post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুতে ৩ দিনে টোল আদায় ১১কোটি টাকা

পদ্মা সেতুতে গত তিন দিনে ৭৪ হাজার ২২২টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা। এ হিসাব গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শনিবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আজ রোববার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বাসেক) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।পদ্মা সেতুতে বৃহস্পতিবার ২২ হাজার ৭০৩টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৬৫০ টাকা। আর শুক্রবার ৩১ হাজার ৭২৩টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫০ টাকা, যা এ পর্যন্ত এক দিনে টোল আদায়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর সেতু চালু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো এক দিনে ৪ কোটি টাকা আদায়ের রেকর্ড। শনিবার ১৯ হাজার ৭৯৬টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩০০ টাকা।গত তিন দিনে মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজা হয়ে সেতু পার হয়েছে ৪৪ হাজার ৫৭৫টি যানবাহন। এতে এ পথে ৫ কোটি ৮২ লাখ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। আর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজা হয়ে সেতু পাড়ি দিয়েছে ২৯ হাজার ৬৪৭টি যানবাহন। এ প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখ ৩৭ হাজার ৫০ টাকা।এর আগে গত ১ জুলাই পদ্মা সেতুতে ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। ওই দিন সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপার হয়েছে ২৬ হাজার ৩৯৮টি।পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে প্রায় দুই কোটি টাকার টোল আদায় হয়। এ সময় সেতুতে মোটরসাইকেল ওঠা বন্ধ হওয়ায় যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে এক-চতুর্থাংশ। টোলের পরিমাণ কমে এসেছে পৌনে এক কোটি টাকা।গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিন যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরদিন ২৬ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরুর প্রথম দিনে ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন চলাচল করে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা।পদ্মা সেতু নির্মাণের আগে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, এ সেতু দিয়ে দিনে প্রায় ২৪ হাজার যানবাহন চলাচল করবে।

post
বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ গেল প্রবাসীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুর রশিদ (৪৫) ওই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সৌদি আরবে কাজ করতেন। ঈদের ছুটিতে গত সপ্তাহে দেশে আসেন তিনি।পুলিশ, গ্রামবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টার দিকে রসুলপুর পূর্বপাড়া জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য ৫০ থেকে ৬০ জন মুসল্লি বৈঠকে বসেন। মসজিদের দ্বিতীয় তলায় বৈঠক চলার সময় গ্রামের একটি পক্ষ বর্তমান কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। বর্তমান কমিটির সভাপতি পদে আছেন ওমেদ আলী আর সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মিয়া। এ কমিটি বাতিলের প্রস্তাব দেওয়া পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন রসুলপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লুর রহমান।রাত ৯টার দিকে বৈঠক চলাকালে বাগ্‌বিতণ্ডার পর উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। কিছুক্ষণ পর তাঁরা লাঠিসোঁটা নিয়ে মসজিদের সামনে সরাইল-অরুয়াইল সড়কে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। মসজিদের ভেতরের ঘটনায় আবদুর রশিদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। গ্রামবাসী তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত আবদুর রশিদ মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়ার ভাতিজা ও মেয়ের জামাই। ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘মসজিদের ভেতরে জিল্লুর রহমান ও তাঁর লোকজনের মারধরের শিকার হয়ে আবদুর রশিদের মৃত্যু হয়েছে। আমরা হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

post
বাংলাদেশ

ছেলে মেয়েকে নিয়ে পদ্মাসেতুতে প্রধানমন্ত্রী

ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে পদ্মা সেতু হয়ে সড়কপথে প্রথমবারের মতো টুুঙ্গিপাড়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৪ জুলাই) সকাল আটটায় গণভবন থেকে রওনা হয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে পৈত্রিক বাড়িতে প্রবেশ করেন তিনি। এর আগে সকাল আটটা ৪৮ মিনিটে মাওয়া টোল প্লাজায় পদ্মা সেতুর টোল দিয়ে ওঠেন সেতুতে। ব্রিজের মাঝামাঝি গিয়ে সন্তানদের নিয়ে কিছু সময় পার করেন শেখ হাসিনা। সে সময় মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ক্যামেরায় ছেলের সঙ্গে সেলফি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সজীব ওয়াজেদ জয় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ছবি পোস্ট করেছেন।সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী জাজিরা প্রান্তে যান এবং সেখানে ফলকের সামনে কিছু সময় দাঁড়ান। এরপর প্রায় ৪০ মিনিট বিশ্রাম নেন জাজিরা প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-২ এ। সোয়া ১০টায় সেখান থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।

