post
বাংলাদেশ

সরে দাঁড়ানোর কারণ জানাতে এসে হিরো আলম বললেন, ‘নির্বাচন করব’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত বদল করে আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। আজ রোববার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। হিরো আলম বলেন, "আমি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও এখন নির্বাচনে থাকব। এবারও হিরো আলমের ওপর হামলা হবে, মার হবে। তিন দফা নির্বাচন করেছি, তিন দফাই আমাকে মারধর করা হয়েছে।" একতরফা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আহ্বানে সংবাদ সম্মেলন করা হয় বাংলাদেশ স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্য পরিষদের ব্যনারে। এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার ৬ মিনিটের মাথায় হিরো আলম বলেন, "আমি প্রার্থিতা উইথড্রো করবো বলেছি। কেন উইথড্রো করতে চাইছি- এই যে পাতানো নির্বাচন। সারা বাংলাদেশের লোকজন বলে কেউ নির্বাচনে আসছে না, কেন আসছে না? যারা পাতানো নির্বাচন করছে, তারা সুবিধাভোগী আসনগুলো ভাগ করে নিয়ে নির্বাচন করছে। আজকে বলেছিলাম, আমি আর নির্বাচন করবো না ,কারণ এই নির্বাচন করে আমি মার খেয়েছি, লাঞ্ছিত হয়েছি অনেক বার।"এই বক্তব্যের পরক্ষণেই হিরো আলম বলেন, "নির্বাচন করে কোনো লাভ হবে না; কারণ তারা আসনগুলো আগেই ভাগ করে নিয়েছে। তাই আমাদের এই লোক দেখানো নির্বাচনের মনে হয় না কোনো দরকার আছে। আমি আজকে বলেছিলাম, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবো। এখন আমি বলছি, আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করবো না।" "আমি প্রার্থিতা উইথড্রো করবো না। আপনারা নিশ্চয়ই বলবেন কেন করবো না? আপনারাই হিরো আলমকে হিরো বানিয়েছেন এবং আপনারাই আবার হিরো আলমকে জিরো বানিয়ে দেন। আপনারাই বলেছেন, হিরো আলম টাকা খেয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছে, মার খাওয়ার ভয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছে। কিন্তু না, আমি এর আগেও নির্বাচন করেছি," যোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম আরও বলেন, "এই নির্বাচন সরকারের সাজানো নির্বাচন। আমি হিরো আলম নির্বাচনে থাকবো; এই নির্বাচন কত সুষ্ঠু হয়, সেটা দেখবো। প্রতিবারই হিরো আলম মার খায়, এবারও হিরো আলম মার খাবে।" তিনি বলেন, "নির্বাচনে আমি ফেল করবো এটাও জানি। আপনারা দেখবেন এই নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হয়। যেটা দেখানোর জন্য নির্বাচনে থাকছি। নির্বাচনে থাকছি প্রতিবাদ করার জন্য।" সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম বলেন, "প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও প্রধানমন্ত্রীকে আমরা বলতে চাই, ৩০০ আসনের মধ্যে আপনারা আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী নিলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীও নিলেন। কিন্তু আমরা যারা আমজনতা আছি, তাদের আসন কোথায়?" বক্তব্যের ৮ মিনিটের দিকে তিনি বলেন, "আমি নির্বাচন যে কোনো সময় বর্জন করতে পারি।" এদিকে, সম্মেলনে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যন মো. আব্দুর রহিম এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, "হিরো আলমের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছিল, সেই কারণে তিনি এসেছেন। তবে আজকে তিনি বলছেন, নির্বাচন থেকে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতেও পারেন, আবার নাও পারেন। এটি কোনো নেতা সুলভ কথা না।" আব্দুর রহিম দাবি করেন, প্রায় ৩০০ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে, তারা নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন। তারা সবাইকে এ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন। এর আগে, আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা তিনি। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, 'নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে যাচ্ছেন হিরো আলম। ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থী উইড্র করবেন তিনি।' এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিলের রায়ে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। গত ৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যথাযথভাবে পূরণ না করায় হিরো আলমের প্রার্থিতা বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম। এই রায়ের বিপরীতে গত ৬ ডিসেম্বর কমিশনে আপিল আবেদন করেন হিরো আলম। আপিলে তিনি মনোনয়ন ফিরে পান।  

