post
শিক্ষা

ভারতের নিমস ইউনিভার্সিটির সঙ্গে অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স বিনিময়ে চুক্তি স্বাক্ষর ডব্লিউইউএসটির

ভারতের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিমস ইউনিভার্সিটির সঙ্গে অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স বিনিময়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। এই চুক্তির ফলে নিমস বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুসরণ করা হবে ডব্লিউইউএসটির কোর্স কারিকুলাম এবং ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা ডব্লিউইউএসটিতে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে তাদের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। উভয় বিশ্ববিালয়ের শিক্ষকরা পড়াতে পারবেন একে অপরের ক্যাম্পাসে। গত ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়ায় ডব্লিউইউএসটি ক্যাম্পাসে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। স্বাক্ষর করেন ডব্লিউইইএসটির চেয়ারম্যান ও চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড: বলভীর এস. তোমর। চুক্তির আওতায় উচ্চমানসম্পন্ন শিক্ষা. গবেষণা উন্নয়ন, সহযোগিতা ও অন্যান্য শিক্ষাবিনিময় কার্যক্রম পরিচালিত হবে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে। এছাড়া দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা একে অপরের সাথে বিনিময় করবেন। এর আগে গেলো বছরের ৪ ডিসেম্বর একটি দীর্ঘ মেয়াদী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে। তারই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে ডব্লিউইউএসটির নতুন ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড: বলভীর এস. তোমর। ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নতুন ক্যাম্পাস আর সার্বিক উন্নয়ন দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন ভারতের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই প্রতিষ্ঠাতা। এসময় ডব্লিউইউএসটি চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন ড. বলবীর এস. তোমর। সেই সাথে প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের পরিচালনার প্রশাসনিক গুনাবলীর। ড: বলভীর বলেন, "আমার দৃঢ় বিশ্বাস অদূর ভবিষ্যতে এই ডব্লিইউএসটি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের রেঙ্কিংয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেবে।" তিনি আরও বলেন, এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা নিমস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ডব্লিউইউএসটিতে পড়াশোনা করে যুক্তরাষ্ট্রের মাটি থেকে তাদের উচ্চ শিক্ষার স্বপ পূরণ করতে পারবে।  সাম্প্রতিক সময়ে নিমস ইউনিভার্সিটির নামের পাশে অর্জনের আর বেশ কিছূ পালক যুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, ড. বলভীরের সফরসঙ্গী ড. নিপাক নাথিয়া একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন ডব্লিউইউএসটির প্রফেসরস ও কর্মকর্তাদের সামনে। উপস্থাপনা শেষে তিনি বলেন, তিন বছরের ব্যবধানে ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এমন রেকর্ড খুব কম দেখা যায়। আমি খুব আশাবাদী নিমস এবং ডব্লিউইউএসটি একসাথে কাজ করলে আরও অনেক অর্জন সামনে যুক্ত হবে। ডব্লিউইউএসটির চেয়ারম্যান ও চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দিক এর অ্যাক্রেডিটেশনস। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসমূহ সম্প্রতি আগামী চার বছরের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন অনুমোদন দেয় ডব্লিউইউএসটিকে। যা আমাদের নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার পথ সুগম করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা নার্সিং পোগ্রাম পরিচালনা জন্য আবেদন করেছি। খুব শীঘ্রই সেই অনুমোদন পেয়ে যাবো আশা করি। তাছাড়া ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পাশের আরেকটি ভবন অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে আমরা নতুন ক্যাম্পাস খোলার কথা ভাবছি।" মতবিনিময় সভায় প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক তুলে ধরেন এতো অল্প সময়ের মধ্যে ডব্লিউইউএসটির কিভাবে এতোটা উন্নতি সাধন করেছে তার নানা দিক। তিনি বলেন, "আমাদের ট্রিপল 'এ' মিশন অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাতিক্রম- অ্যাক্রেডিটেড, অ্যাফোর্ড্যাবল ও অ্যাকসেস্যাবল। আর তার চেয়েও বেশি যেটি কার্যকরী তা হচ্ছে, আমরা শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রি নয় তার সাথে স্কিলড করে তুলছি ও কর্মসংস্থানের জন্যও তৈরি করছি। আর এ এজন্যই ডব্লিউইউএসটিকে সবাই উচ্চ শিক্ষার সঠিক প্লাটফর্ম হিসাবে বেছে নিচ্ছে।” সভায় উপস্থিত ছিলেন সিএফও ফারহানা হানিপ। তিনি বলেন, "সকলের প্রচেষ্টায় এগিয়ে চলছে ডব্লিউইউএসটি। আর নিমসের মতো ভারতের শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে পারাটা হবে বেশ সম্মানের এবং গর্বের। আমরা মুখিয়ে আছি একসাথে এগিয়ে যাবার জন্য।" ডব্লিউইউএসটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অব এডুকেশন ড. জেফের পিরিম, ভাইস প্রেসিডেন্ট অব অপারেশন ও রেজিস্ট্রার ড. শ্যান চো, স্কুল অব বিজনেসের পরিচালক অধ্যাপক মার্ক এল রবিনসন ও বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা কার্যক্রম সম্পর্কে অতিথিদের অবহিত করেন । মতবিনিময় সভা শেষে নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. বলবভীর এস. তোমর ও প্রফেসর ড. নিপাক নাথিয়া নতুন ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পাসের বিস্তৃতি এবং ক্যাম্পাস জুড়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বাধুনিক ক্লাসরুম, ল্যাব, লাইব্রেরি, ক্যাফেটেরিয়া, গেমিং জোন, অডিটোরিয়ামসহ সব কিছু ঘুরে দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রফেসর ড: বলভীর। ডব্লিউইউএসটির পক্ষ থেকে দুই অতিথির হাতে শ্যুভেনির তুলে দেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক। ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে অবস্থিত নিমস বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের অর্থায়নে পরিচালিত উত্তর ভারতের বৃহত্তম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্যারামেডিকস, ফিজিও থেরাপি, ফ্যাশন ডিজাইন, আইন, ব্যবস্থাপনা এবং আরও অনেক বিষয়ের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে এটি ভারতের অন্যতম শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। মেডিকেলের ক্যাটাগরিতে ২০১৬ সালে ফিফথ বেস্ট ইমার্জিং বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছিলো নিমস। এর ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে ১৫শ'র বেশি ‌ফ্যাকাল্টি মেম্বার। চারশো একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একশোর বেশি প্রোগ্রামের অধীনে সাড়ে চারশো কোর্স চালু রয়েছে। আইন, ব্যবসায়িক প্রশাসন, লিবারেল আর্টস থেকে শুরু করে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল সাবজেক্টের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সের মতো বিষয়। অন্যদিকে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকান উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও ব্যবসায়িক প্রশাসনের উপর ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের প্রায় ২০০০ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি সাম্প্রতিক সময়ে ভার্জিনিয়ার ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে যেমন পরিচিতি পেয়েছে তেমনি স্বীকৃতি পেয়েছে স্টেট সিনেট ও লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির। এমবিএ প্রোগ্রামের জন্য ভার্জিনিয়ার সেরা র্যাংকিংয়ে উঠে এসেছে ডব্লিউইউএসটির নাম।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর উদযাপন, ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য শান্তি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনা

