post
বাংলাদেশ

অপকর্মের সব রেকর্ড আছে, বেশি কথা বললে ফাঁস করে দেব-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপির অনেক নেতাদের অপকর্মের রেকর্ড রয়েছে। বেশি কথা বললে সেগুলো ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বিএনপির দু-একজন নেতাকে ঘন ঘন প্রেস কনফারেন্স করতে দেখা যাচ্ছে। যারা সরকারের সঙ্গে লাইন দিয়েছিলেন। রাজনীতির কাক যেখানে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট পায় সেখানে যায়। বেশি কথা বললে তাদের সবকিছু ফাঁস করে দেব। শুক্রবার (২২ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। যে রাজনৈতিক শক্তি স্বাধীনতাবিরোধী তাদের পরবর্তী প্রজন্ম পেছনে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক অপশক্তির সঙ্গে ব্যক্তিবিশেষ যোগ দিয়েছিল। দরিদ্র দেশ বলে বহির্বিশ্বে উপস্থাপন করে পুরস্কার নেয় তারা। ড. ইউনূসকে বন্যা, দুর্যোগে মানুষের পাশে দেখা যায় না। তার আগ্রহ শুধু তদবির করে পুরস্কার নেওয়া। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচন প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়ে তারা ষড়যন্ত্র করছে। তারেক রহমান বোরাকে করে উড়ে এসে বিএনপির পাশে দাঁড়াবে এমন স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। দেশটাকে মগের মুল্লুক বানানোর স্বপ্ন ভেস্তে যাওয়ায় খেই হারিয়ে ফেলেছে বিএনপি।

post
বাংলাদেশ

১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বিদেশি ঋণ

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল শেষে সামগ্রিক বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে) এ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা। এসব ঋণের ৭৯ শতাংশই নিয়েছে সরকার এবং বাকি ২১ শতাংশ ঋণ নিয়েছে বেসরকারি খাত। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি ঋণের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, ১৫ বছর আগে ২০০৮ সাল শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। অর্থাৎ গত ১৫ বছরে দেশের বিদেশি ঋণ বেড়েছে ৭৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪২ শতাংশ। এতে দেখা যায়, ২০২৩ সালের শেষ তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশের বিদেশি ঋণ ৪ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। এ সময়ে সরকারের বিদেশি ঋণ বেড়েছে ৪ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। সরকারের বাড়লেও বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ ৩৩ কোটি ডলার কমেছে। গত ডিসেম্বর শেষে সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৯ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। আর বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ২০ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছর শেষে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে তা দাঁড়ায় ৯৮ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলারে। এর মানে গত ৮ বছরে দেশের বিদেশি ঋণ বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৮ সালের পর বিদেশি ঋণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬৮ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৮১ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ ৯৫ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৯৮ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। আর গত বছর শেষে এ ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলার। বিদেশি এসব ঋণ এসেছে সরকারি বিভিন্ন মেগা প্রকল্প নির্মাণের জন্য। এর মধ্যে সর্বোচ্চ এসেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে ১১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে রাশিয়া। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে চীন থেকে। আর রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে ভারত। এছাড়া মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অন্যান্য প্রকল্প ঘিরে জাপান থেকে ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি টাকা ঋণসহায়তা নেওয়া হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি ঋণের পরিমাণ এখন ১১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার। জনশুমারি ও গৃহগণনা শুমারির সর্বশেষ উপাত্ত অনুসারে, দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ। সেই হিসাবে গত ডিসেম্বরের পরে মাথাপিছু বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৫৯২ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। তবে গত জুনের হিসাবে তা ছিল ৫৭৪ ডলার। ৮ বছর আগে যা ছিল ২৫৭ ডলারের কিছু বেশি।

post
বাংলাদেশ

লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে চোখে অন্ধকার দেখছে মানুষ: ফখরুল

লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে মানুষ চোখে অন্ধকার দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ সংকট। ক্ষমতাসীনদের দৌরাত্ম্য এবং দাপটে মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাই সব অপকর্মকে আড়াল করতেই ডামি সরকার নতুন করে জুলুমের মাত্রা বাড়িয়েছে।শুক্রবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের জামিন বাতিল হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ বিবৃতি দেন তিনি। এতে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ৭ জানুয়ারির আওয়ামী ডামি সরকার তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সারাদেশে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর যে জুলুম চালাচ্ছে, এর আরও একটি কু-নজীর স্থাপিত হলো মাহমুদুল হক রুবেলসহ ২২ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার মধ্যদিয়ে।