post
বাংলাদেশ

শরিকদের সঙ্গে সাতটি আসনে সমঝোতা: তথ্যমন্ত্রী

আপাতত ১৪ দলীয় জোট শরিকদের সঙ্গে সাতটি আসনে সমঝোতা হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৪ দলের যারা নির্বাচিত হওযার যোগ্য, তাদেরকেই তো মনোনয়ন দিতে হবে। যাদের মনোনয়ন দিলে বা প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, তাদের ক্ষেত্রে তো সমঝোতা করা কঠিন। শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করা হয় ১৪ দলকে সাতটি আসনে ছাড় দেওয়া হয়েছে, এটা আরও বাড়বে কি না? উত্তরে তিনি বলন, সাতটিতে মোটামুটি ১৪ দলের সবাই .....। যারা নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য, তাদেরকেই তো মনোনয়ন দিতে হবে, কিংবা ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। যাদের মনোনয়ন দিলে বা ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, তাদের ক্ষেত্রে তো সমঝোতা করা কঠিন। আপাতত সাতটি আসনেই তাদের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।জাতীয় পার্টির সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৪ দলের সঙ্গে আমরা একটি সমঝোতায় উপনীত হয়েছি। এখনো আমাদের আলাপ-আলোচনা চলছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গেও আমরা আলোচনায় আছি। জাতীয় পার্টি আমাদের সহযোগী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করছে। ‘জাতীয় পার্টি সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে যারা ব্যাহত করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য, সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টি বরাবর আমাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে এবং তারা আমাদের রাজনৈতিক সহযোগী বলেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এবার জাতীয় পার্টি স্বাধীনভাবে নির্বাচন করছে। আমরা ২০০৮ সালে মহাজোট হিসেবে নির্বাচন করেছিলাম। ২০১৪ সালে আমাদের সঙ্গে এলায়েন্স হয়েছিল। এবার তারা ইন্ডিপেন্ডেন্টলি নির্বাচন করছে, এরপরও স্ট্র্যাটেজিক্যাল এলায়েন্স যে কারও সঙ্গে হতে পারে। সে নিয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে। আমরা আশাকরি খুব সহসা আমরা একটা সমঝোতায় উপনীতি হবো।স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ তো আওয়ামী লীগের নেই। তারা তো আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়িয়েছে। তাদেরকে আমরা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবো। আমরা দলগতভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করার পর, সেখানে আওয়ামী লীগেরও কেউ কেউ স্বতন্ত্র হয়েছে। আরও অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছে। শুধু আওয়ামী লীগের সদস্য বা আওয়ামী লীগ ঘরানার মানুষই স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়িয়েছে তা নয়। সেখানে অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছে, বিভিন্ন আসনে। তাদের ওপর তো আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। আমাদের নিয়ন্ত্রণ আমাদের দলীয় প্রার্থীদের ওপর।

