post
সংবাদ

এ প্লাস ক্যাম্পেইনে রাতকানা নির্মূল হয়েছে

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল হওয়ায় দেশে রাতকানা রোগ প্রায় নির্মূল হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। শনিবার (১ জুন) সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনে (নিপসম) জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বছরে দুইবার ৯৮ শতাংশ শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়ানোর ফলে এর অভাবজনিত অন্ধত্বের হার এক শতাংশের নিচে নেমে এসেছে এবং শিশুমৃত্যুর হারও কমেছে। এই সাফল্য ধরে রাখতে ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো চলমান রাখতে হবে। তিনি বলেন, সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। দেশবাসী সবার কাছে আবেদন একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে। যাদের ঘরে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু আছে সেই সব মা-বাবা এবং অভিভাবকরা যেন অবশ্যই তাদের শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান। এবার প্রায় দুই কোটি ২২ লাখ শিশুকে দিনব্যাপী এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ। ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও প্রায় ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী এই আয়োজনে যুক্ত আছেন।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

পর্বত স্বাভাবিক থাকলে আমরা ভালো থাকব

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, পাহাড় পর্বত স্বাভাবিক থাকলে আমরা ভালো থাকব। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য এই পাহাড়গুলোকে সংরক্ষণ করা অপরিহার্য। জলবায়ু পরিবর্তন পর্বত, হিমবাহ এবং প্রতিবেশ ব্যবস্থার জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি সৃষ্টি করে। হিমবাহের গলে যাওয়া জীববৈচিত্র্য এবং পানির ওপর নির্ভরশীল লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকাকে প্রভাবিত করে। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার তাগিদ দেয়। শুক্রবার (৩১ মে) মাউন্ট এভারেস্ট দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে নেপাল দূতাবাসের আয়োজনে 'মাউন্টেন মেমোরিজ: কানেক্টিং পিক্স অ্যান্ড পিপল' শীর্ষক ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবের চৌধুরী বলেন, মেধাবী ফটোগ্রাফারদের ছবিগুলো আমাদের জীবনে প্রকৃতির গভীর প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং সেই পরিবেশকে লালন ও রক্ষা করতে অনুপ্রাণিত করে। পর্বত আমাদের সীমানা পেরিয়ে নেপাল ও অন্যান্য জাতির সঙ্গে পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও জলবায়ু স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতিতে একত্রিত করে। মন্ত্রী ফটোগ্রাফারদের শিল্পকর্মের জন্য প্রশংসা করে বলেন, আপনাদের কাজ কেবল আমাদের আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত করে না, বরং আমাদের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

post
লাইফ স্টাইল

ধূমপান ছাড়তে চাইলে যা খাবেন

প্রতি বছর এই অভ্যাস মোকাবিলা করার জন্য নতুন কৌশল এবং সমাধান উদ্ভূত হয়। আপনি কি খাবারের সাহায্যে আপনার নিকোটিনের আসক্তিকে কাটিয়ে ওঠার কথা কল্পনা করতে পারেন? আপনার পরিচিত কিছু খাবারই ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে সাহায্য করবে। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক- বিশেষজ্ঞের মতে, পুদিনা পাতার ক্যান্ডি বা টফি আপনাকে তামাক প্রত্যাহার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। ধূমপান ছাড়ার পর পুদিনাপাতা প্রয়োজন ছাড়াই মস্তিষ্কের ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তাই ধূমপান ছাড়তে চাইলে এ জাতীয় খাবার খেতে পারেন। আপনি যখন সিগারেট খান, তখন শরীরের ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের শোষণ হ্রাস পায় এবং ভিটামিন সি-এর প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পায়। ফল এবং শাকসবজির মতো তাজা খাবার মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ যা আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে এবং ধূমপানের আসক্তি থেকে দূরে রাখে। ফুটি, তরমুজ, কমলা ইত্যাদি ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। শুধু নিজেকে হাইড্রেটেড রাখার জন্যই নয়, ধূমপানের লোভ সামলাতেও পানি পান করা অপরিহার্য। তাই যখনই ধূমপারে ইচ্ছা হবে তখনই এক গ্লাস পানি পান করে নিন। তবে অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এগুলো ধূমপানের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি অস্বাভাবিক শোনাতে পারে, তবে দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্য খেলে তা আপনার সিগারেটের আসক্তি দূর করতে কাজ করতে পারে। ধূমপান ত্যাগ করা বা ধূমপান কমানোর চেষ্টা করার সময় দুধ পান করা বা দই খাওয়া সহায়ক হতে পারে। ২০০৭ সালে ২০৯ জনের ওপর করা এক গবেষণা থেকে এই পরামর্শ দেওয়া হয়।