post
বাংলাদেশ

ভারতীয় পণ্য বয়কটের নামে বাজার অস্থির করছে বিএনপি-কাদের

ভারতীয় পণ্য বয়কটের নামে বিএনপি দেশের বাজার ব্যবস্থাকে অস্থির করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে। তবে জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দেবে না। মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিএনপি এখন পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা আচরণ করছে।শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে, সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ সময় ভারতীয় পণ্য বর্জনে বিএনপি যে ডাক দিয়েছে তার নিন্দা জানান তিনি। বলেন, বিশ্ব বাস্তবতায় এবং আঞ্চলিক ভূকৌশলগত অবস্থানের দিক দিয়ে, ভারত বাংলাদেশের তিনদিকেই বেষ্টিত। ফলে, তাদের থেকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পাওয়া যায়। তারপরও বিএনপি এ নিয়ে অপরাজনীতি করছে। কাদের বলেন, গণতন্ত্রের পথ থেকে সরে এসে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জন সম্পৃক্ততা হারিয়ে অদ্ভুত আচরণ করছে বিএনপি । যারা ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে,দেশের জনগণ তাদেরই বয়কট করবে বলে জানান, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এই শীর্ষনেতা।

post
বাংলাদেশ

আবারও অস্থিতিশীল চালের বাজার

আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে চালের বাজার ।সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। অপরদিকে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিপ্রতি ২০ টাকা।তবে এখনও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে ডাল,মুরগী ও আলুসহ অন্যান্য নিত্য পণ্য।ফলে রোজার মাসে ক্রেতাদের ভোগান্তির শেষ নেই।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান মাসে পণ্যমুল্যে ছাড় দেয়া হলেও,বাংলাদেশে চলে দাম বাড়ানোর প্রতিযোগীতা। রমজান মাসে দেশের বাজারে চালের চাহিদা কম থাকলেও,হঠাৎ করে কেন দাম বেড়েছে,তার ব্যাখ্যা দিলেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে,সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে না অধিকাংশ পণ্য।প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পরযন্ত। শুধুমাত্র লোক দেখানো অভিযান না করে,সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্রেতাদের। বাজারে নতুন আসা সবজির দাম আকাশচুম্বি। এছাড়া অন্যান্য সবজির দামে এখনও স্বস্তি আসেনি। এদিকে ২৯ পন্যের দাম সরকারীভাবে নির্ধারণ করে দিলেও,তা মানতে নারাজ খুচরা ব্যবসায়ীরা,পাইকারি ব্যাবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

post
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতে প্রজ্ঞাপন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মান উন্নয়নের জন্য সরকারি আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমরা যেটা চাই প্রতিবার যে, আইনগত কোনো জটিলতা আছে কি না, উনি (আইনমন্ত্রী) আমাদের ফাইলটি ফেরত পাঠিয়েছেন; কোনো আইনগত জটিলতা নেই। এখন আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফাইলটি পাঠাবো। তিনি সম্মতি দিলে আমরা একটি জিও (প্রজ্ঞাপন) করে পরবর্তী অ্যাকশনে যাব। সব কিছুরই প্রসেস চলছে।' তিনি বলেন, 'খালেদা জিয়ার মামলা ছিল, মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার নামে আরও কিছু মামলা আছে। কাজেই আদালতের যে সিদ্ধান্ত, সেই সিদ্ধান্তের বাইরে; আদালত একটি স্বাধীন সংস্থা, আপনারা জানেন। আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কোনো কিছু করিনি। 'কোর্টের সিদ্ধান্তের পরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষমতাবলে তাকে বাসায় থেকে সুচিকিৎসা নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছেন. সাজাটা স্থগিত রেখে। এটাই হলো বর্তমান অবস্থা। আমাদের দেশে যারা আদালত থেকে অপরাধের দণ্ডপ্রাপ্ত হন, তারা যে নিয়মে চলে সে অনুযায়ী চলছে, এর ব্যত্যয় ঘটেনি,' যোগ করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমরা চিন্তা করছি পূর্ত মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস সবগুলো এজেন্সি একটি ছাতার নিচে, একটি কমান্ডে নিয়ে আসার। তাদের মাধ্যমে আমরা সব কিছু পরিচালনা করব। এটি আলোচনা পর্যায়ে আছে, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।' তিনি বলেন, 'একেক দিন একেক এজেন্সি অভিযানে গেলে এই যে (রেস্তরাঁ) ব্যবসাটা গড়ে উঠেছে, সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা চাই, ব্যবসাটা চালু থাকবে এবং এখানে যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। আগুনে পোড়া মানুষের স্রোতটা যেন বন্ধ হয়।' এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'নকশা বহির্ভূত কেউ যদি কিছু করে থাকে, সেটার জন্য রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) করছে। ফায়ার সার্ভিস মাঠে আছে, তাদের নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে, সেই নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না সে জন্য ফায়ার সার্ভিস ব্যবস্থা নিচ্ছে। যখনই কোনো এজেন্সি ডাকছে, তাদের সহযোগিতার জন্য পুলিশ সেখানে যাচ্ছে। যে এজেন্সি অভিযান করছে, তাদের আঙ্গিকে করছে। সবাইকে একটি ছাতার নিচে এনে একভাবে করা যায় কি না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিন্তা করছে।'