post
বাংলাদেশ

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

ভারত বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ শিরোপাও তাদের। সেই ভারতকেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় করলো বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়নদের ৪ উইকেট আর ৪৩ বল হাতে রেখে হারিয়ে ফাইনালে নাম লিখিয়েছে টাইগার যুবারা। বাংলাদেশের লক্ষ্য খুব বড় না হলেও একটু দুশ্চিন্তা ছিলই। ১৮৯ তাড়া করতে নেমে যে ৩৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছিল যুবা টাইগাররা।তবে সেখান থেকে আরিফুল ইসলাম খেললেন চোখ ধাঁধানো এক ইনিংস। শুরুতে ইনিংস মেরামতে মনোযোগ দিলেন, সেট হয়ে মাঠ গরম করলেন চার-ছক্কায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার। ব্যক্তিগত ৯৪ রানে থাকার সময় ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয় ডানহাতি এই ব্যাটারকে। তবে আরিফুল ফিরলেও তখন জয় বলতে গেলে নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের। শেষদিকে অবশ্য ভারত বেশ কয়েকটি উইকেট তুলে নেয়। নাহলে বাংলাদেশের জয়টা আরও বড় হতে পারতো।ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল যুবা টাইগাররা। প্রথম ওভারেই রাজ লিম্বানির বলে বোল্ড হন ওপেনার জিসান আলম। গোল্ডেন ডাকে ফেরেন তিনি। ১৯ বলে ১৩ করে নামান তিওয়ারির শিকার হন চৌধুরী মো. রিজওয়ান। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আশিকুর রহমান শিবলির ওপর ভরসা ছিল। কিন্তু ২২ বলে ৭ করে রানআউটে কাটা পড়েন এই ওপেনার।সেখান থেকে আরিফুল ইসলাম আর আহরার আমিনের ১৩৮ রানের জুটিতে ম্যাচ জেতা নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। এ জুটিতে মূল ভূমিকা আরিফুলেরই। তবে ৯০ বলে ৯ চার আর ৪ ছক্কায় ৯৪ রান করে ভারতীয় পেসার রাজ লিম্বানিকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়েই ভুল করেছেন তিনি। ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয়েছে সাজঘরে। এরপরই তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হন মোহাম্মদ শিহাব আর শেষদিকে এসে উইকেট বিলিয়ে আসেন আরিফুলের সঙ্গে ম্যাচ জেতানো জুটি গড়া আহরারও। ১০১ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। এর আগে দারুণ বোলিংয়ে ভারতকে ১৮৮ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। টাইগার পেসারদের তোপের মুখে শুরুতে দাঁড়াতেই পারছিল না ভারতীয় ব্যাটাররা। ৬১ রানে ভারতের ৬ উইকেট তুলে নেন তারা। শেষদিকে মুশের খান ও মুরুগান অভিশেকের দুই ফিফটিতে সম্মানজনক স্কোরই পেয়ে যায় উদয় শাহারানের দল। ৪২.৪ ওভার খেলে ১৮৮ রানে অলআউট হয়েছে তারা।শুক্রবার আরব আমিরাতের আইসিসি একাডেমি মাঠে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৩ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত। ২ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার আদর্শ সিং। বাঁহাতি পেসার মারুফ মৃধার বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। এরপর ৬ বলে ১ রান করা আরেক ওপেনার আর্শিন কুলকার্নিকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান মৃধা। অধিনায়ক উদয় শাহারানকে রানের খাতাই খুলতে দেননি মারুফ। অর্থাৎ প্রথম তিন উইকেটের তিনটিই শিকার করেন এই বাঁহাতি পেসার। এরপর দলের হাল ধরান চেষ্টা করেন প্রিয়ানসু মলিয়া ও শচিন দাস। তবে বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেনি শচিন। ২৩ রানের জুটিটি ভেঙে দেন ডানহাতি পেসার রোহানাত দৌল্লা বর্ষণ। ৩৬ রানে ছিল না ভারতের ৪ উইকেট। এরপর প্রিয়ানসু মলিয়া ও মুশের খানের ২৫ রানের জুটি দলীয় স্কোর ৬১ রানে নিয়ে যায়। ১৬ তম ওভারে জোড়া আঘাতে মলিয়াকে ১৯ রানে ও অ্যারাভেলি আভিনিশকে ০ রানে ফেরান ডানহাতি পেসার বর্ষণ। তখন মনে হয়েছিল ভারতকে ১০০ রানের আগেই গুটিয়ে দিতে পারবে বাংলাদেশ।কিন্তু সেটি হতে দেয়নি মুশের ও মুরুগান অভিশেকের করা সপ্তম উইকেটের জুটি। ১০৮ বলে ৮৪ রানের পার্টনারশিপে তারা দলকে নিয়ে যান ১৪৫ রানে। মুশের ফিফটি হাকিঁয়ে রাব্বির বলে আরিফের হাতে ক্যাচ হন। এরপর ৩ রান দলীয় স্কোরকার্ডে তিন রান যোগ না হতেই ফেরত যান নতুন ব্যাটার সৌমি পান্ডে। মুরুগানও হাকাঁন ফিফটি। অবশেষে ৭৪ বলে ৬২ রান করে মারুফের বলে জিসান আলমের হাতে ধরা পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৮৮ রানে অলআউট হয় ভারত। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেন মারুফ মৃধা। ২টি উইকেট তুলে নেন রোহানাত দৌল্লা বর্ষণ ও শেখ পারভেজ জীবন।

