post
বাংলাদেশ

কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করেনি

 চ্যানেল-২৪ কৃষিমন্ত্রীর পুরো বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করেনি বলে দাবি করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রীর একটি আলোচিত বক্তব্যকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মুখে মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়।মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার কামরুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিগত ১৭ ডিসেম্বর রোববার নিজ বাসভবনে চ্যানেল-২৪ কে দেওয়া কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এবং গণমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় তিনি গতকাল ১৮ ডিসেম্বর সোমবার তার অফিসে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে নিজ বক্তব্যের ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তিনি তার স্বভাবসুলভ যুক্তিপূর্ণ ভাষায় নিজ বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা এতটাই স্পষ্ট যে সেই বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো অবকাশ নেই।’‘তিনি সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছেন— আওয়ামী লীগ এ দেশের প্রাচীনতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল এবং ঐতিহ্যগতভাবে গণতান্ত্রিক পন্থায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগ অত্যন্ত আন্তরিকভাবে সবসময় চেয়েছে বিএনপি নির্বাচনে আসুক, স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করুক। সেই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারণী মহল থেকে বিভিন্ন সময় বিএনপিকে শর্তহীন আলোচনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিএনপি সে সুযোগ গ্রহণ না করে সাংবিধানিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের বদলে নির্মম নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে মানুষ হত্যা, পুলিশ হত্যা, হাসপাতাল ও প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মতো জঘন্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছে। আগুন দিয়ে জীবন্ত মানুষকে লাশ বানানোর মতো বর্বরোচিত নাশকতার মাধ্যমে জনমনে চরম ভীতি সঞ্চার ও নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে ও সংবিধানকে সমুন্নত রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার স্বার্থে এ ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের ও সন্ত্রাসের মদতদাতাদের গ্রেফতার করা ছাড়া সরকারের কোনো গত্যন্তর ছিল না।সেই সাথে তফশিল ঘোষণার পরও বিদ্যমান সংবিধানের আওতায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা নিয়ে নির্বাচন কমিশন বিএনপিকে বার বার আলোচনায় আসার এমনকি নির্বাচন পিছিয়ে দিয়েও বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবুও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। এসব উদ্যোগের সূত্র ধরেই ড. রাজ্জাক তার বক্তব্য রেখেছেন। তিনি অকপটে খোলাসা করে বলেছেন যে, নির্বাচন ভণ্ডুল করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। বিএনপি যদি তাদের ভুল বুঝতে পেরে নির্বাচনে আসতে রাজি হতো, তাহলে তারা হরতাল, অবরোধ, অগ্নিসন্ত্রাস ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড থেকে নিবৃত্ত হতো। তখন যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের জামিন পাওয়া সহজ হতো।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো চ্যানেল-২৪ কৃষিমন্ত্রীর পুরো বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করেনি। কৃষিমন্ত্রী তার বক্তব্যে কোথাও বলেননি যে, এক রাতের মধ্যে বিএনপির সব নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। সে কারণেই কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাকের এমন খোলামেলা বক্তব্যকে কোনো কোনো মহল বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং সত্য আপন জ্যোতিতেই উদ্ভাসিত থাকবে।

