post
এনআরবি বিশ্ব

সিডনির বাংলাদেশি কমিউনিটিতে হলো হিফজুল কুরআন মাদ্রাসা

অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের তত্ত্বাবধানে এএমডব্লিওসি হাফিযিয়্যাহ মাদ্রাসা ‘হিফযুল কুরআন’ পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছে। এ উপলক্ষে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসার ওপেনিং ডে’তে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে তাদের ছেলেদের মাদ্রাসায় ভর্তি করান।ওইদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য দের এএমডব্লিওসি ইসলামিক সেন্টারের পেশ ইমাম ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা হাফেজ আবদুল হাদী তানভীর এবং মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল গোলাম মোস্তফা। মাদ্রাসার ওপেনিং ডে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার দুই শিক্ষক হাফেজ তাহসিন, হাফেজ তাহজিব। এছাড়াও ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল মাসুদ, এএমডব্লিওসি’র সভাপতি ড. আনিছুল আফছার, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর খান মুনসহ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মাদ্রাসা কমিটি জানায়, মাদ্রাসার ক্লাস শুরু হবে আগামী ৮ মার্চ থেকে। সাধারণ ছাত্রদের সুবিধার বিবেচনায় মাদ্রাসায় দু’টি সেশনে ক্লাস চালু করা হয়েছে। কর্মদিবস মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে ৮টা পর্যন্ত এবং শনিবার ও রবিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস চলবে।

post
বাংলাদেশ

শপথ নিলেন বাংলাদেশের সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনার

নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল এবং চারজন নির্বাচন কমিশনার শপথ নিয়েছেন। রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে সিইসি ও চারজন নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। প্রথমে শপথ নেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। এরপর কমিশনার হিসেবে পর্যায়ক্রমে শপথ নেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম রাশিদা সুলতানা, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খান, সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর ও আনিছুর রহমান। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর। অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন- ২০২২’ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে সভাপতি করে গঠিত সার্চ কমিটির অপর পাঁচ সদস্য ছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন এবং লেখক-অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক। এই কমিটি দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করেন। সে সব বৈঠকে অংশ নেয়া অধিকাংশের দাবির প্রেক্ষাপটে ইসি গঠনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ে প্রস্তাবিত তিন শতাধিক নাম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, সাবেক বিচারপতি, বিচারক, আইনজীবী, সাবেক আমলা, সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তির নাম সেই তালিকায় উঠে আসে। তবে দুইবার সুযোগ দেয়ার পরেও বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইসি গঠনে সার্চ কমিটির কাছে কোনো নাম প্রস্তাব করেনি। এমন প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের প্রতিটি পদের জন্য দুটি করে মোট ১০টি নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করে সার্চ কমিটি। সেই নামের তালিকা থেকে গতকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য চারজন কমিশনারকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেন। ওই দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মেয়াদ শেষ হয়।

post
সংবাদ

মুজিববর্ষে প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন। এছাড়া একই অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু স্কলার’ বৃত্তি প্রদান এবং ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ’ প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল নাসের চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সম্পাদনায় একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হয়। এটি ইতিহাসে আকরগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গল্প, প্রবন্ধ, কবিতার মোট ১১টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। মোট ৪টি স্মরণিকা সম্পাদিত হয়েছে।” তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “শিগগিরই এই গ্রন্থগুলো পাঠকের সামনে সহজলভ্য হবে। বৈশ্বিক মহামারির পরও এতগুলো বই প্রকাশ করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

post
বিশেষ প্রতিবেদন

এনআরবিসিকে দেয়া ভাষাসৈনিক শামসুল হুদার বিশেষ সাক্ষাতকার

ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে গৌরবময় অবদান রাখেন ভাষাসৈনিক লায়ন শামসুল হুদা। বর্তমানে তিনি বসবাস করছেন নিউইয়র্ক স্টেট এর বাফেলো সিটিতে। ভাষাসৈনিক শামসুল হুদা ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সালের চরম মূহূর্ত এবং তৎপরবর্তী পর্যায়ে ১৯৫৬ সালে বাংলা অন্যতম রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা লাভ ও আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক বিজয় অর্জন পর্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের চরম মূহুর্তে ১৪৪ ধারা অমান্য করে সালাম বরকত জব্বারদের সাথে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। চোখের সামনে ভাষার জন্য শহীদ হতে দেখেছেন রফিককে। সেদিন প্রাণে বেচে গেলেও মিছিল থেকে গ্রেফতার হয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন ভাষা সৈনিক শামসুল হুদা। ছাত্র রাজনীতি ও ভাষা আন্দোলনে অসামান্য অবদান রাখায় একুশে পদকসহ এ যাবত ১০০ টিরও অধিক সম্মাননা পদক, স্মৃতি পদক ও পুরষ্কার লাভ করেছেন তিনি। লেখক হিসেবেও শামসুল হুদার রয়েছে এক উজ্জল পরিচিতি। বাংলা ও ইংরেজী লেখায় সমান দক্ষ শামসুল হুদার এই উভয় ভাষাতেই রয়েছে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ১৯৩২ সালের ১লা ডিসেম্বর ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার অন্তর্গত চর চান্দিয়া গ্রামে এক সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এ ভাষাসৈনিক। 

