post
বাংলাদেশ

ভোটের দিন ঘিরে নাশকতার তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ঘিরে নাশকতার কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। একই সঙ্গে গুপ্তহত্যা রোধে গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ভোটের দিনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সবসময় নাশকতা করে আসছে। নাশকতা দিয়েই তাদের জন্ম। কাজেই তারা এগুলো করবেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সে বিষয়ে সজাগ রয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীও কাজ করছে। তিনি বলেন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে বলেই তারা (নাশকতাকারীরা) এসব কর্মকাণ্ডে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমি মনে করি নাশকতাকারীদের এদেশের জনগণ প্রতিহত করবে। জনগণ তাদের কোনোরকম আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চায় না।

post
বাংলাদেশ

সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তা প্রমাণ করতে হবে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে নির্বাচন সুষ্ঠ হতে পারে সেটি এবার প্রমাণ করতে হবে। সেজন্য মাঠ পর্যায়ে সবাইকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রোববার সকাল সাড়ে দশটায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) ম্যাজিস্ট্রেটদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণায়লের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান। উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রজাতন্ত্রের মানেই হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকার পরিচালিত হবে। নির্বাচনে জিতে যারা সংসদে বসবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা তারাই সংবিধান গঠন করবেন। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন আমাদের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচন নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে যেমন বাগবিতণ্ডা হচ্ছে, সহিংসতাও হয়েছে। নির্বাচনে আরেকটি কারণে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। সেটি হলো- রাজনৈতিক দলগুলোর একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে। সাধারণত নির্বাচন খুব উৎসবমুখর হয়। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় নির্বাচনটা পরিচালনা করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এরপর সবসময়ই নির্বাচন উৎসবমুখর হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি আরও ২ দিন বাড়াল বিএনপি

নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে গত ৫ দিন টানা গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। চলমান এ কর্মসূচি আরও ২ দিন পালন করবে দলটি।শনিবার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একদফা দাবিতে; নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আগামীকাল রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ও ১ জানুয়ারি (সোমবার) গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সরকারের পদত্যাগের একদফার আন্দোলন এখন ত্বরান্বিত হচ্ছে। প্রতিটি জনগণ আমাদের কর্মসূচিতে সমর্থন দিচ্ছে। হাটে-মাঠে, খেতে-খামারে বাজারে-শপিং মলে জনগণকে আমরা লিফলেট দিয়েছি। তারা আমাদের কথা শুনেছেন এবং সমর্থন দিচ্ছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে সরকার ২০১৩-১৪-১৫ সালে যেভাবে ষড়যন্ত্র করেছে, সেটি আবারও করছে। পুলিশ হয়রানি করছে, গ্রেপ্তার করে মামলা দিচ্ছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে আওয়ামী লীগ ভয় পাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে নীলনকশার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশকে নিয়ে গভীর ও ভয়ানক চক্রান্ত চলছে।

post
বাংলাদেশ

থার্টি ফার্স্টে সন্ধ্যার পর হাতিরঝিলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ইংরেজি নববর্ষের অনুষ্ঠান প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।শনিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। এ আনন্দ উৎসব উদযাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পট্কাবাজি, আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। এ সব নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে। ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ মেনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়।

post
বাংলাদেশ

ভোটারদের কেউ উৎসাহিত ও নিরুৎসাহিত করতে পারবে না : ইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেউ উৎসাহিত ও নিরুৎসাহিত করতে পারবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র থেকে বিষয়টি জানা গেছে। এতে বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত ৪০০ গজ চৌহদ্দীর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশে পোস্টার, হ্যান্ডবিল বা ঐরূপ কোনো প্রকার প্রচারপত্র থাকলে তা ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই সরিয়ে ফেলতে হবে। কেউ যেন ভোটের জন্য ক্যানভাস না করতে পারেন বা কাউকে ভোটদানের জন্য উৎসাহিত বা নিরুৎসাহিত করতে না পারেন, সেই দিকে কড়া নজর রাখতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। আর ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন। এবারে নির্বাচনে এক হাজার ৮৯১ জনের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রত্যেক প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং পুরো আসনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাবে দিতে হবে। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি আরও ভয়ংকর গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নাশকতার দিকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, খবর পাওয়া যাচ্ছে, লন্ডন থেকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, প্রয়োজনে গুপ্ত হত্যা চালাবে। তারা আরও ভয়ংকর গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এসময় তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, গত ডিসেম্বর থেকে বিএনপি যে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করেছিল, তারা স্বাভাবিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে, নাশকতার দিকে গেছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে হয়তো দেখা যাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত আছে তাদের। বিএনপি খুবই ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবকিছু ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন লিফলেট বিতরণ করছে। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও ভয়ংকর কোনো হামলার। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা লাশ বানিয়ে জনগণকে আতঙ্কিত করতে পারে, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সতর্ক হতে হবে। নির্বাচনের আচরণবিধি সবাইকে মানতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘন যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কমিশন ব্যবস্থা নেবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

