post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, জানা যাবে কাল

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা জানা যাবে আগামীকাল (৭ ফেব্রুয়ারি)। এজন্য কাল সংসদীয় দলের বৈঠক ডেকেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভা কক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্রে জানা যায়, সংসদীয় দলের সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী দলীয় এমপিদের যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হবে। এজন্য ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আর রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীর সমর্থক ও প্রস্তাবক হতে হয় সংসদ সদস্যদের। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি প্রার্থী দেবে না বলে এরই মধ্যে জানিয়েছে। সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই নির্বাচিত হবেন। তাই মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পাশাপাশি প্রস্তাবক ও সমর্থক কারা হবেন সেটিও চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

post
বাংলাদেশ

প্রবাসী নারী শ্রমিকদের জন্য হাইকোর্টে রিট

প্রবাসী নারী শ্রমিকের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত এবং মৃত্যুবরণ করা শ্রমিকদের পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা চেয়ে হাইকোর্টে এক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। ‘লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন যুক্ত করে রিটটি করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আঞ্জুমান আরা লিমা। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল-এর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে রিটটির ওপর শুনানি হতে পারে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ আটজনকে রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে। প্রবাসী নারী শ্রমিকের অমানবিক নির্যাতন বন্ধ, তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদে দেশে ফেরার নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে রিটে। এছাড়া প্রবাসে মৃত্যুবরণ করা শ্রমিকদের মৃত্যুর কারন তদন্ত করে যথাযথ ভাবে জানানোর পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সেই সাথে মালিক পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে রিটে।সুত্র-বাসস 

post
বাংলাদেশ

বিএসএফের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে এক বাংলাদেশি কৃষক আহত

পঞ্চগড়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে এক কৃষক আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রোববার দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের কাকপাড়া এলাকার সীমান্ত পিলার ৪২২ এর সাব-পিলার ২৪ সংলগ্ন ভারত সীমান্তের করতোয়া নদীতে এ ঘটনা ঘটে। আহত কৃষক আজিজার রহমান (৪২) সাতমেড়া ইউনিয়নের কাকপাড়া এলাকার বাসিন্দা।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) স্থানীয় মীরগড় বিওপির কোম্পানি কমান্ডার নায়ক সুবেদার মনিরুজ্জামান জানান, সাউন্ড গ্রেনেডে কৃষক আহতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বিএসএফ ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করেনি। সাতমেরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জহিরুল ইসলাম বলেন, 'সকালে অন্যান্য কৃষকদের সঙ্গে আজিজার রহমান ভারত সীমান্তে করতোয়া নদী সংলগ্ন চরে বোরো ধানের চারা রোপণ করতে যান। দুপুরের দিকে হঠাৎ করে বিএসএফের একজন সদস্য সেখানে একটি বোমাজাতীয় বস্তু ছুড়ে মারে। সেটি বিস্ফোরণের বিকট শব্দে হয় আজিজার অসুস্থ হয়ে পড়েন।' এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় বলে জানান। বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরে বিজিবি ভারতের ৯৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বর্মনবস্তি ক্যাম্পের সঙ্গে পতাকা বৈঠক আহ্বান করে।পরে বিকেল ৫টার দিকে বিজিবি-বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত কোম্পানি কমান্ডার নায়েব সুবেদার শেখ মনিরুজ্জামান জানান, বৈঠকে বিএসএফের কোনো সদস্য এ ঘটনা ঘটায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশি কৃষকের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে জেনে আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফের বর্মনবস্তি ক্যাম্পের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। পতাকা বৈঠকে তারা এ ধরনের ঘটনার কথা অস্বীকার করে।' 

