post
দূতাবাস খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ‘নেসা সেন্টার’ প্রতিনিধিদলের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা

ওয়াশিংটন ডিসি, 02মে, 2024 - মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান Near East South Asia (NESA) Center for Strategic Studies এর একটি প্রতিনিধিদল বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন করেন এবং মিশনের কর্মকর্তাদের সাথে একটি ইন্টারেক্টিভ সেশনে অংশগ্রহণ করেন। NESA Center for Strategic Studies-এর বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. হাসান আব্বাস ৪৬ সদস্যের দলটির নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধিদলে ওয়াশিংটন ডিসিতে নেসা সেন্টার আয়োজিত একটি সেমিনারে 28টি দেশের অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান দূতাবাসে নেসা সেন্টারের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রদূত ইমরান তার মূল বক্তব্যে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং দেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকট ইস্যু এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্য এবং গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অ্যান্ড রিজিলিয়েন্স ফান্ড (জিসিইআরএফ)-এ দেশের অগ্রগতির ওপরও আলোকপাত করেন। রাষ্ট্রদূত সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ কার্যকরভাবে মোকাবেলা করার জন্য সকল দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ এবং কোন দেশের পক্ষে এককভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব নয়। দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সঙ্কট প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত ইমরান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত সকল রোহিঙ্গাদের তাদের জন্মভুমিতে টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যদি সমস্যাটি আরও দীর্ঘায়িত হয় তবে এটি সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং উন্নয়ন উদ্যোগকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ড. আব্বাস ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে বক্তৃতাকালে সন্ত্রাস, সহিংস চরমপন্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের দ্বারা দারুনভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। ড. আব্বাস বলেন, তার প্রতিষ্ঠান- NESA Center for Strategic Studies - বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কামনা করে এবং আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ দেখতে চায়। দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি অহিদুজ্জামান নুর সন্ত্রাস ও চরমপন্থা মোকাবেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সাফল্যের বিষয়টি প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন। ফার্স্ট সেক্রেটারি আতাউর রহমান অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এবং এর সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি। এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন মিনিস্টার (প্রেস)

post
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল বিরোধী সহিংসতা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনবিরোধী বিক্ষোভ আরও সহিংস রূপ নিয়েছে। ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের পাশাপাশি ইসরায়েলপন্থীরা হামলা চালাচ্ছে। এমন এক হামলার পর দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার রাতে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস ক্যাম্পাস। লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩২ হাজার স্নাতকের শিক্ষার্থী রয়েছেন। বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁদের অনেকে ক্যাম্পাসে তাঁবু খাটিয়ে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ করছেন।