১০ এপ্রিল বুধবার অ্যামেরিকায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলমানদের সর্ববৃহৎ আনন্দ উদযাপন ঈদ-উল ফিতরে মসজিদে মসজিদে হয়েছে ঈদের জামায়াত। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসলমানরা। সকলে দোয়া করেছেন মুসলিম বিশ্বের কল্যাণে।যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি এরিয়ায় যথাযথ মর্যাদা ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব। ঈদ ঘিরে আনন্দে মেতে উঠে বিভিন্ন বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলো। ভার্জিনিয়ার অল ডুলাস এরিয়া মুসলিম সুসাইটি, অ্যাডামস সেন্টারে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে নয়টায়। সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত তিনটি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামায়াতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ছিলেন। ঈদের এই বিশেষ দিনে অ্যাডাম সেন্টার ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন একজন। নবাগত এই মুসলিম ভাইকে ঈদ মোবারকের মাধ্যমে স্বাগত জানিয়েছেন সবাই। মুসলিম কমিউনিটির প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা পৌছে দিতে অ্যাডাম সেন্টার উপস্থিত হয়েছিলেন দুজন হাইজ অব ডেলিগেটস। নামাজ শেষে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য শান্তি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণে পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ কামনা করা হয়। একইভাবে ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড ও ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজে পরিবার-পরিজনসহ শিশু কিশোররা অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে সবাই নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। ওয়াশিংটন মেট্রো, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, টেক্সাস, লসএঞ্জেলেস, ফিনিক্স, বস্টন, কানেকটিকাট, ওহাইয়ো, শিকাগোতে যথাযথ মর্যাদায় ঈদ উদযাপিত হয়েছে। নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে। নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কসের বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া এলমহার্স্টে মসজিদ আল তৌফিক, বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার, আল আমান মসজিদ, মসজিদ মারজান, বেলাল মসজিদ, ব্রুকলীন ইসলামিক সেন্টার, পার্কচেস্টার জামে মসজিদে বড় আকারের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশ ও বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেইডি জিল বাইডেন। বুধবার এক বিবৃতিতে এই শুভেচ্ছা জানান তারা। বিবৃতিতে বিশ্ব শান্তি ও মানবিক মর্যাদার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে যুদ্ধ ও দারিদ্রহীন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া ঈদের মাঝেও দুর্দশাগ্রস্ত গাজাবাসীর প্রতি বিশেষ সহমর্মিতা জানান জো বাইডেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অ্যামেরিকায় বাংলাদেশি কমিউনিটি সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, মূলধারার রাজনীতিবিদরা। ঈদে মুসলিম কমিউনিটির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বার্তা দিয়েছেন, কংগ্রেসম্যান, ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি, অ্যাসেম্বলিম্যানসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিরা। এছাড়া ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও নিউ ইয়র্কে, দেশটির কনসাল জেনারেল। বুধবার মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হয়েছে ঈদুল-ফিতর। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, তুর্কিয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম দেশে একই দিনে উদযাপিত হয়েছে ঈদ। ঈদ জামাত শেষে সারা বিশ্বের জন্য শান্তি কামনায় দোয়া করেন মুসল্লিরা।

