post
এনআরবি বিশ্ব

মুজিববর্ষ উপলক্ষে মেক্সিকোতে ‘বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার

মুজিববর্ষ উপলক্ষে মেক্সিকোতে ‘বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করেছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় বুধবার (১১ মে) মেক্সিকোর টেকনোলজিকো ডি মন্টেরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্তা ফে ক্যাম্পাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক ভ্যানিয়া রামিরেজ কামাচো, অধ্যাপক আলভারো আলভারেজ ডেলগাডো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ শিক্ষার্থী উক্ত এতে অংশগ্রহণ করেন।উল্লেখ্য, ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টির মেক্সিকোজুড়ে ২৬টি ক্যাম্পাস রয়েছে। এগুলোতে ৯০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। কিউএস ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং অনুসারে সারা বিশ্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৬১ এবং মেক্সিকোতে দ্বিতীয়।সেমিনারে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম, নেতৃত্ব, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে তার অবদানের পাশাপাশি স্বপ্নের ‘সোনার-বাংলা’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।এছাড়াও বাংলাদেশের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত।সেমিনারে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার আগ্রহ প্রকাশ পায়।বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্প্যানিশ সংস্করণ, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার এবং উপহার সামগ্রী পরিবেশনের মাধ্যমে সেমিনারটি শেষ হয়।

