post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশের ৫০ উপজেলায় দৃষ্টিনন্দন ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে একযোগে আধুনিক ও সুসজ্জিত এই মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ৫৬০ মসজিদ নির্মাণ করার প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম দফার ৬০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রংপুর, সিলেট ও খুলনায় ভার্চুয়ালী সংযুক্ত ছিলেন এই প্রকল্পের অন্যতম পরিকল্পক সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। এই মসজিদগুলোতে ১৩টি বিশেষ সুবিধার মধ্যে মসজিদে হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণসহ পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধনের ব্যবস্থা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। প্রকল্প পরিচালক নজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশের ৩০টি জেলার ৫০টি উপজেলা সদরে আমরা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। চলতি অর্থবছরে আরও ১০০টি মসজিদ নির্মাণ শেষ হবে। তিনি বলেন, এ ক্যাটাগরিতে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে ৬৯টি, বি ক্যাটাগরিতে উপজেলা সদরে ৪৭৫টি ও সি ক্যাটাগরিতে উপকূলীয় এলাকায় ১৬টিসহ মোট ৫৬০ মডেল মসজিদ প্রকল্প চলমান। নজিবুর রহমান জানান, এর মাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসে নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একযোগে বিশ্বমানের এতগুলো অবকাঠামো স্থাপনের নজির আছে বলে আমার জানা নেই। এসব মডেল মসজিদে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, প্রতিবন্ধি মুসল্লীদের টয়লেটসহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামিক গবেষণা ও দ্বীনি দাওয়া কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষায় ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা, মরদেহ গোসল ও কফিন বহনের ব্যবস্থা, ইমামের প্রশিক্ষণ, ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিসের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব মসজিদ থেকে আরও যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে- ইসলামি নানা বিষয়সহ প্রতি বছর ১ লাখ ৬৮ হাজার শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা। ২ হাজার ২৪০ জন দেশি-বিদেশি অতিথির আবাসন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে প্রকল্পের আওতায়। উপকূলীয় এলাকায় মসজিদগুলোতে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে নীচতলা ফাঁকা থাকবে। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন এ সকল মসজিদগুলো নির্মাণে জেলা সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্মানাধীন প্রতিটি মসজিদে একসাথে ১২০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। উপজেলা ও উপকূলীয় এলাকার মডেল মসজিদে একত্রে ৯০০ মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে। এসব মসজিদে সারাদেশে মসজিদে প্রতিদিন ৪ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে। লাইব্রেরি সুবিধার আওতায় প্রতিদিন ৩৪ হাজার পাঠক একসঙ্গে কোরআন ও ইসলামিক বই পড়তে পারবেন। ইসলামিক বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকবে ৬ হাজার ৮শ জনের। ৫৬ হাজার মুসল্লি সবসময় দোয়া মোনাজাতসহ তাসবিহ পড়তে পারবেন। যে ৫০টি উপজেলায় মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হবে সেগুলো হলো— ঢাকার সাভার, ফরিদপুরে মধুখালী, সালথায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, রাজবাড়ী সদর, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, শেরপুর ও কাহালু, নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা, সিরাজগঞ্জ জেলা সদর ও উপজেলা সদর, পাবনার চাটমোহর, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবা, দিনাজপুরের খানসামা ও বিরল, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও উপজেলা সদর, রংপুর জেলা সদর, মিঠাপুকুর, উপজেলা সদর, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর, নোয়াখালীর সুবর্ণচর, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও তারাকান্দা, চট্টগ্রাম জেলা সদর, লোহাগড়া, মিরসরাই ও সন্দ্বীপ, জামালপুরের ইসলামপুর ও উপজেলা সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বিজয়নগরে, ভোলা সদর, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, কুমিল্লার দাউদকান্দি, খাগড়াছড়ির পানছড়ি, কুষ্টিয়া সদর, খুলনার জেলা সদর, চাঁদপুরের কচুয়া, ঝালকাঠির রাজাপুর এবং চুয়াডাঙ্গা সদর।

