post
বাংলাদেশ

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস । মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭০ পূর্ণ হল। রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতি একুশের মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এদিন রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়। এছাড়াও কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানানো হয়। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাঙালি জাতির জন্য এই দিবসটি হচ্ছে চরম শোক ও বেদনার। অনদিকে মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত। যে কোন জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার-মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন। ১৯৫২ সালের এদিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসকগোষ্ঠির চোখ-রাঙ্গানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শংকিত করে তোলায় সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। তাদের এই আত্মদান নিয়ে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সরদার ফজলুল করিম তার ‘বায়ান্নর ও আগে’ প্রবন্ধে লিখেছেন ‘ বরকত, সালামকে আমরা ভালবাসি। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা বরকত সালাম আমাদের ভালবাসে। ওরা আমাদের ভালবাসে বলেই ওদের জীবন দিয়ে আমাদের জীবন রক্ষা করেছে। ওরা আমাদের জীবনে অমৃতরসের স্পর্শ দিয়ে গেছে। সে রসে আমরা জনে জনে, প্রতিজনে এবং সমগ্রজনে সিক্ত। ’ এদের আত্মদানের মধ্যদিয়ে আমরা অমরতা পেয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ আমরা বলতে পারি দস্যুকে, বর্বরকে এবং দাম্ভিককে : তোমরা আর আমাদের মারতে পারবে না । কেননা বরকত সালাম রক্তের সমুদ্র মন্থন করে আমাদের জীবনে অমরতার স্পর্শ দিয়ে গেছেন।’ বরেণ্য শিক্ষাবিদ আবুল ফজল একুশ নিয়ে তার এক লেখায় লিখেছেন ‘মাতৃভাষার দাবি স্বভাবের দাবি। ন্যায়ের দাবি, সত্যের দাবির লড়াইয়ে একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদরা প্রাণ দিয়েছেন। প্রাণ দিয়ে প্রমাণ করেছেন, স্বভাবের ব্যাপারে, ন্যায় ও সত্যের ব্যাপারে কোন আপোষ চলে না, চলে না কোন গোঁজামিল। জীবন-মৃত্যুর ভ্রকুটি উপেক্ষা করেই হতে হয় তার সম্মুখীন। একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি। এদিন দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সঠিক নিয়মে, সঠিক রং ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করো হবে। দিবসটি পালন উপলক্ষে জাতীয় অনুষ্ঠানের সাথে সঙ্গতি রেখে বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজনসহ দেশের সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানসহ সবাই পূর্বের ঐতিহ্য বজায় রেখে যাতে শহিদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি হিসেবে ও ব্যক্তিপর্যায়ে একসাথে সর্বোচ্চ ২ জন শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দিবসটি পালনে নিয়োজিত সকল প্রতিষ্ঠান ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কদ্বীপ সমূহ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা জনক স্থান সমূহে বাংলাসহ অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হবে। একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং ভাষা শহিদদের সঠিক নাম উচ্চারণ, শহিদ দিবসের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা, শহিদ মিনারের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সুশৃঙ্খলভাবে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, ইত্যাদি জনসচেতনতা মূলক বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যম সমূহ প্রয়োজনীয় প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সংবাদপত্র সমূহে ক্রোড়পত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের বিষয়টি বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো একুশের বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। এদিকে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। যথাযথভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সকল কর্মসূচি পালন করবে দলটি। প্রিয় মাতৃভাষার মর্যাদা-অধিকার রক্ষা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত অগণিত শহীদের রক্তে রঞ্জিত দিবসটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমগ্র বাঙালি জাতির সাথে বরাবরের মতো এবারও শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ ও পালন করবে। কর্মসূচির মধ্য রয়েছে, একুশে ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৬ টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারাদেশে সংগঠনের সকল শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭ টায় কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরী সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়াও ২২ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩ টায় দলের পক্ষথেকে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সকল কর্মসূচি যথাযথভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালনের জন্য আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের সর্বস্তরেরনেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। -বাসস

