post
টেক মেন্টর

WUST Cybersecurity CTF Competition 2026: George Mason Team Takes First Place, WUST Girls Team Runners-Up

The Washington University of Science and Technology (WUST) hosted its 2026 Cybersecurity Capture the Flag (CTF) Competition, bringing together participants ranging from high school students to graduate-level competitors from across Washington, D.C., Virginia, and Maryland.The event took place at WUST’s Alexandria campus in the SOC lab, where aspiring cybersecurity professionals gathered to test and showcase their ethical hacking skills. The day-long competition featured a series of four challenge stages. Participants worked to identify and exploit vulnerabilities, capturing hidden “flags” on target systems using a range of industry tools, including Wireshark, Metasploit, Nmap, and others. The challenges were designed to simulate real-world cybersecurity scenarios, encouraging critical thinking and technical expertise. The competition was organized by the WUST SOC team, led by School of IT faculty lead and SOC Chief Advisor Dr. Necmi Mutlu, along with Assistant Professor and SOC Lab Coordinator Mahmood Menon Khan. SOC assistants Injamamul Haque and Ishak Mutlu contributed to designing and preparing the challenges. An experienced panel of judges, including Associate Professor Dr. Farhana Sarker and lab assistant Fahad Ferdous, evaluated teams after each stage of the competition. In the final results, the George Mason University team “AOD” secured first place with a perfect score of 100%. The WUST Girls team, “Zeroday Warriors,” earned second place with 85%, while Pinnacle Academy High School team named "White Hat Pumas" placed third with 75% scores. During the certificate award ceremony, WUST Chancellor and Chairman Abubokor Hanip congratulated all participants and praised the winners for their achievements. He emphasized the importance of organizing more such competitions and encouraged students to continue participating in CTF events to build their skills and represent WUST. WUST President Dr. Hasan K. Burk highlighted the value of hands-on learning, noting that competitions like these play a crucial role in engaging students and enhancing their practical knowledge. As part of the event, the SOC Lab welcomed visits from Dr. Jeffery Pirim, Vice President; Dr. Touhid Bhuiyan, Assistant Director of the School of IT; Rachele Rose, Director of Institutional Effectiveness and Chief of Staff; Dr. Sergei Andronikov, Director of Online Education; Jose Ortega, Director of Local Marketing & Recruitment; Dr. Amalisha Sabie-Aridi, Lead Faculty of the School of Business; Md. Golam Mostofa, Assistant Professor in the School of Business Administration; and several other staff members.

