post
বিনোদন

নিউইয়র্কে সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব শুরু

যুক্তরাষ্ট্রে উপমহাদেশের বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ৯৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে নিউইয়র্কের জ্যমাইকা পারফরমিং আর্টস সেন্টারে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। এ সময় চঞ্চল চৌধুরী, বাঁধন, জয়, ভারতের ঋতুপর্ণা সেন, রেশমি মিত্রসহ শতাধিক চিত্রনায়ক নায়িকা, পরিচালকসহ সিনেমাপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন সকাল ১১টা থেকে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়। উদ্বোধনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক, নায়িকা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা সিনেমা প্রদর্শনী উপভোগ করেন। চলচ্চিত্র উৎসবটি বিনামূল্যে দেখানো হচ্ছে। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের ৩৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। আন্তর্জাতিক এ চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করে সুচিত্রা সেন মেমোরিয়াল, ইউএসএ নামের একটি সংগঠন। আয়োজকরা জানায়, পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেনের বাংলা চলচ্চিত্রের অবদানকে পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিতে তার ৯৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। বাঙালি সংস্কৃতি এবং চলচ্চিত্রের জন্য সুচিত্রা সেনের অবদানকে নতুন প্রজন্মের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভারত ও বাংলাদেশেসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ৪০৯টি ছবি অনুষ্ঠানে প্রদর্শনের জন্য জমা পড়লেও বিচারকরা ৩৯টি ছবি প্রদর্শনের জন্য বাছাই করেন। প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল ছিল সুচিত্রা সেনের জন্মদিন। ১৯৩১ সালের এই দিনে পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নয় ভাইবোনের মধ্যে সুচিত্রা ছিলেন পঞ্চম। বাড়ির ছোটরা ডাকতেন রাঙাদি বলে। মা-বাবা নাম রেখেছিলেন রমা।পরিচালক সুকুমার দাশগুপ্তের সহকারী নীতীশ রায় তা বদলে রাখেন সুচিত্রা। কিন্তু পাবনার মহাকালী পাঠশালায় খাতায় কলমে তার নাম ছিল কৃষ্ণা দাশগুপ্ত। মহাকালী পাঠশালায় পড়ালেখা শেষ করে সুচিত্রা সেন স্থানীয় পাবনা বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন সুচিত্রা সেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের কয়েক মাস আগে বাবা করুণাময় পাবনা ছেড়ে সপরিবারে ভারতে চলে যান।

post
এনআরবি লাইফ

টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ হলো দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ সম্মেলন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশবিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত শেষ হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৮এপ্রিল) শুরু হওয়া দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ (এআইবিএস)। সম্মেলনটির সহ-আয়োজক ছিল অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট (এসএআই)। আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (এআইবিএস) এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের (এসএআই) যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশবিষয়ক কনফারেন্স ১৮ ও ১৯ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়, অস্টিনে অনুষ্ঠিত হয়। এই একাডেমিক সম্মেলনে ১৪টি প্যানেলের সমন্বয়ে বাংলাদেশবিষয়ক ৫৪টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়, যা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক বিষয় বিশ্লেষণ করেছে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭০ জনেরও অধিক স্কলার অংশগ্রহণ করেন।এআইবিএসের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক রীয়াজ গবেষকদের মধ্যে একাডেমিক আদান-প্রদান এবং নেটওয়ার্ক তৈরির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এ ধরণের আলোচনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে একাডেমিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। এসএআইয়ের পরিচালক ড. সৈয়দ আকবর হায়দার বাংলাদেশের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক সমসাময়িক সমস্যাসমূহ মোকাবিলার জন্যে এমন গবেষণাধর্মী কাজের সঙ্গে এসএআইয়ের সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী দিনে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ড. দীনা সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি, বার্কলের প্রফেসর ইলোরা শেহাবুদ্দিন এবং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির প্রফেসর সৈয়দ ফেরদৌসের মূল বক্তব্য তুলে ধরেন। তারা ‘দ্য ফিউচার ডিরেকশনস অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ’ শীর্ষক একটি অধিবেশনে বাংলাদেশ স্টাডিজের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দিক-নির্দেশনা তুলে ধরেন। সম্মেলনে ১৯৭১ সালের গণহত্যা, রোহিঙ্গা সঙ্কট, মানবাধিকার, পরিবেশ, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটসহ সন্ত্রাসবাদ নিয়ে গবেষণাধর্মী নানান আলোচনা হয় এবং বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা উঠে আসে। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাঈম মোহাইমেন এবং ক্লার্ক ইউনিভার্সিটির মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী ইতিহাস এবং এর বৈশ্বিক মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে গবেষণাধর্মী আলোচনা করেন। বাংলাদেশ স্টাডিজের অগ্রগতির জন্য নিবেদিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একমাত্র কনসোর্টিয়াম এআইবিএস আয়োজিত এই সম্মেলনটি শুধুমাত্র স্কলার বক্তৃতাই সহজ করেনি বরং বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের গতিশীল ভূমিকাকে বোঝার এবং তার সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য একাডেমিক সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতিকেও লালন করছে। এছাড়াও সম্মেলনে লিঙ্গ, সামাজিক গতিশীলতা এবং মানবাধিকার বিষয়ে তুলনামূলক আলোচনা তুলে ধরা হয়। অন্যান্য মূল থিমগুলোতে ডিজিটাল মিডিয়া এবং রাজনৈতিক ব্যস্ততা স্থান পায়। এসব প্ল্যাটফর্ম কীভাবে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করে তা যাচাই করে। সম্মেলনে বিচারিক নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদের মামলা পরিচালনা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ বিতর্কের জন্য একটি পরিবেশ তৈরির অধ্যয়নসহ প্রশাসন এবং আইনি দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে সম্বোধন করা হয়। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাঈম মোহাইমেন এবং ক্লার্ক ইউনিভার্সিটির মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমানের যৌথ উপস্থাপনায় ‘১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি আকর্ষণীয় সেশনের মাধ্যমে সম্মেলনটি শেষ হয়।

