post
বাংলাদেশ

আমাদের ভোট চুরির প্রয়োজন হয় না: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মানুষের শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানসহ সবকিছুর জন্য কাজ করে এবং মানুষের হৃদয় জয় করে তাদের ভোট পাই, আমাদের ভোট চুরির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে... এটা আমার কথা না, হাইকোর্টের রায় আছে যে, বিএনপি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে। যাদের ক্ষমতা দখল অবৈধ, তারাই ভোট চুরি করে। তারা ভোট চুরি ছাড়া জিততে পারে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনে সেটি প্রমাণিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে রাজধানীর কলাবাগান মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, কেন নির্বাচন বানচাল করবে? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই আজকে উন্নয়ন হয়েছে। ৭৫’-এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা ক্ষমতায় এসেছিল অস্ত্র হাতে নিয়ে ও সংবিধান লঙ্ঘন করে... তারা মানুষের ভাগ্য গড়েনি। তিনি বলেন, তাদের আমলে ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিষিদ্ধ, জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা হয়। এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা বলতেও ভয় পেতেন। সে সময় অনেকে লুকাতেন, ভয় পেতেন... তারা (বিএনপি) ঠিক সেই অবস্থায় বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া, তারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, পাশাপাশি এ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের যে গতিটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব করেছিলেন, সেটিও থেমে যায়। সেই যে ২৭৭ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় জিয়ার আমলে ও এরশাদের আমলে... কোনো আমলেই সেই মাথা-পিছু আয় আর বৃদ্ধি পায়নি। বরং জিয়ার আমলে প্রতি বছর তা মাইনাস হতে থাকে। তারা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য না গড়লেও ক্ষমতাসীনদের ভাগ্য গড়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের নৌকার প্রার্থী আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী নায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস।

post
বাংলাদেশ

ড. ইউনূস ঘুস দিয়ে শ্রমিক নেতাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন: তথ্যমন্ত্রী

শ্রমিকরা যখন আদালতে গেছেন, তখন আদালতের বাইরের দুজন শ্রমিক নেতাকে ছয় কোটি টাকা ঘুস দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শরণার্থীর জবানবন্দি ১৯৭১’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। তিনি বলেন, মালালা ইউসুফজাই ১২ না ১৪ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। কখন আট বছরের ছেলেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়, সেটির আশঙ্কাও লোকজন করছেন। ড. ইউনূস একজন নোবেলজয়ী, তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় নিয়ে আপনার মতামত কী, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে অনেক নোবেলজয়ী ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। অনেকে অনেক জেলও খেটেছেন। ড. ইউনূসের প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাচ্ছি, তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়ার জন্য। তিনি শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে দেননি বহু বছর ধরে। এরপর যখন শ্রমিকরা যখন আদালতে গেছেন, তখন আদালতের বাইরের দুজন শ্রমিক নেতাকে তিন কোটি, তিন কোটি ছয় কোটি টাকা ঘুস দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন। ‘কিন্তু দুজন শ্রমিক নেতা টাকা পেলে তো হবে না, কারণ সাধারণ শ্রমিকরা তো কোনো টাকা পাননি। সে কারণে সাধারণ শ্রমিকরা মামলা করেছেন। সেই মামলার রায় হতে যাচ্ছে। এখন শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে নানান কথা হয়। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে অনেক বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও অনেক কথা বলেন।’ কাজেই নোবেলজয়ী যদি শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে না দেন, তাহলে কী তার বিরুদ্ধে মামলা হবে না, প্রশ্ন রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আশা করি, বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও এ নিয়ে কথা বলবে না। শ্রমিকের অধিকার ও পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মামলা হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

ঢাকার অর্ধেক ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: ডিএমপি কমিশনার

