post
বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশের ১৩টি এলাকা ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে’

দেশের ১৩টি এলাকা ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। ভূগর্ভস্থ ফাটল বা চ্যুতি থাকার কারণে ওই কম্পন হতে পারে। সবচেয়ে তীব্র ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা ও সিলেটের জৈন্তাপুর এলাকা। সব এলাকাই ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১০০ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু সেখানে সাত থেকে আট মাত্রার ভূমিকম্প হলে তা ঢাকায় বড় ধরনের বিপর্যয় তৈরি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন শিক্ষকের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। দেশের ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর ১০০ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে সাত থেকে আট মাত্রার ভূমিকম্প হলে তীব্র কম্পন অনুভূত হতে পারে, যা এই শহরের দুর্বল ভবনগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ঢাকার সম্প্রসারিত বা নতুন নতুন আবাসিক এলাকার মাটি নরম ও দুর্বল। এ ধরনের মাটিতে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা না মেনে বহুতল ভবন হলে তা মাঝারি মাত্রার কম্পনেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে। লালমাটির এলাকায় যেসব এক থেকে তিনতলা ভবন নির্মিত হয়েছে, সেগুলোর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। ভূমিকম্পে মানুষের মৃত্যুর ৯০ শতাংশই হয় ভবনধসে। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ভূমিকম্পগবেষক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, বাংলাদেশের ভেতরে ১৩টি ভূগর্ভস্থ চ্যুতি রয়েছে। তবে তার সব কটি ঢাকা থেকে বেশ দূরে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে মাঝারি থেকে তীব্র ভূমিকম্প হলে ঢাকায় অনেক ভবন ভেঙে পড়তে পারে। তিনি বলেন, ভূমিকম্প ছাড়াও যে ভবন ভেঙে পড়ে, তার প্রমাণ রানা প্লাজা ধস। সৈয়দ হুমায়ুন আখতার আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ঢাকার ভবনগুলোর বেশির ভাগই ইমারত নির্মাণ বিধিমালা এবং ভূমিরূপ মেনে নির্মাণ করা হয়নি। এ কারণে তুরস্কে গতকাল হয়ে যাওয়া ভূমিকম্পের চেয়ে কম মাত্রার ভূমিকম্প আরও বড় ক্ষতি হতে পারে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের হিসাবে, ঢাকা শহরে মোট ভবন আছে ২১ লাখ। এর মধ্যে ৬ লাখ ভবন ছয়তলা বা তার চেয়ে উঁচু। রানা প্লাজা ধসের পর বুয়েটের পক্ষ থেকে ঢাকার কোন ভবন কতটা ভূমিকম্পসহনশীল, তা নির্ধারণ করে তালিকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা ভবনগুলোকে লাল, মাঝারি ঝুঁকিতে থাকা ভবন হলুদ এবং ভূমিকম্প সহনশীল হলে তা সবুজ রং দিয়ে চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বুয়েট সূত্র বলছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছে দেওয়া সেই সুপারিশ মানা হয়নি। সাভারে ২০১৩ সালে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর তৈরি পোশাক কারখানাগুলোকে রেট্রোফিটিং বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে ঝুঁকি কমানো হয়। কাজটি করা হয়ে থাকে বিদেশি ক্রেতাদের চাপে। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন নিরাপদ করতে আবাসিক ও অন্যান্য ভবনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পেও ঢাকার কিছু ভবনের দেয়ালে ফাটল ও হেলে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের এক যৌথ গবেষণায় দেখা যায়, ভারতের আসামে ১৮৯৭ সালে রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ঢাকা থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে। ওই সময় ঢাকায় মাত্র ১০০টি পাকা দালান ছিল, অধিবাসী ছিল ৯০ হাজার। ওই ভূমিকম্পে আহসান মঞ্জিলসহ ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞ মেহেদী হাসান আনসারী বলেন, ঢাকায় আইন না মেনে এবং নরম মাটিতে ভবন নির্মাণ বন্ধ করা না হলে বড় বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক এবং সহ–উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালের গবেষণায় বলা হয়েছে, ঢাকা শহরের ৩০৫ বর্গকিলোমিটার এলাকার ৩৫ শতাংশ মূলত লাল মাটির ওপরে গড়ে ওঠা। এই মাটি বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য উপযুক্ত। বাকি ৬৫ শতাংশ এলাকা মূলত নদীর তীরবর্তী কাদামাটি ও বালুমাটির এলাকা। মোহাম্মদপুর, উত্তরা ও পূর্বাচল নতুন শহর এ ধরনের মাটির। বেশির ভাগ বেসরকারি আবাসন প্রকল্প মূলত নরম মাটিতে গড়ে উঠেছে। গবেষণাটিতে আরও বলা হয়, ঢাকায় ৫ থেকে ৬ মাত্রার ভূকম্পন হলে নরম মাটির ভবনগুলো ভেঙে যাওয়া বা হেলে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, ‘তুরস্কের ভূমিকম্প থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।’সূত্র- প্রথম আলো 

