post
বাংলাদেশ

বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে কুয়েতে দুই বাংলাদেশি কিশোর

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে কুয়েতে পৌঁছেছে বাংলাদেশি কিশোর তাওহীদ ওবাইদুল্লাহ ও হাফেজ আবু রাহাত। তারা দুজনই একাধিকবার বিশ্বসেরা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার ছাত্র।মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে তারা স্থানীয় একটি ফ্লাইটে কুয়েত পৌঁছায়। বর্তমানে তারা কুয়েতের সালওয়ার নিকটবর্তী আলবিদা রেজিন্সি হোটেলে অবস্থান করছে।চলতি বছরের ৯ ও ১০ জানুয়ারি বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাছাইপর্বে তারা কুয়েতের জন্য বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়।দুটি ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে চলবে এ প্রতিযোগিতা। ছোট গ্রুপ থেকে প্রতিনিধিত্ব করবে হাফেজ আবু রাহাত ও বড় গ্রুপ থেকে প্রতিনিধিত্ব করবে হাফেজ তাওহীদ ওবাইদুল্লাহ।তাদের সঙ্গে আসা শিক্ষক শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরী বলেন, মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শতাধিক ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন দেশের কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে তারা লাল-সবুজের পতাকাকে অনন্য সম্মান এনে দিয়েছে।

post
বাংলাদেশ

সীমান্তে হত্যা বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক আর ভারতের জন্য লজ্জাজনক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও সীমান্তে মানুষ হত্যার ঘটনা ঢাকার জন্য দুঃখজনক আর নয়াদিল্লির জন্য লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সোমবার (১০ অক্টোবর) এ মন্তব্য করেন তিনি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। কদিন পরপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মানুষ মারা যায়। যদিও এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আমরা একটা লাশও বর্ডারে দেখতে চাই না। কিন্তু তারপরও দুর্ঘটনা ঘটে। মোমেন বলেন, আমি প্রায়ই বলে থাকি, আগেও বলেছি, এটি (সীমান্তে হত্যা) আমাদের জন্য দুঃখজনক আর ভারতের জন্য লজ্জাজনক। কারণ তারা তাদের ফোর্সকে যদি নিয়ন্ত্রণে না রাখে… ভারতের মতো একটি শক্তিশালী, উন্নত, পরিপক্ব গণতন্ত্রের দেশ, তারা যদি তাদের লোকগুলোকে (বিএসফ) নিয়ন্ত্রণে না রাখে, এটি তাদের জন্য লজ্জাজনক। শনিবার দিবাগত রাতে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হন। এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গার বলদিয়া সীমান্তে মারা যান মুনতাজ হোসেন নামে একজন। আর সাতক্ষীরার খৈতলা সীমান্তে মারা যান মো. আবু হাসান নামে একজন।

post
বাংলাদেশ

বৈশ্বিক খাদ্যসংকটে বাংলাদেশের খুব বেশি ক্ষতি হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনাভাইরাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের আশঙ্কা থাকলেও বাংলাদেশের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। বাংলাদেশ সব সময় বাস্তবতার নিরিখে কাজ করে। তাই এ ব্যাপারে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সিলেট নগরীর আম্বরখানা থেকে টুকেরবাজার সড়ক সংস্কার ও চার লেনের কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক বলেছে, আমাদের জিডিপি খুব ভালো। বিশ্বের অন্যান্য দেশের জিডিপি যেখানে তিন পারসেন্টের মতো, সেখানে আমাদের ৬-এর ওপরে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকার খাদ্য নিশ্চিতের চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি কিংবা খালি থাকবে না। খাদ্য ম্যানেজ করতে পারলে অন্য কিছুও ম্যানেজ করা সম্ভব।’এর আগে প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে কয়েক মাসের মধ্যে সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের কাজ শেষ হবে এবং মানুষের কষ্ট লাঘব হবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