post
বিনোদন

ক্ষমা চাইলেন নোবেল

‘সারেগামাপা-২০১৯’ এর দ্বিতীয় রানার্সআপ মাঈনুল আহসান নোবেল। গত কয়েকদিন থেকে ফেসবুকে একের পর এক বিতর্কিত পোস্ট করে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। যেখানে অশালীন শব্দেরও প্রয়োগ ঘটে। এসব চোখ এড়ায়নি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের। এরপর নোবেলের টনক নড়ে। নোবেল ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট করেন।নোবেলের দেয়া স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘আমি মাঈনুল আহসান নোবেল! আমি আপনাদের নোবেল! আজ আমি নোবেল হতে পেরেছি আপনাদের ভালবাসা, সমর্থন ও দোয়ায়। দুই বাংলার অসংখ্য বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য গান গাইতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। আমি আমার দেশ বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের বাংলা গানের ভক্তদের জন্য মৌলিক গান নিয়ে ফিরে আসতে চাই আপনাদের মাঝে।' 'আমি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে আমার পেজে সমসাময়িক রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস দেই বা কথা বলি। মানসিক ও শারীরিক বিচ্যুতি অনেক সময় ফেসবুকসহ আমাদের মিথষ্ক্রিয়ার বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব ফেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আমার অনেক পোস্ট এই বিচ্যুতির ফল। আমি বিশ্বাস করি আমার পোস্ট অনেককেই ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং সমষ্টিগত ভাবে সম্মানিত নেটিজেনদের ওপর বিরুপ প্রভাব ফেলেছে।' 'আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিখ্যাত লেজেন্ড শ্রদ্ধেয় জেমস ভাই, শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় তাপস ভাই, প্রিয় গীতিকার-সুরকার ইথুন বাবু ভাই, সুপ্রিয় সংগীত পরিচালক আহমেদ হুমায়ন ভাই, সময় টিভির সাংবাদিক আল কাছির ভাইসহ সকল সাংবাদিক ভাইবোনদের কাছে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ক্ষমা চাই ও আমার পোস্টের মাধ্যম যারা কষ্ট পেয়েছেন তাদের কাছে দুঃক্ষ প্রকাশ করি।' 'আমি এই মুহূর্তে আমার মানসিক ও শারীরিক বিচ্যুতি নিয়ে কন্সার্নড। আমার পরিবারের সমর্থনে আমি চিকিৎসা গ্রহন করছি ও আল্লাহর রহমতে শীঘ্রই সুস্থ হয়ে নতুন গান নিয়ে ফিরে আসবো।' 'আমি যেহেতু বাংলাদেশের সাইবার আইন ও পুলিশের সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম বিষয়ে সচেতন, আমি সচেতনভাবে দেশের আইন বা নৈতিকতার বাইরে কিছু করতে চাই না বা আর করবো না, তারপরও আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মের জন্য যে কোন আইনি ব্যবস্হা নেয়া হলে তা মাথা পেতে নেব। আমিও আশা করবো আপনারা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন।' 'ভাল থাকুক নোবেল, ভাল থাকুক বাংলাদেশের সাইবার স্পেস, ভাল থাকুক বাংলাদেশের সংস্কৃতি। ভাল থাকুন আপনারা সবাই। আল্লাহ সহায়!!’

post
বিনোদন

‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’-এ অপু বিশ্বাসের নায়ক জয় চৌধুরী

ক্যারিয়ারে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সক্রিয় হয়েছেন নায়িকা অপু বিশ্বাস। তরুণ প্রজন্মের আলোচিত নায়ক জয় চৌধুরীর সঙ্গে ঢালিউড কুইন খ্যাত অপু বিশ্বাস নতুন ছবিতে জুটি বাঁধলেন। নাম ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’। উপমা কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন তারা।‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ নামের সিনেমাটি পরিচালনা করছেন নবাগত পরিচালক সোলায়মান আলী লেবু। ১৭ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ৯ নম্বর ফ্লোরে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন থেকেই এফডিসিতে ১২ দিনের টানা শুটিং শুরু হচ্ছে। শেষ লট হবে কুষ্টিয়াতে।সিনেমাটি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, নতুনদের মধ্যে জয় ভালো কাজ করছে। কাজের প্রতি খুব আন্তরিক। এই চেষ্টাটা ধরে রাখলে আগামী দিনে সে আরও ভালো করবে। আমাদের নতুন ছবিটির গল্প সুন্দর। দর্শকরা এটি পছন্দ করলে কাজের সার্থকতা আসবে।জয় চৌধুরী বলেন, “অপু দিদির সঙ্গে প্রথমবার জুটি বেঁধেছি। আমি খুব আনন্দিত। সিনেমাটি রোমান্টিক গল্পের। নির্মাণেও বেশ চমক থাকছে। সিনেমাটির সবার ভালোবাসা কামনা করছি। আশাকরি দর্শকদের ভালো একটা সিনেমা উপহার দিতে পারব।’এর আগে ‘হিটম্যান’ সিনেমায় অপু বিশ্বাসের সহশিল্পী হিসেবে কাজ করেছিলেন জয় চৌধুরী। তবে মূল নায়ক ছিলেন শাকিব খান।অপু-জয় ছাড়াও অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর, আমান রেজা, তাহমিনা মৌ, এল আর খান সীমান্ত, হারুন কিনিঞ্জার, হায়দার আলী, জাদু আজাদ প্রমুখ।অপু বিশ্বাস অভিনীত নির্মাণধীন রয়েছে ‘ছায়াবৃক্ষ’ সিনেমা। মুক্তির অপেক্ষায় আছে দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-টু’ ও কলকাতার জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর লেখা সুবীর মণ্ডল পরিচালিত ‘শর্টকাট’ সিনেমা। অন্যদিকে জয় চৌধুরী অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় ‘আয়না’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘অমানুষ হলো মানুষ’, ‘ভালবাসি কত বোঝাবো কেমনে’, ‘এক পশলা বৃষ্টি’, ‘অবাস্তব ভালবাসা’ ও ‘কাকতাড়ুয়া’।

