post
শিক্ষা

কোন কফির কী নাম জানেন কি

আজ জানব বিভিন্ন ধরনের কফির নাম এবং বিস্তারিত, যেন পরেরবার কোনো দ্বিধা ছাড়াই নিজের জন্য সঠিক কফিটি বেছে নিতে পারেন।এসপ্রেসো কফিকফিভক্তদের মধ্যে অনেক জনপ্রিয় এই কফিটি মূলত সামান্য গরম পানিতে গাঢ় কফির মিশ্রণ। যেহেতু এতে কফির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে তাই এটি অল্প পরিমাণে পরিবেশন করা হয়। অনেক কড়া ও এই তেতো স্বাদযুক্ত কফিটি আপনাকে অনেকক্ষণ চাঙা রাখতে সাহায্য করবে। বেশিরভাগ মানুষ এটি স্বাদের জন্য নয়, কাজের জন্য পুরোপুরি উদ্যম নিয়ে আসতে খেয়ে থাকেন। আপনি যদি আয়েশ করে কফি খেতে চান উপভোগের জন্য, তাহলে এটি আপনার জন্য নয়। ক্যাপুচিনোআপনি কফিভক্ত হোন বা না হোন, ক্যাপুচিনোর নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। মূলত এসপ্রেসোভিত্তিক এই কফিটির নাম এসেছে অস্ট্রিয়ার কাপুজিনার থেকে। সবার পছন্দের এই কফি বানানোর জন্য প্রথমে সমপরিমাণ দুধ এবং ফোম মেশানো হয়। এরপর তা এক তৃতীয়াংশ এসপ্রেসোর মধ্যে ঢেলে দিতে হয়। অন্যান্য দুধসহ কফির তুলনায় এটি একটু কড়া হয়ে থাকে। যারা একটু কড়া দুধ কফি পছন্দ করেন তাদের জন্য সঠিক পছন্দ হতে পারে এটি। লাতে ইতালিয়ান শব্দ লাতের অর্থ 'মিল্ক কফি'। যারা দুধসহ কফি চান কিন্তু বেশি কড়া কফি খেতে চান না,তারা ক্যাপুচিনোর বদলে লাতে বেছে নিতে পারেন। লাতেএই কফিতে বেশি পরিমাণে দুধ এবং ফোম থাকে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী গরম বা ঠান্ডা লাতে বেছে নিতে পারেন। ফ্র্যাপুচিনো অত্যন্ত জনপ্রিয় কফি ফ্র্যাপুচিনোর ইতিহাস বেশ মজার। কারণ এটি প্রখ্যাত কফি চেইন স্টারবাকস একবার ভুল করে বানিয়ে ফেলেছিল। তারপর এটি পায় তুমুল জনপ্রিয়তা। এটিও একটি এসপ্রেসোভিত্তিক কফি, যার সঙ্গে আরও থাকে ক্রিম এবং আইসড কফি। ক্যাফেইন ছাড়াও ফ্র্যাপুচিনো পাওয়া যায়। এর স্বাদ নিতে চাইলে কফিশপে আপনার বারিস্তাকে ডিক্যাফ ফ্র্যাপুচিনো বানিয়ে দিতে অনুরোধ করতে পারেন।মোকা বিভিন্ন রকম কফির মধ্যে মোকা অন্যতম মজাদার একটি কফি। মোকা বানানো হয় এসপ্রেসো, দুধ এবং চকলেটের সমন্বয়ে, যা গরম বা ঠান্ডা দুভাবেই খাওয়া যেতে পারে। এই কফির উৎপত্তিস্থল ইয়েমেনের মোকা বিন থেকে হলেও এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠে ইতালিয়ান কফি হাউজগুলোর কল্যাণে। যদি আপনি একইসঙ্গে একজন চকলেট এবং কফিপ্রেমী হয়ে থাকেন, তবে এই কফিটি আপনার জন্যই। অ্যামেরিকানো এই কফি দুধ ছাড়া। এক শট এসপ্রেসোর সঙ্গে গরম পানি যোগ করলেই তৈরি হয়ে যায় কড়া এক কাপ অ্যামেরিকানো। অ্যামেরিকানোযারা সারাদিন সতেজ থাকার জন্য কোনো পানীয় খুঁজছেন তারা নিশ্চিন্তে বেছে নিতে পারেন এক কাপ অ্যামেরিকানো, যা আপনাকে সারাদিন কাজ করার শক্তি দিয়ে চনমনে রাখবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিকরা এই কফি খেতেন। ইতালিয়ান ব্ল্যাক কফির মতো এই কফিটি বেশ কড়া। আফোগাতো গরম এসপ্রেসো আর এক স্কুপ ভ্যানিলা আইসক্রিমের সমন্বয়ে পরিবেশন করা এই কফিটিকে এক প্রকার ডেজার্টই বলা যায়। যারা মিষ্টি খাবার খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি খুবই মজাদার একটি কফি। যেকোনো ধরনের এসপ্রেসো দিয়ে বানানো এই কফির ওপর গুঁড়ো চকোলেট বা ক্যারামেল ছড়ানো থাকে।

