post
বাংলাদেশ

বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর: বিএসএমএমইউ

মানুষের শরীরে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী প্রধান জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার এর প্রথম ও প্রধান কারণ। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নিতে যাওয়া ৭২ হাজার ৬৭০ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।সোমবার বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার গবেষণাপত্র তুলে ধরেন। আর সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জসমূহ বর্ণনা করেন অধ্যাপক ডা. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অন্তত ৭৫ ভাগ ইনফেকশন হয় টাইফয়েড, ই-কোলাই, স্ট্যাফাউরিয়াস, ক্লিবশিয়েলা ও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। এসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকসেস ও ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ অকেজো হয়ে গেছে। এছাড়া আইসিইউয়ের রোগীদের যে অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা চলতো, তা এখন ওয়ার্ডের রোগীদেরও দিতে হচ্ছে। এতে বোঝা যায় পরিস্থিতি কতটা খারাপের দিকে যাচ্ছে একই সঙ্গে যেসব জীবাণু আগে শুধু আইসিইউতে মিলতো সেগুলো এখন কমিউনিটিতেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। অযাচিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানুষ এখন প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৭০ হাজার লোক মারা যায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ২০৫০ সালে গিয়ে দেখা যাবে করোনার থেকেও বেশি রোগী মারা যাবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে।হাসপাতালে দর্শনার্থীরা রোগীদের দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, হাসপাতালে যাবেন রোগী দেখতে, একটু দূরে থেকে দেখতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় রোগীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে সাধারণ মানুষও রোগী হয়ে যায়। এটিকে ক্রস ইনফেকশন বলে। এজন্য হাসপাতালে গেলেও দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে হবে।অনুষ্ঠানে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত রোগীর নমুনায় সব ধরনের জীবাণুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ।বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায় রোগীদের নমুনায় জীবাণু শনাক্তকরণ ও জীবাণুসমূহের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা নির্ণয়ের বিএসএমএমইউতে থাকা প্রযুক্তিসমূহ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্ট মোকাবিলায় এ বিভাগের ভূমিকা তুলে ধরেন।

post
বাংলাদেশ

মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী সংঘর্ষে আহত -৭

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের গজারিয়ায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি দোকানে ভাঙচুর করা হয়।আহতরা হলেন নৌকার সমর্থক উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি গ্রামের জাহাঙ্গীর ও ইমন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক পুরান চরচাষি গ্রামের মোখলেস মিয়া, মহিউদ্দিন মোল্লা, মোশারফ হোসেন, নতুন চরচাষি গ্রামের নিজাম উদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন।জানা গেছে, সোমবার বেলা তিনটার দিকে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ বিপ্লবের একদল কর্মী-সমর্থক মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় তারা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ লেগে যায়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের সর্মথনকারী গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন মুন্সী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীরকে তারা মারধর করে বহিরাগত মুক্তার, মহিউদ্দিন মোল্লাসহ অনেকে।এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আওয়ামী লীগের নেতা মহিউদ্দিন মোল্লা বলেন, আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ বিপ্লব ভাইয়ের পক্ষে আমরা একসঙ্গে বসে ছিলাম। এ সময় গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকনের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাঁচ কর্মীকে তারা পিটিয়ে গুরতর আহত করে। হামলাকারীরা আমার দোকান ভাঙচুর করে।এ বিষয়ে গজারিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজিব খান বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানার পরপরই আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

post
বাংলাদেশ

১৩ দিনের জন্য মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৩ দিনের জন্য ভোটের মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী। সোমবার ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ইসি জানায়, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করার নিমিত্তে নির্বাচন কমিশন সম্ভব সকল আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার নিমিত্ত ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের আওতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখ হতে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্ব থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্তে প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের একটি করে অগ্রবর্তী টিম পাঠানো যেতে পারে।ইসি জানায়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনে বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত ইন্সট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের ৭ম ও ১০ম অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হবে। মোতায়েনকৃত সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনী কাজে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের পরামর্শে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় (ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে; (খ) রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণকে মোতায়েন করা হবে, (গ) সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে; (ঘ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হবে; (ঙ) ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা অবহিত করতে হবে; (চ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এর অনুরোধক্রমে চাহিদামত আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রমে সহায়তা করতে হবে।এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো। রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেনা মোতায়েনে ইসির আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য সেনাবাহিনী ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।