post
বাংলাদেশ

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে জুবাইদা, গ্লোবাল সামিটে ভাষণ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাসভবন হোয়াইট হাউসের উদ্যোগে তথা ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন ডিসিতে ’ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিটে’ যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া বিষয় ভিত্তিক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন আয়োজনের ওয়ার্কিং সেশনে।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প সম্মেলনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এবং উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এই অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তৃতায় শিশুদের প্রতি যত্ন নেওয়া ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের পরিবর্তন ও সমৃদ্ধি আনয়নে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। পরে ওয়ার্কিং সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের উন্নয়ন বিষয়ে বৈশ্বিক অঙ্গীকারে বিশ্বনেতা ও অংশীদারদের একত্রিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান। প্রতিটি জাতির ভবিষ্যৎ তাদের শিশুদের যত্ন, শিক্ষা এবং মূল্যবোধের ওপর নির্ভরশীল, বলেন তিনি । জুবাইদা বলেন, আজ এই ঐতিহাসিক ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’ শীর্ষক সম্মেলনে আপনাদের সাথে যোগ দিতে পারাটা আমার জন্য এক বিরাট সম্মানের বিষয়। আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তিনি সারা বিশ্ব থেকে আমাদের ডেকে এমন একটি মহৎ উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছেন যা প্রতিটি জাতিকে স্পর্শ করে। প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ তার শিশুদের জীবনেই লেখা থাকে। আজ আমরা শিশুদের যত্ন নিয়ে, তাদের শিক্ষা নিশ্চিত করে যে মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারবো তারই ভিত্তিতে আগামী দিনে তাদের হাতে গড়া জাতি তার নিজস্ব রূপ পাবে। ডা. জুবাইদ রহমান বলেন, আমি আমার দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এখানে এসেছি। আমার স্বামী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে, আমাদের সদ্য নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার বিপুল ম্যানডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে আমাদের সরকার ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘ফার্মার্স কার্ড’-এর মতো উদ্যোগ চালু করেছে, যা পরিবারগুলোকে আর্থিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে শক্তিশালী করে এবং শিশুদের নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠাও নিশ্চিত করে। একজন চিকিৎসক হিসেবে, আমি প্রতিটি শিশুর জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; যেখানে শুধু চিকিৎসার উপরই নয়, জীবনের একেবারে প্রাথমিক পর্যায় থেকে প্রতিরোধের উপরও জোর দেওয়া হয়। অন্তর্ভূক্তি ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-জেডআরএফ’ এবং ‘সুরভী‘র সামাজিক এবং অলাভজনক সংগঠন) সাথে আমার কাজ শিক্ষা, যুব উন্নয়ন এবং জনকল্যাণের প্রসারে আমার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার শিক্ষাব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করতে পারে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে প্রশিক্ষিত শিক্ষক এবং উপকরণের সহজলভ্যতা এখনও অধরা। আমাদের সরকার ডিজিটাল যুগে উন্নতি করার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করছে। আমাদের সরকার শিক্ষকদের ট্যাবলেট কম্পিউটার সরবরাহ করছে, শিক্ষণ উপকরণ হালনাগাদ করছে, ডিজিটাল পাঠ্যক্রম এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি চালু করছে। শ্রেণিকক্ষগুলো মাল্টিমিডিয়া বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিকশিত হচ্ছে, যা দলবদ্ধ কাজ, সৃজনশীলতা এবং আদর্শ স্থাপনে উৎসাহিত করছে। ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, প্রযুক্তি, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রযুক্তি (এডটেক), শহুরে ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য কমাতে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। একইসাথে, আমরা এই সরঞ্জামগুলোর নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে ওঠে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আমলে নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য রয়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারী অধিকারকে এগিয়ে নিয়েছিলেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত নারীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারি খাতের ভিত্তি স্থাপন করে লক্ষ লক্ষ নারীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এই প্রচেষ্টাগুলো প্রমাণ করে যে, যখন নারীরা ক্ষমতায়িত হন, তখন পরিবারগুলো শক্তিশালী হয় এবং শিশুরা সমৃদ্ধি লাভ করে। আমরা অংশীদারিত্বের গুরুত্বও স্বীকার করি। বেসরকারি খাত এবং আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে আমরা নিরাপদ ডিজিটাল পরিসর প্রসারিত করতে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে, অভিভাবকদের ক্ষমতায়ন করতে এবং সকলের জন্য শিক্ষার মান উন্নত করতে চাই। শক্তিশালী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা প্রতিটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করতে, প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষিত করতে এবং প্রতিটি শিক্ষণ যাত্রাকে ব্যক্তিগতকৃত করতে চাই। একসাথে, আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারি যা হবে সহনশীল, সহানুভূতিশীল এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত। পরিশেষে তিনি বলেন, আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মহোদয়ার প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জ্ঞান বিনিময়, একে অপরের কাছ থেকে শেখা এবং সীমানা পেরিয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা কেবল আমাদের দেশগুলোকেই শক্তিশালী করি না, বরং আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎকেও শক্তিশালী করি এবং বিশ্ব এর উত্তরাধিকারী হবে। শেষে আবারও মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের সহকারী হিসেবে অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিনিয়র চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং নারী উদ্যোক্তা মিস মেহনাজ মান্নান অংশগ্রহণ করেন। এসময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি. এম. সালাহউদ্দিন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও প্রয়োগ উপস্থাপন করা হয়। ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাঁর প্রতিনিধিদল প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন। পরে বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে অংশ নেন ডা. জুবাইদা রহমান।

post
আন্তর্জাতিক

ইউএসএ-তে পড়তে আসা? জানুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ আপনার নিরাপত্তা ও সাফল্যের জন্য।