post
খেলা

১৬১ কোটি টাকায় বিসিবির সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি

মহামারি করোনার মধ্যে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির জন্য বেশ দুশ্চিন্তায় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। অবশেষ ক্রিকেটের সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নিল বাংলাদেশি এজেন্সি ব্যানটেক। আগামী দুই বছরের জন্য বিসিবির সম্প্রচার স্বত্ব কিনল প্রতিষ্ঠানটি।এ সময়কালে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার হিসেবে বিসিবিকে ১৬১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা পরিশোধ করবে প্রতিষ্ঠানটি। ক্রিকেটারদের ভালো পারফরম্যান্সের কারণেই, এই চড়া মূল্য পাওয়া গেছে বলে মনে করে ক্রিকেট বোর্ড।সোমবার (১৭ মে) উন্মুক্ত নিলামে অংশ নিয়ে সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এ চুক্তির আওতায় আগামী আড়াই বছরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য ১০টি হোম সিরিজ সম্প্রচারের একমাত্র রাইট এখন ব্যানটেকের। নিলামে ১৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার বেস প্রাইস ঠিক করে দিয়েছিলো বিসিবি। নিলামে বেস প্রাইস থেকে কিছুটা বেশি ১৯.০৭ মিলিয়ন প্রস্তাব করে ব্যানটেক। অন্য কেউ বিডে অংশ না নেয়ায়, পরে এই মূল্যেই টাইগারদের টেলিভিশন রাইটসটি পেয়ে যায় তারা। এর আগে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ হোম সিরিজের স্বত্বও পেয়েছিলো ব্যানটেক। বিসিবির আগের চুক্তিটি ছিলো গাজী টিভির সঙ্গে ছয় বছরের। সে সময় ২০ দশমিক শূন্য ২ মিলিয়ন ইউএস ডলার পেয়েছিলো ক্রিকেট বোর্ড।বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল ইউনুস সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিডিংয়ে একমাত্র ব্যানটেকই অংশ নিয়েছে। আর কোনো প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে আমরা প্রস্তাব পাইনি। আগামী দুই বছর বাংলাদেশ দলের হোম সিরিজের ম্যাচ তারা (ব্যানটেক) সম্প্রচার করবে।এই সময়ে বাংলাদশের ৯টি হোম সিরিজের সূচি রয়েছে। যেখানে ৭টি টেস্ট, ১৮টি ওয়ানডে ও ১৯টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা আছে টাইগারদের।