post
বাংলাদেশ

‘ত্রাণের লাইগ্গা ইখানো পইড়া রইছি-রেণু রাণী

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় ৯ দিন হলো বন্যার পানি এসেছে। ঘরে কোমরসমান পানি ওঠায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ছেড়ে পাশের বুরুজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন রেণু রাণী সরকার (৫৫)। তবে এখন আশ্রয়কেন্দ্রও পানিতে ডুবে আছে। রেণু রাণী বললেন, ‘ত্রাণের লাইগ্গা ইখানো পইড়ারইছি। রাইত হইলে অন্যের বাড়িত থাকি। আর দিন ইলে ইখানো আই। এখন ফর্যন্ত সরকার থেইক্কা কোনো সায্য (সাহায্য) পাইছি না। এখন আত্মীয় আর প্রতিবেশীর দয়ায় বাইচ্চা আছি।’ রেণু রাণীর বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের বুরুজপাড়া গ্রামে। গত বছর বুরুজপাড়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘর পান রেণু রাণী। কিন্তু সেই ঘরে পানি ওঠায় রেণু রাণী বিপাকে পড়েছেন। সোমবার সকাল পর্যন্ত সরকারি কোনো ত্রাণ পাননি বলে দাবি করেন রেণু রাণী। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১০ কেজি চাল ধার নিয়েছেন। তবে সেটাও শেষের দিকে। ওই চাল দিয়ে আজ রাত পর্যন্ত চলবে। কিন্তু কাল রাত পোহালে কী করবেন, সেটা তিনি ভেবে পাচ্ছেন না। ১৯ জুন বিকেলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয় বানিয়াচং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন। এর মধ্যে উপজেলার বুজপাড়া এলাকায় বন্যা দেখা দিলে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৬টি ঘর পানিতে তলিয়ে যায়। এরপর রেণু রাণীসহ ওই প্রকল্পের বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় নেন।পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হারান রেণু রাণী। তিন ছেলে, এক ছেলের স্ত্রী ও নাতিকে নিয়েই তাঁর সংসার। রেণু রাণী কখনো অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। কখনো মাটি কাটার কাজও করেন। তাঁর ছেলেরা দিনমজুরের কাজ করেন। তবে বন্যার কারণে কয়েক দিন ধরে তাঁরা কেউ কাজ পাচ্ছেন না। অভাবের সংসারে কোনো সঞ্চয়ও নেই তাঁদের কাছে। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুয়ায়ী, বেশ ধীরগতিতে বানিয়াচংয়ে বন্যার পানি কমছে। আজ সোমবার পানি কিছুটা কমলেও বেশির ভাগ বাড়িঘরে কোমরসমান পানি রয়ে গেছে। উপজেলার বেশির ভাগ গ্রামের মানুষ কৃষিকাজ ও দিনমজুরের কাজের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে বুরজপাড়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কারও ঘর ভেঙে গেছে, কারও ফসল নষ্ট হয়েছে। কাজ বন্ধ থাকায় অনেকের হাতে টাকা নেই। বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাশেম চৌধুরী বলেন, বানিয়াচংয়ে এবার বন্যায় কয়েক হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর বিপরীতে ত্রাণ অপ্রতুল। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ পর্যাপ্ত নয়। আজ পর্যন্ত তিনি নগদ ২ লাখ টাকা, ৭০ মেট্রিক টন চাল, ৩০০ শুকনা খাবারের প্যাকেট পেয়েছেন। বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে চাহিদাপত্র জমা দিয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায়