বর্তমান ট্রাম্প অ্যাডমিনেস্ট্রেসন এর অভিবাসন নীতি ও আইস ( United States Immigration and Customs Enforcement ) এর ধরপাকড়ে অনেকেই অনেক ভীত। প্রতদিন শত সহস্র মানুষকে ধরে ধরে দেশে পাঠান হচ্ছে, তবে ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীরা যদিও এই ধরপাকড়ের বাইরে, তথাপি, কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় থকে কয়েকজন শিক্ষার্থীকেও দেশে চলে যেতে হয়েছে, স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত অমান্য করার অপরাধে। একজন শিক্ষক হিসেবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান এবং চ্যান্সেলর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে, আমি কিছু পরামর্শ শেয়ার করবো, যাতে আপনি নিরাপদ, আইনগতভাবে সঠিক, এবং সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারেন। আপনার সমস্ত ইন-পার্সন ক্লাসে অংশ নিন
শারীরিকভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। স্কুল যদি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি না দেয়, তাহলে শুধু অনলাইনে অংশ নেওয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি থাকুন। অন্য স্টেটে থেকে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করবেন না। এটি আপনার ভিসার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভালো গ্রেড বজায় রাখুন। অনেক স্কুল শুরুতে স্কলারশিপ দেয়, কিন্তু তা ধরে রাখতে হলে প্রথম টার্মের পর ভালো ফলাফল করতে হবে। ফুল-টাইম স্টুডেন্ট হিসেবে থাকুন
আন্ডারগ্র্যাড হলে কমপক্ষে ১২ ক্রেডিট এবং গ্র্যাজুয়েট হলে ৯ ক্রেডিট নিতে হবে। এর কম হলে ভিসা সমস্যায় পড়বে। ইমেইল, টেক্সট, এবং ক্লাস প্ল্যাটফর্ম (যেমন Canvas) প্রতিদিন চেক করুন। স্কুলের বার্তাগুলোর উত্তর দিন এবং কেউ ফোন করলে ধরুন। যুক্তরাষ্ট্রের আইন এবং আপনার স্কুলের নিয়ম মেনে চলুন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের মদ পান, চুরি, মাদক-এইসব ছোট খাটো কাজও বড় সমস্যায় ফেলতে পারে এবং ইমিগ্রেশন ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। ঠিকানা, ফোন নম্বর বা ভিসা সম্পর্কিত কিছু পরিবর্তন হলে স্কুলকে জানান। সাধারণত ১০ দিনের মধ্যে জানাতে হয়। স্কুলের অনুমতি ছাড়া কাজ করবেন না। অন-ক্যাম্পাস কাজ বা CPT/OPT ইন্টার্নশিপের জন্য অনুমতি নিতে হবে। বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজরের (DSO) সাথে কথা বলুন। আপনি কাজ করতে চান, ভ্রমণে যেতে চান, বা ছুটি নিতে চান—আগে জিজ্ঞাসা করুন। বন্ধু তৈরি করুন এবং নিজের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন। এখানে যাদের সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে—সহপাঠী, শিক্ষক, মেন্টর—তারা আপনার ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। মনে রাখবেন: আপনার নেটওয়ার্ক হলো আপনার নেট ওয়ার্থ । গবেষণার কাজে যুক্ত হন এবং একাডেমিক পেপার প্রকাশ করুন। এটি আপনার রেজ্যুমে শক্তিশালী করে, চাকরি পাওয়ায় সহায়তা করে, ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, এমনকি ভবিষ্যতে পিএইচডি করার পথও তৈরি করে। পড়াশোনার পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল তৈরি করুন। ডিগ্রি ভালো, কিন্তু চাকরির বাজারে স্কিল আরও জরুরি। স্কিল থাকলে CPT, OPT, এমনকি H1B-র মত ভিসার জন্যও সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সবাইকে শ্রদ্ধা করুন এবং সদয় থাকুন
আপনি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশের অংশ। যেকোনো ধর্ম, জাতি বা বিশ্বাসের মানুষ—সবাই সম্মান পাওয়ার যোগ্য।কাউকে কখনো মারবেন না, হেনস্থা করবেন না, বা আঘাত করবেন না—শারীরিক, মৌখিক বা অনলাইনে। বিশেষ করে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বা যৌন নিপীড়ন—এসব অপরাধ আমেরিকায় গুরুতর এবং এর পরিণতিতে গ্রেফতার ও ডিপোর্ট হতে পারেন। এখানে কোনো ছাড় নেই।
পরিষ্কার সম্মতি ছাড়া কাউকে স্পর্শ করবেন না। মানুষের ব্যক্তিগত সীমা ও স্পেসকে সম্মান করুন
মিথ্যা বলবেন না বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করবেন না। ক্লাস, চাকরি, বা ইমিগ্রেশন যেকোনো কিছুর জন্য সততা অপরিহার্য। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সাবধান থাকুন। কী পোস্ট করছেন তা ভেবে করুন—স্মার্ট, শ্রদ্ধাশীল এবং দায়িত্বশীল থাকুন। শুধু টাকা আয়ের চিন্তায় পড়াশোনা থেকে বিচ্যুত হবেন না। আপনার শিক্ষা আপনার সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ—তুচ্ছ আয়ের লোভে সবকিছু ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না। স্কুলের আচরণবিধি অনুসরণ করুন। শ্রদ্ধাশীল, পেশাদার এবং সৎ আচরণ করুন—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর এবং বাইরে দুটোতেই।
সহায়তা প্রয়োজন হলে সাহায্য চেয়ে নিন। সমস্যা বাড়ার আগেই কারো কাছে যান—স্কুলে অনেক সাপোর্ট সিস্টেম আছে। আপনি একা নন। আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্রে আপনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্যে আবেদন করেছিলেন এখানে থাকাকালীন সময়ে কতিপয় নিয়ম মেনে চলবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেবার পর। বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ গুলোও তাদের শিক্ষার্থীদের কর্মকাণ্ডের জন্যে ফেডারেল সরকারের কাছে নিয়মিত জবাবদিহি করতে হয়। আপনি কোনও বিপদে পড়লে বা আপনার শিক্ষার্থী ভিসা প্রশ্নের সম্মুখীন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ই সবার আগে আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে। সেক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়কেও আপনার গতিবিধি ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত রাখাটা আপনার জন্যেই অধিক মঙ্গল। বিস্তারিত আরও জানার থাকলে আমাকে সরাসরি লিখতে পারেন এখানে- [email protected]