post
বাংলাদেশ

ভোট শুরুর আধা ঘণ্টা আগে এজেন্টদের নাম

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, এবার ব্যালট পেপার নিবার্চনের দিন সকালে কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকবে, প্রয়োজনে সেনাবাহিনী-বিজিবির সহায়তা নেওয়া হবে। তবে যৌক্তিক কারণ থাকলে কিছু দুর্গম এলাকায় আগের দিন ব্যালট পেপার পৌঁছানো হবে।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে চাঁদপুরে নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।আনিছুর রহমান বলেন, যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন তারা কিন্তু কম শক্তি-সামর্থ্য নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেই। তাদের সমর্থক আছে সেটা বিবেচনা করেই মাঠে নেমেছেন। তারা মাঠে থাকবেন। আজকের আলোচনায় তাদের প্রত্যেকের অভিযোগের কথাও শুনেছি। তাদেরকে বলেছি- আপনারা মাঠে থাকেন, শেষ সময় পর্যন্ত মাঠে থাকতে হবে। ভোটের দিন আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়, প্রার্থীরা বলেন- আমার এজেন্ট বের করে দিয়েছে। মূলত তিনি এজেন্টই দেননি। যে কারণে আজকে প্রার্থীদের বলেছি- ভোটের দিন একটি নির্ধারিত ফরম দেবেন। ভোট শুরু হওয়ার আধাঘণ্টা আগে যেন তাদের এজেন্টদের নাম দেন এবং তারা যেন উপস্থিত থাকেন। ভোট শেষ হওয়ার পরে গণনা পর্যন্ত এজেন্ট থাকতে হবে এবং ফলাফলে স্বাক্ষর দেবে। তার প্রার্থীর ফলাফল যাই হোক না কেন উপস্থিত থাকতে হবে।নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে। আমরা অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখছি এবং সতত্যা পেলে সেগুলো মামলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে পুলিশতো বাদী হয়ে মামলা নিবেনা। কারণ পুলিশত সরকার পক্ষের লোক। যিনি অভিযোগকারী তাকেই প্রথমে থানায় অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগ দেরি করে দিলে বিষয়টি দূর্বল হয়ে যায়। এই বিষয়টিও স্বতন্ত্রপ্রার্থীদের দেখতে হবে।তিনি বলেন, ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহ দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। ভোটের অধিকার আপনার। আপনি ভোট দিতে আসেন।  আপনার ভোট আপনি দেবেন, অন্য কেউ আপনার ভোট দেবে না। ভোটের সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকবে। আজকের অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের বলেছি, ভোটকেন্দ্রে ভোটার আনার দায়িত্ব তাদের। কিন্তু সুস্থ্য সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব আমাদের।আনিছুর রহমান বলেন, প্রচার-প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী যতটুকু প্রচার-প্রচারণার সুযোগ দেওয়া আছে তা করতে দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীদেরও দায়িত্ব আছে। আচরণবিধিতে আছে কে কোথায় প্রচারণা করতে চায় তার ২৪ ঘণ্টা আগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। কারণ একই স্থানে যদি দুইজনের নির্বাচনী প্রচারণার কার্যক্রম হয়, তাহলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। তাই আমরা প্রার্থীদের বিষয়টি অবহিত করেছি। আমাদের মিশন হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে চাই। এটা করার জন্য আমাদের যা যা প্রয়োজন আমরা তাই করব। যিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবেন আমরা তাকে গ্রহণ করব।এ সময় চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কমকর্তা তোফায়েল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছে প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল বুধবার থেকে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এ দিন তিনি সিলেটে হজরত শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারত ও জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করবেন।সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার সকালে বিমানে ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছাবেন শেখ হাসিনা। সেখানে পৌঁছেই তিনি দুই সুফি সাধকের মাজার জিয়ারত করবেন। মাজার জিয়ারতের পর বিকেলে নগরের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার নির্বাচনী সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন শেখ হাসিনা। বিকেল ৩টায় রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট, রাজশাহী বিভাগের নাটোর ও পাবনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়িতে ভার্চ্যুয়ালি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।২৯ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বরিশাল সফর করবেন। ওই দিন বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা সদরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।পরদিন ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী যাবেন নিজ জেলা গোপালগঞ্জ, এরপর মাদারীপুরে। ওই দিন প্রথমে তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এরপর মাদারীপুর-৩ আসনের নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ।  এবিষয়ে সিলেট মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জাকির হোসেন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিলেট আগমন ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তায় চার হাজার পুলিশ ফোর্স মোতায়েন থাকবে। এরমধ্যে সিলেটের বাইরে থেকে আড়াই হাজার পুলিশ ফোর্স যুক্ত করা হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকছে।   

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের চিঠি

বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি ও অধিকার নিয়ে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা। দেশটির কংগ্রেসের আট সদস্যের একটি দল আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (এএএফএ)-কে ন্যায্য মজুরি এবং বাংলাদেশি শ্রমিকদের শ্রম অধিকার রক্ষায় সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।সেখানে তারা সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের জন্য এএএফএ-এর জোরালো সমর্থনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।চিঠিতে এই আইনপ্রণেতারা লিখেছেন, ‘আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনকে (এএএফএ) বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিকে জোরালোভাবে সমর্থন করার জন্য অনুরোধ জানাতে এই চিঠি লিখছি আমরা।’চিঠিটিতে বাংলাদেশের মজুরি বোর্ডের সাম্প্রতিক মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণার পরের কিছু ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি যে পরিমাণে মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে তা জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে অপর্যাপ্ত বলেও সমালোচনা করা হয়েছে এই চিঠিতে।চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘আপনি জানেন, বাংলাদেশের মজুরি বোর্ডের ঘোষিত সাম্প্রতিক মজুরির বৃদ্ধি, যা এমনকি জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ও মেটাতে পারে না, তা বর্ধিত গণ-বিক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের এবং ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এর ফলে কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছেন, অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে অন্যায্যভাবে গ্রেপ্তার, আটক এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধের মতো ঘটনাও ঘটেছে।প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের অবস্থানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আটজন কংগ্রেসম্যানের দেওয়া এই চিঠিতে বাংলাদেশ সরকারকে ভয়ভীতি বা সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং সম্মিলিত দর কষাকষির সুযোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকারকে সম্মান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘প্রতিশোধ, সহিংসতা বা ভয়ভীতি ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সংগঠিত প্রতিবাদ এবং সম্মিলিতভাবে দর কষাকষির সুযোগ দিয়ে শ্রমিকদের অধিকারকে সম্মান ও রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বাইডেনে প্রশাসনের যে আহ্বান রয়েছে তার সাথে আমরা একমত।’মজুরি আলোচনার কারণে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতায় জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অসুবিধার কথা তুলে ধরে ওই চিঠিতে মার্কিন ব্র্যান্ডগুলোকে তাদের প্রভাব প্রয়োগ করতে এবং বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য আরও ভালো মজুরি ও অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