post
বাংলাদেশ

সোমবারের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে এমপি

আগামীকাল সোমবারের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে কারা এমপি হচ্ছেন। নির্বাচনী খেলা বাদ দিয়ে এখনই তা ঘোষণা করে দিলে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় হয় না বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বোরবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে খেলা হচ্ছে। অবাক লাগে এই শীতের দিনে সরকারি বাহিনী, সরকারি কর্মচারীদের গ্রামে গ্রামে পাঠানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকারবিরোধী কোন রাজনৈতিক দল কি অংশ নিচ্ছে এই নির্বাচনে। একটাও না। হয় সরকারি দল, না হয় ১৪ দলীয় জোট না হয় মহাজোট অথবা তাদের অনুগত কোন রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে এ নির্বাচনে।নজরুল বলেন, আরও ভালো হতো যদি কোনো আসনে চারজন প্রার্থী থাকে তবে ব্যালটে ৪টা বিভিন্ন আকৃতিক নৌকার প্রতীক থাকতো, যেটাতে পছন্দ হয় সেটাতে তারা ভোট দিলেই হতো। আসলে কারা টিকবে নির্বাচনে এটা তো আগেই ঠিক করা। এই গরিব দেশে কেন এতো টাকা খরচ করা হচ্ছে, যেখানে মানুষ না খেয়ে থাকে, যেখানে ভূমিহীন মানুষ কষ্ট করছে, সেখানে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা কেন খরচ করা হচ্ছে এমন একটা প্রহসনের নির্বাচনে। ঘোষণা করে দিলেই হয় কে কোন আসনের এমপি।এক রাতেই সব নেতার মুক্তির প্রস্তাবেও রাজি হয়নি বিএনপি-কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের এমন বক্তব্যের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি এই খেলায় কখনো অংশ নেয় না । আমরা কখনো দাবিও করিনি আপনারা পদত্যাগ করেন আমরা ক্ষমতা নেবো। আমরা বলেছি আপনারা পদত্যাগ করুন। নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন জনগণ যাকে ভোট দেবে তারা সরকার গঠন করবে। বাংলাদশের গণতন্ত্র আওয়ামী লীগ ধ্বংস করছে। কখনো নিজেরা করেছে কখনো অন্যদের দিয়ে করেছেন।তিনি বলেন, স্বৈরশাসনের গোরস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাগান রচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮২ সালে সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্র হত্য্ করেছিলেন এরশাদ। এরশাদ ক্ষমতা দখল করার পর তারা বলেছিলেন উই আর নট অনহ্যাপি। সেই সময় স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন খালেদা জিয়া। যারা ইমাজেন্সি দিয়েছিল তারা বলেছিল আমাদের আন্দোলনের ফসল। সেই সময়ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন খালেদা জিয়া। খালেদা-তারেকের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ফিরে আসবে বলেও মনে করেন বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরামের এ নেতা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রুহুল আমিন গাজী, কবি আবদুল হাই সিকদার, কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি মৃত্যুফাঁদ তৈরি করে মানুষ হত্যা করছে