post
বাংলাদেশ

বই মেলায় এসেছি লেখক হিসেবে, নায়ক হিসেবে নয় - ফেরদৌস

অনেক বছর পর অমর একুশে বই মেলায় এসেছিলেন ২ বাংলার জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস। যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র ছিলেন তখন বইমেলায় নিয়মিত আসতেন। কখনো একা, কখনো বন্ধুদের নিয়ে মেলা থেকে পছন্দের বই কিনতেন।ফেরদৌস বলেন, 'বইমেলায় এসে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছি। ফিরে গেছি অনেক পেছনে। স্মৃতির পাখিরা যেন উড়ছে আর আমি দেখছি।' 'বই মেলায় এসে কী যে ভালো লাগছে! দীর্ঘ বিরতির পর আবার বইমেলায় এলাম। আমি ফিরে গেছি ছাত্রজীবনে। নস্টালজিক হয়ে পড়ছি। এখানে এসে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধুদের কথাও মনে পড়ছে।'গতকাল শুক্রবার ফেরদৌস সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বই মেলায় এসেছিলেন নায়ক হিসেবে নয়, লেখক হিসেবে। তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। 'এই কাহিনি সত্য নয়' উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে প্রথমা। প্রচ্ছদ করেছেন মাসুক হেলাল। 'মেলার তৃতীয় দিনে এত ভিড় দেখতে পাব ভাবিনি। সবাই যদি বই কিনতেন তাহলে মেলায় বই থাকত না। তারপরও তারা বইয়ের সান্নিধ্যে আছেন—এটাও বড় বিষয়। আমি বই মেলায় এসেছি নায়ক হিসেবে নয়, লেখক হিসেবে,' যোগ করেন ফেরদৌস।মেলায় ঢুকে ফেরদৌস তার নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। সঙ্গে ছিলেন সাহিত্যিক আনিসুল হক ও গীতিকার কবির বকুল। অনেক ভিড় ছিল সেসময়। মোড়ক উন্মোচন শেষে ফেরদৌস ভিড় ঠেলে চলে আসেন 'প্রথমা'র প্যাভিলিয়নে। বেড়ে যায় ভিড়। মেলায় এসে জনপ্রিয় এই নায়ককে পেয়ে ভীষণ খুশি পাঠকেরা। প্রিয় নায়কের সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে ভিড় আরও বাড়ে। সেলফির পাশাপাশি বইয়ের অটোগ্রাফ দিতে হিমশিম খেতে হয় তাকে।'লেখালেখি করতে কেমন লাগে?'—তিনি বলেন, 'অসাধারণ। খুব ভালো লাগে। ভারতে অনেকদিন শুটিং করেছি। অনেক জায়গা ভ্রমণ করেছি। একটি ভ্রমণ কাহিনী লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এটি উপন্যাস। কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি যাচ্ছিলাম। ওখান থেকে গল্পের শুরু।'পাঠকদের উদ্দেশে ফেরদৌস বলেন, 'লিখতে খুব ভালো লাগে। সাংবাদিকতার ছাত্র ছিলাম। পাঠকরা যদি বইটি পড়েন তাহলেই উৎসাহ পাব। নতুন করে লিখব। বই পড়ে রিভিউ দিলে আরও ভালো লাগবে।' তিনি বলেন, 'প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ভাই উৎসাহ দিয়েছেন। গীতিকার কবির বকুলও। প্রথমা বইটি প্রকাশ করেছে। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।' 'বই পড়ার আগ্রহ কমে গেছে' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'ছোটদের মেলায় আনা উচিত।'