post
বাংলাদেশ

মির্জা ফখরুলকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন

নাশকতার অভিযোগে পল্টন মডেল থানায় করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক সুমিত কুমার এ আবেদন করেন। সোমবার গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে শুনানি হবে। শুক্রবার পল্টন থানার আদালতের নিবন্ধন শাখা থেকে জানা যায় এ তথ্য।এর আগে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় ২৯ অক্টোবর গ্রেফতার দেখিয়ে মির্জা ফখরুলকে আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলাটি করা হয় রমনা মডেল থানায়। এরপর এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।এরপর ২ নভেম্বর মির্জা ফখরুলের জামিন চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। আবেদনের পর আদালতে জামিন শুনানির জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষ জামিন শুনানি পেছানোর জন্য আবেদন করে। এরপর আদালত জামিন শুনানি পিছিয়ে ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। ওইদিন শুনানি শেষে জজকোর্ট তার জামিন নামঞ্জুর করেন।এরপর ৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ৭ ডিসেম্বর ফখরুলকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন। রাষ্ট্রপক্ষকে এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনের পর সরকার টিকবে না:মঈন খান

নির্বাচনের পর সরকার পাঁচদিন টিকবে কি না কেউ বলতে পারেন- এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, ‘২০১৪ সাল আর ২০২৪ সাল কিন্তু এক না। জনগণের শক্তির কাছে কামান বা বুলেট কিছুই টেকে না। বিশ্বে এমন অসংখ্য নজির রয়েছে। এবার সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। এই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা নেই।’শুক্রবার  বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘মহান বিজয় দিবস, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশকে ভালোবাসলে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিক। জনগণের ভোটে তারা নির্বাচিত হলে প্রথম আমি অভিনন্দন জানাবো। না হলে এবার জুজুর ভয় দেখিয়ে এই সরকারের কোনো লাভ হবে না।’তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে রাজনীতি বলে কিছু নেই, রয়েছে অপরাজনীতি। এখানে ক্ষমতার নামে চলে দখল ও চাঁদাবাজি আর টাকা পাচার। ৫২ বছর আগে দেশের মানুষ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল তার মূলে ছিল গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি। কিন্তু আজ দুটোর কোনোটিই নেই।’বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের সংকটের সমাধান করতে হবে। সরকার মুখে যা বলে কাজে তা করে না। কাজে যা করে তা বলে না। তারা নিজেদের গণতান্ত্রিক সরকার বলে পরিচয় দেয়। বিএনপিকে বলে সন্ত্রাসী দল! তারা মিথ্যা কথা বলে জনগণকে বার বার বিভ্রান্ত করছে। তারা হিটলারের মন্ত্রী গোয়েবলসের মতো মিথ্যাচার করছে। তবে এভাবে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। ক্ষমতার মোহে অন্ধ হলে পায়ের মাটি কখন সরে যায় টের পাওয়া যায় না।’তিনি বলেন, ‘এই সরকারের মিথ্যাচার নিজেরাই বিশ্বাস করে না। তারা মনে করছে ক্ষমতায় যেহেতু আছে নির্বাচনের দরকার কী? কোনো সরকার গণতন্ত্রের ভান ধরলে সেই সরকার স্বৈরাচারের চেয়েও বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। আজ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছে।আবদুল মঈন খান আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই স্বৈরশাসককে মানেনি। যার প্রমাণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। সেদিন কিন্তু দেশের জনগণ পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের দাবিতে জীবন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছে। আমরা আবারও সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারের পতন ঘটাবো ইনশাআল্লাহ।আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মান্না বলেন, এই সরকার কী ভোট করছে? এটা তো বানরের পিঠা ভাগাভাগির মতো। ল্যাংড়া কানা খোড়া নিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করছে সরকার। তারা নিজেরা নিজেরা লাইনে দাঁড়িয়ে জটলা পাকিয়ে দেখাবে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে! আসলে এটাতো কোনো নির্বাচন নয়। আজ আওয়ামী লীগের জোট-মহাজোটের নেতাদের আসন ভাগাভাগি দেখলেই বোঝা যায় ওটা বানরের পিঠা ভাগাভাগি। এভাবে সরকার নির্বাচনের নামে নাটক-সিনেমা করবে।তিনি বলেন, এই সরকারকে সরে যেতেই হবে জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। বিএনপি কিন্তু দেশে জনতার অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। যা সারাদেশে দেখা গেছে। এবার বিজয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে সারা ঢাকা কেঁপে উঠবে। রাজপথের কঠোর আন্দোলন ও রক্তের বিনিময়ে হলেও এই সরকারকে বিদায় নিতে হবে। বিশ্বের দেশে দেশে এমনটি হয়েছে। সরকারের পুলিশ বাহিনী যতই অত্যাচার করুক আমরা আমাদের জায়গা ছাড়বো না। কেননা রাজনৈতিকভাবে এই সরকার পচে গেছে। এরা সারাবিশ্বে ঘৃণিত। ম্যাথিউ মিলার বলেছেন- বাংলাদেশের বিরোধীদের ওপর কেমন নির্যাতন চালানো হচ্ছে, আমরা সব খবর রাখি। সুতরাং ওদের সময় বেশি নেই।