প্রতিক বরাদ্দ শেষে প্রচারণা শুরু প্রার্থীদের

প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই সোমবার আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন মনোনয়ন বৈধ ও চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীরা। এর মধ্য দিয়েই নির্বাচনি ডামাঢোল অলি গলি আর মাঠে গড়াবে। যদিও এর আগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম তোলা ও জমা থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপলক্ষকে কেন্দ্র করে অনানুষ্ঠানিক প্রচারনায় রয়েছেন। সভা-সমাবেশ ও মিটিং মিছিল করে যাচ্ছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে শোকজও খেয়েছেন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী এমপিসহ প্রভাবশালী অনেক প্রার্থী। বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশিল প্রত্যাখ্যান করে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এখনো অব্যাহত রেখেছে।অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মিত্ররা নির্বাচনী তফশিলকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রমে শুরু করে। আর এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ নভেম্বর নির্ধারিত দিনে মনোনয়ন গ্রহণ শেষ করা হয়। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা গতকাল রবিবার শেষ হয়েছে।মনোনয়ন পত্র চুড়ান্ত করে প্রতিক পেয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমে মাগুরা ১ আসনের প্রার্থী ক্রিকেট বিশ্বের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বলেছেন, জনগনের কাছেই আছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ম্যানডেট, তাই সেই জনগনের কাছে পৌছাতে চান তিনি। আর তৃনমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, প্রানবন্ত ও প্রতিদ্বন্দিতামূলক নির্বাচন উপহার চায় দেশর মানুষ। সেকারনেই তারা নির্বাচনে আছেন।

post
বাংলাদেশ

বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর: বিএসএমএমইউ

মানুষের শরীরে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী প্রধান জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার এর প্রথম ও প্রধান কারণ। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নিতে যাওয়া ৭২ হাজার ৬৭০ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।সোমবার বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার গবেষণাপত্র তুলে ধরেন। আর সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জসমূহ বর্ণনা করেন অধ্যাপক ডা. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অন্তত ৭৫ ভাগ ইনফেকশন হয় টাইফয়েড, ই-কোলাই, স্ট্যাফাউরিয়াস, ক্লিবশিয়েলা ও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। এসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকসেস ও ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ অকেজো হয়ে গেছে। এছাড়া আইসিইউয়ের রোগীদের যে অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা চলতো, তা এখন ওয়ার্ডের রোগীদেরও দিতে হচ্ছে। এতে বোঝা যায় পরিস্থিতি কতটা খারাপের দিকে যাচ্ছে একই সঙ্গে যেসব জীবাণু আগে শুধু আইসিইউতে মিলতো সেগুলো এখন কমিউনিটিতেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। অযাচিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানুষ এখন প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৭০ হাজার লোক মারা যায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ২০৫০ সালে গিয়ে দেখা যাবে করোনার থেকেও বেশি রোগী মারা যাবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে।হাসপাতালে দর্শনার্থীরা রোগীদের দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, হাসপাতালে যাবেন রোগী দেখতে, একটু দূরে থেকে দেখতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় রোগীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে সাধারণ মানুষও রোগী হয়ে যায়। এটিকে ক্রস ইনফেকশন বলে। এজন্য হাসপাতালে গেলেও দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে হবে।অনুষ্ঠানে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত রোগীর নমুনায় সব ধরনের জীবাণুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ।বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায় রোগীদের নমুনায় জীবাণু শনাক্তকরণ ও জীবাণুসমূহের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা নির্ণয়ের বিএসএমএমইউতে থাকা প্রযুক্তিসমূহ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্ট মোকাবিলায় এ বিভাগের ভূমিকা তুলে ধরেন।

