post
শিক্ষা

ঢাবিএমএএ’র বার্ষিক সভায় কর্মকৌশল বেগবানের সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাইক্রো-বায়োলজি এলামনাই এসোসিয়েশন- নর্থ আমেরিকার কার্যনির্বাহী কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ জুলাই জুমে অনুষ্ঠিত এই সভায় মোট ৬৫ জন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। সভায় অনুমোদনের জন্য নির্বাহী কমিটি সমস্ত বিষয় যথাযথভাবে উপস্থাপন করার পর বিস্তারিত আলোচনা শেষে অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে ছিল ১. ড. মুহাম্মদ গোলাম মোর্শেদের সভাপতির প্রতিবেদন, ২. সহ-সভাপতি ড. সুবর্ণা খান কর্তৃক সংবিধান সংশোধন উপস্থাপন, ৩. ড. লুকমান সরকার কর্তৃক সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন উপস্থাপন। ওয়ার্কস্ট্রীম সদস্যদের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. শারমিনা দেলোয়ার (মিডিয়া ও প্রচার), ড. মুসাব্বির খান (যোগাযোগ ও আউটরিচ), ড. শাহজাদা খান (পেশাগত উন্নয়ন), ড. খায়রোল এ সিদ্দিকী (সাংগঠনিক উন্নয়ন), মো. দ্বীন ইসলাম (স্টুডেন্টস এনগেজমেন্ট) এবং ইফতেখার রফিকুল্লাহ (বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতি ও বিজ্ঞাননীতি)। শেষে কোষাধ্যক্ষের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন মীর তাইফুর আলম। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। সভার দ্বিতীয় পর্বে অধ্যাপক ড. আশফাক হোসেনকে অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ হিসেবে এবং উপদেষ্টা কমিটির ১৫ জন সদস্য অধ্যাপক ড. কে এম এস আজিজ, মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. এ এস এম মতিউর রহমান, ড. ফিরদৌসী কাদরী, ডা. শামিউল ইসলাম, ড. আক্তার মোল্লা, ড. এ কে আজাদ, অধ্যাপক ড. সেলিনা পারভীন, অধ্যাপক, ড. আফসার আলী, অধ্যাপক ড. মাহফুজ সরকার, ড. সামিরা সাঈদ, ড. মুস্তাফিজুর রহমান, ড. সাঈদ মুনিরুজ্জামান, ড. আবু বকর সিদ্দিকী, ড. হাসান জাকি, এবং ড. বিভূতি রায়কে স্বাগত জানানো হয়। সভায় সদস্যরা তাদের মূল্যবান মন্তব্য উপস্থাপন এবং এই সংস্থার ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা বৃদ্ধি এবং সাফল্যের জন্য নিঃশর্ত সমর্থন প্রদানের অঙ্গিকার করেন। 

