post
আন্তর্জাতিক

তিন দশকে অনূর্ধ্ব-৫০ বয়সীদের ক্যান্সার বেড়েছে ৮০ শতাংশ: গবেষণা

গত তিন দশকে বিশ্বে ৫০ বছরের নিচে ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ শতাংশ বেড়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।বিএমজে অনকোলজিতে প্রকাশিত ‘১৯৯০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রারম্ভিক ক্যানসারের ঘটনা, মৃত্যু, চাপ এবং ঝুঁকির কারণের বৈশ্বিক প্রবণতা’ শীর্ষক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে ১৮ লাখ ২০ হাজার মানুষের ক্যানসার শনাক্ত হয়। ২০১৯ সাল এ সংখ্যা বেড়ে ৩২ লাখ ৬০ হাজারে ছাড়িয়েছে। এ সময় ৪০-৩০ বা তার কম বয়সী প্রাপ্তবয়ষ্কদের ক্যানসারে মৃত্যুর হার ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।বিএমজে অনকোলজিতে প্রকাশিত এ গবেষণার লেখকরা ক্যানসারের হার বাড়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি। বলা হয়েছে এ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে খারাপ খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল ও তামাক সেবন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও স্থূলতার প্রভাবকে ক্যানসারের জন্য দায়ী করেছেন তারা।প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ক্যানসার ও এতে মৃত্যু বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, তামাক ও অ্যালকোহল সেবন সীমিতকরণ এবং শারীরিক পরিশ্রমসহ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যানসারের লাগাম টানতে পারে।

