post
লাইফ স্টাইল

মাটন রেজালা তৈরির সহজ রেসিপি

ঈদের আয়োজন মানেই মাংসের নানা পদ। ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদে এই আয়োজন আরেকটু বেশি হয়। কারণ এই ঈদ তো মাংস খাওয়ারই। তাই এই উৎসবের আয়োজনে থাকে মাংসের বাহারি পদ। জিভে জল আনা সেসব খাবার তৈরির জন্য সঠিক রেসিপিও তো জানা থাকা চাই। এই যেমন আপনি মাটন রেজালা রাঁধতে চাইলে ঝটপট শিখে নিতে হবে রেসিপি। চলুন জেনে নেওয়া যাক-তৈরি করতে যা লাগবে: খাসির মাংস- ১ কেজি,পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ,আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা- ১ চা চামচ,তেল- আধা কাপ,এলাচ- ৩/৪ টি,দারুচিনি- ৩/৪ টুকরা কাঁচা মরিচ- ৪/৫টি,দই- আধা কাপ,লবণ- স্বাদমতো। যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে রান্নার পাত্রে তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজটুকু দিয়ে দিন। এবার পেঁয়াজ কুচি হালকা সোনালি করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে এলে তাতে অন্যান্য মসলা ও মাংস ভালো করে মাখিয়ে দিয়ে দিন। কষিয়ে নিয়ে অল্প পানি যোগ করুন। খুব বেশি পানি দেবেন না। এবার মৃদু আঁচা রান্না করুন আধা ঘণ্টার মতো। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়েচেড়ে দেবেন। মাংস সেদ্ধ হয়ে উপরে তেল ভেসে উঠলে আর সুন্দর গন্ধ বের হলে নামিয়ে নিন। মাটন রেজালা পোলাও, বিরিয়ানি, পরোটা, রুটি ইত্যাদির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারবেন।

post
লাইফ স্টাইল

প্রেমিকাকে এই ৩ কথা কখনোই বলবেন না

প্রেমিকের মুখ থেকে ভালোবাসার কথা কিংবা নিজের প্রশংসা শুনতে সব প্রেমিকাই পছন্দ করে। তাই অনেক সময় সত্যি-মিথ্যা মিলিয়েও প্রশংসা করে যেতে হয়। তা তার সৌন্দর্য হোক কিংবা বুদ্ধিমত্তার। কিন্তু প্রশংসা করতে গিয়ে অনেকে প্রেমিক অনেক সময় এমনকিছু বলে ফেলেন যা আসলে প্রেমিকার মন জয় করার বদলে উল্টো প্রশ্নের জন্ম দেয়। সেখান থেকে লাগতে পারে দ্বন্দ্বও।প্রেমিকাকে তো মন খুলে প্রশংসা করবেনই, তবে একটু সতর্ক থাকবেন। মুখ ফসকে এমন কথা বলে ফেলবেন না যা তাকে কষ্ট দিতে পারে বা যাতে সে আপনাকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করতে পারে। তাই চেষ্টা করুন স্বাভাবিকভাবে প্রশংসা করার। আপনার অতিরিক্ত প্রশংসা কিন্তু তার চোখে অন্যরকম হয়ে ধরা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কথাগুলো বলবেন না- ‌‘আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’ প্রেমিকা সামনে এলে তাকে দেখামাত্রই প্রশংসা শুরু করে দেবেন না। প্রথমে মনে মনে একটু গুছিয়ে নিন যে তাকে কীভাবে বললে সে সহজে বিশ্বাস করবে এবং খুশি হবে। তাকে কখনোই বলবেন না যে ‌‘আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’। একথা বললেই কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সে প্রশ্ন করে বসবে, ‘কেন, এতদিন কি সুন্দর লাগতো না?’ তখন আপনি উত্তর দেওয়ার মতো কথা খুঁজে পাবেন না। বরং জব্দ হতে না চাইলে তাকে বলুন যে তাকে বরাবরের মতোই সুন্দর লাগছে। এতে সে যেমন খুশি হবে তেমনই আত্মবিশ্বাসও ফিরে পাবে। প্রাক্তনের সঙ্গে তুলনা আপনার প্রাক্তন ভালো হোক কিংবা খারাপ, তার সঙ্গে আপনার প্রেমিকার কখনো তুলনা করবেন না। কারণ কোনো নারীই অন্য নারীর সঙ্গে তুলনা পছন্দ করে না। বিশেষ করে প্রেমিকের প্রাক্তনের সঙ্গে তো নয়ই। এছাড়া আপনি যখন প্রাক্তনের প্রসঙ্গ টেনে আনবেন তখন কিন্তু সে সহজেই বুঝে যাবে যে আপনি এখনও প্রাক্তনের কথা ভুলতে পারেননি। তাই আপনি আপনার বর্তমান প্রেমিকাকে পেয়ে নিজেকে যতটাই ভাগ্যবান মনে করুন না কেন, তার সঙ্গে প্রাক্তনের তুলনা টানতে যাবেন না। অন্য নারীর প্রশংসা প্রত্যেক নারীই নিজের প্রশংসা অন্যের মুখে শুনতে পছন্দ করে। কিন্তু নিজের প্রেমিকের মুখে অন্য নারীর প্রশংসা শুনতে তাদের একটুও ভালোলাগে না। তাই প্রেমিকা ছাড়াও যদি অন্য কারও ব্যক্তিত্ব বা সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করে তা আপনার প্রেমিকার সামনে না বলাই ভালো। কারণ এটি একবার বলে দিলে সারা জীবন ধরে আপনাকে খোঁচা সহ্য করতে হতে পারে। তাই নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য এ কাজ থেকে বিরত থাকুন।