post
শিক্ষা

লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল আলোচনা: শিক্ষকদের মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান বাড়াতে হলে যুগপোযোগী শিক্ষা পদ্ধতি চালু, শিক্ষকদের মূল্যায়ন, পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তন ও শিক্ষার্থীদের পাঠ্যাভাস গড়ে তোলার বিকল্প নেই বলে মনে করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। শনিবার যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাইদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বাড়াতে অ্যালামনাইদের এগিয়ে আসতে হবে। "পৃথিবীর যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো র্যাংকিং এ ভালো করছে তাদের গবেষণা বরাদ্দ অনেক বেশি। উন্নত বিশ্বের অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ বা হার্ভাডের বিলিয়ন পাউন্ডের এনডাউনমেন্ট ফান্ডের যোগান দাতা সেইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হলে এনডাউনমেন্ট ফান্ডের কোন বিকল্প নেই।"  নওফেল বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অ্যালামনাইকে এনডাউনমেন্ট ফান্ডের কথা বলেছিলাম যার ৭ টা জাহাজ আছে। তিনি আমাকে বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ সহায়তা দেবে সরকার। তার এই বক্তব্যে আমি হতাশ হয়েছিলাম। শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন নওফেল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, সরকার স্বায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক সহায়তা করলেও ব্যবস্থাপনা কাঠামোতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সরকারের অর্থের বাইরে অতিরিক্ত গবেষণার বরাদ্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে সংগ্রহের তাগিদ দেন মন্ত্রী। সেমিনারেরর বিশেষ অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য প্রফেসর ড. এএসএম মাকসুদ কামালের কাছে প্রশ্ন ছিলো শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পর শিক্ষার্থীদের দ্বারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মূল্যায়ন পদ্ধতি কবে চালু করা হবে? জবাবে প্রফেসর মাকসুদ কামাল আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই পদ্ধতিটি চালুর ব্যপারে উদ্যোগী হবেন বলে আশ্বাস দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব অর্থায়নে পিএইডির ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য। তবে গবেষকদের চার বছরের মধ্যে পিএইডি সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হবে সেই সাথে এবং কিউ-১, কিউ-২ ও কিউ-৩ জার্নালে কমপক্ষে দুইটি লেখা প্রকাশ করার বিধান চালু করলে র্যাংকিং পেতে সহজ হবে বলে মত দেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত গবেষণা ও প্লেজারিজম ঠেকাতে কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান উপ-উপাচার্য। অনুষ্ঠানের চেয়ার থার্ড সেক্টর কনসালটেন্ট বিধান গোস্বামী, সমাজে বৈষম্য দূর করতে হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে একটি সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতি চালুর ব্যাপারে উপমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সেই সাথে বাংলাদেশে শিক্ষক সমাজের উপর হামলা বন্ধে প্রয়োজনে কঠোর আইন প্রনোয়নের দাবি জানান তিনি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া ও কানাডায় কর্মরত শিক্ষক ও পেশাজীবী অ্যলামনাইদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মান বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রস্তাব দিয়েছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকে, সেই প্রস্তাব কার্যকর করায় প্রফেসর মাকসুদ কামালকে ধন্যবাদ জানান অনুষ্ঠানের মডারেটর সাংবাদিক তানভীর আহমেদ।'অক্সফোর্ড দ্য ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট' শিরোনামে ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকের উপদেষ্টা ও সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক লেকচারার ড. আবদুল হান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, ব্যারিস্টার চৌধুরী হাফিজুর রহমান, ইউনিভার্সিটি অব লিংকনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহফুজ রহমান, প্রধানমন্ত্রী স্কলারশিপে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমান, নাদিরা নাজনিন রাখী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও অক্সফোর্ড স্কলার অমৃতা পন্ডিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ মাসুদ রেজা, মিডলসেক্স ইউনির্ভসিটির লেকচারার ড. মানজিদা আহাম্মেদ। অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বাংলা ট্রিবিউনের হেড অব নিউজ মাসুদ কামাল।প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রয়োজনীয় বিষয় বাদ দিয়ে যুগোপযোগী বিষয় অর্ন্তভূক্তি, মেধার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভর্তি পদ্ধতির সংশোধন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ গ্রহণের ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া, অন লাইনে ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোর্স নম্বরের পাশাপাশি বিষয়ের নাম উল্লেখ করা, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য লাইব্রেরীতে কম্পিউটার ব্যবহার নিশ্চিত করে নিজস্ব ই-মেইল আইডি প্রদান করা, লাইব্রেরিকে শুধুমাত্র বিসিএস এর প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার না করে প্রকৃত জ্ঞান চর্চার স্থান হিসেবে গড়ে তোলা ও বিষয় ভিত্তিক শিক্ষার সাথে কর্মক্ষেত্রের যোগাযোগ বৃদ্ধির উপর জোর দেন আলোচকবৃন্দ।প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের ম্যানেজমেন্টের সদস্যদের মধ্যে ব্যারিস্টার কাজী আশিকুর রহমান, পলি জাহান, মহসিন উদ্দীন সহ সিনিয়র অ্যালামনাই বৃন্দ।ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের সাথে এই উৎসবে যোগ দেবেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

post
শিক্ষা

ডব্লিউইউএসটি'র কনভোকেশন ১৮ জুন, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি'র গ্রাজুয়েশন কনভোকেশন ২০২২ আগামী ১৮ জুন শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ক্যান্সার চিকিৎসায় সাফল্য অর্জনকারী অন্যতম চিকিৎসা-গবেষক টেভোজেন বায়ো'র প্রেসিডেন্ট ও সিইও বাংলাদেশি আমেরিকান ড, রায়ান সাদি। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন ভার্জিনিয়ার ফ্যায়ারফ্যাক্স কাউন্টির বোর্ড অব সুপারভাইজর এর চেয়ারম্যান জেফরি সি. ম্যাককে।সূচনা বক্তব্য রাখবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও সিইও বাংলাদেশি আমেরিকান ইঞ্জি. আবুবকর হানিপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি ঘোষণা করবেন। কর্মসূচির মাস্টার অব সেরেমনি হিসেবে সকলকে স্বাগত জানাবেন ও কনভোকেশন পরিচালনা করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন। সঞ্চালনায় থাকবেন ডব্লিউপিএলজি'র সিনিয়র প্রডিউসার ও করেসপন্ডেন্ট ড. আনিভা জামান। যুক্তরাষ্ট্রে স্বীয়ক্ষেত্রে সফল এবং বিদেশের মাটিতে দেশের মুখ উজ্জ্বলকারী বাংলাদেশি আমেরিকানদের আরও অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কনভোকেশনে আসছেন অভ্যাগত অতিথি হয়ে। তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য পেশায় রয়েছেন এমন অনেকেই এতে অংশ নেবেন। উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আইটির পরিচালক প্রফেসর অ্যাপোটোলস এলিওপোলোস, সিএফও ফারহানা হানিপ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো। এই গ্রাজুয়েশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি থেকে পাবেন সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র। শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যোগ দেবেন এই গ্রাজুয়েশন কনভোকেশনে। ভার্জিনিয়ার টাইসন্সে জর্জ সি. মার্শাল হাইস্কুল মিলনায়তনে আয়োজন করা হচ্ছে এই গ্রাজুয়েশন কনভোকেশন। যা ওই দিন দুপুর ২টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। এরই মধ্যে কনভোকেশনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে এখন কর্মজগতে প্রবেশের অপেক্ষায় এমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে এই কর্মসূচি নিয়ে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। তারা এরই মধ্যে তাদের কনভোকেশন গাউন সংগ্রহ করেছেন। এছাড়াও প্রস্তুতি পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের নেতৃত্বে একটি টিম মঙ্গলবার অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছে। কর্মসূচি সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, একজন শিক্ষার্থীর জন্য তার গ্রাজুয়েশন সেলিব্রেশন ও স্বীকৃতির জন্য কনভোকেশন একটি অন্যতম দিন। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি দিনটিকে শিক্ষার্থীদের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে চায়। তিনি বলেন, প্রখ্যাত চিকিৎসা-গবেষক বাংলাদেশি রায়ান সাদীকে আমরা এই কনভোকেশনে কি-নোট স্পিকার হিসেবে পাচ্ছি। আশা করি তার বক্তৃতা শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষণীয় ও ভবিষ্যতের পাথেয় হয়ে থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, কোভিড-১৯ প্যানডেমিকের কারণে গত কয়েক বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। কয়েক বছরের গ্রাজুয়েটরা এবছর একসঙ্গে তাদের সনদ নিতে পারবে। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে আশা করি এবছরের গ্রাজুয়েশন শিক্ষার্থীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীদের তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে যথা সময়ে গ্রাজুয়েশন কনভোকেশন উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান ড. হাসান কারাবার্ক। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করা হয়েছে। গ্রাজুয়েটেডরা সকলেই ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে তাদের সনদপত্র পাবেন। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জি. আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ- বিবিএ কোর্সে বর্তমানে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিশ্বের ১২১ দেশের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হয় সনদপ্রাপ্ত হয়েছেন নয়তো বর্তমানে অধ্যয়নরত রয়েছেন। 