বিএনপি মৃত্যুফাঁদ তৈরি করে দেশের মানুষকে হত্যা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিএনপির মাথা নেই, তাদের নেতৃত্ব দেবে কে? বিদেশ থেকে আসে এক নির্দেশনা, পল্টন থেকে আসে আরেকটা— কোনটা পালন করবে তাদের নেতাকর্মীরা? রোববার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর নামে ২০১৩ সাল থেকে বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস করছে। তারই ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের নামে এবারও জ্বালাও-পোড়াও শুরু করেছে। বিএনপি জানে; জনগণ তাদের ভোট দেবে না। তাই তারা মরিয়া হয়ে নির্বাচন বানচাল এবং সরকার উৎখাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। যারা মানুষকে পুড়িয়ে মারে, রেললাইন কেটে দেয়- সেই দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সোচ্চার হতে হবে।বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাস জনগণ মেনে নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অবৈধ ক্ষমতার পকেট থেকে জন্ম নেয় নাই। এই অগ্নিসন্ত্রাস করে আওয়ামী লীগকে কখনো উৎখাত করা যাবে না। যারা রেললাইন উপড়ে ফেলে, মানুষ হত্যা করে, অগ্নিসন্ত্রাস করে, তাদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে।তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছিল— আমরা আছি পল্টনে তারেক কেন লন্ডনে। তারেকের নির্দেশে মানুষ পোড়ানো হচ্ছে। তাদেরকে জনগণ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। বর্তমান বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষ জানে কারা তাদের ভাগ্য উন্নয়ন করবে। আর বিএনপির মাথাই নেই। তাদের নেতৃত্ব দেবে কে? বিদেশ থেকে আসে এক নির্দেশনা। পল্টন থেকে আসে এক নির্দেশনা। কোনটা পালন করবে তাদের নেতাকর্মীরা?শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে ২০০১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। ২৬ বছরে প্রথম শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা স্থানান্তর করা হয়। এর আগে একবারও এমন হয়নি। সেই নির্বাচনে ব্যাপকভাবে অনিয়ম করে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দেওয়া হয়। কারণ, গ্যাস বিক্রি মুচলেকা দিয়ে খালেদা জিয়া ক্ষমতা আসে। তবে গ্যাস দিতে পারে নাই।তিনি বলেন, বিএনপির দুঃশাসন, দুর্নীতির কারণে দেশে ইমার্জেন্সি হয়। ইমার্জেন্সি সরকারের কথা ছিল মাত্র তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেবে। তারাও ক্ষমতার লোভে চেপে বসে। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণকে, ধন্যবাদ জানাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে। সবাই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে আমার মুক্তির জন্য ২৫ লক্ষ মানুষের সিগনেচার সংগ্রহ করে। তখন যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা তার অফিসে পৌঁছে দেয়। এটা অন্য কোনো দলের পক্ষে সম্ভব না। আওয়ামী লীগ শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে। আওয়ামী লীগের উপর যত আঘাত আসুক ঝড়ঝাপটা আসুক, আওয়ামী লীগ জনগণের হয়ে লড়াই করে। জনগণের ভোটের-ভাতের অধিকার অর্জন করে। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। এই নির্বাচনে ২৩৩টি সিটে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে। আর অপরদিকে ক্ষমতা দখলকারী মিলিটারি ডিক্টেটর জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি পেয়েছিল মাত্র ৩০ সিট। আমি এজন্য কথাগুলো বললাম, কারণ তাদের চরিত্র বদলাই নাই।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের ঝুঁকি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো বিপ্লব বা অভ্যুত্থান হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভার বক্তব্য নাকচ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের কিছু হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশে নেই। রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘৫২ বছরে বাংলাদেশের অর্জন’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোমেন।এসময় বাংলাদেশ ইস্যুতে মস্কোর মুখপাত্রের বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া কী বলেছে, এটা আমাদের ইস্যু নয়। এটা ওদের জিজ্ঞেস করুন। অনেকে অনেক ধরনের কথা বলবে, আমরা এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমরা সার্বভৌম, আমাদের ভারসাম্য পররাষ্ট্রনীতি আছে।‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’-এটার প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। কে কী বলল না বলল, এটা তাদের মাথাব্যথা নয়। আমরা পরাশক্তিগুলোর টানাটানিতে পা দিতে চাই না। আমাদের ভারসাম্য কূটনীতি নিয়ে আমরা চলতে চাই’- বক্তব্যে যোগ করেন মোমেন।আরব বসন্তের সম্ভাবনা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার তো মনে হয় না এ ধরনের কোনো সুযোগ আছে। আমরা একটা গণতান্ত্রিক দেশ। শেখ হাসিনার কারণে আমাদের দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত আছে। আর আমরা ৭ জানুয়ারি নির্বাচন করব। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেটা করব। আমরা খুব ভালোভাবে চলছি।মোমেন বলেন, আমাদের যে উন্নয়ন হয়েছে, এটা সম্ভব হয়েছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে। আমরা আমাদের লক্ষ্য নিয়ে সামনে যেতে চাই। অন্য কিছু আমাদের দরকার নেই। আমরা একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই।প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো পরিস্থিতি তেরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তার আগে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাসহ আরও কয়েকটি চাপ প্রয়োগ করতে পারে ওয়াশিংটন। বাইডেন প্রশাসনের টার্গেট হতে পারে বাংলাদেশের প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার দায়ে অনেক কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযোগ আনতে পারে।বাংলাদেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, সড়কে যান চলাচল বন্ধ, বাস পোড়ানো ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা উল্লেখ করে মারিয়া জাখারোভা বলেন, আমরা এসব ঘটনার সঙ্গে ঢাকায় পশ্চিমা একটি কূটনৈতিক মিশনের সন্দেহজনক কার্যকলাপের সংযোগ দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিরোধীদের সঙ্গে বৈঠক, যা নিয়ে গত ২২ নভেম্বরের ব্রিফিংয়ে আমরা কথা বলেছি।

post
বাংলাদেশ

সোমবারের পরিবর্তে মঙ্গলবার হরতাল

আগামীকাল সোমবারের পরিবর্তে পরশু মঙ্গলবার হরতাল পালন করবে বিএনপি। রোববার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী জরুরি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির এ পরিবর্তনের কথা জানান।‘জরুরি ঘোষণা’ শিরোনামে রিজভীর বরাত দিয়ে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ১ দফা দাবিতে আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩-এর পরিবর্তে ১৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে।বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল আহমদ আল সাবাহ-এর মৃত্যুর কারণে দেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সোমবারের হরতাল একদিন পিছিয়ে মঙ্গলবার পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সম্মতি রাষ্ট্রপতির