post
লাইফ স্টাইল

আপনার ত্বক কি তৈলাক্ত?

আপনার প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে পারেন। আপনার তৈলাক্ত ত্বক হয় তবে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন- দুধ আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি ত্বকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কারণ এতে হরমোন টেস্টোস্টেরন সম্পর্কিত উপাদান রয়েছে। যা ত্বকে তেল গ্রন্থিগুলোকে উদ্দীপিত করে, ত্বককে তৈলাক্ত এবং চর্বিযুক্ত করে তোলে। মাংসে খুব উচ্চ সোডিয়ামের মাত্রা রয়েছে, যা পানি ধরে রাখতে পারে। যে কারণে নিয়মিত মাংস খেলে তা ত্বকের আরও ফোলাভাব এবং চর্বি সৃষ্টি করে। যার ফলে আপনার ত্বককে অত্যন্ত তৈলাক্ত দেখায়। রেড মিটে রয়েছে সোডিয়াম যা তেল নিঃসরণ বাড়ায়। সয়াতে ফাইটোস্ট্রোজেন রয়েছে, যা হরমোনের ভারসাম্যকে ব্যাহত করতে পারে। এই ভারসাম্যহীনতা ত্বককে তৈলাক্ত করে তুলতে পারে এবং ব্রণ হতে পারে। তাই আপনার ত্বক তৈলাক্ত হলে সয়া এড়িয়ে চলুন। কে চকোলেট পছন্দ করে না? কিন্তু কিছু চকোলেটে অতিরিক্ত মিষ্টি যোগ করা হয়, যা আপনার ত্বককে তৈলাক্ত করে তোলে। যার ফলে ব্রণ এবং ব্রণ হয়। ময়দার মতো পরিশোধিত শস্য আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। যা তৈলাক্ত ত্বকের দিকে কারণ হতে পারে। গমে গ্লুটেন এবং ফাইটিক অ্যাসিড বেশি বলে মনে করা হয়, যা হজমে অসুবিধা সৃষ্টি করে। বদহজম পুষ্টি শোষণের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে, যা ত্বককে প্রভাবিত করে। তাই তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে গম দিয়ে তৈরি খাবার এড়িয়ে চলুন।

post
লাইফ স্টাইল

সুখী হতে কী লাগে?