post
বাংলাদেশ

মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী সংঘর্ষে আহত -৭

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের গজারিয়ায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি দোকানে ভাঙচুর করা হয়।আহতরা হলেন নৌকার সমর্থক উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি গ্রামের জাহাঙ্গীর ও ইমন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক পুরান চরচাষি গ্রামের মোখলেস মিয়া, মহিউদ্দিন মোল্লা, মোশারফ হোসেন, নতুন চরচাষি গ্রামের নিজাম উদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন।জানা গেছে, সোমবার বেলা তিনটার দিকে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ বিপ্লবের একদল কর্মী-সমর্থক মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় তারা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ লেগে যায়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের সর্মথনকারী গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন মুন্সী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীরকে তারা মারধর করে বহিরাগত মুক্তার, মহিউদ্দিন মোল্লাসহ অনেকে।এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আওয়ামী লীগের নেতা মহিউদ্দিন মোল্লা বলেন, আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ বিপ্লব ভাইয়ের পক্ষে আমরা একসঙ্গে বসে ছিলাম। এ সময় গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকনের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাঁচ কর্মীকে তারা পিটিয়ে গুরতর আহত করে। হামলাকারীরা আমার দোকান ভাঙচুর করে।এ বিষয়ে গজারিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজিব খান বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানার পরপরই আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

post
বাংলাদেশ

১৩ দিনের জন্য মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৩ দিনের জন্য ভোটের মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী। সোমবার ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ইসি জানায়, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করার নিমিত্তে নির্বাচন কমিশন সম্ভব সকল আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার নিমিত্ত ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের আওতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখ হতে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্ব থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্তে প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের একটি করে অগ্রবর্তী টিম পাঠানো যেতে পারে।ইসি জানায়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনে বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত ইন্সট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের ৭ম ও ১০ম অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হবে। মোতায়েনকৃত সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনী কাজে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের পরামর্শে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় (ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে; (খ) রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণকে মোতায়েন করা হবে, (গ) সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে; (ঘ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হবে; (ঙ) ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা অবহিত করতে হবে; (চ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এর অনুরোধক্রমে চাহিদামত আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রমে সহায়তা করতে হবে।এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো। রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেনা মোতায়েনে ইসির আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য সেনাবাহিনী ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।

post
বাংলাদেশ

সোমবারের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে এমপি

আগামীকাল সোমবারের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে কারা এমপি হচ্ছেন। নির্বাচনী খেলা বাদ দিয়ে এখনই তা ঘোষণা করে দিলে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় হয় না বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বোরবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে খেলা হচ্ছে। অবাক লাগে এই শীতের দিনে সরকারি বাহিনী, সরকারি কর্মচারীদের গ্রামে গ্রামে পাঠানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকারবিরোধী কোন রাজনৈতিক দল কি অংশ নিচ্ছে এই নির্বাচনে। একটাও না। হয় সরকারি দল, না হয় ১৪ দলীয় জোট না হয় মহাজোট অথবা তাদের অনুগত কোন রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে এ নির্বাচনে।নজরুল বলেন, আরও ভালো হতো যদি কোনো আসনে চারজন প্রার্থী থাকে তবে ব্যালটে ৪টা বিভিন্ন আকৃতিক নৌকার প্রতীক থাকতো, যেটাতে পছন্দ হয় সেটাতে তারা ভোট দিলেই হতো। আসলে কারা টিকবে নির্বাচনে এটা তো আগেই ঠিক করা। এই গরিব দেশে কেন এতো টাকা খরচ করা হচ্ছে, যেখানে মানুষ না খেয়ে থাকে, যেখানে ভূমিহীন মানুষ কষ্ট করছে, সেখানে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা কেন খরচ করা হচ্ছে এমন একটা প্রহসনের নির্বাচনে। ঘোষণা করে দিলেই হয় কে কোন আসনের এমপি।এক রাতেই সব নেতার মুক্তির প্রস্তাবেও রাজি হয়নি বিএনপি-কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের এমন বক্তব্যের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি এই খেলায় কখনো অংশ নেয় না । আমরা কখনো দাবিও করিনি আপনারা পদত্যাগ করেন আমরা ক্ষমতা নেবো। আমরা বলেছি আপনারা পদত্যাগ করুন। নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন জনগণ যাকে ভোট দেবে তারা সরকার গঠন করবে। বাংলাদশের গণতন্ত্র আওয়ামী লীগ ধ্বংস করছে। কখনো নিজেরা করেছে কখনো অন্যদের দিয়ে করেছেন।তিনি বলেন, স্বৈরশাসনের গোরস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাগান রচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮২ সালে সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্র হত্য্ করেছিলেন এরশাদ। এরশাদ ক্ষমতা দখল করার পর তারা বলেছিলেন উই আর নট অনহ্যাপি। সেই সময় স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন খালেদা জিয়া। যারা ইমাজেন্সি দিয়েছিল তারা বলেছিল আমাদের আন্দোলনের ফসল। সেই সময়ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন খালেদা জিয়া। খালেদা-তারেকের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ফিরে আসবে বলেও মনে করেন বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরামের এ নেতা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রুহুল আমিন গাজী, কবি আবদুল হাই সিকদার, কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি মৃত্যুফাঁদ তৈরি করে মানুষ হত্যা করছে