post
এনআরবি লাইফ

ডিএমভির প্রবাসী বাঙ্গালীদের সুরের তালে মাতিয়ে গেলেন ইমরান-কনা ও মিতালী মুখার্জী

ডিএমভির প্রবাসী বাংলাদেশীদের আরও একটি চমৎকার লাইভ কনসার্ট উপহার দিলো একাত্তর ফাউন্ডেশন। সূরের ঝলকে যেখানে দর্শকদের বিমোহিত করেছেন বাংলাদেশ জনপ্রিয় সঙ্গীত শিলাপী ইমরান ও কনা আর দুই বাংলা জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী মিতালী মুখাজী। সেই সাথে মঞ্চ মাতিয়েছেন স্থানীয় শিল্পিরাও। ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স হাই স্কুলের থিয়েটার বসেছিলো এই লাইভ কনসার্ট অনুষ্ঠান। বুষ্টির কারণে কিছুটা দেড়ি করে শুরু হলেও ভার্জিনিয়ায় প্রথমবারের মতো ইমরান-কনার পারফরম্যান্স দেখতে অডিটোরিযাম প্রায় পূর্ণ ছিলো দর্শকে। দর্শক সাড়িতে এদিন উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ও ডব্লিউইউএসটির সিএফএ ফারহানা হানিপ। আয়োজক একাত্তর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শুরুতে দর্শকদের স্বাগত জানান পারভীন পাটোযারী ও কবির পাটোয়ারী। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠে অনুষ্ঠানের। এরপরই শুরু হয় লাইভ কনর্সার্ট। পারফর্ম করেন ওয়াশিংটন-ডিসি-মেরিল্যান্ড-ভার্জিনিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশী শিল্পীরা। চমৎকার পারফরম্যান্স করেন শোয়েব রহমান, রকস্টার জনি, মাহিন সুজন ও রিয়েলিটি শো আরটিভির ইয়ংস্টার অর্ণব। এরপর মঞ্চে এসে, সূরের মূর্ছনা ছড়িয় দেন 'এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই' খ্যাত শিল্পী মিতালী মুখার্জী। দুই বাংলার জনপ্রিয় এই শিল্পী একে একে গেয়ে শোনান তার কালজয়ী গান 'কেন আশা বেধে রাখি, জীবন নামের রেলগাড়িটা, আমার চন্দনা মরে গেছে কবে। এরপর পারফর্ম করতে আসেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী কনা। তিনি একে একে গেয়েছেন ধিম তানা বাজে ধিম তানা, ডানা কাটা পরি, রেশমী চুরীসহ আরও কিছু জনপ্রিয় গান। এরপরই মঞ্চে প্রবেশ করেন বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে হার্টথ্রুব প্লে-ব্যাক সিঙ্গার ও কম্পোজার ইমরান মাহমুদুল। মুহুর্তের মধ্যেই মাতিয়ে তুলেন দর্শকদের। 'তুই কি আমার হবি রে' শুরু করতেই চেয়ার ছেড়ে দর্শকরা মঞ্চের সামনে জড়ো হতে থাকেন। ইমরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান 'বলতে গিয়ে মনে হয়' দর্শকেরা তার সঙ্গে গেয়েছেন গলা ছেড়ে চিৎকার করে। সেই থেকে শুরু অনুষ্ঠানের বাকিটা সময় দর্শকরা গেয়েছেন তার সাথে সাথে। অসাধারণ গায়কির সাথে মঞ্চ মাতাতে জুড়ি নেই ইমরানের। তার এই বিশেষণের সাক্ষী হলেন এদিন ভার্জিনিয়ার দর্শকেরা। ইমরানকে দারুন এক সারপ্রাইজ দিয়েছেন আয়োজক পারভীন পাটোয়ারী। প্রথম বারের মতো ভাইয়ের সাথে পারফর্ম করতে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান, ইমরানের বড় বোন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী রোখসানা পারভীনকে। দুই ভাইবোন মিলে গেয়েছেন 'ও আমার বন্ধু গো, চির সাথী পথ চলার' গানটি। ইমনার-কনার ডুয়েটের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দর্শক মাতানো এই লাইভ কনসার্ট। রিয়েলটর লিটু চৌথুরীর সৌজন্যে একাত্তর ফাইন্ডেশনের পক্ষ থেকে মিতালী মুখার্জী ইমরান ও কনা এই তিন শিল্পীর হাতে তুলে দেয়া হয় বিশেষ সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড। থিয়েটার হলের বাইরেও বসেছিলো বেশ কিছু খাবারের ও কাপড়ের দোকান। কেনাকাটা আর নানা পদের মজাদার খাবার খেয়ে পুরো অনুষ্ঠান দারুন উপভোগ করেছেন দর্শকরা। অনুষ্ঠান শেষে দর্শকদের হাসিমুখ দেখে খুশি পারফরমার থেকে আয়োজক সকলে। জনপ্রিয় শিল্পীদের লাইভ কনসার্ট, দেশীয় এতিহ্যবাহী খাবার, কেনাকাটা, আড্ডা সব মিলিয়ে দারুন একটি ছুটির দিন কাটালো ভার্জিনা, মেরিল্যান্ড ও ডিসিবাসী।

