post
আন্তর্জাতিক

ফাগুনের আমেজে নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ফাগুন পিঠা উৎসব

৬১ রকমের পিঠার সমাহার নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘ফাগুন ও পিঠা উৎসব’। কুইন্স প্যালেসে ‘শো-টাইম মিউজিক’র বর্ণাঢ্য এ উৎসবে জড়ো হয়েছিলেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রবাসীরা । বিপুল করতালির মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন যৌথভাবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ এবং ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এ্যাট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী। হোস্ট সংগঠনের কর্ণধার আলমগীর খান আলমসহ সহযোগিতাকারিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।  এই উৎসবের উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা এটর্নী ও ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা মঈন চৌধুরী। দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, কুইন্স কাউন্টিতে ১৯০টি দেশের ৩৬৫টিরও অধিক ভাষার মানুষ বাস করছে। অর্থাৎ বর্ণাঢ্য সংস্কৃতির তীর্থ ভূমি হচ্ছে আমাদের এই কুইন্স। এমন একটি বহুজাতিক সমাজে বাঙালিদের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে শো-টাইম মিউজিকের সকল কর্মকাণ্ডে আমার সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পিঠা উৎসবের অন্যতম অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ইউনিভার্সিটি ‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি’র চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ বলেন, এ উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির ধারা ভিন্ন ভাষার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে সক্ষম বলে মনে করছি। তিনি উল্লেখ করেন, শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি, মূল্যবোধকে আমেরিকার মূলধারায় বিকাশ ঘটাতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। এজন্যে সকলে যেনে তার জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন সেই অনুরোধ জানান।  সোনিয়ার সঞ্চালনায় এ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্যে সর্বস্তরের প্রবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান আলমগীর খান আলম। উৎসবে বিকেল থেকে মধ্যরাত অবধি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা এতে পারফর্ম করেন। গেয়ে শুনান জনপ্রিয় বেশ কিছু গান। এই উৎসব আয়োজিনে ছিল শাড়ি-কাপড়ের স্টলও। অর্থাৎ পিঠার আমেজে গৃহিনীরা কেনাকাটাও করেছেন ভিন্ন এক আমেজে। আয়োজকরা জানিয়েছেন সামনে আরও বড় পরিসরে উৎসব আয়োজন করা হবে।

post
আন্তর্জাতিক

উডব্রিজে বিসিসিডিআই বাংলা স্কুলের স্বপ্নের নতুন ভবনের উদ্বোধন

অবশেষে নিজেদের স্বপ্নের ভবন পেলো 'বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভোলপমেন্ট' বিসিসিডিআই বাংলা স্কুল। যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি এলাকায় বাংলা স্কুল নামেই সবার কাছে বেশি পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে স্থায়ী এই কার্য্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি রোববার। উদ্বোধন করেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদুত মো: ইমরান। সেই সাথে তিনি উদ্বোধন করেন 'হল অব অনার' বোর্ড অর্থাৎ যাদের সহায়তায় দাড়িয়েছে বিসিসিডিআইয়ের নিজস্ব কার্য্যালয় তাদের খোদাই করা নামের তালিকা। আর সবশেষে উদ্বোধনের তালিকায় ছিলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তা হলো একটি লাইব্রেরি।উদ্বোধন করা আগে দুপুর ১২টায় কার্য্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সকল ভাষা শহীদের প্রতি অর্পণ সম্মান জানান রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান। এরপর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির সম্মানে সবাই দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবলতা পালন করা হয়। এরপর সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলা স্কুলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট পঙ্কজ চৌধুরী। সেক্রেটারি রিদওয়ান চৌধুরী ধন্যবাদ জানান, সকল পৃষ্ঠপোষক, শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাক, সমর্থকদের যারা শুরু থেকে বাংলা স্কুলকে নানাভাবে সমর্থন দিয়ে এসেছেন। এরপর প্রধান অতিথীর বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান বলেন, অত্র এলাকায় সবার কাছে বাংলা স্কুল কতোটা জনপ্রিয় তা তিনি পুরোপুরি অবগত। বাংলা ভাষার চর্চা ও সংস্কৃতিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এই প্রতিষ্ঠান যেভাবে উপস্থাপন করছে তার কোন তুলনা হয়না। এই প্রতিষ্ঠানের পাশে সবসময় থাকবেন বলে তিনি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে তিনজনের প্রতি জানানো হয় বিশেষ কৃতজ্ঞতা। যারা বিসিসিডিআইয়কে সহায়তা করে আসছেন নানাভাবে। আর তাদেরই একজন ভয়েস অব আমেরিকার দীর্ঘ সময় কাজ করা সাংবাদিক মাসুমা খাতুন। যিনি এই কার্য্যালয়ের লাইব্রেরি গড়ে তোলার পেছনে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ২৫০ বই দিয়ে সহায়তা করেছেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। সবশেষে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় সাংস্কৃতিক পারফরম্যান্সের জন্য খুবই জনপ্রিয় বাংলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা। রাষ্ট্রদূতের সামনে তারা নানা ধরনের পারফর্ম করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভোলপমেন্ট। ফেয়ারফ্যাক্স, আর্লিংটন, প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টির কমিউনিটির নাগরিকদের উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। গ্রেটার ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকায় বাংলা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বাজায় রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের তরুণদের বিভিন্ন ভাষা শেখানোর জন্য শুরু থেকে কাজ করে আসছে বাংলা স্কুল। এই লম্বা সময়ের পথচলায় সংস্থাটি এতোদিন অস্থায়ীভাবে অন্য জাগয়ায় থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। কমিউনিটির সবার সহায়তায় ২০১২১ সালে জায়গা কিনে নতুন কার্য্যালয়ের কাজ শুরু করে দেয়। এবং সবশেষে এই কার্য্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করলো বিসিসিডিআউ বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠানটি।

