post
আন্তর্জাতিক

পিওন হতে চান পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা

পিওন, গাড়িচালক ও নিরাপত্তারক্ষী পদে শূন্যপদ মাত্র ১৫টি। আর এই ১৫টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন জমা দিয়েছেন প্রায় ১১ হাজার প্রার্থী। পিওন পদে চাকরির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি পাস চাওয়া হলেও স্নাতক, স্নাতকোত্তর, পিএইচডি, এমবিএ, ইঞ্জিনিয়ারিং পাস, এমনকি আইন পাস ও বিচারক পদে নিয়োগ হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিরাও আবেদন করেছেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে। এর মাধ্যমে মূলত রাজ্যটির কর্মসংস্থানের ভয়ঙ্কর চিত্র উঠে এসেছে। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে সম্প্রতি পিওন, গাড়িচালক ও নিরাপত্তারক্ষী পদে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ও রোববার সেই পদে আবেদন ও পরীক্ষা দিতেই ভিড় জমান প্রায় ১১ হাজার বেকার যুবক-যুবতী। শুধু মধ্যপ্রদেশ থেকেই নয়, পার্শ্ববর্তী উত্তরপ্রদেশ থেকেও অনেকে সেখানে চাকরির পরীক্ষা দিতে যান।চাকরির পরীক্ষা দিতে সেখানে যাওয়া এক যুবক জানান, তিনি বিজ্ঞানে স্নাতক, কিন্তু আবেদন করেছেন পিওন পদের জন্য। যাদের পিএইচডি রয়েছে, তারাও এই লাইনে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা যায়। অন্যদিকে আইন বিভাগ থেকে পাস করা এক যুবক গাড়ি চালকের পদে আবেদন করেছেন। কিছুদিনের মধ্যে তিনি বিচারক হওয়ার পরীক্ষায় অংশ নেবেন। তিনি বলেন, ‘টাকার এতো অভাব যে বই কেনার টাকাও থাকে না। ভাবলাম এখানে চাকরি পেয়ে গেলে যদি কিছুটা অর্থ সংকট দূর করতে পারি।’ এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি বাইরের রাজ্য থেকেও বেকার যুবকরা চাকরির খোঁজ করতে আসায় প্রশ্ন উঠেছে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সাম্প্রতিক বক্তৃতা ঘিরে। কয়েক দিন আগেই তিনি একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমরা প্রতি বছর এক লাখ যুবক-যুবতীকে চাকরি দেবো। যে পদগুলো দীর্ঘ সময় ধরে ফাঁকা পড়ে রয়েছে, সেগুলো পূরণ করতে কোনো অবহেলা করা হবে না।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘সবাই চায় সরকারি চাকরি করতে, কিন্তু প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সরকারি চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। তবে সকলের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।’উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে মধ্যপ্রদেশে ফুটপথে দোকান চালু নিয়ে একটি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য ১৫ লাখ আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৯৯ হাজার আবেদন গৃহীত হয়। আবেদনকারীদের ৯০ শতাংশই স্নাতক পাস ছিলেন।

post
শিক্ষা

‘অর্থকন্ঠ শিক্ষা অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ

বেষ্ট এডুকেটর অফ দ্য ইয়ার ‘অর্থকন্ঠ শিক্ষা অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন আমেরিকার ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির (আইজিইউ) চ্যান্সেলর ও পিপলএনটেকের সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। গতকাল সোমবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে পাক্ষিক “অর্থকন্ঠ” পত্রিকার ২২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সন্মাননা হাতে তুলে দেন বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী ।এ সময় আবুবকর হানিপ বলেন, আমি সব সময়ই শিক্ষার্থীদের একাডেমীকাল শিক্ষার পাশাপাশি স্কিল ডেভেলপমেন্টের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে যেতে হলে প্রয়োজন স্কিল, এই স্কিল সমস্যার সমাধান করতে পারলে দূর হবে কোম্পানি ও বেকারদের মধ্যকার দূরত্ব। ফলে আমাদের অর্থনীতি ও বাণিজ্যখাত হবে আরও বেশি মজবুত ও সমৃদ্ধশালী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ডক্টর মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। গেস্ট অফ অনার ছিলেন জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান। এ ছাড়াও প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন খাতে অবদানকৃত বিশেষ ব্যক্তিবর্গ।  উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ‘পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। এই ইনস্টিটিউট মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে গত দেড় দশকে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাংলাদেশি মালিকানাধীন ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির সত্ত্বাধিকারী ও চ্যান্সেলর তিনি।

post
বাংলাদেশ

‘নিজেদের মেধা ও শ্রম দিয়ে আমরা সোনার বাংলা গড়ছি’