post
অভিবাসন

মার্কিন নাগরিকদের অবৈধ অভিবাসী স্বামী বা স্ত্রীরা পাচ্ছেন কাজের অনুমতি

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অবৈধ অভিবাসী স্বামী বা স্ত্রীদের কাজের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন। আগামী নভেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে ডেমোক্র্যাটরা এই সাহসী পদক্ষেপের পরিকল্পনা নিয়েছে। হোয়াইট হাউস মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গে বিবাহিত অবৈধ অভিবাসীদের অস্থায়ী আইনি মর্যাদা এবং কাজের অনুমতি দেওয়ার বিষয়গুলো বিবেচনা করছে বলে সোমবার (২২ এপ্রিল) মার্কিন গণমাধ্যমগুলো এ খবর জানিয়েছে।ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা এবং অ্যাডভোকেসি গ্রুপগুলো প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অবৈধ সীমান্ত ক্রসিং হ্রাস করার জন্য নির্বাহী পদক্ষেপগুলো বিবেচনা করার সঙ্গে সঙ্গে এ পদক্ষেপ নিতে চাপ দিচ্ছে। আগামী নির্বাচনে অভিবাসন সমস্যা একটি গুরুক্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কারণ গত নির্বাচনের আগে বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি ইমিগ্রেশন সমস্যার সমাধান করবেন। কিন্তু রিপাবলিকানদের বিরোধিতার কারণে তিনি কিছুই করতে পারেননি। নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প বলেন, বাইডেনের কম বিধিনিষেধমূলক নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসন বেড়েছে। হোয়াইট হাউস সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসীদের প্রবেশ থামানোর জন্য নির্বাহী পদক্ষেপের সম্ভাবনা বিবেচনা করেছে কিন্তু বাস্তবায়ন করছে না। বাইডেন প্রশাসন মার্কিন নাগরিকদের স্ত্রীদের জন্য ‘প্যারোল ইন প্লেস’-এর সম্ভাব্য ব্যবহারও পরীক্ষা করেছে বলে সূত্র জানিয়েছে। কেউ কেউ এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার অনুরোধ জানিয়েছে। অনেকেই বলেছেন, অস্থায়ী আইনি মর্যাদা, ওয়ার্ক পারমিটের অ্যাক্সেস নাগরিকত্বের সম্ভাব্য পথ প্রদান করবে। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র বলেন, প্রশাসন সম্ভাব্য নীতির বিকল্পগুলো ক্রমাগত মূল্যায়ন করছে, তবে নির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা নিশ্চিত করতে অস্বীকার করেছে। মুখপাত্র আরও বলেন, যারা প্যারোল ইন প্লেস পাওয়ার যোগ্য তারা এটি দ্রুত পাবেন। বাইডেন প্রশাসন একটি অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা ন্যায্য এবং আরও মানবিক। ইমিগ্রেশন অ্যাডভোকেসি সংস্থার তথ্য অনুসারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আনুমানিক ১ দশমিক ১ মিলিয়ন অবৈধ অভিবাসী মার্কিন নাগরিকে বিয়ে করেছেন। ৮৬ জন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা গত বছর প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি আলেজান্দ্রো মেয়রকাসের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল, যাতে তারা মার্কিন নাগরিকদের স্ত্রীদের রক্ষা করতে এবং বিদেশে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের স্ত্রীদের জন্য একটি পারিবারিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া তৈরি করার আহ্বান জানিয়েছিল।

post
এনআরবি বিশ্ব

লস অ্যাঞ্জেলেসে সপ্তম আন্তর্জাতিক বঙ্গবন্ধু সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন প্রবাসী বাংলাদেশি ও বর্তমান প্রজন্মের মাঝে আরও বেশি করে তুলে ধরার লক্ষ্যে দিনব্যাপী সপ্তম আন্তর্জাতিক বঙ্গবন্ধু সম্মেলনের আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ। শনিবার স্থানীয় সময় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস সিটিতে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক।জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ অনুষ্ঠান। এ সময় জাতির পিতার ওপর শুরু হয় সিরিজ আলোচনা। সম্মেলনের প্রধান অতিথি আরেফিন সিদ্দিক ছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন- আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ভোরের কাগজ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, লস অ্যাঞ্জেলেসস্থ বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল সামিয়া আনজুম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ড. নূরান নবী, সহসভাপতি নজরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক রানা হাসান মাহমুদ প্রমুখ। সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ওপর নির্মিত একাধিক তথ্যচিত্র প্রদর্শন, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়। দুপুরে বঙ্গবন্ধু ও তার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক এক সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন শ্যামল দত্ত। এ সময় তিনি উপস্থিত দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। বিকেলে শিশু-কিশোরদের জন্য বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এ সময় অনেকেই কবিতা আবৃত্তি করেন। এছাড়া দিনব্যাপী নানা আয়োজনের পাশাপাশি রাতে শুরু হয় বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড সোলসের একক সংগীত পরিবেশনা। 