post
লাইফ স্টাইল

পেট ভালো রাখার ঘরোয়া উপায়

জার্নাল নিউট্রিয়েন্টস অনুসারে, প্রতিটি ব্যক্তির পরিপাকতন্ত্রে ২০০টিরও বেশি স্বতন্ত্র ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ছত্রাক থাকে। পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য আপনাকে করতে হবে এই কাজগুলো- ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে পুষ্ট করে এবং তাদের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে আপনার খাবারে ফল, শাক-সবজি, লেবু, বাদাম এবং দানাশস্য অন্তর্ভুক্ত করুন। বাদাম খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের একটি ভালোল উৎস হওয়ায় সহজেই আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ করা যেতে পারে। গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে থেরাপিউটিক অ্যাডভান্সেস অনুসারে, প্রোবায়োটিক খাবার খেলে তা স্বাস্থ্যকর অন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে এটি অন্ত্রের প্রদাহ এবং অন্যান্য অন্ত্রের সমস্যা এড়াতে পারে। প্রোবায়োটিক হলো জীবন্ত অণুজীব যা পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া হলে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া সুষম অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা বজায় রাখে এবং হজমের স্বাস্থ্য উন্নত করে। প্রিবায়োটিক খাবার উপকারী অণুজীবের জন্য খাদ্য হিসাবে কাজ করে, তাদের বৃদ্ধি এবং অন্ত্রে বিস্তারে সহায়তা করে। আপনার খাদ্যতালিকায় প্রিবায়োটিক খাবার যেমন রসুন, পেঁয়াজ, অ্যাসপারাগাস, কাঁচা কলা, ফ্ল্যাক্সসিড, লেগুম, আপেল এবং এ জাতীয় খাবার যোগ করুন। মন ও অন্ত্রের সংযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ চাপ এবং মানসিক সুস্থতা অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। হজম এবং পুষ্টির শোষণকে অপ্টিমাইজ করার জন্য খাবারের সময় মনোযোগী হয়ে খান। আপনার দৈনন্দিন রুটিনে ধ্যান, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা ইয়োগার মতো স্ট্রেস-কমানোর কৌশল যোগ করুন যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে সাহায্য করে।

post
লাইফ স্টাইল

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য ৫ কারণ

লাখ লাখ মানুষ বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সম্মুখীন হয়। এতে বলা হয়েছে যে, সারা বিশ্বে প্রতি ছয়জনের মধ্যে একজন দম্পতি বন্ধ্যাত্ব ভোগ করে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, প্রায় ২০% ক্ষেত্রে পুরুষ সম্পূর্ণরূপে দায়ী এবং সমস্ত বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে আরও ৩০% থেকে ৪০% ক্ষেত্রে আংশিকভাবে দায়ী হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য কারণগুলো- বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের একটি বড় কারণ হলো হরমোনজনিত সমস্যা। হাইপোগোনাডিজম, অর্থাৎ টেস্টোস্টেরন এবং টেস্টিস দ্বারা প্রজনন সম্পর্কিত অন্যান্য হরমোনের অপর্যাপ্ত উৎপাদন বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। ভ্যারিকোসেল এমন একটি অবস্থা যেখানে অণ্ডকোষের মধ্যে শিরার বৃদ্ধি এবং বেলুনিং অণ্ডকোষের তাপমাত্রাকে পরিবর্তন করতে পারে। এটি শুক্রাণু উৎপাদনকে ব্যাহত করে। যা বন্ধ্যাত্বের দিকে নিয়ে যায়। রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশনে বীর্য লিঙ্গ দিয়ে বের হওয়ার পরিবর্তে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে,যা পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাসের কারণে পুরুষের বন্ধ্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দীর্ঘস্থায়ী ধূমপান বা তামাক সেবন শুক্রাণুর গতিশীলতা, গুণমান এবং পরিমাণকে কমিয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের অভ্যাস টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন এবং শুক্রাণু উৎপাদন হ্রাস করতে পারে ও হরমোনের মাত্রাও পরিবর্তন করতে পারে যা বন্ধ্যাত্বের দিকে নিয়ে যায়। জেনেটিক্স বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করতে পারে। ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে একটি পুরুষ শিশু অতিরিক্ত এক্স ক্রোমোজোম নিয়ে জন্মগ্রহণ করে,এটি পুরুষের প্রজনন অঙ্গে ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে,যার ফলে টেস্টিকুলার ফাংশন এবং শুক্রাণু উৎপাদন প্রভাবিত হয়।