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সেনা মোতায়েনে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল রোববার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেনা মোতায়েনে ইসির আগ্রহের কথা জানান। রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন।পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো.জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে সেনা মোতায়নের অনুরোধ জানান। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে সম্মতি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে সেনা মোতায়নের তারিখ ও সময় জানানো হবে।এছাড়া সাক্ষাৎকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রপতি আশা করেন সবার সহযোগিতায় দেশে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এর আগে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তারা ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। তফসিল অনুযায়ী ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবেন। ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি: চুন্নু

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে জাতীয় পার্টি। রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও অর্থবহ হয় সেই লক্ষ্যে আমরা সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করব। তবে এই মুহূর্তে বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি।চুন্নু জানান, এবার আওয়ামী লীগকে ছাড়াই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবে জাতীয় পার্টি। ২৮৩ আসনে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন তারা। জাপা মহাসচিব বলেন, জাতীয় পার্টি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে আসছিল। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের একটি দাবি ছিল যে, যেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হয়, যাতে করে মানুষ ভোট দিতে আসতে পারে। তাহলে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসে আমাদের আস্থা এসেছে যে, তারা নির্বাচনটা ভালোভাবে করতে চান। আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব এবং নির্বাচন যেন প্রতিযোগিতামূলক হয় সেই আলোকে আমরা কাজ করে যাব।আমরা আশা করি এদেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে ভোট দেবে। এদেশের মানুষ অনেক সচেতন। আমরা আশা করি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম হবে। আমরা নির্বাচনটা করার জন্য আমাদের সব প্রার্থীকে আজকে চিঠি দিচ্ছি।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ২৮৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। কিছু কিছু আসনে সমঝোতা হচ্ছে বা হবে। নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি। সব বাধা উপেক্ষা করে আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। নির্বাচনে আসার জন্য আপনাদের ওপর কোনো চাপ ছিল কি না, জানতে চাইলে জাপা মহাসচিব বলেন, আমাদের ওপর কোনো চাপ ছিল না। জাতীয় পার্টি স্বতন্ত্র একটা দল, আমাদের নিজস্ব একটা রাজনীতি আছে।

post
বাংলাদেশ

২৬৩ আসনে নির্বাচন করছে আওয়ামী লীগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা ২৬৩টি আসনে নির্বাচন করছে বলে জানিয়েছেন দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। রোববার বিকেল ৪টার দিকে আগারগাঁওয়ে ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।বিপ্লব বড়ুয়া জানান, জাতীয় পার্টিকে ২৬টিসহ শরিকদের মোট ৩২টি আসনে আওয়ামী লীগ ছাড় দিয়েছে। আওয়ামী লীগের মিত্রদের সঙ্গে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছি আমরা। যাচাই-বাছাই শেষে আমাদের নিজেদের ৫টি আসনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সেসব আসন আমাদের দিক থেকে উন্মুক্ত থাকবে।জাপার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে– ঠাকুরগাঁও-৩, নীলফামারী-৩ ও ৪, রংপুর-১ ও ৩, কুড়িগ্রাম-১ ও ২, গাইবান্ধা-১ ও ২, বগুড়া-২ ও ৩, সাতক্ষীরা-২, পটুয়াখালী-১, বরিশাল-৩, পিরোজপুর-৩, ময়মনসিংহ-৫ ও ৮, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-১, ঢাকা-১৮, হবিগঞ্জ-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ফেনী-৩, চট্টগ্রাম-৫ ও ৮, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে। এ আসনগুলোতে নৌকার প্রার্থী থাকবে না বলে জানিয়েছেন বিপ্লব বড়ুয়া। ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে– বগুড়া-৪, রাজশাহী-২, কুষ্টিয়া-২, বরিশাল-২, পিরোজপুর-২, লক্ষীপুর-৪ আসনে। এসব আসনেও নৌকার প্রার্থী থাকবে না।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.