post
শিক্ষা

রোজা রাখার ৫ উপকারিতা

রোজা রাখার রয়েছে অনেকগুলো উপকারিতা। ধর্মীও কিংবা আত্ম-প্রশান্তির দিক ছাড়াও রোজার রয়েছে কিছু শারীরিক উপকারিতাও। এই নিয়ে অনেকগুলো গবেষণা হয়েছে এবং আরও অনেক গবেষণা চলছে। কিছু বিষয়ে এখনও পুরোপুরি সিদ্ধান্তে আসা না গেলেও বেশ সন্তুষ্টিজনক ফলাফল মিলেছে। এমনিতে বছরের অন্যান্য সময়ে একবেলার খাবার বাদ দিলেই তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে একটি নির্দিষ্ট রুটিনে সেহরি ও ইফতার খেয়ে রোজা রাখলে তা শরীরের জন্য উপকারিতা নিয়ে আসে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-১. প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ রোজা রাখলে তা দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীরের ক্ষমতা উন্নত করে বলে মনে করা হয়। যেমন হৃদরোগ, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যার ঝুঁকি কমে রোজা রাখার ফলে এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ২. তারুণ্য ধরে রাখে রোজা রাখা এবং বিশেষ করে কম প্রোটিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার অভ্যাস শরীরে তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করে। রোজা মানুষের বৃদ্ধির হরমোনের স্তরকে উন্নীত করে বলে মনে করা হয়। এই হরমোন শরীরের বৃদ্ধি, বিপাক, ওজন হ্রাস, পেশী শক্তি এবং ব্যায়ামের কর্মক্ষমতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সম্পর্কিত বর্তমান গবেষণা মূলত প্রাণিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই এটি কীভাবে মানুষের তারুণ্যকে প্রভাবিত করে তা সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন। ৩. সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক রাখে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা রাখলে তা সরাসরি অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে বিপাক নামক রাসায়নিকের স্তরে পরিবর্তন ঘটে। যা আমাদের কেন্দ্রীয় শরীরের ঘড়িতে সংকেত অণু হিসাবে কাজ করে। এভাবে রোজা আমাদের সার্কাডিয়ান রিদমকে পুনরায় সেট করতে সাহায্য করে। এর ফলে স্থূলত্বের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ হয়। ৪. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে প্রাণিদের ওপর করা গবেষণায় দেখা গেছে যে, রোজা রাখলে তা পার্কিনসন এবং আলঝাইমারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে এবং ফলাফল উন্নত করে। সেইসঙ্গে স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের প্রক্রিয়াকরণকে বাড়িয়ে মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও উন্নত করে। প্রানিজ গবেষণায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, রোজা রাখলে তা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং স্নায়ু কোষের উৎপাদন বাড়ায়। তবে মানুষের জন্য প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন। ৫. উদ্বেগ কমায় মানব গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোজা উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতার লক্ষণ কমায় এবং সামাজিক সংযোগ উন্নত করতে পারে। এই প্রভাবগুলো মূল্যায়ন করার জন্য আরও অধ্যয়ন প্রয়োজন তবে এখনও পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলগুলো সন্তুষ্টিজনক।

post
শিক্ষা

গাধা কি আসলেই বোকা?

