post
বাংলাদেশ

স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে নারীর অন্তর্ভুক্তি এবং ভূমিকা নিয়ে সফটএক্সপোতে বিশেষ সেমিনার

দেশের সফটওয়্যার ও সেবা পণ্য নির্মাতাদের সংগঠন বেসিস “ওয়েলকাম টু স্মার্টভার্স “ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করতে যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩। চার দিনের এই প্রদর্শনীতে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা, সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।বেসরকারিভাবে আয়োজিত এবারের প্রদর্শনী রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।সেই প্রদর্শনী উপলক্ষে থাকছে নানান আয়োজন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেশে প্রযুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন সেক্টরের সফল নারী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, অভিনেত্রীকে নিয়ে হবে একটি বিশেষ সেমিনার। এই সেমিনার নিয়ে এরই মধ্যে নেটিজেনদের মাঝে বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা দেখা গেছে। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নারীর অন্তর্ভুক্তিকে এখানে বড় করে দেখানো হয়েছে। যুক্তিতে নারী এবং স্মার্ট বাংলাদেশে নারীর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে ২৩ ফেব্রুয়ারি মেলা প্রাঙ্গনে লিডারদের নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারের বিষয় ইনক্লুসন অব ওমেন ইন স্মার্ট বাংলাদেশ। সেমিনারটি বেসিস ও বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডাব্লিউআইটি) যৌথভাবে আয়োজন করছে। দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী এখন আইসিটি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যার হার দিন দিন বাড়ছে। এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি এ খাতে। বেসিস এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বেসিসের নারী সদস্যদের নিয়ে তৈরি করেছে শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম বেসিস ওমেন’স ফোরাম। নারীর ক্ষমতায়নে এই প্ল্যাটফর্মটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তারই ধারাবাহিকতায় আয়োজন করা হয়েছে ইনক্লুসন অব ওমেন ইন স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনার।প্রযুক্তিতে মহিলাদের জন্য প্রশিক্ষণ, শিক্ষার জন্য অনেক সহায়তা সংস্থা রয়েছে। ডেটা অ্যানালাইসিস থেকে শুরু করে সাইবার-নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ-সহ প্রযুক্তিতে মেয়েরা এমন একটি ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারে যা তাদের অগ্রগতির সুযোগ তৈরি হয়।কারা থাকছেন সেমিনারে সে তালিকায় একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন নারী শক্তির অন্যতম সাহসিকা নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিন আখতার। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব ওমেন -এর উপাচার্য ড. রুবানা হক, স্বনামধন্য ব্যারিস্টার ও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা নিহাদ কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটিকস ও মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল, তরুণ উদ্যোক্তা ও বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজির সভাপতি ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা রেজওয়ানা খান, বিশিষ্ট অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন, ডাটা অ্যানাইলসিস প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জারা জাবিন মাহবুব, তরুণ উদ্যোক্তা ও বেসিসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সামিরা জুবেরি হিমিকা। আলোচকরা এই তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাশাপাশি তাদের নিজের অভিজ্ঞতা জানাবেন। তারা নিজেরা কিভাবে আজ এই পর্যায়ে এলেন, কী কী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে, চারপাশের সাপোর্ট কিভাবে পেয়েছেন, বা আদৌ পেয়েছিলেন কিনা, প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে কাজ করে আজ সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন তা আমন্ত্রিত শ্রোতা দর্শকের সামনে তুলে ধরবেন।ফ্যাসিলিটেসন এবং কন্সাল্টেন্সি প্রতিষ্ঠানের চিফ ইন্সপিরেশন অফিসার ডন সামদানি সঞ্চালনায় সফটএক্সপোর প্রথম দিনে বেলা ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই সেমিনার অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ইতোমধ্যেই নিবন্ধন করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সংযুক্ত বহু নারী উদ্যোক্তা, পেশাজীবি এবং শিক্ষার্থী।

post
বাংলাদেশ

কার্যাদেশের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা: এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন

কার্যাদেশের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা। এ বিষয়ে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং থিংকবিজ সলিউশন ট্রেডেক্স)। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ এসএমই ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে এসএমই ফাউন্ডেশন ও থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স) এর উদ্যোগে আয়োজিত ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স বিষয়ে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ফাইন্যান্সার ও সাপ্লায়ার ম্যাচমেকিং ও মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জিন্নাত রেহানা, প্রশাসক (যুগ্মসচিব), বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসর্স এসোসিয়েশন (বাপা) এবং ড. এম মাসরুর রিয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডএক্স অনলাইন)। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক নাজিম হাসান সাত্তার। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহ উদ্দিন মাহমদু এবং মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ (এমএসএমই) একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় এসএমই খাত উন্নয়নে বিভিন্ন ধরণের ঋণ সহায়তা (প্রচলিত ব্যাংক ঋণ) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাগণের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ গ্রহণের প্রক্রিয়াটি সহজ নয়। ঋণ প্রাপ্তির পর পণ্য তৈরি করে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ‘ট্রেড রিসিভেবল’ সমূহের বিপরীতে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াটি সহজ ও স্বয়ংক্রিয় নয়। তাছাড়া ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল নিয়েও উদ্যোক্তাবৃন্দ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী এবং জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা হিসেবে 'ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স' শিল্প খাতে বিশেষত এসএমই খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।উল্লেখ্য, কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান তার বকেয়া বিল ডিসকাউন্ট/কমিশনে দেনাদার ব্যতীত তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে বিক্রি করাকে ফ্যাক্টরিং বলে। মূলত: কোন পণ্য উৎপাদনকারী বা সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোন অর্ডারের বিপরীতে পণ্য বা সেবা প্রস্তুতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন ঘাটতি মেটানোর জন্য অর্ডারটি তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট কমিশনে বিক্রি করে তহবিল সংগ্রহ করার পদ্ধতিই হলো ফ্যাক্টরিং। চলতি মূলধন সংকট লাগবের লক্ষ্যে অর্ডার দাতা এবং পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত তৃতীয় কোন পক্ষের নিকট হতে তহবিল সংগ্রহের জন্য ফ্যাক্টরিং উন্নত দেশে একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স একটি জামানতবিহীন অর্থায়ণ প্রক্রিয়া, যা বিলম্বিত পরিশোধের শর্ত এবং চেকের মাধ্যমে পরিশোধ ব্যবস্থা থাকলে যে কোনো পন্য বা সেবা উৎপাদনকারী গ্রহণ করতে পারে। বৈধ কাগজপত্র যেমন ট্রেড লাইসেন্স, এনআইডি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বিক্রয় ডাটাসহ দেনাদারের তথ্য দিয়েই যে কোনো প্রতিষ্ঠান সহজে এ সেবা নিতে পারে। ‘ফ্যাক্টরিং’ এর সাথে এলসি এর মূল পার্থক্য হলো ‘এলসি’ একটি পেমেন্ট পদ্ধতি আর ‘ফ্যাক্টরিং’ এর মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষ হতে মূলধন জোগান করা হয়। স্বল্প মেয়াদী এবং জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা হিসেবে 'ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স' শিল্প খাতে বিশেষত এসএমই খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয় এলসির মাধ্যমে। কিন্তু এলসি পদ্ধতিতে বাণিজ্য করা সময়সাপেক্ষ ও জটিলতানির্ভর। তাছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) ব্যবসায়ীদের জন্য এলসি পাওয়া আরো কঠিন। এক্ষেত্রে ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স একটি বিশেষ বিকল্প হতে পারে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের এক প্রতিবেদনে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় রফতানি খাতে অর্থের প্রবাহ বাড়াতে ফ্যাক্টরিং প্রক্রিয়াকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।এসএমই ফাউন্ডেশন এবং থিংকবিগ সলিউশনস এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাইলট আকারে থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স) -কে ১৮ জানুয়ারি ২০২২ লোকাল ফ্যাক্টরিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করার অনুমোদন প্রদান করা হয়। ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স কার্যক্রমের প্রচার ও প্রসারে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২১ ডিসেম্বর ২০২২ এসএমই ফাউন্ডেশনের সাথে থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স)-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্পোরেট, ফাইন্যান্সার ও সাপ্লায়ার ম্যাচমেকিং এবং ফাইন্যান্সিং কর্মসূচিতে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, এসএমই চেম্বার/অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, এসএমই উদ্যোক্তাবৃন্দ এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

'বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই আমরা ভাষা আন্দোলনে, মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করেছি'