post
শিক্ষা

মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়া’র নতুন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২১ সেশনের শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নবীনবরণের আয়োজন করে। রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি পাঁচতারকা হোটেল নতুন-পুরাতন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।মুশফিকুর রহমান আনোয়ার ও ফারহান সিদ্দিকের সঞ্চালনায় নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ও ইকোনোমিকস ফ্যাকাল্টি’র অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর ড. মুহম্মাদ মেহেদি মাসুদ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন একই ফ্যাকাল্টির সিনিয়র লেকচারার ড. মো. মাহফুজুর রহমান, ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিনিয়র লেকচারার মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী চুয়েটের অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ন কবির। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ছাড়াও মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় পরিচিতি পর্ব ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ডক্টর মেহেদি মাসুদ, ডক্টর মাহফুজ, ডক্টর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, কমিউনিটি নেতা রাশেদ বাদল, নাজমুল ইসলাম বাবুল, নুর মোহাম্মদ ভূঁইয়া, আব্দুল মজিদ, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও হুমায়ন কবিরসহ অনেকে। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম সদস্য এবাদুল্লাহ খান, মুশফিকুর রহমান আনোয়ার, রেজাউল করিম, ফারহা সিদ্দিক, কানিজ ফাতেমা ও তাসনিম বিনটি জাহিদ (সাইকি)।

post
শিক্ষা

বাংলাদেশে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের এফ-১ ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ফল সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বুধবার (২৫ মে) থেকে এফ-১ ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিচ্ছে ঢাকায় আমেরিকান দূতাবাস। এর আগে ঢাকায় দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানায়।দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, ফল সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মার্কিন দূতাবাসে আগামীকাল ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়া হবে। সকাল আটটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত এফ-১ ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়া হবে। যারা ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য প্রস্তুত আছেন, তাদের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ফল ও স্প্রিং সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়। আগস্টের শেষ থেকে সাধারণত ফল সেমিস্টার শুরু হয়। ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির শুরুতে এ সেমিস্টার শেষ হলে শুরু হয় স্প্রিং সেমিস্টার। চলে মে পর্যন্ত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সাধারণত ফল সেমিস্টারেই বেশি ভর্তি হন।এফ-১ ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য- ডিএস-১৬০ পূরণ করা- সেভিস ফি জমা দেওয়া- ভিসা ফি জমা দেওয়া ও - দূতাবাসের প্রেসক্রাইবড ওয়েবসাইটে প্রোফাইল তৈরি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। 

post
শিক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার গল্প শোনালেন আবুবকর হানিপ