post
আন্তর্জাতিক

দীর্ঘ চার দশক পর ফের বাংলাদেশে মিশন চালু করছে আর্জেন্টিনা

তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো। সোমবার সকাল ৮টায় বিশ্বকাপজয়ী মেসিদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা সফরের শুরুর দিন বিকালে রাজধানীর বনানীতে দেশটির মিশন উদ্বোধন করবেন, যা ৪৫ বছর আগে বন্ধ হয়েছিল। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পর ফের বাংলাদেশে মিশন চালু করছে আর্জেন্টিনা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য বলছে, বনানীতে আর্জেন্টিনার মিশন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধানসহ ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। মিশন উদ্বোধন করার পর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ফুটবল এবং কৃষিতে সহযোগিতাসহ চারটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি, দুই দেশের কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ একাডেমির মধ্যে সহযোগিতাসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক, ফুটবল সংক্রান্ত বিষয়েও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে কৃষি খাতে সহযোগিতার সমঝোতা স্মারক এবং ট্রেড কোঅপারেশন নিয়ে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১ মার্চ ঢাকা ছেড়ে নয়াদিল্লি যাবেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো।

post
আন্তর্জাতিক

কানাডায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত

কানাডায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও একজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কানাডার স্থানীয় সময় সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে টরন্টোর ৪২৭ সাউথবাউনড হাইওয়ে ডানডাস এক্সিটে এ ঘটনা ঘটে।ঢাকা পোস্টের কানাডা প্রতিনিধি আহসান রাজীব বুলবুল জানিয়েছেন, নিহতেরা হলেন শাহরিয়ার খান, এঞ্জেলা বারৈ ও আরিয়ান দীপ্ত। গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরেক শিক্ষার্থী কুমার দে। চারজন যাত্রী নিয়ে একটি গাড়ি খুব দ্রুত গতিতে ৪২৭ সাউথ বাউন্ড হাইওয়ে ডানডাস এক্সিটের দক্ষিণ দিকে যাওয়ার সময় এটি র‌্যাম্প ছেড়ে একটি কংক্রিটের প্রাচীরের উপর দিয়ে খাদে গিয়ে পড়ে অন্য কংক্রিটের দেওয়ালে বিধ্বস্ত হয় এবং আগুন ধরে যায়। টরেন্টো ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে গাড়িতে লাগা আগুন নেভান তারা। এরপর ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ও আহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ি থেকে চারজনকে উদ্ধার করেন। পেছনের সিটে বসা দুজনকে তখনই মৃত ঘোষণা করা হয়। সামনের সিটে বসা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ট্রমা সেন্টারে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান। গাড়ির চালক অপর এক শিক্ষার্থী গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। এ ঘটনায় কানাডার টরন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। এজে/

post
এনআরবি সাফল্য

সংখ্যা নয় মানই আমাদের মূল লক্ষ্য, ডব্লিউইউএসটিতে ১০০০ নতুন শিক্ষার্থী ভর্তিতে চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ

বিশেষ এক অর্জনকে উদযাপন করতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সকল শিক্ষক-কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে একত্রিত হয়েছিলেন ভার্জিনিয়াস্থ ক্যাম্পাসের হলরুমে। উপলক্ষ্যটা ছিলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিচালনার দায়িত্ব নেবার পর দুই বছরে এক হাজার নতুন ছাত্রছাত্রী ভর্তির মাইলফলক উদযাপন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন।২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে এই সফল বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষা-উদ্যোক্তার মালিকানায় পরিচালিত হচ্ছে। ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির মালিকানা গ্রহণের সময় মাত্র ৩১৪ জন পুরনো শিক্ষার্থী ছিলো। এরপর নতুন করে ঢেলে সাজাতে শুরু করেন আবুবকর হানিপ। চব্বিশ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্বের ১২১ টি দেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক ছাত্রছাত্রী এতে ভর্তি হয় । উইন্টার কোয়ার্টারের ক্লাস শুরুর পরপরই এই সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যায়। এই অজর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের। তাদেরকেই শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাতে এক মধ্যান্হ ভোজের আয়োজন করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। সেখানে চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ বলেন, এটি একটি মাইলফলক। এত স্বল্প সময়ের মধ্যে এক হাজার শিক্ষার্থীর ভর্তির বিষয়টি নিঃসন্দেহে অনেক বড় অর্জন। কিন্তু আমরা সংখ্যার দিকে নই আমােদর মনোযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও ছাত্রছাত্রীদের ক্যারিয়ারের উন্নয়ন নিয়ে। কোন উল্লাস নয় সবাইকে উদ্দীপ্ত করার লক্ষ্যে এই আয়োজন। চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ বিশ্ববিদ্যালয়টির দুই বছর আগে দায়িত্ব নিলেও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত আছেন দীর্ঘ সময় ধরে। এই সফলতায় বেশ উচ্ছাসিত দেখা গেছে প্রেসিডেন্টকে। তিনি বলেন এটি স্মরণীয় মুহুর্ত। একটি দলগত সফলতা। একে ধরে রেখে কিভাবে এগিয়ে যাওয়া যায় সেই রূপরেখা তৈরি করতে হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে এই সফলতায় আনন্দিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস’র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন, দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. র্জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো। এই আনন্দ মুহুর্তের অনুভূতি ও ভবিষ্যত ভাবনার কথা শেয়ার করেন তারা। এটি একটি দলগত প্রচেষ্টার ফসল বলেই তারা উল্লেখ করেন নিজ নিজ বক্তব্যে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএফও ফারহানা হানিপ বলেন এই অর্জন সকলের। এবং একে ধরে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই এখন সকলের লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমরা একসঙ্গে কাজ করলে একসঙ্গেই বড় হতে পারবো। ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের নেতৃত্ব নতুন শিক্ষা পদ্ধতি ও লক্ষ্য নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে ডব্লিউইউএসটির অর্ধশত দক্ষ কর্মকর্তা কর্মচারী। দু’বছরের ব্যবধানে অর্জনের এমন মাইলফলক ছোঁয়ায় তারাও এখন উদ্দীপ্ত। নতুন লক্ষ্য অর্জনের অঙ্গীকার এখন তাদের কন্ঠে। পরে কেক কেটে উদযাপন করা হয় সফলতার এই মাইলফলককে। ছিলো মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজনও। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখানে ১২ শ ৫০ জন। এর মধ্যে পাঁচশোর বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। এফ-১ ভিসা নিযে সরাসিরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন অনেকে পড়তে এসেছেন। অ্যাফোরডেবল অ্যান্ড অ্যাক্সেসেবল হবার কারণে অনেক শিক্ষার্থী আবার অন্য বিশ্ববিদ্যলয় থেকে এখানে ট্রান্সফার নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। এখানে বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ- বিবিএ কোর্সে বিশ্বের ১২১ দেশের শিক্ষার্থীরা অধ্যয়নরত রয়েছেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বাংলাদেশি-আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়।

post
শিক্ষা

ভার্জিনিয়ায় ৩৫ বিলিয়ন ডলারে ড্যাটা সেন্টার বসাবে অ্যামাজন, প্রতিবাদও আসছে!

অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এই পরিকল্পনা করেছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার খরচে একটি ড্যাটা সেন্টার বসাবে। স্টেটের সঙ্গে এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি হচ্ছে, এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন গভর্নর গ্লেন ইয়াংকিন।কয়েক মিলিয়ন ডলারের প্রণোদনায় এই চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এখনো অবশ্য আইনপ্রণেতাদের অনুমোদন বাকি। তবে সবশেষ অধিবেশনে দুই দলের নেতারাই ইয়াংকিনের কার্যালয় থেকে জারি করা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়ে দিয়েছেন। ড্যাটা সেন্টার প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক চলমান। বিশেষ করে উত্তর ভার্জিনিয়ায় অব্যহতভাবে অবকাঠামো নির্মাণে প্রতিবেশিরা সোচ্চার রয়েছেন। পরিবেশ নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ্য। আধুনিক ইন্টারনেটের ব্যবহারে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ও কম্পিউটার সার্ভারের জন্য এই ড্যাটাসেন্টারগুলো ব্যবহার করা হয়। আর এ চাহিদা ক্রমশঃই বাড়ছে। এ ধরনের ড্যাটা সেন্টারে প্রয়োজন হয় উচ্চক্ষমতার ইলেক্ট্রিক ফ্যান এবং কক্ষগুলো শীতল রাখতে অতিরিক্তি কুলিং ব্যবস্থা। এসব থেকে বিকট শব্দ তৈরি হয়। আর সেখানেই প্রতিবেশিদের আপত্তি। এছাড়া এমন ড্যাটা সেন্টারে বিপুল পরিমান বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। যার জন্য দরকার উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। বিলে অবশ্য বলা হয়েছে, কোথায় এমন সেন্টার বসানো যাবে, কোথায় যাবে না সে বিষয়ে সংসদীয় সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে। গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, ২০৪০ সাল পর্যন্ত কোথায় কোন ড্যাটা সেন্টার বসানো যাবে তার সিদ্ধান্ত পরে কোনো এক সময় নেওয়া হবে। তবে কোম্পানিগুলোর পছন্দ উত্তর ভার্জিনিয়াই। কারণ এখানটাতেই ইন্টারনেটের মূল কাঠামো গড়ে ওঠার ঐতিহাসিক ভিত্তি। আর এখানটা ইন্টারনেটের সংযোগ পয়েন্টগুলোর কাছাকাছি। বিশেষ করে আর্থিক লেনদেন, গেমিং টেকনোলজির জন্য ন্যানো সেকেন্ডই সার্ভার সাপোর্ট প্রয়োজন হয়, আর তা নিশ্চিত করতেই সার্ভারগুলো কাছাকাছি বসানো প্রয়োজন। প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টির একজন বাসিন্দা বিল রাইট দীর্ঘদিন ধরে বিপুলাকায় এসব ড্যাটা সেন্টারের বিরোধীতা করে আসছিলেন। তার এই দাবির প্রতি সম্প্রতি সমর্থন জানায় কাউন্টির বোর্ড অব সুপারভাইজরস। গভর্নর কার্যালয়ের নতুন ঘোষণার পর বিল রাইট বলেছেন, এটা এ-ই প্রমাণ করে যে, বড় টেক কোম্পানিগুলো থেকে আসা অর্থ আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনকে কলুসিত করছে। তিনি বলেন, ড্যাটা সেন্টারে তার নিজেরও আপত্তি নেই। তবে স্টেট সরকার যেনো তা এমন কোনো স্থানে বসানোর অনুমতি দেয় যেখান থেকে পরিবেশগত কোনো আপত্তি উঠবে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের দিকেই এগুলো বসানো উচিত। আর সেখানে মানুষের কাজেরও প্রয়োজন রয়েছে, মত বিল রাইটের। তবে তার ধারণা, সরকার এসবে কর্ণপাত করবে না। কারণ টেক কোম্পানিগুলো চায় উত্তর ভার্জিনিয়ার কেন্দ্রস্থলেই এমন ড্যাটাসেন্টার বসাতে। বিল রাইট বলেন, উত্তর ভার্জিনিয়াতো এখন এসবেই ভরে গেছে। আমরা এখানটাকে