post
বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির তুলনা চলে না: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপি নিজেরা নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র মানে না, নিয়ম মানে না, আইন মানে না। সেই দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। যারা দুই বড় দল বলেন, তারা ভুল করেন। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের সংগঠন।’আজ শনিবার দুপুরে গোপালঞ্জের কোটালীপাড়ায় আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘এখানে একটা কথা বলতে চাই, ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ সিটের মধ্যে পেয়েছিল ৩০ সিট। আওয়ামী লীগ মহাজোট করেছিল। বিএনপির ছিল ২০ দলীয় জোট। বিএনপির নেতৃত্বে পেল ৩০ সিট, আর বাকিগুলো আওয়ামী লীগ। তাহলে দুই দল এক পর্যায়ের হয় কীভাবে? বিএনপির আমলে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা, দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন...ওরা মানুষকে কিছু দেয়নি, লুটপাট করে বিদেশে নিয়ে গেছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘এমন একটা রাজনৈতিক দল, তারা নিজেদের গঠনতন্ত্র মানে না। বিএনপির গঠনতন্ত্রে আছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামি দলের নেতা হতে পারে না। খালেদা জিয়া ও তার ছেলে দুজনই সাজাপ্রাপ্ত আসামি। আর ছেলেকে বানিয়েছে...যে আবার ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, তারা সে দলের নেতা। নিজেরা নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র মানে না, নিয়ম মানে না, আইন মানে না। সেই দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। যারা দুই বড় দল বলেন, তারা ভুল করেন। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের সংগঠন।’ গোপালগঞ্জবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ওয়াদা করেছিলাম, সব ঘর আলোকিত করব। আজ বাংলাদেশের সব জায়গায়, সব ঘরে আমরা বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি। এখন বিশ্ববাজারে তেলের দাম, গ্যাসের দাম, সবকিছুর মূল্য বেড়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাই আপনারা সাশ্রয়ী হবেন। বিদেশে এমনকি লন্ডনেও প্রায় দেড়শ ভাগ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। আমরা কিন্তু যে টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি, তার অর্ধেক মূল্যে দিচ্ছি মানুষের কাছে। আর সেচ কাজের জন্য আমরা ২০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে দিচ্ছি। পাশাপাশি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে যেন সেচ কাজ হয়, সে পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘তবে যে কথা দিয়েছিলাম—ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেব, সব ঘর আলোকিত করব, সেটা আল্লাহর রহমতে করতে পেরেছি। আপনারাই সে শক্তি দিয়েছেন।’ এর আগে আজ শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে কোটালীপাড়ার তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভার মঞ্চে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগেই জনসভাস্থল মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দলের প্রতীক নৌকার আদলে তৈরি করা হয়েছে জনসভার মঞ্চ। এ জনসভায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের সমাগম হওয়ার আশাপ্রকাশ করেন নেতাকর্মীরা। জনসভাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয় পুরো জেলা। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে কোটালীপাড়া উপজেলায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে জনসভাস্থল। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে কোটালীপাড়া-ভাঙ্গারহাট রোডের বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে তোরণ। নেতাকর্মীদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এজে/