post
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর পালিত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন রাজ্যে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমেরিকার বিভিন্ন শহর ও মসজিদ্গুলোতে সকাল থেকে বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টারগুলোতে স্থানীয়দের সাথে প্রবাসী মুসল্লিরা ঈদের জামাতে অংশ নেন। কুইন্সের সানিসাইড মুসলিম সেন্টারে ঈদের নামাজ পড়ান শায়েখ ইউসুফ রেজা চৌধুরী। এসময় মসজিদ কমিটির সভাপতি পারভেজুর রহমান ও আলতাফ হোসেনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

post
যুক্তরাষ্ট্র

গর্ভপাত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ১৯ শতকের গর্ভপাত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে যাচ্ছে৷ ১৮৬৪ সালের এক আইনে গর্ভপাতে সহায়তা করা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুয়োগ রয়েছে৷ অ্যারিজোনা রাজ্যের সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে জানিয়েছে, রাজ্যটি গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার জন্য ১৮৬৪ সালের এই আইন পুনরায় কার্যকর করতে পারে৷ আইনটি কার্যকর হলে গর্ভপাতে সহায়তাকারী চিকিৎসকদের বিচারের মুখোমুখি করার আশঙ্কা বেড়ে যাবে৷ অ্যারিজোনা রাজ্যের বিদ্যমান আইন অনুসারে ধর্ষণ অথবা অনিচ্ছাকৃত ঘটনায়ও গর্ভপাত নিষেধ৷ শুধু মায়ের জীবনের আশঙ্কা থাকলে গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া হবে৷ আইনটিতে গর্ভপাতের ক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য, দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে৷