নিজেদের মেধা ও শ্রম দিয়ে আমরা সোনার বাংলা গড়ছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভিডিওবার্তাও যুক্ত করেন তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-সারা দেশে মানুষের কল্যাণে যে তরুণ উদ্যোক্তা ও সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে বাছাই করা ১৫ সংগঠনকে CRI এর উদ্যোগে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে আজ। সোনার বাংলা আমরা গড়ছি নিজেদের পরিশ্রম, নিজেদের মেধা দিয়ে। আমরা কারও ওপর নির্ভরশীল না। তাই আমি অত্যন্ত গর্বিত যে আমাদের দেশে ইয়াং বাংলার মতো উদ্যোগ আছে, মেধাবী-তরুণ ছেলেমেয়ে আছে; যারা দেশের জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছে। যারা নিজেদের পরিশ্রম দিয়ে নিজেদের উদ্যোগে দেশের মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা সোনার বাংলার একটি উদাহরণ। সোনার বাংলা হচ্ছে আমাদের দেশের মানুষের উন্নয়নের স্বপ্ন। আমার দেশের উন্নয়নের স্বপ্ন। দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে সুস্থ থাকে, শান্তিতে থাকে, অভাব না থাকে; সেটাই হচ্ছে সোনার বাংলার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আমাদের ভিশন ২০২১ হচ্ছে সেই স্বপ্নের একটি ভিশন। ডিজিটাল বাংলাদেশ সেই স্বপ্নের একটা উদ্যোগ।

post
টেক মেন্টর

স্কলারশীপসহ তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে IsDB-BISEW

ভবিষ্যৎ পৃথিবী হবে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর। আর সেই প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে বাংলাদেশ সরকার ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইএসডিবি) যৌথ উদ্যোগে ২০০৩ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এক বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে IsDB-BISEW । এই প্রশিক্ষণে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি প্রায় দুই লাখ টাকা সমপরিমান স্কলারশীপ প্রদান করে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলছে IsDB-BISEW । শিক্ষার্থীদেরকে ফ্রি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার উপকরণসমূহ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। ভেন্ডর সার্টিফিকেশন খরচও বহন করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। প্রশিক্ষনার্থীরা সফলভাবে কোর্স সমাপ্ত করে দেশে ও বিদেশে চাকরীরত আছে।IsDB-BISEW সম্প্রতি তাদের এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২১। রুপান্তরিত কোর্স (Conversion Course) এই কার্যক্রমের বেশির ভাগ কোর্সই ঈড়হাবৎংরড়হ কোর্স অর্থাৎ, যে কোন বিভাগ থেকে আইটি প্রফেশনাল হওয়ার সুযোগ। যে কোন বিভাগ (বিজ্ঞান, বাণিজ্য বা মানবিক) থেকে স্নাতকোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা গতানুগতিক ট্রেনিং ছেড়ে সম্ভাবনাময় আইটি ক্ষেত্রে তার জীবন শুরু করতে পারে। যারা আবেদন করতে পারবেযে কোন বিষয়ে ¯ স্নাতক, মাস্টার্স, ফাজিল ও কামিল পাশ প্রার্থীরা এবং মাস্টার্স বা কামিল অধ্যায়নরতরাও স্কলারশীপের জন্য আবেদন করতে পারবে। কম্পিউটার, টেলিকমিউনিকেশন, ইলেকট্রনিক্স, সিভিল, আর্কিটেকচার, সার্ভে ও কন্সট্রাকশন বিষয়ে ডিপ্লোমাধারীরা আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ২ থাকতে হবে। তবে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটারে ¯স্নাতক প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত গ্রহনযোগ্য হবে। কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা না থাকলেও আবেদন করতে পারবেন। চাকরিজীবিদের আবেদনের সুযোগ নেই। যে সব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যুগের চাহিদার উপর বিবেচনা করে ওংউই-ইওঝঊড স্কলারশীপ প্রকল্পে এখন ১২টি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতিটি ক্লাস ৪ ঘন্টা করে, সপ্তাহে ৬দিন। কোর্সগুলো হলোঃ-  ডেটাবেইস ডিজাইন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট  গ্রাফিক্স এ্যানিমেশন ও ভিডিও এডিটিং  এন্টারপ্রাইজ সিস্টেমস্ এ্যানালাইসিস এ্যান্ড ডিজাইন জেইই  এন্টারপ্রইজ সিস্টেমস্ এ্যানালাইসিস এ্যান্ড ডিজাইন সি#.নেট  নেটওয়ার্কিং টেকনোলজিস  ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট উইথ পিএইচপি এ্যান্ড ফ্রেমওয়ার্কস  আর্কিটেকচারাল এ্যান্ড সিভিল ক্যাড  প্রফেশনাল ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট  নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিষ্ট্রেটর  গ্রাফিক্স ভিডিও এডিটিং এ্যান্ড মোশন গ্রাফিক্স  ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ই্উজিং এএসপি ডটনেট  কøাউড কম্পিউটিং ই্উজিং ওরাকল এ্যাপ্লিকেশন এক্সপ্রেস র্কমসংস্থানের সহযোগিতা সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের দেশে ও বিদেশে চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে IsDB-BISEW কতৃপক্ষ নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে। সফলভাবে সমপ্তকারী ৭,৫০০ জনেরও বেশি দেশ বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। যেভাবে আবেদন করা যাবে অনলাইনে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে (apply.isdb-bisew.info) আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীকে বিকাশের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুসারে আবেদন ফি বাবদ ১০০ টাকা জমা দিতে হবে। প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া বর্তমানে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর তথ্যপ্রযুক্তির প্রতি আগ্রহের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের বেকারত্ব দূর করতে বছরে চারবার স্কলারশীপ প্রদান করা হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর কমপক্ষে ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে স্কলারশীপ প্রদান করা হয়। এভাবে বছরে ১,২০০ শিক্ষার্থীকে স্কলারশীপ প্রদান করা হয়।প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করে। বিস্তারিত যোগাযোগ: আইডিবি ভবন (৫ম তলা), শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭। ফোন: ৯১৮৩০০৪-৫, ই-মেইল: [email protected] । ওয়েবসাইট: www.isdb-bisew.org