রাজধানীর ২১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেক কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।সোমবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে বই উৎসব শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। হাবিবুর রহমান বলেন, কিছু কিছু গোষ্ঠী নির্বাচন প্রতিহত করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। ডিএমপিতে ২ হাজার ১৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ ও অতিগুরুত্বপূর্ণ। আর কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৪৭৮টি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এসব কেন্দ্রে ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেজন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে রাজধানীতে নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। তিনি বলেন, কিছু কিছু গোষ্ঠী নির্বাচন প্রতিহত করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ মুহূর্তে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই, তবে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

post
বাংলাদেশ

ড. ইউনুসের ৬ মাসের কারাদন্ড, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে আপিল করার শর্তে ড. ইউনূসসহ আসামিদের ১ মাসের জামিন দেওয়া হয়েছে।আজ সোমবার বিকেল তিনটার দিকে ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান। তাদেরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এক নম্বর আসামির বিষয়ে প্রশংসাসূচক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। তাকে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা নোবেলজয়ী আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব বলা হয়েছে। কিন্তু এ আদালতে নোবেলজয়ী ইউনূসের বিচার হচ্ছে না, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচার হচ্ছে। এসময় আদালত বলেন, ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ের বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় ড. ইউনুস বলেন, যে দোষ করিনি, সেই দায় নিয়ে সাজা পেলাম। এদিকে ইউনূসের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শ্রম আদালত ও এর আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। খবর সংগ্রহের জন্য রায় ঘোষণার এক ঘণ্টা আগে দেশের ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সেখানে ভিড় জমান। উল্লেখ্য, গত ২৪ ডিসেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সেদিন মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ১ জানুয়ারি (আজ) দিন ধার্য করা হয়।এর আগে ২১ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে মামলার আইনগত বিষয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছিলেন, এ মামলার সাক্ষীদের বর্ণনায় ড. ইউনূসসহ অন্যরা সংশ্লিষ্ট আছেন এমন কোনো বর্ণনা নেই। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ডকুমেন্ট নেই। মামলার আর্জিতে কোথাও আসামিরা অপরাধী এমন কোনো অভিযোগ নেই। ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করার অভিযোগ আনা হয়।

post
বাংলাদেশ

অঘটন ঘটিয়ে কেউ পালাতে পারবেন না: ইসি আলমগীর

বাংলাদেশের নির্বাচনে উত্তেজনা থাকে, সে উত্তেজনা থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে এবার অঘটন ঘটিয়ে কেউ দেশের বাইরে পালাতে পারবেন না, শান্তিতেও থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর হোসেন।রোববার দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব আয়োজন করা হয়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবার মাঠে নামানো হবে। তিনি আরও বলেন, অঘটন ঘটিয়ে যাবেন কোথায়, দেশের বাইরে তো যেতে পারবে না। এয়ারপোর্ট ও সীমান্তে বলা আছে। অঘটন ঘটিয়ে কেউ দেশেন বাইরে পালাতে পারবেন না, শান্তিতেও থাকতে পারবেন না। পুরো রাজনৈতিক দল যদি বলে তারা নির্বাচনে যাবে তা ঠিক আছে, তবে ভয় দেখানো, বল প্রয়োগ করা যাবে না। সাংবাদিক পর্যবেক্ষকের বিষয়ে ইসি আলমগীর বলেন, এবার শুধু বৈধ সাংবাদিকরাই পর্যবেক্ষণের কার্ড পাবেন। দোকান থেকে একটা ক্যামেরা নিয়ে গিয়ে আমি সাংবাদিক হলাম এমন কাউকে কার্ড দেওয়া হবে না। কেন্দ্রে গিয়ে ছবি নেওয়া, বক্তব্য নেওয়া, লাইভ প্রচার করা যাবে। তবে কক্ষে লাইভ প্রচার করা যাবে না। মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু জাফর রিপনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান, ঢাকা অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