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তানিরা বারবার বাংলার ওপর আঘাত হেনেছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এতোবার সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসেনি। আজ (সোমবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত একুশে পদক ২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামে একটি দেশের সৃষ্টি হয়, যারা পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। একসময় তারা আমাদের সংস্কৃতিতে আঘাত হানে। আমাদের ওপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেয়। করাচিতে এক আলোচনায় তারা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে প্রবল আন্দোলন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৩ সালে প্রথম ভাষা শহীদ দিবস পালন করা হয়। আরমানিটোলায় এক সভায় এ দিবস পালনের দাবি তোলা হয়। এরপর ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। এরপরেও পাকিস্তানিরা থেমে থাকেনি। তারা তখন উর্দু হরফে বাংলা লেখার নিয়ম করে, আরবি হরফে বাংলা লেখার নিয়ম করে। রবীন্দ্রনাথের গান নিষিদ্ধ করে। যার প্রতিবাদে ছাত্রসহ সবাই রাজপথে নেমে আসে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই আমরা ভাষা আন্দোলনে, মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করেছি। ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমাদের এ আন্দোলন ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন। শেখ হাসিনা বলেন, একটা সময় আমাদের দেশে জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলা হয়েছিল। সেসময় অনেকে বলেছেন, শেখ মুজিব তো আন্দোলন করেননি, জেলে ছিলেন। কিন্তু তিনি তো ভাষা আন্দোলনের জন্যই কারাবরণ করেছেন। সরকারপ্রধান বলে ,মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছর ক্ষমতায় ছিলেন। এই সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই তিনি সবার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে নির্মম হত্যার ২১ বছর পর আমরা ক্ষমতায় আসি। এক দফার পর পরবর্তীতে তিন দফায় ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য ২০৪২ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ে তোলা। আমরা বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যারা একুশে পদক পেয়েছেন সবাইকে আমার অভিনন্দন। এমন আরও অনেকেই আছেন, যাদের নাম আমরা জানি না। তাদের অবদানকে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এগিয়ে যায়। এর আগে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৩’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

post
বাংলাদেশ

১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯ বিশিষ্টব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠান চলতি বছর (২০২৩) একুশে পদক পেয়েছেন। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক তুলে দেন।এবার ভাষা আন্দোলনের তিনজন, শিল্পকলায় আটজন, শিক্ষায় এক ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় এক ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান এবং রাজনীতিতে দুজন একুশে পদক পেয়েছেন।এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে একজন, সাংবাদিকতায় একজন, গবেষণায় একজন এবং ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে একজনকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে।বিজয়ীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নিজ নিজ পদক নেন এবং মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ীদের পক্ষে তাদের পরিবারের সদস্যরা নেন।‘ভাষা আন্দোলন’ ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদক পেয়েছেন খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মো. মজিবর রহমান। শামসুল হকের ছেলে এ কে এম দিদারুল হক পদক গ্রহণ করেন।‘শিল্পকলা’ ক্ষেত্রে পদক পেয়েছেন- মাসুদ আলী খান (অভিনয়), শিমুল ইউসুফ (অভিনয়), মনোরঞ্জন ঘোষাল (সংগীত), গাজী আব্দুল হাকিম (সংগীত), ফজল-এ-খোদা (সংগীত) (মরণোত্তর), জয়ন্ত চট্টপাধ্যায় (আবৃত্তি), নওয়াজীশ আলী খান, কনক চাঁপা চাকমা (চিত্রকলা)।ফজল-এ-খোদার পক্ষে তার সহধর্মিণী মাহমুদা সুলতানার কাছে পদক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।‘শিক্ষা’ ক্ষেত্রে পদক পেলেন অধ্যাপক ড. মাযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর)। জাতীয় জাদুঘরকেও এ ক্যাটাগারিতে পদক দেওয়া হয়েছে। মাযহারুলের পক্ষে তার ছেলে চয়ন ইসলাম পদক নেন। জাতীয় জাদুঘরের পদক গ্রহণ করেন মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।‘সমাজসেবা’য় পদক পেয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। মো. সাইদুল হকও ‘সমাজসেবা’য় একুশে পদক পেয়েছেন। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষে কিশোর কুমার দাস প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন।অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর) এবং আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) ‘রাজনীতি’ ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পেয়েছেন। মঞ্জুরুল ইমামের পক্ষে ছেলে আব্দুল্লাহ হারুন এবং আকতার উদ্দিন মিয়ার ছেলে পদক নেন।