post
বাংলাদেশ

বরিশাল বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২৩

এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে বরিশালে 'বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২৩' উপলক্ষ্যে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব জাহিদ ফারুক এমপি। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদ সদস্য এনায়েত হোসেন চৌধুরী। এছাড়াও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান, বরিশাল রেঞ্জ এর ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ এর বিপিএম (বার) কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান।মেলায় ৬০টি স্টলে ৬০ জন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত শুধু দেশীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয় করবেন। ফ্যাশন ডিজাইনের পাশাপাশি হস্তশিল্প, হোম ডেকর প্রোডাক্ট, লাইট ইন্জিনিয়ারিং, আইটি, মৃৎ শিল্প, অর্গানিক পণ্য, কসমেটিকস জুয়েলারি, খাদ্য পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাতপণ্য, শীতল পাটি, ফুড প্রসেসিংসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্য থাকছে এবারের বরিশাল এসএমই মেলায়।  সাতদিন ব্যাপী চলেছে এই মেলা, যা ছিল সকলের জন্য উম্মুক্ত।উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে প্রথম ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’ রাজশাহীতে আজ ১২-১৮ জানুয়ারি ২০২৩ আয়োজন করা হয়। আগামী ১৪-২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সিলেটে এবং পরবর্তীতে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং খুলনায় ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশনের।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২৩-এর সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। মেলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: * ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় ও বাজার সম্প্রসারণ। * এসএমই উদ্যোক্তাদের পারষ্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, যোগাযোগ ও সেতু বন্ধন তৈরিতে সহায়তা। * এসএমই উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের মাঝে পারষ্পরিক সম্পর্ক স্থাপন।* পণ্য উৎপাদন ও সেবা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভোক্তাসহ বিভিন্ন মহলের সৃজনশীল মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ। ১০ম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২২-এর সফল সমাপ্তির পর চলতি অর্থবছরে দেশে ৬টি ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’ আয়োজন করবে এসএমই ফাউন্ডেশন।

post
বাংলাদেশ

খালেদা জিয়া রাজনীতি করতে পারবেন কিনা, যা বললেন মন্ত্রী

খালেদা জিয়ার রাজনীতি করা নিয়ে শর্তের ব্যাপারে ভিন্ন বক্তব্য দিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এর আগে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির ক্ষেত্রে রাজনীতি করা নিয়ে কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি। তিনি রাজনীতি করতে পারবেন তবে নির্বাচন করতে পারবেন না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ও স্বাস্থ্য বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে কারাগারের বাইরে ঘরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই শর্ত অনুযায়ী, তিনি রাজনীতি করতে পারেন না। খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে রাজনীতি নিয়ে শর্ত ছিল কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে শর্তে তাকে ঘরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেই শর্তে তিনি রাজনীতি করতে পারবেন এমন কথা নেই। শর্তে বলা আছে, তিনি ঘরে থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নেবেন না। সুতরাং তার রাজনীতি করতে পারার কথা নয়। কেউ যদি বলে থাকে সেটা বলতে পারেন। আমি ইতোমধ্যে খোঁজখবর নিয়েছি, শর্ত অনুযায়ী তিনি বাসায় থাকতে পারবেন, চিকিৎসা নিতে পারবেন কিন্তু তিনি রাজনীতি করতে পারার কথা নয়।

post
বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলন থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যখনই যে কাজ করেছেন তখনই ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান আছে সেটি স্পষ্ট। যদি এই তথ্যগুলো আমরা বের না করতাম আর জাতির পিতার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ যদি বের না হতো তাহলে... ভাষা আন্দোলন থেকে তাকে তো মুছেই ফেলা হয়েছিল। নামটাই মুছে ফেলা, এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য। বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের অনেক তথ্য আপনারা পাবেন, বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা যেসব রিপোর্ট দিয়েছিল সেখানে। আমি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে সমস্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করি। সেগুলো কপি করে আমাদের কাছে রাখি। আমাকে সহযোগিতা করে আমার বান্ধবী বেবী মওদুদ। প্রায় ২০টা বছর আমরা এর ওপরে কাজ করি, প্রত্যেকটা ফাইল আমরা দেখি। দ্বিতীয় বার যখন আমি ক্ষমতায় আসি, তখন সিদ্ধান্ত নিই এগুলো প্রকাশ করব। পৃথিবীতে কোনো নেতার ওপর কোনো রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। আমাদের এই রিপোর্টটাই সর্বপ্রথম আমি প্রকাশ করলাম। তিনি আরও বলেন, আমি অনেক নেতার ফাইল এনেছি, দেখেছি। কারও হয়তো একটা ফাইলের বেশি কিছু নেই। আর এখানে ৪৮টি ফাইল, ৪৬ হাজার পৃষ্ঠা। আমি যখন এটার এডিট করি, অনেক কিছু বাদ দিয়ে মূল যে তথ্যগুলো সেখানে নিয়ে এসেছি। তাতেও ১৪ খণ্ড হচ্ছে। ১১ খণ্ড ইতোমধ্যে ছাপা হয়ে গেছে। ১২ নম্বরটাও ছাপতে দেওয়া হয়েছে। ১৩ নম্বরটা এডিট করে দিয়ে দিয়েছি, আর ১৪ নম্বরটা করব। ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান সেই কথাটা কিন্তু স্পষ্ট এখানে আছে। যদি এই তথ্যগুলো আমরা বের না করতাম, আর জাতির পিতার লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী যদি বের না হতো তাহলে... তাকে তো ভাষা আন্দোলন থেকে মুছেই ফেলা হয়েছিল। আলোচনা সভার শুরুতে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, চিলচ্চিত্রের অভিনেতা নায়ক ফেরদৌস আহমেদ, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ হুমায়ুন কবির। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।