যাদের একটু বুদ্ধি কম তাদের হরহামেশায় অনেকে গাধা বলে থাকেন। বোকা অথবা কেউ কোনো কাজ না পারলে আমরা তাকে গাধা বলে থাকি! বোকা অর্থেও গাধা শব্দটি ব্যবহার করা হয়। মোট কথা ‘গাধা’ শব্দটা আমরা বেশি ব্যবহার করি নেতিবাচক অর্থে। কিন্তু গবেষণা বলছে, গাধা কিন্তু মোটেও বোকা নয়! আর পাঁচটা প্রাণীর চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান। গাধার রয়েছে অবিশ্বাস্য স্মৃতিশক্তি। ২৫ বছর আগে দেখা এলাকা, এমনকি বহু বছর আগে দেখা গাধাদের তারা সহজেই চিনতে পারে। পাশাপাশি, গাধা প্রচণ্ড জেদি, আত্মরক্ষা করার প্রবল ক্ষমতা রাখে। গাধাকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে কোনো কাজ করিয়ে নেয়া খুব কঠিন একটা ব্যাপার। কোনো ঘটনায় গাধা সহজে চমকে ওঠে না। এরা প্রখর কৌতূহলী। গাধার চিন্তাধারা ঘোড়ার থেকে স্বাধীন। একটি গাধা মরু পরিবেশে ৬০ মাইল দূরে থেকে অন্য গাধার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে। ঘোড়ার থেকে তাদের আছে অনেক বড় কান, যা তাদের শরীর শীতল রাখে। গাধা নেকড়ে, বাঘ বা অন্য বন্য জন্তুদের হাত থেকে বাকি পশুদের রক্ষা করে বিশেষ সংকেত দিয়ে। গাধা গবাদি পশু, ভেড়া এবং ছাগলকে পাহারা দেয়। মিশরে ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যগুলির অধিকাংশ ধাতু বহন করা হয়েছিল গাধার মাধ্যমে। গ্রিসে সংকীর্ণ পথের ওপর কাজ করার জন্যও গাধা ব্যবহার করা হয়। রোমান আর্মিরা গাধাকে কৃষিপালিত ও পণ্য বহনকারী প্রাণী হিসেবে ব্যবহার করতো। ভারতের রাজস্থান ও জয়পুরের অন্যতম বাহন গাধা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জিনিসপত্র নিয়ে এরা সহজে চলাফেরা করতে পারে।

post
শিক্ষা

ডব্লিউইসটি ক্যাম্পাস ঘুরে গেলেন বাংলাদেশর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফরিদ খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি উজ্জ্বল দিন

