post
বাংলাদেশ

পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পঞ্চমবারের মতো শপথ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে শেখ হাসিনাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। এ শপথ নেওয়ার মাধ্যমে টানা চতুর্থ ও পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন শেখ হাসিনা। এবার সরকার গঠনের মাধ্যমে স্বাধীনতার পর পঞ্চমবারের মতো ক্ষমতায় এল আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।এর আগে শপথ নিতে সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শপথ অনুষ্ঠানে পদস্থ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। শেখ হাসিনা সব মিলিয়ে পঞ্চমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন। প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী। তাঁরাও সবাই আজ শপথ নিয়েছেন। প্রথমে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।শপথ নেওয়া পূর্ণ মন্ত্রীরা হলেন আ ক ম মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, আসাদুজ্জামান খান, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুক খান, মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, দীপু মনি, সাধন চন্দ্র মজুমদার, আবদুস সালাম, মো. ফরিদুল হক খান, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মো. আবদুর রহমান, মো. আবদুস শহীদ, ইয়াফেস ওসমান (টেকনোক্র্যাট), সামন্ত লাল সেন (টেকনোক্র্যাট), মো. জিল্লুল হাকিম, ফরহাদ হোসেন, নাজমুল হাসান, সাবের হোসেন চৌধুরী ও মহিবুল হাসান চৌধুরী।শপথ নেওয়া নতুন প্রতিমন্ত্রীরা হলেন নসরুল হামিদ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহিদ ফারুক, সিমিন হোসেন রিমি, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, মহিববুর রহমান, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শফিকুর রহমান চৌধুরী, রুমানা আলী ও আহসানুল ইসলাম।

post
বাংলাদেশ

কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

বৃহস্পতিবার ১১ জানুয়ারি রাতে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানানো হয়। এর আগে রাত ৭টা ১০ মিনিটের সময় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবনের দরবার হলে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।কে কোন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হককে দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব; ওবায়দুল কাদের পেয়েছেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়; আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়; আনিসুল হকের দায়িত্বে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন শিল্প মন্ত্রণালয়; মো. তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং আসাদুজ্জামান খানের দায়িত্বে থাকছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এছাড়াও মুহাম্মদ ফারুক খান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; ডা. দীপু মনির দায়িত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্য মন্ত্রণালয়; আব্দুস সালামের দায়িত্বে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; ফরিদুল হক খান ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; নারায়ন চন্দ্র চন্দ ভূমি মন্ত্রণালয় এবং জাহাঙ্গীর কবির নানকের দায়িত্বে থাকছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।মো. আব্দুর রহমান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. আবদুস শহীদ কৃষি মন্ত্রণালয়; স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; ডা. সামন্ত লাল সেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; মো. জিল্লুল হাকিম রেলপথ মন্ত্রণালয়; ফরহাদ হোসেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; নাজমুল হাসান পাপন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সাবের হোসেন চৌধুরী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের দায়িত্বে থাকছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়নসরুল হামিদ বিপুর দায়িত্বে থাকছে বিদ্যুৎ বিভাগ; খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়; জুনাইদ আহমেদ পলক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; জাহিদ ফারুকের দায়িত্বে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়; বেগম সিমিন হোসেন রিমি’র দায়িত্বে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; মহিববুর রহমান দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ আলী আরাফাত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; বেগম রুমানা আলী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আহসানুল ইসলাম টিটু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

৯ মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন

রাজধানীর রমনা মডেল ও পল্টন থানার পৃথক ৯টি মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন শুনানি শেষে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় এ জামিন মঞ্জুর করেন। তবে পল্টন ও রমনা থানার নাশকতার দুই মামলায় কারাগারে থাকায় এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না ফখরুল। গতকাল মঙ্গলবার মির্জা ফখরুলকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন। একই সঙ্গে অধিকতর জামিন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। ওইদিন সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় মির্জা ফখরুলকে। এরপর রমনা মডেল ও পল্টন থানার পৃথক নয়টি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর তার আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তার অধিকতর জামিন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন।

post
বাংলাদেশ

আবারও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা চতুর্থবারের মতো সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন।বুধবার আওয়ামী লীগের এমপিদের শপথ শেষে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় দলের সভায় শেখ হাসিনাকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার নাম প্রস্তাব করেন। নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন প্রস্তাবে সমর্থন জানান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গ্রহণ করা হয়। সংসদ নেতা নির্বাচনের পাশাপাশি বৈঠকে সংসদ উপনেতাও নির্বাচিত করা হয়। একাদশ জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরীকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের উপনেতা করা হয়েছে। এদিকে সংসদীয় দলের সভায় বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবারও স্পিকার হিসেবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুকেও রাখা হয় বহাল। চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী লিটনকেও বহাল রাখা হয়েছে তার পদে। তিনি আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, বিকেল ৫টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দেখা করবেন শেখ হাসিনা। তিনি ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে ২২২ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানাতে রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবেন।

post
বাংলাদেশ

বাদ পড়লেন ১৫ মন্ত্রী ও ১৩ প্রতিমন্ত্রী

নতুন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৫ জন মন্ত্রী। এ ছাড়া ১৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুজন উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী (দুজন টেকনোক্রেট) ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী ছিলেন। তফসিল ঘোষণার পর টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন এমন) দুজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তাঁরা হলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। এর মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভায় শুধু ইয়াফেস ওসমান আছেন। স্থান পাননি মোস্তাফা জব্বার ও শামসুল আলম। এ ছাড়া বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে যাঁরা নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি, তাঁদের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও আছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদূর উশৈসিং, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চোধুরী, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে যাঁরা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে আরও আছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা। এছাড়া দুজন উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন। তারা হলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। অপর উপমন্ত্রী (শিক্ষা) মহিবুল হাসান চৌধুরী পদোন্নতি পেয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

