post
শিক্ষা

১০ ব্যাংকের নিয়োগ পরিক্ষা স্থগিত

দেশের ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামের সাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমেও পরীক্ষা স্থগিতের তথ্য জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, ‘আগামী ২৩ ডিসেম্বর তারিখের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয়ের সদস্যভুক্ত ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২০২১ সালভিত্তিক অফিসার এর ২ হাজার ৭৭৫টি শূন্যপদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিতব্য প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।’ পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময় যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিসার পদে ২ হাজার ৭৭৫ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকে এক হাজার ৫৪টি, জনতা ব্যাংকে ৩০২টি, অগ্রণী ব্যাংকে এক হাজার, রূপালী ব্যাংকে ১৫টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৩৫টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ২৭৫টি, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ২৪টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ১৯টি, কর্মসংস্থান ব্যাংকে ৪৫টি এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশে ৯টি শূন্যপদ রয়েছে।

post
শিক্ষা

চট্টগ্রামে ২৬ দিনব্যাপী সরকারি কর্মকর্তাদের 'ফান্ডামেন্টাল ট্রেনিং' কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত

আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, চট্টগ্রামের আয়োজনে সরকারি কর্মকতা-কর্মচারীদের (১০-১২ গ্রেড) মৌলিক বিষয়ক শীর্ষক প্রশিক্ষণ' 'ফান্ডামেন্টাল ট্রেনিং কোর্সের' সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।৩০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়মনীতি অনুসরণ, বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ,  প্রেজেন্টেশন ও এসাইনমেন্ট তৈরির মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরষ্কার ও সনদ প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে পুরষ্কার ও  সনদ প্রদান করেন আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি সেক্রেটারি মনোয়ারা বেগম।প্রশিক্ষনার্থীদের উদ্দেশ্যে মনোয়ারা বেগম বলেন, `২৬ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের যে বিষয়বস্তু নিয়ে কোর্স মডিউলে যে আলোচনা হয়েছে এগুলো যদি প্রশিক্ষনার্থীরা তাদের স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করে তাহলে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে সহায়ক হবে।'এছাড়াও প্রশিক্ষণ পরিচালক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চট্টগ্রাম,সহকারী পরিচালক ও সিনিয়র সহকারী সচিব নূর-এ জান্নাত রুমি।গত ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চট্রগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন সরকারি কর্মকতাদের নিয়ে মৌলিক বিষয় জানা সম্পর্কিত শীর্ষক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেন চট্রগ্রাম লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।কেন্দ্রের অনুষদ সদস্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ অতিথি বক্তাগণ প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন।প্রশিক্ষনার্থীরা কর্তৃপক্ষের নিকট এই প্রশিক্ষণের সময়সীমা দীর্ঘায়িত করার আবেদন জানায়।প্রশিক্ষণে কোর্স মূল্যায়ন,সহানুভূতি তৈরি, বই পর্যালোচনা উপস্থাপনা, সরকারি কর্মচারীদের পদ্ধতি, শিষ্টাচার, আচরণ, নৈতিকতা এবং পোষাক, দুর্নীতি প্রতিরোধে ধর্মীয় মূল্যবোধ, সরকারি চাকরি আইন, সরকারি কর্মচারীদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

post
শিক্ষা

হরতাল-অবরোধে ভোগান্তির প্রতিবাদে বিভিন্নস্থানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিরাপদ পরিবেশে স্কুলে যাওয়া ও যথাসময়ে পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে তারা মানববন্ধন অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সহমত জানিয়েছেন শিক্ষকরাও। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে, তেজগাঁও আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ, তেজগাও মডেল স্কুল,নাখালপাড়া হোসেন আলি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা,হরতাল অবরোধের প্রতিবাদে, নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা ও যথাসময়ে পরিক্ষা দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেন। শিক্ষার্থীদের দাবীর সাথে সহমত জানিয়েছেন শিক্ষকরাও। স্কুলে যেতে সড়ক পথে প্রায়ই শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মসূচীর কারনে নির্দিষ্ট সময়ে পরিক্ষা দিতে পারেনা শিক্ষার্থীরা। তাই তাদের নিরাপদ ভবিষ্যতের কথা ভেবে, এসব রাজনৈতিক কর্মসূচী থেকে বিরত থাকার আহবান জানান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