post
বাংলাদেশ

টানা তিন দিন দূষণের শীর্ষে রাজধানী ঢাকা

ঢাকা আজ শনিবারও দূষণের শীর্ষ অবস্থানে আছে। গত বৃহস্পতিবার ও গতকাল শুক্রবার সকালেও দূষণের শীর্ষে ছিল এ নগর। আজ সকাল ১০টায় ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ২১৪। এ পরিস্থিতি খুব অস্বাস্থ্যকর। আর ২০৩ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারতের মুম্বাই। ঢাকায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক দিন দুর্যোগপূর্ণ বায়ুর মধ্যে কাটিয়েছে নগরবাসী। জানুয়ারি মাসে মোট ৯ দিন রাজধানীর বায়ুর মান দুর্যোগপূর্ণ ছিল, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ ধারা এখনো অব্যাহত। সকাল ১০টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই-বায়ুর মান সূচক) তালিকার তৃতীয় স্থানে আছে চীনের বেইজিং—স্কোর ১৯৭। চতুর্থ অবস্থানে থাকা থাইল্যান্ডের চিয়াংমাইয়ের স্কোর ১৯৬। এরপর আছে পাকিস্তানের লাহোর—স্কোর ১৯১; চীনের উহান—স্কোর ১৮৭, নেপালের কাঠমান্ডু—স্কোর ১৭৭। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার দূষিত বাতাসের শহরের তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বায়ু কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানায়। একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর। নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—বছরের এই চার মাস ঢাকার বায়ু বেশি দূষিত থাকে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে বায়ুর মান থাকে সবচেয়ে বেশি খারাপ।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম মেলা শুরু

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর আয়োজনে শুরু হয়েছে ১১তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)। এবারের আন্তর্জাতিক এই পর্যটন মেলায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে আছে ফার্স্ট ট্রিপ। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৩। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন এই মেলায় মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি থাকছে না। অন্যরা ৩০ টাকা এন্টি ফি দিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। আন্তর্জাতিক ও দেশি এয়ারলাইন্স, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার ও হাসপাতাল অংশ নিয়েছে। তারা নিজেদের সেবার উপর বিশেষ মূল্য ছাড়সহ নানান সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া ট্যুর অপারেটররা দিচ্ছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্যাকেজ।মেলায় ৩টি হলে ১৪টি প্যাভিলিয়নসহ ১৫০টি স্টল রয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবার মেলায় দুটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক এই মেলার আয়োজন করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। এবারের মেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে ফার্স্টট্রিপ। মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই এবং বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, দেশের পর্যটন খাতের অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আমাদের দেশসহ অন্যান্য দেশে মানুষের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। টোয়াবের এই মেলা দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সদস্য শিবলুল আজম কোরেশী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ ইউনুস।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মোকাম্মেল হোসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিস্কো ডি আসিস বেনিটেজ সালাস,বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী কদর, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের, শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি শ্রীমালি জয়ারত্না, জাপান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি কেন কমিনি, জাপান ন্যাশনাল ট্যুরিজম অরগানাইজেশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর কানয়াকুমারী প্রমুখ।বিভিন্ন দেশের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়াও ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, জাপান ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্টরা অংশ নিয়েছে মেলায়।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কেন্দ্রে এই পর্যটন মেলা চলবে আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত।

post
বাংলাদেশ

৩ মার্চ শুরু হচ্ছে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’