post
বাংলাদেশ

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশি চিকিৎসক

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রায়ান সাদী। তিনি ঢামেকের কে-৪০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ডা. দীপু মনি তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ডা. দীপু মনি লিখেছেন, আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪০ ব্যাচের বন্ধু রায়ান সাদী এমডি, এমপিএইচ, চেয়ারম্যান ও সিইও Tevogen Bio, এ বছরের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। আমরা গর্বিত। সাদীর প্রতি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। সাদী ও তার পরিবারের প্রতি নিরন্তর শুভকামনা। ড. রায়ান সাদী সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে পরিচালিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি'র বার্ষিক কনভোকেশনের কি-নোট স্পিকার হিসাবে অংশ নেন। এসময় তিনি তার জীবনের গল্প শোনান। এবং বলেন, একটি লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে গেলে জীবনের যে কোনো অর্জন সম্ভব। ড. রায়ান সাদী হতে পারে সকলের অনুপ্রেরণা, সে সময় বলেছিলেন ডব্লিউইউএসটি'র চেয়ারম্যান ও সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। ১৯৬৪ সালে ৬ ডিসেম্বর পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তৈয়ব হোসেন ও আসমা বেগম দম্পতির বড় সন্তান তিনি। বাংলাদেশি এ চিকিৎসক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। বর্তমানে টেভোজেন বায়ো কোম্পানির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ডা. রায়ান সাদী। তার সহধর্মীনী ডা. জুডি আক্তার এবং একমাত্র কন্যা এমিলি। ডা. রায়ান সাদী কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা-বিজ্ঞানে লিডারশিপ, ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে হেলথ পলিসি এবং অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করেন তিনি।

post
বাংলাদেশ

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য প্রবাসীদের কাজ করতে বললেন হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধী এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, যারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।তিনি বলেন, এদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আমরা বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছি।  শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখা, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যাকারীদের আশ্রয় দেওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকারের কথা বলছে। তিনি আরও বলেন, খুনিরা এমনকি চার বছরের শিশু ও নারীদেরও রেহাই দেয়নি। তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরশাসক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশে হত্যা, গুম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির রাজনীতি সূচনা করেছিলেন। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য কাজ করার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার এবং অপকর্মে লিপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ এর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলেছে। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ছিলেন। কিন্তু, আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অবশেষে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় আঞ্চলিক ও স্থানীয় যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। তিনি আবারও জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও সব ধরনের শোষণমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার করেন। সূত্র : বাসস।

post
বাংলাদেশ

বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বরেণ্য এই সাংবাদিক আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এরআগে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থ হলে তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তোয়াব খান সর্বশেষ দৈনিক বাংলার সম্পাদক ছিলেন। তার আগে তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে একুশে পদক পাওয়া তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবনের শুরু ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে। ১৯৫৫ সালে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। এরপর ১৯৬৪ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। তিনি প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন। সাতক্ষীরায় জন্ম তোয়াব খান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন। সে সময় তার উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হতো ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

