post
বাংলাদেশ

কিছু লোক টাকা হলেই মনে করে ইংরেজিতে কথা বললেই স্মার্ট: প্রধানমন্ত্রী

শুদ্ধভাবে বাংলা বলতে অসুবিধা কী- এমন প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কিছু কিছু পরিবার হঠাৎ টাকার মালিক হয়ে গেছে, তারা মনে করে ইংরেজি ভাষায় কথা বললেই স্মার্ট। অনেকে দেশি ভাষা পরিত্যাগ করার মতো অবস্থায় চলে যায়।’তিনি বলেন, ‘মাতৃভাষা জানার ফলে নিজের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জানা যায়। তবে কর্মক্ষেত্রের জন্য একাধিক ভাষা শিখতে হয়। আমাদের ছেলে-মেয়েরা মেধাবী। তারা একাধিক ভাষা শিখতে পারে। আমি মনে করি, আমাদের মাতৃভাষা শিক্ষার মাধ্যম থাকবে। তবে অন্যান্য ভাষা শেখারও সুযোগ থাকতে হবে।’ বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভাষার ওপর পড়াশোনা করলে অনেক মানুষ ও জাতি সম্পর্কে জানা যায়। যেহেতু আমরা মাতৃভাষা রক্ষায় রক্ত দিয়ে পথ দেখিয়েছি, তাই সারাবিশ্বের মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও গবেষণায়ও জোর দিতে হবে। এক সময় বলা হতো অন্য ভাষা থেকে অনুবাদ করার দরকার নেই। আমি মনে করি এটা দরকার। বিভিন্ন দেশের সাহিত্য ও ইতিহাস অনুবাদ করে আমাদের ছেলে-মেয়েদের দেওয়া দরকার।’

post
বাংলাদেশ

অমর একুশে আজ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে তরুণ ছাত্র যুবকদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ।বাঙালি জাতির সেই সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগ পৃথিবীর ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। বাংলা আজ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা পেয়েছে। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে দিবসটি শহীদ দিবস হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে আজ বুধবার ভাষা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করা হবে। আজ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিটি শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে ভাষাশহীদদের। ফুলে ফুলে ভরে উঠবে দেশের প্রতিটি শহীদ মিনার। ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীবাসী ছুটে যাবেন ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ঢাকার সব অলিগলি রাজপথ থেকে খালি পায়ে ফুল হাতে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ ছুটবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হবে ভাষাশহীদদের স্মরণে লেখা গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি’। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ পৃথক বাণী দিয়েছেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে হরতালের ডাক দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। আলাদা কর্মসূচি গ্রহণ করে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদও। হরতাল প্রতিহত করতে তৎকালীন সরকার ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমতলায় ছাত্রসমাবেশের কর্মসূচি ছিল। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা নিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্রনেতাদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেয়ায় ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাবি আমতলার সমাবেশে এ বিষয়ে উপস্থিত ছাত্রদের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে রাতেই অনেক ছাত্রনেতা পরের দিন ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্রদের পুলিশ ঘেরাও করে রাখে। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মেডিক্যাল কলেজ এলাকায় প্রথম ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে পুলিশ। এতে ছাত্ররা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। বিকেল ৪টায় মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন রফিকউদ্দিন আহমদ। রাত ৮টার পরে আহতদের মধ্যে মারা যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবুল বরকত এবং গফরগাঁওয়ের আব্দুল জব্বার। আজ সরকারি ছুটি। প্রতি বছরের মতো এবারো একুশে ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে উদযাপনের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলোতে সঠিক নিয়মে, সঠিক রঙ ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

