post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতায় বাধা দেখছি না: মোমেন

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের সঙ্গে তলে তলে কোনো আপস হয়নি। পাশাপাশি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় দেশের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো টানাপোড়েন নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। নির্বাচনের স্বতন্ত্রী প্রার্থী বেশি হলেও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না বলেও মনে করেন তিনি।বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নির্বাচন নিয়ে বড় দেশগুলোর টানাপোড়েন কিংবা তলে তলে আপস হয়ে গেল কি না, এমন প্রশ্ন রাখা হয় ড. মোমেনের কাছে। জবাবে মোমেন বলেন, কোনো টানাপোড়েন নাই। কারণ, আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু এবং সংঘাতহীন নির্বাচন করার বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তলে তলে কিছুই হয় নাই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত, আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তারা আমাদের বন্ধু। তারা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। তাদের সঙ্গে আমাদের অনেক দিনের সম্পর্ক। আমেরিকা সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক। একাত্তরে আমেরিকা আমাদের বিপক্ষে থাকলেও যেদিন আমরা স্বাধীনতা পেলাম তারপর থেকে আমেরিকা আমাদের প্রতিনিয়ত সহযোগিতা করছে। সব সময় সমর্থন দিয়েছে। জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য ১৬টা প্রস্তাব এসেছে, ১৫টায় আমেরিকা আমাদের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়েছে।

post
বাংলাদেশ

এবারও ক্ষমতায় এলে যা যা করবে আওয়ামী লীগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দেওয়া ইশতেহারে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের অঙ্গীকার করেছে আওয়ামী লীগ।বুধবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ইশতেহারে বলা হয়, উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল প্রতিটি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যাপ্ত, নির্ভরযোগ্য ও ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ মূল্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংস্থান একটি পূর্বশর্ত। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে বিদেশি শোষণ চিরতরে বন্ধ এবং জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষা দিতে দেশের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদসহ সকল প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। ইশতেহারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যেসব অঙ্গীকার প্রদান করা হয়েছে সেগুলো হলো-• নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।• বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রসমূহ বন্ধ (রিটায়ারমেন্ট) করা হবে।• পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য গ্রিড যুগোপযোগী করা হবে।• নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং এই অঞ্চলে আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা হবে।• সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ২৪ হাজার সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত করা হবে।• পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

post
বাংলাদেশ

জাল ভোট হলে প্রিসাইডিং অফিসারের চাকরি থাকবে না

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান বলেছেন, যদি একটা জাল ভোটও হয়, প্রিসাইডিং অফিসারের চাকরি থাকবে না। এখন ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা আছে। নির্বাচনী কর্মকর্তারা ছবি চেক করে তারপর ভোট দিতে দেবেন। যাতে কেউ বলতে না পারে- ‘আমার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে।’বুধবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রার্থী, নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কোনো টলারেন্স নেই, জিরো টলারেন্স। সততা, স্বচ্ছতা এবং সুন্দর ভোটের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। এটার জন্য সবার সহযোগিতা দরকার। প্রার্থীদের সহযোগিতা দরকার, তারা সহযোগিতা করবেন। আমার সাথে এখানে যারা আছেন সবাই পরীক্ষিত। তারা আমাদের অনেক ইলেকশনে সহযোগিতা করে প্রমাণ করেছেন। তারা সঠিক নির্বাচনের জন্য প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগী হয়ে কাজ করছেন। সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে আহসান হাবিব খান বলেন, আপনারা যারা আছেন তারা কেন্দ্রের সামনে ক্যামেরা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন। আর আপনারা কেন্দ্র ভাগ করে নেবেন, ভোট দিয়ে আসার পর জিজ্ঞাসা করবেন ‘মা কেমন ভোট হলো’। মা এসে বলবে- ‘বাবা এত সুন্দর ভোট কখনো দেখি নাই।’ এটা যদি বলে তাহলে ১০০ তে ১০০ প্রচার করেন। আবার যদি বলে-  ‘বাবা আমার ভোট কে যেন দিয়ে গেছে, আর ভেতরে কে যেন সিল মারছে শুধু।’ তখন আপনারা প্রচার করেন। যেই হোক, যার ফেভারে হোক সেটা প্রচার করেন। সেই সৎ সাহস দরকার। আপনাদের এই সহযোগিতা দরকার।

post
বাংলাদেশ

নৌকার কোন বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে, নৌকার কোন বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই দেশের উন্নয়ন হয়। দুপুরে, রংপুরের তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নৌকার বিজয় নিশ্চিতে, আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে সবাইকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, রংপুরে জনসভার আগে, দুপুরে রংপুরের তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনসভার সূচনা বক্তৃতায়, মঙ্গাপীড়িত উত্তরবঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যা কিছু উন্নয়ন অর্জন, তা আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই হয়েছে। এর ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট চাইলেন তিনি। আবার ক্ষমতায় গেলে, জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচন কমিশনের দিক-নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠে কাজ কোরে যাচ্ছে র‍্যাব