post
অভিবাসন

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণের অভিযোগ জাতিসংঘের

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের অবস্থা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। জেনেভা থেকে শুক্রবার সংস্থাটির পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, কর্মসংস্থানের আশায় সরকারি নিয়ম মেনে দেশটিতে গিয়ে তারা এখন চরম দুরবস্থায় রয়েছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরেই দেশটিতে বাংলাদেশি অভিবাসীরা অসম্মানজনক অবস্থায় বসবাস করছেন। এ জন্য দেশটির সরকারের প্রতি ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং তাদের শোষণসহ অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বেশির ভাগ অভিবাসী মালয়েশিয়ায় পৌঁছে দেখেন, তাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে, সেই কর্মসংস্থান নেই। এমন অবস্থায় প্রায়ই তাদের সেখানে থাকতে বাধ্য করা হয়। এতে তারা গ্রেপ্তার, আটক, দুর্ব্যবহার এবং নির্বাসনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে পরিচালিত অপরাধমূলক নেটওয়ার্কগুলো অভিবাসী শ্রমিকদের প্রতারণামূলক নিয়োগের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে। অভিবাসীরা প্রতারিত হচ্ছেন, প্রায়ই ভুয়া প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ এবং অতিরিক্ত ফি দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আমরা তথ্য পেয়েছি, উভয় সরকারের কিছু উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ধরনের কার্যক্রম অগ্রহণযোগ্য এবং শেষ হওয়া দরকার। এই শোষণমূলক নিয়োগের অপরাধীদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তারা উভয় দেশকে বিষয়টি তদন্ত করে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেন, মালয়েশিয়াকে অবশ্যই পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে শ্রম অভিবাসনকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে এর আগে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। 

post
দূতাবাস খবর

যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন

যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কর্মাস) মো. সেলিম রেজা ও ফার্স্ট সেক্রেটারি অহিদুজ্জামান নুর।এরপর ‘মুজিবনগর: বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে মুজিবনগর সরকার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন, মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন এবং মুজিবনগর বাঙালি জাতির বীরত্বের প্রতীক। তিনি বলেন, মুজিবনগর সরকার ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। মুজিবনগর সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই সাফল্য গাঁথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) আরিফা রহমান রুমা সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ঐতিহাসিক এই দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী সব শহীদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করা হয়। বাংলাদেশের উত্তরোত্তর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে একটি বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।

post
আন্তর্জাতিক

নিউ ইয়র্কে শতাধিক শিক্ষার্থী গ্রেফতার, বহিস্কার

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ায় গ্রেফতারদের মধ্যে ডেমোক্রেট দলের কংগ্রেস উওম্যান ইলহান ওমরের মেয়ে ইসরাও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে উচ্ছেদ অভিযানে নামে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের লনে তাঁবু বসিয়ে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের জোর করে সরিয়ে দিয়ে বিক্ষুব্ধদের গ্রেফতার করা হয়। এধরনের বিক্ষোভে অংশ নেওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে বহিস্কার করা শিক্ষার্থীদের তালিকায় তার নামও রেখেছে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের বাক স্বাধীনতার অধিকার থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি ও শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার অধিকার নেই। পরে নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক এডামস সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের লনে তাঁবু বসিয়ে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ রয়েছে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। তিনি জানান, নিউ ইয়র্ক পুলিশের অভিযানে অন্তত ১০৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, আল জাজিরা