এফ কমার্স বেইজড হোম বেকারদের অনলাইন কমিউনিটি ‘বিডি বেকার্স’ এর তত্ত্বাবধানে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।মহাখালীর এস কে এস টাওয়ার এর সেনা গৌরব হলে (লেভেল ৯) মার্চের ৩ ও ৪ তারিখ (শুক্র ও শনিবার) দুই দিনব্যাপী বেকিং এবং কেক ডেকোরেশন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।মেলায় ঘরে তৈরি হরেক রকমের কেক, ডেজার্ট ও অন্যান্য খাবার প্রদর্শন এবং বিক্রির ব্যবস্থা থাকছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা ঘরে বানানো বিভিন্ন ফ্লেভারের কেক, কুকিস, নানা রকমের মুজ, চকোলেট, ফ্রেঞ্চ স্পেশাল ডেজার্ট, হরেকরকম স্বাদের চিজকেক, নানা রকমের ব্রেড, বান, প্যাটিস থেকে শুরু করে নানা পদের দেশী বিদেশী খাবার নিয়ে আসবেন।এছাড়াও কাস্টোমাইজড কেক ডেকোরেশন শিখতে আগ্রহীদের জন্য থাকবে বেশ কয়েকটি ওয়ার্কশপ। মেলায় প্রবেশাধিকার সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও বেকিং ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ১ মার্চের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়া দেশের জনপ্রিয় কাস্টোমাইজড কেক প্রস্তুতকারকদের তৈরি ডিসপ্লে কেক নিয়ে একটি ছোট প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও থাকবে দর্শনার্থীদের জন্য।বেকিং এবং কেক সাজানোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও কাঁচামাল সরবরাহকারী বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের রকমারি পণ্যের পসরা নিয়ে থাকবে এই আয়োজনে। সেই সাথে এই বছর কফি পার্টনার হিসেবে থাকছে জনপ্রিয় কফি চেইন কফি ওয়ার্ল্ড এবং বেভারেজ পার্টনার হিসেবে সাথে থাকছে ট্রান্সকম বেভারেজ লিমিটেড।বেকিং মেলার এই উদ্যোগের আয়োজক হিসেবে রয়েছেন পুনিজ কিচেনের কর্ণধার উম্মে আকলিমা আলম (আনিকা) ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল (রুমি), মাদারস ড্রিম বেকারির কর্ণধার সুরাইয়া মান্নান, ডক্টরস বেক-এর কর্ণধার ড. শাহীন আখতার এবং বাংলা নীড এর কর্ণধার অপু সুলতান।আয়োজকদের সাথে মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আব্দুল খালেক এন্টারপ্রাইজ, প্রেস্তো বাংলাদেশ, বেইক এ কেক, দীনা’স, প্রথমা কিচেন, জাফরিন’স কিচেন, কেকস, কেকারস’ শপ, আফরিন’স কিচেন, শিম্মি’স রেসিপি, বেকারস’ ক্রাফট, বাইটস অফ ডিলাইট বাই মিথিলা, স্কুপ এন ইট, বেলারিয়া ফুডস, নিম্মি’স কেকারি বাইট, লিটল বেকার, পিয়ারী’স কিচেন, নই-নয় এবং শারমিন’স কুকশ্যাক।এছাড়া ভলান্টিয়ার পার্টনার হিসেবে থাকছেন কেক বেক এর তানজিয়া রশীদ ও এনামুল হক।

post
বাংলাদেশ

তৃতীয় শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, তৃতীয় শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে। এছাড়া ৬ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কোডিং, ডিজাইন- এগুলো শেখানো হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী স্কুল থেকেই তৈরি হয়ে আসবে। প্রতিটি পর্যায়ে বয়স অনুযায়ী সকল শিক্ষার্থী যত বিষয়ই পড়ুক না কেনো ভাষা, আইসিটি, সফট স্কিল শিখবে। ফলে,তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আর ধাক্কা খাবে না। তিনি আজ রাজধানীর আফতাব নগরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির আচার্য ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে আমরা শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করছি। প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করেছি, সেটি চালু হয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ প্রাথমিক ও পুরো মাধ্যমিকে বাস্তবায়ন হবে।' তিনি আরো বলেন, 'আমাদের শিক্ষার্থীরা আগে মুখস্থ করতো, আত্মস্থ করতে পারতো না। এখন আনন্দের মধ্যদিয়ে শিখবে। অভিজ্ঞতাভিত্তিক সক্রিয় শিখন হবে। যা শিখবে বাস্তবে তা প্রয়োগ করতে শিখবে। এতে পরীক্ষা ভীতি আর থাকবে না। পরীক্ষা কিছু থাকবে কিন্তু অধিকাংশই হবে ধারাবাহিক মূল্যায়ন। ' ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন অধ্যাপক রওনক জাহান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপার্সন সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যান্য সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান, উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক মামুন, ট্রেজারার ইশফাক ইলাহী চৌধুরীসহ শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। 

