post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বিজিব

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে বিজিবির প্রতিটি সদস্যকে সুশৃঙ্খল ও স্মার্ট সৈনিক হিসেবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিব  মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান। এসময়ে তিনি আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অর্পিত যে কোনো দায়িত্ব নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালনের জন্য বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত থাকার আহবান জানান। বুধবার ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দিবস-২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ দরবারে সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।ডিজি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশ গঠন এবং দেশমাতৃকার সেবায় এ বাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ যে কোনো দুর্যোগময় মুহূর্তে জনগণের সেবায় এ বাহিনী এগিয়ে এসেছে, মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে।মহাপরিচালক বলেন, আজ বাহিনীর সব সদস্যের জন্য একটি বিশেষ দিন। গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যমণ্ডিত এই বাহিনী আজ ২২৯ বছরে পদার্পণ করলো। প্রতিষ্ঠালাভের পর থেকে এ বাহিনী ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান রোধ, নারী-শিশু ও মাদকপাচার রোধসহ যে কোনো আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছে।বিজিবি ডিজি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম বিওপিসমূহকে যোগাযোগের আওতায় আনা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজিবির রিক্রুটিং ব্যবস্থাকে ই-রিক্রুটিংয়ে রূপান্তরিত করা হয়েছে। বাহিনীর ক্রমবর্ধমান প্রশিক্ষণ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে চুয়াডাঙ্গায় অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্বলিত আরও একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান। এছাড়াও বিজিবি সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নে সৈনিকদের বেতন স্কেল সমন্বয়, সীমান্ত ভাতা, রেশন ও অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধিসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।দরবার শেষে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চারজনকে অনারারি সুবেদার মেজর থেকে অনারারি সহকারী পরিচালক এবং দুজনকে অনারারি সহকারী পরিচালক থেকে অনারারি উপপরিচালক পদে র্যাংক ব্যাজ পরানো হয়। এসময় বিজিবির সব কর্মকর্তা ও অন্য পদবির সৈনিকরা উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কাতার সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আগামী ৭ জানুয়ারী দেশে ২৮টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জালালাবাদ এসোসিয়েশন কাতার আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। রাজধানী দোহার প্লাজা ইন হোটেলে প্রবীণ কমিউনিটি নেতা বোরহান উদ্দিন শরিফের সভাপতিত্বে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজুল ইসলাম শাহীন ও ফয়েজ আহমদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: নজরুল ইসলাম, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন সেলিম উপদেষ্টা সৈয়দ আনা মিয়া। এসময়ে বক্তব্য রাখেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন কাতার এর সভাপতি মো: কপিল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের চৌধুরী, কোষাধক্ষ বদরুল ইসলাম প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

পাবনা হাসপাতালের হৃদরোগ শয্যা বৃদ্ধি

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের শয্যা বৃদ্ধি ও  আধুনিকায়ন করা হয়েছে। হাসপাতালের  সহকারী পরিচালক  ডাক্তার   মোহাম্মদ রফিকুল হাসান হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তারবৃন্দদের নিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন। হৃদরোগ বিভাগে প্রথম পর্যায় ৮শয্যা দিয়ে এর কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো ১২শয্যা বৃদ্ধি করণ সহ মোট ২০শয্যা আধুনিকায়ন করা হলো।  এতে রোগীদের সেবার মান আরো বৃদ্ধি পারে। প্রতিবছর এই বিভাগ থেকে ১০ হাজার রোগী সেবা পায় এই বছর থেকে আরো বেশি রোগী সেবা পারে । এসময় উপস্থিত ছিলেন কনসালট  কার্ডিয়লজি ডাক্তার মোহাম্মদ  শাহরিয়ার কবির, ডাক্তার অক্সাদ আল মাসুর আনন, ডাক্তার আমিনুর রশিদ আকন্দ,ডাক্তার সাবেরা সুলতানা বিশ্বাস আসমানী,ডাক্তার সানোয়ার নেওয়াজ খান, আরএমও ডাঃ জাহিদুল ইসলাম সহ চিকিৎসক এবং  নার্সিং কর্মকর্তা বৃন্দ। উদ্ধোধন শেষে রোগীদের ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় ও উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয় ।

