post
দূতাবাস খবর

খুনি রাশেদের বিষয়ে নিজ দেশে কথা বলব: কানাডিয়ান হাইকমিশনার

কানাডায় অবস্থানরত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কানাডার সরকারকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির নতুন হাইকমিশনার লিলি নিকোলস। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন নতুন এই হাইকমিশনার। কানাডার হাইকমিশনার বলেন, “নুর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বুঝতে পারি, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে আমার সরকারকে বিষয়টি জানাবো।” খুনি নুর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কানাডা সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে লিলি বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দেবেন। তবে আমি বলতে চাই যে বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।” এরপর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। খুনি নুর চৌধুরী ইস্যুতে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, “বঙ্গবন্ধুর খুনি নুর চৌধুরীকে আশ্রয় দিয়েছে কানাডা। কানাডা পৃথিবীর সব খুনিকে আশ্রয় দেওয়ার জায়গা হওয়া উচিত নয়। আমি কানাডিয়ানদের বললাম, পৃথিবীর সব খুনিকে আশ্রয় দেওয়ার স্থান কানাডা হওয়া উচিত নয়। এই লোকটাকে ফেরত দিয়ে বদনাম থেকে তোমরা মুক্ত হও।” বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে পাঁচ জনকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা খুনি রাশেদ চৌধুরী ও কানাডায় অবস্থান করা নুর চৌধুরীর বিষয়ে তথ্য জানা থাকলেও বাকি তিন জনের সঠিক অবস্থান জানা নেই সরকারের। খুনিদের ফেরানোর অগ্রগতি জানতে চাইলে মোমেন বলেন, “দুজনের একজন কানাডায় এবং আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রে আছে। তাদের আনার জন্য যা যা প্রচেষ্টা, আমরা সেটি চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা যখনই তাদের (রাষ্ট্রদূত) সঙ্গে আলাপ করি, এ বিষয়টি উত্থাপন করি।” আগামী ৮ মার্চ আমিরাত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে সম্প্রতি দেশটি সফর করে দেশে ফিরেছেন ড. মোমেন। তার সেই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মোমেন বলেন, “তাদের সঙ্গে অনেক ইতিবাচক আলাপ হয়েছে। আমরা চাইছি তাদের সঙ্গে সরাসরি শিপিং যোগাযোগ। তারাও বলেছে, ডাইরেক্ট শিপিং হলে ভালো। আমরা ওই দেশ থেকে আমদানি করি প্রায় ১৮০ কোটি ডলারের পণ্য এবং গত বছর আমরা প্রায় ৫০ কোটি ডলারের মতো পণ্য পাঠিয়েছি। আমাদের যথেষ্ট সবজি আছে, কৃষিজাত পণ্য আছে এবং সেগুলো আমরা আরও বেশি করে পাঠাতে চাই।” র‌্যাবের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। চিঠির কোনো জবাব আছে কি না— জানতে চাইলে মোমেন বলেন, “ওটার ওপরে আমরা কাজ করছি।”

post
এনআরবি বিশ্ব

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি ২ সহোদর নিহত

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি ২ কিশোর সহোদর নিহত হয়েছে। এ ছাড়াও গুরুতর আহত হয়েছে তাদের সতীর্থ আরও ২ কিশোর। গত সোমবার গভীর রাতে ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে সেনাও শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছে জারা (১৪) ও আদিব (১২)। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তাদের মা প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসক ডা. তানিয়া সিনাও হাসপাতালে কর্মরত। মায়ের কর্মস্থলের সূত্রে তারা ওমানে থাকতো। তাদের বাবা নাহিদুল ইসলাম তুহিন বাংলাদেশে থাকেন। বাংলাদেশ দূতাবাস ও কমিউনিটি সংগঠকরা জানান, সিনাওয়ের প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী শেখ জসিমের ছেলে জিহাদ (১৪) পরিবারের অগোচরে বাবার গাড়ির চাবি নিয়ে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘুরতে বের হয়। এ সময় সে জারা, আদিব এবং প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মো. করিমের ছেলে আতিককে সঙ্গে নেয়। তবে তাদের কারোও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। জারা ও আদিব মায়ের হাসপাতালে রাতের শিফটে ডিউটিতে থাকার সুযোগে বন্ধুদের সঙ্গে বের হয়। ফাঁকা রাস্তায় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল জিহাদ। এক পর্যায়ে সিনাও শহরের আদম রোডে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই নিহত হয় গাড়ির পেছনে থাকা ২ ভাই জারা ও আদিব। গুরুতর আহত হয় চালকের আসনে থাকা জিহাদ ও তার পাশের আসনে থাকা আতিক। জিহাদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাস্কাটের খৌলা হাসপাতালে এবং আতিককে সিনাওয়ের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ও আহত সবাই বাংলাদেশ স্কুল সিনাওয়ের শিক্ষার্থী। ২ কিশোর সন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পরিবার। তাদের বাবা নাহিদুল ইসলাম তুহিন ওমানের পথে রওনা হয়েছেন। ওমানে বাংলাদেশি কমিউনিটি সংগঠকরা সবাইকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলেছেন, যেন এমন বিয়োগান্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।

