post
বাংলাদেশ

বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের অযথা হয়রানি করলে ব্যবস্থা

ঢাকা বিমানবন্দরে প্রয়োজন ছাড়া যাত্রীদের ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে না ইমিগ্রেশন পুলিশকে সতর্ক করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী। যাত্রীদের হয়রানি করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।আজ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিভিন্ন পরিষেবা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বিমান প্রতিমন্ত্রী। তিনি এ সময় যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন।মাহবুব আলী বলেন, বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী দায়িত্ব পালনে অবহেলা পাওয়া গেলে বা যাত্রী হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রত্যেক যাত্রীকে যেন জিজ্ঞাসাবাদ করা না হয়, হয়রানি করা না হয়। যাদের তারা প্রয়োজন মনে করবেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। প্রয়োজনে তাদের আলাদা করে জিজ্ঞাসা করা হবে।'বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাস্টমসের সঙ্গে কথা হয়েছে, যাতে সব যাত্রীর ব্যাগ চেক করা না হয়। কেবল তথ্যের ভিত্তিতে যাকে সন্দেহ হবে, তাকে চেক করা হবে এবং ১ থেকে ২ শতাংশ যাত্রীকে আলাদাভাবে নিয়ে চেক করতে হবে। চেক করতে গিয়ে যাত্রীদের আসা–যাওয়ায় যাতে কোনো হয়রানি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বিমানবন্দরে এসে সেবা নির্বিঘ্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে। শিগগিরই যাতে ই-গেট চালু হয়, সেটির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটা দল করা হয়েছে। সপ্তাহে তিন দিন মন্ত্রণালয়ের লোকজন বিমানবন্দরে থাকেন। কোনো অব্যবস্থাপনা হয় কি না তারা দেখেন। আমরা এখানে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন সেবার মান ভালো। ইমিগ্রেশনে তাদের কোনো সমস্যা হয়নি।বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মাহবুব আলী বলেন, বিমানবন্দরে যার যারা ডিউটি করে তাদের নির্দিষ্ট সময়ের আধঘণ্টা আগে ঢুকতে হবে। ডিউটি শেষে বের হতে হবে। যাতে আমরা যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে পারি। বহির্বিশ্বে বিমানবন্দরগুলোতে যেমন সেবা দেওয়া হয়ে থাকে সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি।হজ ফ্লাইট প্রসঙ্গে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে যাতে হজ ফ্লাইট শুরু করা যায় সেজন্য প্রস্তুতি আছে। কিন্তু হজে যারা যাবেন, বাড়ি ভাড়া এবং মোয়াল্লেম নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক কাজগুলো করতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়গুলো এখনো পরিষ্কার হয়নি। তবে আমাদের বিশ্বাস নির্দিষ্ট সময়ে কাজগুলো সম্পন্ন করবে সৌদি কর্তৃপক্ষ।তিনি বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলো দেখছে। আমাদের বিশ্বাস এই সময়ের মধ্যে সব হয়ে যাবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ৩১ মে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করা হবে।

post
বাংলাদেশ

একুশে গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক, গীতিকার, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে লন্ডনের বার্নেট হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে একাত্তরকে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ শরিফ।১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন। ১৯৫০ সালে গাফফার চৌধুরী পরিপূর্ণভাবে কর্মজীবন শুরু করেন। এ সময়ে তিনি ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। মহিউদ্দিন আহমদ ও কাজী আফসার উদ্দিন আহমদ তখন ‍‘দৈনিক ইনসাফ’ পরিচালনা করতেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন। মাসিক সওগাত, দিলরুবা, মেঘনা, ইত্তেফাক, আজাদ, জেহাদ ও পূর্বদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বরেণ্য এই সাংবাদিক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন। এ সময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে যান। এরপর তার প্রবাসজীবনের ইতিহাস শুরু হয়। সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশী’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে আছে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’, ‘একজন তাহমিনা’ ও ‘রক্তাক্ত আগস্ট’। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর শোকবিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও স্বাধীনতাপদক প্রাপ্ত লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানের রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী তাঁর মেধা-কর্ম ও লেখনিতে এই দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখেছেন, ও বাঙালির অসাম্প্রদায়িক মননকে ধারণ করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সমর্থন করে জাতির সামনে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত সাপ্তাহিক জয় বাংলা পত্রিকায় বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছেন। পরবর্তীতে তিনি প্রবাসে থেকেও তাঁর লেখনীর মাধ্যমে বাঙালির স্মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন।শেখ হাসিনা আরও বলেন, আব্দুল গাফফার চৌধুরীর সঙ্গে আমার বহু স্মৃতি। অনেক পরামর্শ পেয়েছি। একজন বিজ্ঞ ও পুরোধা ব্যক্তিত্বকে হারালাম যিনি তাঁর লেখা ও গবেষণায় আমাদের বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

post
বাংলাদেশ

প্রবাস ফেরত দুই ছেলেকে আনতে বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় এক নারীর মৃত্যু

