post
বাংলাদেশ

বাদ পড়লেন ১৫ মন্ত্রী ও ১৩ প্রতিমন্ত্রী

নতুন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৫ জন মন্ত্রী। এ ছাড়া ১৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুজন উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী (দুজন টেকনোক্রেট) ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী ছিলেন। তফসিল ঘোষণার পর টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন এমন) দুজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তাঁরা হলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। এর মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভায় শুধু ইয়াফেস ওসমান আছেন। স্থান পাননি মোস্তাফা জব্বার ও শামসুল আলম। এ ছাড়া বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে যাঁরা নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি, তাঁদের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও আছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদূর উশৈসিং, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চোধুরী, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে যাঁরা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে আরও আছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা। এছাড়া দুজন উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন। তারা হলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। অপর উপমন্ত্রী (শিক্ষা) মহিবুল হাসান চৌধুরী পদোন্নতি পেয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

নতুন মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছে সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। শপথ নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে বুধবার (১০ জানুয়ারি) ফোন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। নতুন সভা সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে কল পেলেন যারা: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এখন পর্যন্ত আ. ক. ম মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, নূরুল মজিদ হুমায়ূন, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ড. দীপু মনি, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুক খান, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, মো. আব্দুস শহীদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. আব্দুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আব্দুস সালাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন, মো. ফরিদুল হক খান, মো. জিল্লুল হাকিম, সাবের হোসেন চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সামন্ত লাল সেনকে মন্ত্রী পদে শপথ নিতে কল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সামন্ত লাল সেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন যারা: বেগম সিমিন হোমেন (রিমি), নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহমেদ পলক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মো. মহিববুর রহমান, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাহিদ ফারুক, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বেগম রুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী, আহসানুল ইসলাম (টিটু)। বুধবার রাত পৌনে ৯টায় সচিবালের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এসব নাম ঘোষণা করেন। শপথ নেওয়ার পর পরই তাদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও তিনি জানান। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের পাশাপাশি তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্মতিও দেন রাষ্ট্রপতি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনেও সম্মতি দিয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও গণ্য করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। এর আগে সকাল ১০টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ নবনির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য। তার আগে সংসদ সদস্য হিসাবে প্রথমে শপথ গ্রহণ করেন বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী। এরপর স্পিকার হিসেবে তিনি শেখ হাসিনাসহ অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র হিসেবে বিজয়ীরাও এদিন শপথ নেন। সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সংসদ নেতা হলেন তিনি। একাদশ সংসদে মতিয়া চৌধুরী ছিলেন সংসদ উপনেতা। এবারও এ পদে তাকে বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। চিফ হুইপ হয়েছেন গত সংসদে এ পদে দায়িত্ব পালন করা নূর-ই-আলম চৌধুরী। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে দ্বাদশ সংসদ গঠিত হয়। বাকি ছিল প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি। রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়ার পর যে কর্মকাণ্ডও সম্পন্ন হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয় পেয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২২২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে নৌকার। জোট শরিকরাও নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে দুটি আসন পেয়েছেন। জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১; কল্যাণ পার্টি পেয়েছে একটি আসন। প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২ আসনে বাগিয়ে নিয়েছেন। যদিও তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের নেতা।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনী খেলা শেষ হলেও রাজনীতির খেলা চলবে: ওবায়দুল কাদের

নির্বাচনের খেলা শেষ হলেও রাজনীতির খেলা চলবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী খেলা শেষ হয়েছে। এখন রাজনীতির খেলা চলবে।’ তিনি বলেন, ‘এখনো পথে পথে নানা বাধাবিপত্তি চলছে। বিএনপি, গণতন্ত্রের শত্রুরা এখনো হুমকি দিচ্ছে। মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। তারেক রহমান আর রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পালিয়েছে। সে দূর থেকে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। কানাডার আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এদের চেতনায় স্বাধীনতা নেই। এদের চেতনায় দ্বিজাতিতত্ত্ব। আমাদের সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে। ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। মাথা গরম করা যাবে না। এতবড় নির্বাচন। কিন্তু তেমন কোনো সহিংসতা হয়নি। পৃথিবীর বহু দেশে নির্বাচন হয়। কঙ্গোতে দেখলাম ইন্টারনেট বন্ধ। বিদ্যুৎ নেই। পরে ফল প্রকাশ। এমন নির্বাচন আমরা করিনি।’

post
বাংলাদেশ

মুরুব্বিদের পরামর্শে চললে বাংলাদেশের আর চলা লাগবে না : শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন যাতে না হয় তার জন্য বিএনপি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের কিছু মুরুব্বি আছে, তারা পরামর্শ দেয়। মুরুব্বিদের পরামর্শে চললে বাংলাদেশের আর চলা লাগবে না। এটাই হলো বাস্তবতা। যদি সৎ পরামর্শ হয়, সেটা ভালো কথা। নির্বাচন হতে দেবে না, এসব হুমকি-ধামকি গেল কোথায়?মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এবার নির্বাচন হতেই দেবে না। তাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচন হতে দেবে না। তাদের কিছু মুরুব্বি আছে তারাও সেই পরামর্শ দেয়। এমন অবস্থা সৃষ্টি করবে যাতে নির্বাচন না হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষকে তারা চিনে নাই। ’৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির পিতা বলেছিলেন, কেউ দাবাযয়ে রাখতে পারবা না। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে এ দেশের মানুষ এটাই প্রমাণ করেছে। তিনি বলেন, ’৭৫ এর পর থেকে যত নির্বাচন আমরা দেখেছি, তার মধ্যে সবচেয়ে সুশৃঙ্খল, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়। স্বাধীনতায় লাখো শহীদের যে অবদান, সেটাই ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়। ইতিহাস বিকৃত করা হয়। এটাই হচ্ছে জাতির সবচেয়ে দুর্ভাগ্য।