post
যুক্তরাষ্ট্র

শেষ হলো ৩৫তম আসর, 'ফোবানা শিক্ষা অ্যাওয়ার্ড' পেলেন চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ

বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের ঐতিহ্যবাহী ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা)’র ৩৫তম সম্মেলনের পর্দা নেমেছে রোববার (২৮ নভেম্বর) মধ্যরাতে। এবার ফোবানায় বিশেষ চমক ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান। এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও সন্মাননা প্রদান করা হয়। ৩৫ তম ফোবানায় বিজনেস নেটওয়ার্ক লাঞ্জ, একাডেমিক সেমিনার, মহান মুক্তিযুদ্ধের উপর আলোচনা বিষয়ক সেমিনার, কালচারাল ইভেন্ট, দেশীয় পণ্যের উপর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল, ট্র্যাভেল এজেন্সি, আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির স্টল ছিল উল্লেখযোগ্য। এবার ফোবানার টাইটেল স্পন্সর ছিল আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি ও এনাকন লিজিওন গ্রুপ। এছাড়াও আরও বেশ কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করেন। সম্মেলনের আহ্বায়ক জিআই রাসেল ও সদস্য সচিব ছিলেন শিব্বির আহমেদ।  ফোবানার মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা স্মারক প্রদানের পর উত্তরীয় পরিয়ে দেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন লাবলু আনসার, রাশেদ আহমেদ, হারুন অর রশীদ এবং ড. নুরুন্নবী। মন্ত্রী নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় তাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুন্নবী। বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশি মুসলিম নারী হিসেবে ১৫০ টি দেশে সফল ভ্রমনকারী নাজমুন নাহারকে বিশ্ব বিজয়ী হিসেবে বিশেষ সন্মাননা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এএবিইএ ফোবানা যৌথ ভাবে একাডেমীক সেমিনার আয়োজন করেন। যেখানে আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর এবং পিপলএনটেকের সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ মুল বক্তা ও গেস্ট অফ ওনার হিসেবে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আবুবকর হানিফ তার বক্তব্যে ইন্ডাস্ট্রি এবং একাডেমীর সমন্বয়ের মাধ্যমে তার এই উদ্ভাবিত শিক্ষা পদ্ধতি দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি তাঁর এই আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটিতে ২০২২ সালের শিক্ষাবর্ষে ১ মিলিয়ন ডলারের স্কলারশিপ ঘোষণা করেছেন। যেখানে ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের ৫০% থেকে ১০০% স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির ওয়েব সাইটে https://www.igu.edu/ গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মুলধারার ইউনিভার্সিটি আইজিইউ’র সত্ত্বাধিকারী ও চ্যান্সেলর হওয়ায় এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে ‘ফোবানা শিক্ষা অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। সম্মেলনের আহ্বায়ক জিআই রাসেল ও সদস্য সচিব ছিলেন শিব্বির আহমেদ। এছাড়া এক্সপার্ট প্যানেলে অংশ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন যারা তারা হচ্ছেন, ডঃ ফয়সাল কাদের, সভাপতি- এএবিইএ, কাজী জামান, সিইও, ক্রিকেট পয়েন্ট ডট নেট, সাহেদ ইসলাম, সিইও এসজে ইনোভেশন, শাহ আহমেদ, টেকনাফ আইএনসি, ডঃ আনিস রহমান এবং ফারহানা হানিপ, সিএফও, আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি। এদিকে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনেও বেশ কটি সেমিনার হয়েছে। সবগুলোতে সমৃদ্ধির পথে ধাবিত বাংলাদেশ নিয়ে পর্যালোচনামূলক আলোচনা হয়েছে। ‘বিজনেস নেটওয়ার্ক’ এ বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকারি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেন মজেনা নিজের অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে জোর দিয়ে বলেছেন, ‘এশিয়ায় উদিয়মান টাইগার’ হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে উঠার সংকল্পও অপূর্ণ থাকবে না যদি বর্তমানের নেতৃত্ব অব্যাহত থাকে এবং রাজনৈতিক স্থিতি অটুট রাখা সম্ভব হয়। এই নেটওয়ার্কে জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর (ডেমক্র্যাট) শেখ রহমানও বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং রাজনীতিকদের আরো নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। বাংলাদেশি আমেরিকানদের আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।  এ আলোচনায় অংশ নিয়ে আই-গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিফ বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশকে আরো উদারতা প্রদর্শন করতে হবে। প্রবাসের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্নদেরকেও জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত হবার প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। উন্নয়ন-অভিযাত্রায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারনীতে সাবব্জেক্ট-ম্যাটার এক্সপার্টদেরকে প্রাধান্য দিয়ে সমগ্র জনগোষ্ঠিকে উন্নয়নের ধারায় একিভুত করা সম্ভব হলে আর কোন শক্তিই বাংলাদেশকে পিছিয়ে নিতে সক্ষম হবে না। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম বলেছেন, বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে নিজস্ব অর্থ দিয়ে। এটি সম্ভব হচ্ছে প্রবাসীদের রেটিটেন্স এবং দেশমাতৃকার সার্বিক কল্যাণে আন্তরিক সহযোগিতায়। ফোবানার এই সম্মেলনেও একই চেতনা আমাকে অভিভূত করেছে। ফোবানা ৩৫তম সম্মেলনের শেষদিনে সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ইন্টারফেইথ কনফারেন্স। ইন্টারফেইথ সেন্টার অব ইউএসএ কর্তৃক আয়োজিত এই সেশন অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮ নভেম্বর । কনফারেন্সটি পরিচালনা করেন সুখেন জোসেফ গোমেজ এবং সভাপতিত্ব করেন মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। এছাড়া ফোবানা সম্মেলনের তিন দিন ব্যাপী উৎসবের শেষ দিনেও ছিল বাংলাদেশি ও প্রবাসীদের দৃষ্টিনন্দন পরিবেশনা। সাদিয়া ইসলাম মৌ’র নৃত্য পরিবেশনায় মন কেড়েছে দর্শকদের। তিনদিনের উৎসবে সাবিনা ইয়াসমীন, রিজিয়া পারভীন, রবি চৌধুরী ও তাহসানের গানে মেতেছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সংগঠনগুলোর সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ছিল দৃষ্টিনন্দন। গান গেয়েছেন শশী, শাহ মাহবুব, বকুল, শামীম সিদ্দিকী, রোকসানা মির্জাসহ অনেকেই। শেষ দিনে ফোবানার এক্সিকিউটিভ কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রেহান রেজা চেয়ারম্যান এবং মেম্বার সেক্রেটারি পদে নির্বাচনে বিজয়ী হন মাসুদ রব চৌধুরী। নির্বাহী কমিটির সভায় আগামী ফোবানা সম্মেলন ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শিকাগো শহরে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। উল্লেখ্য, ফোবানা একেক বছর অনুষ্ঠিত হয় একেক অঙ্গরাজ্যে। এ বছর লাল-সবুজের আয়োজনটি বসেছিলো যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী লাগোয়া অঙ্গরাজ্য মেরিল্যান্ডের গেইলর্ড হোটেলে। ম্যারিল্যান্ডের গেলর্ড ন্যাশনাল রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার ম্যারিয়ট হোটেলের ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৯ স্কয়ার ফুটের মিলনায়তনে আসন সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। গত তিনদিনে বাংলাদেশিদের নিয়ে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা লাল ও সবুজের মিশেলে পাঞ্জাবি ও শাড়ি দৃষ্টি কেড়েছে স্থানীয়দেরও। গেইলর্ডে আসা অন্যদেশের লোকেরাও মিশে গিয়েছিলেন বাংলার সংস্কৃতিতে।