post
বাংলাদেশ

শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের উন্নয়নের কারিগর ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী এবং অসহায়, গরিব-দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন আজ বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর)। বাংলাদেশের সফল এ রাষ্ট্রনায়ক ৭৫ পেরিয়ে আজ ৭৬তম বছরে যাত্রা শুরু করছেন। দেশরত্নের অনুপস্থিতিতেই ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ উৎসবমুখর পরিবেশে নান কর্মসূচি পালন করবে।১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি তিনি। বঙ্গবন্ধুর মতোই দূরদর্শী ও নেতৃত্বগুণ দিয়ে নিজেকে সমাদৃত করেছেন বিশ্বব্যাপী। যার তকমাতেই মার্কিনিদের বলা ‘বটমলেস বাস্কেট’ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। প্রধানমন্ত্রী তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর অন্যান্য বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে ইউএনজিএ’র সাধারণ আলোচনায় অন্যান্য বছরের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেই দিনটি উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করবে তার নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ আজ বুধবার বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এছাড়াও বুধবার কেন্দ্রীয়ভাবে বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। একইসঙ্গে সকাল ১০টায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে (বাসাবো, সবুজবাগ) বৌদ্ধ সম্প্রদায়, সকাল ৯টায় খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে (৩/৭/এ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) এবং বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে। এসব কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।একই দিনে ঢাকাসহ সারা দেশে সব সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, আনন্দ র‌্যালি, শোভাযাত্রা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ দিবসটির তাৎপর্য অনুযায়ী যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি উদযাপন করবে।আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্ব, সময়োচিত পদক্ষেপ, মানুষের জন্য আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা, অর্থনীতিকে বাঁচাতে প্রণোদনা ঘোষণা এবং বাস্তবায়নের কারণে দেশে অনাহারে একজন মানুষেরও মৃত্যু হয়নি, খাদ্যের জন্য কখনো কোথাও হাহাকার হয়নি।প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার যত অর্জনবঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৫.৬০ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রতি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে কালোত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সামনে দুর্যোগের সংকটপূর্ণ সময়ে সমাধানের সূত্র তুলে ধরেছেন। যুদ্ধ, অস্ত্রের প্রতিযোগিতা, ক্ষমতার প্রভাব এবং স্বার্থগত সংঘাতকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবমুক্তির প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি জবরদস্তিমূলক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা-নিষেধাজ্ঞার মতো বৈরীপন্থা পরিহার করে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সঙ্কট ও বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ভাষণে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের আহ্বান জানিয়েছেন। শুধু বর্তমান সংকট সমাধানের বার্তাই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী প্রতিষ্ঠার দিকনির্দেশনা থাকায় বঙ্গবন্ধু কন্যার এই ভাষণে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেতা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন এবং ১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ বারের মতো নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন।দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তারা পাঁচ ভাই-বোন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন নেছাসহ সবাই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে নিহত হন।শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তখন পুরোনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা। বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে সপরিবারে ৩ নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় তারা বসবাস শুরু করেন। শেখ হাসিনাকে ঢাকা শহরে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। এখন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি শেরেবাংলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে খ্যাত। শুরু হয় তার শহর বাসের পালা।তিনি ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ওই বছরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। অবরুদ্ধ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দি অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর মা হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।শেখ হাসিনার পরবর্তী ইতিহাস একবিংশ শতকের অভিযাত্রায় তিনি কীভাবে বাঙালি জাতির কাণ্ডারি হয়েছেন তারই ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন সেই স্বপ্ন রূপায়নের দায়িত্ব নিয়ে বাঙালি জাতির আলোর দিশারী হওয়ার ইতিহাস। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর ওই বছরেরই ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করেন এবং সে বছরের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ওই হামলায় ২৪ জন নিহত এবং ৫শ নেতাকর্মী আহত হন।২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

post
বাংলাদেশ

১০ দিনে হিমালয়ের ৪টি পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ বাংলাদেশি দুই পর্বতারোহীর