post
বাংলাদেশ

আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিমানবাহিনী যৌথ মহড়া

আগামী সপ্তাহে ঢাকা ও সিলেটে যৌথ মহড়ায় অংশ নেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বিমানবাহিনী। ইন্দো-প্যাসিফিকের একটি যৌথ লক্ষ্য অর্জনের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে শক্তিশালী করতে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। প্যাসিফিক এয়ারফোর্স ১১ ফেব্রুয়ারি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউএসের ৩৭৪তম এয়ারলিফ্ট উইং, ইয়োকোটা এয়ার বেস, জাপান এবং বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স (বিএএফ) এর বিমানবাহিনীর সদস্যরা ২২ ফেব্রুয়ারি বিএএফ কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা এবং অপারেটিং লোকেশন-আলফা, সিলেটে কোপ সাউথ অনুশীলনে অংশগ্রহণ করবে। দুটি সি-১০৩জে সুপার হারকিউলিসসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬তম এয়ারলিফ্ট স্কোয়াড্রনের প্রায় ৭৭ জন বিমানবাহিনীর সদস্য এই মহড়ায় অংশ নেবেন। মহড়ায় ২টি সি-১৩০জেসহ বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য যোগ দেবেন। মহড়ার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সঙ্গে আন্তঃকার্যকারিতা উন্নত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদী আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করা।

post
বাংলাদেশ

অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলা একাডেমিতে আমরা বইমেলা আয়োজন করে আসছি। এটা আমাদের প্রাণের মেলা। পাকিস্তান সরকার আরবি ও রোমান ভাষায় বাংলা লেখার প্রচলন করতে চেয়েছিল। আমি বলবো, বাংলা যেমন আমাদের আনন্দের ভাষা তেমন আমাদের প্রতিবাদেরও ভাষা। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলনে শহীদ ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধার জানান। তিনি বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় এবারের বইমেলা দেরি করে শুরু করতে হল। যারা বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। ১৯৪৭ সালে করাচিতে এক সভায় বাংলাকে মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৭ সালে করাচিতে এক সভায় বাংলাকে মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানানো হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যে আন্দোলন করা হবে, এর সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধুই দিয়েছিলেন। পাকিস্তান কখনোই আমাদের ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে চায়নি। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বইমেলা আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। বই না পড়লে মনে হয়, অনেক কিছুই হয়নি। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের শিখতে হবে। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য এই মেলাকে অন্যমাত্রা দিয়ে গেছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কারণ তিনি ভাষার আন্দোলন করতেই কারাগারে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকেও অনেক তথ্য পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রোমান ও আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রচলন করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। এমনকি রবীন্দ্রচর্চা নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাকে নিয়ে গেছিলেন। কানাডা প্রবাসী রফিক ও সালাম বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘে নিয়ে যান। কিন্তু কোনো সদস্য রাষ্ট্র প্রস্তাব না দিলে তা নেওয়া সম্ভব হয় না। তাই আমরা সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ শুরু করি। ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ২০০৮ সালে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট তৈরি করি। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়েত জোট এই কাজটি বন্ধ করে দিয়েছিল’- যোগ করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। আমরা স্বাধীনভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছি। হাজারো বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারছে। আমাকে শুধু নিজের ভাষা নিয়ে থাকলে চলবে না, অন্য ভাষা সম্পর্কেও জানতে হবে। এজন্য অনুবাদে জোর দিতে হবে। তাদের সাহিত্যকে জানতে হবে। ‘মুজিববর্ষ উদযাপন করার সময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা অনেক বই আমার কাছে এসেছে। আমি ওই সব বইয়ের অনেকগুলো সম্পাদনা করে দিয়েছি। করোনার কারণে আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। করোনার কারণে আমরা অনেক কবি, সাহিত্যিকে হারিয়েছি। আশা করছি, এই বইমেলায় যেসব বই প্রকাশিত হবে, তা সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ তারিখে বইমেলা শুরু হয়েছে। তবে আমার ইচ্ছা এই মেলা ১৭ মার্চ পর্যন্ত চালানো। আশা করছি সবাই স্বাস্থ্য-সুরক্ষা মেনে বইমেলায় আসবেন। সবাই টিকা নেবেন। মাস্ক পরে সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাকে পরিচিত করাতে বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিজিটাল প্রকাশনা করতে হবে। আধুনিক এই প্রকাশনা বাদ দিলে চলবে না। সবশেষে তিনি বলেন, বাংলা একাডেমি উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নতুন নতুন কবি সাহিত্যিক খুঁজে পাওয়া যাবে। আর এজন্য গ্রাম এলাকায় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নিতে হবে। আমি মনে করি, প্রশাসন থেকেও এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া উচিত। জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। আমি বই মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। ৩৮তম এ বইমেলা চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’।