post
বাংলাদেশ

গুলশান কার্যালয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন মহাসচিব। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শায়রুল জানান, ইউনাইটেড হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক অধ্যাপক মুমিনুজ্জামানের অধীনে মির্জা ফখরুলকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন ধরে মির্জা ফখরুলের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। কিছুদিন আগে তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরেন। বিএনপি মহাসচিব তখন চিকিৎসা নিয়েছেন সিঙ্গাপুর সুপ্রিম ভার্সুলার অ্যান্ড আন্তর্জাতিক ক্লিনিকে। 

post
বাংলাদেশ

রাজধানীর গুলশানে আগুন, ১ জনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর গুলশানে আগুনের ঘটনায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। লাফিয়ে পড়ে ওই ব্যক্তির (৩০) মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক। নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।রোববার রাত ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গুলশানের আগুনের ঘটনায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি, জানার চেষ্টা চলছে।এদিকে, আগুন লাগা আবাসিক ভবন থেকে এখন পর্যন্ত ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আটকেপড়া অন্যদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। উদ্ধার করা ৬ জনের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৩ জন নারী।১২ তলা আবাসিক ভবনটিতে রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট।আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে উৎসুক জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করেন।এ সময় ডিএনসিসি মেয়র হ্যান্ড মাইক দিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে কাজের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং পুলিশকে ঘটনাস্থল থেকে সবাইকে সরানোর জন্য নির্দেশ দেন।এদিকে ভবনে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কালক্ষেপণ করায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের ওপর চড়াও হয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন আগুনে আক্রান্তরাওই ভবনের নিচে থাকা সুলেমান চৌধুরী নামের একজন ঢাকা পোস্টকে জানান, তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ফোন দিয়ে জানিয়েছেন, ‌‘ভাইয়া আমি ১১ তলায় আটকে পড়েছি। আমার সঙ্গে আরও মানুষ আছে। দ্রুত লোক পাঠিয়ে আমাদের বাঁচান, প্লিজ।’তিনি জানান, তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ভবনটির পাঁচ তলায় থাকেন। সঙ্গে তার স্বামীও থাকেন। কিন্তু তার স্বামী বর্তমানে বিদেশ রয়েছেন। ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পেশায় একজন চিকিৎসক। সুলেমান চৌধুরী বলেন, কিছুক্ষণ আগে ফোন করে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জানান, আগুন লাগার সময় তিনি বাসায় ৫ম তলায় ছিলেন। আগুন লাগার পর ধোঁয়ার কারণে নিচে নামতে পারেননি। জীবন বাঁচাতে ওপরে চলে গেছেন।এদিকে ঘটনাস্থলে কর্মরত ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত ভেতর থেকে ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে।

post
বাংলাদেশ

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা আর নেই

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা রোববার রাতে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, নাজমুল হুদা অনেক দিন ধরে উচ্চ রক্তচাপসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। গত শুক্রবার হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে ঢাকার পান্থপথে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।নাজমুল হুদা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁকে তথ্যমন্ত্রী করা হয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে যোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলা হয়।২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর নাজমুল হুদা সেই সরকারের সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি করেন। একপর্যায়ে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন এবং বিএনপিও তাঁকে বহিষ্কার করে। পরে তিনি একাধিক রাজনৈতিক দল গঠন করেন। সর্বশেষ তৃণমূল বিএনপি নামে একটি নতুন দল প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। দলটি উচ্চ আদালতের নির্দেশে কয়েক দিন আগে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেয়েছে।

post
বাংলাদেশ

কার বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় শবনম বুবলী ?