এখন 'অ্যামজনের কমনওয়েলথ' নামেই ডাকতে পারি। ভার্জিনিয়া ইকনমিক ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশীপ এর মুখপাত্র সুজান ক্লার্ক জানিয়েছেন অ্যামাজন এরই মধ্যে সাইট দেখতে শুরু করেছে। তবে এখনো চূড়ান্ত করেনি। উত্তরা ভার্জিনিয়া সেই ইন্টারনেট শুরুর দিনগুলো থেকেই টেক-হাব হিসেবে গড়ে উঠতে শুরু করে। এখন এখানে যতগুলো ড্যাটা সেন্টারের স্থাপনা রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্য বৃহৎ ৫টি কোম্পানি মিলেও এতগুলো স্থাপনা নেই। এ তথ্য নর্দার্ন ভার্জিনিয়া টেকনোলজি কাউন্সিলের। এই টেক-কোম্পানিগুলো স্থানীয় সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে বড় অংকের অর্থ-সংস্থানকারি প্রতিষ্ঠান। লাউডাউন কাউন্টির একটি হিসাব দেখাচ্ছে, এখানকার বার্ষিক বাজেটের ৩০ শতাংশের বেশিই আসে এসব টেক-কোম্পানি থেকে। এই কাউন্টির বাসিন্দা ৪ লাখ। ড্যাটা সেন্টার বিরোধীতাকারীদের আরেকজন এলেনা স্কোলসবার্গ। প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টির বাসিন্দা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বললেন, নির্বাচিত হওয়ার এক বছরের মধ্যেই ইয়াংকিন এসব ড্যাটাসেন্টারের পক্ষ নিলেন। অথচ কমিউনিটিতে ড্যাটা সেন্টার বিরোধী উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। "তার বোধ কাজ করছে না, তিনি দেখতে পাচ্ছেন না যে কমিউনিটিগুলো আরও বেশি একজোট হচ্ছে এর বিরুদ্ধে," গভর্নর ইয়াংকিনকে নির্দেশ করে বলেন এলেনা। এদিকে একটি টুইটে ইয়াংকিনের মুখপাত্র ম্যাকাউলে পোর্টার বলেন, ৩৫ বিলিয়ন ডলারের এই বিনিয়োগ ভার্জিনিয়ার ইতিহাসে সবচেয় বড় অংকের একক বিনিয়োগ। এর মধ্য দিয়ে স্টেটে নতুন ১০০০ টি কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। এর আগে ২০১৮ সালে ভার্জিনিয়ার আর্লিংটন কাউন্টিতে অ্যামাজন যখন তার দ্বিতীয় হেড কোয়ার্টার্স স্থাপন করে সেবার এখানে ২৫ হাজার নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়। নতুন চুক্তিতে অ্যামাজনের পক্ষ থেকে যে মেগা ড্যাটা সেন্টার ইনটেনসিভ প্রোগ্রাম নেওয়া হচ্ছে তার আওতায় ১৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে কর্মশক্তি উন্নয়ন ও সাইটের সৌন্দর্যবৃদ্ধিতে। স্টেট সরকারের জন্য এটাই বড় প্রণোদনা। এসবের জন্য সংসদীয় অনুমোদন প্রয়োজন হবে। তবে ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টির ডেমোক্র্যাট স্টেট সেনেটর চ্যাপ পিটারসেন রয়েছেন বিরোধী অবস্থানে। এরই মধ্যে তিনি একটি বিল এনেছেন যাতে বলা হয়েছে কোনো প্রাকৃতিক কিংবা ঐতিহাসিক সম্পদের কাছাকাছি ড্যাটা সেন্টার বসানো যাবে না। পিটারসেনের মতে, ভার্জিনিয়া এখন ড্যাটা সেন্টারেই ছেয়ে যাচ্ছে, এর থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। চ্যাপম্যান বলেন, স্বল্প-মেয়াদি আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে পরিবেশ-প্রতিবেশের দীর্ঘ-মেয়াদী ক্ষতি আমরা হতে দিতে পারিনা। বাস্তব কর্মীহীন বৃহদাকার এই শিল্পভবনগুলো কোনোভাবেই ভবিষ্যতের অর্থনীতি হতে পারে না। কয়েক দশকের মধ্যেই এগুলো অকেজো হয়ে পড়বে। তবে এরই মধ্যে আমরা আমাদের মূল্যবান কৃষিজমি আর ঐতিহাসিক স্থানগুলো হারিয়ে ফেলবো, বলেন চ্যাপ পিটারসেন। অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এর মুখপাত্র অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