জীবন উত্থান-পতনে ভরা একটি সুন্দর যাত্রা, তাই সুখ খুঁজলে সুখ পাওয়া যায়। মানুষ কখনো কেবল নিজেকে নিয়ে সুখী হতে পারে না। মানুষ সবচেয়ে বেশি সুখী হতে পারে যখন সে মানুষের জন্য উপকারী হয়ে ওঠে। একজন মানুষের সুখী হতে কী লাগে? চলুন জেনে নেওয়া যাক- আধুনিক জীবনে তাড়াহুড়োতে জড়িয়ে পড়া এবং ছোট ছোট জিনিসের প্রশংসা করতে ভুলে যাওয়া মোটেই অস্বাভাবিক নয়। কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। এতে আপনার জীবনের ছোট ছোট ঘটনাও আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে। নিজের যত্ন নেওয়া কোনো বিলাসিতা নয়; এটি একটি সুখী জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সামগ্রিক সুখ বজায় রাখার জন্য আপনার শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের জন্য কিছুটা হলেও সময় রাখুন। নিজের সৃজনশীল কাজগুলোর দিকে মনোনিবেশ করুন। নিজের চারপাশে ইতিবাচক এবং সহায়ক ব্যক্তিদের রাখুন। তারা আপনার সুখকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সমমনা ব্যক্তিদের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলুন। যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে তাদের আশেপাশে থাকুন। আনন্দের মুহূর্তগুলো তাদের সঙ্গে ভাগ করে নিন। ক্ষোভ, অতীতের ভুল বা নেতিবাচক আবেগ ধরে রাখলে তা আপনাকে ভারাক্রান্ত করতে পারে এবং আপনার সুখকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। নিজেকে এবং অন্যদেরকে ক্ষমা করতে শিখুন। এটি আপনাকে অপ্রয়োজনীয় বোঝা বয়ে বেড়ানো থেকে মুক্তি দেবে।

post
লাইফ স্টাইল

শসা দিয়ে ত্বকের যত্ন

গরমের সময়ে যেসব সবজি বেশি খাওয়া হয় তার মধ্যে একটি হলো শসা। এটি কেবল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী নয়, বরং ত্বকের যত্নেও সমান কার্যকরী। শসা দিয়ে ত্বকের যত্ন নিলে আপনি দারুণ উপকার পেতে পারেন। গরমে ত্বকের যত্নে একটি সহজলভ্য উপকরণ হতে পারে শসা। এতে ত্বক সতেজ ও সুন্দর থাকবে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক শসা দিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার ঘরোয়া উপায়- শসার ফেসপ্যাক এই গরমে ত্বককে হাইড্রেট রাখতে শসা বেশ কার্যকরী। ত্বকে ব্যবহারের জন্য শসা স্লাইস করে কেটে নিয়ে তার একটি মিশ্রণ তৈরি করতে পারেন। স্লাইস করা হয়ে গেলে তাতে দিতে হবে ১ চামচ করে মধু ও দই। এরপর সবগুলো উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ব্যস, তৈরি হয়ে গেলো শসার ফেসপ্যাক। গোসলের আগে মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে নিন। এভাবে রেখে অপেক্ষা করুন ৫ থেকে ১০ মিনিট। এরপর মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের পরিবর্তনটা নিজেই টের পাবেন। ত্বকের ক্লান্তি দূর করতে গরমের সময়ে অনেকেরই মুখে জ্বালা করে থাকে। বিশেষ করে রোদে বের হলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। রোদে পোড়া ত্বককে উজ্জ্বলতা দেওয়ার জন্য শসার খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিতে পারেন। এরপর তাতে এক চামচ চিনি মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর সেই মিশ্রণ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য। ঠান্ডা হলে বের করে মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে মিনিট দশেক। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এর পাশাপাশি সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখের ক্লান্তির ছাপ দূর করার কাজেও ব্যবহার করতে পারেন শসা। শসা টুকরা করে তা মুখে বুলিয়ে নিলেই সুফল পাবেন। ব্রণ কমাতে ব্রণের সমস্যা দূর করা মুশকিল। বিশেষ করে গরমের সময়ে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। আপনার ত্বক যদি অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যায় তাহলে তাতে সহজে ময়লা জমে যেতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে শসা বেশ কার্যকরী। সেজন্য আপনাকে শসা স্লাইস করে কেটে নিতে হবে। এরপর সেই শসা পিষে রস বের করে নেবেন। এরপর শসার রস মুখে ব্যবহার করবেন। এভাবে ব্যবহারের ফলে ব্রণের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।