post
যুক্তরাষ্ট্র

ওয়াশিংটন ডিসিতে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলন শুরু

'অদম্য বাংলাদেশ-অবাক বিশ্ব' স্লোগানে শুরু হয়েছে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলন। শুক্রবার তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বাংলাদেশের ইতিহাস, শিল্প, সংস্কৃতির ঐতিহ্য তুলে ধরতে এবং আমেরিকান মূলধারার রাজনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের সেতুবন্ধন জোরদার করার লক্ষ্যে এ সম্মেলন শুরু হয়। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আমেরিকান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি মেরিল্যন্ডের গেলর্ড ন্যাশনাল রিসোর্ট এন্ড কনভেনশন সেন্টারে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় মন্ত্রী বলেন, 'প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তারা প্রত্যেকেই একজন রাষ্ট্রদূত। তাদের শ্রমের টাকাতেই বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। দেশ আজ নিজ টাকায় পদ্মা সেতু ও টানেল নির্মাণ করছে। গ্রামীণ অর্থনীতি জেগে উঠেছে। দেশের গ্রামগুলোতে শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে। রাস্তাঘাট পাকা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ আজ রোল মডেল। আমাদের বাস্কেট আজ আর খালি নয়। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থে আজ আমাদের বাষ্কেট ভর্তি হয়ে গেছে। দেশ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।' জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান তার শুভেচ্ছা বক্তৃতায় সবাইকে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন করে ভোট প্রদানে উৎসাহ প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমাদের সবকিছু আছে। এবার শুধু দরকার নিজেদের ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়া। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত এক দশকে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। এসময় তিনি বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা ও প্রসারে ফোবানার প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান। আয়োজক কমিটির আহবায়ক জিআই রাসেলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শিব্বির আহমেদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফেবানা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যন জাকারিয়া চৌধুরী, বাংলাদেশের জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন, ফোবানার টাইটেল স্পন্সর নাহিনুর রহমান, ফোবানার প্রাক্তন চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন্নবী, পিপল এনটেক এর নির্বাহী পরিচালক আবুবকর হানিপ, ইভেন্ট ম্যনেজমেন্ট এর স্বপন চৌধুরী, ফোবানার চিফ ইলেকশন কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমান, সদ্য প্রেসিডেন্সিয়াল লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড -২০২১ এর একজন হিসেবে মনোনীত শাহ হালিম ও ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা বিভাগের প্রাক্তন প্রধান রোকেয়া হায়দার। ফোবানা নেতৃবৃন্দ জানান, সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে প্রতিযোগিতা, সেমিনার, মুভি ম্যারাথন, ফ্যাশন শো, সায়েন্স অ্যান্ড টেক ফেয়ার, জব ফেয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় মিলনমেলা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, বইমেলা, পুঁথি ও ছড়া পাঠের আসর, সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত, সাহিত্য আড্ডা, ফোবানা ম্যাগাজিন, ফোবানা নিউজ বুলেটিন, ফোবানা ম্যারাথন, ফোবানা প্যারেডসহ থাকবে নানামুখী আয়োজন। তারা এই সম্মেলন সফল করতে ওয়াশিংটন মেট্রো ডিসি এলাকার সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭০টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছে। 