post
এনআরবি লাইফ

জাঁকজমকভাবে বার্ষিক বনভোজন করলো নাঙ্গলকোট সোসাইটি ইউএসএ সংগঠন

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জাঁকজমকের মধ্য দিয়ে বার্ষিক বনভোজন করলো নাঙ্গলকোট সোসাইটি ইউএসএ সংগঠন। ২৭ আগষ্ট রকল্যান্ড লেক স্টেস পার্কে নিউইয়র্ক ও এর আশেপাশে থাকা নাঙ্গল কোটবাসীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় এই বনভোজন। দিনব্যাপী ছিলো চমকপ্রদ নানা আয়োজন। পরিবার ও বন্ধুবান্ধব মিলে দারুন উপভোগ করেন পুরো দিনটি। নারীদের জন্য চামচে মার্বেল ব্যালেন্স করা, বালিশ খেলা, পুরুষদের জন্য মোরগের লড়াই, বস্তা রেস, কাপল এ্যাগ থ্রো, ফুটবল খেলাসহ মজাদার নানা ইভেন্ট ছিলো পিকনিকে। বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহনকারী সকলের হাতে তুলে দেয়া হয় পুরস্কার। সেই সাথে ছিলো র্যাফেল ড্রয়ের আকর্ষনীয় ইভেন্ট। যেখানে প্রথম পুরস্কার ছিলো নিউইয়র্ক টু নাঙ্গল কোটের ভ্রমন টিকিট। বাকি পুরস্কারগুলোও ছিলো বেশ আকর্ষনীয়। সেখানে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার নাঙ্গল কোটের উপজেলা চ্যায়ারম্যান মো: সামছূদ্দিন কালু। বিশেষ অতিথী ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। ব্যস্ততার কারণে যদিও শেষ মুহুর্তে তিনি সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি তার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডা.সফি চৌধুরী ,ডিরেক্টর পিপল এন্ড টেক।তবে বিশেষ অতিথী হিসেবে এদিন উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক বিন সাদ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কনট্রাকটিং কম্পানীর সিইও উমর ফারুক মানিক। বিভিন্ন খেলায় বিজয়ীসহ অংশগ্রহনকারী সবার হাতে পুরস্কার তুলে দেন আগত অতিথীগণ। আর পিকনিকের অন্যতম আকর্ষণ ছিলো খাবারের আয়োজন। দেশীয় এতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি ছিলো আরও হরেক রকমের খাবাারের বাহার। আর সবকিছুর মতো মধ্যাহ্ণ ভোজও উপভোগ করেছেন সকলে। নাঙ্গল কোট সোসাইসিট ইউএসএ সংগঠনের প্রেসিডেন্ট প্রৌকশলী মনির রহমান বলেন সবাইকে এক ছাতার নীচে এনে সর্ম্পকের একটা ব্রীজ তৈরিই ছিলো এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। আয়োজনের আহবায়ক ছিলেন আবুল কালাম ভূইয়া ও সদস্য সচিব ইউএস বাংলা গ্রোসারির স্বত্তাধিকার শাহ আলম। এছাড়াও পুরো আয়োজনকে সফল করে তুলতে কাজ করেছেন অনেকে তারা হলেন কজী আনাম, কামাল হোসেন, জাকের হোসাইন মজুমদার, হাজী আব্দুল মান্নান, শাহ আলম হাজী আলী আক্কাস, মোহাম্মদ আলী আক্কাস, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল লতিফ, শাহজান সিরাজ। আনন্দময় এক দিন কাটিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফেরেন সবাই।

post
এনআরবি লাইফ

নিউজার্সিতে প্রাণের আমেজে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম প্রবাসীদের বনভোজন-২০২৩

প্রতিবছরের মতো এবছরও উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিউজার্সি বাংলাদেশী কমিউনিটির বনভোজন। ঐতিহ্যের টানে,ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে, প্রবাসেও আমরা “হ্রদয়ে বাংলাদেশ স্লোগানে এ বছর বনভোজনের আয়োজন করেছে প্রবাসেও চট্টগ্রাম। বৃহস্পতিবার প্যানিংটনের রোসডেল পার্কে অনুষ্ঠিত এই বনভোজনে নিউজার্সির বসবাসরত নারী-পুরুষ-শিশু-কিশোররা দিনভর খোলা মাঠে খেলাধুলাসহ নানান আনন্দে মেতে ওঠেন। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ পেনসিলভানিয়ার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি যোগ দেন।বনভোজনের প্রবেশমুখে আয়োজকদের আন্তরিক আতিথেয়তায় সবাই মুগ্ধ হন। দীর্ঘদিন পর প্রবাসীরা একে অপরকে কাছে পেয়ে মেতে ওঠেন সুখ-দুঃখের আলাপনে। অনেকে ঘুরে ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। বিভিন্ন বয়সী ছেলে-মেয়েদের জন্য আয়োজন করা হয় খেলাধুলার। মহিলাদের জন্যও ছিল বিশেষ মিউজিক বালিশ খেলা ও অন্ধের হাঁড়ী ভাঙ্গার আয়োজন। বনভোজনের বিশেষ আকর্ষন ছিলো ঘরোয়া ক্যাটারিংয়ের সুস্বাদু রান্না। যেখানে খাবারের মেনুতে ছিল চিংরী দোপেয়াজা, শুটকী র্ভতা, সবজি সহ অন্যান্য খাবার। এর বাইরে ছিলো ঝাল মুরি ও আইসস্কিম ও চা।প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতারা দারুণভাবে উপভোগ করেন। শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন জলি দাস ও মৃদুল ।  আয়োজক দিদার চৌধুরী বলেন, নিউজার্সির চট্টগ্রাম প্রবাসীরা একটি পরিবারের মত। ব্যাস্ত জীবনের ভিরে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হতে। সবার মাঝে একটি বন্ধন তৈরি ছিলো এই আয়োজনের লক্ষ্য। একসাথে কিছুটা সময় আনন্দে কাটানো যায় তার জন্য প্রতিবছরের মতো এবারো আয়োজন করা হয়েছে এই বনভোজনের। বনভোজনের বিশেষ আকর্ষনীয় রেফেল ড্র । প্রথম পুরস্কার ছিলো ল্যাপটপ ও সোনার চেইনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার। অনুষ্ঠানের শেষে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারি মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ঘোষণা করা হয় রেফেল ড্রয়ে জয়ীদের নাম। আয়োজকদের আন্তরিক আতিথেয়তায় সবাই মুগ্ধতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়ে মুক্ত মন নিয়ে বাড়ি ফেরেন সবাই। ২০০৭ সালে শুরু হয়েছিল চট্ট্রগ্রাম প্রবাসীদের এই বনভোজনের আয়োজন। যেই ধারায় ১৫ বছর ধরে এই আয়োজন হয়ে আসছে নিয়মিত।