post
বাংলাদেশ

‘দেশটা এখন মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে’

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান ও দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২১ মার্চ (বৃহস্পতিবার) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশ এখন মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে। অব্যাহত গতিতে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে বিরোধী নেতাকর্মীদের পর্যুদস্ত ও নাজেহাল করা হচ্ছে। এ ধরনের অপকর্ম সাধনের একমাত্র উদ্দেশ্যই হচ্ছে, দেশের বিরোধীদলগুলো যেন দখলদার সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের সমালোচনা করতে সক্ষম না হয়। মির্জা ফখরুল বলেন, মিথ্যা মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানো যেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রাত্যহিক কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। রাজিব আহসান এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো দখলদার আওয়ামী সরকারের নিরবচ্ছিন্ন অপকর্মেরই অংশ। তিনি বলেন, আদালত কতৃর্ক তাদের জামিন বাতিল ও কারান্তরীণের ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা বানোয়াট ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

post
বাংলাদেশ

জেদ্দায় আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল

সৌদি আরবে ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ জেদ্দা মহানগর আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি ওয়াজি উল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে জেদ্দার রামাদা হোটেলে এ আয়োজন করা হয়। সভায় যৌথ সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরকার ও ওমর তাতী। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগে উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলার চেয়ারম্যান ইয়াছির মিয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউসুফ মাহমুদ ফরাজি, ইসমাইল হোসেন,স্বপন হাওলাদার, হুমায়ুন কবীর, সারতাজুল আলম দিপু, মোশাররফ হোসেন খান, কোরবান আলী বিশ্বাস, হোসেন আহমেদ ও কাজী আব্দুল্লা সহ অনেকে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুখলেসুর রহমান ফকির, বুরহান উদ্দীন হাওলাদার সহ আওয়ামী পরিবারের নেতা কর্মী। এসময় বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সৌদি প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান ১৪ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু।

post
বাংলাদেশ

কাঁচা মরিচ ভালো রাখার উপায়

বাড়িতে আলু-পেঁয়াজের মতো কাঁচা মরিচও মজুত থাকে। কিন্তু একসঙ্গে বেশি কাঁচা মরিচ দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখলে তা পচে যায়। অনেকেই বলেন, মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে রাখলে নাকি এই সমস্যা খানিকটা কমানো যায়। তা সত্ত্বেও যদি কাঁচা মরিচ পচে যায়, তা হলে কী করবেন? বাইরে থেকে বাতাস ঢুকতে পারে না, এমন কোনো পাত্রে রাখুন। এতে কাঁছা মরিচ দীর্ঘদিন সতেজ থাকবে। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে যেকোনো কিছুই ভালো থাকে। কাঁচা মরিচ দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সেগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। মরিচ ভুলেও পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। এতে পচে যেতে পারে। কৌটায় মরিচ ভরে ফ্রিজে তুলে রাখুন। তাতে বরং কিছুদিন হলেও ভালো থাকবে। যখন মরিচ কিনছেন, ভালো করে দেখে শুনে কিনুন। ভালো মরিচের ভিড়ে একটা খারাপ মরিচ লুকিয়ে থাকলে পুরোটাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বাজার থেকে মরিচ কিনে এনে ধুয়ে, ভালো করে রোদে শুকিয়ে তারপর ফ্রিজে তুলবেন। মরিচের গায়ে এক ফোঁটা পানি থাকলেও তা পচে যেতে পারে।