post
শিক্ষা

ডব্লিউইউএসটি'র সঙ্গে অংশীদারিত্বের বড় সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশের হাইটেকপার্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-ডব্লিউইউএসটি'র সঙ্গে অংশীদারিত্বের বড় সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশের হাইটেকপার্ক। প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ট্রান্সফার করাই এই সময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও উপযোগী পদক্ষেপ যা হাইটেকপার্ক ও ডব্লিউইউএসটি'র মধ্যে হওয়া সম্ভব। খুব শিগগিরই এ ধরনের অংশীদারিত্বের বড় ঘোষণা আসবে। এসব কথা বলছিলেন বাংলাদেশ হাইটেকপার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ। তিনি বুধবার (১১ মে) যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ডব্লিউইউএসটি (পুর্ব নাম আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি) ক্যাম্পাস পরিদর্শণে এসে এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বাংলাদেশি আমেরিকান প্রকৌশলী ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ আবুবকর হানিপ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক, পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন, সিএফও ফারহানা হানিপ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় আরও ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত রোমানিয়া ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি. (বেঙ্গল গ্রুপ) 'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির বাবলু, আরটিভি'র সিইও সৈয়দ আশিক রহমান, যুক্তরাষ্ট্রে বিশিষ্ট বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ক্রিকেটপয়েন্ট-এর সিইও কাজী জামান, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার ইকনমিক মো. মেহেদি হাসানসহ অন্যরা।বিকর্ণ ঘোষ তার বক্তৃতায় আরও বলেন, একজন বাংলাদেশি আমেরিকান এই যুক্তরাষ্ট্রে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব মালিকানায় পরিচালনা করছেন, এটি আমাদের বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় গর্বের একটি বিষয়। আমরা চাই এমন আরও আবুবকর হানিপ বাংলাদেশে তৈরি হোক আর সে কারণেই আমাদের পারষ্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়টির দক্ষতানির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা যা ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে একটা ইকোসিস্টেম তৈরিতে কাজ করছে, সে কথা উল্লেখ করে বিকর্ণ ঘোষ বলেন, এই বিষয়টিই এখন শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশেও শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন প্রায়োগিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ডব্লিউইউএসটি-কে আহ্বান জানাতে চায়, যেনো এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশেও তারা নিয়ে যেতে পারেন এবং সে জন্য বাংলাদেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় জমি দিতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এমন একটি সুযোগ ডব্লিউইউএসটি'র জন্য একটি বড় পাওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়তে আসছেন তাদের ভবিষ্যত সময়ের উপযোগী শিক্ষা ও দক্ষতা দিয়ে তৈরি করা হয়। যাতে তারা শিক্ষা শেষে যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্বের উন্নত জব মার্কেটে ঢুকতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে যে শিক্ষার্থীরা আসছেন তাদের নিয়ে তার বড় স্বপ্ন হচ্ছে- এদের কেউ কেউ একদিন অ্যামাজন, গুগল, সিসকো, ফেসবুক, টুইটারের মতো ফরচুন ওয়ান হান্ড্রেড কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায়ের পদগুলোতে আসীন হবেন।"ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-ডব্লিউইউএসটি'র শিক্ষকরা একাধারে স্কলার ও প্র্যাকটিশনার, যাদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে রয়েছে ন্যুনতম চার বছর থেকে ত্রিশ বছর পর্যন্ত কর্মদক্ষতার অভিজ্ঞতা। এই শিক্ষকদের কাছ থেকে শিখে শিক্ষার্থীরা যখন কর্মজগতে প্রবেশ করবে তখন তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।"  একটি সময়ে আমরা এই ঘোষণাই দিতে সক্ষম হবো, যখন আমরা বলতে পারবো ডব্লিউইউএসটিতে পড়াশোনা শেষ করলে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত ভালো কাজ পেয়ে যাবে, তখন আমরা 'নো জব নো টুইশান' ঘোষণা করতে পারবো, বলেন একজন আত্মবিশ্বাসী আবুবকর হানিপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পদ্ধতি, এর শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকার ও ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডব্লিউইএসটি, পুরাতন আইজিইউ'র শিক্ষা পদ্ধতিটি ইউনিক। এবং এই সময়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজনীয়। তিনি বলেন, এটি একটি ক্যারিয়ার ওরিয়েন্টেড ইউনিভার্সিটি। আমরা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা দিয়ে তৈরি করি। শিক্ষার্থীরা ডব্লিউইউএসটিকেই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেছে নেবে। তা ছাড়াও এটি সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো থেকে অনুমোদিত এবং অ্যাক্রিডিটশন প্রাপ্ত। অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন শিক্ষাপদ্ধতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষকরা তাদের শেখান ও তৈরি করেন, এটাই আইজিইউ'র বর্তমান ডব্লিউইউএসটির মূল পদ্ধতি। মো. হুমায়ুন কবিব বাবলু তার বক্তৃতায় ডব্লিউইউএসটির শিক্ষাক্রম, এর পরিচালন পদ্ধতি এবং পাঠদান পদ্ধতির প্রশংসা করেন। একজন বাংলাদেশি আমেরিকানের নেতৃত্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে যা তাকে গর্বিত করে বলে তিনিও তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। একই কথা বলেন ভার্জিনিয়াস্থ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী জামান। তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্র বসবাসকারী প্রতিটি বাংলাদেশির জন্য একটি গর্বের বিষয়। মো. মেহেদি হাসান আবু হানিপের প্রশংসা করে বলেন, এমন একটি উদ্যোগ তাকেও গর্বিত করে।ফারহানা হানিপ তার বক্তৃতায় সকলকে ধন্যবাদ জানান ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক ও সাংবাদিক মাহমুদ মেনন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষাপদ্ধতি এতটাই ভিন্নরকম যে এখানে শিক্ষার্থীরা আনন্দ নিয়ে শিখতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ইন্ডাস্ট্রির দক্ষতা নিয়ে এখানে পড়ান, সে কারণেই এই পদ্ধতি অনেক বেশি কার্যকর। বাংলাদেশে এই শিক্ষাপদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন প্রয়োজন বলেও তিনি মত দেন। 