ভোটের দিন ঘিরে নাশকতার তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ঘিরে নাশকতার কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। একই সঙ্গে গুপ্তহত্যা রোধে গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ভোটের দিনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সবসময় নাশকতা করে আসছে। নাশকতা দিয়েই তাদের জন্ম। কাজেই তারা এগুলো করবেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সে বিষয়ে সজাগ রয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীও কাজ করছে। তিনি বলেন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে বলেই তারা (নাশকতাকারীরা) এসব কর্মকাণ্ডে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমি মনে করি নাশকতাকারীদের এদেশের জনগণ প্রতিহত করবে। জনগণ তাদের কোনোরকম আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চায় না।

post
বাংলাদেশ

সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তা প্রমাণ করতে হবে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে নির্বাচন সুষ্ঠ হতে পারে সেটি এবার প্রমাণ করতে হবে। সেজন্য মাঠ পর্যায়ে সবাইকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রোববার সকাল সাড়ে দশটায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) ম্যাজিস্ট্রেটদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণায়লের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান। উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রজাতন্ত্রের মানেই হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকার পরিচালিত হবে। নির্বাচনে জিতে যারা সংসদে বসবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা তারাই সংবিধান গঠন করবেন। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন আমাদের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচন নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে যেমন বাগবিতণ্ডা হচ্ছে, সহিংসতাও হয়েছে। নির্বাচনে আরেকটি কারণে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। সেটি হলো- রাজনৈতিক দলগুলোর একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে। সাধারণত নির্বাচন খুব উৎসবমুখর হয়। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় নির্বাচনটা পরিচালনা করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এরপর সবসময়ই নির্বাচন উৎসবমুখর হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি আরও ২ দিন বাড়াল বিএনপি

নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে গত ৫ দিন টানা গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। চলমান এ কর্মসূচি আরও ২ দিন পালন করবে দলটি।শনিবার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একদফা দাবিতে; নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আগামীকাল রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ও ১ জানুয়ারি (সোমবার) গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সরকারের পদত্যাগের একদফার আন্দোলন এখন ত্বরান্বিত হচ্ছে। প্রতিটি জনগণ আমাদের কর্মসূচিতে সমর্থন দিচ্ছে। হাটে-মাঠে, খেতে-খামারে বাজারে-শপিং মলে জনগণকে আমরা লিফলেট দিয়েছি। তারা আমাদের কথা শুনেছেন এবং সমর্থন দিচ্ছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে সরকার ২০১৩-১৪-১৫ সালে যেভাবে ষড়যন্ত্র করেছে, সেটি আবারও করছে। পুলিশ হয়রানি করছে, গ্রেপ্তার করে মামলা দিচ্ছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে আওয়ামী লীগ ভয় পাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে নীলনকশার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশকে নিয়ে গভীর ও ভয়ানক চক্রান্ত চলছে।

post
বাংলাদেশ

থার্টি ফার্স্টে সন্ধ্যার পর হাতিরঝিলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ইংরেজি নববর্ষের অনুষ্ঠান প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।শনিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। এ আনন্দ উৎসব উদযাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পট্কাবাজি, আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। এ সব নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে। ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ মেনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়।

post
বাংলাদেশ

ভোটারদের কেউ উৎসাহিত ও নিরুৎসাহিত করতে পারবে না : ইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেউ উৎসাহিত ও নিরুৎসাহিত করতে পারবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র থেকে বিষয়টি জানা গেছে। এতে বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত ৪০০ গজ চৌহদ্দীর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশে পোস্টার, হ্যান্ডবিল বা ঐরূপ কোনো প্রকার প্রচারপত্র থাকলে তা ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই সরিয়ে ফেলতে হবে। কেউ যেন ভোটের জন্য ক্যানভাস না করতে পারেন বা কাউকে ভোটদানের জন্য উৎসাহিত বা নিরুৎসাহিত করতে না পারেন, সেই দিকে কড়া নজর রাখতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। আর ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন। এবারে নির্বাচনে এক হাজার ৮৯১ জনের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রত্যেক প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং পুরো আসনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাবে দিতে হবে। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.