post
বাংলাদেশ

মোড়লরা অন্যায় করলে ম্যানেজ করার ক্ষমতা আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেট-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের মতো কোনো দেশ না যে, মোড়লরা যা ইচ্ছা তাই এখানে করতে পারবেন। তিনি বলেন, কেউ যদি অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো আচরণ করে তা ম্যানেজ করার সক্ষমতা বাংলাদেশের হয়েছে। শুক্রবার সকালে সিলেটে তার নির্বাচনি প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সকালে নগরীর উপশহর এলাকায় দলের নেতাকর্মী আর সমর্থকদের নিয়ে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন মোমেন। এরপর তেরো রতন ও গোটাটিকর শিল্প এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন ও ভোট চান তিনি। উপশহর এলাকায় প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র বিশ্বাস করে বলেই একটি অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে। এ সময় বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনকে দুঃখজনক মন্তব্য করে মোমেন বলেন, ‘তারা (বিএনপি) মনে করছে নির্বাচনে আসলে ভোট পাবে না; কিন্তু বিএনপি ভুল পথে চলছে। আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক।’ নির্বাচনের পর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে কিনা বাংলাদেশ- এমন প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, এগুলো করে কোনো কোনো মোড়ল দেশ। আমরা সেজন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চারটিখানি দেশ না, ১৭০ মিলিয়ন মানুষের দেশ। পৃথিবীর মধ্যে ৩৩তম অর্থনীতির দেশ। ছোট কোনো দেশ যেমন আফগানিস্তান ২৯ মিলিয়ন মানুষের দেশ; ওখানে উলটা-পালটা করতে পারে তারা। বাংলাদেশ সেই অবস্থায় নেই। আগে এক সময় তাদের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। এখন বাংলাদেশ যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, আমাদের অর্থনীতি অনেক সবল। সুতরাং কোনো হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজ হবে না। অনেক দিন ধরেই হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, কী কাজ হয়েছে? যদি কোনো ধরনের অপকর্ম করতে চায়, তা ম্যানেজ করার সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে।  

post
বাংলাদেশ

নির্বাচন ভণ্ডুল করতে বিএনপি-জামায়াত টাকা ছড়াচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন ভণ্ডুল করার জন্য সারাবিশ্বে টাকা ছড়াচ্ছে এবং দেশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে।শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের কসবা উপজেলার আকছিনা বাজার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, যখনই ভোট হয় তখনই বিএনপি-জামায়াত বলে আমরা ভোট করব না। কারণ, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না। দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকুক সেটা চায় না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কাউকে বা কোনো রাজনৈতিক দলকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। যদি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কেউ অপরাধ করে তাহলে দেশের আইনে তার বিচার হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আপনারা ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। আপনাদের প্রতিনিধি ভবিষ্যৎ দেখবে।

post
বাংলাদেশ

স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সারাদেশে র‍্যাব মোতায়েন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারাদেশে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী র‌্যাব ফোর্সেস শুক্রবার থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সব নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সমগ্র দেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে হেলিকপ্টার ও ডগ স্কোয়াড নিয়োগ করা হবে।’

post
বাংলাদেশ

বিএনপি ফাউল করে লাল কার্ড খেয়ে পালিয়ে গেছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খেলা হবে, খেলা হবে। বিএনপি কোথায়? কার সঙ্গে খেলবো? আমরা এখনো খেলবার জন্য প্রস্তুত। বিএনপি ফাউল করে লাল কার্ড খেয়ে পালিয়ে গেছে।শুক্রবার বিকেলে বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। কাদের বলেন, তাদের এক দফা আন্দোলন ভুয়া। বিএনপির আন্দোলনই ভুয়া। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বসে আছেন। বিজয়ের লাল সবুজ পতাকা হাতে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বিজয়ে পৌঁছবো। তিনি বলেন, কীর্তনখোলা, শেরে বাংলার দেশ, আজকের বরিশালে শেখ হাসিনার দুর্জয় গাথা। নির্বাচনী ইস্তেহারে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ পূরণ করতে পারে না। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে রয়েছেন সহযোদ্ধা শেখ রেহানা। শেখ হাসিনা কারো কাছে মাথা নত করে না। খেলা হবে ৭ জানুয়ারি। বিপুল ভোটে জয় হবে। আবার দেখা হবে কীর্তনখোলার তীরে। এর আগে দুপুর ১টায় ঢাকা থেকে সড়ক পথে বরিশালে এসে পৌঁছান তিনি। সেখানে পৌঁছে তিনি বরিশাল সার্কিট হাউজে যান। কিছু সময় বিশ্রাম শেষে বিকেলে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হন তিনি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.