post
লাইফ স্টাইল

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে সুস্থ থাকবেন যেভাবে

হিট স্ট্রোক তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার একটি গুরুতর রূপ। এই গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধ করার জন্য সমস্যা দ্রুত সনাক্ত করা প্রয়োজন। গরমে তাপ তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায় জানা জরুরি। এসময় হাইড্রেটেড থাকুন, লক্ষণগুলো জেনে রাখুন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। তীব্র গরমের কারণে অসুস্থতার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা (১০৪°ফারেনহাইট /৪০°সেলসিয়াসের উপরে), গরম এবং শুষ্ক ত্বক (কোনো ঘাম থাকবে না), দ্রুত স্পন্দন, তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, বিভ্রান্তি এবং অচেতনতা। আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় পেশী ক্র্যাম্প এবং দুর্বলতাও অনুভব করতে পারে। নিরাপদ থাকার উপায় সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন, এমনকী যদি আপনি তৃষ্ণার্ত না-ও হন। ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়িয়ে দিতে পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ সন্ধান করুন বা বায়ু সঞ্চালনের জন্য ফ্যান ব্যবহার করুন। হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক পরুন এবং বাইরে গেলে ছায়ায় থাকুন। দিনের উষ্ণতম সময়ে কঠোর কার্যকলাপ এড়িয়ে চলুন। যদি আপনাকে শারীরিক পরিশ্রম করতেই হয় তবে ছায়াযুক্ত বা শীতল জায়গায় ঘন ঘন বিরতি নিন। সূর্যের রশ্মি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন, সানগ্লাস এবং একটি চওড়া টুপি পরুন। অতিরিক্ত ছায়ার জন্য ছাতা বা চাদর ব্যবহার করুন। শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থদের প্রতি নজর রাখুন, কারণ তারা গরমের সময়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।

post
লাইফ স্টাইল

পোষা প্রাণীকে চুম্বন করা কতটা নিরাপদ?