post
বাংলাদেশ

অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলা একাডেমিতে আমরা বইমেলা আয়োজন করে আসছি। এটা আমাদের প্রাণের মেলা। পাকিস্তান সরকার আরবি ও রোমান ভাষায় বাংলা লেখার প্রচলন করতে চেয়েছিল। আমি বলবো, বাংলা যেমন আমাদের আনন্দের ভাষা তেমন আমাদের প্রতিবাদেরও ভাষা। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলনে শহীদ ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধার জানান। তিনি বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় এবারের বইমেলা দেরি করে শুরু করতে হল। যারা বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। ১৯৪৭ সালে করাচিতে এক সভায় বাংলাকে মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৭ সালে করাচিতে এক সভায় বাংলাকে মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানানো হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যে আন্দোলন করা হবে, এর সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধুই দিয়েছিলেন। পাকিস্তান কখনোই আমাদের ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে চায়নি। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বইমেলা আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। বই না পড়লে মনে হয়, অনেক কিছুই হয়নি। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের শিখতে হবে। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য এই মেলাকে অন্যমাত্রা দিয়ে গেছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কারণ তিনি ভাষার আন্দোলন করতেই কারাগারে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকেও অনেক তথ্য পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রোমান ও আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রচলন করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। এমনকি রবীন্দ্রচর্চা নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাকে নিয়ে গেছিলেন। কানাডা প্রবাসী রফিক ও সালাম বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘে নিয়ে যান। কিন্তু কোনো সদস্য রাষ্ট্র প্রস্তাব না দিলে তা নেওয়া সম্ভব হয় না। তাই আমরা সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ শুরু করি। ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ২০০৮ সালে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট তৈরি করি। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়েত জোট এই কাজটি বন্ধ করে দিয়েছিল’- যোগ করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। আমরা স্বাধীনভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছি। হাজারো বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারছে। আমাকে শুধু নিজের ভাষা নিয়ে থাকলে চলবে না, অন্য ভাষা সম্পর্কেও জানতে হবে। এজন্য অনুবাদে জোর দিতে হবে। তাদের সাহিত্যকে জানতে হবে। ‘মুজিববর্ষ উদযাপন করার সময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা অনেক বই আমার কাছে এসেছে। আমি ওই সব বইয়ের অনেকগুলো সম্পাদনা করে দিয়েছি। করোনার কারণে আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। করোনার কারণে আমরা অনেক কবি, সাহিত্যিকে হারিয়েছি। আশা করছি, এই বইমেলায় যেসব বই প্রকাশিত হবে, তা সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ তারিখে বইমেলা শুরু হয়েছে। তবে আমার ইচ্ছা এই মেলা ১৭ মার্চ পর্যন্ত চালানো। আশা করছি সবাই স্বাস্থ্য-সুরক্ষা মেনে বইমেলায় আসবেন। সবাই টিকা নেবেন। মাস্ক পরে সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাকে পরিচিত করাতে বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিজিটাল প্রকাশনা করতে হবে। আধুনিক এই প্রকাশনা বাদ দিলে চলবে না। সবশেষে তিনি বলেন, বাংলা একাডেমি উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নতুন নতুন কবি সাহিত্যিক খুঁজে পাওয়া যাবে। আর এজন্য গ্রাম এলাকায় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নিতে হবে। আমি মনে করি, প্রশাসন থেকেও এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া উচিত। জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। আমি বই মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। ৩৮তম এ বইমেলা চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’।