post
শিক্ষা

উন্নয়নের ছোঁয়ায় সিরাজগঞ্জের স্মার্ট ক্লাসরুমে চলছে পাঠদান

সরকারের নেয়া উন্নয়ন কর্মসূচিতে বদলে গেছে সিরাজগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র। জরাজীর্ণ শ্রেণীকক্ষ আর টিনশেড ভবনের পরিবর্তে তৈরী করা হয়েছে অত্যাধুনিক ভবন। নানা সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি স্মার্ট ক্লাস রুম আর আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জামে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে দারুন এক শিক্ষার পরিবেশ। ফলে বিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। সিরাজগঞ্জ শহরের যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মল্লিকা ছানাউল্লাহ আনছারী উচ্চ বিদ্যালয়। রামগাতি গ্রামে ৪ টি টিনের ঘর নিয়ে শুরু হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীও ছিল কম।তবে সময়ের ব্যাবধানে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে নবনির্মিত বিদ্যালয় ভবন বদলে দিয়েছে এর চেহারা। স্মার্ট ক্লাসরুমসহ দেয়া হয়েছে আধুনিক সব শিক্ষা সরঞ্জামও। এদিকে, শিয়ালকোল ইউনিয়নের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার পরিবেশও এখন উন্নত হয়েছে, বেড়েছে শিক্ষার্থী সংখ্যা। শুধু এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, জেলার প্রায়সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিসিটিভির আওতায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এছাড়ারাও বহুতল ভবনে ডিজিটাল ল্যাব, কিশোরীক্লাব নিশ্চিত করছেন জেলা শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানের তথ্যমতে,বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদে ৩৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ কাজ শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নে শিক্ষা ব্যবস্থাই পরিবর্তন হয়ে বলে জানান,সিরাজগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না।জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ৭২৯টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ ও নানা আধুনিক সুযোগ সুবিধা ।

post
শিক্ষা

বর্ণিল আয়োজনে সম্পন্ন ডব্লিউইউএসটির সমাবর্তন ২০২৩, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের শুভেচ্ছা