post
এনআরবি সাফল্য

আইএওটিপি- ২০২৩ সালের শীর্ষ অ্যাটর্নি হিসেবে টাইম স্কয়ারে ভেসে উঠলো মোহাইমিনা হকের ছবি

দুর্দান্ত আইনি সাফল্যের জন্য ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব টপ প্রফেশনালস’ (আইএওটিপি) দ্বারা ২০২৩ সালের শীর্ষ অ্যাটর্নি হিসেবে এ বছরের মার্চ মাসে নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাইমিনা হক। ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘দ্য ল অফিস অব মোহাইমিনা হক-পিএলএলসি’র প্রতিষ্ঠাতা তিনি। শীর্ষ অ্যার্টনি হিসেবে স্বীকৃতি পাবার পর এবার মিললো আরেক সম্মাননা। ৮ সেপ্টেম্বর টাইম স্কয়ারের বিশাল স্ক্রিনে ভেসে উঠলো মোমাইমিনার ছবি। অসাধারণ এই মুহুর্তুটির সময় মোহাইমিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মোহাইমিনা ছাড়াও আইএওটিপির সেরা প্রফেশনাল নির্বাচিত সবাই এদিনে উপস্থিত হয়েছিলেন টাইম স্কয়ারে। প্রতিবছরই বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করে থাকে আইএওটিপি। পেশাগত, একাডেমিক কৃতিত্ব ও নেতৃত্বের ক্ষমতাসহ অনুষঙ্গ এবং তাদের সম্প্রদায়ের অবদানের ওপর ভিত্তি করে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। মোহাইমিনা হক একজন দক্ষ উকিল এবং একজন প্রতিভাধর সমস্যা সমাধানকারী। তিনি পরামর্শ থেকে শুরু করে আদালতের প্রতিনিধিত্ব করা পর্যন্ত ব্যাপক সহায়তা প্রদান করে থাকেন। করপোরেট আইন, অভিবাসন আইন, টর্ট আইন (ব্যক্তিগত আঘাত এবং পণ্যের দায়সহ) এবং আরও অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করেন তিনি। টনি রোমাস নামক একটি গ্লোবাল রেস্তোরাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজির জেনারেল কাউন্সেল হিসেবে কাজ করেন তিনি। সেখানে কোম্পানির আইনগত এবং সম্মতিমূলক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করেন এবং কৌশল ও করপোরেট বৃদ্ধির বিষয়ে বোর্ডের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে থাকেন। মোহাইমিনা ‘ওয়াশিংটন কলেজ অব ল’ থেকে মর্যাদাপূর্ণ কাম লাউড ডিস্ট্রিঙ্কশনে স্নাতক অর্জন করেছেন। তিনি পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির অফিসে নির্বাচকদের জন্য অভিবাসন মামলায় কাজ করেছেন। এছাড়াও ওবামা প্রশাসনের সময় হোয়াইট হাউজে ইন্টার্নশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেসময় মোহাইমিনা হক মার্কিন রাষ্ট্রপতির কার্যনির্বাহী অফিসে ডোমেস্টিক পলিসি কাউন্সিলে দায়িত্ব পালন করেন।