post
বাংলাদেশ

পেপারটেক এক্সপো ২০২৩

কাগজশিল্পের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর জন্য ঢাকায় পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে পেপারটেক এক্সপো। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পেপার মিলস্ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমএ) সভাপতি আহমেদ আকবর সোবহান। ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ওমান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইতালি, মিসর, জার্মানি, তাইওয়ান, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ফিনল্যান্ড ও তুরস্কের দেড় শতাধিক কোম্পানি পেপারটেক এক্সপোতে অংশ নিচ্ছে। ফরিদ প্রোডাক্টস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদ আহমেদ বলেন, 'আমরা বিভিন্ন মেশিনারিজ নিয়ে কাজ করি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আমরা মেশিন স্থাপন করেছি। আমাদের দেশের পেপার একদিন রপ্তানি হবে সেই লক্ষ্যে কাজ করছি৷ আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড সবার সামনে তুলে ধরার জন্য এই এক্সপোতে অংশ নিয়েছি।'এক্সপোতে বিভিন্ন পেপার আইটেম নিয়ে অংশ নিয়েছে ইউনুস গ্রুপ। ইউনুস গ্রুপের বিপণন বিভাগের প্রধান সুমন তারেক বলেন, 'ইউনুস গ্রুপ খুবই সুনামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। এই এক্সপোতে আমরা আমাদের দেশীয় পেপার এর সাথে পরিচয় করাতে এসেছি এবং আমরা চাই পেপার সেক্টরেও বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাক।'এক্সপো প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন জানান, ‘ঢাকাসহ বাংলাদেশের কাগজশিল্পের সব ধরনের শিল্প ইন্ডাস্ট্রির ওপর ভিত্তি করেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন। প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের কাগজ ইন্ডাস্ট্রিকে আরও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বমানের কাগজ উৎপাদনে সক্ষম করা। বর্তমানে বাংলাদেশে পেপার মিলস্, টিস্যু মিলস্, প্যাকেজিং, কনভার্টিং, প্রিন্টিং, পেপার কেমিক্যালসসহ আরও বিভিন্ন মাঝারি ও ভারী শিল্প আছে। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এই প্রদর্শনীতে উপস্থাপন করা হবে কাগজশিল্পের সব ধরনের মেশিনারিজ, উপকরণ ও পণ্য।’ ১৬ দেশের দেড় শতাধিক কোম্পানি অংশ নিচ্ছে এবার প্রদর্শনীতে। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী হয়েছে। 

post
বাংলাদেশ

স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে নারীর অন্তর্ভুক্তি এবং ভূমিকা নিয়ে সফটএক্সপোতে বিশেষ সেমিনার