post
বাংলাদেশ

সোনালী ব্যাংকের নাম পরিবর্তন

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে ব্যাংকটির নাম হবে ‘সোনালী ব্যাংক পিএলসি’। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকের চতুর্থ বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) সোনালী ব্যাংক লিমিটেডকে সোনালী ব্যাংক পিএলসি হিসেবে অনুমোদন করেছে শেয়ারহোল্ডাররা। ফলে এখন থেকে সোনালী ব্যাংক পিএলসি নতুন নামে কার্যক্রম শুরু করবে।বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন- পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব বদরে মুনির ফেরদৌস, ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক, সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম এবং কোম্পানির সেক্রেটারি তাওহিদুল ইসলাম। জানা গেছে, সংশোধিত কোম্পানি আইন ২০২০-এ সীমিতদায় কোম্পানি সনাক্তকরণ সংক্রান্ত ১১ (ক) ধারা নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। নতুন ধারায় সীমিতদায় পাবলিক কোম্পানির ক্ষেত্রে নামের শেষে পাবলিক সীমিতদায় কোম্পানি বা পিএলসি লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ব্যাংক কোম্পানিগুলোর নামের শেষেও পিএলসি যুক্ত করতে কোম্পানির নাম ও সংঘস্মারক পরিবর্তন করতে হবে। এজন্য সোনালী ব্যাংকের নাম পরিবর্তিত করে সোনালী ব্যাংক পিএলসি করা হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে আজ থেকে ট্রেনের টিকিট কাটতে লাগবে জাতীয় পরিচয় পত্র

জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ ছাড়া ট্রেনের টিকিট নয়—আজ বুধবার থেকে রেলে এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় বিদেশি নাগরিকদের ট্রেনে ভ্রমণে পাসপোর্ট দেখিয়ে টিকিট নিতে হবে।রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে আন্তনগর ট্রেনের টিকিট কাটতে হবে। রেলের কর্মকর্তারা পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিনের মাধ্যমে টিকিট যাচাই করবেন। কেউ অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকিট কেটে ভ্রমণ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যবস্থাকে ‘টিকিট যার ভ্রমণ তার’ বলছে রেলওয়ে। টিকিট কালোবাজারি বন্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সরকারি উদ্যোগের অংশ এটি। আজ সকাল সাড়ে আটটায় কমলাপুর রেলস্টেশনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম।তবে এর মাধ্যমে অনেক যাত্রীই ট্রেনে চড়তে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন রেলেরই কোনো কোনো কর্মকর্তা। রেলের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ব্যবস্থায় যাত্রীদের হয়রানি ও কষ্ট বাড়বে। কারণ, এই ব্যবস্থায় টিকিট কাটতে হলে ১২ বছরের বেশি বয়সী দেশের জনসংখ্যার সবাইকে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটতে হলে অন্তত একটি ই-মেইল আইডি লাগবে। কারণ, ই-মেইল আইডি দিয়ে সাইন আপ ছাড়া নিবন্ধন কিংবা টিকিট কাটা যাবে না। আর যাঁরা কাউন্টার থেকে টিকিট কাটবেন, তাঁদেরও আগে থেকে নিবন্ধন থাকতে হবে। এই বিবেচনায় দেশের একটা বড় জনগোষ্ঠী টিকিট কাটার সুযোগই পাবে না।এই পদ্ধতি চালু হলে অনেক যাত্রীই ট্রেনে চড়তে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।এদিকে নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ার খবরে অনলাইন ও কাউন্টারে রেলের অগ্রিম টিকিট নেওয়ার হিড়িক পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার আগামী কয়েক দিনের কোনো টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া আগামী শনিবার পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট গতকাল বিক্রি হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত যেসব যাত্রী টিকিট নিয়েছেন, তাঁদের ওপর আগামী চার দিনের ক্ষেত্রে নতুন পদ্ধতি কার্যকর করা সম্ভব নয়। নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হতে শনিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই পদ্ধতি কার্যকর করা কঠিন হবে। কারণ, আন্তজেলা পর্যায়ে অনেক যাত্রী টিকিটই কাটেন না। আর ট্রেনে পরীক্ষা করার মতো লোকবল নেই। আগের মতো টিটিইদের বাড়তি আয়ের পথ তৈরি হবে।যাত্রীরা এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্টের মাধ্যমে নতুন ব্যবস্থায় নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। দেশের বিভাগীয় শহরের রেলস্টেশন ও আন্তনগর ট্রেনের প্রারম্ভিক স্টেশনগুলোতে সর্বসাধারণের নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য একটি করে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