post
বাংলাদেশ

উপনির্বাচন : ইসিকে চ্যালেঞ্জ করে গণভোটের দাবী করলেন হিরো আলম

বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে হেরে যাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভোটের দুদিন পর তার নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে গণভোট দেওয়ার দাবী করেন।আজ শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোট পরবর্তী কাহালুর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের সময় সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি ইসি রাশেদা সুলতানাকে এ চ্যালেঞ্জ জানান। ফলাফল প্রকাশে কারচুপি হয়েছে অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘হিরো আলম এবং তানসেনের (জাসদের রেজাউল করিম তানসেন) মশাল এই দুইজনের মধ্যে গণভোট দেন। জনগণ ভোট দিয়েছে কি দেয়নি, ফলাফল চুরি করেছেন কিনা সেটাও আমি দেখাব।’ হিরো আলম বলেন, ‘গণভোটে প্রতিটা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা দিবেন এবং যারা নির্বাচন কমিশনার আছেন, তাঁরা সবাই সেই ভোট দেখবেন। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, আমি আর কোনো দিন নির্বাচন করব না, নির্বাচনের নাম মুখে আনব না, যদি গণভোটের মাধ্যমে হেরে যাই।’ পরাজিত প্রার্থী হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি চাই গণভোট হবে ব্যালটে। কারণ ইভিএমে কারচুপি হয়। আর কারচুপি করেই আমাকে হারিয়ে দিয়েছে তারা। আমি এখন কাহালু উপজেলার প্রতিটা কেন্দ্রে ঘুরছি। ভোটারেরা আমার হেরে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না। তারা বলছে আপনার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।’ হিরো আলম বলেন, ‘আমি ফল প্রত্যাখ্যান করেছি। আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে আদালতে রিট করব। আশা করছি সেখানে আমার পক্ষে ফল আসবে।’ গত বৃহস্পতিবার হিরো আলম ফল পাল্টানোর যে অভিযোগ করেছেন তাঁর ভিত্তি নেই এবং এ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল শতভাগ সঠিক বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। গত বুধবার বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম) আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট প্রার্থী জাসদ নেতা রেজাউল করিম তানসেন বিজয়ী হন। মশাল প্রতীক নিয়ে তিনি পান ২০ হাজার ৪০৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিরো আলম একতারা প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট পান। ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ভোট নিয়ে তাঁর অভিযোগ না থাকলেও খুব অল্প ব্যবধানে হারার পর থেকেই হিরো আলম অভিযোগ করে আসছেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এজে/

post
বাংলাদেশ

দেশে সাত মাসে রপ্তানি আয় এলো ৩২ দশমিক ৪৪৭ বিলিয়ন ডলার

লক্ষ্যে স্থির হলো হলো রপ্তানি আয়। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে রপ্তানি আয় এলো ৩২ দশমিক ৪৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার সমান। সাত মাসের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার। জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে প্রবৃদ্ধি কিছুটা পিছালো। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়ালো ৯.৮১ শতাংশ। আগের মাসে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৫৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে চলতি বছরে ছুটতে থাকা প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমলো। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে রপ্তানি উন্নঢন ব্যুরো (ইপিবি)। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান বাজার ইউরোপে যুদ্ধের দামামা আর বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই চলতি বছরের শুরু থেকে রপ্তানি আয়ে ভাল খবর দিয়ে আসছিল। বাড়ছিল আয়। এ সময়ে দেশে ডলারের তীব্র সংকট চলছে। এই সংকটের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছিলো রপ্তানি আয়ে। বাড়ছিল প্রতি মাসেই। এর মধ্যে রপ্তানি আয়ের কার্যাদেশ কিছুটা কমেছিল। রপ্তানিকারকরা বলছিল, মার্চের দিকে রপ্তানি আয় কমে আসতে পারে। কিন্তু তার আগেই জানুয়ারি মাসে কিছুটা কমলো। যদিও চলতি বছরের প্রথম সাত মাস জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তার চেয়ে কমেনি। পাশাপাশি আগের বছরের চেয়ে বেশি আছে প্রায় দশ শতাংশ। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৮ বিলিয়ন ডলার। আর জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার। দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক কমলেই মোট রপ্তানি আয়ে ঝাঁকুনি লাগে। তথ্য বলছে তৈরি পোশাকের রপ্তানি কিছুটা কমার কারণে মোট রপ্তানি আয়ে এর প্রভাব পড়েছে। জানুয়ারি শেষে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৪.৩১ শতাংশ। ডিসেম্বরে এ হার ছিল ১৫.৫৬ শতাংশ। জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে মোট ২৭.৪১৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫০ শতাংশ। আর ডিসেম্বর মাসে এ হার ছিল ৮৪.২০ শতাংশ। মূলত তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় কমার কারণেই কমেছে মোট রপ্তানি আয়। জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে অন্যান্য প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে হিমায়িত মৎস্য ২৯২.৬৫ মিলিয়ন ডলার, কৃষিজাত পণ্য ৫৫৫.২৭ মিলিয়ন ডলার এবং পাট ও পাটজাত পণ্য ৫৪৮ মিলিয়ন ডলার।