post
বিশেষ প্রতিবেদন

মন ভালো রাখতে মেনে চলুন কিছু নিয়ম

মন ভালো রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। তবে সহজ কিছু উপায় আছে যেগুলো মেনে চললে মন ভালো রাখা যায়। আসুন টিপসগুলো জেনে নেই: ঘুম: মন ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। খাবারের সময় বদল করবেন না। আর প্রতিদন অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। ঘুম আর খাওয়া ঠিক থাকলে আপনার মন এমনিই ভালো থাকবে। হাসি: মন ভালো রাখতে চাইলে হাসি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপায়। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। হাসি মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রা বাড়ায়, যা মানসিক শান্তি প্রদান করে। ঘুরতে বের হন: সপ্তাহে একদিন এমন জায়গায় ঘুরে আসুন যেখানে শান্তি আছে, বা মানুষের ভিড় অনেক কম। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়। পারলে খেলাধুলা করুন, সেটা অবশ্যই খোলা মাঠে। পরিষ্কার থাকুন: নিজের বাড়ি বা অফিসের ডেস্ক সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। জামা কাপড়, বই, ম্যাগাজিন সবই নিজের জায়গায় রাখুন। পরিচ্ছন্নতা মন ভালো রাখে। বন্ধুদের ফোন করুন: ম্যাসেজ করবেন না, বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলুন। তাঁকে বলুন আপনার কষ্টের কথা। পরামর্শ চাইতে পারেন তাঁর কাছ থেকে। নতুন কিছু করুন: নেতিবাচক ভাবনা থেকে বেরিয়ে যান। নতুন কিছু করুন। জিমে ভর্তি হোন বা রান্নার ক্লাসে ভর্তি হোন। আগামীকাল সকালে উঠে নতুন কী করবেন তাঁর পরিকল্পনা করুন। এছাড়াও চোখে মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন। সুযোগ থাকলে গোসল করে পরিষ্কার কাপড় পরুন। এই সামান্য কাজটাও আপনার মন ভালো করে দিতে পারে।

post
বিনোদন

‘সোলস’র কনসার্টে মেতেছে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি

দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্যান্ডদল ‘সোলস’ ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বৈশাখী মেলায় পারফর্ম করেছে। বাংলাদেশ কালচার অর্গানাইজেশন অব মায়ামির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সোলস প্রায় তিন ঘন্টা গান গেয়ে দর্শক শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন। এ সময় দর্শকের অনুরোধের পাশাপাশি এ এমন পরিচয়, ব্যস্ততা দেয় না আমাকে অবসর, নিঃসঙ্গতাসহ বেশকিছু গান পরিবেশন করে সোলস। মায়ামি বৈশাখী মেলায় পারফর্ম করা প্রসঙ্গে ‘সোলস’ ব্যান্ডের প্রধান গায়ক পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘‘মায়ামিতে বৈশাখী মেলায় এসে মনে হয়নি দেশের বাইরে আছি। এখানকার দর্শকরা দারুণ সঙ্গীতপ্রেমী। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। বিদেশের মাটিতে বসে দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করছেন। বর্ষবরণের আয়োজন দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। আয়োজকদেরও ধন্যবাদ জানাই, তারা ‘সোলস’র ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করায়।” অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে ছিল দেশি মিউজিক। বর্ষবরণের মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্ট শুরু করেছে। জানা গেছে, আগামী ২০ এপ্রিল ভার্জিনিয়ায় ঈদ আনন্দ মেলায় পারফর্ম করবে সোলস। গত ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে পৌছান সোলস। এবারের সফরে রয়েছেন পার্থ বড়ুয়া, মীর মাসুম, আহসানুর রহমান আশিক, মারুফ তালুকদার রিয়েল ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার শামীম আহমেদ। এদিকে শিগগিরই ভক্তদের জন্য নতুন গান প্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘সোলস’।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে প্রবাসীদের বাংলা বর্ষবরণ

নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শনিবার দুপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সহস্র কণ্ঠে দেশের গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা। তবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকগানে হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতাদের মাতিয়ে তোলেন প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী মমতাজ। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন নিউ ইয়র্কের কনসাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা। নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামসের এ অনুষ্ঠান উদ্বোধনের কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি।অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীরা ছাড়াও বিভিন্ন দেশীয় নৃত্য শিল্পীরা তাদের দেশীয় ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করেন। বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে দেশাত্মবোধক ও লোকগান। টাইমস স্কয়ারে বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন করেন এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড নামের একটি সংগঠন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, নৃত্যশিল্পী লায়লা হাসান, প্রধান পৃষ্ঠপোষক আইএফআইসি ব্যাংক-এ সিইও শাহ আলমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

post
এনআরবি লাইফ

নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের হামলায় আহত বাংলাদেশির মৃত্যু

নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের হামলায় মাথা ফেটে আহতের তিন দিন পর বুধবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাকির হোসেন খসরু (৭৬) নামের এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউ-সংলগ্ন ১৬৮ স্ট্রিটে এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গত ৭ এপ্রিল রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় হঠাৎ আক্রমণ করে খসরুকে গালমন্দ করে এক দুর্বৃত্ত। একপর্যায়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেয়। এতে খসরু রাস্তায় কংক্রিটের ওপর পড়ে গেলে তার মাথা ফেটে মগজ বের হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নিকটস্থ জ্যামাইকা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অচেতন অবস্থা থেকে আর জ্ঞান ফেরেনি তার। হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে তিন দিন চিকিৎসার পর বুধবার মারা যান তিনি। এ ঘটনায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। খসরুর স্ত্রী শামিমা আকতার শিউলির বরাত দিয়ে শেরপুর জেলা সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুর একটায় জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। খসরুর মরদেহ নিউজার্সির মার্লবরোতে শেরপুর জেলা সমিতির ক্রয় করা কবরে দাফন করা হবে। খসরুর স্ত্রী শামিমা শেরপুর জেলা সমিতির সাবেক উপদেষ্টা। এ ঘটনায় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ মঈন চৌধুরী ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে ওই দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির সঙ্গে দেখা করে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সাপেক্ষে দুর্বৃত্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার অনুরোধ করবেন বলেও জানান তিনি। জাকির হোসেন খসরু জামালপুর জেলা সদরের পোস্ট অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়াত মোহাম্মদ হুসেনের ছেলে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মিশিগানে পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ওয়ারেন শহরে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুর পৌনে দুইটায় নিজ বাড়ির সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন হোসেন আল রাজী (১৯) নামের এক বাংলাদেশি যুবক। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মিশিগানে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি। নিউইয়র্কে মানসিক ভারসাম্যহীন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক উইন রোজারিওকে গুলি করে হত্যার মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে মিশিগানে ওই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করল পুলিশ। এ দুটি ঘটনায় চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। পুলিশের দাবি, আল রাজী পুলিশকে লক্ষ্য করে অস্ত্র প্রদর্শন করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। পুলিশের এ দাবিকে অসত্য বলে উল্লেখ করেছেন আল রাজীর বাবা মোহাম্মদ আতিক হোসেন। তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করায় জরুরি সেবা ৯১১-এ কল দেওয়া হয়। তবে পুলিশ তাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, এটা আমরা মেনে নিতে পারি না। জানা যায়, নিজের ঘরে হাতে অস্ত্র নিয়ে বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছিলেন আল রাজী। তার উচ্ছৃঙ্খল আচরণে ঘাবড়ে যায় পরিবারটি। ভয় পেয়ে তার বাবা-মা ছোট বোনকে নিয়ে গ্যারেজে গাড়ির ভেতর আশ্রয় নেন। ১৬ বছরের ছোট ভাইয়ের ফোনকল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ আল রাজীকে সশস্ত্র অবস্থায় দেখতে পায় এবং তাকে অস্ত্র ফেলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বলে। কিন্তু এতে তিনি কর্ণপাত করেননি। আল রাজী অস্ত্র হাতে নিয়ে ঘরের বাইরে আসার চেষ্টা করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে এসে যুবকটির হাতে অস্ত্র দেখা যায়। সেটি ফেলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বলে পুলিশ। কিন্তু ওই যুবক এতে কর্ণপাত করেননি। একপর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে অস্ত্র প্রদর্শন করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ওয়ারেন পুলিশ অফিসার ক্যাপ্টেন ছ্যারলেস রোশটন। জানা গেছে, আতিক হোসেনের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার সুপাতলায়। তার তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলেদের মধ্যে আল রাজী বড়। সাত বছর আগে ফ্যামিলি ভিসায় তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। থাকতেন ওয়ারেন শহরের রায়ান সড়কের এলিভেন মাইলের গারবর স্ট্রিটে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.