post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর বাসায় ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

মাদারীপুরে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী পরিবার এ দাবি করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাদিজা বেগম ও তার স্বামী মিল্টন শিকদার আমেরিকা প্রবাসী। তারা গত ৩০ জুন ছুটি কাটাতে মাদারীপুরের পৈতৃক বাড়ি মহিষেরচর এলাকায় আসেন। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বাসার দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে ৮ জন মুখোশধারী ডাকাত। এসময় ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ডলার ও মোবাইল ও ল্যাপটপসহ ২০ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী খাদিজা বেগম বলেন, ‘আমি ও আমার স্বামী আমেরিকার নাগরিক। গত ২ মাস আগে ছুটি কাটাতে গ্রামের বাড়ি আসি। গতকাল মধ্যরাতে ঘরের দরজা ভেঙে ডাকাতরা আমাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুল, বালা, হারসহ ৬ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণ, ১০ হাজার ডলার, আমেরিকা থেকে নিয়ে আসা ৫টি ফোন ও ১টি ল্যাপটপ নিয়ে যায়। প্রশাসনের কাছে দাবি, তারা যেন দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার করে মালামাল উদ্ধার করে’। মাদারীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বায়োজিদ হাওলাদার বলেন, ‘রাতে আমার বোন খাদিজার বাড়িতে মুখোশধারী ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি’। জানতে চাইলে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) চাইলাউ মারমা জানান, ‘ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে’।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে লিগ্যাল নোটিশ

বিতর্কিত’ বক্তব্য দিয়ে শপথ ভঙ্গ এবং সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।রোববার (২১ আগস্ট) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. এরশাদ হোসেন রাশেদ এ নোটিশ পাঠান।নোটিশে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে আপনি ভারত সরকারকে যে অনুরোধ করেছেন, এটা আপনি করতে পারেন না। কারণ সংবিধানে বলা হয়েছে, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। আপনি সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। আপনি মন্ত্রী পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।আইনজীবী এরশাদ হোসেন রাশেদ বলেন, ১৯ আগস্ট বিকেলে গণমাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত বিষয়ক বক্তব্যের তথ্য পান। ১৮ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। এর মাধ্যমে তিনি তার শপথ ভঙ্গ এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তার এ বক্তব্য সার্বভৌমত্মকে আঘাত করেছে। তাই নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বেচ্ছায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলেছি। অন্যথায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহরের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, সেটি করতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছে। তিনি বলেন, আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে।চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য নিয়ে শুক্রবার (১৯ আগস্ট) গোপালগঞ্জের টুঙ্গি পাড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে। সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ভারতকে অনুরোধ করার ব্যাখ্যায় ড. মোমেন বলেন, আমি বলেছি, আমরা চাই শেখ হাসিনার স্থিতিশীলতা থাকুক। এই ব্যাপারে আপনারা (ভারত) সাহায্য করলে আমরা খুব খুশি হব।এর আগে, গত ১২ আগস্ট সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে। দেশের মানুষ ‘বেহেশতে’ আছে।মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে দেশজুড়ে প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা হয়। এর দুই দিনের মাথায় গত ১৪ আগস্ট রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান মিশেল ব্যাশেলের সঙ্গে বৈঠকের পর ড. মোমেন গণমাধ্যমকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, আমি তো ট্রু সেন্সে ‘বেহেশত’ বলিনি। কথার কথা। কিন্তু আপনারা সবাই আমারে খায়া ফেললেন।ওইদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন, ভবিষ্যতে কথা বলার সময় সাবধান হবেন।