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতো করতে,নির্বাচন কমিশনের দিক-নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে কাজ কোরে যাচ্ছে র‌্যাব। দুপুরে,রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, যেখানে গোয়েন্দা তথ্য থাকছে সেখানে কাজ করছে র‍্যাব।সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী,অস্ত্র উদ্ধার বেগবান হয়েছে বলেও জানান তিনি।

post
বাংলাদেশ

গনতন্ত্র বাঁচাতে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই: ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশের গনতন্ত্র বাঁচাতে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে, পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।কাদের বলেন,বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে।তারেক রহমান বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছে।বলেন,তার বাবা জিয়াউর রহমানও গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি যারা চালু করেছে,তারা এদেশের গণতন্ত্র বিকাশে বাঁধা দেবে,এটাই স্বাভাবিক।

post
বাংলাদেশ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, একটি অসাম্প্রদায়িক, সুখী-সমৃদ্ধ ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে।সোমবার বঙ্গভবনে ‘বড় দিন’ উপলক্ষ্যে খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এক ভাষণে  রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এসময় তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা, পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সুখী-সমৃদ্ধ ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সব ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে। ধর্ম উপলব্ধির বিষয়, তর্কের নয়। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহমানকাল থেকে এদেশে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠানাদি স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে। ঢাকার আর্চবিশপ বিজয় নিসেফরাস ডি’ক্রুজ, বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিওসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি দরবার হলে একটি কেক কাটেন এবং অতিথিদের সঙ্গে ফটো সেশনে অংশ নেন।

post
বাংলাদেশ

ভোট গণনার বিবরণ পাঠানোর বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসারদের নির্দেশনা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পর ডাকযোগে ভোট গণনার বিবরণ দিতে প্রিজাইডিং অফিসারদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রত্যেক প্রিজাইডিং কর্মকর্তার জন্য একটি করে বিশেষ খাম পাঠিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।সোমবার এ সংক্রন্ত একটি নির্দেশনা প্রত্যেক রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান। নির্দেশনায় ইসি জানায়, ইসি সচিবালয় থেকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ অনুচ্ছেদের (১৫) দফার বিধান অনুসারে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটকেন্দ্র থেকে সরাসরি ডাকযোগে ইসিতে এক কপি ভোট গণনার বিবরণী প্রেরণ করবেন। সেজন্য প্রত্যেক প্রিজাইডিং অফিসারকে একটি করে বিশেষ খাম সরবরাহ করতে হবে। ইতোমধ্যে এ বিশেষ খাম ইসি সচিবালয় থেকে সংশ্লিষ্ট জেলায় সরবরাহ করা হয়েছে। ভোট গণনার বিবরণী যথাযথভাবে ইসিতে পৌঁছানোর জন্য প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোট গণনার বিবরণী বিমাকৃত ডাকযোগে অথবা রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ করবেন। এছাড়া, প্রিজাইডিং অফিসার সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিস থেকে প্রাপ্তি স্বীকারও গ্রহণ করবেন। তবে, তার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারদের অগ্রিম ডাক মাশুল পরিশোধ করার প্রয়োজন নেই।

post
বাংলাদেশ

সাকিব আল হাসানকে সতর্ক করলো ইসি

আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তারকা ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাকিব আল হাসানকে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।সোমবার ইসির উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, মাগুরা-১আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাকিব আল হাসান বিগত ২৯ নভেম্বর ঢাকা থেকে মাগুরায় আগমনের সময় কামরাখালী এলাকা থেকে শোডাউন করে গাড়িবহর নিয়ে মাগুরা শহরে প্রবেশ করেন এবং নাগরিক গণসংবর্ধনায় যোগদান করায় জনগণের চলাচলের প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। এতে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে। অপরদিকে খুলনা-৬ আসনের বি এন এম মনোনীত প্রার্থী এস এম নেওয়াজ মোর্শেদ শতাধিক মোটরবাইক ও সহস্রাধিক লোকজনসহ কয়রা বাজারে মিছিল সহযোগে শোডাউন করে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করেন। এতে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

সিপিডিকে ৯২ হাজার কোটি টাকার সন্ধান দিতে বললেন কাদের

গত ১৫ বছরে দেশের ব্যাংক খাত থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে সিপিডি যে দাবি করেছে সে বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ওই টাকা কোথায় গেল তার সন্ধান সিপিডিকে দিতে হবে। তারা তথ্য দিলে সরকার ওই টাকা ফিরিয়ে আনবে বলে জানান কাদের। সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন একটি হিসাব তুলে ধরেন, যেখানে বলা হয়— অনিয়মের মাধ্যমে ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকিং খাত থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে বলেন, সিপিডির এই রিপোর্ট সম্পর্কে আমি বিস্তারিত জানি না। এ রিপোর্ট কে দিয়েছে? দেবপ্রিয়ই দিক বা মুস্তাফিজই দিক, আমার বক্তব্য হচ্ছে এই টাকাগুলো কোথায় গেছে? আপনারা টাকার সন্ধান দিন, আমরা টাকাগুলো ফিরিয়ে আনতে চাই। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটা নির্বাচন হলে সেখানে সংঘাত একটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে বড় ধরনের কোনো সংঘাতের শঙ্কা দেখছি না। বিশৃঙ্খলা ও সংঘাতের বিষয়ে আমাদের সভানেত্রী ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানে আছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.