অনেক মানুষ তাদের পোষা প্রাণীকে খুব ভালবাসে। পোষা প্রাণীর সঙ্গে পরিবারের একজন সদস্যের মতোও আচরণ করেন অনেকে। পোষা প্রাণীগুলো অনেক সময় সব রকম আচরণের মানে বোঝেন। কিছু মানুষ আছে যারা তাদের পোষা প্রাণীকে ভালোবাসার সঙ্গে চুম্বন করে। এখন প্রশ্ন জাগে আপনার পোষা প্রাণীকে চুম্বন করা বা তাদের তুলতুলে শরীরের সংস্পর্শে আসা কি নিরাপদ? আপনার পোষা প্রাণীকে চুম্বন একটি বড় ব্যাপার নয়, আপনার মুখ সুস্থ থাকলে আপনি আপনার পোষা প্রাণীকে চুম্বন করতে পারেন। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যেগুলোর প্রতি মনোযোগ দেওয়া খুবই জরুরি। কারণ এসব উপেক্ষা করলে মারাত্মক কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। মানুষ ও কুকুর উভয়ের মুখেই হাজার হাজার ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আমাদের শরীর অসুস্থ করে তুলতে পারে। পোষা প্রাণীকে চুম্বন করা বিপজ্জনক হলে, আমরা সবসময় অসুস্থ থাকতাম। কিন্তু তা হয় না। কারণ সাধারণত কুকুরের মুখের ব্যাকটেরিয়া আমাদের জন্য ক্ষতিকর নয়। যাই হোক, এর অর্থ এই নয় যে কুকুরকে চুম্বন করা সম্পূর্ণ নিরাপদ। কখন পোষা প্রাণীকে চুমু খাবেন না? আপনার পোষা প্রাণীর মুখ ‘টয়লেট সিটের চেয়ে পরিষ্কার’— এই পুরানো কথাটিকে অনেক লোক সত্যি বলে মনে রাখে। এই কথাটিও অনেক ক্ষেত্রে ভুল প্রমাণিত হতে পারে। কারণ অনেক কুকুরের দাঁতের স্বাস্থ্যবিধি খুবই খারাপ। এ ধরনের কুকুরকে চুম্বন করলে প্লাক তৈরি হতে পারে এবং মাড়ির রোগ হতে পারে। এর সাহায্যে মুখের ব্যাকটেরিয়াও দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই দাঁতের রোগে আক্রান্ত পোষা প্রাণীদের কখনোই চুম্বন করা উচিত নয়। মানুষ থেকে পোষা প্রাণীতেও ছড়াতে পারে রোগ! আরও কিছু সংক্রামক ব্যাকটেরিয়া, যেমন ই.কোলি, সালমোনেলা ও স্ট্যাফাইলোকক্কাস উদ্বেগের কারণ। এ সমস্ত ব্যাকটেরিয়া আপনার পোষা প্রাণীর মধ্যে উপস্থিত হতে পারে, যা হয় গুরুতর উপসর্গ সৃষ্টি করবে বা এক্সপোজারের পরে কোনো উপসর্গ থাকবে না। দাদ হলো একটি ছত্রাক সংক্রমণ, যা সহজেই বিড়াল থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। শুধু তাই নয়, কিছু রোগ মানুষ থেকে পোষা প্রাণীতেও প্রবেশ করতে পারে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, করোন ভাইরাসটি মানুষ থেকে পোষা প্রাণী, বিশেষ করে বিড়াল যারা তাদের মালিকদের সঙ্গে বিছানায় ঘুমায় তাদের মধ্যে সংক্রমণ হতে পারে।

post
লাইফ স্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই। ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন। হার্ট ভালো রাখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি? যেভাবে খাবেন এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

post
লাইফ স্টাইল

শিশুর রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

শিশুদের রাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করা তাদের মানসিক বিকাশ এবং সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। শিশুরা বেড়ে ওঠার উত্থান-পতন মোকাবিলা করার সময় তাদের হতাশা এবং ক্রোধ সামলে রাখাও শেখাতে হবে। এটি তাদের জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম করবে। এখানে ৫টি সহজ কিন্তু শক্তিশালী দক্ষতা রয়েছে যা শিশুদের রাগ পরিচালনা করতে এবং জটিল আবেগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।আবেগ শনাক্ত করতে দিন আপনার সন্তানকে তার আবেগ শনাক্ত করতে ও নাম দিতে সাহায্য করুন। এতে সে নিজের অনেক বিষয় কেউ বলে না দিলেও বুঝতে পারবে। রহস্য সমাধান করার মতো সে কী অনুভব করছে তা বুঝতে পারাটা হবে প্রথম পদক্ষেপ। সহজ ভাষা এবং উদাহরণ ব্যবহার করুন যা সে সহজে বুঝতে পারে। নিজের রাগ সম্পর্কে বুঝতে পারলে তা নিয়ন্ত্রণ করা তার জন্য সহজ হবে। সরাসরি কথা বলুন খোলামেলা কথা বলার মাধ্যমে আপনার সন্তানকে রাগ নিয়ন্ত্রণে শব্দের শক্তি শেখান। অন্যদের দোষারোপ করার পরিবর্তে নিজের অনুভূতি শান্ত এবং দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করতে তাকে উৎসাহিত করুন। অন্যদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠার জন্য তাকে ভালো ভালো কাজ করতে দিন। নিজের ছাড়াও অন্যকে নিয়ে ভাবতে শেখান। এতে তার রাগ অনেকটাই কমে আসবে। রাগকে সমস্যা সমাধানের সুযোগে পরিণত করুন আপনার সন্তানের রাগের মূল কারণগুলো মোকাবিলা করার জন্য সমস্যা সমাধানের দক্ষতা তৈরি করুন। সমস্যাটিকে ছোট অংশে বিভক্ত করে সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে এবং তার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে তাকে উৎসাহিত করুন। সমস্যার উপর মনোযোগ না দিয়ে সমাধান খোঁজার দিকে মনোযোগ দিন। শিশুরা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই তাকে এটি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করুন। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করুন আপনার সন্তানকে আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ়তা তৈরি করতে সহায়তা করুন। এতে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং তাতে অটল থাকতে পারবে। যে কারণে অযথা রাগের পরিস্থিতি তৈরি হবে না। শিশুকে শেখাতে হবে যে আক্রমণাত্মক বা প্যাসিভ না হয়ে তাদের অধিকার এবং পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে। এতে শিশু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামাজিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করার দক্ষতা অর্জন করে। সেইসঙ্গে শিশুর অসহায়ত্ব বা হতাশার অনুভূতি থেকে রাগের সম্ভাবনা কমে যাবে।