post
যুক্তরাষ্ট্র

‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার শো নিউইয়র্কে

বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’র বিশেষ প্রদর্শনীতে থাকা প্রবাসীরা বিশেষ এক মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পিনপতন নিরবতায় তা দেখলেন। পিতার সাথে সন্তানের মায়ার বন্ধনকে ছাড়িয়ে যায় টুঙ্গিপাড়ার দূরন্ত ছেলে খোকার বঙ্গবন্ধু থেকে বাঙালি জাতিরজনক হয়ে উঠার ধারাবিবরণীতে। বিশ্বের অবহেলিত-বঞ্চিত মানুষদের কন্ঠস্বর হিসেবে খ্যাতি অর্জনকারি শেখ মুজিবের সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের খুবই ছোট্ট একটি অধ্যায়ের মধ্যদিয়ে ‘মুজিব আমার পিতা’ ছবিটি তৈরী হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থের অবলম্বনে। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যেকার ভাষা আন্দোলনকে মূলতঃ প্রেক্ষাপট করা হয়েছে এই চলচ্চিত্রে।বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে নির্মিত ছবিটি প্রদশিত হয় ৮ মে রোববার নিউইয়র্ক সিটির ফ্লাশিংয়ে বম্বে থিয়েটারে। ফ্রি প্রবেশাধিকারের এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসীদের সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধারাও ছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমাসহ শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে প্রদর্শনীর শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন কনসাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম। শেষে ছবির ওপর নিজের মতামত ব্যক্ত করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক। ছবিটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা আলোকপাত করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।বিদগ্ধ দর্শকেরা অভিমত দিয়েছেন যে, এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে আরো আকর্শনীয়ভাবে উঠে এসেছে। চলচ্চিত্রের দৃশ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সামনে প্রতীয়মান হয়েছেন এক ভিন্ন আঙ্গিকে। একজন কন্যার চোখ দিয়ে আমরা পিতাকে দেখতে পেলাম এই মুভিতে, বলেন তারা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর দৃষ্টিতে পিতা শেখ মুজিবকে কীভাবে দেখেছেন, কীভাবে বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছেন তা এতে বিবৃত হয়েছে বস্তুনিষ্ঠভাবে। সেই অবিসংবাদিত নেতার শৈশব, কৈশোরসহ তাঁর কর্মময় জীবনের নানাদিক বিভিন্ন আঙ্গিকে উঠে এসেছে ছবিতে। মূলত: বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পর্যন্ত সময়কে এই অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাইগার নদীর তীরে টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেয়া ছোট্ট খোকা কীভাবে একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, কীভাবে স্বাধীনতার সেইপথে তিনি ধীরে ধীরে অগ্রসর হয়েছিলেন এবং কীভাবে তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে উঠলেন, সেই পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই চলচ্চিত্রে উপস্থাপিত হয়েছে।এটি পরিচালনা করেছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রেরর এক নতুন দ্বার উম্মোচিত হয়েছে বলেও অনেকে উল্লেখ করেছেন। অতিথি-দর্শকের মধ্যে আরো ছিলেন অপরাজিত হক এমপি. নুরুল আমিন এমপি এবং নাহিদ ইজাহার খান। ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্য স্টেটেও প্রদর্শিত হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী পলক।

post
দূতাবাস খবর

ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে মা দিবস উদযাপন

বিশ্বের সকল মা বিশেষ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের সমাজ ও জাতির প্রতি তাদের মহান অবদান ও আত্মত্যাগের জন্য গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি-তে বাংলাদেশ দূতাবাস রবিবার (৮ মে) মা দিবস উদযাপন করেছে।এ উপলক্ষে বিকেলে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ সহিদুল ইসলাম বলেন, মায়েরা তাদের সকল দুঃখ-বেদনা ভুলে পরিবারের পাশাপাশি একটি আলোকিত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। রাষ্ট্রদূত ইসলাম বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সমাজ ও জাতির জন্য তাঁর অসামান্য অবদান ও ত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন বঙ্গমাতা। মিনিস্টার (কনস্যুলেট) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সহধর্মিণী রোকেয়া আক্তার কাকলীও আলোচনায় অংশ নেন। পরে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

post
নারী ও শিশু

'মা দিবস', কীভাবে এলো, কোথায় যাচ্ছে!