বাংলাদেশি দুই পর্বতারোহী সালেহীন আরশাদী ও ইমরান খান ১০ দিনে হিমালয়ের ৪টি পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করেছেন। এর মধ্যে তিনটির উচ্চতা ছয় হাজার মিটার। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা তাঁদের অভিযানটি ভারতের লাদাখে অবস্থিত হ্যামিস জাতীয় উদ্যানে চালানো হয়েছে।  ‘গোজায়ান এক্সপেডিশন লাদাখ’ নামের অভিযানে পর্বতারোহীরা কাং ইয়াতসে–২ (৬ হাজার ২৫৪ মিটার), জো জঙ্গো ইস্ট (৬ হাজার ২১৪ মিটার), রিগিওনি মাল্লাই রি–১ (৬ হাজার ১২০ মিটার) ও কঙ্গা রি (৫ হাজার ৭৫৫ মিটার) পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করেন। পর্বতারোহী সালেহীন আরশাদী সুত্রকে বলেন, ‘আমাদের অভিযান দেশের পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে নতুন এক রেকর্ড। আগে এক অভিযানে একসঙ্গে তিনটি ছয় হাজার মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে দেশের আর কেউ ওঠেননি।’পর্বতারোহীদের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দুই পর্বতারোহী ৫ সেপ্টেম্বর লাদাখের প্রধান শহর লেহতে পৌঁছান। প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও প্রস্তুতির পর ৮ সেপ্টেম্বর অভিযান শুরু করেন। দুই দিন পর কাং ইয়াতসে–২ বেজক্যাম্পে পৌঁছান। মূলত বেজক্যাম্প থেকেই অভিযানের সময় হিসাব করা হয়। তাঁরা ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় কাং ইয়াতসে–২-এর শীর্ষে পৌঁছান। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে তাঁরা রিগিওনি মাল্লাই রি সামিটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। টানা ১২ ঘণ্টা আরোহণের পর চূড়ায় আরোহণ করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর কঙ্গা রিতে আরোহণ করে ধরেন জো জঙ্গো ইস্ট চূড়ায় আরোহণের পথ। ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে জো জঙ্গো ইস্ট জয়ের মাধ্যমে অভিযান শেষ করেন। পর্বতারোহী জুটির শুরুতে হিমালয়ের পশ্চিম অংশের ছয় হাজার মিটারের পাঁচটি চূড়ায় আরোহণ করার কথা ছিল। সালেহীন আরশাদী জানান, প্রয়োজনীয় অনুমতি ও রিগিওনি মালাইরি–১ পর্বত থেকে ২-এ যাওয়ার রিজলাইন ভঙ্গুর হওয়ায় অভিযানে পরিবর্তন আনতে হয়। ‘গোজায়ান এক্সপেডিশন লাদাখ’ অভিযানটি আয়োজন করেছিল পর্বতভিত্তিক অ্যাডভেঞ্চার প্ল্যাটফর্ম অদ্রি। পৃষ্ঠপোষকতা করে ভ্রমণবিষয়ক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গোজায়ান। অভিযানের সহযোগী হিসেবে ছিল ট্রাভেলার্স অব বাংলাদেশ (টিওবি) ও অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব দ্য কোয়েস্ট।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় লাশের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। এ দুর্ঘটনায় দুই দিনে নারী ও শিশুসহ ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। নিখোঁজদের মরদেহের অপেক্ষায় ঘটনার পর থেকেই করতোয়ার পাড়ে অবস্থান করছেন স্বজনরা। মরদেহ উদ্ধারের খবর জানতে পারলেই নদীর পাড় থেকে স্বজনরা ছুটে যাচ্ছেন স্থানীয় মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদে। সেখানেই রাখা হচ্ছে উদ্ধারকৃত মরদেহ। গতকাল রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মোট ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ও স্থানীয়রা। ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে কতজন যাত্রী ছিল, তার সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা প্রশাসনের কাছে রোববার ৬৬ জনের তালিকা দিয়েছেন। সকাল থেকে আউলিয়া ঘাট এলাকায় দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে ভিড় করেছেন নিখোঁজদের স্বজনরা। কেউ কেউ নৌকা নিয়ে নদীতে খুঁজে বেড়াচ্ছেন প্রিয়জনকে। কারও হাতে নিখোঁজ স্বজনের ছবি, তা নিয়ে নদী তীরের বাসিন্দাদের দেখাচ্ছেন আর বিলাপ করছেন। এছাড়া হাজার হাজার উৎসুক মানুষের ঢল নেমেছে নদীর পাড়ে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ২৪ জনের প্রাণহানি

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বোদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কুমার রায় ২৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম।বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোলেমান আলী জানান, শারদীয় দুর্গোৎসবের মহালয়া উপলক্ষে মাড়েয়া বাজার এলাকার আউলিয়া ঘাট থেকে ৭০-৮০ জনের মতো মানুষ নিয়ে একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা বড়শশী ইউনিয়নের বদেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। ঘাট থেকে নৌকাটি কিছু দুর যাওয়ার পর দুলতে শুরু করে। একপর্যায়ে নৌকাটি ডুবে যায়। মৃতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। তিনি বলেন, মরদেহ শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। শনাক্ত হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.