post
আন্তর্জাতিক

Collaborate, Change: WUST’s Hackathon Unites 200+ Innovators Worldwide

On May 25, the virtual hallways of the Washington Hackathon 2025 were buzzing— not with idle chatter, but with the electric hum of code compiling, ideas colliding, and dreams taking digital shape. Hosted by the Washington University of Science and Technology (WUST), the two-day, fully virtual hackathon brought together over 200 innovators from across the globe. Themed “Innovate, Code, Transform,” the event showcased a new generation of thinkers building sustainable solutions to some of the planet’s most pressing challenges. From eco-efficient energy systems to AI-powered disaster response, teams turned their screens into command centers for change. The event wasn’t just about competition—it was a call to action. Inaugural remarks were made by Engr. Abubokor Hanip, Chairman and Chancellor of WUST, who underscored the university’s dedication to creating a launchpad for technological innovation and nurturing the next wave of tech leadership. “This hackathon embodies everything we stand for- Creativity, collaboration, and a commitment to making the world a better place through technology,” said Abubokor Hanip. “Hackathons like this are incubators of imagination,” said Dr. Hasan Karaburk, President of WUST. “Here we see a glimpse of a better tomorrow, built by the hands of those who dare to dream differently,” he added. “The energy and cleverness on display at the Washington Hackathon 2025 were truly inspiring,” said Professor Dr.Touhid Bhuiyan, the lead organizer of the Hackathon. “We witnessed technology’s potential not just as a tool, but as a force for good, he added.” The opening session was moderated by Professor Mahmood Menon Khan of WUST, while Dr. Sandeep Kumar, Professor of Computer Science and Engineering at Christ University in India, provided an in-depth overview of the program to the virtual audience. Virtual Walls, Real-World Impact Despite being held online, the event buzzed with synergy. Participants collaborated seamlessly across time zones, exchanging ideas and crafting solutions under the mentorship of over 60 judges, advisors, and thought leaders. Among them were Prof. Mohammad Shorif Uddin and Dr. Amalisha Sabie-Aridi, who provided invaluable feedback on both technical execution and real-world relevance. Teams explored a broad range of domains—from healthcare and education to urban intelligence and disaster resilience—all through the lens of sustainability and innovation. “Every submission reflected a serious commitment to innovation. It wasn’t just about building something cool—it was about building something that matters," one judge noted. And the Winners Are… After intense evaluation, the Hackathon Champions emerged: Med Bot – AI & Robotics for Disaster Management: A pioneering system using AI-driven robots for emergency response. CareBridge – HealthCare Connect – Open Innovation: Seamlessly bridging healthcare access gaps through smart tech. MindHaven – Mental Health Support – Open Innovation: A platform focused on digital mental wellness tools. NextGen Neural – AI-Integrated Wearable for Real-Time Health Monitoring: Smart healthcare meets wearable AI. First Runners-Up included: MediNova AI, DiagnoSmart AI, and PrioritiZen—each pushing the boundaries of AI in healthcare, diagnostics, and productivity. Second Runners-Up spotlighted innovation in broader areas: EduNova’s immersive digital classroom, FactWise’s AI fact-checking for urban governance, and FioriNext’s cutting-edge enterprise UX for smart operations. A Movement, Not Just a Moment For WUST, this was more than an event—it was a testament to its mission. As the virtual applause faded, what remained was a strong sense of momentum. From Alexandria to across the globe, Washington Hackathon 2025 proved that borders don’t limit bold ideas—and that even in 48 hours, the seeds of sustainable solutions can be planted.