post
এনআরবি সাফল্য

ভার্জিনিয়া স্টেট সেনেটে প্রশংসিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

দিনটি হয়ে থাকবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য গৌরবের। দিনটি ছিলো আনন্দের, দিনটি ছিলো স্বীকৃতির। ১৮ জানুয়ারি বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার স্টেট সেনেট অ্যাসেম্বলিতে উঠে আসে এ দেশে একমাত্র বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির নাম। আলোচিত হয় সুনামের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়টির এগিয়ে চলার কথা।ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সেনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসন তার উপস্থাপনায় তুলে আনেন তার নিজের নির্বাচনী এলাকার এই বিশ্ববিদ্যালটির কথা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভার্জিনিয়ার ৪০ টি ডিস্ট্রিক্টের স্টেট সেনেটররা। ছিলেন অভ্যাগত অতিথিরা। অ্যাসেম্বলি পরিচালনা করেন লেফট্যান্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্স।  দুপুর ১২টায় অ্যাসেম্বলি হলে আসতে থাকেন সেনেটররা। আসেন অতিথিরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এতে যোগ দেন। এতে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএফও ফারহানা হানিপ, বিজনেস স্কুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন, জেনারেল এডুকেশন অ্যান্ড সেন্টার ফর স্টুডেন্ট সাকসেস এর অ্যাসিসট্যান্ট ডাইরেক্টর ড. হুয়ান লি ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এমএসআইটি'র ছাত্র নাঈম হাসান। স্টেট সেনেটর চ্যাপ পিটারসন অ্যাসেম্বলিতে প্রথমেই পরিচয় করিয়ে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের। পরে তিনি অ্যাসেম্বলিতে তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতিত্বের সাথে এগিয়ে চলার কথা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রযুক্তিদক্ষতানির্ভর উচ্চ শিক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়টি সেরা অবদান রেখে চলেছে। সেনেটরের উপস্থাপনার পর লেফটেন্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান এবং যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার বিস্তার এবং ভবিষ্যতের জন্য আশা জাগানিয়া অবদান রাখার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এসময় করতালির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে শুভেচ্ছা জানান স্টেট অ্যাসেম্বলির সকল সিনেটর ও অতিথিরা। অ্যাসেম্বলিতে বিভিন্ন ডিস্ট্রক্টের সেনেটররা তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকেও তাদের অবদানের জন্য এই অ্যাসেম্বলিতে স্বীকৃতি জানান।তবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রতি এই স্বীকৃতি ছিলো ভিন্নমাত্রার।২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০২১ সালে এর মালিকানা পরিবর্তিত হয়। এর পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি তার শিক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে। যার মধ্য দিয়ে এটি দ্রুত উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলার কাম প্রাক্টিশনার শিক্ষক, সুসংগঠিত টিমওয়ার্ক, শ্রেণিকক্ষে কর্মস্থলের রেপ্লিকা সৃষ্টি করে দেওয়া বিশেষ শিক্ষাপদ্ধতি এর সেন্টার ফর স্টুডেন্ট সাকসেস প্রতিষ্ঠাই এই সাফল্যের কারণ।ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের পাশাপাশি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও গ্রিনকার্ড হোল্ডার শিক্ষার্থীরাও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের পাঠস্থল হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।  এর আগে চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক চ্যাপ পিটারসনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন। এসময় আলোচনায় তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে এক হাজার দুই শ' জনের বেশি শিক্ষার্থী অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যত কর্মবাজারের জন্য তৈরি হচ্ছে।শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নেওয়ার পর এই দক্ষতা দিয়ে সরাসরি মধ্য কিংবা উচ্চ পর্যায়ের পদে কাজে যোগ দিতে পারবেন এবং তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ই নিশ্চিত করছে রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট এসব কথাও উঠে আসে বৈঠকে।পরে লেফট্যান্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্সের সঙ্গেও মত বিনিময় করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এসময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।পরে এক প্রতিক্রিয়ায় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, প্রত্যেকটা কাজেরই একটা স্বীকৃতির প্রত্যাশা থাকে। স্টেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কথা উঠে আসা একটি অন্যতম স্বীকৃতি। এতে আমাদের এগিয়ে চলার পথে নতুন উদ্দীপনা কাজ করবে।তিনি বলেন, অ্যাসেম্বলি হলে সকল স্টেট সেনেটর ও অন্য অতিথিরা যখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য করতালি দিচ্ছিলেন সে সময়টি আমাকে অবশ্যই গর্বিত করেছে। দৃশ্যটি আমার দীর্ঘদিন মনে ধরে থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য দিনটি ছিলো স্মরণীয় হয়ে থাকার মতো একটি দিন।ডব্লিউইউএসটি প্রধান অর্থকর্মকতা ফারহানা হানিপ বলেন, এই অজর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের। এতে সবাই আরও উদ্দীপ্ত হয়ে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য দিনটি ছিলো স্মরণীয় হয়ে থাকার মতো একটি দিন। স্টেট পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি যে স্বীকৃতি পেলো তা এর নতুন পথ চলার উদ্দীপনা হয়ে থাকবে। একসময় ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকেও মিলবে এমন স্বীকৃতি এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

post
এনআরবি সাফল্য

ডেমোক্রেটিক ক্লাব, ইয়ুথ এবং ওমেন্স ফোরামের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা

নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব, ইয়ুথ এবং ওমেন্স ফোরামের ১১তম মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিউইয়র্কে।এতে সম্মাননা জানানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অবদান রেখে আসা বিশিষ্টজনদের। যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। এটি ছিলো নিউ আমেরিকান ডেমাক্র্যাটিক ক্লাব ইনক এর ১১তম বার্ষিক ডিনার ও মিট এন্ড গ্রিট। কুইন্সের গুলশান টেরাসে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানটি আয়োজনে আরও অংশীদার ছিল নিউ আমেরিকান ইয়ুথ ফোরাম অব নিউইয়র্ক ও নিউ আমেরিকান ওম্যানস ফোরাম অব নিউইয়র্ক। মূল ধারার রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের সাথে যোগসূত্র তৈরি করতে প্রতিবছর এই মিলনমেলার আয়োজন করে আসছে নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব। জনাকীর্ন এ অনুষ্ঠানে সিটি কন্ট্রোলার ব্রাড ল্যান্ডারসহ সিটি ও স্টেটের দু'ডজন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা মোর্শেদ আলম। মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আহনাফ আলম। যুক্তরাষ্ট্রে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অসামন্য অবদান রাখায় এই আয়োজন সম্মাননা জানানো হয়। কয়েকজন বাংলাদেশী আমেরিকানদের। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে এতে তুলে দেওয়া হয় আউটস্ট্যান্ডিংঅ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া কংগ্রেস ওয়েইমেনের পক্ষ থেকে স্পেশাল কংগ্রেশনাল রিকোগনেশন দেয়া হয়েছে তাকে। তথ্য প্রযুক্তি ও শিক্ষাখাতে কমিনিটিতে অসাধারণ ভূমিকা রাখায় আবুবকর হানিপকে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। বক্তৃতা ও অ্যাওয়ার্ডস সিরেমনির ফাকে ফাকে চলে নাচ ও গানের পারফরম্যান্স। সবশেষে শুরু হয় ডিনার নাইট। এই মিট অ্যান্ড গ্রিট আয়োজনে প্রতিবছরই দেশী খাবারের বিশাল সমাহার থাকে। এবারও তার ব্যাতিক্রম ছিলো না। একই রাতে কুইন্স প্যালেসে ছিলো শো টাইম মিউজিক্যাল পিঠা উৎসব-২০২৩। নাচ গান আর পিঠা খাওয়ার উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশো দর্শক। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ। এসময় বক্তৃতায় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, তার প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেকের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে ৮ হাজার মানুষ আইটি জগতের ছয় অংকের বেতনের চাকুরি নিয়ে নিজেদের সফল ক্যারিয়ার গড়েছে। সিংক সম্প্রতি তার দ্বারা পরিচালিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সাফল্যের কথা টেনে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচ শতাধিক ছাত্রছাত্রী পড়তে এসেছে। যার মধ্যে অনেকেই স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে আসার সুযোগ পেয়েছেন। পিঠা উৎসেবর আয়োজনে ছিলো ভাপা, চিতই পিঠা, দুধচিতই, ছিট পিঠা, দুধকুলি, ক্ষীরকুলি, তিলকুলি, পাটিসাপটাসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রায় সব রকম পিঠার সমাহার।