post
ক্যাম্পাস লাইফ

আইজিইউ'র সঙ্গে সিটিও ফোরামের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের মালিকানাধীন ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’র সঙ্গে সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের এক সমঝোতা চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) স্থায়ী ক্যাম্পাসে ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিফ ও সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং তথ্য নিরাপত্তা জোটের মডারেটর তপন কান্তি সরকারের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আইজিইউ’র চ্যান্সেলর বলেন, যে কোন প্রতিষ্ঠানের গতিশীলতা আনতে এক একটি নতুন উদ্যোগ ও সুন্দর সুন্দর কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এ সমঝোতা চুক্তিটি আমাদের সামনে অগ্রসর হতে আরও সাহায্য করবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আইজিইউর সিএফও ফারহানা হানিপ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি হাসান কে বার্ক , আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অপারেশন্স ও রেজিস্ট্রার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ শেন চো সহ আরও অনেকে।

post
যুক্তরাষ্ট্র

নিউ ইয়র্কে ঐক্য-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সংগীত অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান ‘ঐক্য-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস’। এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। ১৬তম চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন ইজাজ খান স্বপন। নিউ ইয়র্ক শহরে জমকালো এই আয়োজন মুখরিত ছিল প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপস্থিতিতে। এতে উপস্থিত ছিলেন আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ, পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপসহ অনেকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরকে স্মরণীয় করে রাখতেই নিউইয়র্কে ‘ঐক্য-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড এ ব্যাপক আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শাকিব খান ছাড়াও অংশ নিয়েছেন, আফজাল হোসেন, রফিকুল আলম, ফাহমিদা নবী, নকীব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, মানাম আহমেদ, সামিনা চৌধুরী, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, ফেরদৌস আরা, এস আই টুটুল, কোনাল, সাংবাদিক মনজুর কাদের জিয়াসহ প্রমুখ। এই আসরে বাংলাদেশের সংগীতে বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছেন এমন ৫০ জন গুণী শিল্পী, সুরকার ও গীতিকারকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা। ৫০ জন শিল্পীর পাশাপাশি একজনকে আজীবন সম্মাননা দেয়া হয়।

post
যুক্তরাষ্ট্র

আইজিইউ’র ক্যাম্পাসে দীপাবলি উৎসব উদযাপন

আলোর উৎসব দীপাবলি। শুক্রবার দীপাবলি উপলক্ষ্যে সারা বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মেতে ছিল তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ উৎসবে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে উৎযাপন করা হয় দীপাবলি উৎসব। শুক্রবার প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এ দীপাবলি উৎসবের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পাসে দীপাবলি পালন করতে পেরে আনন্দিত প্রতিষ্ঠানটির হিন্দু শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ, সিএফও ফারহানা হানিপ ও সভাপতি ড. হাসান কে বার্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবু বকর হানিপ বলেন, আমাদের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দীপাবলি উৎসবের শুভেচ্ছা। দীপাবলির আলোতে সবার জীবন উজ্জীবিত হোক এটাই আমাদের কাম্য।

post
যুক্তরাষ্ট্র

প্রবাসীদের দেশে আরো বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্কটল্যান্ডে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ভার্চুয়ালি যোগদান করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রতিবন্ধকতাগুলো (আরো যদি থাকে) খুঁজে বের করব এবং আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি, সেগুলোর সমাধান করার মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশকে আরো সুবিধাজনক করব।’ কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে সেসব নির্দেশনা অনলাইনে পাওয়া যাবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে বা করলে আপনাদের অসুবিধা হবে না ইতোমধ্যে বিডাতে (বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) সব ধরনের নির্দেশনা দেওয়া আছে। আপনারা বিডাতে অনলাইনে গেলে সব পেয়ে যাবেন।’ দেশে প্রচুর বিদেশি বিনিয়োগ আসছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে আসছে। আমি এইটুকু বলবো যে বাংলাদেশকে আমরা সার্বিকভাবে উন্নতি করে দিচ্ছি।’ দেশে রেমিট্যান্স পাঠালে তার ওপর প্রণোদনা দেওয়া প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২ শতাংশ প্রণোদনার দাবি কেউ উঠাননি। এটা কোনোদিন কারো মাথায়ও আসেনি। স্বেচ্ছায় আমি নিজে থেকে দিয়েছিলাম।’

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.