বাংলাদেশের খ্যাতনামা ব্যবসায়ী, সামিট গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. ফরিদ খান সম্প্রতি ঘুরে গেলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) ক্যাম্পাস। গত ১৩ মার্চ ভার্জিনিয়ার আলেক্সান্দ্রিয়ায় ফরিদ খান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দময় দিন কাটান। চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ এবং সিএফও ফারহানা হানিপ তাকে ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আন্তরিক মত বিনিময়ে অংশ নেন বাংলাদেশের এই স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক এই মত বিনিময়ে নেতৃত্ব দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট অব এডুকেশন ড. জেফের পিরিম, ভাইস প্রেসিডেন্ট অব অপারেশন ও রেজিস্ট্রার ড. শ্যান চো, স্কুল অব বিজনেসের পরিচালক অধ্যাপক মার্ক এল রবিনসন ও বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও ফ্যাকাল্টি সদস্যরা এতে অংশ নেন। চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এসময় বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে প্রস্তুত করে তোলার অঙ্গীকারকে উচ্চে তুলে ধরে ডব্লিউইউএসটি তারা মিশন ও ভিশন নির্ধারন করেছে। "ট্রিপল মিশন নিয়ে আমরা এগুচ্ছি: শিক্ষার্থীদের জন্য ডিগ্রি নিশ্চিত করা, তাদের দক্ষতা তৈরি করা এবং কর্মসংস্থানে সহায়তা করা। যাতে এর মাধ্যমে রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট অর্থাৎ যে অর্থ ব্যয় করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে তার একটা কার্যকর প্রতিদানও তারা পেতে পারে। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতায় সক্ষম করে তুলতে আমাদের স্কলার-প্র্যাকটিশনার ফ্যাকাল্টিরা তাদের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা ও পরিবেশকেই নিয়ে আসছেন ক্লাসরুম সেটিংসে," বলেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। ড. হাসান কারাবার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন এবং গুরুত্বারোপ করেন এর প্রধান তিনটি লক্ষ্যের ওপর। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসমূহের অ্যাক্রেডিটেশন কম্প্লায়ান্স নিশ্চিত করা আর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে অ্যাকসেসেবল ও অ্যাফোর্ডেবল করে রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে শিক্ষার্থীরা যাতে আপন করে নিতে পারে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে পারে সে প্রচেষ্টা আমাদের সার্বক্ষণিক, বলেন ড. কারাবার্ক। সিএফও ফারহানা হানিপ ক্যাম্পাসে বহুজাতিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিকেই এর অনন্য দিক হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "ডব্লিউইউএসটির প্রতিটি ক্লাসরুম জাতিসংঘের অধিবেশনের আদল পায় কারণ এখানে বিশ্বের অন্তত ১২০টি দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীরা এখন লেখাপড়া করে।"বিভাগীয় প্রধানরা তাদের বক্তৃতায় নিজ নিজ বিশেষত্বগুলো তুলে ধরেন। অধ্যাপক মার্ক রবিনসন গুরুত্বারোপ করেন কিভাবে ইন্ডাস্ট্রি থেকে অর্জিত জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা ডব্লিউইউএসটি তার কারিকুলামের অংশ করে নিয়েছে তার ওপর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ড. সালমান এলবাদর ডব্লিউইউএসটির শিক্ষা মডেলকে ইউনিক হিসেবে উল্লেখ করেন আর ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. পিরিম বিশ্ববিদ্যালয়টির সাম্প্রতিক অগ্রসরতার এবং সে কারণে ভার্জিনিয়া স্টেট অ্যাসেম্বলি থেকে পাওয়া স্বীকৃতির কথা তুলে ধরেন।ড. শ্যান চো বলেন, ক্যাম্পাসের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা ও দলগতভাবে কাজের মনোভাবই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচালনায় এসব অনন্য দিকগুলোর প্রশংসা করে ফরিদ খান তার বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও তার এই আত্মনিয়োজিত টিমের সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একজন বাংলাদেশি আমেরিকান যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তা এগিয়ে নিচ্ছেন, বিষয়টি তাকে গর্বিত করে। "আমি আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়টি তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে এবং এক সময় যুক্তরাষ্ট্রের টপ র্যাংকড বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি হয়ে উঠবে," বলেন ফরিদ খান। পরে চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবার্কের সঙ্গে ফরিদ খান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আইটি ল্যাব, স্টেট-অব-আর্টস ক্লাসরুমসমূহ, কম্প্রিহেনসিভ লাইব্রেরি, স্টুডেন্ট লাউঞ্জ, ক্যাফেটেরিয়া ও অন্যান্য বিভাগগুলো ঘুরে দেখেন। একটি স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আর নতুন বিশ্বাসে পথ চলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দিনটি উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