post
বাংলাদেশ

মিঠামইন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের হাওর–অধ্যুষিত উপজেলা মিঠামইন যাচ্ছেন। তাঁর সফর উপলক্ষে উৎসব ও ধুমধাম করে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জবাসী এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি আজ সকালে মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসের উদ্বোধন করবেন। আজ বিকেলে মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে তিনি উপজেলার কামালপুরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের জন্মস্থান পরিদর্শন করবেন। আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে শুধু কিশোরগঞ্জের মিঠামইন নয়, পুরো হাওরাঞ্চলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, ‘১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে এলে হেলিপ্যাড থেকে জনসভার মাঠে যাওয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে দুটি রিকশা আনা হয়। কিন্তু রাস্তার জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে রিকশায় চড়ে সামনে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় কিছুক্ষণ পর তাঁকে রিকশা থেকে নামতে হয়। সে সময় রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। প্রধানমন্ত্রী গত ১৪ বছরে যে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করেছেন, তা আমাদের কল্পনার বাইরে!’ রাষ্ট্রপতির ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, হাওর অঞ্চলে সেতু, কালভার্ট, রাস্তাসহ ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করায় এ অঞ্চলের মানুষ আর বঞ্চিত থাকবে না। কিশোরগঞ্জের জলাশয়ের ওপর দিয়ে এলিভেটেড হাইওয়ে বাস্তবায়িত হলে হাওরাঞ্চলের দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জের মানুষ উৎসাহ ও অধীর আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে। সমগ্র জেলা ও অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ শেখ হাসিনাকে দেখতে সমাবেশে যোগ দেবে। হাওর অঞ্চলের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সত্যিই ঋণী, কারণ তিনি এ অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন।’

post
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে থাকছে হাওরের ২৩ জাতের মাছ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের গ্রামের বাড়িতে আজ মঙ্গলবার অতিথি হয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাওরের মিঠাপানির ২৩ জাতের মাছ আর অষ্টগ্রামের বিখ্যাত পনির দিয়ে তাঁকে আপ্যায়ন করা হবে। সঙ্গে থাকবে মুরগি, হাঁস, খাসি ও গরুর মাংস এবং নানা জাতের পিঠা। রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মো. রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, বড় মাছের মধ্যে থাকবে আইড়, রুই, কাতলা, বোয়াল, চিতল ইত্যাদি। বঙ্গভবনের বাবুর্চি ও পরিবারের নারীরা মিলে খাবারের আয়োজন করছেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিজ বাড়িতে স্বাগত জানাতে এক দিন আগেই গতকাল সোমবার বিকেলে মিঠামইন পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সঙ্গে আছেন তাঁর স্ত্রী রাশিদা হামিদসহ পরিবারের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে মিঠামইনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসে পৌঁছান। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সেনানিবাসের উদ্বোধন ও পতাকা উত্তোলন করবেন। এরপর তিনি যাবেন রাষ্ট্রপতির কামালপুরের গ্রামের বাড়িতে। সেখানে তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কয়েকজন সফরসঙ্গীকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেলে মিঠামইনে সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে দূরদূরান্ত থেকে নেতা-কর্মীরা রাত থেকেই আসতে শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বহু দৃষ্টিনন্দন তোরণ। জনসভার জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশাল আকারের নৌকার আদলের মঞ্চ।

post
বাংলাদেশ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। রোববার রাজধানীর ডিআরইউতে আয়োজিত পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে শহিদ হওয়া সেনাদের স্মরণে বিএনপির আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের অস্তিত্ব সংকটে, বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে এ সরকার। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই বলেই সরকারের মন্ত্রীরা দায়িত্বহীন বক্তব্য দিচ্ছেন। জনগণের চোখের ভাষা পড়ুন, তারা এ সরকারের পরিবর্তন চায়। তিনি বলেন, এ সরকারের সঙ্গে রাজপথেই ফায়সালা হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধ, ইতোমধ্যে রাজপথে নেমেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার না আসবে, ততক্ষণ কোনো নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, যখনই তারা সরকারে এসেছে বেআইনিভাবে আসুক আর যেভাবে আসুক আবার জবরদখলভাবে আসুক, তখনই এ দেশের বড় ক্ষতি হয়েছে। ১৯৭২ সালে এবং ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল; ঠিক তখন একই কায়দায় আওয়ামী লীগ এ দেশের সর্বনাশ করেছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.