post
বাংলাদেশ

ভোট শুরুর আধা ঘণ্টা আগে এজেন্টদের নাম

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, এবার ব্যালট পেপার নিবার্চনের দিন সকালে কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকবে, প্রয়োজনে সেনাবাহিনী-বিজিবির সহায়তা নেওয়া হবে। তবে যৌক্তিক কারণ থাকলে কিছু দুর্গম এলাকায় আগের দিন ব্যালট পেপার পৌঁছানো হবে।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে চাঁদপুরে নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।আনিছুর রহমান বলেন, যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন তারা কিন্তু কম শক্তি-সামর্থ্য নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেই। তাদের সমর্থক আছে সেটা বিবেচনা করেই মাঠে নেমেছেন। তারা মাঠে থাকবেন। আজকের আলোচনায় তাদের প্রত্যেকের অভিযোগের কথাও শুনেছি। তাদেরকে বলেছি- আপনারা মাঠে থাকেন, শেষ সময় পর্যন্ত মাঠে থাকতে হবে। ভোটের দিন আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়, প্রার্থীরা বলেন- আমার এজেন্ট বের করে দিয়েছে। মূলত তিনি এজেন্টই দেননি। যে কারণে আজকে প্রার্থীদের বলেছি- ভোটের দিন একটি নির্ধারিত ফরম দেবেন। ভোট শুরু হওয়ার আধাঘণ্টা আগে যেন তাদের এজেন্টদের নাম দেন এবং তারা যেন উপস্থিত থাকেন। ভোট শেষ হওয়ার পরে গণনা পর্যন্ত এজেন্ট থাকতে হবে এবং ফলাফলে স্বাক্ষর দেবে। তার প্রার্থীর ফলাফল যাই হোক না কেন উপস্থিত থাকতে হবে।নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে। আমরা অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখছি এবং সতত্যা পেলে সেগুলো মামলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে পুলিশতো বাদী হয়ে মামলা নিবেনা। কারণ পুলিশত সরকার পক্ষের লোক। যিনি অভিযোগকারী তাকেই প্রথমে থানায় অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগ দেরি করে দিলে বিষয়টি দূর্বল হয়ে যায়। এই বিষয়টিও স্বতন্ত্রপ্রার্থীদের দেখতে হবে।তিনি বলেন, ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহ দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। ভোটের অধিকার আপনার। আপনি ভোট দিতে আসেন।  আপনার ভোট আপনি দেবেন, অন্য কেউ আপনার ভোট দেবে না। ভোটের সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকবে। আজকের অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের বলেছি, ভোটকেন্দ্রে ভোটার আনার দায়িত্ব তাদের। কিন্তু সুস্থ্য সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব আমাদের।আনিছুর রহমান বলেন, প্রচার-প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী যতটুকু প্রচার-প্রচারণার সুযোগ দেওয়া আছে তা করতে দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীদেরও দায়িত্ব আছে। আচরণবিধিতে আছে কে কোথায় প্রচারণা করতে চায় তার ২৪ ঘণ্টা আগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। কারণ একই স্থানে যদি দুইজনের নির্বাচনী প্রচারণার কার্যক্রম হয়, তাহলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। তাই আমরা প্রার্থীদের বিষয়টি অবহিত করেছি। আমাদের মিশন হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে চাই। এটা করার জন্য আমাদের যা যা প্রয়োজন আমরা তাই করব। যিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবেন আমরা তাকে গ্রহণ করব।এ সময় চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কমকর্তা তোফায়েল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছে প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল বুধবার থেকে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এ দিন তিনি সিলেটে হজরত শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারত ও জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করবেন।সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার সকালে বিমানে ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছাবেন শেখ হাসিনা। সেখানে পৌঁছেই তিনি দুই সুফি সাধকের মাজার জিয়ারত করবেন। মাজার জিয়ারতের পর বিকেলে নগরের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার নির্বাচনী সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন শেখ হাসিনা। বিকেল ৩টায় রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট, রাজশাহী বিভাগের নাটোর ও পাবনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়িতে ভার্চ্যুয়ালি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।২৯ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বরিশাল সফর করবেন। ওই দিন বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা সদরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।পরদিন ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী যাবেন নিজ জেলা গোপালগঞ্জ, এরপর মাদারীপুরে। ওই দিন প্রথমে তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এরপর মাদারীপুর-৩ আসনের নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ।  এবিষয়ে সিলেট মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জাকির হোসেন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিলেট আগমন ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তায় চার হাজার পুলিশ ফোর্স মোতায়েন থাকবে। এরমধ্যে সিলেটের বাইরে থেকে আড়াই হাজার পুলিশ ফোর্স যুক্ত করা হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকছে।   