একটি 'মা দিবস' গেলো রবিবার। এবছর দিবসটি উদযাপন হলো ৮ মে, মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার। মা দিবস বিশ্বের সকল মায়ের জন্য একটি বিশেষ দিন।মায়ের অবদান মানুষের জীবনে ঠিক কতটা তা বোঝানো যায় না। কিন্তু এই মায়ের অবদানটাই ঠিক যেনো আমাদের চোখে পড়ে না। এই দিনটিকে প্রতিটি সন্তানের জন্য মায়ের সেই অমূল্য, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা স্বীকার করে নেওয়ার দিন হিসেবেই বিশ্বে পালন করা হয়। আর এই দিনটি সেই অবদানের জন্য মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো ধন্যবাদ জানানোরও দিন। মানবকূলে সকল সম্পর্কের সেরা সম্পর্কটিই হচ্ছে মা ও তার সন্তানের সম্পর্ক। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা আর কিছুর সঙ্গেই তুল্য নয়। একটি শিশু জন্ম নেওয়ার পর থেকে মা তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে শিশুর নিরাপত্তা ও ভালো থাকা নিশ্চিত করতে আত্মনিয়োজন করেন। আর এই মায়ের হাতেই গড়ে ওঠে সন্তানের জীবন। জীবনের সকল দুঃখ সঙ্কট থেকে সন্তানকে মুক্ত রাখতে মা থাকেন বদ্ধপরিকর। আর মায়ের সেই সব অবদানের কথা স্বীকার করতে এবং তারই উদযাপন করতে এই মা দিবস। বিশ্বের দেশে দেশেই এই মা দিবস উদযাপন হয়। তবে বিশ্বের সব দেশে দিবসটি একই দিনে নয়। অনেক দেশে দিনটি উদযাপন হয় মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার। সেই হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র দিনটি উদযাপন হয়ে গেলো গতকাল ৮ মে। বাংলাদেশেও তাই। কীভাবে এলো মা দিবস সেটি ১৯০৭ সালের কথা। সে বছর যুক্তরাষ্ট্রের এক নারী, নাম আনা জারভিস, সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তার মায়ের স্মরণে মাদার'স ডে পালন করবেন। তার দুই বছর আগে মাকে হারিয়েছিলেন আনা। সেখান থেকে শুরু। এরপর অনেকেই এই দিনটি পালন শুরু করে। আর ১৯১৪ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিবসটিকে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। তবে বিশ্বের অনেক দেশে সভ্যতায় মাতৃত্বের বন্দনা ও উদযাপনের রেওয়াজ আরও পুরোনা। কোথাও কোথাও এর রয়েছে হাজার হাজার বছরের ইতিহাস। যেমন গ্রিক সভ্যতায় রোমান ফেস্টিভাল অব হিলারিয়া, ক্রিশ্চিয়ান মাদারিং সানডে সেলিব্রেশন এসব উৎসবকেও মা দিবসের সাথে মিলিয়ে নেয় অনেক দেশ। যেমন যুক্তরাজ্য। যুক্তরাষ্ট্রে ১৯০৭ সালে আনা জারভিস তার মায়ের জন্য ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গ্র্যাফটনে এন্ড্রুস মেথোডিস্ট এপিসকোপ্যাল চার্চে প্রার্থণাসভার আয়োজন করেন। পরে আনা একটি মাদার'স ডে ওয়ার্ক ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন যার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হতো। পরে আনা জারভিস দিবসটি 'মাদার'স ডে ফর পিস' হিসেবে নামকরণের দাবি তোলেন, যে দিনটিতে মায়েরা এই দাবি নিয়ে সামনে আসবেন যেনো তাদের স্বামী ও সন্তানদের আর যুদ্ধে প্রাণ দিতে না হয়। এই আন্দোলনে জেরভিসের সঙ্গে ছিলেন জুলিয়া ওয়ার্ড হোয়ি নামে এক পিস অ্যাক্টিভিস্ট। দিনটিকে তারা সকল মায়ের সম্মানে নিবেদিত করতে চেয়েছিলেন। কারণ তারা বিশ্বাস করেন, পৃথিবীতে কারো জন্য তার মায়ের চেয়ে বেশি অবদান কেউ রাখতে পারে না। ১৯০৮ সালেই দিবসটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে চেয়ে কংগ্রেসে প্রস্তাব ওঠে, কিন্তু তা নাকচ হয়ে যায়। আর এ সময় কংগ্রেসম্যানরা এই কৌতুক করতেও ছাড়েন না যে, এটা করা হলে এক সময় তাদের মাদার-ইন-ল'জ ডে (শাশুড়ি দিবস) ও করতে হবে। কিন্তু হাল ছাড়েননি আনা জারভিস। ১৯১১ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলো দিনটিকে মাদার'স ডে হিসেবে পালন করতে শুরু করে। আর ১৯১৪ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মায়েদের সম্মানে দিনটিকে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে দেওয়া ঘোষণাপত্রে সই করেন। আনা জারভিসের ইচ্ছা ছিলো স্রেফ দিনটিতে মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা জানানো, তার অবদানকে স্বীকার করে নেওয়ার । কিন্তু ১৯২০ এর দশকের গোড়ার দিকেই হলমার্ক কার্ডস বাজারে নিয়ে এলো মাদার'স ডে কার্ড। সেই শুরু। কোম্পানিগুলো দিনটিকে তাদের বাণিজ্যের সুযোগ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে লাগলো। বিষয়টি আনা জারভিস ভালোভাবে নেননি। জীবদ্দশায় বিভিন্ন সময়ে তিনি এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এতটাই প্রতিবাদী ছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতারও হতে হয় এ জন্য। বাণিজ্যিকীকরণের পরেও বিশ্বের দেশে দেশ দিনটি উদযাপন করা হয় অতি আন্তরিকতায়। বাংলাদেশেও মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারে উদযাপন হয় মা দিবস। সবাইকে মা দিবসের শুভেচ্ছা।