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে দুই বাংলাদেশিকে হত্যায় বন্দুকধারী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো শহরে দুর্বৃত্তের বন্দুকের গুলিতে দুই বাংলাদেশি হত্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বাফেলো পুলিশ। সোমবার বিকেলে বাফেলো সিটি কোর্টে তাকে হাজির করা হয়। স্থায়ী ঠিকানাহীন ৩১ বছর বয়সী ডেল কামিংসের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত করা হয়েছে। শুনানির পর শুক্রবার পর্যন্ত জামিন ছাড়াই তাকে আটক রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাফেলোর ইস্ট ফেরি ও জেনার স্ট্রিটের ১০০ ব্লকে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আবু সালেহ ইউসুফ জনি (৫৩) ও কুমিল্লার লাঙ্গলকোর্টের বাবুল মিয়া (৫০) নামের দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে ডেল কামিংস। এ ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বাফেলো শহর।বাফেলো পুলিশ বিভাগ জানায়, জেনার স্ট্রিটের একটি বাড়ি পরিষ্কারের জন্য বাবুল মিয়া ও আবু ইউসুফ সেখানে গিয়েছিলেন। তারা যখন বাড়ির বারান্দায় পৌঁছেন তখন ভেতরে থাকা এক ব্যক্তি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। অপরজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। পরে ওই দুর্বৃত্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ওই ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে। বাফেলোর পুলিশ কমিশনার জোসেফ গ্র্যাগম্যাগলিয়া বলেন, কামিংসের কাছে একটি ৯ মিমি লম্বা রাইফেল ছিল যার অর্ধেক ভেঙে পড়ে। রাইফেলটি একটি ব্যাগে সহজেই লুকানো যায়। এরি কাউন্টি জেলা অ্যাটর্নি অফিস বলেন, কামিংসকে ডেপুটি অ্যাটর্নির (ডিএ) অনুরোধের পর রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন ডিএ বলেছেন, শুক্রবার শুনানির উদ্দেশ্য হলো- আদালতে এই প্রমাণ উপস্থাপন করা যে, কামিংস অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের অধিকারী। এটি তাকে হেফাজতে রাখার অনুমতি দেবে। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে। বাফেলোর মেয়র বায়রন ব্রাউন বলেন, গুলিতে নিহতদের একজনের স্ত্রী সন্তানসম্ভাবা। তিনি শিশুসহ দুই সন্তানের পিতা। অন্যজন সাত সন্তানের বাবা।

post
যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীরা। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তাঁবু তৈরি করে অবস্থান কর্মসূচিও চালিয়ে যাবেন তাঁরা। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোয় কয়েক সপ্তাহ ধরে ফিলিস্তিনপন্থীদের টানা বিক্ষোভ চলছে। আটক করা হয়েছে কয়েক'শ বিক্ষোভকারীকে। এতেও তাঁদের দমানো যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে গত রোববার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ক্যাম্পাসগুলোয় চলমান বিক্ষোভ অবশ্যই শান্তিপূর্ণ হতে হবে। ১৯৬০-এর দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের পর যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইসরায়েলবিরোধী এই আন্দোলন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সেই বিক্ষোভে ব্যাপক ধরপাকড় করা হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নিয়েছিল।

post
যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশি হত্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো শহরে দুর্বৃত্তের বন্দুকের গুলিতে দুই বাংলাদেশি হত্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বাফেলো পুলিশ। সোমবার বিকেলে বাফেলো সিটি কোর্টে তাকে হাজির করা হয়। স্থায়ী ঠিকানাহীন ৩১ বছর বয়সী ডেল কামিংসের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত করা হয়েছে। শুনানির পর শুক্রবার পর্যন্ত জামিন ছাড়াই তাকে আটক রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এর আগে, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাফেলোর ইস্ট ফেরি ও জেনার স্ট্রিটের ১০০ ব্লকে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আবু সালেহ ইউসুফ জনি ও কুমিল্লার লাঙ্গলকোর্টের বাবুল মিয়া নামের দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে ডেল কামিংস। এ ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বাফেলো শহর। বাফেলোর মেয়র বায়রন ব্রাউন বলেন, গুলিতে নিহতদের একজনের স্ত্রী সন্তানসম্ভাবা। তিনি শিশুসহ দুই সন্তানের পিতা। অন্যজন সাত সন্তানের বাবা।