আবুবকর হানিপের নিজের গল্পটাই অনুপ্রেরণার এবং পথ দেখানোর গল্প। আর সে কারণে তিনি যে কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে তার গল্পটাই সকলে শুনতে চান। আর শোনাতে চান আবুবকর হানিপ নিজেও। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটির (পূর্বনাম আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি) প্রতিষ্ঠাতা ও চ্যান্সেলর, পিপলএনটেক'র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনআরবিকানেক্ট টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সফল বাংলাদেশি আমেরিকান এই ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ।গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ'র উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ উৎসবে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ, সংগ্রাম ও সুযোগ নিয়ে আলোচনা ছিলো অনুষ্ঠানের মূল্য প্রতিপাদ্য। আবুবকর হানিপ ছিলেন এই আয়োজনের কিনোট স্পিকার।নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত হয়েছিলেন সে আয়োজনে। অভ্যাগতদের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটিতে প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবী ও ব্যক্তিত্বরা। অনুষ্ঠানটির স্পন্সর ছিলো ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি এবং পিপলএনটেক।পিপলএনটেকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছিলেন নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি এবং অন্য দেশের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শিক্ষার্থী- প্রশিক্ষণার্থীরা। সেখানেই আবুবকর হানিপ তার নিজের জীবনের গল্পটি শোনাচ্ছিলেন। উপস্থাপনায় তিনি জানাচ্ছিলেন, কি করে এখানকার বাংলাদেশি ডায়াসপোরার মধ্যে একটি স্বপ্ন বুনে দিতে সক্ষম হয়েছেন। যার পথ ধরে এখানে প্রতিটি পরিবারে একসময় একজন করে ছিলেন ইয়ালো ক্যাব চালক; যা এখন ধীরে ধীরে প্রতি পরিবারে একজন করে আইটি প্রফেশনালে পরিবর্তিত হচ্ছে। এবং সে প্রক্রিয়ায় একটি বড় অবদান রেখে চলেছে তারই প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেক। যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্তত ৭০০০ বাংলাদেশি আজ আইটি প্রশিক্ষিত হয়ে চাকরির বাজারে ড্রিম জব করছে। যার প্রায় সবগুলোই সিক্সডিজিট প্লাস এর চাকরি।  আবুবকর হানিপ জানান, তার পরিচালনায় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি-ও একটি দক্ষতানির্ভর শিক্ষা পদ্ধতি নিয়ে এগুচ্ছে যা এখানকার সকল শিক্ষার্থীদের একটি ডিগ্রির পাশাপাশি সময়ের সবচেয়ে আগুয়ান ও চাহিদাসম্পন্ন বিষয়গুলোতে দক্ষ করেই যুক্তরাষ্ট্রের কর্মবাজারে এগিয়ে দেবে। এতে করে এখানকার প্রতিটি শিক্ষার্থী সেই একই রকম সিক্সডিজিট আর্নার হতে পারবে তাদের শিক্ষাপরবর্তী কর্মজীবনের শুরু থেকেই।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আবুবকর হানিপ বলেন, ছাত্রাবস্থায় তারা যেনো এদেশের কোনো হাতছানিতে না ভুলে স্টুডেন্ট স্ট্যাটাসটি অক্ষুণ্ন রাখেন এবং যথাযথভাবে তাদের ডিগ্রিটি সম্পন্ন করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে এটাই কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রধান চুক্তি। এদেশে শিক্ষা ভিসা নিয়ে যারা আসেন তাদের শিক্ষা শেষে রয়েছে অবারিত সুযোগ। তবে তা কোনোভাবেই শিক্ষা সম্পন্ন করার আগে প্রযোজ্য নয়।আমেরিকান ড্রিম সম্পন্ন করার একটি চমৎকার পথ এদেশে রয়েছে। ওপিটি, সিপিটি স্ট্যাটাসের পাশাপাশি এইচওয়ানবি স্ট্যাটাসের সুযোগ এবং তার পথ ধরেই গ্রিন কার্ড ও স্থায়ী বসবাসের সুযোগটি আসে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সে পথেই চলতে হবে। অন্য কোনো শর্টকাট কিংবা অবৈধতার পথ বেছে নিলে তা পরিনামে ভালো কিছু বয়ে আনে না, উল্লেখ করেন কি-নোট স্পিকার আবুবকর হানিপ। তিনি আরও বলেন,, "নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মজগতকে যতটা বুঝতে পারি, যুক্তরাষ্ট্র এখন দক্ষ মানুষের দেশ। এখানে দক্ষদের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। আর সেই সম্ভাবনা থেকেই ডব্লিউইউএসটি তার শিক্ষার্থীদের দক্ষ করেই কর্মজগতে পাঠানোর প্রয়াস নিয়েছে। এবং শিগগিরই এই ঘোষণায় যাচ্ছে যে- নো জব নো ট্যুইশন। অর্থাৎ ডব্লিউইউএসটির গ্রাজুয়েটরা চাকরিবাজারে সুযোগ না পেলে তাদের ট্যুইশান ফি-ই ফেরত দেবে বিশ্ববিদ্যালয়।"  বিষয়গুলো যখন বলছিলেন একজন প্রত্যয়ী আবুবকর হানিপ, উপস্থিত দর্শকরা তা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন থার্টিসিক্সথ অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্টএর অ্যাসেম্বলি সদস্য জোহরান কে মামদানি, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলর সিডি ২৫ শেখর কৃষ্ণাণ, নিউইয়র্ক ট্যাক্সি ওয়ার্কার্স অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক ভৈরবী দেশাই, নিউইয়র্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ এন মজুমদার, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, অরগানাইজিয় সোসাইটি অ্যাট ডিআরইউএম-এর পরিচালক কাজি ফৌজিয়া, অ্যাস্টোরিয়া সোসাইটি ইউএসএ'র সাধারণ সম্পাদক মো. জায়েদ উদ্দিন, বাংলাদেশি কমিউনিটি লিডার জামাল হক প্রমুখ। এরা সকলেই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপদেশমূলক বক্তব্য রাখেন।তারা তাদের বক্তৃতায় বলেন, আবুবকর হানিপ নিজেই এখন নিজের পরিচয় এবং তিনিই এখন প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম অনুপ্রেরণা। তার নেতৃত্বে একটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে, যা প্রতিটি মানুষের গর্ব, উল্লেখ করেন বক্তারা।  দুটি পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরে প্রথম প্যানেল আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এশিয়ান অ্যামেরিকান লিগ্যাল ডিফেন্স অ্যান্ড এডুকেশন ফান্ড এর সিনিয়র স্টাফ এটর্নি স্টেইলি মার্ক।দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনায় একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষা জীবনের সংগ্রাম এবং পরে আমেরিকান ড্রিম অর্জনে তার সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। এই পর্বে আলো জনা করেন আরও দুইজন শিক্ষার্থী যারা পিপলএনটেক থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেওয়ার পরে যে সফলতার পথ মাড়িয়ে চলেছেন তা নতুন শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন।     সবশেষে ঈদ উৎসবে মজাদার সব ঈদের খাবার পরিবেশন করা হয় অতিথিদের মধ্যে।