post
বাংলাদেশ

টিআইবি বিএনপির শাখা হয়ে গেছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে একদিকে সন্ত্রাস সহিংসতা হচ্ছে, অন্যদিকে ভয়ঙ্কর গুজবের ডালপালা বিস্তার করা হচ্ছে। মানবাধিকারের প্রবক্তা টিআইবি বিএনপির ভাবাদর্শের প্রবক্তা হয়ে চোখ থাকতে অন্ধ হয়ে আছে। টিআইবি বিএনপির শাখা সংগঠন হয়ে গেছে। শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রাণ। সরকারি দল হিসেবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করাই আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। যে কোনো মূল্যে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করে রেকর্ড করতে চায় আওয়ামী লীগ। তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া ব্যবস্থাকে স্বাগত জানাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সমর্থন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে কোনোভাবে প্রভাবিত করছে না আওয়ামী লীগ। বিজয় দিবসের কর্মসূচি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের কর্মসূচি শুরু হবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে। ১৭ ডিসেম্বর আমাদের আলোচনা সভা। ১৮ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় শোভাযাত্রা করা হবে। সেদিন একযোগে সারা দেশে বিজয় শোভাযাত্রা করা হবে। নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, বিএনপি ও তার দোসরদের একদিকে সন্ত্রাস-সহিংসতা, অন্যদিকে গুজব ভয়ংকরভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। এসময়ে টিআইবির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দেশে এখন যারা মুক্তবুদ্ধির চর্চা করেন বলে দাবি করেন, যারা মানবাধিকারের প্রবক্তা, যেমন টিআইবি... ২৮টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তারপরও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কেন হবে না, এ প্রশ্নের উত্তর টিআইবির কাছে পাওয়া যাবে না। তারা জেনেশুনেই এটা করছে। আমরা টিআইবির কাছে জানতে চাই, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে কী বুঝায়? ২৮টি নিবন্ধিত দল অংশ নিচ্ছে, বিএনপিসহ কয়েকটি দল নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছে, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না, এর অর্থটা কী? টিআইবি বিএনপির শাখা-সংগঠন। তারা একই সুরে কথা বলে।বিএনপি নেতা মঈন খানের ভাগাভাগি নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিসের ভাগাভাগি? আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেকোনো মূল্যে এই  নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসেবে,  একটা রেকর্ড আমরা দেখাতে চাই। নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের প্রাণ, কাজে নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করায় আমাদেরও দায়িত্ব আছে।নির্বাচনের আচরণবিধি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে যেগুলোকে আমরা সমর্থন দিয়েছি। আমাদের যেসব প্রার্থী প্রার্থিতা হারিয়েছে, আমরা কারও ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার কোনো চেষ্টা করিনি এবং করব না।

