post
বাংলাদেশ

কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন, প্রমাণ করবেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিদ্যমান: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন যেন না হয় সেজন্য এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি নিজেরা নির্বাচনে যাবে না, অন্যদেরও ভোট দিতে দেবে না। তারা জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। সবাই শান্তিপূর্ণ থাকবেন। কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন। প্রমাণ করবেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিদ্যমান।বৃহস্পতিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ইসদাইর এলাকার শামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এটিই আওয়ামী লীগের শেষ নির্বাচনী জনসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ সামনের দিকে যায় আর বিএনপি থাকলে পেছনের দিকে যায়। আমরা ক্ষমতায় এসে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছিলাম। আর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে আমাদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ কমিয়ে আগের জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল। তারা ক্ষমতায় এসে দুঃশাসন, দুর্নীতি করে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো মানুষের ওপর অত্যাচার করে।’ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘মুজিববর্ষে আমার অঙ্গীকার ছিল কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না। আমরা ভূমিহীনদের ভূমি দিয়েছি। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করেছি। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়িয়েছি। এখন আর শিশুদের জন্য বই কিনতে হয় না। আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। তবে আপনারা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবেন। অযথা বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন না। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের মানুষের নতুনভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবন দেওয়া।’ তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই দেশে এত উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ স্বল্পোত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নত দেশের দিকে এগিয়ে যাবে।’ ‘আওয়ামী লীগ উপমহাদেশের প্রাচীন প্রজ্ঞাশীল সংগঠন’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমরা কারও ওপর মুখাপেক্ষী না। কারও ওপর নির্ভর করব না। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।’শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনার সময় বিনা টাকায় টিকা দিয়েছি। শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়েছি। বস্তিবাসীদের জন্য ফ্ল্যাট বানিয়ে দিয়েছি। দলিত সম্প্রদায়কে আরও ফ্ল্যাট বানিয়ে দেবো। আমরা দেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আর বিএনপি মানুষ হত্যা করে। ২৮ অক্টোবর বিএনপি পুলিশ হাসপাতালে হামলা করেছে। পুলিশকে হত্যা করেছে। প্রধান বিচারপতি বাড়িতে হামলা করেছে।’

post
বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে ১১ দেশের ৮০ পর্যবেক্ষক আসবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আগে থেকেই ঢাকায় আছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০ জন বিদেশি সংবাদকর্মী এসেছেন। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে তিনি বলেন, এবার নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। যেখানে তারা আচারণবিধি লঙ্ঘন দেখছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের অবস্থান দৃশ্যমান। এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

যেখানেই অনিয়ম সেখানেই অ্যাকশন : ইসি রাশেদা

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, যেখানেই অনিয়মের অভিযোগ আসবে সেখানেই আমরা অ্যাকশন নেব।বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদা সুলতানা বলেন, আমি মনে করি, নির্বাচনের মাঠ আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো অনিয়ম পেলে আপনারা ছবি তোলেন, প্রমাণ দেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেব। যেখানেই অনিয়ম সেখানেই আমাদের অ্যাকশন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কারণে প্রার্থিতা বাতিলের মতো ঘটনাও ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন এর আগে আমরা গাইবান্ধায় ভোটও বন্ধ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের যত আয়োজন, সব নির্বাচন ঘিরে। তাই নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রাখতে আজ থেকে সেনাবাহিনীকে নামানো হয়েছে। শুধু সেনাবাহিনী নয়, আমাদের যত বাহিনী আছে সবই এখন সুশৃঙ্খল ও উন্নত হয়েছে। ভোটের পরিবেশ কেমন হবে– সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোট উৎসবমুখর ও সুন্দর হবে, এটা আমি বলতে পারি। ১৯৯৬ সালে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ার কারণে সেই নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তাই আমরা এবারের নির্বাচনে কোনো বিতর্ক তৈরি করতে চাই না। আমরা আমাদের জনগণ ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। ভালো নির্বাচন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মিডিয়া, পত্রিকা দেখে আমার মনে হচ্ছে সরকার চাইছে একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন হোক।

