃহে তৈরি করা নানা পদের, নানা স্বাদের খাবার নিয়ে হাজির হয় অনেকে। সুস্বাদু এসব খাবার বেশ আনন্দের সাথেই গ্রহণ করে আমন্ত্রিত অতিথিরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে গানে গানে চলতে থাকে আলাপচারিতা এবং পারস্পারিক পরিচিতি। গান পরিবেশন করেন ওয়াশিংটন ডিসির জনপ্রিয় শিল্পী অসিম রানা, ড.সীমা খান, বুলবুলি ইসলাম, মাসুদ রহমান প্রমুখ। পড়ন্ত বেলায় সুরের মূর্ছনায় হঠাৎ বৃষ্টির আগমন সবাইকে উদ্বেলিত করে। বৃষ্টি বিলাসে ফিরে যায় মতিহারের সবুজ আঙ্গিনায়।  বনভোজনে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতারও পূর্বের পরিসংখ্যানের ছাত্র ড. কাশেম। তিনি ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় তিন দশক ধরে অধ্যাপনা করেন; এখন তিনি প্রফেসর ইমিরেটস। স্মরণ করেন ফেলে আসা দিনগুলি, সহপাঠী, সহকর্মীদের কথা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্টার অধ্যাপক এন্তাজুল ইসলাম জানান, ছাত্র জীবন, শিক্ষকতা ও প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে তর অভিজ্ঞতা। তিনিই ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই এসোসিয়েশনের প্রথম সেক্রেটারি। প্রফেসর ড.আতিয়ার রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনের সুন্দর সময় বলে অবহিত করেন।অনুষ্ঠানে বাচ্চাদের জন্য ছিল 'যেমন খুশি তেমন সাজো'। পুরুষরা সুই সুতান মালা গেঁথে ভালোবাসার বন্ধনে স্ত্রীদের গলায় মালা পরিয়ে দেয়। আর ঈদের আমেজকে জাগিয়ে তুলতে মেয়েরা হাতে দেয় মেহেদী। পরে বাচ্চাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাবেক রেজিস্টার ড. এন্তাজুল ইসলাম।আর র‍্যাফেল ড্রতে ৫০ ইঞ্চি টেলিভিশন জিতে নেন শিল্পী ড. সীমা খান।উল্লেখ্য র‍্যাফেল ড্র স্পনসর করেন রিয়েলেটর মোঃ মজিবুল হক।পিকনিকের আমেজের মধ্যেই এলামনাই-এর সকলের উপস্থিতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি-এর কমিটি গঠন করা হয়। অ্যালামনাই ও উপস্থিত সকলের সম্মুখে ভোটের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জোহুরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি হন আজিমা আজমল (রক্সি)। নির্বাচন পরিচালনা করেন ড.মোহাম্মদ কাসেম, ড.এন্তাজুল ইসলাম।প্রকাশ্যে কেউ দায়িত্ব নিতে আগ্রহী না থাকায় ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়। তাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে রাবির সাবেক শিক্ষার্থীদের আবেগের সংগঠন এমনটাই প্রত্যাশা সবার।অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন, আবু জাফর ও সাংবাদিক জাহিদ রহমান। আর গরম আবহাওয়ার মধ্যে উপস্থিত থাকায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলামনাই এর প্রতিষ্ঠাতা এস এম জাহিদুর রহমান।প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ২৩ শে অক্টোবর পিকনিক এবং আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে পথ চলা শুরু হয় সংগঠনটির। গেল বছর ১০ই ডিসেম্বর পিঠা উৎসবও করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন ওয়াশিংটন ডিসি।

post
বাংলাদেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জায়গায় আসছে সাইবার নিরাপত্তা আইন!