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশে হত্যা মামলার আসামি নিউইয়র্কে গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে একজনকে হত্যার অভিযোগে গেনেট রোজারিও (৫২) নামে যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটন শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের বাসিন্দা। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ফৌজদারি শাখার প্রধান ও মুখ্য উপসহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিকোল এম আর্জেন্টিয়েরি জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক মাইকেল রোজারিওকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।আদালতের নথি অনুসারে, ২০২১ সালের ১১ জুন বাংলাদেশে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের গেনেট রোজারিও (৫২) বাংলাদেশে অবস্থানরত মাইকেল রোজারিওকে হত্যা করেন। এ হত্যাকাণ্ডে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি ড্যামিয়ান উইলিয়ামস বলেন, মার্কিন নাগরিক গেনেট রোজারিও বাংলাদেশে একজন আমেরিকানকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এর থেকে বোঝা যায়, আইন প্রয়োগকারী অংশীদারদের সঙ্গে এই অফিসের (অ্যাটর্নি অফিস) যোগাযোগ অনেক বিস্তৃত। নিউইয়র্কের নারী ও পুরুষদের সুরক্ষায় আমাদের অঙ্গীকার ভৌগোলিক সীমানার বাইরেও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্ত ব্যুরো এফবিআইয়ের লস অ্যাঞ্জেলেস ফিল্ড অফিসের ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মেহতাব সাইদ বলেন, বিদেশে সংঘটিত এমন অপরাধগুলো তদন্তে এফবিআই উল্লেখযোগ্য সম্পদ ব্যয় করছে। বিদেশের মাটিতেও কেউ আমেরিকানদের সঙ্গে অপরাধ করলে এফবিআইয়ের তদন্তের মাধ্যমে তাকে জবাবদিহি করানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এফবিআই নিউইয়র্ক ফিল্ড অফিসের ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর তৃতীয় জেমস এইচ স্মিথ বলেন, গেনেট রোজারিও ঠাণ্ডা মাথায় হিসাব-নিকাশ করেই আমেরিকান এক নাগরিককে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরাধী যেখানেই অপরাধ করুন না কেন, তাকে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। এফবিআইয়ের লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্ক ফিল্ড অফিস গেনেট রোজারিওর বিরুদ্ধে তদন্ত করেছে। এদিকে, গেনেট রোজারিওকে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টে আদালতে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিককে হত্যা, সহিংসতা অপরাধে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার ও বহনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। 

post
যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তার উদ্যোগে ডব্লিউইউএসটি ফাউন্ডেশন

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে এবং ঈদ উল ফিতর সামনে রেখে নিউইয়র্কের কুইন্সে নিম্নআয়ের তিন শতাধিক পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তার উদ্যোগ নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ডব্লিউএসটি ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি সংগঠন-প্রতিষ্ঠান।পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের একটি মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে গত রবিবার ৭ এপ্রিল। জীবনযুদ্ধে অব্যহত লড়াই চালিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর দিকে সামান্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতেই এই উদ্যোগ।ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র উদ্যোগে গড়ে তোলা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ডব্লিউএসটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কমিউনিটির সুবিধাবনচিত মানুষের পাশে থাকছে। নিউইয়র্কে সেইভ দ্য পিপল ও মুনা সোশ্যাল সার্ভিসেস নামের দুটি সংগঠনের সাথে যৌথভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলো ডব্লিউইউএসটি।এইদিন সকাল থেকেই কুইন্সের জামাইকায় নিম্নআয়ের মানুষগুলো জড়ো হতে থাকেন। আগেই তাদের এই খাদ্য সহায়তার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে। পরে তা সংগ্রহ করতে তিন শতাধিক মানুষ জড়ো হয়। তাদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে একের পর এক তুলে দেওয়া হয় নানা ধরনের খাদ্যপণ্য। আয়োজকরা জানান, বিশ ধরনের খাদ্যপণ্য দিয়ে একেকটি থলে তৈরি করে তা বিতরণ করা হয়। আর সহায়তা যারা পেলেন তাদের একজন জানালেন, পর্যাপ্ত পরিমান খাদ্য সহায়তা তারা পেয়েছেন। যা দিয়ে একটি ছোট পরিবারের এক মাসের খোড়াক হয়ে যাবে। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে সহায়তাপ্রাপ্ত একাধিকজন বলেছেন, তারা খুশি। খুশি ছিলো সহায়তা নিতে আসা ছোট শিশুরাও। কারণ খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে তাদের প্রিয় আইটেমও রয়েছে। নানা বয়সের নারীপুরুষ এসেছিলো খাদ্য সহায়তা নিতে। তারা সকলেই সহায়তা পেয়েছেন। অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই খাদ্য সহায়তা বিচরণ করা হয়। আর সে কাজে নিয়োজিত ছিলেন এক ডজনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবকের একটি দল। করেমসূচির প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন সেভ দ্য পিপল এর কর্ণধার মাওলানা মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের আয় কম। ফলে এই মানুষগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পান না। এমন অনেকে আছেন যাদের আয়-ব্যয়ের হিসাবেই আটকে থাকে জীবন। ভালো কিছু খাবার খেতে পারেন না। কমিউনিটির এসব অসহায় মানুষ ও নতুন যারা আমেরিকায় আসেন, প্রবাসী বাঙালি সবার কথা চিন্তা করেই এই সহযোগিতার উদ্যোগ।  এই উদ্যোগের পাশে থেকে সহযোগিতা করার জন্য ডব্লিউইউএসটি ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সহায়তার কারণে অনেক পরিবারের মুখে ফুটেছে হাসি। জীবন হয়েছে সহজ। রমজানের পরেও প্রতি মাসে এই কর্মসূচি চলবে বলে জানান আয়োজকরা। একই সঙ্গে সামাজিক এই মহৎ উদ্যোগে অবদান রাখায় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (ডব্লিউইউএসটি) চ্যান্সেলর ও ডব্লিউইউএসটি ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আবুবকর হানিপসহ অন্যান্য দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এর মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কের নিম্ন আয়ের মানুষ, নব্য অধিবাসীরা কিছুটা হলেও খাদ্যচিন্তামুক্ত থাকবে। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন গ্রোসারি আইটেমের ২০টির বেশি খাদ্যপন্ন বিতরণ করা হলে। আর যারা এই সহায়তা পাওয়ার যোগ্য সেই অসহায় মানুষগুলোকেই তালিকাভূক্ত করে এই সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। শুধু কুইন্স নয়, ব্রুকলিন, ম্যানহাটনসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তিন শতাধিক পরিবার এখানে খাবার নিতে আসে। খাদ্যপণ্যের মধ্যে ছিলো দুধ, তেল, আলু-পেঁয়াজসন অন্যান্য গ্রোসারি আইটেম। ছিলো ফলসহ নানা ধরনের উপাদেয় খাবার। খাবার নিতে আসা মানুষের প্রবাসী বাঙালি পরিবারও ছিলো। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তারা বলেন, এমন সাহায্য পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত। বিতরণ করা খাবারের মান ও পরিমাণেও তারা খুশি। খাদ্য বিতরণের এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করেন শর্শিনার হুজুর শাহ মুহম্মদ শফিউল্লাহ সিদ্দিকী, সেভ দ্য পিপল এর উপদেষ্টা আনিসুল কবির জাসির, পিস সেন্টার অব ইউএসএ’র ভেরোনিকা হোসেইন, কুইনস পাওয়ার এর উম্মা সিদ্দিকা, দারুস সালাম মসজিদের ইমাম আবদুল মুকিত, নিউইয়র্ক সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক কেনি আর প্লেসিনসিও, নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের উপদেষ্টা ফরহাদ সোলায়নান, সেফেস্ট এর প্রেসিডেন্ট মাজেদা উদ্দিন, ফার্মাসিস্ট কায়সার সজীব, ইউএনও-ইউএসএ’র প্রতিনিধি শারমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুবায়ের আবদুল্লাহ এবং এনওয়াইসি ডিপার্টমেন্ট অব বিল্ডিং এর ফয়সল আহমেদ।