post
বাংলাদেশ

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলো ২৭৫ ব্যক্তি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানিতে মোট ২৭৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্যে শেষ দিনের আপিল শুনানিতে ২২ জন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াসহ বৈধতা পেয়েছেন। এ দিন নামঞ্জুর হয়েছে ৬২ জন প্রার্থীর আবেদন। আজ  আপিল শুনানিতে মোট প্রার্থী ছিলেন ৮৪ জন।শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসি জানায়, এর আগে প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান, দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন প্রার্থী, তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৬১ জন, চতুর্থ দিনে ৪৪ জন, পঞ্চম দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন এবং আজ শেষ দিনে ২০ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে এ দিন ফরিদপুর-৩ ও বরিশাল-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেছে ইসি। অর্থাৎ এই দুই বৈধ প্রার্থী ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা হারিয়েছেন। অন্যদিকে গত ছয় দিনে মোট ২৭৫ জন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৫৮টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি শেষে আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করে ২৭৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা দিল নির্বাচন কমিশন। তবে মোট আপিলের মধ্যে ২৮৩ জন প্রার্থীর আবেদন নামঞ্জুর করেছে আউয়াল কমিশন। এই ২৮৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন। ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।

post
বাংলাদেশ

স্বস্তি ফিরছে না নিত্যপণ্যের বাজারে

স্বস্তি ফিরছে না নিত্যপণ্যের বাজারে;পেঁয়াজের ঝাঁজ কমলেও বেড়েছে আদা রসুনের দাম;অসাধূ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হবার তাগিদ- ভোক্তাদেরকোনভাবেই স্বস্তি ফিরছে না নিত্যপণ্যের বাজারে। পেঁয়াজের বাজার নিম্নমুখী হতে না হতেই বাড়তে শুরু করেছে,আদা রসুনের দাম। প্রচুর সরবরাহ থাকলেও নিম্নবিত্তের নাগালে আসছে না শীতকালিন সবজির দাম।এসবের পেছনে বরাবরের মত সিন্ডিকেটকেই দায়ী করছেন ক্রেতারা। লাগাম টানতে, শুধু নামমাত্র অভিযান নয়,অসাধূ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হবার তাগিদ ভোক্তাদের। পেঁয়াজের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হলেও বাড়তে শুরু করেছে আদা রসুনের দাম। ক্রেতাদের অভিযোগ বেড়েছে ডিম,ব্রয়লার মুরগী ও শীতকালিন সবজির দামও।গত তিন-চারদিনের ব্যবধানে ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি আদা ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও রসুনের কেজি ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ডিমের দাম বেড়েছে ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, যেখানে চার দিন আগে রাজধানীর খুচরা বাজারে দেশি রসুনের কেজি বিক্রি হয়েছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা, সেই রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে। ভোক্তা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হলেও, নতুন মুরিকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হোচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায় । বাজারে শীতকালিন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে ক্রেতাদের। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ ও গরুর মাংস সহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম।

post
বাংলাদেশ

১৮ ডিসেম্বরের পর সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৮ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের কোনো সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে সাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হাবিবুল হাসান।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ছাড়া নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটপ্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে এরূপ কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠায় নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় জলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ৭ জানুয়ারি ধার্য করা রয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা শুরু হবে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ব্যতীত নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটপ্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে এরূপ কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখা বাঞ্ছনীয়।

post
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতি অসন্তুষ্ট:পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতি যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বলে মনে করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।বিএনপি বার বার দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের নির্বাচন চায় না, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বিএনপি যে কাজগুলো করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে সন্তুষ্ট নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রও জ্বালাও-পোড়াও চায় না। যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী তৎপরতা চায় না। সুতরাং আমার ধারণা যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতি যথেষ্ট অসন্তুষ্ট। তাদের কাছ থেকে গণতান্ত্রিক মনোভাব তারা (যুক্তরাষ্ট্র) পায়নি। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, আমরাও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করে, আমরাও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করি। আমাদের সঙ্গে তাদের মানসিকভাবে কোনো পার্থক্য নেই।বহির্বিশ্ব থেকে চাপে আছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমরা বহির্বিশ্বের চাপে নেই। আমরা আমাদের নিজেদের চাপে আছি। আমরা একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন করতে চাই, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। এটা আমাদের চাপ। এটা আমরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বহির্বিশ্ব আমাদের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বহির্বিশ্বও চায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে নন-ভায়োলেন্স। আমরাও চাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এ ব্যাপারে। সুতরাং আমরা নিজেদের চাপে আছি। জনগণের প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। জনগণের রায় আমরা চাই। আমরা চাই বহু লোক নির্বাচনে ভোট দেবে। এগুলো আমাদের চ্যালেঞ্জ। অন্য কিছু আমাদের চ্যালেঞ্জ নয়।’

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.