প্রবাস ফেরত দুই ছেলেকে আনতে বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় আম্বিয়া খাতুন নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে মুচড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ৭ যাত্রী। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকাল ৭টার দিকে মহাসড়কের বালুয়াকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আম্বিয়া কুমিল্লার বুড়িচং এলাকার সুলতান আহমেদের স্ত্রী। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সৌদি ফেরত ছেলে দুলাল ও জসিমকে আনতে মাইক্রোবাসে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন মা আম্বিয়াসহ অন্য স্বজনরা। পথে বালুয়াকান্দি এলাকায় যাত্রাবিরতীর জন্য সড়কের পাশে পার্কিং করা হয় মাইক্রোবাসটি। কিছুক্ষণ পর দ্রুত গতির একটি কংক্রিটবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আম্বিয়ার মৃত্যু হয়।আহত হন- গাড়িচালক ইউসুফ আলী (২৭), সুলতান (৬৫), আলী (২৫), ইয়াসমিন (১০), কাউয়ুম (১৯), মুরশেদ (৩৫) ও সবুজ (১৬)। খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার্স সার্ভিসের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভবেরচর হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জে বাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৮ জন নিহত

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মধ্যে সংঘর্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন।আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার মিল্টন বাজার এলাকার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু নাঈম মোহাম্মদ মুফাজ্জেল হক। তিনি জানান, "রাজিব পরিবহন নামে একটি বাস মাওয়া থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় কাশিয়ানী উপজেলার মিল্টন বাজার এলাকায় খুলনা থেকে ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনটি বাহনই দুমড়ে মুচড়ে ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হয়।"এরপর হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে একজন মারা যায় বলে জানান কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদি হাসান। মুফাজ্জেল হক আরও জানান, দুর্ঘটনাস্থলে সড়কের পাশেই ধান মাড়াই করছিল স্থানীয়রা। নিহতদের মধ্যে তাদেরও দু-একজন থাকতে পারে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার শুরু করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। এছাড়া নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা। 

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৮২৪ ডলার

২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৩৩ ডলার বেড়ে ২ হাজার ৮২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরে (২০২০-২১) যা ছিল ২ হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার বা ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা। একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ, গত বছর যা ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।মঙ্গলবার (১০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সভাকক্ষে একনেক বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ টাকা বা ২ হাজার ৮১৪ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা বা ২ হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।মন্ত্রী জানান, জিডিপির মোট আকার ৪৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কৃষি খাতে ২০২১-২২ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে শতকরা ২ দশমিক ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর মধ্যে শস্য উপখাতে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, পশুপালন উপখাতে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ, বন উপখাতে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মৎস্য খাতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, শিল্প খাতে ২০২১-২২ অর্থবছরে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের প্রবৃদ্ধি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১২ দশমিক ৩১ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। এ ছাড়া বছর সাময়িক হিসাবে বিদ্যুৎ খাতে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং নির্মাণ খাতে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে শিল্প খাতে গত বছরের (২০২০-২১) তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান শেখ হাসিনার

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে গণভবনে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ বিজনেস ডেলিগেশনের সঙ্গে এক বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম আস্থাভাজন উন্নয়ন অংশীদার এবং এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অবদান রেখে আসছে। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি বিদেশি বিনিয়োগের উৎস এবং রফতানি বাজার। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, আইসিটি, অবকাঠামো, হালকা প্রকৌশল পণ্য, মোবাইল ফোন ইলেক্ট্রনিক পণ্য, গাড়ি কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ উৎপাদন, সিরামিক খাতসহ সম্ভবনাময় খাতগুলোত আরও বিনিয়োগ করে বিশেষ সুবিধা পেতে পারে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুপারিশ পেয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছ আমাদের। সে লক্ষ্যে আমাদের বন্ধু দেশগুলোর কাছ থেকে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ দরকার। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি, আমরা বিনিয়োগ ও ব্যবসা সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন হালনাগাদ ও সহজ করেছি। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে উদার নীতি বাংলাদেশের। আইন ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে এদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা চাইলে তাদের জন্য আলাদাভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বেড়েছে। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ৭৬০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ছিল ৫৮০ কোটি ডলার।