post
দূতাবাস খবর

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস। এ উপলক্ষে সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরণিতে অবস্থিত মিশন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। এরপর পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং সংলগ্ন বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ও তথ্যকেন্দ্রের সামনে থেকে সুদৃশ্য প্রভাতফেরি বের করা হয়। সেটি এ জে সি বোস রোডের ফ্লাইওভারের নিচে রাস্তা ঘুরে শেষ হয় মিশন প্রাঙ্গণে এসে। এরপর শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান, প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেনসহ মিশনের কর্মকর্তারা। তৌফিক হাসান বলেন, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। আমরা খুবই আনন্দিত যে, ১৯৯৯ সালে এটি ইউনেস্কো থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছিল এবং সারা বিশ্বে দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মাধ্যমে আজকের দিনের সূচনা হলো। এরপর সুদৃশ্য প্রভাতফেরি শুরু হয়েছে। পরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হবে। এছাড়াও দিনভর নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শান্তি নিকেতনে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাস, বাংলাদেশ-ভারত পেট্রাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে নানা সংগঠন-ক্লাবের পক্ষ থেকেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। বিকেলে দেশপ্রিয় পার্কে ভাষা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

post
বাংলাদেশ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ মানুষের ঢল

সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা মানুষের সারি এদিকে পলাশী মোড় ওদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। কারও হাতে একটিমাত্র ফুল, কারও হাতে একগুচ্ছ। কারও হাতে ছোট পতাকা। তবে সবার মুখে অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি।’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মাইকে সেই সুর ছড়িয়ে পড়ছে দিকে দিকে। মানুষের এই শ্রদ্ধা বলে দিচ্ছিল, মাতৃভাষা আর দেশের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের টান অকৃত্রিম। আজ সোমবার অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অহঙ্কার আর শোকের এই দিনটি পালন করছে জাতি। একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নেমেছে। রবিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী। এবারও করোনার কারণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে সশরীরে আসেননি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরীর পক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এর পরই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আওয়ামী লীগের পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে তিন বাহিনীর পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর বিদেশি কূটনীতিকরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধিরা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। এরপর পুলিশ বাহিনীর পক্ষে আইজি বেনজির আহমদ এবং র‌্যাবের মহাপরিচালক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে কঠোর নিরাপত্তা কিছুটা শিথিল করা হয় বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। এ সময় হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসে শহীদ মিনারের দিকে। বিপুলসংখ্যক মানুষের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা কর্মীদের হিমশিম খেতে হয়। গত কয়েক দিন ধরেই একুশের দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। একদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুরো প্রাঙ্গণ ধুয়েমুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ যখন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তখন মাইকে অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বাজানো হয়। মাইকে বিভিন্ন কবির একুশের কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তি শিল্পীরা। ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো নানা কর্মসূচি পালন করছে।