post
বাংলাদেশ

জনগণ বিএনপির ডাকে সাড়া দেবে না: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জনগণ বিএনপির ডাকে সাড়া দেবে না কারণ, যারা গণবিরোধী রাজনীতি করে, জনগণ তাদের পাশে থাকে না। শনিবার দুপুরে মিন্টো রোডে মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে ঈদের পর বিএনপি'র আন্দোলন ও গণ-অভূত্থ্যানে সরকারকে বিদায় জানানোর হুমকি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, 'বিগতদিনগুলোতে বিএনপি আন্দোলনের যে হুমকি দিয়েছিল, বর্তমানে সেটার ধারাবাহিতা ছাড়া কিছু নয়। খন্দকার মোশারফ সাহেবসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এমন বহু ঈদের পরে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবেন এটা অন্তত ১২ বছর ধরে বলে আসছে।' 'আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার এক বছর পর থেকেই এই ঈদের পরে, এই শীতের পরে, এই বর্ষার পরে, পরীক্ষার পরে -এরকম বহু হুমকি আমরা শুনে আসছি এবং খালি কলসি যে বেশি বাজে, তাদের এই হুমকিগুলোও ঠিক সেরকম ছিল' উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'খন্দকার মোশারফ সাহেবও যে বক্তব্য রেখেছেন, আগামী ঈদের পরে জাতীয় ঐক্য করে, সরকারের পতন ঘটাবেন সেগুলো আগের বক্তব্যের ধারাবাহিকতা ছাড়া আরও অন্য কিছু নয়। মানুষ তাদের এই হুমকি শুনে হাস্যরস করে।' সরকারবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে ডান-বাম, অতি বাম, সবার সন্নিবেশ ঘটিয়ে একটা জাতীয় ঐক্যের মতো করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই ঐক্য করে কোন লাভ হয় নি। সেটি একেবারে ফানুসের মত নিভে গেছে। কারণ উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাথে আছে, ১৪ দলীয় জোটের সাথে আছে। জনগণ তাদের (বিএনপি) ডাকে কখনও সাড়া দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না।’ বাংলাদেশ গণতন্ত্র সূচকে একধাপ এগিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিমাপে গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়েছে। আমি মনে করি, দেশ গণতন্ত্র সূচকে আরও অনেক ধাপ এগুতে পারতো কারণ গণতন্ত্র সংহত করা শুধুমাত্র সরকারি দলের কাজ নয়। যারা বিরোধীদলের রাজনীতি করেন, সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন, সরকারবিরোধী রাজনীতি করেন, তাদেরও দায়িত্ব এসব নিয়ে কথা বলার। বিএনপি যদি গণবিরোধী রাজনীতি না করতো, মানুষ ও গাড়িঘোড়া জ্বালাও-পোড়াও না করতো, হরতাল অবরোধের মাধ্যমে জনগণকে অবরুদ্ধ করার রাজনীতি না করতো, গণতন্ত্র সূচকে আমরা আরও বহু ধাপ এগুতে পারতাম।'

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আর বাড়ছে না

স্কুল-কলেজে নতুন করে আর ছুটি বাড়ানো হচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা জানান।

post
বাংলাদেশ

টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ সফল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ সফল উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বর্তমানে ১০ কোটি টিকা মজুদ আছে। সেই টিকা দেয়ার মানুষ খুঁজে পাচ্ছে না সরকার। সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এসব কথা বলেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত দেশের ১০ কোটি মানুষ করোনার প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে। যা মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে পৌনে সাত কোটি মানুষ। বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৬ লাখ মানুষকে।চলতি বছরের মধ্যে বুস্টারসহ টিকা প্রদান শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