post
লাইফ স্টাইল

গরমে সুস্থ রাখবে এই ৫ খাবার

গরমের সময় শুরু হয়েছে। এখন সময় এসেছে আমাদের খাবারের তালিকা ও জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন আনার। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত যেগুলো শরীরকে ঠান্ডা এবং হাইড্রেটেড রাখে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসময় আমাদের ঘাম এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে অনেকটা পানি বের হয়ে যায়। যে কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। গরমের সময়ে আমরা অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি তৃষ্ণার্ত থাকি। তাই এসময় এমন খাবার খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ থাকে বেশি। এই গরমে আপনাকে নিজের প্রতি আরেকটু বেশি যত্নশীল হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে খাবারের তালিকার প্রতি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন খাবার সম্পর্কে যেগুলো আমাদের এই গরমেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। ১. শশা গরমের সময়ে একটি উপকারী খাবার হলো শশা। এতে ক্যালোরি থাকে কম এবং এটি হাইড্রেটিং একটি খাবার। আপনার প্রতিদিনের সালাদ, স্মুদি কিংবা অন্যান্য ডিশ তৈরিতে রাখতে পারেন শশা। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে তা আপনাকে গরমেও হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। তাই গরমের সময়ে শশা থাকুক আপনার খাবারের তালিকায়। ২. তরমুজ গ্রীষ্মকালীন একটি সুস্বাদু ফল হলো তরমুজ। মিষ্টি স্বাদের এই ফল সবার কাছেই একটি পছন্দের খাবার। এটি গরমের সময়ের জন্য বেশ উপযুক্ত। কারণ এই ফলের প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। এতে থাকে ইলেক্ট্রোলাইট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ। যে কারণে তরমুজ খেলে তা শরীরের অনেক ঘাটতি পূরণে কাজ করে। তাই খাবারের তালিকায় প্রতিদিন তরমুজ রাখুন। ৩. ফুটি গরমের আরেকটি সুস্বাদু ফল হলো ফুটি। এটে যেমন মিষ্টি তেমনই হাইড্রেটিং। ফুটি খেলে তা আপনাকে দিনভর সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। হার্ট ভালো রাখতে, দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে, ওজন কমাতে এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফুটির জুড়ি মেলা ভার। তাই গরমের সময়ে খাবারের তালিকায় যোগ করে নিন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ফুটি। ৪. টমেটো গরমের সময়ে একটি উপকারী সবজি হলো টমেটো। লাল টুকটুকে টমটো দিয়ে তৈরি করা যায় নানা পদের খাবার। এটি লাইকোপেন সমৃদ্ধ। লাইকোপেন হলো একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। টমেটোতে প্রচুর পানি থাকে। সেইসঙ্গে থাকে ভিটামিন এ এবং সি। তাই গরমের সময়ে নিয়মিত টমেটো খেতে হবে। ৫. দই গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত পাতে রাখুন দই। এটি এক ধরনের প্রয়োবায়োটিক যা এই গরমে আপনাকে সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও কাজ করবে এটি। দই খেলে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই গরমের সময়ে প্রতিদিন এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস করুন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.