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে অপু বিশ্বাসের দ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে এসেছে।বুবলী লিখেছেন—আমার পারিবারিক শিক্ষা আমাকে কখনো দুমুখো সাপের আচরণ করতে শেখায়নি। সুবিধাবাদী হতে শেখায়নি, ধর্ম নিয়ে একেকবার একেক মিথ্যা কথা বলে সাধারণ জনগণের আবেগ নিয়ে খেলা করে বোকা বানাতে শেখায়নি। গিরগিটির মতো রঙ বদলাতে শেখায়নি। কাউকে ছুরি মেরে পরক্ষণেই নিজের কোনো সুবিধা হবে ভেবে সেই ছুরি মারা জায়গায় ব্যান্ডেজ করতে শেখায়নি। বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে নানান টকশোতে অপমান করে কথা বলে নির্লজ্জের মতো হাসতে শেখায়নি। মানুষকে অসম্মান করতে শেখায়নি, হিংসা শেখায়নি, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিতে শেখায়নি। কাউকে নানান অপমান করে আবার নিজের স্বার্থে সময় বুঝে প্রশংসা করতে করতে মুখে ফেনা তুলতে শেখায়নি। বাস্তবজীবনেও অভিনয় করতে শেখায়নি। তাই আমি হয়তো আপনাদের অনেকের সঙ্গে ইনিয়ে-বিনিয়ে নাটক করতে পারি না।’ ‘আমি একটি কথা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই। কারও নোংরা ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারে আমাকে নিয়ে বা আমার ব্যক্তিজীবন নিয়ে কেউ কোনো বেফাঁস মন্তব্য করলে বা কোনো ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলার চেষ্টা করলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে আমি দেশের প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কারণ আমি দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’ তিনি আরও লেখেন— ‘কিছু দিন পর পর যে ব্যক্তি এসব নোংরা খেলা শুরু করে বা যাদেরকে দিয়ে করায় তাদের সব কিছু সোশ্যাল মিডিয়া, পত্রিকা ও ইউটিউবে রয়েছে, যা ডকুমেন্ট হিসেবে যথেষ্ট এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।’ বুবলী লিখেছেন— ‘এসব নোংরামি পাত্তা দেওয়ার রুচি থাকে না বলেই এসব নিয়ে আমার কথা বলা হয় না; কিন্তু চুপ থাকাকে যদি সে বা তারা সুযোগ পাওয়া মনে করে, তা হলে তা হবে তাদের চরম ভুল...।’ সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে বুবলীকে খোঁচা দিয়ে কথা বলেছেন অপু। তার পারিবারিক শিক্ষা নিয়েও কথা বলেছেন। এতেই চটেছেন বুবলী। শুধু মামলা করবেন বলেই ক্ষান্ত হননি। এর উত্তরও পোস্টে দিয়েছেন বুবলী। এর আগে সংবাদমাধ্যমকে অপু বলেছিলেন, ‘পৃথিবীতে আমার কাছে সব সন্তানই পবিত্র। সব বাচ্চাই আমার স্নেহের। সন্তানের মানসিক বিকাশের জন্য পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে পারিবারিক শিক্ষা অতিজরুরি, দরকার। মানুষের সঙ্গে আচার-আচরণ কেমন হবে, আমি আমার বাচ্চাকে সেই শিক্ষা দিচ্ছি। তিন লাইনের বার্তায় সেটিই প্রকাশ করেছি আমি।’ এ ছাড়া বুবলীকে ইঙ্গিত করে সমালোচনা করেন অপু। তার পরই অপুর নাম না নিয়ে নিজের ফেসবুকে উত্তর দেন বুবলী। এজে/

post
বাংলাদেশ

চলতি অর্থবছরে ৯৬৭ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

জরুরি পণ্য আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রাবাজার পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে মোট ছয় কোটি ৪০ লাখ ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ৯৬৭ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে।এর আগে এত কম সময়ে কখনো এত ডলার বিক্রির প্রয়োজন হয়নি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ৯২০ কোটি বা ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে কখনো এত পরিমাণ ডলার বিক্রির প্রয়োজন হয়নি। অন্যান্য বছরে বিভিন্ন ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনে সংগ্রহ রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে বিক্রি করেছিল ৭৬২ কোটি ডলার।এভাবে ডলার বিক্রির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩২ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকে হিসাব করলে রিজার্ভ এখন ২৪ বিলিয়নের কিছু বেশি। গত বছরের এ সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৫ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে কমেছে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার।তবে সুখবর দিচ্ছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স। এ দুই ধারা এখন ইতিবাচক। এর বিপরীতে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে আমদানি কমছে। চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে তিন হাজার ২৪৫ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় হয়েছে, যা প্রতি মাসে গড়ে ৪৬৪ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় হয়েছে। নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে গড়ে ৫২০ কোটি ডলার রপ্তানি হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মালিপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায় নি। ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিবুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.