post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত

রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুইজন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।নিহতরা হলেন রুবেল (৫০), ঝর্ণা (২৮), জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। নিহত আরেকজনের পরিচয় জানা যায়নি। আহত দুজন হলেন হৃদয় (২৬) ও রিয়া মনি (২১)।সোমবার বিকেলে উত্তরা জসীম উদ্দীন এলাকায় আড়ংয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মো. মহসিন জানান, ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিআরটি প্রকল্পের জন্য নির্মিত গার্ডার একটি ক্রেন দিয়ে সরানো হচ্ছিল। এসময় গার্ডারটি হঠাৎ করে রাস্তায় চলমান প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে যায়। গার্ডারটি ক্রেন থেকে ছুটে যায়নি, বরং ক্রেনের একপাশ উল্টে যায়।ধারণা করা হচ্ছে ক্রেনটির ধারণক্ষমতা কম ছিল কিংবা চালক ভুলভাবে সেটি অপারেট করেছেন।এদিকে দুর্ঘটনার পর উত্তরা এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। যানজট নিরসন এবং দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি সরিয়ে নিতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এর আগে গত ১৫ জুলাই গাজীপুরে এই বিআরটি প্রকল্পের ‘লঞ্চিং গার্ডার’ চাপায় এক নিরাপত্তারক্ষী নিহত হন। ওই দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক ও একজন পথচারী আহত হয়েছিলেন।দুর্ঘটনার পর প্রকল্প এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়। তারপরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজকের এ দুর্ঘটনা ঘটল।

post
বাংলাদেশ

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে ১৫ আগস্টের সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদ, তিন বাহিনীর প্রধান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া দুপুর ১টায় দলীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স মসজিদে মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন। দুপুর দেড়টায় তিনি নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাবেন। দুপুর ২টায় ঢাকার উদ্দেশে হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন।এর আগে বেলা ১১টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা সাড়ে ১১ টায় তিনি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান।

post
বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পিপলএনটেক প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি'র প্রেসিডেন্ট ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির সিএফও ফারহানা হানিপ।রবিবার (৭ আগস্ট ) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ৩২নং সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পিপলএনটেকের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতির জনক ও তার পরিবারের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এ সময় ফারহানা হানিপ বঙ্গবন্ধু জাতীয় জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন সহ পিপলএনটেকের কর্মকর্তাগণ।

post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুতে ৪২ দিনে ১০১ কোটি টাকা টোল আদায়

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরদিন থেকে শনিবার (৬ আগস্ট) পর্যন্ত ৪২ দিনে টোল আদায় হয়েছে ১০১ কোটি ৯ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা। এই সময়ের মধ্যে সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৮১টি যানবাহন। রোববার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন।তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত ১০১ কোটি ৯ লাখ টাকা টোল আদায় হয় এবং গত ২৪ ঘণ্টায় আদায় হয় ২ কোটি ১ লাখ টাকা। ৪২ দিনে জাজিরা প্রান্তে আদায় হয় ৫০ কোটি ৪৫ লাখ ২১ হাজার ৫০০ টাকা আর মাওয়া প্রান্তে আদায় করা হয় ৫০ কোটি ৬৪ লাখ ২ হাজার ৯০০ টাকা। প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। ২৬ জুন থেকে সেতুটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায় হয়।

post
বাংলাদেশ

এনআরবি কানেক্ট-কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার: বাংলাদেশের সাফল্যে প্রবাসে কিছু লোক হিংসায় জ্বলে-পুড়ে মরছে