post
এনআরবি বিশ্ব

লন্ডনে নন মুসলিমদের নিয়ে ইফতার

ইহুদী-খৃস্টানসহ বিপুল সংখ্যক নন মুসলিমদের অংশগ্রহনে ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। লন্ডন কেন্টিশটাউন বায়তুল আমান মসজিদ কমিটির উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কেন্টিশ টাউন বায়তুল আমান মসজিদের চেয়ারম্যান সাইফ আহমেদ কাজি। সেক্রেটারী আব্দুল কাদির লাকির পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন স্টেনজন সন চার্চের টম ওয়াটস, গোএসএনপি’র গ্রিসপেগ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মিই কপ্যারেন্ট ও ডুমই উথ ক্লাবের জুলিয়া রবিন সন সহ আরো অনেকে।

post
প্রবাস রাজনীতি

যুক্তরাজ্য আ: লীগের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করেছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ বার্মিংহাম শাখাl স্মলহিথের পানসী রেস্টুরেন্টে এ আয়োজন করা হয়। বার্মিংহাম আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী কবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমদ। এসময় বক্তব্য রাখেন বার্মিংহাম আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ভুলন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক জুম্মা আহমদ লিটু, কোষাধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল ইসলাম, মিডল্যান্ডস যুবলীগের সভাপতি জুবের আলম,আওয়ামী লীগ নেতা ম আ কাদির, আশিক মিয়া, জাতীয় শ্রমিকলীগ বার্মিংহামের সাধারণ সম্পাদক লোকমান চৌধুরী, সাবেক ছাত্রনেতা লিমন জামান ও ফাহিম আহমদসহ অনেকে।