post
বাংলাদেশ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২১ আগস্ট) সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ২১ আগস্টের নিহতদের স্মরণে নির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আহত ও নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তীতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা স্মরণে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেন।দীর্ঘ তিন বছর পর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে।ওই ঘটনায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ সবমিলিয়ে ২৪ জন মারা গিয়েছিলেন। গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী। আহত হন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। আহত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের অনেকে এখনও স্প্লিন্টারের আঘাত নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।বিভীষিকাময় ২১ আগস্টবাংলাদেশের ইতিহাসে ২১ আগস্ট একটি নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে এই নজির বিহীন গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হিংসার দানবীয় সন্ত্রাস আক্রান্ত করে মানবতা। আক্রান্ত হন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় আয়োজিত সমাবেশে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ওই ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীরা মানববর্ম রচনা করে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করলেও গ্রেনেডের আঘাতে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ মোট ২৪ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারান। পরবর্তী সময়ে গ্রেনেড হামলার বিচারের রায়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি জোট সরকারের মন্ত্রী ও সরকারের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলে যে ওই সরকারের প্রত্যক্ষ মদতেই হামলাটি পরিচালিত হয়েছিল।কাল ইতিহাসের এই জঘন্যতম গ্রেনেড হামলার ১৮তম বার্ষিকীতে বাঙালি জাতি শ্রদ্ধাবনতচিত্তে হামলায় নিহতদের স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনটি পালনে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার। সেদিন ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি বিরোধী’ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করেছিল তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ। আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি সমাবেশের আগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রাকমঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা শেষ হওয়ার পরপরই তাকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা শুরু হয়। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে থাকে একের পর এক গ্রেনেড। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুহুর্মুহু ১৩টি গ্রেনেড বিস্ফোরণের বীভৎসতায় মুহূর্তেই মানুষের রক্ত-মাংসের স্তুপে পরিণত হয় সমাবেশস্থল। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পরিণত হয় এক মৃত্যুপুরীতে। স্পিন্টারের আঘাতে মানুষের হাত-পাসহ বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে। সভামঞ্চ ট্রাকের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় রক্তাক্ত নিথর দেহ। লাশ আর রক্তে ভেসে যায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউর সামনের পিচঢালা পথ। নিহত-আহতদের জুতা-স্যান্ডেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। ভেসে আসে শত শত মানুষের গগন বিদারী আর্তচিৎকার। বেঁচে থাকার প্রাণপণ চেষ্টারত মুমূর্ষুদের কাতর-আর্তনাদসহ অবর্ণনীয় মর্মান্তিক সেই দৃশ্য। সেদিন রাজধানীর প্রতিটি হাসপাতালে আহতদের তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ভাগ্যগুণে নারকীয় গ্রেনেড হামলায় অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। ঘাতকদের প্রধান লক্ষ্য শেখ হাসিনা বেঁচে গেছেন দেখে তার গাড়ি লক্ষ্য করে ১২ রাউন্ড গুলি করা হয়। তবে টার্গেট করা গুলি বঙ্গবন্ধুকন্যাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়ি ভেদ করতে পারেনি। হামলার পরপরই শেখ হাসিনাকে কর্ডন করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তার তৎকালীন বাসভবন ধানমন্ডির সুধা সদনে। ২১ আগস্টের রক্তাক্ত ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১৬ জন। পরে সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪ জনে। রক্তাক্ত-বীভৎস ওই ভয়াল গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমান ছাড়াও সেদিন নিহত হন ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, হাসিনা মমতাজ রিনা, রিজিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), রতন শিকদার, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মোশতাক আহমেদ, লিটন মুনশি, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, বিল্লাল হোসেন, আব্বাছ উদ্দিন শিকদার, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, নাসির উদ্দিন, আবুল কাসেম, আবুল কালাম আজাদ, আবদুর রহিম, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ আলী, মোতালেব ও সুফিয়া বেগম। গ্রেনেডের স্পিন্টারের সঙ্গে লড়াই করে ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফসহ আরও কয়েকজন পরাজিত হন।হামলায় আওয়ামী লীগের চার শতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়ে শরীরে স্পিন্টার নিয়ে আজও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আহত হয়েছিলেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। এখনও অনেক নেতাকর্মী সেদিনের সেই গ্রেনেডের স্পিন্টারের মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। অনেক নেতাকর্মীকে তাৎক্ষণিক দেশে-বিদেশে চিকিৎসা করালেও তারা এখন পর্যন্ত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি।এদিকে গ্রেনেড হামলার পর ভয়, শঙ্কা ও ত্রাস গ্রাস করে ফেলে গোটা রাজধানীকে। এই গণহত্যার উত্তেজনা ও শোক আছড়ে পড়ে দেশ-বিদেশে। হামলার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিজে বাঁচতে ও অন্যদের বাঁচাতে যখন ব্যস্ত হয়ে পড়েন, ঠিক তখনই পুলিশ বিক্ষোভ মিছিলের ওপর বেধড়ক লাঠি-টিয়ার শেল চার্জ করে। একইসঙ্গে নষ্ট করা হয় সেই রোমহর্ষক ঘটনার যাবতীয় আলামত।