post
বাংলাদেশ

তারেক রহমানের নির্দেশে দেশে আগুন দেওয়া হচ্ছে—শেখ হাসিনা

বিএনপি তারেক রহমানের নির্দেশে দেশের মানুষের সঙ্গে আগুন নিয়ে খেলছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সরকারি আলীয়া মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জনগণের সাথে আগুন নিয়ে খেলে, লন্ডনে বসে অর্ডার দেয় তারেক। আর দেশে আগুন দিয়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশের জনগণের ক্ষতি করছে হরতাল-অবরোধ দিয়ে। তারা অতীতে ক্ষমতা পেয়ে দেশের মানুষের সম্পদ লুট করেছে।’ আ. লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ভোট চোর। দেশ বিক্রির চেষ্টা করছে খালেদা জিয়া। ২০০১ সালে বিএনপি ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল। যে কূপ খনন করে খালেদা গ্যাস পায়নি, সেই কূপ খনন করে আমরা গ্যাস তেল দুটোই পেয়েছি।’ আগুনসন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ পোড়ানোর মতো এত সাহস এরা কোথা থেকে পায়? মনে রাখতে হবে আগুন নিয়ে খেলতে গেলে সেই আগুনেই হাত পোড়ে। আওয়ামী লীগ সরকার আছে মানেই উন্নয়ন আছে। আমার হারাবার কিছু নেই। সব হারিয়ে, নিজের সন্তানদের দূরে সরিয়ে দেশে এসেছিলাম এই দেশের মানুষের জন্য।’ সিলেট প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৮১ সালে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করি। আজকেও আবার এসেছি। ১৯৫৯ সালেও সিলেটে এসেছিলাম। ছোট ছিলাম তখনো এসেছি। তবে ৮১ সালে আসাটা ছিল ভিন্ন। তখন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে এসেছিলাম। তখন এসেছিলাম একটি প্রত্যয় নিয়ে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। এমন দেশে ফিরেছিলাম। আমি দেখেছি কীভাবে ভোট চুরি করে, কীভাবে গণতন্ত্র হরণ করে। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে স্বপ্ন দেখেছি দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করার।’ আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ থাকলে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করত না। ২০১৩ সালে আগুন দেওয়া শুরু করে। ১৩ থেকে ১৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ পোড়ায়। অগ্নিসন্ত্রাস করে তারা নির্বাচন বানচাল করতে পারেনি।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৮ সালে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্য করে নির্বাচন শেষ করে দেয়। আজকে দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। সেখানে বিএনপির আমলে সেটা ছিল না। দারিদ্র্য হার ৪১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮তে নামিয়েছি। ৮ লাখ ৪১ হাজার মানুষকে ঘর দিয়েছি। ২১ জেলা গৃহহীনমুক্ত করেছি, তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। কোনো মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সেই লক্ষ্য রেখে কাজ করি।’

post
বাংলাদেশ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহবান বিএনপির

আগামী ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলটি আজ থেকে সরকারকে ‘সবক্ষেত্রে’ অসহযোগিতা করার জন্য জনগণকে অনুরোধ করেছে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ এক ভিডিও বার্তায় দলের বক্তব্য তুলে ধরেন। এরপর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষে আজ রিজভী দলের অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি জানান। রুহুল কবির রিজভী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে' ভোট গ্রহণে নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বিরত থাকার আহ্বান জানান। এই আহ্বানের পেছনে যুক্তি দিয়ে রিজভী বলেন, ‘ নির্বাচনের নামে বানর খেলায় যাবেন না। ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। নির্বাচনে কারা এমপি হবেন সেই তালিকা তৈরি হয়ে গেছে।’ এ ছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারকে সকল প্রকার কর, খাজনা, পানি, গ্যাস বিদ্যুৎ বিল দেওয়া স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়। রিজভী বলেন, ‘ব্যাংক খাতের মাধ্যমে সরকার সবচেয়ে বেশি অর্থ লুটপাট করেছে।ফলে ব্যাংকে টাকা জমা রাখা নিরাপদ কিনা সেটি ভাবুন।’ এর পাশাপাশি মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় অভিযুক্ত ‘লক্ষ লক্ষ রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে’ আজ থেকে আদালতে হাজিরা দেওয়া থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানান রিজভী। বিএনপি সর্বশেষ সরকাররে পদত্যাগ ও নির্বাচন বাতিলের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করেছে। এর আগে ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর ২৯ অক্টোবর সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করে বিএনপি। এর পর থেকে দলটি এক-দুই দিন পরপর কখনো অবরোধ, কখনো হরতালের মতো কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন এবং নেতা-কর্মীদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে এসব কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। দলটির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও অভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এখন বিএনপি নির্বাচন বর্জন ও সরকারকে অসহযোগিতার কর্মসূচি দিল।