post
শিক্ষা

পহেলা ফাল্গুনে পিপলএনটেকের বিভিন্ন কোর্সে ৫০% স্কলারশীপ

পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক দিচ্ছে বিভিন্ন কোর্সে ৫০% স্কলারশীপ। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসে এক পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজন রসিক বাঙ্গালীর এতিহ্যের সাথে যেন মিশে আসে গ্রামের বিভিন্ন পিঠার নাম। শীত শুরু থেকেই যেন পিঠার ধুম পরে গ্রামে গ্রামে। শহুরে জীবনে যেন অনেকটা অপরিচিত এই দৃশ্য। তাই আগামীকাল সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকের পান্থপথ ক্যাম্পাসে বাঙ্গালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এ পিঠামেলা। মেলায় পিপলএনটেক শিক্ষার্থীদের জন্য আইটির ৫০টির বেশি কোর্সে ৫০% পর্যন্ত স্কলারশিপ দেওয়া হবে। জানা গেছে, পিঠা মেলায় ঘুরতে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভালপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং সার্ভার, লারাভেল, এএসপিডটনেট,পাইথন, ডাটাবেজ, নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্টেশনসহ প্রায় ৫০টির বেশি কোর্সে থাকছে এ ৫০% স্কলারশীপ। মেলা চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এ ছাড়ের রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/QhDtuBFUYf5Zv5tZA আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারবে ০১৭৯৯৪৪৬৬৫৫, ০১৮৮৫৯৮১২৫০ নম্বরে।

post
বাংলাদেশ

জনগণ বিএনপির ডাকে সাড়া দেবে না: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জনগণ বিএনপির ডাকে সাড়া দেবে না কারণ, যারা গণবিরোধী রাজনীতি করে, জনগণ তাদের পাশে থাকে না। শনিবার দুপুরে মিন্টো রোডে মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে ঈদের পর বিএনপি'র আন্দোলন ও গণ-অভূত্থ্যানে সরকারকে বিদায় জানানোর হুমকি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, 'বিগতদিনগুলোতে বিএনপি আন্দোলনের যে হুমকি দিয়েছিল, বর্তমানে সেটার ধারাবাহিতা ছাড়া কিছু নয়। খন্দকার মোশারফ সাহেবসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এমন বহু ঈদের পরে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবেন এটা অন্তত ১২ বছর ধরে বলে আসছে।' 'আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার এক বছর পর থেকেই এই ঈদের পরে, এই শীতের পরে, এই বর্ষার পরে, পরীক্ষার পরে -এরকম বহু হুমকি আমরা শুনে আসছি এবং খালি কলসি যে বেশি বাজে, তাদের এই হুমকিগুলোও ঠিক সেরকম ছিল' উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'খন্দকার মোশারফ সাহেবও যে বক্তব্য রেখেছেন, আগামী ঈদের পরে জাতীয় ঐক্য করে, সরকারের পতন ঘটাবেন সেগুলো আগের বক্তব্যের ধারাবাহিকতা ছাড়া আরও অন্য কিছু নয়। মানুষ তাদের এই হুমকি শুনে হাস্যরস করে।' সরকারবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে ডান-বাম, অতি বাম, সবার সন্নিবেশ ঘটিয়ে একটা জাতীয় ঐক্যের মতো করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই ঐক্য করে কোন লাভ হয় নি। সেটি একেবারে ফানুসের মত নিভে গেছে। কারণ উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাথে আছে, ১৪ দলীয় জোটের সাথে আছে। জনগণ তাদের (বিএনপি) ডাকে কখনও সাড়া দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না।’ বাংলাদেশ গণতন্ত্র সূচকে একধাপ এগিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিমাপে গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়েছে। আমি মনে করি, দেশ গণতন্ত্র সূচকে আরও অনেক ধাপ এগুতে পারতো কারণ গণতন্ত্র সংহত করা শুধুমাত্র সরকারি দলের কাজ নয়। যারা বিরোধীদলের রাজনীতি করেন, সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন, সরকারবিরোধী রাজনীতি করেন, তাদেরও দায়িত্ব এসব নিয়ে কথা বলার। বিএনপি যদি গণবিরোধী রাজনীতি না করতো, মানুষ ও গাড়িঘোড়া জ্বালাও-পোড়াও না করতো, হরতাল অবরোধের মাধ্যমে জনগণকে অবরুদ্ধ করার রাজনীতি না করতো, গণতন্ত্র সূচকে আমরা আরও বহু ধাপ এগুতে পারতাম।'