post
বাংলাদেশ

সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত হল নতুন স্কিম

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে প্রত্যয় নামে নতুন একটি স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, সরকারি বা সমজাতীয় সংস্থার কর্মীরা এই স্কিম নিতে পারবেন। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এতে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না এবং বিদ্যমান পেনশন সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে, চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে যোগ দেয়া কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় প্রত্যয় স্কিমে যুক্ত করা হবে। প্রত্যয় স্কিমের মাধ্যমে কর্মীদের মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা মাসিক জমা হবে। যাদের এখনো চাকরির মেয়াদ কমপক্ষে ১০ বছর আছে, তারা চাইলে সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত হতে পারবেন। সর্বজনীন পেনশন স্কিম যেভাবে খোলা যাবেসর্বজনীন পেনশন স্কিম যেভাবে খোলা যাবে দেশের সব নাগরিককে পেনশন সুবিধার মধ্যে আনতে গত বছরের আগস্টে চারটি স্কিম নিয়ে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করে সরকার। স্কিমগুলো হল প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা। প্রতিটি স্কিমের জন্যই মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক চাঁদা পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে চাঁদা ও পেনশনের পরিমাণ। ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী জাতীয় পরিচয়পত্রধারী সব বাংলাদেশি নাগরিক এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। কোন স্কিমে চাঁদা কত বিধিমালার শুরুতেই বলা হয়েছে সমতা স্কিমের কথা। মূলত দারিদ্র্য সীমার নিচে থাকা স্বল্প আয়ের ব্যক্তি যাদের আয বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা তারা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। এই স্কিমে যুক্ত হতে সর্বনিম্ন মাসিক চাঁদার পরিমাণ ১ হাজার টাকা। ১০ বছর পূর্তিতে প্রতিমাসে পেনশন পাওয়া যাবে ১ হাজার ৫৩০ টাকা করে। একই ভাবে ১৫, ২০, ২৫, ৩০, ৩৫, ৪০ ও ৪২ বছর পূর্ণে পেনশনের হার বাড়তে থাকবে। কেউ ৪২ বছর চাঁদা দিলে মাসে পেনশন পাওয়া যাবে ৩৪ হাজার ৪৬৫ টাকা। সর্বজনীন পেনশন স্কিম: অংশ নিতে হবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরসর্বজনীন পেনশন স্কিম: অংশ নিতে হবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল ও তাঁতি। এই স্কিমে চাঁদা দেওয়া যাবে মাসিক ১ হাজার, ২ হাজার, ৩ হাজার কিংবা ৫ হাজার টাকা করে। ১০ বছর পূর্তিতে ১ হাজার টাকায় পেনশন হবে মাসে ১ হাজার ৫৩০ টাকা, ২ হাজার টাকায় ৩ হাজার ৬০, ৩ হাজার টাকায় ৪ হাজার ৫৯১ টাকা এবং ৫ হাজার টাকায় পেনশন পাওয়া যাবে ৭ হাজার ৬৫১ টাকা করে। ৪২ বছর পূর্ণ হলে ১ হাজার টাকায় পেনশন হবে ৩৪ হাজার ৫৬৫ টাকা, ২ হাজার টাকায় ৬৮ হাজার ৯৩১ টাকা, ৩ হাজার টাকায় ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৬ টাকা এবং ৫ হাজার টাকায় পেনশন মিলবে ১ লাখ ৭২ হাজার ৩২৭ টাকা। বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে বাংলাদেশি নাগরিকরা প্রবাস স্কীমের মাধ্যমে এই সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। এই স্কিমে মাসিক ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার এবং ১০ হাজার টাকা কিস্তি দিয়ে যুক্ত হওয়া যাবে। ১০ বছর পূর্তিতে ৫ হাজার টাকার কিস্তিতে মাসে পেনশন আসবে ৭ হাজার ৬৫১ টাকা, সাড়ে ৭ হাজার টাকায় ১১ হাজার ৪৭৭ এবং ১০ হাজার টাকায় আসবে ১৫ হাজার ৩০২ টাকা। সবার জন্য পেনশন স্কিমে আশার আলোসবার জন্য পেনশন স্কিমে আশার আলো বিধিমালায় শেষ যে স্কিমটির কথা বলা হয়েছে সেটি হল প্ৰগতি স্কিম। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য এই স্কিম রাখা হয়েছে। এতে মাসিক ২ হাজার, ৩ হাজার বা ৫ হাজার টাকা কিস্তি দিয়ে যুক্ত হওয়া যাবে। ১০ বছর পূর্তিতে ২ হাজার টাকায় পেনশন মিলবে ৩ হাজার ৬০ টাকা, ২ হাজার টাকা কিস্তিতে ৪ হাজার ৫৯১ এবং ৫ হাজার টাকা কিস্তিতে মাসে পেনশন পাওয়া যাবে ৭ হাজার ৬৫১ টাকা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.