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের একটি শুভেচ্ছাপত্র পেলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র গ্রাজুয়েটেড শিক্ষার্থীরা। শনিবার ১৭ জুন ছিলো এই গ্রাজুয়েশন সেরিমনি। ক্লাস অব টোয়েন্টি টোয়েন্টিথ্রি। গাউন ও হ্যাট পরে শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশন প্যারেডে অংশ নেন। আর গ্রহণ করেন গ্রাজুয়েশন সনদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৬ জন শিক্ষার্থী পেলেন এই সমাবর্তন।এক আলোঝলমল বিকেলে ভার্জিনিয়ার জর্জ সি মার্শাল হাইস্কুল প্রাঙ্গণটি ভরে উছেছিলো কালো ও কমলার গাউন পরা নব্য গ্রাজুয়েটদের আনাগোনায়। আর অভ্যাগত অতিথিরা পরে ছিলেন কালোর সঙ্গে আর হরেক রঙ মিশিয়ে- কোনোটি নীল, কোনটি মেজেন্টা কিংবা লাল। সব মিলিয়ে এক বর্ণিল গ্রাজুয়েশন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা বহন করে এনেছিলেন তারই সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বব জে ন্যাশ। চিঠিতে সাবেক ইউএস প্রেসিডেন্ট ডব্লিউইউএসটির কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। ডব্লিউইউএসটি যেভাবে শিক্ষার সেবা দিয়ে যাচ্ছে এই সেবা যেন অব্যাহত থাকে তার আহ্বান জানান। আর গ্রাজুয়েটড শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "পরিবর্তনশীল পৃথিবীটাকে সঠিক পথ ধরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব এখন আপনাদের।" সমার্তন শুরু হয় দুপুর ২টায়। তখন গাউনধারী শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশন প্যারেড করে নির্ধারিত নিজ নিজ আসনে বসেন। ওদিকে আগে থেকেই মঞ্চ ততক্ষণে ঝলমল গুরুত্বপূর্ণ সকল উপস্থিতিতে। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ, শিক্ষকরাও। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব। এরপর মঞ্চে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ। তুলে ধরেন তার জীবনের গল্প। সাফল্যের পথটি যে নয় মসৃণ। সেখানে কত থাকে উত্থান-পতনের গল্প তা তুলে ধরেন। আনুষ্ঠানিক সমার্বতন বক্তৃতায় তিনি গ্রাজুয়েটেড শিক্ষার্থীদের উদ্যেশ্যে বলেন, জীবনের প্রকৃত যুদ্ধ এখান থেকেই শুরু, একটা দৃঢ়চেতা মন নিয়ে অব্যহত চেষ্টাই পারবে জীবনের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে। সমাবর্তনে প্রধান অতিথি ও কি-নোট স্পিকার ছিলেন সাবেক ইউএস রিপ্রেজেন্টেটিভ জিম মোরান। তার উপদেশমূলক বক্তব্য মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শোনেন শিক্ষার্থী তথা অভ্যাগত অতিথিরা। নিয়মিত শারিরিক ব্যায়াম করা, প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা, এবং নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ রাখেন তিনি। গেস্ট স্পিকার ছিলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সের স্টেট সিনেটর চ্যাপ পিটারসেন। মাস্টার্স সম্পন্ন করা গ্রাডুয়েটদের তাদের শিক্ষার আলো নানা ভাবে সর্বত্র ছড়িয়ে দেবার আহবান জানান। তিনি বলেন, ডাইভারসিটিই যুক্তরাষ্ট্রের সেরা সৌন্দর্য। একজন প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে আবুবকর হানিপ এখানে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছেন যা আমাদের গৌরবান্বিত করে, বলেন চ্যাপ পিটারসেন। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির গ্রাজুয়েটদের এবং কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানান ইউএস সেনেট মেজোরিটি লিডার চ্যাক শুমার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সকল সেক্টেরেই রয়েছে শিক্ষার্থীদের সুযোগ, এই সুযোগকে কাজে লাগাতে এগিয়ে যেতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেটা পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেন সেনেটর চাক শুমার। ভিডিও বার্তা পাঠান কংগ্রেস ম্যান গ্যারি কন্নলী ও কনগ্রেস উইম্যান গ্রেস মেং। অনুষ্ঠানে অভ্যাগত অতিথি হয়ে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে স্বীয় ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত অন্য আরও অনেক বাংলাদেশি-আমেরিকান। যারা এই গ্রাজুয়েশন-কনভোকেশনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি-আমেরিকান জর্জিয়ার ডেমোক্র্যাট স্টেট সেনেটর শেখ রহমান তুলে ধরেন তার জীবনে গল্প। একটি বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি তার জীবনটাকে কিভাবে বদলে দিয়েছে তা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে। টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্যে তুলে আনেন কতগুলো ডিগ্রি তাকে নিতে হয়েছে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে, নেতৃত্বের দিকে এগিয়ে নিতে। আইটি বিশেষজ্ঞ ও আইটি উদ্যোক্তা ড. ফয়সাল কাদির নব্য গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন পরবর্তী করণীয় দিকগুলো। প্রকৌশল উদ্যোক্তা ও ফিলানথ্রপিস্ট, মোলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি সৈয়দ জাকি হোসেন বলেন, অসীম সম্ভাবনা দেশ এই যুক্তরাষ্ট্র। শিক্ষার্থীদের সামনে রয়েছে অপার সুযোগ। বক্তব্য রাখেন ডব্লিউইউএসটির উপদেষ্টা মো: মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা মো: সিদ্দীক শেখ। বিশ্ববিদ্য্যলয়ের সিএফও ডব্লিউইউএসটির সিএফও ফারহানা হানিপ শিক্ষাউদ্যোগে তার পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভর্সিট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারকেই খুঁজে পাবে এই ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্কুল অব বিজনেসের কেলি ডি আলসেন্টারা এবং ইনফরমেশন টেকনোলজিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করে সনদপ্রাপ্ত অফুনি এডা আগাডা। তারা তাদের এগিয়ে যাওয়ার উদ্দীপনার কথা তুলে ধরেন। যা তারা পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টিদের কাছ থেকে। পরে একে একে শিক্ষার্থীদের মাঝে তাদের গ্রাজুয়েশন ডিগ্রির সনদ তুলে দেওয়া হয়। প্রথমেই মঞ্চে আসে স্কুল অব আইটির গ্রাজুয়েটরা। এই স্কুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. পল এপোস্টোলস আগাসপোলস শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন। আর স্কুল অব বিজনেসের গ্রাজুয়েটদের সনদ দেন এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন। শিক্ষার্থীরা সনদ নিয়ে ছবি তোলার সুযোগ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবুবহর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের সঙ্গে।পরে সনদ হাতে শিক্ষার্থীরা নিজ আসনে বসলে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রিপ্রাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করেন ড. হাসান কারাবার্ক। শিক্ষার্থীরা তাদের গ্রাজুয়েশন হ্যাটে ট্যাসলটি ডান দিক থেকে বাম দিকে সরিয়ে দিয়ে গ্রাজুয়েশন রিচুয়াল শেষ করে। আর এর পরপরই সেই অনন্য দৃশ্য। শিক্ষার্থীরা তাদের হ্যাট খুলে ছুঁড়ে মারে উপরে আর মেতে ওঠে আনন্দ উদযাপনে। যা শেষ হয় ফটো সেশনের মধ্য দিয়ে। সনদ বিতরণ শেষে অভ্যাগত অতিথিরা যোগ দেন কনভোকেশন ডিনারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম, ড. শ্যান চো, অ্যাসোসিয়েট ডাইরেক্টর ড. হুয়ান লি ছাড়াও শিক্ষকদের অনেকেই অংশ নেন এই কনভোকেশনে। মাস্টার অব দ্য সেরিমনি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা র্যাচেল রোজ। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জি. আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ- বিবিএ কোর্সে বর্তমানে প্রায় ১৫'শো শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। যার মধ্যে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে ৬শর মত। বিশ্বের ১২১ দেশের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যয়নরত রয়েছেন।