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আর বাড়ছে না

স্কুল-কলেজে নতুন করে আর ছুটি বাড়ানো হচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা জানান।

post
সংবাদ

আইগ্লোবাল ও ড্যাফোডিলের সমঝোতা স্মারক সই, শিক্ষার্থী বিনিময়সহ শিক্ষার উৎকর্ষে থাকবে নানা উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনয়াস্থ আইগ্লোবাইল ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়সহ আইটিভিত্তিক শিক্ষার উৎকর্ষে দুই বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ভার্জিনিয়ার লিসবার্গে আইজিওর নিজস্ব ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই এমওইউ সই হয়। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের টাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান এবং আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।ড. মো. সবুর খান সস্ত্রীক আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বাংলাদেশি আমেরিকান প্রকৌশলী আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, একজন বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন যা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য একটি গর্বের বিষয়। "আমি নিজেও গর্ব অনুভব করি এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে কাজ করতে পারে তারই একটি পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। সম্পর্কটিকে আমরা সর্বোতভাবে ফলপ্রসূ করে তুলতে চাই," বলেন ড. মো. সবুর খান। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, "একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শীর্ষে পৌঁছানের জন্য যে বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাবনা থাকা প্রয়োজন তার সবই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে।" "আইজিইউ'র চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ একজন উদ্যমী ও উদ্যোগী ব্যক্তিত্ব। দুই দশকের বেশি সময় ধরে আইটি জগতে কাজ করছেন। এরই মধ্যে তার প্রতিষ্ঠিত আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক সর্বোচ্চ সফলতা দেখিয়েছে। এমন একজন উদ্যোক্তার নতুন এই উদ্যোগটিও সর্বোচ্চ সফলতা পাবে বলেই আমার বিশ্বাস," যোগ করেন সবুর খান। অন্যদিকে সবুর খানকে বাংলাদেশে তার নিজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও তারই ধারাবাহিকতায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে দেশে ও বিদেশে সুপরিচিত করে তোলার সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে আবুবকর হানিপ বলেন, "আমাদের লক্ষ্যগুলো একইরকম। আমরা চাই শিক্ষার উৎকর্ষ এবং তার জন্য আধুনিক সময়ের যুগোপযোগী শিক্ষাকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।" "বাংলাদেশে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস আমি ঘুরে এসেছি। ড. সবুর খান একটি স্বপ্নকে শুধু লালনই করেননি, সেটিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তার প্রমাণ তার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ও তার ক্যাম্পাস। আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেকটা একই ধাচে গড়ে তোলার প্রগাঢ় ইচ্ছা নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি," বলেন আবুবকর হানিপ। অনুষ্ঠানে আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. কারাবার্ক অতিথিদের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরার পাশাপাশি এরই মধ্যে যেসব সাফল্য দেখাতে শুরু করেছে তা তুলে ধরেন। ড. কারাবার্ক বলেন, আবুবকর হানিপ বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এক খোলনলচে পাল্টে যেতে শুরু করেছে। গত এক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি যেসব সাফল্য দেখাতে পেরেছে তা এর অতীতের দেড় দশকে সম্ভব হয়নি।" আবুবকর হানিপকে একজন ভিশনারি শিক্ষা-প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, "তার এই পথ চলার সঙ্গে থাকতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অধ্যাপক ও কর্মকর্তারা আনন্দিত ও গর্বিত।"প্রেসিডেন্ট ড. কারাবার্ক ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কেও কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি ওয়েব সাইট থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সম্পর্কে জেনেছি এবং মুগ্ধ হয়েছি। ড. সবুর খানের কাছে তিনি জানতে চান তার সাফল্যের পেছনের গল্প।  উত্তরে ড. সবুর খান বলেন, "আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সাফল্য একটি শক্তিশালী সুদক্ষ অ্যালামনাই গড়ে তুলতে পারা। বিশ্বের দেশে দেশে আইটি খাতে এখন ড্যাফোডিলের গ্রাজুয়েটরা তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারছে। এরচেয়ে বড় গর্বের আর আনন্দের কিছু হতে পারে না।""