post
বাংলাদেশ

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস । মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭০ পূর্ণ হল। রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতি একুশের মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এদিন রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়। এছাড়াও কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানানো হয়। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাঙালি জাতির জন্য এই দিবসটি হচ্ছে চরম শোক ও বেদনার। অনদিকে মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত। যে কোন জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার-মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন। ১৯৫২ সালের এদিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসকগোষ্ঠির চোখ-রাঙ্গানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শংকিত করে তোলায় সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। তাদের এই আত্মদান নিয়ে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সরদার ফজলুল করিম তার ‘বায়ান্নর ও আগে’ প্রবন্ধে লিখেছেন ‘ বরকত, সালামকে আমরা ভালবাসি। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা বরকত সালাম আমাদের ভালবাসে। ওরা আমাদের ভালবাসে বলেই ওদের জীবন দিয়ে আমাদের জীবন রক্ষা করেছে। ওরা আমাদের জীবনে অমৃতরসের স্পর্শ দিয়ে গেছে। সে রসে আমরা জনে জনে, প্রতিজনে এবং সমগ্রজনে সিক্ত। ’ এদের আত্মদানের মধ্যদিয়ে আমরা অমরতা পেয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ আমরা বলতে পারি দস্যুকে, বর্বরকে এবং দাম্ভিককে : তোমরা আর আমাদের মারতে পারবে না । কেননা বরকত সালাম রক্তের সমুদ্র মন্থন করে আমাদের জীবনে অমরতার স্পর্শ দিয়ে গেছেন।’ বরেণ্য শিক্ষাবিদ আবুল ফজল একুশ নিয়ে তার এক লেখায় লিখেছেন ‘মাতৃভাষার দাবি স্বভাবের দাবি। ন্যায়ের দাবি, সত্যের দাবির লড়াইয়ে একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদরা প্রাণ দিয়েছেন। প্রাণ দিয়ে প্রমাণ করেছেন, স্বভাবের ব্যাপারে, ন্যায় ও সত্যের ব্যাপারে কোন আপোষ চলে না, চলে না কোন গোঁজামিল। জীবন-মৃত্যুর ভ্রকুটি উপেক্ষা করেই হতে হয় তার সম্মুখীন। একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি। এদিন দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সঠিক নিয়মে, সঠিক রং ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করো হবে। দিবসটি পালন উপলক্ষে জাতীয় অনুষ্ঠানের সাথে সঙ্গতি রেখে বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজনসহ দেশের সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানসহ সবাই পূর্বের ঐতিহ্য বজায় রেখে যাতে শহিদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি হিসেবে ও ব্যক্তিপর্যায়ে একসাথে সর্বোচ্চ ২ জন শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দিবসটি পালনে নিয়োজিত সকল প্রতিষ্ঠান ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কদ্বীপ সমূহ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা জনক স্থান সমূহে বাংলাসহ অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হবে। একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং ভাষা শহিদদের সঠিক নাম উচ্চারণ, শহিদ দিবসের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা, শহিদ মিনারের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সুশৃঙ্খলভাবে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, ইত্যাদি জনসচেতনতা মূলক বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যম সমূহ প্রয়োজনীয় প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সংবাদপত্র সমূহে ক্রোড়পত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের বিষয়টি বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো একুশের বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। এদিকে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। যথাযথভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সকল কর্মসূচি পালন করবে দলটি। প্রিয় মাতৃভাষার মর্যাদা-অধিকার রক্ষা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত অগণিত শহীদের রক্তে রঞ্জিত দিবসটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমগ্র বাঙালি জাতির সাথে বরাবরের মতো এবারও শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ ও পালন করবে। কর্মসূচির মধ্য রয়েছে, একুশে ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৬ টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারাদেশে সংগঠনের সকল শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭ টায় কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরী সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়াও ২২ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩ টায় দলের পক্ষথেকে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সকল কর্মসূচি যথাযথভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালনের জন্য আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের সর্বস্তরেরনেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। -বাসস