post
শিক্ষা

ডব্লিউইউএসটি'র সঙ্গে অংশীদারিত্বের বড় সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশের হাইটেকপার্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-ডব্লিউইউএসটি'র সঙ্গে অংশীদারিত্বের বড় সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশের হাইটেকপার্ক। প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ট্রান্সফার করাই এই সময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও উপযোগী পদক্ষেপ যা হাইটেকপার্ক ও ডব্লিউইউএসটি'র মধ্যে হওয়া সম্ভব। খুব শিগগিরই এ ধরনের অংশীদারিত্বের বড় ঘোষণা আসবে। এসব কথা বলছিলেন বাংলাদেশ হাইটেকপার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ। তিনি বুধবার (১১ মে) যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ডব্লিউইউএসটি (পুর্ব নাম আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি) ক্যাম্পাস পরিদর্শণে এসে এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বাংলাদেশি আমেরিকান প্রকৌশলী ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ আবুবকর হানিপ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক, পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন, সিএফও ফারহানা হানিপ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় আরও ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত রোমানিয়া ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি. (বেঙ্গল গ্রুপ) 'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির বাবলু, আরটিভি'র সিইও সৈয়দ আশিক রহমান, যুক্তরাষ্ট্রে বিশিষ্ট বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ক্রিকেটপয়েন্ট-এর সিইও কাজী জামান, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার ইকনমিক মো. মেহেদি হাসানসহ অন্যরা।বিকর্ণ ঘোষ তার বক্তৃতায় আরও বলেন, একজন বাংলাদেশি আমেরিকান এই যুক্তরাষ্ট্রে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব মালিকানায় পরিচালনা করছেন, এটি আমাদের বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় গর্বের একটি বিষয়। আমরা চাই এমন আরও আবুবকর হানিপ বাংলাদেশে তৈরি হোক আর সে কারণেই আমাদের পারষ্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়টির দক্ষতানির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা যা ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে একটা ইকোসিস্টেম তৈরিতে কাজ করছে, সে কথা উল্লেখ করে বিকর্ণ ঘোষ বলেন, এই বিষয়টিই এখন শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশেও শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন প্রায়োগিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ডব্লিউইউএসটি-কে আহ্বান জানাতে চায়, যেনো এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশেও তারা নিয়ে যেতে পারেন এবং সে জন্য বাংলাদেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় জমি দিতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এমন একটি সুযোগ ডব্লিউইউএসটি'র জন্য একটি বড় পাওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়তে আসছেন তাদের ভবিষ্যত সময়ের উপযোগী শিক্ষা ও দক্ষতা দিয়ে তৈরি করা হয়। যাতে তারা শিক্ষা শেষে যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্বের উন্নত জব মার্কেটে ঢুকতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে যে শিক্ষার্থীরা আসছেন তাদের নিয়ে তার বড় স্বপ্ন হচ্ছে- এদের কেউ কেউ একদিন অ্যামাজন, গুগল, সিসকো, ফেসবুক, টুইটারের মতো ফরচুন ওয়ান হান্ড্রেড কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায়ের পদগুলোতে আসীন হবেন।"ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-ডব্লিউইউএসটি'র শিক্ষকরা একাধারে স্কলার ও প্র্যাকটিশনার, যাদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে রয়েছে ন্যুনতম চার বছর থেকে ত্রিশ বছর পর্যন্ত কর্মদক্ষতার অভিজ্ঞতা। এই শিক্ষকদের কাছ থেকে শিখে শিক্ষার্থীরা যখন কর্মজগতে প্রবেশ করবে তখন তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।"  একটি সময়ে আমরা এই ঘোষণাই দিতে সক্ষম হবো, যখন আমরা বলতে পারবো ডব্লিউইউএসটিতে পড়াশোনা শেষ করলে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত ভালো কাজ পেয়ে যাবে, তখন আমরা 'নো জব নো টুইশান' ঘোষণা করতে পারবো, বলেন একজন আত্মবিশ্বাসী আবুবকর হানিপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পদ্ধতি, এর শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকার ও ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডব্লিউইএসটি, পুরাতন আইজিইউ'র শিক্ষা পদ্ধতিটি ইউনিক। এবং এই সময়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজনীয়। তিনি বলেন, এটি একটি ক্যারিয়ার ওরিয়েন্টেড ইউনিভার্সিটি। আমরা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা দিয়ে তৈরি করি। শিক্ষার্থীরা ডব্লিউইউএসটিকেই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেছে নেবে। তা ছাড়াও এটি সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো থেকে অনুমোদিত এবং অ্যাক্রিডিটশন প্রাপ্ত। অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন শিক্ষাপদ্ধতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষকরা তাদের শেখান ও তৈরি করেন, এটাই আইজিইউ'র বর্তমান ডব্লিউইউএসটির মূল পদ্ধতি। মো. হুমায়ুন কবিব বাবলু তার বক্তৃতায় ডব্লিউইউএসটির শিক্ষাক্রম, এর পরিচালন পদ্ধতি এবং পাঠদান পদ্ধতির প্রশংসা করেন। একজন বাংলাদেশি আমেরিকানের নেতৃত্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে যা তাকে গর্বিত করে বলে তিনিও তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। একই কথা বলেন ভার্জিনিয়াস্থ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী জামান। তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্র বসবাসকারী প্রতিটি বাংলাদেশির জন্য একটি গর্বের বিষয়। মো. মেহেদি হাসান আবু হানিপের প্রশংসা করে বলেন, এমন একটি উদ্যোগ তাকেও গর্বিত করে।ফারহানা হানিপ তার বক্তৃতায় সকলকে ধন্যবাদ জানান ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক ও সাংবাদিক মাহমুদ মেনন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষাপদ্ধতি এতটাই ভিন্নরকম যে এখানে শিক্ষার্থীরা আনন্দ নিয়ে শিখতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ইন্ডাস্ট্রির দক্ষতা নিয়ে এখানে পড়ান, সে কারণেই এই পদ্ধতি অনেক বেশি কার্যকর। বাংলাদেশে এই শিক্ষাপদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন প্রয়োজন বলেও তিনি মত দেন। 