দেশের সফটওয়্যার ও সেবা পণ্য নির্মাতাদের সংগঠন বেসিস “ওয়েলকাম টু স্মার্টভার্স “ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করতে যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩। চার দিনের এই প্রদর্শনীতে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা, সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।বেসরকারিভাবে আয়োজিত এবারের প্রদর্শনী রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।সেই প্রদর্শনী উপলক্ষে থাকছে নানান আয়োজন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেশে প্রযুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন সেক্টরের সফল নারী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, অভিনেত্রীকে নিয়ে হবে একটি বিশেষ সেমিনার। এই সেমিনার নিয়ে এরই মধ্যে নেটিজেনদের মাঝে বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা দেখা গেছে। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নারীর অন্তর্ভুক্তিকে এখানে বড় করে দেখানো হয়েছে। যুক্তিতে নারী এবং স্মার্ট বাংলাদেশে নারীর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে ২৩ ফেব্রুয়ারি মেলা প্রাঙ্গনে লিডারদের নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারের বিষয় ইনক্লুসন অব ওমেন ইন স্মার্ট বাংলাদেশ। সেমিনারটি বেসিস ও বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডাব্লিউআইটি) যৌথভাবে আয়োজন করছে। দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী এখন আইসিটি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যার হার দিন দিন বাড়ছে। এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি এ খাতে। বেসিস এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বেসিসের নারী সদস্যদের নিয়ে তৈরি করেছে শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম বেসিস ওমেন’স ফোরাম। নারীর ক্ষমতায়নে এই প্ল্যাটফর্মটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তারই ধারাবাহিকতায় আয়োজন করা হয়েছে ইনক্লুসন অব ওমেন ইন স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনার।প্রযুক্তিতে মহিলাদের জন্য প্রশিক্ষণ, শিক্ষার জন্য অনেক সহায়তা সংস্থা রয়েছে। ডেটা অ্যানালাইসিস থেকে শুরু করে সাইবার-নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ-সহ প্রযুক্তিতে মেয়েরা এমন একটি ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারে যা তাদের অগ্রগতির সুযোগ তৈরি হয়।কারা থাকছেন সেমিনারে সে তালিকায় একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন নারী শক্তির অন্যতম সাহসিকা নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিন আখতার। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব ওমেন -এর উপাচার্য ড. রুবানা হক, স্বনামধন্য ব্যারিস্টার ও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা নিহাদ কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটিকস ও মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল, তরুণ উদ্যোক্তা ও বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজির সভাপতি ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা রেজওয়ানা খান, বিশিষ্ট অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন, ডাটা অ্যানাইলসিস প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জারা জাবিন মাহবুব, তরুণ উদ্যোক্তা ও বেসিসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সামিরা জুবেরি হিমিকা। আলোচকরা এই তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাশাপাশি তাদের নিজের অভিজ্ঞতা জানাবেন। তারা নিজেরা কিভাবে আজ এই পর্যায়ে এলেন, কী কী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে, চারপাশের সাপোর্ট কিভাবে পেয়েছেন, বা আদৌ পেয়েছিলেন কিনা, প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে কাজ করে আজ সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন তা আমন্ত্রিত শ্রোতা দর্শকের সামনে তুলে ধরবেন।ফ্যাসিলিটেসন এবং কন্সাল্টেন্সি প্রতিষ্ঠানের চিফ ইন্সপিরেশন অফিসার ডন সামদানি সঞ্চালনায় সফটএক্সপোর প্রথম দিনে বেলা ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই সেমিনার অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ইতোমধ্যেই নিবন্ধন করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সংযুক্ত বহু নারী উদ্যোক্তা, পেশাজীবি এবং শিক্ষার্থী।

post
বাংলাদেশ

কার্যাদেশের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা: এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন

কার্যাদেশের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা। এ বিষয়ে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং থিংকবিজ সলিউশন ট্রেডেক্স)। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ এসএমই ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে এসএমই ফাউন্ডেশন ও থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স) এর উদ্যোগে আয়োজিত ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স বিষয়ে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ফাইন্যান্সার ও সাপ্লায়ার ম্যাচমেকিং ও মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জিন্নাত রেহানা, প্রশাসক (যুগ্মসচিব), বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসর্স এসোসিয়েশন (বাপা) এবং ড. এম মাসরুর রিয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডএক্স অনলাইন)। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক নাজিম হাসান সাত্তার। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহ উদ্দিন মাহমদু এবং মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ (এমএসএমই) একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় এসএমই খাত উন্নয়নে বিভিন্ন ধরণের ঋণ সহায়তা (প্রচলিত ব্যাংক ঋণ) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাগণের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ গ্রহণের প্রক্রিয়াটি সহজ নয়। ঋণ প্রাপ্তির পর পণ্য তৈরি করে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ‘ট্রেড রিসিভেবল’ সমূহের বিপরীতে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াটি সহজ ও স্বয়ংক্রিয় নয়। তাছাড়া ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল নিয়েও উদ্যোক্তাবৃন্দ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী এবং জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা হিসেবে 'ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স' শিল্প খাতে বিশেষত এসএমই খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।উল্লেখ্য, কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান তার বকেয়া বিল ডিসকাউন্ট/কমিশনে দেনাদার ব্যতীত তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে বিক্রি করাকে ফ্যাক্টরিং বলে। মূলত: কোন পণ্য উৎপাদনকারী বা সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোন অর্ডারের বিপরীতে পণ্য বা সেবা প্রস্তুতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন ঘাটতি মেটানোর জন্য অর্ডারটি তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট কমিশনে বিক্রি করে তহবিল সংগ্রহ করার পদ্ধতিই হলো ফ্যাক্টরিং। চলতি মূলধন সংকট লাগবের লক্ষ্যে অর্ডার দাতা এবং পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত তৃতীয় কোন পক্ষের নিকট হতে তহবিল সংগ্রহের জন্য ফ্যাক্টরিং উন্নত দেশে একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স একটি জামানতবিহীন অর্থায়ণ প্রক্রিয়া, যা বিলম্বিত পরিশোধের শর্ত এবং চেকের মাধ্যমে পরিশোধ ব্যবস্থা থাকলে যে কোনো পন্য বা সেবা উৎপাদনকারী গ্রহণ করতে পারে। বৈধ কাগজপত্র যেমন ট্রেড লাইসেন্স, এনআইডি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বিক্রয় ডাটাসহ দেনাদারের তথ্য দিয়েই যে কোনো প্রতিষ্ঠান সহজে এ সেবা নিতে পারে। ‘ফ্যাক্টরিং’ এর সাথে এলসি এর মূল পার্থক্য হলো ‘এলসি’ একটি পেমেন্ট পদ্ধতি আর ‘ফ্যাক্টরিং’ এর মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষ হতে মূলধন জোগান করা হয়। স্বল্প মেয়াদী এবং জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা হিসেবে 'ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স' শিল্প খাতে বিশেষত এসএমই খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয় এলসির মাধ্যমে। কিন্তু এলসি পদ্ধতিতে বাণিজ্য করা সময়সাপেক্ষ ও জটিলতানির্ভর। তাছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) ব্যবসায়ীদের জন্য এলসি পাওয়া আরো কঠিন। এক্ষেত্রে ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স একটি বিশেষ বিকল্প হতে পারে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের এক প্রতিবেদনে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় রফতানি খাতে অর্থের প্রবাহ বাড়াতে ফ্যাক্টরিং প্রক্রিয়াকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।এসএমই ফাউন্ডেশন এবং থিংকবিগ সলিউশনস এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাইলট আকারে থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স) -কে ১৮ জানুয়ারি ২০২২ লোকাল ফ্যাক্টরিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করার অনুমোদন প্রদান করা হয়। ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স কার্যক্রমের প্রচার ও প্রসারে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২১ ডিসেম্বর ২০২২ এসএমই ফাউন্ডেশনের সাথে থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স)-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্পোরেট, ফাইন্যান্সার ও সাপ্লায়ার ম্যাচমেকিং এবং ফাইন্যান্সিং কর্মসূচিতে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, এসএমই চেম্বার/অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, এসএমই উদ্যোক্তাবৃন্দ এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

'বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই আমরা ভাষা আন্দোলনে, মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করেছি'