post
বাংলাদেশ

ভোট চুরি করলে জনগণ মেনে নেয় না : শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল খালেদা জিয়া, কিন্তু থাকতে পারেনি। ভোট চুরি করলে জনগণ মেনে নেয় না।তিনি বলেন, আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার পতন ঘটে। ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়। তারপর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ওদের শিক্ষা হয়নি। তাই ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আবারও ভোট কারচুপি, ভোট চুরি, জনগণের ভাগ্য নিয়ে খেলা শুরু করে। তাদের দুঃশাসনের কারণে দেশে ইমার্জেন্সি (জরুরি অবস্থা জারি) হয়।বুধবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে পাঁচটি জেলা ও একটি উপজেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি যখন গ্যাস বিক্রি করতে রাজি হইনি, তখন ষড়যন্ত্রের শিকার হই। ক্ষমতায় আসতে পারিনি। গ্যাস বিক্রি করার মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় এসেই তারা দুর্নীতি লুটপাত, জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা এবং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের অকাট্য নির্যাতন শুরু করে। তাদের দুর্নীতি এমন পর্যায়ে চলে যায়, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরেক দিকে তারেক, যে হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতির আখড়া গড়ে তোলে। ব্যবসা-বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে। যার ফলে দেশে চরম অরাজকতার সৃষ্টি হয়। তারা জানত জনগণ তাদের ভোট দেবে না, প্রত্যাখ্যান করবে। তখন তারা এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট তৈরি করে। সেভাবে নির্বাচন করার প্রচেষ্টা নেয়। সেখানে তারা ব্যর্থ হয়।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে: ওবায়দুল কাদের

নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে ভূমিকা রাখছে, সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।বলেন, যেখানেই নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে সেখানেই নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিচ্ছে। দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে, তিনি এসব কথা বলেন। কাদের বলেন,বিশ্ববাসী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে একটি ভালো নির্বাচন প্রত্যক্ষ করবে। যেখানে জনমত বিজয়ী হবে। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি জামাত এখন লিফলেট বিতরণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যর্থতা ও ভুলের চোরাবালিতে আটকে গেছে বিএনপি।

post
বাংলাদেশ

ভোটে ‘গোলযোগের গুজব’ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ইসির

ভোটে ‘গোলযোগের গুজব’ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন,নির্বাচন কমিশনার মো.আনিছুর রহমান।তিনি জানান,নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে, এবারই প্রথম ভোটের মাঠে সর্বাধিক বিচারিক হাকিম নিয়োগ করা হয়েছে। সকালে, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে, এসব কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি আরও বলেন,এবারের ভোট গ্রহণ কোনরকম প্রশ্নবিদ্ধ হলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সমগ্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এছাড়া,প্রশিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।

post
বাংলাদেশ

বুধবার থেকে মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে বুধবার থেকে মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী।মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আইএসপিআর জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে ‘ইন এইড টু দি সিভিল পাওয়ার’র আওতায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবেন। আইএসপিআর আরও জানায়, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাহিনীগুলো এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করছে। সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় চারটি উপজেলায় কোস্ট গার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় দুটি জেলাসহ (ভোলা ও বরগুনা) মোট ১৯টি উপজেলায় নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। বিমানবাহিনী হেলিকপ্টারযোগে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় হেলিকপ্টার সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচনী সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিমানবাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলেও জানায় আইএসপিআর।

post
বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র পবনের প্রার্থিতা বাতিল

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. হাবিবুর রহমান পবনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।মঙ্গলবার দুপুরে ইসি থেকে এ সংক্রান্ত একটা চিঠি জারি হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলো। পবনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বদলির হুমকি দিয়েছিলেন। এজন্য তাকে তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের উপসচিব (আইন) মো. আব্দুছ সালাম সই করা প্রার্থিতা বাতিল সংক্রান্ত একটি চিঠি পবন বরাবর পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবন ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফোন করে অকথ্য ভাষায়, আপত্তিকর ও অশোভন কথা বলেছেন। রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে তিনদিনের মধ্যে বদলিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের ভয়-ভীতি দেখান।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