post
লাইফ স্টাইল

চুলের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর খাবার

কিছু খাবার যেমন আমাদের চুল সুন্দর ও উজ্জ্বল করে তেমনি কিছু খাবার আবার চুলের জন্য হতে পারে ক্ষতিকর। তাই আগে থেকে জানা থাকলে চুলের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো এড়িয়ে চলা সহজ হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুলের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ৫ খাবার সম্পর্কে- ডুবো তেলে ভাজা খাবার শুধু আমাদের স্বাস্থ্যকেই প্রভাবিত করে না, সেইসঙ্গে আমাদের চুলের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস, পাকোড়া, সমুচা, সিঙ্গারা পুরি ইত্যাদি খাবারে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে এবং তা সহজেই আমাদের মাথার ত্বককে চর্বিযুক্ত করে তুলতে পারে। আরেকটি জিনিস যা আপনাকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে তা হলো চিনিযুক্ত খাবার। এর কারণ হলো, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং সহজেই চুলের ফলিকলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফ্রন্টিয়ার্স অফ ফার্মাকোলজিতে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনে পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর ফলে আমাদের চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না, যা চুলের ক্ষতির কারণ হতে পারে। পরিশোধিত ময়দার উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) থাকে এবং এটি ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। এটি আমাদের চুলের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং চুল পড়া এবং অন্যান্য সমস্যার কারণ হতে পারে। আপনি যদি কার্বনেটেড পানীয় পছন্দ করেন তবে তা দ্রুত খাওয়া বাদ দিন। নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, কার্বনেটেড পানীয় পান করলে চুল পড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

post
এনআরবি বিশ্ব

ব্রিটেনে ক্যান্সারের হার আশংকাজনক বাড়ছে

ব্রিটেনে সূর্যবাহিত মেলানোমা স্কীন ক্যান্সারের হার আশংকাজনক বাড়ছে বলে জানিয়েছে চ্যারিটি সংস্থা ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে। চলতি বছর প্রায় ২১ হাজার মেলানোমা স্কীনক্যান্সার রোগী শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এ সংস্থা। গত ২০২০ থেকে ২২ সাল পর্যন্ত এর সংখ্যা ছিলো ১৯ হাজার। বিশেষ করে বয়স্কদের শরীরে এই ক্যান্সার বেশি বাসা বাঁধছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৭ হাজার রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করেছে ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে। তারা বলেছে, দশ জনের মধ্যে একজন রোগীকে সুস্থ করতে হলে কঠিন চিকিৎসার মধ্য দিয়ে নিতে হয়। সবচেয়ে আশংকার বিষয় হলো,ম্যালানোমা ক্যান্সার ছোঁয়াচে। একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবাহিত হতে পারে। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে নন মেলানোমা স্কীন ক্যান্সারও আশংকাজনক হারে বাড়ছে। যা এখনো নিরাময়যোগ্য বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

post
লাইফ স্টাইল

আম খাওয়ার পরে যেসব খাবার খাবেন না

গরমে প্রাণ জুড়াতে আমের তুলনা হয় না। পুষ্টিকর এই ফলে থাকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন বি। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্যও আম খাওয়া উচিত। তবে আম খেলেই হবে না, এটি খাওয়ার আছে কিছু নিয়মও। যেমন আম খাওয়ার পরপরই কিছু খাবার খাওয়া যাবে না। কোনগুলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক- আম খাওয়ার পরপরই পানি পান করবেন না। কারণ আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আম খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা পর পানি পান করবেন। এতে সুস্থ থাকা সহজ হবে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে। ধরুন, আম খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ভাত খেতে বসলেন। আর ভাতের সঙ্গে আছে করলা ভাজি। তখন কী করবেন? এসময় করলা একদমই খাওয়া চলবে না। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম খাওয়ার পরপরই যদি আপনি করলা খান তাহলে দেখা দিতে পারে বমি কিংবা বমি বমি ভাব। পুষ্টিবিদদের মতে, আম খাওয়ার পর দই খাওয়া মোটেই উচিত নয়। অনেকেই না জেনে এই দুই খাবার একসঙ্গে খেয়ে থাকেন। কিন্তু এমনটা করা যাবে না। কারণ আম খাওয়ার পর দই খেলে শরীরে শর্করার ভাগ অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। যে কারণে নষ্ট হয় শরীরের ভারসাম্য। সেইসঙ্গে হতে পারে বিষক্রিয়াও। আম খাওয়ার পরপরই তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে যাবেন। কারণ আম খাওয়ার পর এ ধরনের খাবার খেলে দেখা দিতে পারে সমস্যা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা। এছাড়া অতিরিক্ত মসলাদার খাবার আমাদের ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর। কোল্ড ড্রিংক খাওয়া এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আর যদি তা আম খাওয়ার পরপরই খান তবে আরও বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ কোল্ড ড্রিংকস খেলে তা শরীরে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই।