post
শিক্ষা

আইগ্লোবাল পাল্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হলো ডব্লিউইউএসটি

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি-আইজিইউ'র এখন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি হিসেবে নতুন নামকরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ মে) এই পরিবর্তনের কথা জানিয়ে প্রেস স্টেটমেন্ট দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কে বার্ক। তিনি জানিয়েছেন, নামের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বার্ক জানান, ভার্জিনিয়ার হায়ার এডুকেশন কাউন্সিল- এসসিএইচইভি'র সনদপ্রাপ্ত এবং অ্যাক্রেডিটেটিং কমিশন অব ক্যারিয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজেস (এসিসিএসসি) থেকে অ্যাক্রেডিটেড বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন থেকে নতুন নামেই পরিচিত হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিয়ার আবুবকর হানিপ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন মিশন ভিশন ও উদ্দেশ্য একই থাকবে। এবং আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা নির্ভর, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সারা বিশ্ব থেকে এসে শিক্ষার্থীরা যেনো এখান থেকে সময়োপযোগী শিক্ষা ও জ্ঞান লাভ করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট, বলেন তিনি।  আইজিইউর পুরোনো ধারাটিকে অক্ষুণ্ণ রেখে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করে দক্ষতাভিত্তক কর্মশক্তি তৈরিতে সচেষ্ট থাকবে ডব্লিউইউএসটি, বলেন ড. বার্ক। শিক্ষার্থীরা আমাদের সর্বোচ্চ প্রাধান্য, এমনটা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের জীবনটাকে বদলে দিতে ও সঠিক পথে পরিচালিত করতে কাজ করছি। ডব্লিউইউএসটি-তে আমরা শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা সকলেই এই পরিবর্তন আনতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি, বলেন ড. হাসান কে. বার্ক। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনকৃত এই ডব্লিউইউএসটি থেকে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে এমবিএ, এমএসআইটি, এমএসসিএস, বিএসবিএ এবং বিএসআইটি ডিগ্রি লাভের সুযোগ। এখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য ফেডারেল স্টুডেন্ট এইড'র অনুমোদন রয়েছে। এফ-১ ভিসার আওতায় যোগ্য ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা এখানে পড়তে আসতে পারে, ফলাফলভিত্তিক বৃত্তির মাধ্যমে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রদফতরের অনুমোদন ক্রমে এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ বিনিময় করতে পারে জে-১ ভিসার আওতায়। এছাড়া ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর স্টেট অথরাইজেশন রেসিপ্রোসিটি এগ্রিমেন্ট (এনসি-এসএআরএ)'র আওতায় অভ্যন্তরীণ ও এসএআরএ অনুমোদিত দেশগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা অনলাইন কোর্সে অংশ নিতে পারেন। এছাড়াও ভার্জিনিয়া স্টেট অ্যাপ্রুভিং এজেন্সি'র মাধ্যমে শিক্ষাসুবিধা জিআই বিল (আর) প্রদানেরও অনুমতি রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। 