post
আন্তর্জাতিক

আত্মবিশ্বাস থাকলে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না: ড. ইউনূসকে প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "অপরাধ করেননি, আত্মবিশ্বাস থাকলে ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না।" সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধামন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় শতাধিক নোবেল বিজয়ীসহ বিশ্বের ১৬০ জন বিশিষ্ট নেতা খোলা চিঠিতে যে ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সে বিষয়টিকে তিনি কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন কিনা। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং চলমান মামলার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোন ক্ষমতা তার নেই। তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতি না দিয়ে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ  পাঠানো হোক, তারা সব খতিয়ে দেখুক।ড. ইউনূসের মামলা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, মামলা তো তার দল বা সরকার করেনি। কর ফাঁকির জন্য মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যদি কেউ কর ফাঁকি দেয় তাকে তো কর দিতে হবে। আর তিনি তো ফাঁকি দেওয়া কর দিচ্ছেনও। বিশ্বনেতাদের পাঠানো চিঠিতে আরেকটি বিষয় ছিলো বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যে নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারে সেটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে জনগণ ভালো পরিবেশে ভোট দিয়েছে, আগামীতেও ভালোভাবে ভোট দিতে পারবে। জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই ক্ষমতায় আসবে, এটাই বিশ্বাস করি।"পাঁচ দেশের জোট ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুরুতে প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্য পড়েন। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস ঘুরে গেলেন দুই বাংলায় জনপ্রিয় তরুণ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব

ওয়াশিংটন ইউনির্ভাসিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্যাম্পাস ঘুরে গেলেন দুই বাংলায় জনপ্রিয় তরুণ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব। সোমবার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাসে আসেন তিনি। দেখা করেন চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ এবং সিএফও ফারহানা হানিপের সাথে। তাদের সাথে কুশল বিনিময়সহ নানাবিধ বিষয়ে আলাপচারিতায় অংশ নেন। পরে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্লাসরুম, আইটি ল্যাব, লাইব্রেরিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। এসময় তার সাথে ছিলেন চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। শিল্পীর হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্যুভিনিয়র তুলে দেন ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ, প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক ও প্রধান অর্থকর্মকতা ফারহানা হানিপ। আলাপচারিতায় স্বপ্নীল সজীব জানান, একজন প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ যুক্তরাষ্ট্রে মাটিতে যেভাবে একটি পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছেন তার জন্য প্রতিটি বাঙ্গালীর মতো তিনিও গর্বিত। তিনি আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবাধে অনেক বাংলাদেশী মেধাবী ছাত্রছাত্রীর ভাগ্য বদলে যাবে, হাজার মানুষের স্বপ্ন পূরণ হবে। সেই ছাত্রছাত্রীরা একসময় তাদের জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেবেন প্রিয় বাংলাদেশে। এসময় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, সম্প্রতি ভার্জিনিয়ায় হয়ে যাওয়া স্বপ্নীল সজীবের একক সংগীত সন্ধ্যা তিনি দারুন উপভোগ করেছেন। মুগ্ধ হয়েছেন তার গানে ও গায়কীতে। গানের মাধ্যমে মানুষকে নির্মল বিনোদন দেয়াটাও এক ধরণের মানবসেবা, বলেন আবুবকর হানিপ। স্বপ্নীল যেন এভাবে আনন্দ বিলিয়ে যেতে পারেন তার জন্য শুভ কামান জানান। সিএফও ফারহানা হানিপ জানান, স্বপ্নীল সজীব তার প্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী। তাদের আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতের নানা দিক নিয়ে উঠে আসে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব। রবীন্দ্র সংগীতের প্রচারণায় ঘুরে বেড়ান দেশ বিদেশ। তরুণ কণ্ঠশিল্পী বর্তমানে রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি সব ধরনের গান গেয়ে শ্রোতা দর্শককে মুগ্ধ করে চলেছেন। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও স্বপ্নীল সজীব গান গেয়ে বাংলাদেশি শ্রোতা দর্শককে মুগ্ধ করছেন প্রতিনিয়ত।  বেশ কিছু অনুষ্ঠানে গাইতে গত দুই মাসের মতো সময় ধরে ছুটে বেড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। কিছুদিন পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলেস শহর কর্তৃক বছরের সেরা রবীন্দ্র শিল্পী মর্যাদাপূর্ণ সার্টিফিকেট অব এক্সিলেন্স -এ ভূষিত হয়েছেন সজীব। সার্টিফিকেট তুলে দেন সিটি কাউন্সিলের সভাপতি পল কুকরিন। গত দেড় মাসে পারফর্ম করেছেন বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে। আরও বেশ কিছু প্রোগরামে তার গাইবার কথা রয়েছে। যেমন ১ লা সেপ্টেম্বর ডালাস ফোবানার তিন দিন ব্যাপী সম্মেলনে পারফর্ম করবেন তিনি। তারপর উড়ে যাবেন আটলান্টায়। সেখানেও রয়েছে পরপর দুটি অনুষ্ঠান। তারপর ভার্জিনিয়ায় আবারও ফিরে আসবে ৯ সেপ্টেম্বর একাত্তর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে একটি অনুষ্ঠানে গাইতে। বাংলাদেশের ফরিদপুরের ছেলে স্বপ্নীল সজীব গানের শুরুটা মাত্র ৫ বছর বয়সে, মঞ্চে। হাতেখড়ি হয়েছিলো খালা উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী লুত্ফর নাহার লতার কাছে। এরপর ছায়ানটে করেছেন রবীন্দ্রসংগীতে কোর্স। তালিম নিয়েছেন বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার কাছে। স্বপ্নীল সজীব লোকসংগীত গেয়ে ১৯৯৮ ও ২০০০ সালে পেয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার। ২০১১ ও ২০১৩ সালে রবীন্দ্র সম্মেলনে অর্জন করেন প্রথম স্থান। ২০১২ সালে ‘চ্যানেল আই নব গান নব প্রাণ’ প্রতিযোগিতায় হয়েছিলেন টপ ফাইনালিস্ট। ঐ বছরই প্রকাশ পায় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘টেগোর ট্রেজারি’, আর কলকাতা থেকে রিলিজ হয় তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ভাঙা-গড়ায় রবীন্দ্রনাথ। সম্প্রতি প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সেমিনারে। সেমিনার শেষে কলকাতায় যোগ দিয়েছিলেন ভারতের ২০তম প্রগতি বাঙলা উৎসবে। সেখানে দেওয়া হয় তাকে সম্মাননা। প্রগতি বাঙলা সেরা বাঙালি ও বঙ্গরত্ন সম্মাননা। রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কাজ করায় তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।  ভারত ও বাংলাদেশের বাংলা ভাষীদের কাছে জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী স্বপ্নীল। ইতিমধ্যেই পেয়েছেন অনেক সম্মাননা। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার প্লেব্যাক করা কয়েকটি চলচ্চিত্রের গান যেগুলো শীগ্রই মুক্তি পাবে ভারত এবং বাংলাদেশে।