post
বাংলাদেশ

নৌকার বাইরে কথা বললে গলা নামিয়ে দেব

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের বড় ছেলে আসিবুর রহমান খানের দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ভোটার ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।সোমবার রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলার খোঁয়াজপুর ইউনিয়নের টেকেরহাটে নির্বাচনের প্রচারে যান মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নৌকার প্রার্থী শাজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান। তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য। শাজাহান খানের ছেলে মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপের পক্ষে নৌকায় ভোট চান। সদর উপজেলার খোঁয়াজপুর টেকেরহাট সংসদীয় মাদারীপুর-৩ আসনের মধ্যে।ভাইরাল হওয়া বক্তব্যে আসিবুর রহমান খান বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে এই টেকেরহাটে এসেছিলাম নৌকার পক্ষে নির্বাচনী প্রচার করতে। আমাদের প্রিয় মুখ মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ মিয়ার স্বপক্ষে কাজ করার জন্য। কিন্তু একদল সন্ত্রাসী চেষ্টা করেছে এখানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে এই টেকেরহাটকে নষ্ট করার পায়তারা চালাচ্ছে।এ সময় তিনি আরও বলেন, যারা এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন তাদের কঠোরভাবে জানাতে চাই, আমরা এখনও ঠাণ্ডা আছি, তাই ঠাণ্ডা থাকতে দেন। যদি একবারও মাথা গরম করি, তাহলে আপনি মাদারীপুর কেন, বাংলাদেশেও থাকতে পারবেন না।শাজাহান খানের বড় ছেলে আরও বলেন, আমাদের এক কর্মীকে ষড়যন্ত্রকারীরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল। তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেছে। এই টেকেরহাটে যদি কোনো রকম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে, নৌকার বাইরে যদি একজনও কোনো রকম কথা বলে, এমনকি গলা উঁচু করে কথা বলার চেষ্টা করে, তাহলে আপনাদের গলা কীভাবে আমরা নামাবো, সেটা আমরা ভালো করেই জানি। এখন সাবধান করে গেলাম, এরপর সামনে আমরা কঠোরভাবে আসব ।এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসিবুর রহমান খানের সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মারুফুর রশিদ খান জানান, প্রকাশ্যে এমন হুমকির বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ছাড় পাবে না।

post
বাংলাদেশ

মানুষ হত্যার অধিকার কারও নেই

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকাগামী আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লাগিয়ে চারজনকে হত্যা এবং বিভিন্ন সময়ে ট্রেন-বাসে অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যার ঘটনায় নিন্দা, প্রতিবাদ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত-মদতদাতাদের বিচারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি। একইসঙ্গে বলেছে, সভা-সমাবেশ, আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু জ্বালাও-পোড়াও, মানুষ হত্যার অধিকার কারও নেই।মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।বিবৃতিতে তারা বলেন, জয়দেবপুরসহ বিভিন্ন স্থানে রেললাইন কেটে যাত্রীবাহী ট্রেনে নাশকতা ও মানুষ হত্যা, কয়েকটি ট্রেনে অগ্নিসংযোগ এবং অসংখ্য বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা থাকলেও তা দিতে তারা ব্যর্থ হচ্ছে।চলমান রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে সরকারের দায়িত্বশীল আচরণ ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন এবং আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণেরও দাবি জানান তারা।এছাড়াও ট্রেন-বাসসহ যানবাহনে আগুন লাগানো, মানুষ হত্যা, সন্ত্রাসের নিন্দা ও এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও মদতদাতাদের এবং বর্তমান সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড রুখে দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