post
শিক্ষা

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ডিগ্রি কলেজের তৃতীয় শিক্ষক

ডিগ্রি কলেজের তৃতীয় শিক্ষকরা অবশেষে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন। তাদের ৮ শর্তে এমপিওভুক্তির নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে এক দশকের বেশি সময় বিনা বেতনে চাকরি করা তৃতীয় শিক্ষকদের কষ্টের অবসান হচ্ছে।বুধবার ডিগ্রি স্তরের তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির নির্দেশ দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সই করা চিঠিতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত হওয়া ডিগ্রির তৃতীয় শিক্ষকরা প্রভাষক হিসেবে চাকরি শুরু করবেন নবম গ্রেডে ২২ হাজার ৫০০ টাকা বেতনে। এর সঙ্গে তারা অল্প কিছু বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা পাবেন। ২০১০ সালের আগ পর্যন্ত বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত তৃতীয় শিক্ষকদের ২০১৮ সালের ২৮ আগস্ট এমপিওভুক্তির আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অধিকাংশ তৃতীয় শিক্ষক এমপিওভুক্ত হন। ২০১০ সালের পর নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন ডিগ্রি কলেজে প্রায় ৮৪১ জন তৃতীয় শিক্ষক নিযুক্ত হন এবং তারা এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। এ শিক্ষকরা অর্থ বিভাগ থেকে অনুমোদিত জনবল কাঠামোভুক্ত নয়। এ কারণে তৃতীয় শিক্ষকদের যোগ্যতা, বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত ও কর্মরত থাকা সাপেক্ষে এমপিওভুক্ত করতে সম্মতির জন্য অনুরোধ জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পেলে আট শর্তে বৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জন্য মাউশি অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

post
শিক্ষা

রমজানে খোলা থাকছে বিদ্যালয়

রমজানের প্রথম ১০ দিন প্রাথমিক ও ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা থাকছে। বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত কোরে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ, স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ। রমজান মাসে ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে। ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিন, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অবশেষে রমজান মাসে খোলা থাকছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল। পবিত্র রমজানে বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত কোরে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ, স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ। রমজান মাসে ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে। ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিন, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

post
শিক্ষা

উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বাড়াতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বাড়াতে হবে। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা-যোগ্যতা না থাকলে শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েশন দিয়ে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।রোববার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বিশ্ব নাগরিক তৈরি করার প্রক্রিয়া। সমগ্র বিশ্বে এখন দক্ষ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মীর চাহিদা বেড়েছে। সমগ্র বিশ্বের শ্রম বাজার আমাদের জন্য উন্মুক্ত।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোতে যদি দেখি, সেসব দেশে আরবি-ফরাসি ভাষা শিখে বিশ্ব নাগরিক হওয়ার জন্য তাদের তরুণ প্রজন্ম সারাবিশ্বে জড়িয়ে পড়েছে। আমাদেরকেও এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হবে। এজন্য যেভাবে দক্ষ ও যোগ্য হওয়া যায়, শিক্ষার্থীদের সেভাবে গড়ে তুলতে হবে।গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, আপনারা কেন বিদেশি পেশাজীবীদের এ জায়গা দখল করতে পারবেন না? যারা ইতোমধ্যেই গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বিনীত নিবেদন থাকবে ক্যারিয়ার প্ল্যানিংটা আপনারা অবশ্যই করবেন। তিনি বলেন, বিশ্বের যেসব ভাষা বহুল প্রচলিত সেসব ভাষায় আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে দক্ষ হয়ে উঠে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।তিনি  আরো বলেন, ভাষা ছাড়াও অনেক সফট স্কিল রয়েছে। এসব স্কিলের দিক থেকেও আমরা যদি পিছিয়ে থাকি তাহলে শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েট হয়ে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা আমাদের পক্ষে অনেক কঠিন হয়ে যাবে।বিশ্ববিদ্যালয়টির ৭ম সমাবর্তনে ৩ হাজার ৯৫৪ জন শিক্ষার্থীকে গ্র্যাজুয়েশন ও পোষ্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য আরও চারজন শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।তিনি বলেন, যেসব খাতে বিদেশি পেশাজীবীরা কর্মরত আছেন সে সব খাতে আপনারা দেখবেন, এসব পেশাজীবীরা সুনির্দিষ্ট কিছু দক্ষতার কারণে এদেশে কাজের সুযোগ পেয়েছেন। যারা কর্মদাতা, তারা কিন্তু শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েট বলে কাউকে চাকরি দেন না।ইউআইইউর সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভাসিটির অধ্যাপক ইমেরিটাস এবং পানি সম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা এবং ইউআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া প্রমুখ।