post
বিনোদন

ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন মুখরিত ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে

লাবলু আনসার, নিউইয়র্ক থেকে: জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে প্রকম্পিত হলো বিশ্বখ্যাত এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন। হাজার দশেক দর্শক-শ্রোতার সরব উপস্থিতিতে ৬ মে (শুক্রবার) সন্ধ্যায় ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ ঘিরে ঘিরে বহুজাতিক এক সমাবেশে ফুটিয়ে তোলা হয় অদম্য গতিতে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে।একাত্তরের ১ আগস্ট এই মাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয় শরনার্থীগণের সাহাযার্থে এবং মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে আন্তর্জাতিক জনমত সুসংহত করতে। প্রায় ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ কনসার্টের আয়োজক ছিলেন সাবেক বিটল্‌স সঙ্গীতদলের লিড গিটারবাদক জর্জ হ্যারিসন এবং ভারতীয় সেতারবাদক রবিশঙ্কর। বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, জর্জ হ্যারিসন, বিলি প্রিস্টন, লিয়ন রাসেল, ব্যাড ফিঙ্গার এবং রিঙ্গো রকস্টারের মতো দুনিয়াবিখ্যাত তারকারা তাতে অংশ নেন। সেই ঐতিহাসিক কনসার্টের ৫০তম বার্ষিকীতে এ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চললেও নানাবিধ কারণে তা এক বছর বিলম্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ উদ্যোক্তা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।বাংলাদেশের চিরকুটের শারমিন সুলতানা সুমি তার ব্যান্ডের অসাধারণ জনপ্রিয় ৬টি গানে মাতোয়ারা করেন বিশাল এই সমাগমকে। গানের ফাঁকে বাংলাদেশকেও দৃশ্যমান করার চেষ্টা করেছেন সুমি। তার জন্য বরাদ্দ ছিল মাত্র ২০ মিনিট। এজন্যে তিনি কোনো গানই পুরোপুরি পরিবেশনে সক্ষম হননি। এক পর্যায়ে এতবড় আয়োজনে তৃপ্তির সাথে গান গাইতে না পারার জন্যে নিকট ভবিষ্যতে আবারও গাইবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। সুমির সাথে যন্ত্র সঙ্গীতে ছিলেন ইমন চৌধুরী ও জাহিদ নিরব।রাত ৮টায় শুরু হবার কথা থাকলেও মিনিট বিশেক বিলম্বে তা শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মুজাম্মেলন হক, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান, সংসদ সদস্য অপরাজিত হক এবং সংসদ সদস্য নুরুল আমিন জাতীয় সঙ্গীতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে। এ পর্বে নেতৃত্ব দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী কাদেরি কিবরিয়া। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়সহ উপস্থিত সকলে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীতে অংশ নেন। ভিনদেশিরাও গভীর শ্রদ্ধায় দাঁড়িয়ে বাঙালির সাথে কণ্ঠ মেলান।এরপর জার্মানির ব্যান্ড ‘স্কোরপিয়ন্স’ মঞ্চ সাজাতে ৩৫ মিনিটের অধিক সময় ক্ষেপণ করেছে। এই সময়কে কাজে লাগাতে ন্যূনতম উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয়নি বলে দর্শকেরা বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। কারণ, প্রতিটি মিনিটের মূল্য ছিল হাজার ডলারের বেশি। সে সময় সজীব ওয়াজেদ জয়কে বক্তব্যের সুযোগ দিলে তিনি নিশ্চয়ই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনার পথে তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কীভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে তা বলতে পারতেন।উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি ছিলেন আমেরিকান। স্কোরপিয়ন্স’র শিল্পীরা মঞ্চে আসার পর নেচে উঠে গোটা মিলনায়তন। রকস্টাররা সকলকে তাক লাগিয়ে এক ঘণ্টারও অধিক সময় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। শিল্পীর মধ্যে ছিলেন ক্লাউস মেইন, রুডল্ফ শেঙ্কার, মিক্কে ডি, মাইকেল শেঙ্কার, ম্যাথিয়াস জাবস।শুরুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মডেলে পরিণত হওয়ার উন্নয়নচিত্র উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক সম্পর্কিত ঐতিহাসিক ভাষণের অংশবিশেষ প্রচার করা হয়। তবে এ সময় স্ক্রিনে ইংরেজি অনুবাদ থাকলে খুব ভালো হতো বলে অনেকে উল্লেখ করেছেন। বিএনপির সমর্থকরাও ছিলেন দর্শক-গ্যালারিতে। তারাও উপভোগ করেছেন পুরো অনুষ্ঠান।যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরাও নিমন্ত্রিত ছিলেন এই আয়োজনে। ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি'র চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিফ ও তার স্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএফও ফারহানা হানিপ এতে অংশ নেন। আবুবকর হানিপ বলেন, ‘ঐতিহাসিক সেই কনসার্ট স্মরণে এ আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি আয়োজন বেশ বার্তাবহ বলে আমি মনে করি। বহুজাতিক এই সমাজে বাংলাদেশকে আরও বহুমাত্রিকভাবে উপস্থাপনে ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে আশা করছি।’এই অনুষ্ঠানে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাদেরকে সম্মান জানালে অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট আরও গ্রহণযোগ্য পেত বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। কারণ, একাত্তরের সেই কনসার্টের মতো এবারের কনসার্টে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো গানের ব্যবস্থা যেমন ছিল না, একইভাবে পন্ডিত রবিশঙ্কর কিংবা জর্জ হ্যারিসনের স্বজনেরাও আমন্ত্রিত ছিলেন না। অনুষ্ঠান-গ্যালারিতে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) মঞ্জুর আহমেদ বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে যে, ৫০ বছর আগে যে ঐতিহাসিক কনসার্ট আমরা মিস করেছি, যে কনসার্ট সম্পর্কে শুনেছি, ইতিহাসে পড়ছি, সেই কনসার্টের স্মরণে আজকের এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে নিজেকে গৌরবান্বিতবোধ করছি।’উল্লেখ্য, ২০ হাজার আসনবিশিষ্ট এই মিলনায়তনের অধিকাংশই পূর্ণ হয়েছিল। তবে অনুষ্ঠানের প্রচারণা নিয়ে রহস্যজনক নিরবতা-গোপনীয়তার ব্যাপারটি না ঘটলে পুরো মিলনায়তন ভরে যেত-এতে কোনো সন্দেহ নেই-এমন অভিমত পোষণ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। ** নিউইয়র্কে 'গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্টে মাতলেন প্রবাসীরা