post
বিনোদন

সঙ্গীত পরিচালকে মামলার হুমকি দিলেন নোবেল

ফেসবুকে প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা যায় সারেগামাপা খ্যাত বাংলাদেশের গায়ক মঈনুল আহসান নোবেল। কখনো রকস্টার জেমসকে, কখনো বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বিষয় নিয়ে কটূক্তি করে পোস্ট আসে তার ‘নোবেলম্যান’ নামের পেজ থেকে। সমালোচনা শুরু হলে পরে জানা যায় আইডি হ্যাক হয়েছে নোবেলের। দিন কয়েক আগেও একই ঘটনা দেখা গেল নোবেলের ফেসবুক পেজে। পেজ হ্যাক হয়েছে দাবি করে সেটি উদ্ধার করেছেন তিনি৷এবার, সংগীত পরিচালক আহমেদ হুমায়ূনের সঙ্গে গানের মালিকানা নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছেন নোবেল। নোবেল তার পেজে নতুন গান 'মেহেরবান' এর প্রচারণা চালাচ্ছেন। সেখানে গানটির পরিচয় দিতে গিয়ে তিনি সুর ও সংগীতে নিজের নাম উল্লেখ করেছেন। তবে আগে থেকেই এটা প্রকাশিত যে 'মেহেরবান' গানটি গাইছেন নোবেল, আর সুর ও সংগীতে ছিলেন আহমেদ হুমায়ূন। তাই তার নাম বাদ পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহমেদ হুমায়ূন। আহমেদ হুমায়ূন নিজের ফেসবুকে এ ব্যাপারে লিখেছেন, ‘এই শাস্তি আমার জন্য খুব দরকার ছিল। কারণ পাপ আমি করেছি শাস্তি তো আমাকেই পেতে হবে। এক অমানুষ মানুষ করার দায়িত্ব নিয়েছিলাম। কিন্তু ভুলেই গেছিলাম অমানুষ তো আর মানুষ হবার নয়। এই অপরাধে আপনারা আমাকে শাস্তি দিন। যার যা মন চায় তাই শাস্তি দিন। আমি মাথা পেতে নেব।’এদিকে এ সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিয়ে পাল্টা দীর্ঘ এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন নোবেল৷ সেখানে তিনি লেখেন, ‘হায়রে হুমায়ূন! তুমি জানি কে? কোনোদিন তো তোমার নামও শুনি নাই আগে! তিনবার রিজেক্ট করার পর হাতে পায়ে ধরে ‘অভিনয়’ গাওয়াইছো! তাও আবার ৯ লাখ টাকা খরচ করে। জীবনে ৬০০ গান করছো! পরে শুনে দেখলাম, অর্ধেকের বেশি গানের সুর নকল! হাহাহা!! ‘কিং খান’ থেকে শুরু করে ডিরেক্টর ‘ইফতেখার চৌধুরী’ সবার সাথেই কাজ করছো। ভালো কথা। তবুও একটা হিট গানের নাম জিজ্ঞাস করলে এক বাক্যে বলতে বাধ্য তুমি! বলো তো কি গান? ‘অভিনয়!!’ তাইনা ছোটো ভাই? ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে করছো টা কি তুমি?! সেই নোবেলকে তুমি বাপ তুলে গালি দাও?! কত বড় অকৃতজ্ঞ মানুষ তুমি!! তোমার কত মাসের বাড়ি ভাড়া দিছি আমি, ভুলে গেছো? ব্যাপার না। গরীবদের দান করতে আমি ভালোবাসি। নিজে তো অভাবে পড়ে রাজশাহী ভাগছো ঘটিবাটি নিয়ে। বউও ভাগছে অন্য পোলার সাথে। গাড়িটাও নিয়ে গেছে। তোমার পুরুষত্য নিয়ে প্রশ্ন আছে আমার! ‘মেহেরবান’ গানের ৫০% সুর-সংগীত আমার করা লাগছে। তুমি নিজে স্বীকার করেছো হুমায়ূন! মামলা খাওয়ার জন্য রেডি থাকো! স্ক্রিনশট দিয়ে দিলাম! সবাই দেখো, কি নোংরা কথা বলছে আমাকে!'এদিকে আহমেদ হুমায়ূনের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিয়ে পাল্টা আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নোবেল।নোবেল ২০১৯ সালে ভারতের জি-বাংলা টিভির রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেও পরিচিতি পান। এতে তিনি তৃতীয় হয়েছিলেন।উল্লেখ্য, এই আহমেদ হুমায়ূনের হাত ধরেই সে দেশের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাউন্ডেটেকের সঙ্গে একাধিক গানের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন নোবেল।

post
বাংলাদেশ

বেঁচে থাকলে উৎসব পরেও করা যাবেঃ প্রধানমন্ত্রী

করোনা মহামারীর এই সময়ে ঝুঁকি নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে বাড়ি না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জীবনকে সুরক্ষিত রেখে পরে উৎসব করতে এ সময় সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।সেই সাথে ঈদ উপলক্ষে ছোটাছুটি না করে, যে যেখানে আছেন, সেখানেই তাদের ঈদ উদযাপন করতে বলেন সরকার প্রধান। গণভবণ থেকে ভার্চুয়ালি চারটি মেরিন অ্যাকাডেমি, পায়রা বন্দরে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে নতুন বাড়ি প্রদান এবং ড্রেজারসহ শতাধিক নৌযান উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে সুরক্ষিত থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় নৌপথকে আরও কার্যকর করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কবলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ হাজার কিলোমিটার নদী ড্রেজিং করা হবে। নদী খনন, পানি সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও বাঁধ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান আরো বলেন, পর ছোট বড় সব নদী, খাল, ডোবা, জলাধারে পানি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এ ব্যাপারে আরো কাজ চলছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন

এনআরবি কানেক্ট নিউজ: নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান জানিয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন কনসাল জেনারেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।এ উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পরে দিবসটির তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্বের উপর আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ভিডিও প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্য ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণই বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণে আজকের দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিকরা, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবেন এবং তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে অনুপ্রাণিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ভার্সিটির উদ্বোধনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপের মালিকানাধীন ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায়ের সংযোজন ঘটলো যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’ চালুর মধ্যদিয়ে। বহুজাতিক এ সমাজে প্রবাসীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথেই শুধু নয়, বাংলাদেশের উদ্যমী এবং মেধাবিদের দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের যে পাঠক্রম-তা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উচ্চ বেতনে চাকরির পথ সুগম করবে। যতবেশী বাংলাদেশি বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরি পাবে ততবেশি অর্থ যাবে বাংলাদেশে এবং ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ মিলতে শুরু করেছে।’ মার্কিন মুল্লুকে বাঙালির স্বপ্ন-সারথি হয়ে আবির্ভূত হলো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি-উল্লেখ করেন এমিরিটাস প্রফেসর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন।শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভার্সিটির মিলনায়তনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ অনুষ্ঠানে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী ছাড়াও অতিথি হিসেবে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম, সামিট গ্রেুপের ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ খান, ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার। ভিডিওতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. সাজ্জাদ হোসেন, জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ড. নীনা আহমেদ।অনুষ্ঠানস্থলে প্রধান অতিথি ড. মোমেনকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানানোর পর স্বাগত বক্তব্যে এই ভার্সিটির চ্যান্সেলর এবং সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাও দেয়া হবে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে, যাতে গ্র্যাজুয়েশনের সাথে সাথেই চাকরি পান সকলে। যুক্তরাষ্ট্রে অসংখ্য শিক্ষার্থী ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেও মাসের পর মাস চাকরি পান না। কারণ, অনেক দফতরেই পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগে। আইটি সেক্টরে চাকরি কখনোই মেলে না অভিজ্ঞতা না থাকলে। এই ইউনিভার্সিটিতে সে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই অনুমতি সংগ্রহ করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার হানিপ উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিভার্সিটি তথ্য-প্রযুক্তি, ব্যবসা-প্রশাসন, প্রজেক্ট এবং হেল্্থ কেয়ার ম্যানেজমেন্টে যথেষ্ঠ সুনাম কুড়িয়েছে। চলতি বছর এর মালিকানাসহ সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আমরা এসেছি। তাই বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যাতে অবাধে ভর্তির সুযোগ পান সে চেষ্টা থাকবে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের নামে দুটি স্কলারশিপ ঘোষণা দেয়া হয়। বাংলাদেশ থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীর এর একটি ব্যাচেলর এবং আরেকটি মাস্টার্স কোর্সের জন্য পাবেন। অর্থাৎ পুরো কোর্সের ৭৫% বৃত্তি দেয়া হবে। এর বাইরেও রয়েছে আরো দু’লাখ ডলারের স্কলারশিপ বাংলাদেশ থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে।অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে ইউনিভার্সিটি পরিচালনা পর্ষদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ফারহানা হানিপ বলেন, গত দেড় দশকেরও অধিক সময়ে ‘পিপল এন টেক’র মাধ্যমে আমরা সংক্ষিপ্ত কোর্স দিয়ে মার্কিন আইটি সেক্টরে সাত হাজারের অধিক প্রবাসীকে উচ্চ বেতনে চাকরির পথ সুগম করেছি। সে অভিজ্ঞতায় আইটি, হেল্্থ, হিসাব বিজ্ঞাণ এবং ব্যবসা-প্রশাসনে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কোর্সের সাথেই কারিগারি শিক্ষা দেয়া হবে। সেটিই হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের বিশেষত।রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও যাতে এই প্রতিষ্ঠানে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহে ভালো বেতনে চাকরি পান, সে জন্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে সংশ্লিষ্ট সকলকে।বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ খান বলেছেন, পিপলেএনটেক’র মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ার হানিপ বহু বাংলাদেশিকে স্কলারশিপের মাধ্যমে মার্কিন আইটি সেক্টরে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এই ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে কারিগরি শিক্ষালাভে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীরা গ্র্যাজুয়েশনের পরই চাকরি পাবে বলে আশা করছি। সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক ঘটনা হচ্ছে এই ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে কম, তারওপর রয়েছে স্কলারশিপ। বাংলাদেশ টেকনোলজিতে অনেক এগিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সেই ধারায় যুক্ত হয়ে এই ভার্সিটিও বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াবে বলে আশা করছি।ভয়েস অব আমেরিকার রোকেয়া হায়দার বলেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে চলার খবরাখবরের পাশাপাশি মূলধারায় সম্পৃক্ততার সংবাদ আমেরিকার বাংলা ভাষার প্রতিটি গণমাধ্যম প্রকাশ ও প্রচার করছি। ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপের মাধ্যমে প্রবাসীদের সমৃদ্ধির পথে ধাবিত হবার ক্ষেত্রে আরেকটি অধ্যায়ের সংযোজন ঘটলো। আমি এই প্রয়াসের প্রশংসা করছি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন তার দীর্ঘ বক্তব্যে বলেছেন, অভিবাসী সমাজের স্বপ্ন পূরণে অন্যতম প্রধান অবলম্বন হচ্ছে দক্ষ হিসেবে শিক্ষালাভ করা। বাংলাদেশের এক কোটি ২৩ লাখেরও অধিক মানুষ এখন বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন। তারা যদি আন্তর্জাতিক মানের চাকরির উপযোগী শিক্ষালাভে সক্ষম হন তাহলে বাংলাদেশই প্রকারান্তরে উপকৃত হবে। ড. মোমেন বলেন, বাঙালিরা খুবই সৌভাগ্যবান এজন্যে যে, শেখ হাসিনার মত একজন নেতা পেয়েছি আমরা। তার দূরদর্শীতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বে উন্নয়নের মডেল। আমি আরেকটি সুখবর দিতে চাই যে, গতকালই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত রাষ্ট্রের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। এটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণেই সম্ভব হয়েছে।উল্লেখ্য, ৫ দিনের সরকারি সফরের শেষ দিন ড. মোমেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বক্তব্য দিলেন।ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অধ্যাপক এপাসটলোস ইলিয়পলাসের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ড. মোমেনকে ‘প্রক্লেমেশন’ প্রদান করা হয় বাংলাদেশের সুনাম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজের জন্য। এরপর করতালির মধ্যে কেক ও ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালিদের জন্যে নয়া ইতিহাসের শুভ সূচনা। 