নতুন মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছে সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। শপথ নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে বুধবার (১০ জানুয়ারি) ফোন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। নতুন সভা সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে কল পেলেন যারা: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এখন পর্যন্ত আ. ক. ম মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, নূরুল মজিদ হুমায়ূন, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ড. দীপু মনি, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুক খান, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, মো. আব্দুস শহীদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. আব্দুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আব্দুস সালাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন, মো. ফরিদুল হক খান, মো. জিল্লুল হাকিম, সাবের হোসেন চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সামন্ত লাল সেনকে মন্ত্রী পদে শপথ নিতে কল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সামন্ত লাল সেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন যারা: বেগম সিমিন হোমেন (রিমি), নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহমেদ পলক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মো. মহিববুর রহমান, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাহিদ ফারুক, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বেগম রুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী, আহসানুল ইসলাম (টিটু)। বুধবার রাত পৌনে ৯টায় সচিবালের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এসব নাম ঘোষণা করেন। শপথ নেওয়ার পর পরই তাদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও তিনি জানান। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের পাশাপাশি তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্মতিও দেন রাষ্ট্রপতি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনেও সম্মতি দিয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও গণ্য করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। এর আগে সকাল ১০টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ নবনির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য। তার আগে সংসদ সদস্য হিসাবে প্রথমে শপথ গ্রহণ করেন বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী। এরপর স্পিকার হিসেবে তিনি শেখ হাসিনাসহ অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র হিসেবে বিজয়ীরাও এদিন শপথ নেন। সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সংসদ নেতা হলেন তিনি। একাদশ সংসদে মতিয়া চৌধুরী ছিলেন সংসদ উপনেতা। এবারও এ পদে তাকে বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। চিফ হুইপ হয়েছেন গত সংসদে এ পদে দায়িত্ব পালন করা নূর-ই-আলম চৌধুরী। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে দ্বাদশ সংসদ গঠিত হয়। বাকি ছিল প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি। রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়ার পর যে কর্মকাণ্ডও সম্পন্ন হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয় পেয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২২২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে নৌকার। জোট শরিকরাও নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে দুটি আসন পেয়েছেন। জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১; কল্যাণ পার্টি পেয়েছে একটি আসন। প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২ আসনে বাগিয়ে নিয়েছেন। যদিও তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের নেতা।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনী খেলা শেষ হলেও রাজনীতির খেলা চলবে: ওবায়দুল কাদের

নির্বাচনের খেলা শেষ হলেও রাজনীতির খেলা চলবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী খেলা শেষ হয়েছে। এখন রাজনীতির খেলা চলবে।’ তিনি বলেন, ‘এখনো পথে পথে নানা বাধাবিপত্তি চলছে। বিএনপি, গণতন্ত্রের শত্রুরা এখনো হুমকি দিচ্ছে। মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। তারেক রহমান আর রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পালিয়েছে। সে দূর থেকে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। কানাডার আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এদের চেতনায় স্বাধীনতা নেই। এদের চেতনায় দ্বিজাতিতত্ত্ব। আমাদের সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে। ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। মাথা গরম করা যাবে না। এতবড় নির্বাচন। কিন্তু তেমন কোনো সহিংসতা হয়নি। পৃথিবীর বহু দেশে নির্বাচন হয়। কঙ্গোতে দেখলাম ইন্টারনেট বন্ধ। বিদ্যুৎ নেই। পরে ফল প্রকাশ। এমন নির্বাচন আমরা করিনি।’

post
বাংলাদেশ

মুরুব্বিদের পরামর্শে চললে বাংলাদেশের আর চলা লাগবে না : শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন যাতে না হয় তার জন্য বিএনপি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের কিছু মুরুব্বি আছে, তারা পরামর্শ দেয়। মুরুব্বিদের পরামর্শে চললে বাংলাদেশের আর চলা লাগবে না। এটাই হলো বাস্তবতা। যদি সৎ পরামর্শ হয়, সেটা ভালো কথা। নির্বাচন হতে দেবে না, এসব হুমকি-ধামকি গেল কোথায়?মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এবার নির্বাচন হতেই দেবে না। তাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচন হতে দেবে না। তাদের কিছু মুরুব্বি আছে তারাও সেই পরামর্শ দেয়। এমন অবস্থা সৃষ্টি করবে যাতে নির্বাচন না হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষকে তারা চিনে নাই। ’৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির পিতা বলেছিলেন, কেউ দাবাযয়ে রাখতে পারবা না। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে এ দেশের মানুষ এটাই প্রমাণ করেছে। তিনি বলেন, ’৭৫ এর পর থেকে যত নির্বাচন আমরা দেখেছি, তার মধ্যে সবচেয়ে সুশৃঙ্খল, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়। স্বাধীনতায় লাখো শহীদের যে অবদান, সেটাই ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়। ইতিহাস বিকৃত করা হয়। এটাই হচ্ছে জাতির সবচেয়ে দুর্ভাগ্য।

post
বাংলাদেশ

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগামী ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হবে। এজন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় সদস্য হিসেবে কারা থাকবেন সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা পাননি বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়া নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.