post
বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সব ভালো লোক না

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আপনি কি মনে করেন, আওয়ামী লীগের সব ভালো লোক? না। আমাদের খারাপ লোক আছে। অন্য দলে সব খারাপ লোক? নো। সেখানেও ভালো লোক আছে। নির্বাচনের পর সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। জীবনের শেষ বয়স চলছে। প্রতিদিন আমার কেন জানি মনে হয়, আমি আর বাঁচব না। তাই মানুষের জন্য কাজ করে আল্লাহকে খুশি করে যেতে চাই।মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে স্থানীয়দের নিয়ে আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রেনে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এখানে কিছু বাচ্চাও আছে। আমার চার বছরের একটা নাতি আছে। ঘরের সবার কলিজার টুকরা সে। দেশে ট্রেনে আগুন দেওয়া হচ্ছে। মায়ের সঙ্গে তিন বছরের সন্তানও পুড়ে মারা গেল। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও মা সন্তানকে বুকে ধরে রাখলো। ধরুন, আমরা ট্রেনে চড়ে বাবা-মেয়ে গল্প করতে করতে যাচ্ছি। সেখানে কেউ আগুন দিয়ে দিল, রাজনীতির নামে। আমি আমার মেয়েটাকে রক্ষা করতে পারলাম না। বাবা-মেয়ে জড়িয়ে ধরে থাকা অবস্থায় একসঙ্গে মরে গেলাম। এর নাম কি রাজনীতি? আপনারা কি আল্লাহর কাছে জবাব দেবেন না। সব কাজের ঠেকা কি আমাদের?বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে শামীম ওসমান বলেন, মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করার নাম কি রাজনীতি? কেন রে ভাই। আল্লাহর কাছে কি জবাব দেবেন না। আমাদের ৫৪ জন মানুষকে এই পর্যন্ত নিজের হাত দিয়ে দাফন করতে হয়েছে। আমরা তো প্রতিশোধ নেই না। আমার ভাই সেলিম ওসমান তখন রাজনীতি করতো না। তার ফ্যাক্টরির ভেতর ঢুকে তিন শ গরুর দুধের বান কেটে দেওয়া হলো। ভাইকে গ্রেপ্তার করা হলো। ১৫ মিনিটের মধ্যে যদি মনে করি ওদের নাই করে দেব। পুলিশ-প্রশাসন ওদের পক্ষে থাকবে, তারপরও কিছু করতে পারবে না। কিন্তু আমি এটা করবো না।তিনি বলেন, আমরা ৮৫ ভাগ কাজ শেষে করেছি, আমি বাকি কাজগুলো শেষ করতে চাই। আমি এখন চাচ্ছি, নারায়ণগঞ্জের মানুষের যাতে আর ঢাকায় যেতে না হয়। আমাদের নারায়ণগঞ্জে মেট্রোরেল হবে। আমরা একটা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই।শামীম ওসমান বলেন, আমরা এই কাশিপুর থেকে মুন্সীগঞ্জ ফ্লাইওভার করছি। এই রাস্তা আমার বাবার নামে হবে। এই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়ক আমার বাবার নামে হয়েছে। আদমজী সড়ক আমার মায়ের নামে হয়েছে। আমি কিন্তু চাইনি, তারপরও বাবা-মাকে সম্মান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মানুষ পানির নিচে গাদাগাদি করে থাকতো। আমরা সেই ডিএনডি প্রজেক্ট নিয়ে এসেছি। এই রাস্তা করেছি ৬২৫ কোটি টাকার, শুধু ফতুল্লায়। আমরা প্রাইমারি স্কুল করেছি, হাইস্কুল করেছি। পাগলের মতো কাজ করতে চেষ্টা করেছি আল্লাহকে খুশি করতে।তিনি বলেন, আমার নারায়ণগঞ্জে মেট্রোরেল হবে। নারায়ণগঞ্জে যদি আইটি ইনস্টিটিউট, বিশ্ববিদ্যালয়, মেট্রোরেল হয়ে যায় আমাদের কী দরকার আছে ঢাকায় যাওয়ার। আমরা একটা সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে চাই, স্মার্ট বাংলাদেশ দেখতে চাই। এগুলো ভোগ করবে কে? আমাদের বাচ্চারা। এই রাস্তা দিয়ে কী শুধু আওয়ামী লীগ চলে। বিএনপিও তো চলে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.