post
শিক্ষা

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ড. সাজ্জাদকে পিপলএনটেকের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির কর্মকর্তারা।৬ জুন (মঙ্গলবার) দুপুর ১টায় রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কার্যালয়ে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ প্রমুখ। এরআগে, দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য নির্বাচিত হন ড. সাজ্জাদ হোসেন। সোমবার (৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব ড. মো: ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ২ (বি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘পিপল এন টেক’ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন ।প্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন ১৯৬৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে। পড়াশুনা করেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং এর পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাশিয়ার বিখ্যাত মস্কো টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লেখা ‘প্রোগ্রামিং ইন সি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

post
শিক্ষা

শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রির সাথে কর্মক্ষেত্রের সামঞ্জস্য থাকা উচিত: ইউজিসি

দেশের সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রি তাঁদের শিক্ষাদান বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মনে করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।‘শিক্ষক কর্তৃক পিএইচডি অভিসন্দর্ভ ও শিক্ষাদান সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সামঞ্জস্য নিরূপণ’ শীর্ষক একাডেমিক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।বিভিন্ন সরকারি স্কুল ও কলেজের ১১ জন শিক্ষকের পিএইচডি অভিসন্দর্ভ মূল্যায়নপূর্বক শিক্ষাদান সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সাথে অর্জিত ডিগ্রির সামঞ্জস্য নিরূপণে মঙ্গলবার ইউজিসি এই একাডেমিক সেমিনারের আয়োজন করে।অনুষ্ঠানে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুর রশিদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুল আলম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল হালিম, প্রফেসর ড. রুবিনা খান ও প্রফেসর ড. আখতার হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জালাল আহাম্মদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. বশির আহমেদ, প্রফেসর ড. আলমগীর কবির ও প্রফেসর ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আশরাফুল আলম এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিল্টন বিশ্বাস অংশগ্রহণ করেন। ইউজিসি’র গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দেশে গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন তাদের কর্মক্ষেত্রের সাথে সামঞ্জস্য কিনা সেটি যৌক্তিকতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়। আর্থিক বিষয় যুক্ত হওয়ায় এক্ষত্রে স্বচ্চতা নিশ্চিত করা দরকার।তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোন বিকল্প নেই। গবেষণা ও উদ্ভাবন দরকার দেশের প্রয়োজনের নিরিখে। শিক্ষকদের অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রি জাতির কোন কল্যাণে আসছে কিনা সেটি দেখতে হবে। ইউজিসি বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রির সামঞ্জস্য নিরূপণ সুচিন্তিতভাবে করা হবে বলে তিনি জানান।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রত্যেক গবেষকের একাডেমিক প্রোফাইল ও গবেষণার তথ্য ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করার প্রয়োজন। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন বৃদ্ধির জন্য গবেষকদের উৎসাহ প্রদান করা জরুরি। এছাড়া, দেশি ও বিদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহ গবেষণার তথ্য ব্যবহার করে বাংলাদেশে যেন বিনিয়োগে আকৃষ্ট হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, দেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা ও গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ইউজিসি কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈদেশিক স্কলারশিপের জন্য প্রথম পর্যায়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া, গবেষণায় এ বছর বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে যার পরিমান ১৭৪ কোটি টাকা।ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীন সিরাজ- এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

post
শিক্ষা

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য হলেন ড. সাজ্জাদ হোসেন

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন। সোমবার (৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব ড. মো: ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ২ (বি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘পিপল এন টেক’ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন । প্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন ১৯৬৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে। পড়াশুনা করেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং এর পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাশিয়ার বিখ্যাত মস্কো টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লেখা ‘প্রোগ্রামিং ইন সি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