post
এনআরবি লাইফ

একতারা'র সাথে এমওইউ সই, কমিউনিটিকে নিয়ে একসাথে বেড়ে উঠতে চায় ডব্লিউইউএসটি

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে পাশে নিয়েই বেড়ে উঠতে চায় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। এটি কমিউনিটির সকলের বিশ্ববিদ্যালয়, এভাবেই বলছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। ভার্জিনিয়াস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির অত্যন্ত জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন 'একতারা'র সঙ্গে একটি সহযোগিতা স্মারক সই করার সময় এসব কথা বলেন তিনি। একতারা'র উদ্যোগে আয়োজিত একটি নাট্ট প্রযোজনায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন আবুবকর হানিপ। সে উপলক্ষে একটি অনাড়ম্বর আয়োজনে শুক্রবার সন্ধ্যায় সই করা হয় সমঝোতা স্মারক। একতারা'র পক্ষে এর অন্যতম প্রধান সংগঠন গোলাম মাওলা মিলন স্মারকে সাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানতম লক্ষ্যই হচ্ছে এর ডাইভার্সিটি। বহুসংস্কৃতি থেকে আসা শিক্ষার্থীরা এখানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সম্মৃদ্ধ করছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতির ঋদ্ধতার প্রশংসা করে ড. কারাবার্ক বলেন, এমন একটি উদ্যোগের পাশে থাকতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় গৌরব বোধ করছে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পাশাপাশি আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে পরিচালিত অপর দুই প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ও এনআরবি কানেক্ট টিভিও এই সমঝোতার অংশিদারীত্বে রয়েছে।আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় আরও বলেন, তার পরিচালনায় এই বিশ্ববিদ্যালয় কোনোভাবেই একটি মানি মেকিং মেশিন হবে না। সংস্কৃতি ও শিক্ষার ওপর যুগপৎ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তার পথ চলছে। গোলাম মাওলা মিলন তার বক্তৃতায় বিশ্ববিদ্যালয় তথা এর চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। একটি উন্নত সংস্কৃতির চর্চার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পৃষ্ঠপোষকতা কমিউনিটি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি জানান এবারের নাটকটি হবে বাংলার এক সময়ের ধনাঢ্য জমিদার ও পরে আধ্যাত্মিক সাধক হাসন রাজার জীবনালেখ্য নিয়ে লেখা গল্প হাসন জনের রাজা। যার নাট্টরূপ দিয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা স্থপতি ও লেখক শাকুর মজিদ।একতারার অতীতের সকল প্রযোজনার ভূয়সী প্রশংসা করে আবুবকর হানিপ বলেন, এবছরও প্রতিষ্ঠানটি কমিউনিটির জন্য একটি মানসম্মত কর্মসূচি দিতে পারবে এমনটাই তার প্রত্যাশা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রধান হোসে ওর্তেগা ও একতারার অপর সংগঠন মিস. রচনা বক্তব্য রাখেন। পরে একটি কেক কেটে ও অতিথিদের মধ্যে ফুল ও বিশেষ উপহারসামগ্রী বিনিময়ের মধ্য দিয়ে কর্মসূচিটি শেষ হয়।

post
এনআরবি সাফল্য

চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠে আমেরিকা-কানাডা থেকে নির্বাচিত ৫ শিল্পী

চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের গ্রান্ড ফিনালে নর্থ আমেরিকা অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গত ২ জানুয়ারি সোমবার। নিউইয়র্কের উডসাইডের গুলশান টেরেসে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট এবং কানাডা থেকে প্রতিযোগিরা অংশগ্রহণ নেন।এতে উত্তর আমেরিকান পাঁচজন বিজয়ী হয়েছেন। যারা বাংলাদেশে যাবেন মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। অনুষ্ঠানে বিচারক হিসাবে ছিলেন দুই বাংলার কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দুই কণ্ঠযোদ্ধা একুশে পদকপ্রাপ্ত রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আই’র অন্যতম পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এছাড়া আরো ছিলেন চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্রের হেড অব অপারেশনস রাশেদ আহমেদ ও আদিত্য শাহিন। সহযোগিতায় ছিলেন শুভ রায়। রিয়েলিটি শো’র গ্রুমিং টিচার ছিলেন প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী শাহ মাহবুব। চূড়ান্ত পর্বের বিজয়ীরা হলেন- নিউইয়র্কের কানিজ দীপ্তি (চ্যাম্পিয়ন), জর্জিয়ার শান্তা মাইশা, ভার্জিনিয়ার মাহ্দিয়া ঈশাল ও অপ্সরা বণিক এবং কানাডার টরন্টোর বিপ্লব কর্মকার। তারা শিগগিরই ঢাকার জাতীয় পর্বে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানের বিজয়ীদের হাতে শুভেচ্ছা পুরস্কার তুলে দেন আলেগ্রা হোম কেয়ার ও বাংলা সিডিপ্যাপের কর্ণধার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ। এছাড়া অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.