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘কিছু লোক আছে এই প্রবাসে, বাংলাদেশে গত এক যুগে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে সেটি তাদের সহ্য হচ্ছে না। হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরছে। এজন্যে তারা সারাক্ষণ অপপ্রচারণায় লিপ্ত রয়েছে। বানোয়াট কিছু গল্প-কাহিনী রটাচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা চাচ্ছি বাংলাদেশের পজিটিভ ইমেজগুলো ব্যাপকভাবে তুলে ধরা হোক।’জাতিসংঘে পরমাণু বিস্তাররোধ ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির আওতাভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে অংশ নিতে ৩১ জুলাই নিউইয়র্কে এসেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিনই অপরাহ্নে জাতিসংঘ সদর দফতর সংলগ্ন হোটেল কক্ষে ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘এনআরবি কানেক্ট টিভি’কে প্রদত্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন ড. মোমেন। মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১২/১৩ বছরের সাফল্য অকল্পনীয়। সকল সেক্টরে সাফল্য এসেছে। শুধু আমাদের জিডিপি বাড়ছে তা নয়, গত ১২ বছরে জিডিপি গড়পরতা ৬.৬% ছিল। কোভিডের আগের বছরে ৮.১৫% ছিল। করোনাকালেও ছিল ৬.৯৮%। এটা মিরাকল বলতে হবে। অলৌকিক ঘটনা ছাড়া কিছু নয়। দারিদ্রসীমাও অর্ধেকে নেমে এসেছে। যেভাবে আমরা এগুচ্ছি, তা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ অতি-দারিদ্র মুক্ত একটি দেশে পরিণত হবে। আমরা সে হার ৩% এ নিয়ে আসতে চাই। অর্থাৎ বাংলাদেশ খুবই ভালো করছে। শিশু মৃত্যু কমেছে। মাতৃ মৃত্যু কমেছে। বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ্বে অনন্য উদাহরণ সৃষ্টিকারি একটি দেশ যেখানে পরিবার পরিকল্পনা তথা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২.৯৮%, সেটি কমে এখন ১.২২% হয়েছে। জন্মহার আমরা জোর করে কমাইনি। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে জনসাধারণকে অধিক জনসংখ্যার কু প্রভাব সম্পর্কে সজাগ করতে পেরেছি। এসব বিষয় সুবিস্তারে গণমাধ্যমে আশা উচিত।’পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা আমাদের নেতা, তার মত সেক্রিফাইসিং লিডারশিপ তো সারাবিশ্বে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি সেজন্যে সারাবিশ্বে বাংলাদেশের যত দূতাবাস, কন্স্যুলেট রয়েছে, সবগুলোতে বঙ্গবন্ধু কর্নার চালু করেছি। এর উদ্দেশ্য হলো, বঙ্গবন্ধুর যে ত্যাগ-তিতিক্ষা, আদর্শ, মূল্যবোধ, চিন্তাধারা ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’, শান্তি এবং স্থিতি, উন্নয়নের অপরিহার্যতা ইত্যাদি চিন্তা-ধারাকে জনসমক্ষে উপস্থাপন করা। এর সাথে শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে চলমান অভাবনীয় সাফল্যের কাহিনী বিস্তারিতভাবে প্রকাশ ও প্রচার করাই হচ্ছে এ সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।’ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, তবে কোন ধরনের পরিস্থিতি তৈরী হবার আগেই আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সাশ্রয়ী হতে বলেছি সকলকে। ২০০৩, ২০০৪, ২০০৫ সালে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ৩.২ বিলিয়ন ডলার। তা নিয়েও বাংলাদেশ বড়াই করতো সে সময়। এখন আমাদের সব ধরনের ব্যয় করার পরও রিজার্ভের পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার। সুতরাং চিন্তার কোনো কারণ নেই। এতদসত্বেও কিছু লোক অহেতুক বক্তব্য দিয়ে জনমনে আতংক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যদিয়ে তারা ফায়দা লুটতে চায়। ১ আগস্ট সোমবার অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের সেই বৈঠক। সেটিতে যোগদানের পরদিনই কম্পোডিয়ার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগের কথা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। 

post
বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝরনা এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরসরাই থানার এসআই সৈয়দ আহমদ। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।তবে দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে ১২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। এর ঘণ্টাখানেক পর জানা যায় ১১ জন নিহত হয়েছেন।সর্বশেষ মিরসরাই ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বলেন, দুর্ঘটনায় মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাইক্রোবাসটিকে রেললাইন থেকে সরানোর চেষ্টা করছি। দুর্ঘটনার পরপর চট্টগ্রামের রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেছিলেন, খৈয়াছড়া এলাকায় একটি ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের কয়েকজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছি। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, খৈয়াছড়া এলাকায় রেলওয়ের ওপর দিয়ে একটি সড়ক পথ গেছে। সেখানে রেলওয়ের নিযুক্ত গেটম্যানও আছে। দুর্ঘটনার পরপর গেটকিপারে সঙ্গে কথা বলেছি। গেটকিপার আমাকে জানিয়েছেন, ট্রেন আসার আগেই গেট ফেলা ছিল। কিন্তু মাইক্রোবাসের চালক গেটবারটি জোর করে তুলে রেললাইনে প্রবেশ করেন। এরপর মহানগর প্রভাতী ট্রেন মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইক্রোবাসটি করে কয়েকজন খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে এসেছিলেন। তবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