post
বাংলাদেশ

বরেণ্য সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান আর নেই

বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন। ((ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ক্যান্সারসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন পীর হাবিবুর রহমান। পারিবারিক সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এই সাংবাদিক। তবে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালে তার স্ট্রোক হলে তাকে দ্রুত ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পীর হাবিবুর রহমান।এর আগে গত বছরের অক্টোবরে মুম্বাই জাসলুক হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন হয় তার। সেই চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যানসার মুক্ত হয়েছিলেন তিনি। এ অবস্থায় গত ২২ জানুয়ারি করোনায় আক্রান্ত হলে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসায় করোনা মুক্ত হন পীর হাবিবুর। তবে করোনামুক্ত হলেও কিডনি জটিলতার কারণে তাকে নেওয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।  পীর হাবিবুর রহমানের জন্ম ১৯৬৩ সালের ১২ নভেম্বর সুনামগঞ্জ শহরে। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। 

post
বাংলাদেশ

বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন স্থপতি কাশেফ চৌধুরী : সালমান এফ রহমান

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টসের পুরস্কারের ভূষিত হওয়ায় স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল ২০২১ সালের ‘বিশ্বের সেরা নতুন ভবন’হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় ভবনটির স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরী বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কাশেফ অনন্য উদ্ভাবনী ক্ষমতার অধিকারী একজন স্থপতি, যিনি সব সময় ভিন্ন কিছু করার চিন্তা করেন। শুধু ভবন নির্মাণ নয়, একটি ভবনে কি কি যোগ করলে সেই ভবনটি সহজে বায়ু-চলাচল সুবিধাসহ পরিবেশ বান্ধব হয়ে তার পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে কাশেফ মাহবুব চৌধুরী সেই চিন্তা করেন। কাশেফের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেখে অন্য স্থপতিরাও তুলনামূলক কম খরচে পরিবেশবান্ধব নতুন নতুন ভবন নির্মাণে এগিয়ে আসবে বলে মনে করেন সালমান এফ রহমান। বিশ্বজুড়ে উদাহরণ সৃষ্টিকারী ও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন স্থাপনাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের দক্ষিণের প্রত্যন্ত এলাকায় গড়ে তোলা সাতক্ষীরার ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল স্থাপনাটিকে একটি ‘মানবিক স্থাপত্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছে জুরি বোর্ড। ইতোমধ্যে আগাখান পুরস্কারসহ অনেক স্বীকৃতিতে ভূষিত স্থপতি কাশেফ তার সৃষ্টিশীলতা দিয়ে দেশের পতাকা আরও উঁচুতে তুলে ধরবেন বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

post
বাংলাদেশ

ড. মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনি ব্লিনকেন।বুধবার (১৯ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর (ইউ এস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট) থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ও তার স্ত্রীর কাছে এই শুভেচ্ছে বার্তা পাঠানো হয়। শুভেচ্ছা বার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তার পরিবারের প্রতি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

post
বাংলাদেশ

পিপলএনটেকের পক্ষ থেকে বেসিসের নবনির্বাচিত সভাপতিকে শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নব-নির্বাচিত সভাপতি রাসেল টি আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকের সিইও এবং আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ।আজ মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে টিম ক্রিয়েটিভ এর কার্যালয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় তারা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাশরুল খান। এর আগে, গত ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনে দেশের সফটওয়্যার নির্মাতা ও সেবানির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নতুন সভাপতি হয়েছেন টিম ক্রিয়েটিভ এবং ক্লাসটিউনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল টি আহমেদ ও জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গিগা টেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিরা জুবেরি হিমিকা।উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে পিপলএনটেক বাংলাদেশে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাস বাংলাদেশসহ ভার্জিনিয়া থেকে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়ায় বিস্তৃত রয়েছে। প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় সাত হাজার বাংলাদেশীদের উচ্চ বেতনে চাকুরী প্রদানে বিশেষ ভূমিকা রেখে দেশে আলোচনায় আসেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আবুবকর হানিপ ‘ম্যাজিকম্যান’ উপাধি পান। এর আগে, বাংলাদেশে আইটি শিক্ষার্থীদের জন্য ২ কোটি টাকার বিশেষ কোভিড রিকোভারী বৃত্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যাপক পরিচিতি পায়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.