post
শিক্ষা

বাংলাদেশে কাল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা

আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের এসএসসি (মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট) ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর সব বিষয়েই এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা দেবে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলবে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সৃজনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে আগের মতোই। গত ২০ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করে।

post
শিক্ষা

চ্যাটজিপিটি মানুষের বিকল্প নাকি সহায়ক, কি থাকছে চ্যাটজিপিটিতে

চ্যাট জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইনড ট্রান্সফরমার সংক্ষেপে যাকে বলে চ্যাটজিপিটি। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। প্রযুক্তির নতুন বিস্ময়। এই চ্যাটজিপিটির কারণে সবাই নড়েচড়ে বসেছে। নতুন করা ভাবতে হচ্ছে অনেক কিছু।চ্যাটজিপিটি হলো একটি শক্তিশালী মেশিন লার্নিং মডেল অর্থাৎ। ওপেন এআই নামের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করেছে। চ্যাটজিপিটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের মতো লেখা বা টেক্সট তৈরি করার ক্ষমতা। এর মানে হলো, কোনে একটি বিষয়ে একজন মানুষ যেমন প্রত্যুত্তর দিতে পারে, চ্যাটজিপিটি সে রকমই জবাব লিখে জানাতে পারে। ২০১৫ সালে ইলন মাস্ক ও স্যাম অল্টম্যান শুরু করেছিলেন এই চ্যাটবট তৈরি করার কাজ। কিন্তু ২০১৮ সালে ইলন মাস তার স্পেসসেক্স এবং টেসলায় বেশি সময় দেবার জন্য ওপেন এ আই এর কাজ থেকে সরে আসে। ওপেন এ আই এর কাজে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও বিনিয়োগকারী এবং পরামর্শ কার হিসেবে রয়ে যায় কোম্পানিটির সাথে। ২০২০ সালের শেষের দিকে এআইটি স্বরূপে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। গত বছরের ২০২২ নভেম্বরে এটি চালু করা হয়। চ্যাটজিপিটি যে কোনো প্রশ্নের উত্তর গুগলের চেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। সেদিক থেকে বলা যায়, গুগলের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এই এআইটি। নতুন এ প্রবর্তন চ্যাট জিপিটি যা মানুষের ভেতরে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। উন্মোচনের দুই মাসের মধ্যেই গ্রাহক অ্যাপ্লিকেশনের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ব্যবহারকারী বৃদ্ধির রেকর্ড করেছে চ্যাটজিপিটি। জানুয়ারি মাসের মধ্যে এটি ১০ কোটি গ্রাহকের মাইলফলকে পৌঁছিয়েছে। ১লা জানুয়ারি বুধবার বিশ্লেষক সংস্থা ‘ইউবিএস’-এর এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতেই ১০ কোটি মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছুঁয়েছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবট। যে মাইলফলক ছুঁতে ইনস্টাগ্রামের লেগেছিল আড়াই বছর। আর টিকটকের লেগেছিল নয় মাস। জানুয়ারিতে দৈনিক প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ ব্যবহারকারী চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছেন, যা ডিসেম্বরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এতে বিস্ময় প্রকাশ করে ইউবিএস বিশ্লেষকরা বলেছেন, ‘ইন্টারনেটের গত ২০ বছরের ইতিহাসে আমরা কোনো গ্রাহক ইন্টারনেট অ্যাপকে এতটা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে দেখিনি।’ চ্যাটজিপিটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু ফিচার। চ্যাটজিপিট প্রযুক্তি নতুন এমন এক আবিস্কার কেউ যদি ভুল ইনফরমেশন দিলেও আপনাকে সঠিক করে দিতে পারে। এমনকি প্রগরামিংয়ের যে কোন কোড ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে লিখে দিতে পারে। রচনা লেখা থেকে শুরু করে গানের লিরিক্স লেখা, গল্প লেখা, গবেষণা পত্র এমনকি কবিতা লিখতেও নির্দেশ দেওয়া যাবে এই চ্যাটবটকে। চ্যাট জিপিটির প্রবর্তনে মানুষ অবাক বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে কি ঘটতে যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে, কতটা সহজ হয়ে যাচ্ছে সব কিছু। এই ফলে কর্মজগতে মানুষের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাড়াবে। মানুষের স্থলে কিছুদিন পর কি এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বাজার দখল করে নিবে কিনা সেই শঙ্কা দেখা দিয়েছে মানুষের মনে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.