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় : বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দু’লাখ ডলার স্কলারশিপ

ভাষার মাসে বহুজাতিক মার্কিন সমাজে বাঙালির এগিয়ে চলার অভিযাত্রায় যুক্ত হলো আরেকটি অধ্যায়। এজন্য কঠোর পরিশ্রমী এবং মেধাবী একজন অভিবাসী ইতিহাসের অংশ হলেন। যেমনটি হয়েছেন একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’-এ পরিণত করার ক্ষেত্রে অস্মিরণীয় ভূমিকা পালনকারী কানাডার ভ্যাঙ্কুবারের রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালাম। তিনি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় বসবাসরত ‘ম্যাজিকম্যান’ খ্যাত ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে একটি ইউনিভার্সিটির মালিকানা অর্জনের মধ্য দিয়ে এ অধ্যায়ের যাত্রা। আর তা ঘটলো ১১ ফেব্রুয়ারি ভার্জিনিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত ‘আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’ (ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি তথা আইজিইউ)’র পুরো দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বিজ্ঞান, ব্যবসা ও প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে কাঙ্খিত একটি শিক্ষাঙ্গণ হিসেবে বিবেচিত।উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ যুক্তরাষ্ট্রে ‘পিপল এন টেক’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। এই ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে মার্কিন আইটি সেক্টরে গত দেড় দশকে ৭ হাজারের অধিক প্রবাসীকে উচ্চ বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন ইঞ্জিনিয়ার হানিপ।গত ১১ ফেব্রুয়ারি কাগজপত্রের স্বাক্ষর-অনুস্বাক্ষর এবং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্রেই শুধু নয় সমগ্র প্রবাসে সুধীমহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কারণ, এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরাও বৃত্তি নিয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রে অধিক হারে আসতে সক্ষম হবেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিমধ্যেই বিশেষ কৃতিত্বের সাথে ডিগ্রি গ্রহণকারীদের বড় একটি অংশ এসেছিলেন এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে। জানা গেছে, গত ১২ বছরে ৪ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। চলতি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শতাধিক। এরমধ্যে বিদেশি শিক্ষার্থীর (ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট) সংখ্যাই বেশি। প্রকৌশলী আবুবকর হানিপ এই ভার্সিটির পরিচালনা-পর্ষদের প্রধান এবং মালিকানায় আসার পর শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন এনে সকল ডিগ্রিধারীকে উপযুক্ত চাকুরি পাবার আগ পর্যন্ত সহায়তা আর প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।এ প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার হানিপ বলেন, ‘দেখুন উচ্চ বেতনে চাকুরি পাওয়ার জন্য আপনার বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু কেবল ডিগ্রিই আপনাকে চাকুরির নিশ্চয়তা দেয় না। যেমনটা আমাকে দেয়নি ২০ বছর আগে। বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকার পরও আমি এখানে স্বল্প পারিশ্রমিকের কাজ, অর্থাৎ ‘অড জব’ করতাম। সে সময় আমি অনুভব করেছি আমার এখানকার বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি থাকলে হয়তো আমি উঁচুমানের এবং অনেক বেশি বেতনের চাকুরি পাব।’ আইজিইউ এর চেয়ারম্যান এবং সিইও আবুবকর হানিপ জানালেন, “প্রায় ৫০ হাজার ডলার ঋণ নিয়ে আমি কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করলাম। সর্বোচ্চ গ্রেড নিয়ে আমি পাশ করার পরও সাাথে সাথে চাকুরি পাইনি। ফের ফিরে গেলাম অড জবে, জীবন চালিয়ে নেবার সংগ্রামে। কিন্তু আমি থেমে যাইনি, হতাশও হইনি। বেশ কিছুদিন পরে আমি ঠিকই আইটি জবে ঢুকতে পেরেছি স্কীল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সম্পন্ন করে। তখন আমি বুঝলাম, ডিগ্রি দরকার, কিন্তু শুধু ডিগ্রি দিয়েও একজন তার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে না এই দেশে, যতক্ষণ না তার স্কীল ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে। সেই মানসেই আমি ১৫ বছর আগে ‘পিপল এন টেক’ নামক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করি, যার মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার অভিবাসী এখন উচ্চ বেতনে চাকুরি করছেন। সেই ‘পিপল এন টেক’র অভিজ্ঞতাই আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য এতদিন স্বপ্ন দেখিয়েছিল। আজ সে স্বপ্ন পূরণ হলো।” তিনি বলেন, ‘এখন আমি এবং ভার্সিটি-টিম বেশ গর্ব করেই বলতে পারছি যে, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চাকুরিতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আমরা ক্যারিয়ার সহায়তা দেব। কেননা সেই ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বা সুবিধাদি আমরা এরই মধ্যে অর্জন করেছি পিপল এন টেকের মাধ্যমে। আর এজন্যেই আমাদের শিক্ষকরা শুধু স্কলার নন, তারা ইন্ডাস্ট্রি প্র্যাকটিশনারও, যাদের রয়েছে চার থেকে ৩০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা।’ এই ভার্সিটিতে মাস্টার অব সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (এমএসআইটি), মাস্টার অব সায়েন্স ইন সাইবার সিকিউরিটি ও মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) এ উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া যায়।আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিগুলোর মধ্যে অন্যতম ব্যাচেলর অব সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিএসআইটি) ও ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ)। এছাড়া কম্পিউটার ও আইটি বিষয়ে বেশ কিছু সার্টিফিকেট কোর্সও রয়েছে। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, শিগগিরই হেলথ কেয়ার, নার্সিং, ড্যাটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়েও বেশ কয়েকটি কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।আরও জানা গেছে, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যে রয়েছে বার্ষিক দু’লাখ ডলারের স্কলারশিপ। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। এই স্কলারশিপের জন্যে আবেদন করা যাবে www.igu.edu ওয়েবসাইটে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পিপল এন টেক যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। এই প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘ এ সময়ে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা বছরে ৮০ হাজার থেকে দুই লাখ ডলার বেতন পাচ্ছেন। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী হলেও পথ-নির্দেশনার অভাবে অড জব (ট্যাক্সি ড্রাইভিং, রেস্টুরেন্ট-কর্মী, সুপার মার্কেট কর্মী, সেলসম্যান, রিসিপশনিস্ট ইত্যাদি) করে দিনাতিপাতে বাধ্য ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার হানিপ জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পরও একজন এন্ট্রি লেবেলে (শুরুর দিকে) ৪০/৫০ হাজার ডলারের বেশি বেতনে চাকরি পায় না। অনেকেই ঋণ (স্টুডেন্ট লোন) নিয়ে পড়াশোনা করে ভাল চাকরি না পাওয়ার কারণে তা দ্রুত পরিশোধ করতে পারেন না। এজন্য হতাশ হয়ে পড়েন। ফলে ঋণ নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের চেয়ে দ্রুত অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার চিন্তায় অনেকে উবার-লিফট, ট্যাক্সি ড্রাইভিংসহ অন্য অড জবকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। পিপল এন টেকের প্রতিষ্ঠাতা সিইও এবং আইজিইউ’র চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ আরো বলেন, আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষাদান ও কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য ক্যারিয়ার সহায়তার যে মডেল তৈরি করেছে, সেটি বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। এজন্য দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে তিনি যৌথভাবে পাঠদানে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের সরকারের সাথেও তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান।আবুবকর হানিপ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের তিনটি প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে রেমিটেন্স, গার্মেন্টস ও এগ্রিকালচার। কিন্তু ইনফরমেশন টেকনোলজিও (আইটি) দেশের অর্থনৈতিক চেহারা আরও দ্রুত পাল্টে দিতে সক্ষম। এজন্য বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে সঠিক আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিদেশে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে যেখানে বাংলাদেশিরা এসে চাকরি করতে পারেন। এমনকি বাংলাদেশে থেকেও একজন ব্যক্তির প্রতি মাসে ২/৩ লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব। কঠোর অধ্যাবসায় আর উদ্ভাবনী-মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে প্রবাসে উদ্যমী বাংলাদেশিদের আমেরিকার স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে অন্যতম অবলম্বনে পরিণত হওয়া আবু হানিপ বলেন, আইটি ক্ষেত্রে ভারত যে জায়গাটি দখল করেছে, বাংলাদেশও তা করতে পারে। এজন্য গ্র্যাজুয়েশনের আগেই দরকার হাতে-কলমে শিক্ষাদান। এতে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পও আরও বেগবান করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।প্রসঙ্গত, আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি (আইজিইউ) যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, স্টেট কাউন্সিল অব হায়ার এডুকেশন ফর ভার্জিনিয়া, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর স্টেট অথরাইজেশন রিসিপ্রোসিটি এগ্রিমেন্টস, অ্যাক্রিডেটিং কমিশন অব ক্যারিয়ার স্কুলস অ্যান্ড কলেজ-এসিসিএসসি সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম (এসইভিপি) এর আলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আই-২০’ ইস্যুর জন্য ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস), মার্কিন সরকারের জে-১ প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং ফেডারেল স্টুডেন্ট এইড এর জন্য এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদন রয়েছে আইজিইউ’র।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক হলেন আবুবকর হানিপ