post
বাংলাদেশ

জ্বালানি সমস্যা কাটিয়ে উঠার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টার আশাবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীরবিক্রম, সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা কাটিয়ে উঠার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে হাডসন ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে জ্বালানি উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শহিদুল ইসলামসহ দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। হাডসন ইনস্টিটিউটের ইনিশিয়েটিভ অন দ্য ফিউচার অব ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার ডিরেক্টর ড. অপর্ণা পান্ডে গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন। ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা শুধুমাত্র বাংলাদেশের একার নয়, এটি এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তিনি বলেন, গণমাধ্যমসহ দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে প্রচেষ্টা চালালে এই সমস্যার সমাধান করা যাবে। তিনি বলেন, জ্বালানির ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহের ঘাটতির কারণে বিশ্বে যে আঘাত এসেছে তা বাংলাদেশেও পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি এই বৈশ্বিক সংকটের সমাধান খুঁজতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে তাদের আরো সোচ্চার ভুমিকা রাখা দরকার। জ্বালানি উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে গত ১৩ বছরে বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে এবং কৃষি ও শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যাপক অবদানের কারণে দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার সৌরবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন বাড়াতে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে, এবং বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে এক সাথে কাজ করে যাচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর, হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল, ন্যাশনাল ব্যুরো অফ এশিয়ান রিসোর্সেস, ইউএস ইনস্টিটিউট অফ পিস এবং আটলান্টিক কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা ঘণ্টাব্যাপী গোলটেবিলে অংশগ্রহণ করেন।

post
বাংলাদেশ

জাতিসংঘে স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবস পালন, জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তরুণরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন

“জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তরুন সমাজ বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে, আজকের দিনে এই হোক আমাদের প্রত্যয়” জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী পালন উপলক্ষে নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সরকারি সফরে নিউইয়র্ক অবস্থান করছেন তিনি।স্থানীয় সময় ১৫ আগস্ট (সোমবার) সন্ধ্যা সাতটায় মিশনস্থ বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালন অনুষ্ঠান আয়োজন করে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন। এতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাগণ, এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় দিবসটির কর্মসূচি। এরপর জাতির পিতা, বঙ্গমাতা এবং তাঁদের শহীদ পরিবারবর্গসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় স্পীকারের সাথে ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতসহ মিশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ। অতপর দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। জাতির পিতার জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা এ পর্বে। এর পর শুরু হয় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা। এতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য প্রদান করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার বক্তব্যে জাতির পিতার শৈশব ও কৈশরসহ তাঁর পরিবারের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং সূদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন। দূ:খ-দূর্দশাগ্রস্থ ও অসহায় মানুষের প্রতি জাতির পিতার গভীর মমত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা ছিলেন বিশ্বের শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির অগ্রনায়ক। সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্থ একটি দেশের ভগ্নস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে কীভাবে জাতির পিতা বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে চেয়েছিলেন তা তুলে ধরেনে স্পীকার। তিনি বলেন, জাতির পিতার সেই আদর্শ ধারণ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। আমরা আজ স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটেগরি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হয়েছি। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, বৈদেশিক সম্পর্কসহ প্রতিটি সেক্টরে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। পদ্মাসেতুসহ বিভিন্ন মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরে স্পীকার বলেন, জাতির সকল উন্নয়নে জাতির পিতা আছেন এবং চিরদিন থাকবেন। এসডিজি’র উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এর অনেকগুলো লক্ষ্য ও অভীস্টের কথা জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে উল্লেখ করে গেছেন।নিউইয়র্ক সফররত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশিদ আলম প্রদত্ত বক্তব্যে স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম বন্দর সচল করার ক্ষেত্রে জাতির পিতার দূরদর্শীতার কথা তুলে ধরেন।জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য এবং জাতির পিতার জীবনাদর্শ তুলে ধরে স্বাগত ভাষণ দেন রাষ্ট্রদূত মুহিত। তিনি ১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে দেওয়া জাতির পিতার ভাষণের অংশবিশেষ -“মানব জাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারা বিশ্বের সকল নর-নারীর গভীর আশা-আকাক্সক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায় নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না” উদ্বৃত করেন। স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, জাতির পিতার কালজয়ী সেই ভাষণের মর্মবাণী এবং তাঁর নীতি-আদর্শ অনুসরণ করে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বশীল ভূমিকা রেখে চলেছে বাংলাদেশ।যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ দণ্ডপ্রাপ্ত খুনীদের মধ্যে যারা এখনও বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তারা বলেন, “আমরা চাই জাতির পিতার কোনো খুনীই যেন বিচারের হাত থেকে পার না পায়”। বক্তাগণ পনের আগস্টের এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার মাধ্যমে জাতির পিতা যে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্ব স্ব অবস্থান থেকে তা অর্জনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।সবশেষে ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত

রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুইজন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।নিহতরা হলেন রুবেল (৫০), ঝর্ণা (২৮), জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। নিহত আরেকজনের পরিচয় জানা যায়নি। আহত দুজন হলেন হৃদয় (২৬) ও রিয়া মনি (২১)।সোমবার বিকেলে উত্তরা জসীম উদ্দীন এলাকায় আড়ংয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মো. মহসিন জানান, ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিআরটি প্রকল্পের জন্য নির্মিত গার্ডার একটি ক্রেন দিয়ে সরানো হচ্ছিল। এসময় গার্ডারটি হঠাৎ করে রাস্তায় চলমান প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে যায়। গার্ডারটি ক্রেন থেকে ছুটে যায়নি, বরং ক্রেনের একপাশ উল্টে যায়।ধারণা করা হচ্ছে ক্রেনটির ধারণক্ষমতা কম ছিল কিংবা চালক ভুলভাবে সেটি অপারেট করেছেন।এদিকে দুর্ঘটনার পর উত্তরা এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। যানজট নিরসন এবং দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি সরিয়ে নিতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এর আগে গত ১৫ জুলাই গাজীপুরে এই বিআরটি প্রকল্পের ‘লঞ্চিং গার্ডার’ চাপায় এক নিরাপত্তারক্ষী নিহত হন। ওই দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক ও একজন পথচারী আহত হয়েছিলেন।দুর্ঘটনার পর প্রকল্প এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়। তারপরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজকের এ দুর্ঘটনা ঘটল।

post
বাংলাদেশ

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে ১৫ আগস্টের সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদ, তিন বাহিনীর প্রধান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া দুপুর ১টায় দলীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স মসজিদে মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন। দুপুর দেড়টায় তিনি নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাবেন। দুপুর ২টায় ঢাকার উদ্দেশে হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন।এর আগে বেলা ১১টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা সাড়ে ১১ টায় তিনি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান।

post
বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পিপলএনটেক প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি'র প্রেসিডেন্ট ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির সিএফও ফারহানা হানিপ।রবিবার (৭ আগস্ট ) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ৩২নং সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পিপলএনটেকের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতির জনক ও তার পরিবারের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এ সময় ফারহানা হানিপ বঙ্গবন্ধু জাতীয় জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন সহ পিপলএনটেকের কর্মকর্তাগণ।

post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুতে ৪২ দিনে ১০১ কোটি টাকা টোল আদায়

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরদিন থেকে শনিবার (৬ আগস্ট) পর্যন্ত ৪২ দিনে টোল আদায় হয়েছে ১০১ কোটি ৯ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা। এই সময়ের মধ্যে সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৮১টি যানবাহন। রোববার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন।তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত ১০১ কোটি ৯ লাখ টাকা টোল আদায় হয় এবং গত ২৪ ঘণ্টায় আদায় হয় ২ কোটি ১ লাখ টাকা। ৪২ দিনে জাজিরা প্রান্তে আদায় হয় ৫০ কোটি ৪৫ লাখ ২১ হাজার ৫০০ টাকা আর মাওয়া প্রান্তে আদায় করা হয় ৫০ কোটি ৬৪ লাখ ২ হাজার ৯০০ টাকা। প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। ২৬ জুন থেকে সেতুটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায় হয়।

post
বাংলাদেশ

এনআরবি কানেক্ট-কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার: বাংলাদেশের সাফল্যে প্রবাসে কিছু লোক হিংসায় জ্বলে-পুড়ে মরছে