post
বাংলাদেশ

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগামী ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হবে। এজন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় সদস্য হিসেবে কারা থাকবেন সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা পাননি বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়া নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

post
বাংলাদেশ

শেখ হাসিনাকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মদ মইজু।মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি তার সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান। অভিনন্দন বার্তায় মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক পারস্পরিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে এবং উভয় দেশের জন্য উপকৃত হবে। মইজ্জু অভিনন্দন বার্তায় মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান এবং ভাগ করা মূল্যবোধের ভিত্তিতে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী সম্পর্কের দীর্ঘকালের ইতিহাস তুলে ধরেন। ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এর মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। একইসঙ্গে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা টানা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশ পরিচালনা করবে আওয়ামী লীগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশ পরিচালনা করবে আওয়ামী লীগ। ইশতেহারে দেওয়া ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।সোমবার আওয়ামী লীগের তেজগাঁও কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনের পরদিন এটি ছিল তাদের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন। এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে। বিএনপি-জামায়াত এবারও ব্যর্থ হয়েছে। বারবার নির্বাচন বর্জন করে আগামী পাঁচ বছর অপেক্ষা করা ছাড়া তাদের আর করণীয় নেই। আজ তাদের সব অভিযোগ বাস্তবতাবিবর্জিত, ভিত্তিহীন। তারা মিথ্যাচার করে বক্তব্য দিয়েছেন। এমন মিথ্যাচার তাদের করুণ পরিণতির জন্য দায়ী। স্মার্ট ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। এসময় ওবায়দুল কাদের জানান, যথারীতি ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশ ও সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে তাদের প্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

post
বাংলাদেশ

এই বিজয় জনগণের বিজয়: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন, এই বিজয় জনগণের বিজয়।সোমবার বিকেলে গণভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আটবার নির্বাচন করেছি।, এবার আবার। এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম। খুব কষ্টকর জীবন। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিলিটারি ডিক্টেটররা আমার দলকে রাজনীতি করতে দেয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসায়। ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরি। আমার লক্ষ্য ছিল, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার চলার পথ সহজ ছিল না। মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে দেখেছি। বাবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছি। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষের জন্য কাজ শুরু করি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। এবারের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী মনোনয়ন করার পাশাপাশি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এ বিজয় জনগণের বিজয়। তিনি বলেন, একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না।

post
বাংলাদেশ

সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠনের জন্য নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রকাশ হওয়া ২৯৮ আসনের মধ্যে ২২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ, ১১টিতে জাতীয় পার্টি ও ৬০টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী, ২টি আসন স্থগিত ও ১টিতে অন্য দল জয় পেয়েছে।এর আগে রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নওগাঁ-২ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে নির্বাচন বন্ধ রাখা হয়েছে।সহিংসতা, নাশকতা, কারচুপি, ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগের মধ্য দিয়ে এদিন বিকাল ৪টায় শেষ হয় ভোট গ্রহণ। তবে অনেক আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের খবরও পাওয়া গেছে।ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচনে ‘৪০ শতাংশের মতো’ ভোট পড়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকে। সরকারের যে উইল ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের, সেদিক থেকে সরকারের তরফ থেকে আন্তরিকতা ছিল, সহযোগিতা ছিল। সেই সহযোগিতা পেয়েছি বলেই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। তবে আমি বলছি না নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে।উল্লেখ্য, নিবন্ধিত ৪৪টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপিসহ ১৬টি দল নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনে রয়েছে। বেশকিছু জায়গায় ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ভোট ঠেকাতে হরতাল ডেকেছে বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলো। বাস-ট্রেনে আগুনে ঘটেছে মানুষের প্রাণহানি।এসব দলের ভোট বর্জনের মধ্যেই দেশের ২৯৯টি আসনে নির্বাচন শেষ হয়েছে। দেশের ৪২ হাজার ২৪টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। মোট ১৯৬৯ প্রার্থীর মধ্যে ৪৩৭ জন লড়ছেন স্বতন্ত্র হয়ে। দলীয় প্রার্থী রয়েছেন ১ হাজার ৫৩২ জন।ভোট গ্রহণের বিষয়ে ইসি সচিব জাহাংগীর গণমাধ্যমকে জানান, বেলা ৩টা পর্যন্ত সাতটি কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। তবে কোন কোন কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে তা তিনি জানাননি।তিনি জানান, এই সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ভোট পড়েছে ২৫%, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭%, খুলনা বিভাগে ৩২%, সিলেট বিভাগে ২২%, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯%, রাজশাহী বিভাগে ২৬%, রংপুর বিভাগে ২৬% এবং বরিশাল বিভাগে ৩১% ভোট পড়েছে।এবার ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ’র মাধ্যমে আসনভিত্তিক ভোটের তথ্য জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ভবনে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে সব ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

post
বাংলাদেশ

১ লাখ ৮৫ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী সাকিব আল হাসান

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে বেসরকারীভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাকিব আল হাসান। তিনি এই আসনে নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৩টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডাব মার্কার অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল পেয়েছেন ২ হাজার ৮৫৫ ভোট। রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় সারাদেশে একযোগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে এই। এই নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশ। প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েই নির্বাচিত হলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের এই অধিনায়ক। মাগুরা-১ আসনে সাকিবের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন চারজন।  তারা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসের অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের কে এম মোতাসিম বিল্লা, জাতীয় পার্টির মো. সিরাজুস সায়েফিন সাঈফ ও তৃণমূল বিএনপির সঞ্জয় কুমার রায়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.