post
বাংলাদেশ

ভাষাশহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি...’ বাজানো হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাসস জানিয়েছে, ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার ৭ মিনিট আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছান। এর ৩ মিনিট পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল রাষ্ট্রপতিকে শহীদ মিনারে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু। তাদের পর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন৷ পরে তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজারো মানুষের ঢল নামে। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার জন্য সর্বস্তরের জনগণ ফুল হাতে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গুনগুন করে গেয়ে খালি পায়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এদিকে বিভিন্ন দল, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), জেএসডি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতন্ত্রী পার্টি, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাসদ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অপেক্ষমাণ সারিতে আরও বহু দল এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল। সেই আন্দোলনের ইতিহাস থেকে তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়েছে, রক্তের অক্ষরে ভাষার অধিকারের কথা লিখে গিয়েছে। পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের মায়ের ভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আমরাই ছিলাম বেশি। আর যে ভাষাটা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, উর্দু, সেটা কারও মাতৃভাষা নয়, পুরো পাকিস্তানের ৭ ভাগ লোকও এটা ব্যবহার করত কি না সন্দেহ আছে। অথচ আমরা বাঙালিরা ছিলাম প্রায় ৫৫ ভাগ। আমাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে দ্বিজাতীয় একটা ভাষা যখন চাপিয়ে দিতে চায়, তখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তমদ্দুন মজলিশসহ আরও কয়েকটি সংগঠন নিয়ে বাংলা ভাষাকে রক্ষার জন্য সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলেন এবং আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই আমরা আমাদের স্বাধিকার আদায় করেছি, স্বাধীনতা পেয়েছি।

post
বাংলাদেশ

বিএনপির হাত ধরেই উগ্রবাদের জন্ম

বিএনপির হাত ধরেই উগ্রবাদের জন্ম। দলটি দেশের রাজনীতিতে দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়- বলে মন্তব্য করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বেফাঁস কথা বলে না, বিএনপিই বলে। বেপরোয়া গাড়ির চালকের মতো বেপরোয়া রাজনীতির চালক মির্জা ফখরুল। রাজনীতিতে বিএনপি দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়। অতীতে তাদের এই ইতিহাস আছে। এই দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি তারা বারে বারে ঘটাতে চায়। এছাড়া রাজনীতিতে টিকে থাকার তাদের আর কোনো রসদ নেই। আমরা তার বিবৃতি পড়ে দেখলাম, তারা ঘুরে দাঁড়াবে। কোথা থেকে কোথায় ঘুরবেন সেটা আমাদের জানা নেই। এই ডিসেম্বরে না আগামী অক্টোবরে কবে আবার ঘুরে দাঁড়াবেন। তাদের আন্দোলনের চৌকস কথার ফুলঝড়ি আমরা অনেক শুনেছি। বিএনপির নেতারা জনগণের কাছে নিজেদেরকেই খাটো করছেন। আন্দোলন করার মতো অবজেক্টিভ পজিশন বাংলাদেশে নেই।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে রক্তের দাগ, হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিল বিএনপি। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে কলংকিত হত্যাকাণ্ড করেছে। যার মাস্টারমাইন্ড ছিল খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে জিয়াউর রহমান। তারা তাদের ওপর আরোপিত অভিযোগ আরোপ করতে চায় আওয়ামী লীগের ওপর। তারা কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে। ২১ আগস্ট সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। প্রাইম টার্গেট আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনা। যেখানে ২৩ টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। এসএএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার, নাটোরের মমতাজ, সাংবাদিক মানিক শাহ, শামসুর রহমান, হুমায়ুন কবির বালু। বিএনপি এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছিল। এরপর মির্জা ফখরুল কোথা থেকে পেলেন, আমরা নাকি হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছি। এখন তিনি আমাদের ওপর উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

সিন্ডিকেটের জন্যই ক্ষমতাসীনরা দায়ী

দ্রব্যমুল্যের লাগামহীন সিন্ডিকেটের জন্যই ক্ষমতাসীনরা দায়ী মন্তব্য করে, রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পতনের আহবান জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।শনিবার সকলে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়ে, তারা এসব কথা বলেন। এসময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, আওয়ামী সরকারের কাছে বিএনপির কোন দাবি দাওয়া নেই। কারণ জনগন বিএনপির সাথেই আছে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথেই তা আদায় করা হবে। এসময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন কখনও জনদুর্ভোগ কমবে না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামার আহবান জানান তিনি।