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তানিরা বারবার বাংলার ওপর আঘাত হেনেছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এতোবার সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসেনি। আজ (সোমবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত একুশে পদক ২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামে একটি দেশের সৃষ্টি হয়, যারা পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। একসময় তারা আমাদের সংস্কৃতিতে আঘাত হানে। আমাদের ওপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেয়। করাচিতে এক আলোচনায় তারা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে প্রবল আন্দোলন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৩ সালে প্রথম ভাষা শহীদ দিবস পালন করা হয়। আরমানিটোলায় এক সভায় এ দিবস পালনের দাবি তোলা হয়। এরপর ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। এরপরেও পাকিস্তানিরা থেমে থাকেনি। তারা তখন উর্দু হরফে বাংলা লেখার নিয়ম করে, আরবি হরফে বাংলা লেখার নিয়ম করে। রবীন্দ্রনাথের গান নিষিদ্ধ করে। যার প্রতিবাদে ছাত্রসহ সবাই রাজপথে নেমে আসে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই আমরা ভাষা আন্দোলনে, মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করেছি। ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমাদের এ আন্দোলন ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন। শেখ হাসিনা বলেন, একটা সময় আমাদের দেশে জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলা হয়েছিল। সেসময় অনেকে বলেছেন, শেখ মুজিব তো আন্দোলন করেননি, জেলে ছিলেন। কিন্তু তিনি তো ভাষা আন্দোলনের জন্যই কারাবরণ করেছেন। সরকারপ্রধান বলে ,মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছর ক্ষমতায় ছিলেন। এই সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই তিনি সবার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে নির্মম হত্যার ২১ বছর পর আমরা ক্ষমতায় আসি। এক দফার পর পরবর্তীতে তিন দফায় ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য ২০৪২ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ে তোলা। আমরা বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যারা একুশে পদক পেয়েছেন সবাইকে আমার অভিনন্দন। এমন আরও অনেকেই আছেন, যাদের নাম আমরা জানি না। তাদের অবদানকে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এগিয়ে যায়। এর আগে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৩’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

post
বাংলাদেশ

১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯ বিশিষ্টব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠান চলতি বছর (২০২৩) একুশে পদক পেয়েছেন। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক তুলে দেন।এবার ভাষা আন্দোলনের তিনজন, শিল্পকলায় আটজন, শিক্ষায় এক ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় এক ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান এবং রাজনীতিতে দুজন একুশে পদক পেয়েছেন।এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে একজন, সাংবাদিকতায় একজন, গবেষণায় একজন এবং ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে একজনকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে।বিজয়ীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নিজ নিজ পদক নেন এবং মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ীদের পক্ষে তাদের পরিবারের সদস্যরা নেন।‘ভাষা আন্দোলন’ ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদক পেয়েছেন খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মো. মজিবর রহমান। শামসুল হকের ছেলে এ কে এম দিদারুল হক পদক গ্রহণ করেন।‘শিল্পকলা’ ক্ষেত্রে পদক পেয়েছেন- মাসুদ আলী খান (অভিনয়), শিমুল ইউসুফ (অভিনয়), মনোরঞ্জন ঘোষাল (সংগীত), গাজী আব্দুল হাকিম (সংগীত), ফজল-এ-খোদা (সংগীত) (মরণোত্তর), জয়ন্ত চট্টপাধ্যায় (আবৃত্তি), নওয়াজীশ আলী খান, কনক চাঁপা চাকমা (চিত্রকলা)।ফজল-এ-খোদার পক্ষে তার সহধর্মিণী মাহমুদা সুলতানার কাছে পদক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।‘শিক্ষা’ ক্ষেত্রে পদক পেলেন অধ্যাপক ড. মাযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর)। জাতীয় জাদুঘরকেও এ ক্যাটাগারিতে পদক দেওয়া হয়েছে। মাযহারুলের পক্ষে তার ছেলে চয়ন ইসলাম পদক নেন। জাতীয় জাদুঘরের পদক গ্রহণ করেন মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।‘সমাজসেবা’য় পদক পেয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। মো. সাইদুল হকও ‘সমাজসেবা’য় একুশে পদক পেয়েছেন। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষে কিশোর কুমার দাস প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন।অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর) এবং আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) ‘রাজনীতি’ ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পেয়েছেন। মঞ্জুরুল ইমামের পক্ষে ছেলে আব্দুল্লাহ হারুন এবং আকতার উদ্দিন মিয়ার ছেলে পদক নেন।

post
বাংলাদেশ

গুলশান কার্যালয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন মহাসচিব। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শায়রুল জানান, ইউনাইটেড হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক অধ্যাপক মুমিনুজ্জামানের অধীনে মির্জা ফখরুলকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন ধরে মির্জা ফখরুলের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। কিছুদিন আগে তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরেন। বিএনপি মহাসচিব তখন চিকিৎসা নিয়েছেন সিঙ্গাপুর সুপ্রিম ভার্সুলার অ্যান্ড আন্তর্জাতিক ক্লিনিকে। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.