post
বাংলাদেশ

দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।দেশ রূপান্তর অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২১ জুলাই রাতে অফিসে কাজ করা অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন অমিত হাবিব। প্রথমে তাঁকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, অমিত হাবিবের হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়েছিল। রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। দেশ রূপান্তরের সম্পাদক হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে অমিত হাবিব দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি দেশ রূপান্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। দেশ রূপান্তর জানিয়েছে, ১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশনসে সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় যোগ দেন তিনি। কাজ করেছেন দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক ভোরের কাগজে। ২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারেও কাজ করেন। বছরখানেক পর চীন থেকে দেশে ফিরে দৈনিক সমকালে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি।

post
বাংলাদেশ

ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৩ জুলাই) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, সংসদ পরিচালনায় মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি। পৃথক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুহাম্মদ সাইফুর রহমানের পাঠানো শোকবার্তায় প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করণে অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ রাখবে। তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ফজলে রাব্বীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনও। শোক বার্তায় তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া একজন দেশপ্রেমিক ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ হিসেবে জনগণের কল্যাণে আজীবন কাজ করে গেছেন। অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সংসদ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় তিনি যে অবদান রেখে গেছেন, জাতি তা চিরদিন স্মরণ করবে। শোক জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদও। তিনি বলেন, ফজলে রাব্বী মিয়া একজন আদর্শবান রাজনীতিক এবং অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন। তিনি আজীবন গণমানুষের অধিকার আদায়ে রাজনীতি করেছেন। তিনি দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন অগ্রসৈনিক ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তার মৃত্যুতে জাতীয় সংসদ হারাল এক নিষ্ঠাবান অভিভাবক আর জাতি হারাল একজন নিবেদিত প্রাণ অভিজ্ঞ রাজনীতিককে। মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের রাজনীতিতে এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার কারণে তিনি দেশবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন জসিম উদ্দিন।

post
বাংলাদেশ

ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন।যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে, নিউ ইয়র্ক সময় বিকেল ৪টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন তার ভাতিজা ফাহাদ রাব্বী সৈকত। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আজ ২৩/০৭/২০২২ ইং বাংলাদেশ সময় আনুমানিক রাত ২টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া ইন্তেকাল করেছেন। বিষয়টি আমি ফাহাদ রাব্বী সৈকত আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করছি।’জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

post
বাংলাদেশ

ইতালি যেতে পারবেন ৩০০০ বাংলাদেশি

ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ইতালির সরকার একটি চুক্তির ওপর কাজ করছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের শ্রমিকরা কাজের জন্য ইতালি যেতে পারবেন। বাংলাদেশের জন্য তিন হাজার মানুষের কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। চুক্তির ফলে ছাত্র, গবেষক ও বিনিয়োগকারীরা ইতালি যাতায়াত করতে পারবেন।মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শুক্রবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুর পৌরসভা অডিটরিয়ামে এক মতবিনিময়ে সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, গত ৩০ জুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই চুক্তির ওপর প্রথম আলোচনায় বসে। আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে কেউ যেন ইতালি পারি না জমান। যারা বর্তমানে বৈধ পথে ইতালি যান তাদেরকে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করছি।মতবিনিময়ে সভায় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, অবৈধ পথে যারা বিদেশে গমন করে তাদেরকে সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা করা যায় না। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় হয়রানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে তারা যখন অবৈধ পথে লিবিয়া থেকে নৌকা বা ট্রলারযোগে ইতালি প্রবেশের চেষ্টা করে, তখন সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাদের পরিবারগুলো শেষ হয়ে যায়।পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেন, আমরা সবসময় অবৈধ পথে বিদেশ গমনকারীদের বিভিন্নভাবে প্রতারণা ও হয়রানির শিকারের মামলা দেখতে পাই। অনেক সময় তাদের তথ্যপ্রমাণ না থাকার কারণে আমরা অপরাধীদেরকে ঠিকমতো ধরতে পারি না। তারপরও আইনের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে আমরা চেষ্টা করি তাদেরকে ধরার জন্য। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে বিদেশ না গিয়ে ওই টাকা দিয়ে দেশেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে অর্থ উপার্জন করা যায়। বেশি অর্থের আশায় আমরা অবৈধ পথে বিদেশ গিয়ে আর লাশ হতে চাই না। আপনাদের এলাকার চিহ্নিত দালালদের সম্পর্কে আপনার পাশের প্রশাসনকে তথ্য দিন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.