post
বাংলাদেশ

গণতন্ত্র সূচকে দুই ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ

গণতন্ত্র সূচকে গতবারের তুলনায় দুই ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৬৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৭৫তম। আর বাংলাদেশে এখনো ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা’ রয়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দি ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) প্রকাশ করা ২০২৩ সালের গণতন্ত্র সূচকে (ডেমোক্র্যাসি ইনডেক্স) এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। গতকাল নিজেদের ওয়েবসাইটে এ সূচক প্রকাশ করেছে ইআইইউ। ২০২২ সালের ইআইইউর গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ ৭৩তম অবস্থানে ছিল। আর ২০২৩ সালের সূচকে দুই ধাপ পিছিয়ে এখন ৭৫তম অবস্থানে। ইআইইউ বলছে, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধরন ছিল ‘ত্রুটিপূর্ণ’। এরপর ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের গণতন্ত্র টানা ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থার’ তকমা পেয়ে আসছে। হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা বলতে ইআইইউ এমন এক ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে প্রায়ই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়। এ শাসনব্যবস্থায় বিরোধী দলের ওপর সরকারের চাপ থাকে। বিচারব্যবস্থা স্বাধীন নয়। সাংবাদিকদের চাপ দেওয়া ও হয়রানি করা হয়। দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার, দুর্বল আইনের শাসন, দুর্বল নাগরিক সমাজ এমন শাসনব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সূচকে প্রতিটি দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে চার ভাগে ভাগ করেছে ইআইইউ। এগুলো হলো পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা। নির্বাচনপ্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিকদের স্বাধীনতা এ পাঁচটি ধাপে প্রাপ্ত নম্বর বা স্কোরের ওপর ভিত্তি করে সূচকে দেশগুলোর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার হালনাগাদ অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়েছে। এবারের সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ৫ দশমিক ৮৭। পাঁচটি ধাপের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে কম স্কোর করেছে নাগরিক স্বাধীনতা (৪ দশমিক ৭১) ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণে (৫ দশমিক ৫৬)। সবচেয়ে বেশি স্কোর করেছে নির্বাচনপ্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদে (৭ দশমিক ৪২)। সূচকে সবচেয়ে বেশি ৯ দশমিক ৮১ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে। গণতান্ত্রিক দেশগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও আইসল্যান্ড। ২০২৩ সালের গণতন্ত্র সূচকে তলানিতে (১৬৭তম) রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির স্কোর শূন্য দশমিক ২৬। এর ওপরের দুই অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে মিয়ানমার (১৬৬তম) ও উত্তর কোরিয়া (১৬৫তম)। এবারের তালিকায় যুক্তরাজ্য ১৮তম ও যুক্তরাষ্ট্র ২৯তম অবস্থানে রয়েছে। রাশিয়ার অবস্থান ১৪৪তম। আর গণতন্ত্রের সূচকে চীন ১৪৮তম অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের অবস্থান ৪১তম। শ্রীলঙ্কার ৭০তম। অন্যদিকে বাংলাদেশের পরে রয়েছে ভুটান (৮১তম), নেপাল (৯৮তম) ও পাকিস্তান (১১৮তম)। ইআইইউ জানিয়েছে, এবারের সূচকে ১৬৭ দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ২৪টিতে পূর্ণ গণতন্ত্র রয়েছে। ৫০টির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ। বাংলাদেশসহ ৩৪টি দেশ ও অঞ্চলে হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। আর সবচেয়ে বেশি ৫৯টির শাসনব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল ১০ দেশের মধ্যে আটটিতে (বাংলাদেশ, ব্রাজিল, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র) চলতি বছর জাতীয় নির্বাচন হয়েছে কিংবা হতে যাচ্ছে। এর অর্ধেক দেশের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নয়। সেই সঙ্গে সেখানে বাকস্বাধীনতাসহ গণতন্ত্রের কয়েকটি পূর্বশর্ত অনুপস্থিত। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও রাশিয়ার কথা উল্লেখ করে ইআইইউ বলেছে, এসব দেশের নির্বাচনে বিরোধী দলগুলো রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের শিকার হয়েছে ও হচ্ছে। আর এসব দেশে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকারে পরিবর্তন কিংবা পূর্ণ গণতন্ত্রের সুযোগ নেই।