post
এনআরবি বিশ্ব

হোয়াইট হাউসে বেজে উঠলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত

ইউএসএ সংবাদদাতাঅবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, গত ১৯ এপ্রিল হোয়াইট হাউজের সামনে একদল প্রবাসীকে দেখতে পেয়েই বেজে উঠলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। মূল গেটের সামনে ক্যাসেটে গানটি শোনার সাথে সকলে থমকে দাঁড়ালেন কিছুক্ষণের জন্যে। হৃদয় উজার করে এবং প্রাণ ভরে নিজেরাও গাইলেন ৩০ লাখ বাঙালির তাজা রক্ত আর আড়াই লক্ষাধিক মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’। সেখানে লাল-সবুজের পতাকা দৃশ্যমান না হলেও প্রতিটি বাঙালির হৃদয়পটে ভেসে উঠেছিল তা। গোটাবিশ্বের পরিস্থিতির আলোকে করণীয় নির্দ্ধারণকারি অর্থাৎ কখনো কোন দেশ গণতান্ত্রিক অথবা মানবাধিকার সংকটে নিপতিত হলে যুক্তরাষ্ট্র ঝাপিয়ে পড়ে সে সব দেশের কর্তৃত্ববাদি শাসকের বিরুদ্ধে। আবার মিত্র দেশ আক্রান্ত হলেও সৈন্য পাঠানো হয় দেশটিকে রক্ষার্থে। এসব কারণে বিশ্বের কাছে মোড়ল হিসেবেও পরিচিত এই হোয়াইট হাউজের অধিকর্তা। তবে সব সময়েই যে প্রত্যাশিত রেজাল্ট যুক্তরাষ্ট্রের ঘরে এসেছে তা ঠিক নয়। কখনো কখনো নাজুক পরিস্থিতিতেও নিপতিত হতে হয়, লজ্জাজনক পরাজয়ের গ্লানি সইতে হয়েছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে যাবার ঘটনাবলি এখনো সচেতন আমেরিকানদের পীড়া দেয়। গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার গণহত্যা পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নগ্ন অবস্থানের রেজাল্ট আসছে নভেম্বরের নির্বাচনে কিছুটা হলেও পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমন একটি ভবনের ভেতরে থেকে কীভাবে এতসব সিদ্ধান্ত দেয়া হয়, কোথায় বসে সিদ্ধান্তে উপনীত হোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, মাঝেমধ্যে অতিথি আপ্যায়নের ঘটনাও কোন টেবিলে ঘটে, কোথায় ঘুমান প্রেসিডেন্ট, ফার্স্টলেডি, কীভাবে অবলোকন করা হয় গোটাবিশ্বের পরিস্থিতি ইত্যাদি নিয়ে খোদ আমেরিকানদের মধেও কৌতুহলের শেষ নেই। কারণ, ইচ্ছা করলেই এই হাউসের ভেতরে প্রবেশাধিকার মেলে না। এই ভবনের বাসিন্দা ছাড়া সকলকেই সিকিউরিটি পয়েন্ট অতিক্রম করতে হয়। ব্যাক গ্রাউন্ড চেক করা হয় পরিদর্শণ/পরিভ্রমণে আগ্রহীদের। এরপর অন্তত: তিনটি চেক পয়েন্ট পাড়ি দিয়ে ভেতরে ঢুকতে হয়। প্রতিটি চলার পথ, কক্ষ, ডাইনিং রুম, সিনেমা হল, গসিপ রুম, ব্রিফিং রুম সর্বত্র মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ কোনকিছুই লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। নিরাপত্তা প্রহরিদের দৃষ্টি এড়িয়ে ভিডিও করাও সম্ভব হয় না। তবে আইফোনের সুবাদে (ফ্লাশ ঝলসে উঠবে না) সবকিছুর ছবি সংগ্রহ করার অনুমতি দেয়া হয় দর্শনার্থী অথবা ভ্রমণকারিকে। ভবনটি তন্ন তন্ন করে অবলোকনের আগ পর্যন্ত থাকা কৌতুহল একেবারেই চুপসে যায় ৩০/৪০ মিনিট পরিভ্রমণের পর। কারণ, সবকিছুই স্বাভাবিক, চিরচেনা। বিছানা, ডাইনিং টেবিল, অতিথি কক্ষ, ব্রিফিং রুম-সবকিছু একই রকমের। মিটিং রুমেও কোন বিশেষ বৈশিষ্ট নেই। গোটাবিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু এই হোয়াইট হাউজ পরিভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল ১৯ এপ্রিল শুক্রবার। ৩৮ জনের একটি টিমে সকলেই ছিলাম বাংলাদেশী আমেরিকান। নেতৃত্ব দেন ম্যারিল্যান্ড স্টেট ডেমক্র্যাটিক পার্টির নির্বাহী সদস্য এবং এএপিআই লিডারশিপ কাউন্সিলের মেম্বার আনিস আহমেদ। তিনি মাঝেমধ্যেই প্রবাসীদের জন্যে এমন আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বিধায় চলতি পথে সকলকে নিজ ভাষায় জানিয়ে দেন কক্ষগুলোর ইতিহাস-ঐতিহ্য। অর্থাৎ গাইডেন ভ’মিকায় অবতীর্ণ হোন তিনি। কোথায় দাঁড়িয়ে ছবি উঠানো সম্ভব সেটিও তারই ইশারায় ঘটেছে। ধীওে চলার অবকাশ নেই, কিংবা কোথাও অকারণে সময়ক্ষেপণেরও সুযোগ নেই। সক্রিয় থাকতে হয় সারাক্ষণ। কারণ, সময় বেধে দেয়া হয়েছে। উচ্চস্বরে, এমনকি ফোনে কথা বলাও মানা। তবে বোবা হয়ে চলতে হয় না। হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক বাসভবন। ওয়াশিংটন ডি.