post
যুক্তরাষ্ট্র

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে প্রার্থী ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। আর তার রানিংমেট মনোনীত হয়েছেন ওহাইও রাজ্যের সিনেটর ৩৯ বছর বয়সি জেডি ভ্যান্স। যিনি একসময় ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ছিলেন। রিপাবলিকান জাতীয় সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। এর আগে রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্প নিজেই নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ভ্যান্সকে বেছে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

post
যুক্তরাষ্ট্র

নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা: আহত ট্রাম্প; নিহত-২

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে শনিবার এক নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলায় আহত হন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ এক সমর্থকও নিহত হয়েছে।ট্রাম্পের ওপর হামলা চালানো ব্যক্তির নাম থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস। তার বয়স ২০ বছর বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এদিকে, রিপাবলিকান প্রচারণা শিবির শনিবার ওই হামলার পর জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ভালো আছেন এবং একটি হাসপাতালে তার শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্র স্টিভেন চিয়াং বলেন, হামলার ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সিক্রেট সার্ভিস এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গুলিতে ডান কানের ওপরের অংশে ফুটো হয়ে গেছে। এদিকে ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনাকে হত্যাচেষ্টা বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন -এফবিআই। সংস্থাটির পক্ষ থেকে স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

post
অনুষ্ঠান

ফোবানার ৩৮তম সম্মেলনে টাইটেল স্পন্সরের চুক্তি স্বাক্ষর

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেছেন, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্রেফ একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এটি একটি প্ল্যাটফর্ম। যুক্তরাষ্ট্রের বুকের বাংলাদেশিদের মূলধারায় এগিয়ে যাওয়ার জন্যই প্ল্যাটফর্ম কাজ করবে। গোটা কমিউনিটিকে সাথে নিয়ে এবং কমিউনিটির পাশে থেকেই ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠবে ডব্লিউইউএসটি।যুক্তরাষ্ট্র তথা গোটা উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশিজ অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা-ফোবানার সঙ্গে ডব্লিউইউএসটির একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ফোবানার ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ডব্লিউইউএসটির নাম ঘোষণা করে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ এবং ফোবানার পক্ষে এর নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্রে স্বনামধন্য আইনজীবি অ্যাটর্নি মোহাম্মদ আলমগীর এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অ্যাটর্নি আলমগীর এসময় তার বক্তৃতায় বলেন, তিনি মনে করেন, সংগঠনের ৩৮তম বার্ষিক সম্মেলনে ডব্লিউইউএসটিকে পাশে পেয়ে তারা সম্মানিত হয়েছেন। তারা আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের জনহিতৈষণা ও কমিউনিটির প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলনই এই স্পন্সরশিপ, উল্লেখ করেন ফোবানার নেতৃবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কসহ বিভিন্ন বিভাগের উর্ধতনরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ড. হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এক অনন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি। ডাইভার্সিটিই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট। আর সকল কমিউনিটির সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক রেখেই বিশ্ববিদ্যালয় তার লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিপল মিশনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করছি যাতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষ হয়ে বের হয়। এবং কাজ পায়। কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এই শিক্ষার্থীরা একসময় তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখবে। ইন্ডাস্ট্রির দক্ষ স্কলাররাই আমাদের শিক্ষক, তাদের হাত ধরেই তৈরি হচ্ছে ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীরা, যোগ করেন ড. হাসান কারাবার্ক। গত দুই বছরে আট শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছে এমন পরিসংখ্যাণে সন্তোষ প্রকাশ করে ফোবানার নেতারা বলেন, এটি বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি বড় খবর। এই শিক্ষার্থীদেরই শুধু নয়, তাদের পরিবারগুলোর জন্য এই সুযোগ জীবন বদলে দেওয়ার মতো বিষয়, বলেন তারা। ফোবানার নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও ছিলেন ফোবানার ৩৮তম আয়োজনের হোস্ট কমিটির আহ্বায়ক রোকসানা পারভীন, সদস্য সচিব আবু রুমি, সভাপতি নূরুল আমিন, প্রধান সমন্বয়ক অ্যান্থনি পিয়ুস গোমেজ ও উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা। চুক্তি স্বাক্ষর শেষে অতিথিরা ফটোসেশনে অংশ নেন। এবং পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।