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে 'গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্টে মাতলেন প্রবাসীরা

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’, যাতে ভিনদেশিরাসহ হাজারও প্রবাসী উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন।শুক্রবার রাত ৮টার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশেনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এ পর্বে নেতৃত্ব দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী কাদেরি কিবরিয়া।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, অপরাজিতা হক ও নুরুল আমিন দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীতে অংশ নেন।একইসঙ্গে ভিনদেশিরাও দাঁড়িয়ে বাঙালিদের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে অনুষ্ঠানস্থল প্রকম্পিত করে তোলেন। শুরুর পর্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র উপস্থাপন করা হয়।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশি শরণার্থীদের সাহায্যে এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সুসংহত করতে এই ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। ঐতিহাসিক এই কনসার্টের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ আয়োজন করা হয়।তবে ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর দুই উদ্যোক্তা জর্জ হ্যারিসন কিংবা পণ্ডিত রবিশংকরের পরিবারের কেউ সুবর্ণজয়ন্তীর এ আয়োজনে ছিলেন না।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চিরকুট ব্যান্ডের শারমিন সুলতানা সুমি ছয়টি গান পরিবেশন করেন। তবে তার জন্য মাত্র ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকায় কোনো গানই পুরোপুরি শেষ করতে পারেননি। সুমির সঙ্গে যন্ত্র সঙ্গীতে ছিলেন ইমন চৌধুরী ও জাহিদ নিরব।এরপর জার্মানির রক ব্যান্ড স্করপিয়ন্স মঞ্চ সাজাতে ৩৫ মিনিটের অধিক সময় ক্ষেপণ করে। তবে স্কোরপিয়ন্স’র শিল্পীরা পর্দা উঠানোর পর নেচে উঠে গোটা মিলনায়তন।রকস্টাররা সকলকে তাক লাগিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি সময় গান পরিবেশন করেন। এ ব্যান্ডের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন ক্লাউস মেইন, রুডল্ফ শেঙ্কার, মিক্কে ডি, মাইকেল শেঙ্কার, ম্যাথিয়াস জাবস।