আর শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে গড়ে দিতে চাই যোগ্য ও দক্ষ ফ্যাকাল্টি। ড্যাফোডিল শুরু থেকেই বিষয়টিতে জোর দিয়ে আসছে। ফলে এখানে শিক্ষকরাই সবচেয়ে বড় সম্পদ," বলেন তিনি।এক্ষেত্র ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজেদের অ্যালামনাইদের শিক্ষক হিসেবে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেয় জানিয়ে ড. সবুর খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যখন নিজ বিশ্ববিদ্যালয়েই আবার শিক্ষকতার সুযোগ পান তার চেয়ে আনন্দের কিছু নেই। এক্ষেত্রে তাদের কমিটমেন্ট অনেক বেশি থাকে।"তৃতীয় যে বিষয়টিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন তা হচ্ছে নেটওয়ার্কিং। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে, শিক্ষা-প্রশিক্ষণের নেটওয়ার্কের সঙ্গে এরই মধ্যে যুক্ত হয়েছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নতুন নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে।"সবুর খান আবারও আশা প্রকাশ করেন আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয় তারা শিক্ষা প্রশিক্ষণের অঙ্গণে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পালক যুক্ত করবে এবং সামনে এগিয়ে যাবে।এসব প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ বলেন, "ড. মো. সবুর খানের মতো অভিজ্ঞ মানুষ পাশে থাকলে লক্ষ্যে পৌছানো সহজ হবে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ব্যাচেলর কমপ্লিট করেছে, তাদের মধ্যে অসংখ্য মেধাবী রয়েছে যারা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারবে। আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সেই সুযোগটা তৈরি করে দিতে চাই।"শুধু ছাত্রছাত্রী নয় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও অভিজ্ঞতারও আদান প্রদান করতে পারবেন। এই সমঝোতার চুক্তির মাধ্যমে সব পথ খুলে গেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এখন আমার আরো সামনে এগিয়ে যেতে চাই, বলেন আবুবকর হানিপ।  আইজিইউ'র প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ফারহানা হানিপ ড. সবুর খানকে বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করতে সমঝোতা স্মারক সই করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কিভাবে শীর্ষে তুলে নিতে হয় তার প্রমাণ তিনি এরই মধ্যে রেখেছেন। আইগ্লোবাল তার সেই পথচলাকে গুরুত্বের সাথে দেখে। "দুটি বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে কাজ করতে পারলে তা শিক্ষার উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে," বলেন ফারহানা হানিপ।   আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকদের অনেকেই এই এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্কুল অব আইটি'র পরিচালক প্রফেসর অ্যাপোসটোলস এলিওপোলস, স্কুল অব বিসনেস এর পরিচালক অধ্যাপক মার্ক রবিনসন, সাইবার সিকিউরিটির অধ্যাপক ডেরেক স্মিথ, প্রফেসর নেকমি মুটলু, প্রফেসর জাফর পিরিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারা সকলেই বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যে তাদের মুগ্ধতার কথা জানান এবং আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় তুলে নেওয়ার জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাকে সহজ করে তোলাই আমাদের কাজ, বলেন ড. অধ্যাপক মুটলু। ড. ডেরেক স্মিথ বলেন, এখানে সাইবার সিকিউরিটির শিক্ষা একটি চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, শিক্ষার্থীর মধ্যে এই সাইবার সিকিউরিটি ব্রেন তৈরি করাই আমাদের উদ্দেশ্য। ড. হুগো বলেন আমরা তাই শেখাই যা শিক্ষার্থীদের জানা প্রয়োজন। আমরা তাদের মধ্যে একটি দক্ষতা তৈরি করে দিতে চেষ্টা করি। একটি উচ্চমানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাই নিশ্চিত করে আইগ্লোবাল, বলেন তিনি। এখন সময়টাই নেটওয়ার্কিংয়ের। ব্যক্তির সম্পর্ক, বন্ধুত্ব আমাদের কাছে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্ব রাখে প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধুত্ব, বলেন জাফর পিরিম। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অপর সুপরিচিত উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. শ্যান চো ও মামুন ওয়াহাব। এছাড়াও ছিলেন এডমিশন ম্যানেজার সারাহ হেদায়েত, অ্যাসিস্ট্যান্ট আইটি ম্যানেজার কাজি বারী, অ্যাকাউন্ট্যান্ট কৌশিকা নাভাল, এডমিশন অফিসার সেমি জ্যাং সহ অন্যরা। পরে ড. মো. সবুর খান ও তার স্ত্রীর সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তারা এই নৈশভোজে অংশ নেন। 