পদ্মা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এ সময় পদ্মা সেতু দিয়ে ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় এ তথ্য জানান সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন। তিনি বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে পদ্মা সেতুতে। এ সময় পদ্মা সেতু দিয়ে ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম দিনে মাওয়া টোলপ্লাজা দিয়ে ২৬ হাজার ৫৮৯টি যানবাহন চলাচল করেছে। এতে ১ কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। অন্যদিকে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ২৪ হাজার ৭২৭টি যানবাহন চলাচল করেছে। এতে ১ কোটি ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই পাড় মিলে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা।

post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুর প্রথম লেডি বাইকার রোবায়েত রুবা

স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই যেন স্বপ্নজয়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছে মানুষ। রোববার (২৬ জুন) সকালে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা চালু হবার পর সেতু পাড়ি দেয়ার উৎসবে মেতেছে সবাই। এদিন প্রথম যে বাহনটি টোল দিয়ে পার হয়, সেটি মোটরসাইকেল। অন্যান্য গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেলের সংখ্যায় বেশি।এদিকে প্রথম লেডি বাইকার হিসেবে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়েছেন রোবায়েত রুবা নামে এক নারী। রাজধানী মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে তিনি মোটরসাইকেল চালিয়ে গিয়ে সকালে সেতুতে ওঠেন। সে হিসেবে রোবায়েতই পদ্মা সেতুর প্রথম লেডি বাইকার। টোলপ্লাজা পার হয়ে সেতুতে ওঠার আগে তিনি একটি ফাঁকা জায়গায় এসে দাড়ান। এরপর তার সঙ্গে অন্যান্য বাইকারদের ফ্রেমবন্দি হন। তখন সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় তার। তিনি জানান, এ অনভূতি প্রকাশ করার মতো না। সকালে মিরপুরের শেওড়া পাড়া থেকে বাইক চালিয়ে এসেছি। অনেক ভালো লাগছে। বন্ধুদের সঙ্গে এসেছি। যাব পদ্মা সেতুর অপরপ্রান্তে।পেশায় ইউটিউবার রোবায়েত রোবা জানান, আমি পদ্মা সেতু পাড়ি দেবার পাশাপাশি ইউটিবের জন্য কন্টেন্ট বানাতে এসেছি। এখান শ্যুট করে ঢাকায় ফিরে কন্টেন্ট বানাব। সঠিক ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে রোবায়েত আহ্বান জানিয়ে বলেন, সেতুতে নিয়ম অনুয়ায়ী গাড়ি চালানো উচিত। লিখে দিয়েছে ৮০কিলোমিটার। আমি আইন মান্য করে বাইক চালিয়ে এসেছি। সবাইকেই একই অনুরোধ করব। শনিবার (২৫ জুন) স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে মুহূর্তেই অবসান হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তি আর যানজটের। প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন দেশের বৃহত্তম এবং পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ এই সেতুটি।অনেক মূল্যে পাওয়া পদ্মা সেতু এখনও উৎসবমুখর। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রোববার (২৬ জুন) সকাল ৬টায় যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। এর আগে গাড়িগুলো ভোর রাত থেকেই জমা হতে থাকে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজায়। এরপরই স্বপ্নের সেতু পারাপার হওয়ার আনন্দে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা দেয় মুন্সিগঞ্জের মাওয়া টোল প্লাজায়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক, প্রাইভেটকার, পিকআপসহ পদ্মা সেতু দেখতে আশা হাজার হাজার মানুষ টোল দিয়ে সেতুতে উঠছে। সবার হাসিমুখ। অনেকের মুখে আবার জয় বাংলা স্লোগান। গতকাল পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর আজ রোববার থেকে সেতু পার হওয়ার অনুমতি মেলে সর্বসাধারণের। আর তাই শনিবার সেতুতে চড়তে না পারার আক্ষেপটা আজই পূরণ করে নিচ্ছেন অনেকে।  

post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুতে প্রথম টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী, জানা গেলো টাকার পরিমাণ