post
আন্তর্জাতিক

ড. ইউনূসের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শতাধিক নোবেল জয়ীসহ ১৬০ বিশ্বনেতার খোলা চিঠি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নোবেলজয়ীসহ ১৬০ জন বৈশ্বিক নেতা খোলা চিঠি দিয়ে ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করার এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার আহ্বান জানিয়েছেন।২৮ আগষ্ট সোমবার এই চিঠি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোভিত্তিক জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান সিজিয়ন পিআর নিউজওয়্যার। চিঠিদাতাদের মধ্যে বারাক ওবামা, শিরিন এবাদি, আল গোর, তাওয়াক্কুল কারমান, নাদিয়া মুরাদ, মারিয়া রেসা, হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোসসহ ১৪ জন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী রয়েছেন। ওরহান পামুক, জে এম কোয়েটজিসহ ৪ জন সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী রয়েছেন। জোসেফ স্টিগলিৎজসহ অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী আছেন ৭ জন। এ ছাড়া রসায়নে ২৮ জন নোবেল বিজয়ী, চিকিৎসাশাস্ত্রে ২৯ জন নোবেল বিজয়ী এবং পদার্থবিজ্ঞানে ২২ জন নোবেল বিজয়ী রয়েছেন।  এ ছাড়া জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, যুক্তরাজ্যের ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ধনকুবের স্যার রিচার্ড ব্রানসনসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি রয়েছেন চিঠিদাতাদের তালিকায়। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, সামরিক কমান্ডারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা রয়েছেন। “ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সম্প্রতি চলমান বিচারিক কার্যক্রম আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে, এবং আমরা মনে করি এটি তাকে বিচারকভাবে হেনস্তা করার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া,” চিঠিতে বলা হয়েছে। এর আগে, চলতি বছরের মার্চে ৪০ জন বিশ্বনেতা একই ধরনের চিঠি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠিয়েছিলেন এবং ওয়াশিংটন পোস্টে সেই চিঠি ছাপা হয়েছিলো। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ড. মুহম্মদ ইউনূসের সমর্থন জানিয়ে একটি চিঠি প্রকাশ করেন। তার একদিন পর এই ১৬০ জন বিশ্বনেতার চিঠি প্রকাশ হয়ে আবারও আলোচনায় আসলো ড. মুহম্মদ ইউনূস ও আসন্ন সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গ।