post
যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘের সামনে শহীদ মিনারে প্রবাসীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে জাতিসংঘ এলাকা প্রকম্পিত করে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করলেন প্রবাসীরা। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনের পার্কে ‘মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালির চেতনা মঞ্চ’ নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে রোববার বেলা ১টা ০১ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ০১ মিনিট অর্থাৎ একুশের প্রথম প্রহরে) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’র এ কর্মসূচির শুভ সূচনা ঘটায় তিথি দেব। গত ৩১ বছর ধরেই এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে প্রবাসীদের সর্বজনীন উদ্যোগ হিসেবে। এ সময় একুশ ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য এবং দিবসটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পরিণত হবার প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে উপস্থাপন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) নূরএলাহি মিনা এবং নিউইয়র্কে বাংলাদেশের ডেপুটি কন্সাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান। কর্মসূচির পরিচালনায় ছিলেন শহীদ সন্তান ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সভাপতি ফাহিম রেজা নূর এবং বাঙালির চেতনামঞ্চের সংগঠক আব্দুর রহিম বাদশা।হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের যুক্তরাষ্ট্র শাখার প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, মহিলা সম্পাদক সবিতা দাস, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুবাইয়া শবনম প্রিয়া, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল কাদের মিয়া, ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাফরউল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার ভ’ইয়া, যুগ্ম সম্পাদক আশরাব আলী খান লিটন, চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি আহসান হাবিব, বোর্ড অব ট্রাস্টির কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাহাবউদ্দিন চৌধুরী লিটন, মানবাধিকার সংগঠক এ টি এম রানা, আরশাদ ওয়ারিশ, মো. আলাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, নাজিমউদ্দিন, জেবিবিএর প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুন নূর বারভ’ইয়া, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক সভাপতি মিসবাহ আহমেদ, সাবেক সেক্রেটারি ফরিদ আলম, যুবলীগ নেতা ইফজাল চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদের সভাপতি ড. এনামুল হক এবং সেক্রেটারি সিরাজউদ্দিন সোহাগ, উপদেষ্টা অধ্যাপিকা হোসনেআরা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি এডভোকেট মোর্শেদা জামান, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা মতুজির রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি শাহীন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট দরুদ মিয়া রনেল, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি মইনুল হক চৌধুরী হেলাল, বিয়ানিবাজার সমিতির উপদেষ্টা বোরহানউদ্দিন কফিল,আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি রাশেদ আহমেদ, সেক্রেটারি আবুল কাশেম, নির্বাহী সদস্য কানু দত্ত, এমসি কলেজ এলামনাইয়ের নেতা শফিক চৌধুরী, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সুশীল সাহা, কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামান প্রমুখ। উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার, ব্রুকলীনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড এলাকাতে নিউইয়র্ক সময় রাত ১২টা এক মিনিটে আরো কয়েকটি অস্থায়ী শহীদ মিনারে প্রবাসীরা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন। বেশ কটি স্থানে নতুন প্রজন্মের উপস্থিতি ছিল আশাব্যঞ্জক। তবে, নিউইয়র্ক সিটিতে তিন লাখের অধিক বাংলাদেশী বাস করলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী একটি শহীদ মিনার স্থাপনের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এ নিয়ে অঙ্গিকারের ফুলঝুরি রয়েছে প্রচুর, তা বাস্তবায়িত করার আন্তরিক প্রয়াসে সীমাহীন গাফিলতি দেখা যাচ্ছে অনেক আগে থেকেই।

post
যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশি আমেরিকান সোসাইটির ভ্যাকসিন কর্মসূচি

জ্যাকসন হাইটসে বিনামূল্যে বাংলাদেশিদের মাঝে বুস্টার টিকা প্রদান করেছে বাংলাদেশি আমেরিকান সোসাইটি। করোনা মহামারীর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রভাব বাড়তে থাকায় বুস্টার টিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সিডিসি এবং নিউইর্য়ক হেলথ ডিপার্টমেন্ট। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির সেবায় বুস্টার টিকা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশি আমেরিকান সোসাইটি। প্রথম ধাপে জ্যাকসন হাইটসের ইসলামিক সেন্টারের সামনে গত ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বুস্টার টিকা প্রদান করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সিটি কাউন্সিল মেম্বার কস্টা কস্টান্টিনিডস, বাংলাদেশ সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, জেবিবিএ’র নির্বাচিত সভাপতি গিয়াস আহমেদসহ আরও অনেকে। সার্বিক আয়োজনে ছিলেন বাংলাদেশি আমেরিকান সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আমিন মেহিদী বাবু।

post
বাংলাদেশ

আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিমানবাহিনী যৌথ মহড়া

আগামী সপ্তাহে ঢাকা ও সিলেটে যৌথ মহড়ায় অংশ নেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বিমানবাহিনী। ইন্দো-প্যাসিফিকের একটি যৌথ লক্ষ্য অর্জনের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে শক্তিশালী করতে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। প্যাসিফিক এয়ারফোর্স ১১ ফেব্রুয়ারি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউএসের ৩৭৪তম এয়ারলিফ্ট উইং, ইয়োকোটা এয়ার বেস, জাপান এবং বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স (বিএএফ) এর বিমানবাহিনীর সদস্যরা ২২ ফেব্রুয়ারি বিএএফ কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা এবং অপারেটিং লোকেশন-আলফা, সিলেটে কোপ সাউথ অনুশীলনে অংশগ্রহণ করবে। দুটি সি-১০৩জে সুপার হারকিউলিসসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬তম এয়ারলিফ্ট স্কোয়াড্রনের প্রায় ৭৭ জন বিমানবাহিনীর সদস্য এই মহড়ায় অংশ নেবেন। মহড়ায় ২টি সি-১৩০জেসহ বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য যোগ দেবেন। মহড়ার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সঙ্গে আন্তঃকার্যকারিতা উন্নত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদী আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.