পদ্মা সেতুতে ১৬ হাজার ৪০০ টাকা টোল দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে নিজের গাড়ির জন্য ৭৫০ টাকা টোল দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ১৮ টি গাড়ি ছিল।আজ শনিবার দুপুর ১২টার একটু আগে মাওয়ায় পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে জাজিরা প্রান্তে যান।পদ্মা সেতুর টোল কর্মী তানিয়া আফরিন প্রধানমন্ত্রীর ১৬ হাজার ৪০০ টাকা টোল দেওয়ার কথা জানান।কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীই প্রথম ব্যক্তি যিনি টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পার হয়েছেন। পদ্মা সেতু আজ যানবাহন চলাচলের জন্য উদ্বোধন করা হলেও আগামীকাল সকাল ছয়টায় সর্বসাধারণের যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।এর আগে গতকাল শুক্রবার পদ্মা বহুমুখী সেতুর টোল প্লাজার জন্য মাওয়া প্রান্তে টোল প্লাজা অতিক্রম করে কিছু পাবলিক গাড়ি নিয়ে পরীক্ষা চালায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।পরীক্ষামূলক যানচলাচল প্রক্রিয়া সাত দিন ধরে হয়। কর্তৃপক্ষ এ সময়ের মধ্যে টোল নেওয়া এবং স্লিপ দেওয়ার প্রক্রিয়াটির মহড়া দেয়।

post
বাংলাদেশ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যোগাযোগ প্রকল্প পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যার মধ্যে দিয়ে খুলে গেল দখিনা দুয়ার। শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে মাওয়া প্রান্তে টোল পরিশোধ শেষে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দেন।এ সময় সেখানে উপস্থিত সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সাবেক সেতু সচিব মোশাররাফ হোসেন ভূঁইয়া।প্রধানমন্ত্রীর পেছনে ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ। এর আগে, হেলিকপ্টারে করে সেখানে আয়োজিত সুধী সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। সমাবেশে তিনি বক্তব্য দেন। সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা। উদ্বোধনের আগে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি মাওয়ায় স্থাপিত টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের পর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন।উদ্বোধন শেষে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। পরে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল-২ এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। এরপর মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৫টায় হেলিকপ্টারে জাজিরা প্রান্ত থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। গত ২৪ মে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ অনুমোদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই দৃঢ় মনোবলের কারণে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী মূল সেতুর পাইলিং ও নদীশাসনের কাজ উদ্বোধন করেন। এরপর একে একে সব ধাপ পেরিয়ে পদ্মার বুকে গড়ে ওঠে স্বপ্নের সেতু। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মা সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এ সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একইসঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে। চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেল লাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