post
শিক্ষা

খুলে গেলো সম্ভাবনার দুয়ার, আইজিইউ'র স্প্রিং কোয়ার্টারের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্প্রিং কোয়ার্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো ৩০ মার্চ (বুধবার)। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন কয়েক শ' শিক্ষার্থী। বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের ছয় শতাধিক ছাত্রছাত্রী এখন পড়াশোনা করছেন আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাদের মধ্যে নতুন সিমেস্টারে যোগ দিয়েছেন দুই শতাধিক শিক্ষার্থী। আগামী ৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২২ এর স্প্রিং কোয়ার্টার। অনলাইন প্লাটফর্মে হলেও এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো নানা আয়োজন। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় র্কতৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরেন আইগ্লোবালের সার্বিক চিত্র। শিক্ষার্থীদের ধারনা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান থেকে শুরু করে নানা সুযোগ সুবিধা ও নিয়ম নীতির বিষয়ে। আইজিইউর চ্যান্সেলর বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ শিক্ষার্থীদের প্রতি লেখাপড়ায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষার্থীরা যখন তাদের কর্মজগতে যোগ দেবে তখন তাদের সামনে খুলে যাবে অনেক বড় সম্ভাবনার দুয়ার। লক্ষ্যে পৌছাতে প্রত্যেককে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগুনোর পরামর্শ দিয়ে আবুবকর হানিপ বলেন, লেখাপড়ায় ভালো গ্রেডই তৈরি করতে পারে ভালো সম্ভাবনা। লেখাপড়ার বিষয়টিকে গুরুত্বহীন করে তুলে কেউ যদি আয় উপার্জনে ঝুঁকে পড়ে কিংবা বিকল্প কোন পথে হাঁটে তাহলে ভিসা ‌স্ট্যাটাস হারিয়ে সমূহ বিপদের মুখে পড়তে হবে, শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে দেন চ্যান্সেলর। কয়েকটি উদাহরণ সামনে এনে আবুবকর হানিপ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অনেকে পড়াশোনাকে সঠিকভাবে গুরুত্ব না দেয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিক ডিগ্রি নেবার পরও কোন চাকুরি জুটছে না। আর যুক্তরাষ্ট্রের আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী ওপিটি বা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ না পেলে হয় অন্য কোথাও পড়াশোনা করেত করতে হবে নয়তো দেশে ফিরে যেতে হবে। সুতরাং এখনই উপার্জনকে গুরুত্ব না দিয়ে লেখাপড়ায় মন দিলে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে সফলতা এমনিতেই আসবে, বলেন তিনি। আইজিইউর কারিকুলাম একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি ইকোসিস্টেম সৃষ্টি করে দক্ষ কর্মশক্তি তৈরিতেও সচেষ্ট এমনটা উল্লেখ করে চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ বলেন, ছাত্রছাত্রীদের সুন্দর ও সফল ভবিষ্যত কথা ভেবে একটি ইউনিক শিক্ষাপদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে আইগ্লোবালে। যা সুসম্পন্ন করলে শুধু আমেরিকায় নয় বিশ্বের যে কোন প্রান্তে স্বপ্নের চাকরি পাওয়া সম্ভব হবে। আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, অন্য বিশ্ববিদ্যালয় সাথে আইগ্লোবালের পার্থক্য বেশ কয়েকটি বিষয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো এটি স্কিল-বেজড একাডেমিক বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে পড়াশোনার খরচ যেমন কম তার পাশাপাশি রয়েছে কয়েক ধরনের স্কলারশিপ। এছাড়া অনলাইন, অফলাইন দুইভাবে এখানে পড়াশোনা করার সুযেগা রয়েছে। কেউ চাইলে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনের মাধ্যেম আইগ্লোবাল থেকে পরিপূর্ণ ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন। নতুন কোয়ার্টারে অনেক শিক্ষার্থী পরিবার পরিজন ছেড়ে বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পড়তে এসেছে। নতুন জায়গা নতুন পরিবেশ অনেকের মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে, কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে যেতে পারে, পরিবারকে মিস করবে, একেবারে নতুন সাবজেক্ট হওয়ায় বুঝতে কঠিন হবে, বিষয়গুলো আমাদের ভাবনায় রয়েছে, বলেন ড. হাসান কারাবার্ক। এমন কোন পরিস্থিতিতে পড়লে ছাত্রছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি। এবং বলেন, শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় পাশে থাকবে । আইজিইউ প্রেসিডেন্ট আরও জানান, কারিকুলামে বেশ কিছু স্কিল ডেভোলপিং প্রোগ্রাম রয়েছে। যার জন্য নতুন আইটি ল্যাব তৈরি করা হয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থী হাতে কলমে দক্ষতাগুলো শিখে নিতে পারবে। এখানে সম্ভাবনা অপরিসীম তবে তার জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হবে এবং অধ্যাবসায়ী হতে হবে, বলেন আইজিইউ প্রেসিডেন্ট। আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ফারহানা হানিপ ছাত্রছাত্রীদের যে কোন সমস্যার কথা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানানোর পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এখানে পড়তে আসার পর অনেকে অনেকরকম পরামর্শ দিবে। তার মধ্যে ভালো মন্দ অনেক কিছুই থাকবে। এসব শুনে নতুন শিক্ষার্থীরা মিসগাইডেড হয়। ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। তাই তারা যেনো যে কোনো পরামর্শের জন্য সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরণাপন্ন হন, বলেন সিএফও। ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক রীতিপদ্ধতির উপর আলোচনা হয়। শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব এজেন্ডাগুলো সামনে নিয়ে আসেন আইজিইউর স্কুল অব বিজনেস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক এল রবিনসন। আইগ্লোবাল কোন লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে পাশে থাকবে সেসব বিষয়ে আলোকপাত করেন তিনি। এ পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কলারশিপের সুযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন অধ্যাপক মার্ক। স্কুল অব আইটি'র পরিচালক ড. অ্যাপোসটোলস এলিয়োপলস শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের সফলতার দ্বারে পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য। তার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের পড়াশোনার নানা ধরন পরীক্ষার মান বন্টনের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন ড. অ্যাপোসটোলস। অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসগুলো কখন কিভাবে অংশ নিতে হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম আইগ্লেবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয়ার নিয়ম, প্লাজারিজম এর ব্যাপারে কঠোরতার দিকগুলো উপস্থাপন করেন। এডমিশন ম্যানেজার সারাহ হেদায়েত স্টুডেন্ট ভিসায় আসার পর একজন শিক্ষার্থীকে যে সব নিয়ম মানতে হয় সে বিষয়ে সম্যক ধারনা দেন। ভর্তি পদ্ধতি, বিষয় পরিবর্তন, লাইব্রেরি ও আইটি ল্যাবের ব্যবহার সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্রে বিধি অনুযায়ী যে ওপিটি ও সিপিটি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে সে বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন সারাহ হেদায়াত। এই আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সেলিন ইয়েগিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই কোয়ার্টার কমপ্লিট করা ছাত্রী অমুওনমি সেকিরাত নিজের অভিজ্ঞতা অরিয়েন্টেশনে শেয়ার করে নানা পরামর্শ রাখেন। অরিয়েন্টেশনের শেষ পর্বে ছিলো প্রশ্নোত্তর পর্ব। সেখানে নবাগত ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন। তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ও কর্মকর্তারা। করোনার কারণে আইগ্লোবালের ক্লাসগুলো হাইব্রিড পদ্ধতিতে চলবে। ক্লাসসমূহের কিছু কিছু অফলাইনে এবং অধিকাংশই অনলাইনে সম্পন্ন হবে। কোয়ার্টারের ৬ষ্ঠ এবং নবম সপ্তাহের ক্লাসগুলোতে শিক্ষার্থীরা সশরিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অংশ নিতে পারবে বলে অরিয়েন্টেশনে জানানো হয়।