নৌকার প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রত্যাশা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই নৌকা আপনাদের স্বাধীনতা দিয়েছে। এ নৌকাই পারবে মানুষকে উন্নত জীবন দিতে, শান্তি-সমৃদ্ধি দিতে। এই নৌকায় আপনারা ভোট দিয়েছিলেন বলেই আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ।মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকায় ভোট দেবেন। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যই আজকের নির্বাচন। কাজেই এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করবেন। আপনার ভোট আপনি রক্ষা করবেন আর অগ্নিসন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী বিএনপি-জামায়াতকে উপযুক্ত জবাব দেবেন। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে কেবল নিজে নয়, পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। ফরিদপুর, মাগুরা ও রাজবাড়ী জেলার নির্বাচনী আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নৌকা মার্কার প্রার্থীদের আপনাদের দিয়ে গেলাম। তারা আপনাদের সেবা করবে, আসনবাসীর সেবা করবে। আপনারা তাদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

post
বাংলাদেশ

রাজধানীতে ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও ট্রাভেল এজেন্সি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

হারুন উর রশিদ (এনআরবিসি টিভি)- বাংলাদেশ ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও ট্রাভেল এজেন্সি নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল এর যৌথ উদ্যোগে টুরিজম সেক্টরের উন্নতি, সুযোগ সুবিধা ও সমস্যা নিরসনে একসাথে কাজ করার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন ট্যুর এন্ড ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য ট্রাভেল এজেন্সি নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল। মঙ্গলবার বিকেল চারটায় রাজধানীর ধানমন্ডি নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলের সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপানা পরিচালক আলী আকবরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিষ্ট পুলিশের প্রধান, উপ মহাপরিদর্শক মো: আবু কালাম সিদ্দিক।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের বিভিন্ন সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়ে টুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। অসাধু টুরিস্টদের পর্যটনের নামে মাদক পাচার, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ফটোগ্রাফারদের প্রতারণা, মাছ বিক্রেতাদের পচা মাছ বিক্রির অভিনব প্রতারণার বিষয় উঠে আসে। জবাবে প্রধান অতিথি আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, 'ইতোমধ্যে টুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে হাই ভোল্টেজ সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। এছাড়াও টুরিস্ট পুলিশের হট লাইন নাম্বারে যোগাযোগ করে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যটকেরা যেন নির্বিঘ্নে ভ্রমণ উপভোগ করতে পারে একজন্য ট্যুরিষ্ট পুলিশ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।"অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিষ্ট পুলিশের ঢাকা-সিলেট-ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত উপ মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ট্যুরিষ্ট পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোঃ নাঈমুল হক, বাংলাদেশ ট্যুরিষ্ট পুলিশের আইন ও মিডিয়া বিভাগের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা,  ট্যুরিষ্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টারের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিয়া ফারজানা, ট্যুরিষ্ট পুলিশ ঢাকা অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মোমেনা আক্তার সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।সভা শেষে অতিথিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী আকবর বলেন, "টুরিষ্ট পুলিশ ও স্টেকহোল্ডার নিয়ে মতবিনিময় সভার মূল উদ্যেশ্য হলো আমরা যারা ট্যুরিজম নিয়ে কাজ করি তারা অনেক সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সবাই মিলে একটা প্লাটফর্মে থাকলে যে কোন সমস্যা দ্রুতই সমাধান করা যায়। পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে পর্যটকদের সাথে বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে এই বিষয় গুলো নিয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের সাথে আমাদের আলোচনা। এতে করে পর্যটকেরা পর্যটনে উদ্বুদ্ধ হবে। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার নিয়ে একতাবদ্ধ ভাবে কাজ করবে নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল। সকলের সহযোগিতায় মাধ্যমে এগিয়ে যাবে বহুদুর।"নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল এজেন্সির পরিচালক শাহীনুর ইসলাম মাহিন বলেন, "অনেকের ভ্রমণের ইচ্ছা থাকা সত্বেও ভালো যোগাযোগ না থাকায় ভ্রমণে যেতে পারেন না। যারা ভ্রমণপ্রিয় মানুষ তাদের জন্যই আমরা কাজ করে থাকি। উল্লেখ্য, নেক্সট ট্যুর এন্ড ট্রাভেল দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের বাইরে এমন কি হজ্জ প্যাকেজিং নিয়েও কাজ করে যাচ্ছে। "

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.