post
শিক্ষা

আইগ্লোবাল পাল্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হলো ডব্লিউইউএসটি

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি-আইজিইউ'র এখন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি হিসেবে নতুন নামকরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ মে) এই পরিবর্তনের কথা জানিয়ে প্রেস স্টেটমেন্ট দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কে বার্ক। তিনি জানিয়েছেন, নামের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বার্ক জানান, ভার্জিনিয়ার হায়ার এডুকেশন কাউন্সিল- এসসিএইচইভি'র সনদপ্রাপ্ত এবং অ্যাক্রেডিটেটিং কমিশন অব ক্যারিয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজেস (এসিসিএসসি) থেকে অ্যাক্রেডিটেড বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন থেকে নতুন নামেই পরিচিত হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিয়ার আবুবকর হানিপ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন মিশন ভিশন ও উদ্দেশ্য একই থাকবে। এবং আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা নির্ভর, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সারা বিশ্ব থেকে এসে শিক্ষার্থীরা যেনো এখান থেকে সময়োপযোগী শিক্ষা ও জ্ঞান লাভ করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট, বলেন তিনি।  আইজিইউর পুরোনো ধারাটিকে অক্ষুণ্ণ রেখে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করে দক্ষতাভিত্তক কর্মশক্তি তৈরিতে সচেষ্ট থাকবে ডব্লিউইউএসটি, বলেন ড. বার্ক। শিক্ষার্থীরা আমাদের সর্বোচ্চ প্রাধান্য, এমনটা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের জীবনটাকে বদলে দিতে ও সঠিক পথে পরিচালিত করতে কাজ করছি। ডব্লিউইউএসটি-তে আমরা শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা সকলেই এই পরিবর্তন আনতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি, বলেন ড. হাসান কে. বার্ক। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনকৃত এই ডব্লিউইউএসটি থেকে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে এমবিএ, এমএসআইটি, এমএসসিএস, বিএসবিএ এবং বিএসআইটি ডিগ্রি লাভের সুযোগ। এখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য ফেডারেল স্টুডেন্ট এইড'র অনুমোদন রয়েছে। এফ-১ ভিসার আওতায় যোগ্য ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা এখানে পড়তে আসতে পারে, ফলাফলভিত্তিক বৃত্তির মাধ্যমে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রদফতরের অনুমোদন ক্রমে এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ বিনিময় করতে পারে জে-১ ভিসার আওতায়। এছাড়া ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর স্টেট অথরাইজেশন রেসিপ্রোসিটি এগ্রিমেন্ট (এনসি-এসএআরএ)'র আওতায় অভ্যন্তরীণ ও এসএআরএ অনুমোদিত দেশগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা অনলাইন কোর্সে অংশ নিতে পারেন। এছাড়াও ভার্জিনিয়া স্টেট অ্যাপ্রুভিং এজেন্সি'র মাধ্যমে শিক্ষাসুবিধা জিআই বিল (আর) প্রদানেরও অনুমতি রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। 