post
বাংলাদেশ

দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোলাইন নির্মাণকাজের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের রাজউক কমার্শিয়াল প্লট মাঠে পাতাল মেট্রোলাইন নির্মাণকাজের উদ্বোধন ঘোষণা ও ফলক উন্মোচন করেন তিনি। উত্তরা দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল উদ্বোধনের এক মাসের মাথায় দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজেরও উদ্বোধন করলেন তিনি। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমটিসিএল) এম এ এন সিদ্দিক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।এ নির্মাণকাজ শেষ হলে ২৫টি পাতালরেল চলবে। একেকটি ট্রেনে আটটি করে কোচ থাকবে। দিনের মূল সময়ে আড়াই থেকে সাড়ে তিন মিনিট পরপর ট্রেন চলবে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে সময় লাগবে ২৪ মিনিট। দৈনিক আট লাখ যাত্রী পরিবহন করা যাবে এ পাতালরেলে। অত্যাধুনিক বোরিং মেশিন দিয়ে নিঃশব্দে কাজ করা হবে। পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে বা ৩০০ ফুট সড়কের কোনো ক্ষতি হবে না। মাঝে সড়ক বিভাজকে ৪ মিটার জায়গা রাখা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার প্রচেষ্টা থাকবে বলে পাতালরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই পাতালরেল হচ্ছে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি-১) প্রকল্পের আওতায়। এটি বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জের পিতলগঞ্জে মেট্রোরেলের ডিপো নির্মাণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে ডিএমটিসিএল। প্রকল্প সূত্র জানায়, সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে আনুমানিক ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং পূর্বাচল থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত মাটির নিচ দিয়ে এবং এলিভেটেড উভয় সুবিধাসংবলিত ৩১ দশমিক ২৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ করবে। ২০৩০ সাল নাগাদ রাজধানী ঢাকায় মোট ছয়টি মেট্রোরেল রুট উদ্বোধন করা হবে এবং ডিএমটিসিএল এই মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করবে।

post
বাংলাদেশ

আবারও প্রাকৃতিক তরল গ্যাস কিনছে বাংলাদেশ

টানা আট মাস বন্ধ রাখার পর আবারও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি চালান কিনেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব বাজারে গ্যাসের দাম আকাশ ছোঁয়ার পর গ্যাস কেনা বন্ধ করে দেয় সরকার। কিন্তু দাম কমায় আবারও অতি জরুরি এ পণ্যটি আমদানি শুরু করছে ঢাকা।বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। দাম কমায় উন্নয়নশীল দেশগুলো আবারও নিজেদের চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে গ্যাস কিনতে সক্ষম হচ্ছে— বাংলাদেশের গ্যাস কেনার বিষয়টি এমন ইঙ্গিতই দিচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য গত সপ্তাহে ‘স্পট মার্কেট’ থেকে বাংলাদেশ এ গ্যাস কিনেছে। গত বছরের আগস্ট থেকে এশিয়ার স্পট মার্কেটে তরলীকৃত গ্যাসের দাম প্রায় ৭০ শতাংশ কমে যাওয়ার পরই বাংলাদেশ গ্যাস কিনল। যদিও এশিয়ান এলএনজি স্পট মার্কেটে গ্যাসের দাম গত ১০ বছরের মধ্যে চড়া। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাসের মূল্যহ্রাসের বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের জন্য একটি আশীর্বাদই। কারণ জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা ও জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে সারা দেশে ভাগে ভাগে স্বল্পসময়ের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন (ব্ল্যাকআউট) রাখতে হয়েছে সরকারকে। রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর গত বছরের জুনে বাংলাদেশ অধিক তরলীকৃত গ্যাস কেনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে কঠোরতার ঘোষণা দেয়। মূল্য বেড়ে যাওয়ার পর শুধু বাংলাদেশ নয়, আরও যেসব উন্নয়নশীল দেশ আছে সেগুলোও তরলীকৃত গ্যাস কেনা প্রায় বন্ধ করে দেয়। এর বদলে কয়লার মতো কমদামী জ্বালানির দিকে ঝুঁকে দেশগুলো। এছাড়া গ্রাহক ও কোম্পানির কাছে গ্যাস সরবরাহে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে কিছু দেশ। ব্লমবার্গের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। আর এ ঋণ পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ঢাকার সক্ষমতা বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের রিজার্ভ কমে যায় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে ব্লুমবার্গ। এজে/