post
শিক্ষা

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াতকে বিদেশীদের কাছে তুলে ধরতে জীবনী অনুবাদ

বাঙালী নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াতকে বিদেশীদের কাছে তুলে কাজ করছেন জার্মান প্রবাসী বাংলাদেশী হামিদুল খান। নারীর অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ ভূখণ্ডে যে কাজ করেছেন তিনি,তা বিদেশিদের কাছে তুলে ধরছেন তার জার্মান ভাষার গ্রন্থ প্রকাশনায়। বাংলাদেশি লেখকদের সহযোগিতায় জার্মানি ভাষায় বেগম রোকেয়ার নারী অগ্রযাত্রার তথ্য ও ভূমিকা তুলে ধরেছেন তিনি।বাঙালি মুসলিম নারী সমাজের শিক্ষার কথা বলতে গেলে প্রথমেই যার নাম আসে তিনি হলেন বেগম রোকেয়া। মুসলিম বালিকাদের শিক্ষাবিস্তারের ক্ষেত্রে তার সাহসী ও অগ্রণী ভূমিকা চিরস্মরণীয়। নারীর অধিকার রক্ষার আন্দোলনেও তিনি অগ্রবর্তী। তার এসব কর্ম দেশের পরে বিদেশে চর্চা হচ্ছে এখন। জার্মানিতে বিদেশি নাগরিকদের কাছে বেগম রোকেয়ার ইতিহাস তুলে ধরতে জার্মান ভাষায় বই প্রকাশ করেছেন জার্মান প্রবাসী রোকেয়া গবেষক ও সমাজ সেবক হামিদুল খান। এই বইয়ের প্রকাশনায় সহযোগিতা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান। বেগম রোকেয়ার কারণে আজ নারীরা মাথা উচু করে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান ব্রাক সমকাল সাহিত্য পুরস্কার জয়ী লেখিকা রাশিদা স্বরলিপি। বর্তমানে জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা বেগম রোকেয়ার সাহিত্য চর্চা ও দর্শন অনুপ্রেরণার গল্প জানতে, বাংলাদেশ ভ্রমণ করছেন।

post
শিক্ষা

নোয়াখালীতে প্রবাসীদের উদ্যোগে সংবর্ধনা

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ঘাটলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমান ও আয়েশা খাতুনকে স্কুলের প্রাক্তন প্রবাসী শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী মহিন এবং তার সহপাঠিদের সার্বিক সহযোগিতায় এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। স্কুল কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর মোহাম্মদ মোহতাছিম বিল্লাহ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জহিরুল ইসলাম, কাদিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন ও অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক গাজি মহিন উদ্দিন মজনুসহ অনেকে।

post
শিক্ষা

শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবছর,২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এদিকে,বৈশ্বিক অতিমারিতে গেল তিন বছরে নির্ধারিত সময় ও পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলেও,এবার হচ্ছে।রাজধানীসহ সারাদেশে সকাল থেকেই একযোগে শুরু হয় এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সবচেয়ে বড় এই পাবলিক পরীক্ষা। এবিষয়ে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,পাশের হার বৃদ্ধির সাথে সাথে এবার পরিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। এদিকে ভাল ফলাফলের মাধ্যমে সন্তানরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবে এমন প্রত্যাশার কথা জানান অভিভাবকরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার প্রশ্নপত্র সহজ হয়েছে বলে জানায় পরীক্ষার্থীরা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.