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি, কংগ্রেসে প্রস্তাব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি দ্বিদলীয় প্রস্তাব উত্থাপন হয়েছে মার্কিন কংগ্রসে।নিউ ইয়র্কের ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান ব্রায়ান হিগিন্স গত মঙ্গলবার প্রস্তাবটি তোলেন। এই প্রস্তাবের কো-স্পন্সর হিসেবে আছেন আমেরিকান সামোয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য আমাটা কোলম্যান রাদেওয়াগেন।প্রস্তাবটি মার্কিন পররাষ্ট্র বিষয়ক হাউস কমিটিতে পাঠানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন।    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ একটি অবাধ, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের যৌথ ধারণাকে এগিয়ে নিতে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা, শাসন এবং উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার উপর দৃষ্টি রেখেছে। এবং এর ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ এবং বহুমুখী সম্পর্ক বজায় রাখছে।মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দান এবং ৯ এপ্রিল বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে লেখা সে সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চিঠির কথাও প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে সেনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির ভূমিকা এবং ২০০০ সালে প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে।কোভিড মহামারী মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রে যৌথ প্রচেষ্টা এবং মিয়ানমারে সেনা অভিযানের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় দুই দেশেরর ভূমিকাও স্থান পেয়েছে প্রস্তাবে।জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা দিয়ে যেতে ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতিশ্রুতির কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে কংগ্রেসে উত্থাপিত এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

post
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর উদযাপন, মসজিদে মসজিদে বিশ্ব মানবতার সুখ-সমৃদ্ধি কামনা

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের সর্ববৃহৎ আনন্দ উদযাপন ঈদ-উল ফিতরে মসজিদে মসজিদে হলো ঈদের জামায়াত। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মুসলমানরা আদায় করেন ঈদের নামাজ। একই সঙ্গে তারা সম্মৃদ্ধ হলেন পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসলামিক সেন্টারে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদের জামাত। ভার্জিনিয়ায় অ্যাডামস সেন্টার, মেনাসাস উইনড্যাম গার্ডেনে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামায়াতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ছিলেন।  দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করেই বিপুলসংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে নিউইয়র্ক অঞ্চলের মসজিদসমূহে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ মে সোমবার প্রতিটি মসজিদের ভেতরে দুয়ের অধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে বিশ্ব মানবতার কল্যাণে পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ কামনা করা হয়। ওয়াশিংটন মেট্র, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, টেক্সাস, লসএঞ্জেলেস, ফিনিক্স, বস্টন, কানেকটিকাট, ওহাইয়ো, শিকাগো থেকে যথাযথ মর্যাদায় ঈদ উদযাপনের সংবাদ পাওয়া গেছে। নিউইয়র্কে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার, এলমহার্স্টে মসজিদ আল তৌফিক, বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার, আল আমান মসজিদ, মসজিদ মারজান, আল আমিন মসজিদ, বেলাল মসজিদ, ব্রুকলীন ইসলামিক সেন্টার, পার্কচেস্টার জামে মসজিদে বড় আকারের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, বৃষ্টি থাকায় এবার জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের উদ্যোগে সর্ববৃৎ ঈদ জামাত এলাকার খোলা মাঠে করা সম্ভব না হলেও জামাতের প্রস্তুতি লগ্নে বৃষ্টির তাণ্ডব কমলে মসজিদের বাইরের রাস্তাতেও মুসল্লিরা দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে মুসলমানদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আর উল্লেখ করেছেন, তার প্রশাসন ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। মুসলিম আমেরিকানসহ সারাবিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়কে ‘ঈদ মুবারক’ জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনী ব্লিঙ্কেন ২ এপ্রিল সোমবার প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ মাসের শেষার্ধে স্টেট ডিপার্টমেন্টে ঈদ-উৎসবের আয়োজন করা হবে। সেখানে মুসলিম দেশসমূহের সকল কূটনীতিক ছাড়াও মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্বকারি বিশিষ্টজনরাও থাকবেন। উল্লেখ্য, ঈদের দিনই হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ঈদ-উৎসব। যুক্তরাষ্ট্রে ঈদের প্রতিটি জামাতেই করোনা থেকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পরম করুণাময়ের দয়া প্রার্থনার পাশাপাশি বিশ্বকে যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে মুক্ত থাকার জন্যেও সৃষ্টিকর্তার করুণা কামনা করা হয়। জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ঈদ জামাতে মূলধারার নেতৃবৃন্দ, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মুনিরুল ইসলামসহ কম্যুনিটির বিশিষ্টজনের আধিক্য ছিল বলে জানান সাংবাদিক শাহ ফারুক। নতুন প্রজন্মের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলীনে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টারে ৫ হাজারের অধিক মুসল্লী একত্রে ঈদ জামাতে অংশ নেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.