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক হলেন বাংলাদেশি আবুবকর  হানিপপিপলএনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারহানা হানিপ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর হানিপ তাদের বক্তব্যে পিপলএনটেকের নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। পিপলএনটেক এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে, যাদের বেশির ভাগই মেয়ে। এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একটি লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সিঙ্গেল কিংবা বেকার মাদের প্রযুক্তিভিত্তিক কাজ শিখিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদের পাশে দাঁড়ানো।আবুবকর হানিপ তার বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কেউ যখন ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রী শেষ করে এন্ট্রি লেভেলের কোন চাকরি নেয়, তখন সে বছরে সর্বোচ্চ ৪৫-৫০ হাজার ডলার আয় করতে পারে। ১০০-১২০ হাজার ডলার আয় করতে হলে তাকে ৬/৭ বছর চাকরি করতে হয়। কিন্তু পিপলএনটেক সেখানে মাত্র ৪ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের শিক্ষার্থীদের ১২০-১৪০ হাজার ডলারের চাকরি দিতে পেরেছে।শুধু ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রীধারী নয়, গৃহিণী, রেস্তোরা কর্মীদেরকে কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান আছে এমন শিক্ষার্থীদের পিপলএনটেক, রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট নির্ভর এমন প্রশিক্ষণ দেয়, যেন তারা চাকরি পেয়েই সেই কাজটি দক্ষতার সাথে করতে পারে। মূলত কেউ এন্ট্রি লেভেলের চাকরি করলে অভিজ্ঞতার অভাবে তাকে তার সহকর্মীদের থেকে কাজ শিখে নিতে হয়। কিন্তু পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণের যেই মডেল, তাতে শিক্ষার্থীরা রিয়েল লাইফ প্রজেক্টের অভিজ্ঞতা নিয়েই চাকরি শুরু করতে পারে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.