post
বাংলাদেশ

অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে যাত্রা করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু শুধু ইট-সিমেন্ট-স্টিল-লোহার কংক্রিটের একটি অবকাঠামো নয়, এ সেতু আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব, আমাদের সক্ষমতা আর মর্যাদার প্রতীক।তিনি বলেন, পদ্মার বুকের লাল-নীল-সবুজ আলোতে জ্বলে ওঠেছে পদ্মা সেতু। সকল অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে যাত্রা করেছে বাংলাদেশ। শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, এই সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আবেগ, আমাদের সৃজনশীলতা, আমাদের সাহসিকতা, সহনশীলতা এবং আমাদের প্রত্যয়। আর তার সাথে ছিলো আমরা এই সেতু করবোই, সেই জেদ। ষড়যন্ত্রের ফলে আমাদের সেতু নির্মাণ দুই বছর বিলম্বিত হয়েছে, কিন্তু আমরা হতোদ্দম হইনি, বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে যে ৪২ টা পিআর নির্মাণ হয়েছে, তার প্রতিটিই বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত। পদ্মা সেতু দেশের আত্ম মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতার প্রতীক।এ সময় যারা পদ্মা সেতুতে যারা জমি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটি কোটি দেশবাসীর সঙ্গে আমিও আজ আনন্দিত, গর্বিত এবং উদ্বেলিত। অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে প্রমত্তা পদ্মার বুকে আজ বহু-কাঙ্ক্ষিত সেতু দাঁড়িয়ে গেছে। তারুণ্যের কবি, দ্রোহের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্যের কবিতা থেকে উদ্ধৃত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়। জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবু মাথা নোয়াবার নয়।মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণে দুই বছর দেরি হলেও কিন্তু হতাশায় ভুগিনি। শেষ পর্যন্ত অন্ধকার দূর করে আলোর পথে যাত্রা করতে সক্ষম হয়েছি।’বাংলাদেশের মানুষের সাহস ও আত্মমর্যাদার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর এক বিদেশি সাংবাদিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, বাংলাদেশের কোনও সম্পদ নেই, আপনি কীভাবে দেশ গড়ে তুলবেন? বঙ্গবন্ধু এর জবাবে বলেছিলেন, ‘আমার মাটি আছে, মানুষ আছে, তা দিয়েই দেশ গড়বো।’ সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের অর্থনীতি সচল আছে। অনেক প্রকল্প নিয়েছি, পদ্মা সেতু তৈরি করেছি। বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যায়নি। বাংলাদেশের অর্থনীতি করোনা মোকাবিলা করেছে, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ মোকাবিলা করেও গতিশীল আছে। বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ, জনগণ সাহসের ঠিকানা। বাংলাদেশের জনগণকে আমি স্যালুট জানাই।তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছিল পদ্মা সেতু সম্ভব না, বিরোধিতা করেছিল, ষড়যন্ত্র করেছিল; আমি মনে করি তাদের চিন্তার ও আত্মবিশ্বাসের দৈন্যতা আছে। তবে আজকের পরে তাদেরও আত্মবিশ্বাস বাড়বে বলে বিশ্বাস করি- না, বাংলাদেশ পারে।’

post
বাংলাদেশ

স্বপ্নের পদ্মাসেতু উদ্বোধন আজ,রাজপথে জনস্রোত

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার (২৫ জুন) সকালে মাওয়া পয়েন্টে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে দুপুরে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে আওয়ামী লীগ এক জনসভার আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভায় যোগ দিয়ে ভাষণ দেবেন। দুপুরে সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও ভোর থেকেই জড়ো হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ। এরইমধ্যে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সরব পদ্মার ওপার। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘিরে সেখানে বিরাজ করছে সাজ সাজ রব। জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো মাদারীপুর জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ফেস্টুন ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো মাদারীপুর।  সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের শিবচরের অংশ ও বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে মিছিলে-স্লোগানে উজ্জীবিত নেতাকর্মীদের স্রোত জনসভাস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লাল-সবুজ টি-শার্ট ও মাথায় ক্যাপ পরে পায়ে হেঁটে বা পিকআপ ভ্যান, ট্রাক ও বাসে বিভিন্ন সড়ক ধরে যেভাবে পারছেন, ঘাটের দিকে আসছেন নেতাকর্মীরা।এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশাল সমাবেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষ যোগ দেবে বলে জানিয়েছেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক। পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত অনুষ্ঠানস্থলটি ১১টি পিলারের ওপর ১০টি স্প্যান বিশিষ্ট একটি প্রতীকী অস্থায়ী পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে জমকালোভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতীকী সেতুর সামনে উদ্বোধনী মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। অস্থায়ী সেতুটি ২০০ ফুট লম্বা ও ৮ ফুট চওড়া। মঞ্চটি ১৫ ফুট লম্বা এবং ৪০ ফুট চওড়া। মঞ্চের সামনে একটি ৬০ ফুট লম্বা বিশালাকার নৌকা পানিতে ভাসছে। এ ছাড়া সেখানে বেশ কিছু ছোট নৌকাও রয়েছে। প্রায় ১৫ একর জায়গার ওপর ভেন্যু প্রস্তুত করা হয়েছে।অনুষ্ঠান উপলক্ষে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান মঞ্চ প্রাঙ্গণে ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে দেড় শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্য, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং এসএসএফ সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলে কাজ করছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.