post
শিক্ষা

পহেলা ফাল্গুনে পিপলএনটেকের বিভিন্ন কোর্সে ৫০% স্কলারশীপ

পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক দিচ্ছে বিভিন্ন কোর্সে ৫০% স্কলারশীপ। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসে এক পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজন রসিক বাঙ্গালীর এতিহ্যের সাথে যেন মিশে আসে গ্রামের বিভিন্ন পিঠার নাম। শীত শুরু থেকেই যেন পিঠার ধুম পরে গ্রামে গ্রামে। শহুরে জীবনে যেন অনেকটা অপরিচিত এই দৃশ্য। তাই আগামীকাল সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকের পান্থপথ ক্যাম্পাসে বাঙ্গালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এ পিঠামেলা। মেলায় পিপলএনটেক শিক্ষার্থীদের জন্য আইটির ৫০টির বেশি কোর্সে ৫০% পর্যন্ত স্কলারশিপ দেওয়া হবে। জানা গেছে, পিঠা মেলায় ঘুরতে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভালপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং সার্ভার, লারাভেল, এএসপিডটনেট,পাইথন, ডাটাবেজ, নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্টেশনসহ প্রায় ৫০টির বেশি কোর্সে থাকছে এ ৫০% স্কলারশীপ। মেলা চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এ ছাড়ের রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/QhDtuBFUYf5Zv5tZA আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারবে ০১৭৯৯৪৪৬৬৫৫, ০১৮৮৫৯৮১২৫০ নম্বরে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.