post
লাইফ স্টাইল

মেদ কমানোর সহজ উপায়

মেদ কমানো মুখের কথা নয়। নানাজন নানা প্রচেষ্টার পরেও মেদ কমাতে সফল হন না। এমনই নাছোড়বান্দা এই সমস্যা যে একবার দেখা দিলে আর যেতে চায় না। ওজন কমানো আর মেদ কমানো কিন্তু এক কথা নয়। অনেকে ওজন কমাতে সক্ষম হলেও মেদ থেকে যায় আগের মতোই। এক্ষেত্রে হাল ছেড়ে দেওয়া চলবে না। বরং এমন সব উপায় বেছে নিতে হবে যায় ব্যয়বহুল কিংবা ক্ষতিকর নয়। বাড়িতে বসেই মেদ কমানোর কিছু উপায় মেনে চলতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক- শাক-সবজি খান আপনার খাবারের তালিকার দিকে খেয়াল করুন। সেখান থেকে সব ধরনের ফাস্টফুড, জাঙ্কফুড বিদায় দিয়ে তার বদলে টাটকা শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন। খাবারের থালায় অল্প ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে প্রচুর শাক-সবজি খান। এতে আপনার শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানো অনেকটাই সহজ হবে। প্রোটিনযুক্ত খাবার খান কেবল শাক-সবজিই নয়, বরং খেতে হবে সুষম খাবার। তাই খাবারের তালিকায় রাখতে হবে পর্যাপ্ত প্রোটিনযুক্ত খাবারও। তবে ফ্যাটযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে। প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখবে। এতে বারবার খাওয়ার ইচ্ছা হবে না এবং বাড়তি খাওয়ার ফলে বাড়তি মেদেরও ভয় থাকবে না। খালি পেটে লেবুপানি সকালে ঘুম থেকে উঠে কোনো না কোনো স্বাস্থ্যকর পানীয় পান করুন। এটি আপনার দিনের শুরুটা সতেজ করে দেবে। আপনার যদি বাড়তি মেদ ঝরানোর লক্ষ্য থাকে তাহলে সকালে খালি পেটে লেবুপানি পান করতে পারেন। এই পানীয় মেটাবলিজম ঠিক রাখতে এবং মেদ ঝরাতে দারুণ কাজ করে। হাঁটতে হবে প্রতিদিন মেদ ঝরাতে চাইলে হাঁটার বিকল্প নেই। তবে অনিয়মিত নয়, হাঁটতে হবে নিয়মিত। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন। দিনে অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন। এর বেশি হাঁটতে পারলে আরও ভালো। এভাবে নিয়মিত করলে দেখবেন আপনার বাড়তি মেদ ঝরানো অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

post
লাইফ স্টাইল

যেসব লক্ষণে বুঝবেন ডিহাইড্রেশনের শিকার আপনি

শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হওয়াকে ডিহাইড্রেশন বলা হয়ে থাকে। ডিহাইড্রেশন হলে অনেক পরিমাণে পানি খেতে হয় এটি সবার জানা। কিন্তু ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ কী কী হতে পারে তা জানেন? সাবধান হতে জেনে নিন ডিহাইড্রেশনের লক্ষণগুলো- • ডিহাইড্রেশন হলে শরীরের মাংসপেশিগুলিতেও পানি পৌঁছায় না। তাই হঠাৎ করে হাত-পায়ে টান লেগে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। হাঁটতে গেলে বা দৌড়াতে গেলে কিংবা ওঠাবসার সময়ে কি প্রায়ই টান লাগছে? তা হলে কিন্তু পানি খাওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। • দীর্ঘ দিন শরীরে পানির ঘাটতি হলে, লিভার ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। লিভার পানির সাহায্যে গ্লাইকোজেন তৈরি করে, যা শক্তি জোগায়। কিন্তু সেটা ঠিক মতো না হলে শরীরের আরও বেশি খাবারের প্রয়োজন হবে। তাই নোনতা খাবার, চকোলেট, মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। • মাথা ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তার মধ্যে একটি কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়। তাই সারাক্ষণ মাথা যন্ত্রণা হতে থাকলে বেশি করে পানি খান। • গরমে এমনিতেই ত্বক রুক্ষ থাকে। তার ওপর যদি শরীরে পানির ঘাটতি হয়, তা হলে এই সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। ত্বক অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ঠোঁট ফাটতে শুরু করে। এমনিতে ত্বক যদি অনেকক্ষণ কুঁচকে থাকে তা হলেও আরও বেশি পানি খাওয়া প্রয়োজন। • যদি হঠাৎ প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রেও বুঝতে হবে শরীরে পানির অভাব রয়েছে। এ ছাড়াও শরীরে পানির ঘাটতির কারণে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় এবং প্রস্রাব করার সময় জ্বালা বোধ হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.