post
আন্তর্জাতিক

কারাগার থেকে ট্রাম্পের মুখমণ্ডলের ছবি প্রকাশ

২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টার মামলায় আত্মসমর্পণ করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে জর্জিয়ার ফুলটন কারাগারে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। অবশ্য এর ২০ মিনিটের মাথায় জামিনে মুক্ত হন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা। এর আগেই নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছেন রিপাবলিকান এই নেতা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে তার বাসা থেকে ব্যক্তিগত বিমানে চড়ে জর্জিয়ায় পৌঁছান। এরপর তার বিশাল মোটর শোভাযাত্রায় ফুলটন কাউন্টি আদালতে হাজিরা দেন। আত্মসমর্পণের পরে অবশ্য জামিনে মুক্তি পান। তার জামিনে মুচলেকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ডলার। কারাগারে সাবেক প্রেসিডেন্টের আঙুলের ছাপ এবং মুখমণ্ডলের ছবি (মাগশট) নেওয়া হয়েছে যা কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে প্রথম ঘটনা। এ বিষয়ে চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন তিনি। একজন সাবেক প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে এমন আচরণে অপমানজনক হিসেবে দেখছেন তিনি। আদালতে আবেদন করতে পরবর্তী তারিখে তিনি আবার আসবেন। ট্রাম্পের আত্মসমর্পণকে কেন্দ্র করে বাইরে তার সমর্থক এবং আদালতে প্রচণ্ড ভিড় লেগে যায়। আটলান্টা বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার সময় স্বল্প সময়ের জন্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘একটি নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো সক্ষম হওয়া উচিত আপনার। আমি বিশ্বাস করি, এটি একটি কারচুপির নির্বাচন ছিল। আমি ভুল কিছু করিনি তা সবাই জানে।’

post
আন্তর্জাতিক

পবিত্র কুরআন পোড়ানো যাবে না: ডেনমার্ক

সাম্প্রতিক সময়ে নরডিক দেশগুলোতে কুরআর পোড়ানোর ঘটনা বাড়ায় মুসলিম বিশ্বের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে জনসম্মুখে পবিত্র কুরআন পোড়ানোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে যাচ্ছে ডেনমার্ক সরকার। ২৫ আগস্ট শুক্রবার দেশটি এ সংক্রান্ত এক আইন প্রস্তাব করেছে। ডেনমার্কের বিচার মন্ত্রী পিটার হামেলগার্ড এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার একটি আইন করতে যাচ্ছে, যেখানে ধর্মীয় তাৎপর্য বজায় রাখার জন্য বলা হবে এবং ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানো যাবে না। এই প্রস্তাব কুরআন পোড়ানো কারীদের জন্য একটি শিক্ষা। সাম্প্রতিক সময়ে ডেনমার্ক ও সুইডেনে একের পর এক কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব নিন্দা জানায় এবং দেশগুলোর সরকার প্রধানকে এ ঘটনা বন্ধে আহ্বান জানায়। কুরআন পোড়ানোয় ঘটনায় ডেনমার্ক তাদের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে। কারণ সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে এমন ধারণা থেকে দেশটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নরডিক দেশগুলো বিরোধী দলের দ্বারা সমালোচনার শিকার হলেও সরকার কুরআন পোড়ানোর ক্ষেত্রে আইন করতে যাচ্ছে। সূত্র: আরব নিউজ

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.