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘কিছু লোক আছে এই প্রবাসে, বাংলাদেশে গত এক যুগে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে সেটি তাদের সহ্য হচ্ছে না। হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরছে। এজন্যে তারা সারাক্ষণ অপপ্রচারণায় লিপ্ত রয়েছে। বানোয়াট কিছু গল্প-কাহিনী রটাচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা চাচ্ছি বাংলাদেশের পজিটিভ ইমেজগুলো ব্যাপকভাবে তুলে ধরা হোক।’জাতিসংঘে পরমাণু বিস্তাররোধ ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির আওতাভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে অংশ নিতে ৩১ জুলাই নিউইয়র্কে এসেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিনই অপরাহ্নে জাতিসংঘ সদর দফতর সংলগ্ন হোটেল কক্ষে ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘এনআরবি কানেক্ট টিভি’কে প্রদত্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন ড. মোমেন। মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১২/১৩ বছরের সাফল্য অকল্পনীয়। সকল সেক্টরে সাফল্য এসেছে। শুধু আমাদের জিডিপি বাড়ছে তা নয়, গত ১২ বছরে জিডিপি গড়পরতা ৬.৬% ছিল। কোভিডের আগের বছরে ৮.১৫% ছিল। করোনাকালেও ছিল ৬.৯৮%। এটা মিরাকল বলতে হবে। অলৌকিক ঘটনা ছাড়া কিছু নয়। দারিদ্রসীমাও অর্ধেকে নেমে এসেছে। যেভাবে আমরা এগুচ্ছি, তা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ অতি-দারিদ্র মুক্ত একটি দেশে পরিণত হবে। আমরা সে হার ৩% এ নিয়ে আসতে চাই। অর্থাৎ বাংলাদেশ খুবই ভালো করছে। শিশু মৃত্যু কমেছে। মাতৃ মৃত্যু কমেছে। বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ্বে অনন্য উদাহরণ সৃষ্টিকারি একটি দেশ যেখানে পরিবার পরিকল্পনা তথা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২.৯৮%, সেটি কমে এখন ১.২২% হয়েছে। জন্মহার আমরা জোর করে কমাইনি। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে জনসাধারণকে অধিক জনসংখ্যার কু প্রভাব সম্পর্কে সজাগ করতে পেরেছি। এসব বিষয় সুবিস্তারে গণমাধ্যমে আশা উচিত।’পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা আমাদের নেতা, তার মত সেক্রিফাইসিং লিডারশিপ তো সারাবিশ্বে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি সেজন্যে সারাবিশ্বে বাংলাদেশের যত দূতাবাস, কন্স্যুলেট রয়েছে, সবগুলোতে বঙ্গবন্ধু কর্নার চালু করেছি। এর উদ্দেশ্য হলো, বঙ্গবন্ধুর যে ত্যাগ-তিতিক্ষা, আদর্শ, মূল্যবোধ, চিন্তাধারা ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’, শান্তি এবং স্থিতি, উন্নয়নের অপরিহার্যতা ইত্যাদি চিন্তা-ধারাকে জনসমক্ষে উপস্থাপন করা। এর সাথে শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে চলমান অভাবনীয় সাফল্যের কাহিনী বিস্তারিতভাবে প্রকাশ ও প্রচার করাই হচ্ছে এ সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।’ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, তবে কোন ধরনের পরিস্থিতি তৈরী হবার আগেই আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সাশ্রয়ী হতে বলেছি সকলকে। ২০০৩, ২০০৪, ২০০৫ সালে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ৩.২ বিলিয়ন ডলার। তা নিয়েও বাংলাদেশ বড়াই করতো সে সময়। এখন আমাদের সব ধরনের ব্যয় করার পরও রিজার্ভের পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার। সুতরাং চিন্তার কোনো কারণ নেই। এতদসত্বেও কিছু লোক অহেতুক বক্তব্য দিয়ে জনমনে আতংক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যদিয়ে তারা ফায়দা লুটতে চায়। ১ আগস্ট সোমবার অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের সেই বৈঠক। সেটিতে যোগদানের পরদিনই কম্পোডিয়ার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগের কথা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.