post
প্রবাস রাজনীতি

আরও ভালো বেতনে চাকরির সুযোগ নিউইয়র্কবাসীর জন্য

মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকে এই প্রশাসনের সুস্পষ্ট লক্ষ্য: জননিরাপত্তা রক্ষা, অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং শহরকে নিউইয়র্কবাসীর জন্য আরও বাসযোগ্য করে তোলা। প্রতিদিন আমরা সেই দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করছি। আমরা নির্ধারিত সময়সূচির এক বছর আগে, মহামারিকালে হারানো সব বেসরকারি-খাতের চাকরি পুনরুদ্ধার করেছি। গত বছরের মতো এ বছরও শহরজুড়ে সামগ্রিক অপরাধ কমেছে। আমরা ৮.৩ মিলিয়ন নিউইয়র্কবাসী যারা এই শহরটিকে বাড়ি বলে থাকেন তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছি । কিন্তু আমাদের শহর যখন মহামারি থেকে পুনরুদ্ধার হয়েছে, আমাদের পুনরুদ্ধার প্রতিটি নিউইয়র্কবাসীকে যথাযথ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে উপকৃত করেনি। আমাদের শহরে কৃষ্ণাঙ্গদের বেকারত্ব এখনো অনেক বেশি রয়ে গেছে এবং আমরা এই প্রবণতা চলতে দিতে পারি না। এই কারণেই নিউইয়র্ক শহর যাতে শ্রমজীবী-শ্রেণির মানুষের শহর হিসেবে থাকে তা নিশ্চিত করতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। বিভিন্ন কমিউনিটির চাকরি এবং কর্মজীবন প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির জন্য সরকারি পদ্ধতি ‘জবস এনওয়াইসি’ গত সপ্তাহে চালুর মাধ্যমে আমরা একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে এই দিকটি উপেক্ষিত ছিল। জবস এনওয়াইসির অংশ হিসেবে আমরা কর্মসংস্থান বৈষম্যের সম্মুখীন বেশ কিছু মহল্লায় নিয়োগ কেন্দ্র চালু করেছি। এই কেন্দ্রগুলো পাঁচটি বরোজুড়ে নিউইয়র্কবাসীর জন্য ভালো বেতনের সরকারি ও বেসরকারি-খাতের চাকরির সুযোগ নিয়ে আসে। অ্যাডামস বলেন, আমরা একটি নতুন চাকরির পোর্টাল ‘জবস ডট এনওয়াইসি ডট গভ’ চালু করেছি। চাকরিপ্রার্থীরা এখন এই ব্র্যান্ড-নতুন ওয়েবসাইট দেখার জন্য তাদের ফোন ব্যবহার করতে বা নতুন চাকরির সুযোগ খুঁজে পেতে ব্যক্তিগতভাবে নিয়োগ কেন্দ্রে যেতে পারেন। এটি আমাদের সমৃদ্ধ অর্থনীতিতে সব নিউইয়র্কবাসীর অংশগ্রহণ আগের চেয়ে সহজ এবং আরও বোধগম্য করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা।মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেছেন, আসুন একসাথে মিলে নিউইয়র্ক সিটিকে বাসযোগ্য ও কাজ করার জন্য বিশ্বসেরা শহর হিসেবে রাখি।

post
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র বাইরে এক ভেতরে আরেক

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এক আর ভেতরে আরেক। ফিলিস্তিনের রাফায় ইসরায়েলের হামলা নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে ওয়াশিংটন। কিন্তু অন্যদিকে একই সময়ে ইসরায়েলের কাছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের বোমা ও যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে। এ বিষয়ে জ্ঞাত দুটি সূত্র এ তথ্য দিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। ইসরায়েলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা পাঠানোর বিষয়টি ওয়াশিংটন পোস্ট–এর কাছে নিশ্চিত করেছে সূত্রগুলো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলকে নতুন যে সামরিক–সহায়তা প্যাকেজ ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে ২০০০ পাউন্ড ওজনের এমকে ৮৪ নামের ১ হাজার ৮০০টি বোমা ও ৫০০ পাউন্ড ওজনের এমকে ৮২ মডেলের ৫০০টির বেশি বোমা রয়েছে। ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র হিসেবে পরিচিত। ইসরায়েলকে বার্ষিক সামরিক সহায়তার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ৩৮০ কোটি মার্কিন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে ওয়াশিংটন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.