অবশেষে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইনটির বেশকিছু ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইন করা হবে।৭ আগস্ট সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হচ্ছে না, পরিবর্তন করা হচ্ছে। এর অনেকগুলো ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইন করা হবে- মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমনে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মোট ৫টি ধারা বিলুপ্ত করে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ পাস হয়। এর পর থেকেই এই আইন বাতিল ও সংশোধন চেয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন মহল। একই বছরের ৮ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। শুরু থেকেই আইনটির অপব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচনা হয়। গত ২৫ জুলাই সচিবালয়ে ইইউর বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে সংশোধনী আসছে। বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেকগুলো ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।লেখক, কবি, সাংবদিক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন মহল দীর্ঘদিন ধরেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে আইনটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে। সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে বহুবার আইনটি সংশোধনের আশ্বাস দিলেও তা করা হয়নি। তবে গত ২৫ জুলাই আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছিলেন, সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।

post
আন্তর্জাতিক

খুলে গেলো সম্ভাবনার নতুন দুয়ার, ডব্লিউইউএসটির সামার কোয়ার্টারের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামার কোয়ার্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো ৬জুলাই বৃহস্পতিবার। যেখানে অংশ নেন দুইশোর মতো শিক্ষার্থী। বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের ছাত্রছাত্রী এখন পড়াশোনা করছেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে। তাদের মধ্যে নতুন সিমেস্টারে যোগ দিয়েছেন দুই শতাধিক শিক্ষার্থী। ১০জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৩ এর সামার কোয়ার্টারের ক্লাস। ইনপার্সন ও অনলাইন মিলিয়ে হওয়া এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো নানা আয়োজন। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় র্কতৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরেন ডব্লিউইউএসটির সার্বিক চিত্র। শিক্ষার্থীদের ধারনা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান থেকে শুরু করে নানা সুযোগ সুবিধা ও নিয়ম নীতির বিষয়ে। ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ শিক্ষার্থীদের প্রতি লেখাপড়ায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষার্থীরা যখন তাদের কর্মজগতে যোগ দেবে তখন তাদের সামনে খুলে যাবে অনেক বড় সম্ভাবনার দুয়ার। লক্ষ্যে পৌছাতে প্রত্যেককে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগুনোর পরামর্শ দিয়ে আবুবকর হানিপ বলেন, লেখাপড়ায় ভালো গ্রেডই তৈরি করতে পারে ভালো সম্ভাবনা।ডব্লিউইউএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, নতুন কোয়ার্টারে অনেক শিক্ষার্থী পরিবার পরিজন ছেড়ে বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পড়তে এসেছে। নতুন জায়গা নতুন পরিবেশ অনেকের মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে, কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে যেতে পারে, পরিবারকে মিস করবে, একেবারে নতুন সাবজেক্ট হওয়ায় বুঝতে কঠিন হবে, বিষয়গুলো ভাবনায় রয়েছে, বলেন ড. হাসান কারাবার্ক। তিনি আরও বলেন এখানে সম্ভাবনা অপরিসীম তবে তার জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হবে এবং অধ্যাবসায়ী হতে হবে। যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ভবিষ্যতে যা খুব কাজে দিবে বলে প্রেসিডেন্ট পরামর্শ রাখেন। ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক রীতিপদ্ধতির উপর আলোচনা হয়। ডব্লিউইউএসটি কোন লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে পাশে থাকবে সে সব বিষয়ে আলোকপাত করে শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব এজেন্ডাগুলো সামনে নিয়ে আসেন ডব্লিউইউএসটির স্কুল অব বিজনেস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক এল রবিনসন। শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের পড়াশোনার নানা ধরন পরীক্ষার মান বন্টনের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন ড. অ্যাপোসটোলস।ডব্লিউইউএসটির এডমিশন ম্যানেজার কিমবারলি সিম্পসন, স্টুডেন্ট ভিসায় আসার পর একজন শিক্ষার্থীকে যে সব নিয়ম মানতে হয় সে বিষয়ে সম্যক ধারনা দেন। ভর্তি পদ্ধতি, বিষয় পরিবর্তন, লাইব্রেরি ও আইটি ল্যাবের ব্যবহার সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। এই আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন ডব্লিউইউএসটির মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে ওর্তেগা, স্টুডেন্ট সাকসেস এন্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ, আইটি ম্যানেজার কাজী বারী, স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সেলিন ইয়েগিত। ওরিয়েন্টেশন শেষে ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস বিল্ডিংয়ের সামনে নতুন স্টুডেন্টদের সাথে গ্রুপ ফটোসেশন অংশ নেন চ্যান্সেলর, প্রেসিডেন্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা। আর মধ্যান্হ ভোজের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সামার ওরিয়েন্টেশন। খাবার গ্রহনের সময় নতুন সহপাঠীরা একে অপরের সাথে পরিচয় পর্ব সেড়ে গল্পে মেতে উঠেন একেকজন। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ-বিবিএ কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের ১৫ শ'র বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