সির ১৬০০ পেনসিলভেনিয়া এভিনিউয়ে অবস্থিত এই বাসভবনটি ১৭৯২ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। জন অ্যাডামসের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সকল প্রেসিডেন্টই এই বাসভবনে ছিলেন। এই ভবনের স্থাপতি ছিলেন জেমস হোবান, তিনি আয়ারল্যান্ডের নাগরিক। পুরো ভবনটি মূলত তিনটি আলাদা ভাগে বিভক্ত-ওয়েস্ট উইং, ইস্ট উইং ও এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্স। ভবনের মোট আয়তন প্রায় ৫৫ হাজার বর্গফুট। চারতলা এই ভবনে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। তার মধ্যে অন্যতম হলো প্রেসিডেন্টস রুম, ওভাল অফিস ও কেবিনেট রুম। আগে প্রেসিডেন্টস রুমে সেক্রেটারি দপ্তর ও প্রেসিডেন্টের দপ্তর ছিল। বর্তমানে এই কক্ষ ডাইনিং রুম বা খাবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ওভাল অফিসটি বর্তমানে প্রেসিডেন্টের প্রধান দপ্তর। ডিম্বাকৃতির এই কক্ষের জানালাগুলো বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে তৈরি। কক্ষটির অন্দরসজ্জা ও আসবাব প্রেসিডেন্টের পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। কেবিনেট রুমে প্রেসিডেন্ট তাঁর মন্ত্রীসভার সঙ্গে বৈঠক করেন। হোয়াইট হাউসের রীতি অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সব সময় টেবিলের মাঝখানে বসেন। গ্রাউন্ড ফ্লোরে আছে সিচুয়েশন রুম। ৫ হাজার বর্গফুটের এই ঘরে প্রেসিডেন্ট আসেন সমস্যার মুখোমুখি হলে। এখানে তিনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করেন। সিচুয়েশন রুম চালান ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের কর্মীরা। হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং রুম। এখান থেকে সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলেন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউস চত্বরের কেন্দ্রীয় ভবন হলো এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্স। এটি মূলত ওয়েস্ট ও ইস্ট উইংয়ের মাঝখানে অবস্থিত। এই ভবনে আছে সবুজ, নীল ও লাল কক্ষ। এসব কক্ষের জানালার পর্দা, মেঝের কার্পেটসহ গৃহসজ্জার সামগ্রীর রং কক্ষের নাম অনুসারে হয়ে থাকে। এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্সের পুবদিকে দ্বিতল ভবনটি হলো ইস্ট উইং। ভবনের দ্বিতীয় তলায় আছে ফার্স্ট লেডির দপ্তর। এ ছাড়া এই ভবনে আছে একটি পারিবারিক থিয়েটার হল, যেখানে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দিনের যেকোনো সময় নিজেদের পছন্দের সিনেমা উপভোগ করতে পারেন। এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্সের ফার্স্ট ফ্লোরে আছে ক্রস হল। এটি হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে প্রশস্ত হলওয়ে। ক্রস হল স্টেট ডাইনিং রুম এবং ইস্ট রুমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্সের সংযোগ স্থাপন করেছে। অনেকেই হয়ত ভাবেন বাড়িটার নাম হোয়াইট হাউস কেন? কারণ, ১৮১২ সালে সংঘঠিত হয় ইংল্যান্ড-আমেরিকা যুদ্ধ। যুদ্ধ চলাকালে ১৮১৪ সালের ২৪ আগস্ট ব্রিটিশ সেনাবাহিনী হোয়াইট হাউস জ্বালিয়ে দেয়। এরপর বিল্ডিংয়ের ছোট একটি অংশ শুধু অবশিষ্ট ছিল। বিল্ডিংটির বিভিন্ন জায়গায় তখন আগুন ও ধোঁয়ার দাগ ঢাকতে এর দেয়ালে সাদা রং দেওয়া হয়। সেই থেকে মূলত একে ‘হোয়াইট হাউস’ বলা শুরু হয়। হোয়াইট হাউসের মোট রুমের সংখ্যা ১৩২ টি। বাংলাদেশী আমেরিকানদের এই টিমে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক লাবলু আনসার, বিশ্ববাংলা টোয়েন্টিফোর টিভির চেয়ারপার্সন আলিম খান আকাশ এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নুরুন্নাহার নিশা খান, আলভি খান, স্নেহা খান, আলিসা খান, সাফিন চৌধুরী, আসমা চৌধুরী, শামীন চৌধুরী, সারাহ চৌধুরী, ওমর চৌধুরী, হাসিনা পারভিন, তাসমিয়া দিয়া, সাফকাত চৌধুরী, নাফিজা আহমেদ, সুজাত হোসেন, লোকমান খান, শাহানা সুলতানা, তারেক মেহেদী, নাবিল আহমেদ, সাঈদ হারুন, রফিকুল আলম, ফরিদা পারভিন, কাজী ইসলাম, জাকির চৌধরী, মাহমুদা ইসলাম, সৈয়দ জুনায়েদ, কারাবি চৌধরী, মিজানুর রহমান, রাহেলা সুইটি, নূরজাহান খাতুন, নাসিমা আহমেদ, মোহাম্মদ খান, ডা. নুরুল চৌধুরী, লোকমান খিয়ানি প্রমুখ।