post
নারী ও শিশু

দ.আফ্রিকায় ডাকাতির শিকার বাংলাদেশের আজমেরী

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ডাকাতির শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে ১১৯ দেশ ভ্রমণ করা খুলনার মেয়ে কাজী আসমা আজমেরী। গত শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ১২০তম দেশ বতসোয়ানা ভ্রমণের উদ্দেশে বের হয়ে জোহানেসবার্গে ট্রাফিক সিগনালে এ ডাকাতির শিকার হন তিনি। জানা যায়, ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ১১৬তম দেশ ভ্রমণের উদ্দেশে লেবাননে যান ভ্রমণ কন্যা কাজী আসমা আজমেরী। এরপর সেখান থেকে আরও কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করে অবস্থান করেন আফ্রিকায়। সেখান থেকে তিনি ট্যাক্সি ভাড়া করে বতসোয়ানার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তবে আফ্রিকার জোহনসবার্গে গান্ধী স্কয়ার ঘুরতে বের হন। সেখানে যেতে চার বন্দুকধারী তাকে বহনকারী ট্যাক্সি থামিয়ে সবকিছু লুট করে নেন। ভ্রমণ করতে গিয়েও এর আগে বিভিন্ন বাধা বিপত্তির শিকার হয়েছেন তিনি। তবে তার সঙ্গে ঘটা ডাকাতির ঘটনাটি একটি লোমহর্ষক অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা দেন তিনি। আজমেরি বলেন, ১২০তম দেশ বতসোয়ানা ভ্রমণের উদ্দেশে বের হয়েছিলাম। জোহানেসবার্গে ট্রাফিক সিগন্যালে হঠাৎ করে চারজন বন্দকধারী এসে ট্যাক্সি থামিয়ে ড্রাইভারকে নির্দেশ দেন গাড়ির দরজা খোলার। গাড়ির দরজা খুলে দিলে তারা আমার সব টাকা, ফোন, পেছনের সিটে ব্যাকপ্যাক, ক্যামেরা, জ্যাকেট জামা এবং আরও অনেক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও আমার গ্রিন টি-শার্ট, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও নিয়ে যায়। পরে অনেক আকুতি-মিনতি করার পর আমার পাসপোর্ট তারা ফেরত দেয়। ১ ফেব্রুয়ারির ১১৯তম দেশ লেসোথো আফ্রিকার পিটুরিয়াতে আসেন নামিবিয়ার ভিসা নেওয়ার জন্য। ৩ ফেব্রুয়ারি বসোনিয়ায় চলে যাওয়ার কথা থাকলেও এক বাঙালির বাসায় দাওয়াত থাকায় একদিন থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি রওনা দেন। দেশ ভ্রমণের যাত্রা পথেই এই ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। আর বিষয়টি নিয়ে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি। তার সব টাকা-পয়সা, ব্যাগ সবকিছু নিয়েছে ডাকাতরা। যার মূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। সবকিছু হারিয়ে ভ্রমণকন্যা আজমেরী একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। সেখানে কয়েকটি পরিবার তাকে সাহায্য করেন। তাকে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেন তারা এবং প্লেনের টিকেট কেটে জোহানেসবার্গ থেকে কেপটাউনে আসতে সহায়তা করেন। বর্তমানে সেখানে তিনি বেশ অর্থকষ্টে আছেন। কাজী আসমা আজমেরী বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বভ্রমণে বের হয়ে এর আগে জেলও খাটেন। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ১১৫তম দেশ গ্রিসে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

post
বিনোদন

জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী করে আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। জায়েদ খানের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন। আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আহসানুল করীম ও আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথী, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মজিবুল হক ভুঁইয়া। নিপুণের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট রোকনউদ্দিন মাহমুদ। এ প্রসঙ্গে আহসানুল করীম সাংবাদিকদের বলেন, নিপুণ আক্তারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আপিল বোর্ডকে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেওয়া চিঠির কার্যকারিতা এবং জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে বিজয়ী ঘোষণা করে আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সমাজসেবা অধিদপ্তরের চিঠি এবং আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে এক সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া জায়েদ খানের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রকার বাধা না দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রুল শুনানির জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন রেখেছেন হাইকোর্ট। এর আগে, এদিন সকালে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করে আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ আনলে ৫ ফেব্রুয়ারি সেই প্রেক্ষিতে আপিল বোর্ড জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে। পরে নির্বাচনের আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই বিষয়টি 'বেআইনি' বলে দাবি করে আসছেন জায়েদ খান। উল্লেখ্য, রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ আক্তারের নেতৃত্বে নতুন কমিটির একাংশ শপথ গ্রহণ করে। পরে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে নিজ নিজ পদের চেয়ারে বসেন তারা। তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শিল্পী সমিতির সদস্যরা।

post
বাংলাদেশ

টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ সফল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ সফল উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বর্তমানে ১০ কোটি টিকা মজুদ আছে। সেই টিকা দেয়ার মানুষ খুঁজে পাচ্ছে না সরকার। সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এসব কথা বলেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত দেশের ১০ কোটি মানুষ করোনার প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে। যা মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে পৌনে সাত কোটি মানুষ। বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৬ লাখ মানুষকে।চলতি বছরের মধ্যে বুস্টারসহ টিকা প্রদান শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.