post
বাংলাদেশ

গীতিকার, সাংবাদিক কে জি মোস্তফা আর নেই

গীতিকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট কে জি মোস্তফা আর নেই। রোববার (৮ মে) রাত ৮টার দিকে আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার (৯ মে) বাদ জোহর কে জি মোস্তফার মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে নেওয়া হবে। সেখানে তার জানাজা শেষে মরদেহ দাফন করা হবে।কে জি মোস্তফার জন্ম ১৯৩৭ সালের ১ জুলাই, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষানবিশ হিসেবে তার হাতেখড়ি দৈনিক ইত্তেহাদে, ১৯৫৮ সালে। ওই বছরই ‘দৈনিক মজলুম’-এ সহ-সম্পাদক পদে নিয়োগ পান। পত্রিকাটি বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি বহাল ছিলেন।দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৬৮ সালে ফের সাংবাদিকতা শুরু করে সাপ্তাহিক জনতায়। ১৯৭০ সালে সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা কফিলউদ্দীন চৌধুরীর প্রেস সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। সে সময় তিনি সরকারি চাকরি হিসেবে প্রথম শ্রেণির রেডিও সার্ভিসের জন্যও মনোনীত হন। তবে মুক্তিযুদ্ধের কারণে সে চাকরিতে যোগ দেননি তিনি।স্বাধীনতার পর কে জি মোস্তফা প্রথমে ‘দৈনিক গণকণ্ঠ’ ও পরে ‘দৈনিক স্বদেশ’ পত্রিকায় প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ‘দৈনিক জনপদে’ কাজ করেন কূটনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে। ওই সময় ‘নূপুর’ নামে একটি বিনোদন মাসিকও সম্পাদনা করতেন।১৯৭৬ সালে বিলুপ্ত সংবাদপত্রের একজন সাংবাদিক হিসেবে কে জি মোস্তফা বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরে সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। পদোন্নতি পেয়ে প্রথমে সম্পাদক, পরে সিনিয়র সম্পাদক পদে উন্নীত হন। অবসর নেন ১৯৯৬ সালে।চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর থেকে প্রকাশিত কিশোর পত্রিকা ‘নবারুণ’, সাহিত্য মাসিক ‘পূর্বাচল’, ‘সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সংবাদ’ এবং সবশেষ ‘সচিত্র বাংলাদেশ’ পত্রিকার সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন কে জি মোস্তফা। ওই সময় কিছুদিনের জন্য বাংলাদেশ স্কাউটসের মুখপত্র ‘অগ্রদূত’-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন।গুণী এ মানুষটি অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা। বাংলা চলচ্চিত্রের কালজয়ী এবং জনপ্রিয় দুই গান ‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন’-এর গীতিকার তিনি। প্রথম গানটি এহতেশাম পরিচালিত ‘রাজধানীর বুকে’ এবং দ্বিতীয় গানটি অশোক ঘোষ পরিচালিত ‘নাচের পুতুল’ সিনেমায় ব্যবহার করা হয়েছে। দুটি গানেরই সুর করেছেন রবিন ঘোষ। প্রথম গানটি গেয়েছেন তালাত মাহমুদ। দ্বিতীয়টি গেয়েছেন মাহমুদুন্নবী।

post
বাংলাদেশ

ভিডিওবার্তায় ঈদের শুভেচ্ছা শেখ হাসিনার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের প্রাক্কালে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক মাস সিয়াম সাধনার পর আবার এসেছে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর।শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঈদ-উল-ফিতর মানেই খুশি ও আনন্দ, আসুন আমরা সবাই মিলে ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দ উপভোগ ও ভাগাভাগি করি।প্রধানমন্ত্রী ঈদ-উল-ফিতরের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।‘ভাল থাকুন এবং নিরাপদ থাকুন, ঈদ মোবারক’ বলে বার্তাটি শেষ করেন।  বাংলাদেশের আকাশে রবিবার (১ মে) ১৪৪৩ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় মঙ্গলবার (৩ মে) দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (আইএফ) সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমিনকে উদ্ধৃত করে বাসসের খবরে বলা হয় দেশের আকাশে আজ কোথাও ১৪৪৩ হিজরির শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ, ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সোমবার উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ইদ-উল ফিতর। 

post
বাংলাদেশ

মুহিতের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় গুলশানের কেন্দ্রীয় মসজিদে (আজাদ মসজিদ) এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় সাবেক এ অর্থমন্ত্রীর বড় ছেলে সাহেদ মুহিত, ছোট ভাই পরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও ডা. এ কে আব্দুল মুবিন জানাজায় অংশ নেন।এছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুল মান্নান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নরুল ইসলাম নাহিদ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমানসহ দলীয় নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।জানাজা শেষে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আবুল মাল আবদুল মুহিতের মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে।তার ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছেন, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহটি সড়ক পথে নিয়ে যাওয়া হবে সিলেটে। সেখানে আগামীকাল রবিবার (১ মে) পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে মুহিতের মরদেহ।এদিকে জাতীয় সংসদ ভবন প্লাজায় সাবেক এই মন্ত্রীর জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩০ এপ্রিল) সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এ বিষয়ে কোনও আয়োজন ছিল না।সংসদের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংসদে তার জানাজা সম্পর্কে তাদের কাছে কোনও নির্দেশনা ছিল না। এ কারণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়নি।

post
বাংলাদেশ

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহ রাজিউন)। রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা, সকাল সাড়ে ১১টায় সংসদ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দুপুর ১২টায় তাঁর মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহিদ মিনারে নেয়া হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাফনের জন্য তাঁর মরদেহ সিলেটে নেওয়া হবে। আবুল মাল আবদুল মুহিত মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজ। মা-বাবা দুইজনই তৎকালীন সিলেট জেলার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৪ ভাইবোনের মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই। তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.