post
বাংলাদেশ

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২ তম

বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)। বাংলাদেশের স্কোর ১ পয়েন্ট কমে ২৬ থেকে ২৫ হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে এক ধাপ অবনমন হয়েছে।বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থার প্রকাশ করা ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশের (টিআইবি) এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিপিআই অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান হতাশাজনক। এবছর সূচকে নিচের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২ এবং ওপরের দিক থেকে ১৪৭। এবার বাংলাদেশ ১০০ স্কোরের মধ্যে ২৫ অর্জন করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে এবারও বাংলাদেশের অবস্থান ও স্কোর যথারীতি বিব্রতকরভাবে আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এবার আফগানিস্তানের স্কোর ১৬ থেকে বেড়ে ২৪ হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের স্কোর ঘুরেফিরে ২৫ থেকে ২৮ এর মধ্যে রয়েছে। এর আগে দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের এক ধাপ এগিয়ে ১২তম অবস্থান থেকে ১৩তম অবস্থানে এসেছিল। আর তালিকায় উপরের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৭তম। অবশ্য দুর্নীতির এই সূচকে বা স্কোরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ এর আগের বছরের মতো একই স্কোর ছিল৷ চার বছর ধরেই একই স্কোর রয়েছে। ১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে মেট্রোরেল উদ্বোধনের পর থেকে ২৯ দিনে আয় ২ কোটি ৪৬ লাখ

গেলো বছর মেট্রোরেল উদ্বোধনের পর থেকে ২৯ দিনে টিকিট বিক্রি করে আয় হয়েছে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা । ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এন সিদ্দিক এ কথা জানান । মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সভাকক্ষে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, মূল আয় বোঝা যাবে পুরো রুট চালু হলে। এই সময়ে ৩ লাখ ৩৫ হাজার টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর উত্তরা-আগারগাঁও-উত্তরা রুটে বিরতিহীনভাবে চলাচল শুরু করে মেট্রোরেল। পরে যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় মেট্রোরেলের পল্লবী স্টেশন। এর আগে ৯ জানুয়ারি রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমটিসিএলের এমডি এম এ এন সিদ্দিক বলেছিলেন, মেট্রোরেলে বিদ্যুৎ খরচ, ব্যবস্থাপনা খরচ ও নির্মাণে যে বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয়েছে তাতে করে দৈনিক তিন কোটি টাকা আয় করতে হবে। আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ দশমিক ১২ কিলোমিটার রুট খুলে দেওয়া হবে। মেট্রোরেলের এই রুট থেকে বছরে হাজার কোটি টাকা আয় করতে হবে। তবে আমাদের যে পরিকল্পনা আছে সেই অনুযায়ী আমরা এই আয় করতে পারবো, কোনো সমস্যা হবে না।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.