post
প্রবাস রাজনীতি

লন্ডনে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জকিগঞ্জ এসোসিয়েশন ইউকের কার্যনির্বাহী কমিটি। পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেন জামে মসজিদের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি শেরওয়ান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন। এসময় বক্তব্য রাখেন গোলাম মর্তুজা চৌধুরী, ইকবাল মোহাম্মদ, আব্দুল হালিম, ফজলে আহমদ চৌধুরী,জুবায়ের আহমদ জীবন,একে আজাদ তফাদার লিটু,কাজী খালেদ আহমাদ,সালিক আহমেদ চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন ও নাঈম আহমেদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ স ম মিসবাহ,রবিন পাল, আলতাফুর রহমান মুজাহিদ,আনহার মিয়া,আব্দুল হান্নান ও মোহাম্মদ সাদ। পরে জকিগঞ্জকে প্রথম মুক্তাঞ্চলের দাবিতে প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি তুলে দেয়া হয়।

post
আন্তর্জাতিক

সাড়ে ৯ হাজার কোটি ডলারের সহায়তা পাস

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সেনেটে ইউক্রেইন, ইসরায়েল এবং তাইওয়ানের জন্য ৯ হাজার ৫শ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা প্যাকেজ পাস হয়েছে। এতে সাক্ষরও করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কিয়েভে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন এ সহায়তা পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। প্রেসিডেন্ট বলেছেন, রাশিয়ার অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ইউক্রেইনকে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘এখুনি’ নতুন অস্ত্র এবং সাজসরঞ্জাম পাঠাবে। বাইডেনের ঘোষণার পর পরই পাঠানো হয়েছে এসব অস্ত্র সহায়তা। ইউক্রেইন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে কয়েক মাসের অচলাবস্থার পর মঙ্গলবার বিলটি ৭৯-১৮ ভোটে পাস হয়। ইউক্রেইনের সহায়তা প্যাকেজে রাখা হয়েছে ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার বরাদ্দ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.