বিএনপি মৃত্যুফাঁদ তৈরি করে দেশের মানুষকে হত্যা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিএনপির মাথা নেই, তাদের নেতৃত্ব দেবে কে? বিদেশ থেকে আসে এক নির্দেশনা, পল্টন থেকে আসে আরেকটা— কোনটা পালন করবে তাদের নেতাকর্মীরা? রোববার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর নামে ২০১৩ সাল থেকে বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস করছে। তারই ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের নামে এবারও জ্বালাও-পোড়াও শুরু করেছে। বিএনপি জানে; জনগণ তাদের ভোট দেবে না। তাই তারা মরিয়া হয়ে নির্বাচন বানচাল এবং সরকার উৎখাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। যারা মানুষকে পুড়িয়ে মারে, রেললাইন কেটে দেয়- সেই দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সোচ্চার হতে হবে।বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাস জনগণ মেনে নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অবৈধ ক্ষমতার পকেট থেকে জন্ম নেয় নাই। এই অগ্নিসন্ত্রাস করে আওয়ামী লীগকে কখনো উৎখাত করা যাবে না। যারা রেললাইন উপড়ে ফেলে, মানুষ হত্যা করে, অগ্নিসন্ত্রাস করে, তাদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে।তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছিল— আমরা আছি পল্টনে তারেক কেন লন্ডনে। তারেকের নির্দেশে মানুষ পোড়ানো হচ্ছে। তাদেরকে জনগণ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। বর্তমান বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষ জানে কারা তাদের ভাগ্য উন্নয়ন করবে। আর বিএনপির মাথাই নেই। তাদের নেতৃত্ব দেবে কে? বিদেশ থেকে আসে এক নির্দেশনা। পল্টন থেকে আসে এক নির্দেশনা। কোনটা পালন করবে তাদের নেতাকর্মীরা?শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে ২০০১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। ২৬ বছরে প্রথম শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা স্থানান্তর করা হয়। এর আগে একবারও এমন হয়নি। সেই নির্বাচনে ব্যাপকভাবে অনিয়ম করে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দেওয়া হয়। কারণ, গ্যাস বিক্রি মুচলেকা দিয়ে খালেদা জিয়া ক্ষমতা আসে। তবে গ্যাস দিতে পারে নাই।তিনি বলেন, বিএনপির দুঃশাসন, দুর্নীতির কারণে দেশে ইমার্জেন্সি হয়। ইমার্জেন্সি সরকারের কথা ছিল মাত্র তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেবে। তারাও ক্ষমতার লোভে চেপে বসে। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণকে, ধন্যবাদ জানাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে। সবাই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে আমার মুক্তির জন্য ২৫ লক্ষ মানুষের সিগনেচার সংগ্রহ করে। তখন যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা তার অফিসে পৌঁছে দেয়। এটা অন্য কোনো দলের পক্ষে সম্ভব না। আওয়ামী লীগ শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে। আওয়ামী লীগের উপর যত আঘাত আসুক ঝড়ঝাপটা আসুক, আওয়ামী লীগ জনগণের হয়ে লড়াই করে। জনগণের ভোটের-ভাতের অধিকার অর্জন করে। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। এই নির্বাচনে ২৩৩টি সিটে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে। আর অপরদিকে ক্ষমতা দখলকারী মিলিটারি ডিক্টেটর জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি পেয়েছিল মাত্র ৩০ সিট। আমি এজন্য কথাগুলো বললাম, কারণ তাদের চরিত্র বদলাই নাই।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.