post
আন্তর্জাতিক

মার্কিন নির্বাচন: বাইডেনকে সরে যাওয়ার আহ্বান ক্লুনির

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনি দৌড় থেকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার সবচেয়ে বড় সমর্থকদের একজন এবং ডেমোক্র্যাটিক দলের শীর্ষ অর্থ সংগ্রাহক জর্জ ক্লুনি। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ঊর্ধ্বতন ডেমোক্র্যাট ও সাবেক হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিও বাইডেনকে নির্বাচনে তার প্রার্থিতার বিষয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাগাদা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট সরে দাঁড়াবেন কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার তার ব্যাপার। কিন্তু গত মাসের বিপর্যয়কর নির্বাচনী বিতর্কের পর তাকে প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছিলো। এবার হলিউড অভিনেতা এবং ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অর্থ সংগ্রাহক জর্জ ক্লুনির কণ্ঠেও শোনা গেল একই সুর।

post
আন্তর্জাতিক

ওয়াশিংটন ডিসিতে শুরু হচ্ছে ন্যাটোর সম্মেলন

ওয়াশিংটন ডিসিতে শুরু হচ্ছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সম্মেলন। নভেম্বরের নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, বাইডেনকে তার প্রেসিডেন্ট পদে থাকার যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ করে দিতে পারে এ সম্মেলন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সমালোচিত নির্বাচনি বিতর্কের ১২ দিন পর বাইডেন এখন তার রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার জন্য অভ্যন্তরীন ও বৈশ্বিক নজরদারির মধ্যে তীব্র লড়াই করছেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি ওই বিতর্কে বাইডেনের শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই লাভ-ক্ষতির হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। এ সপ্তাহে ন্যাটোর ৭৫তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন বাইডেনের জন্য সেইসব হিসাব-নিকাশ চুকানোর সময়। সম্মেলনের ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। এ সম্মেলন বাইডেনের প্রার্থিতা বাঁচাতেও পারে,আবার ডুবাতেও পারে।

post
যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন নির্বাচন: বাইডেনকে নিয়ে নিজ দলেই সংশয়

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৃহস্পতিবারের বিতর্কে ধরাশায়ী হয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এরপর থেকেই বাইডেনের হিসাবের পাশার দান যেন উল্টে যেতে শুরু করেছে। সমালোচিত হওয়ার পাশাপাশি আগামী নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা থেকে সরে যেতে বাইডেনের ওপর চাপ ক্রমে বাড়ছে। এমনকি নিজের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর থেকেও চাপের মুখে পড়েছেন তিনি। নির্বাচনের মাস চারেক আগেই দাতাদের অনেকে বাইডেনকে সরে যেতে বলছেন। ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্যদের অনেকেই সংশয় প্রকাশ করে প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে বাইডেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টেক্কা দিতে পারবেন না।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.