post
খেলা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অবসর ভেঙে আবারও ফিরলেন তামিম

অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর মান ভেঙেছে তামিম ইকবালের। অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তিনি। এর জন্য দেড় মাস সময় দেওয়া হয়েছে ৩৪ বছর বয়সী দেশসেরা ওপেনারকে।এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আচমকা অবসরের ঘোষণা দেন তামিম। তারপরপরই গণমাধ্যম থেকে সাবেক ক্রিকেটার, সাধারণ মানুষের মধ্যে চলতে থাকে আলোচনা সমালোচনা নানা রকম বিচার বিশ্লেষণ। এরপর ৬ জুন শুক্রবার সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার মাধ্যমে তামিমকে বঙ্গভবনে ডাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া তামিমের স্ত্রী আয়শাও সঙ্গে ছিলেন। একই সঙ্গে বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পাপনকেও ডাকা হয় সেখানে। তামিমের গণভবনে আসার খবর পেয়ে দর্শকরা ছুটে গিয়েছিলেন সেখানে। প্ল্যাকার্ড হাতে তারা রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন। অবসর ভেঙে ফের ক্রিকেটে ফেরার দাবি জানাতে থাকেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠকের পর অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তামিম। তবে আপাতত তিনি দেড় মাসের বিশ্রামে থাকবেন বলে জানা গেছে। তিনি অধিনায়ক হয়েই ফিরবেন এশিয়া কাপ দিয়ে।প্রধানমন্ত্রীর বাসা থেকে বের হওয়ার পর গণমাধ্যমে তামিম বলেছেন, ‘আজ দুপুরে আমাকে প্রধানমন্ত্রী তার বাসায় দাওয়াত করেছিলেন। উনার সঙ্গে অনেক্ষণ আমরা আলোচনা করেছি। উনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন খেলায় ফিরে আসতে। আমি আমার রিটায়ারমেন্ট এই মুহূর্তে তুলে নিচ্ছি। কারণ আমি সবাইকে না বলতে পারি কিন্তু দেশের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিকে না বলা আমার পক্ষে অসম্ভব। তাতে অবশ্যই পাপন ভাই ও মাশরাফি ভাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল। মাশরাফি ভাই আমাকে ডেকে নিয়েছেন। পাপন ভাই সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দেড় মাসের জন্য একটা ছুটিও দিয়েছেন।’বৈঠক শেষে তামিমের পর বিসিবি সভাপতি সংবাদকর্মীদের বলেছেন, 'এটা সবার জন্য স্বস্তির খবর। অধিনায়কই যদি না থাকে বাংলাদেশ খেলব কীভাবে!’বিসিবি সভাপতি বলেছেন, 'যেহেতু সে শারীরিক ও মানসিকভাবে এখনও ফিট না, সেজন্য সে দেড়মাস সময় নিয়েছে। এই দেড়মাসে সে পুনর্বাসন করে আশা করছি শিগগিরই ক্রিকেটে ফিরে আসবে।’ গণমাধ্যমে তামিমের অবসর ভাঙার খবর আসার পরেই তার নিজ বাড়ির সামনে শুরু হয় আনন্দ উৎসব। চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি এলাকায় ভক্তদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়। তামিমের পরিবারের পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য ছিল এই আয়োজন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.