post
বাংলাদেশ

এবার সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

পঁচাত্তর পরবর্তী এবার সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মানুষের পাশে থেকে, তাদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে আওয়ামী লীগ। নিজেরা সংগঠিত হতে না পেরে বিএনপি জনগণ ও আওয়ামী লীগকে দোষ দিয়ে যাচ্ছে। জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক দল সংগঠিত না থাকলে দুর্যোগ মোকাবিলা কঠিন। মানুষের পাশে থেকে আওয়ামী লীগ জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার ক্ষমতায় আসতে না পারলে গত ১৫ বছরের উন্নয়ন লুট হয়ে দেশ অন্ধকারে চলে যেত। আমরা যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য না, আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেছি। এখন মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এসেছে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনটাই আমাদের লক্ষ্য। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। এখন স্যান্ডেল বগলে নিয়ে হাঁটতে হয় না। তিনি বলেন, যারা জ্বালাও পোড়াও করবে, তাদের মানুষ কেন ভোট দেবে। ভোট পাবে না জেনেই বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। এখন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। নির্বাচনে না এসে এখন হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। কিছু খুচরা পার্টি আছে, তারা লাফায়। দেশে কিছু রাজনৈতিক দল আছে, একজনের কথায় যারা তিড়িং বিড়িং করে লাফায়, কিন্তু কিছু করতে পারে না। নিজেরা সংগঠন করতে না পেরে আওয়ামী লীগ ও জনগণকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। উন্নয়ন কর্মসূচি নেওয়ার সময় লক্ষ্য রাখা হয় যেন পরিবেশ নষ্ট না হয়। দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রবাসীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়। মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ষড়যন্ত্র করতে না পারে। বিদেশে থেকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য নিজেদের তৈরি করতে হবে। কেউ যেন দেশকে পেছনে নিতে না পারে।

post
বাংলাদেশ

কেরানীগঞ্জে শিক্ষা সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সুন্দর পরিবেশ তৈরিতে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়োজন : নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বসন্তের প্রথম প্রহর কাটিয়েছেন কেরানীগঞ্জের জিনজিরা পীর মোহাম্মদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে।১৪ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) সকালে নসরুল হামিদ বিদ্যালয়টির ৫ম তলা ভবন উদ্বোধন করেন। পরে বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, পড়াশোনার মতো খেলাধুলাও জীবনের একটি অংশ। “আমাদের মেয়েরা খেলাধুলা ও সৃজনশীলতায় এগিয়ে যাচ্ছে। আমি তাদের অগ্রগতি কামনা করি।”সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই কেরানীগঞ্জের শিক্ষা সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সুন্দর পরিবেশ তৈরির স্বপ্নযাত্রা সফল হবে বলে প্রত্যাশা করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাকুর হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

post
বাংলাদেশ

একুশে পদক পাচ্ছেন ২১ বিশিষ্টজন

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২৪ সালের একুশে পদক দিচ্ছে সরকার। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আসে এই ঘোষণা। পদক পাওয়া বিশিষ্টজনরা হলেন— ভাষা আন্দোলনে আশরাফুদ্দীন আহমেদ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর), জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর)। ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক পাচ্ছেন কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর); বাংলাদেশ কবিতা পরিষদের সভাপতি ড. মুহাম্মদ সামাদ, ছড়াকার লুৎফুর রহমান রিটন ও কবি মিনার মনসুর। সংগীতে একুশে পদক পাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ (সংগীত), বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্র দেব। অভিনয়ে একুশে পদক পাচ্ছেন ডলি জহুর ও এম এ আলমগীর। আবৃত্তিতে খান মোহাম্মদ মোস্তফা ওয়ালিদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী একুশে পদক পাচ্ছেন। নৃত্যকলায় একুশে পদক পাচ্ছেন শিবলী মোহাম্মদ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ের জন্য কাউসার চৌধুরী ও চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ একুশে পদক পাচ্ছেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু; সমাজসেবায় অবদানের জন্য মো. জিয়াউল হক ও রফিক আহমদ একুশে পদক পাচ্ছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.