post
বাংলাদেশ

ছাত্রলীগের ওপর হামলার নিন্দা কাদেরের

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে বিনা উসকানিতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ ছাত্রলীগের ওপর নির্বিচারে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই আন্দোলনকারীদের একটা অংশ রাজাকারের পক্ষে কথা বলছে। এটা স্পষ্ট এর পেছনে রয়েছে বিএনপি-জামায়াত।মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ টার্গেট করে যে আন্দোলন তা প্রতিহত করা হবে। ধৈর্য ধারণ করা মানে নীরবতা নয়, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেতুমন্ত্রী বলেন, কোটা আন্দোলনের পেছনে একটি মতলবি মহল আছে। অতীতেও সড়ক আন্দোলন কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করে আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে চেয়েছিল বিএনপি। অগ্নিসন্ত্রাস করেছে। কিন্তু সে আন্দোলনে তারা সাড়া পায়নি। জনগণের শক্ত অবস্থানের কাছে পরাস্ত হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ যে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলছে, এ আন্দোলনেরও নেতৃত্ব নিয়েছে তারেক রহমান। তার দল বিএনপি প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছে। একটা অরাজনৈতিক ইস্যু রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করতে চক্রান্ত করছে। একটা অপশক্তিকে এর পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কোটা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাকে বিকৃত করে উপস্থাপন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপ্রয়াস চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কোটা আন্দোলনের কাউকে উদ্দেশ্য করে রাজাকার শব্দ ব্যবহার করেননি।

post
বাংলাদেশ

যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথ গরম রাখার চেষ্টায় বিএনপি

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ও পেনশন স্কিম নিয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের আন্দোলনে এই মুহূর্তে উত্তপ্ত রাজপথ। রাজপথের এই তেজ থাকতেই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটাতে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন ছক কষছে বিএনপি ও তার শরিকেরা। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনাও করছে তারা। এই অবস্থায় দাবি পূরণ হলেও সরকার পতনের জন্য আন্দোলনরত ছাত্র-শিক্ষকদের মাঠে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি ও শরিক দলগুলোর নেতারা।রাজধানীতে গতকাল শনিবার এক আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ছাত্রসমাজকে বলব, মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আশা করি কোটা আন্দোলন সফল হলে তোমাদের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে রাজপথে লড়াই করতে হবে। আমরা তোমাদের সঙ্গে থাকব।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, যুগপৎ আন্দোলনকে মাঠে নিতে শরিকদের সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার থেকে সিরিজ বৈঠক করছে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটি। এ পর্যন্ত অন্তত ৯টি দল ও জোটের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। শনিবার গণঅধিকার পরিষদ ও লিবারেল মোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটি ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু অংশ নেন। গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই অবৈধ, দখলদার সরকারকে সরানোর যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেই আন্দোলনে আরও গতি ঞ্চার করে সফল সমাপ্তির পথে নিতে আমরা আলোচনা করেছি। এদিন লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে আন্দোলনরত ছাত্র-শিক্ষকদের ঘরে না ফেরার আহ্বান জানান লিবারেল মোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট অলি আহমদও। তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শুধু কোটা নয়, সমগ্র বাংলাদেশকে মুক্ত করা আপনাদের দায়িত্ব। কারণ, আপনারা যুবক। আমরা যখন যুবক ছিলাম, তখন এ দেশকে স্বাধীন করেছি। এখন আপনারা এই সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করেন। সমস্যা সমাধানের পরই আপনারা ঘরে ফিরে যাবেন না। আপনাদের উচিত হবে এই দেশকে স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্ত করা। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় কোটা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমি কোটা আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের প্রতি একটু অনুরোধ করব, তারা যেভাবে কোটার জন্য লড়াই করছে, তাদের ভোটের জন্য এভাবে লড়াই করতে হবে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য এভাবে লড়াই করতে হবে। লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে অলি আহমদ বলেন, আমাদের সঙ্গে বিএনপির মিটিং চলছে। অতীতের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আগামী দিনে কর্মসূচি কী হবে, সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে। আলোচনা-পর্যালোচনার পর নতুন কর্মসূচি প্রণয়ন করা হবে।

post
বাংলাদেশ

‘অরাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সরকার একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে? কোটাবিরোধী আন্দোলন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’রোববার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এতে ‘বিএনপিসহ একটি চিহ্নিত মহলের ষড়যন্ত্র ও অপকৌশলের বিরুদ্ধে’ সাধারণ শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান সেতুমন্ত্রী। বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ও তার দোসররা এই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপি নেতারা বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে উসকানি দিচ্ছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। তাই কারও উসকানিতে পড়ে সরকারবিরোধী বক্তব্য না দিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়—এমন কর্মসূচি পরিহার করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। চূড়ান্ত শুনানিতে আদালত সব পক্ষের বক্তব্য এবং যুক্তিতর্ক আমলে নিয়ে চূড়ান্ত রায় দেবেন। আমরা আশা করি, অচিরেই এ বিষয়ে সমাধান হবে।

post
বাংলাদেশ

কোটা আন্দোলনে বিএনপিকে জড়িয়ে সরকার ভিন্ন চক্রান্ত করছে

কোটা আন্দোলনে বিএনপিকে জড়িয়ে সরকার ভিন্ন চক্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ।শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা আব্বাস বলেন শিক্ষার্থীদের কোটা সংষ্কারের আন্দোলন যৌক্তিক ও ন্যায্য। সরকার এর সাথে বিএনপিকে জড়িয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পণ্ড করার চক্রান্ত করছে জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, কোটা আন্দোলন নস্যাৎ করতে পেছন থেকে সরকার কিছু করছে কি না তা নিয়ে শঙ্কা আছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়নি বরং সরকার আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে। সরকার পতন ঘটানোই বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানান মির্জা আব্বাস।

post
বাংলাদেশ

কোটা ইস্যুতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে দেবে না ছাত্রলীগ

চলমান কোটা আন্দোলন নিয়ে ছাত্রলীগ কাউকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে দেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় সরকারি চাকরিতে ‘কোটা’ ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলাপন, যৌক্তিক উপায় নেওয়া এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য ‘পলিসি অ্যাডভোকেসি ও ‘ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইনের ওপর আলোকপাতের উদ্দেশ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। ইনান বলেন, আমরা একটি ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিয়েছি যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর হলে শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদের সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো। কোটা ইস্যুর যৌক্তিক এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের লক্ষ্যে ঘোলা পানিতে কেউ যেন মাছ শিকার করতে না পারে সেজন্য সচেষ্ট রয়েছি। বিভিন্ন সঠিক তথ্য-উপাত্ত লিফলেট আকারে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরবো। কারণ তারা যেন ভুল পথে পা না বাড়ান, কোনো ষড়যন্ত্রে নিজেদের ভবিষ্যৎ জীবন বিনষ্ট না করেন। এ দেশ আমাদের, শিক্ষার্থীদের বিষয়টি মাথায় রেখে চলতে হবে। সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের যে দায়বদ্ধতা সেটি যেন তারা পালন করেন। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা শিক্ষার্থীদের ঘাড়ে ভর করে ষড়যন্ত্র করে এ দেশের অগ্রযাত্রা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে সেই ধরনের লোকদের এ আন্দোলনে সম্পৃক্ততা আমাদের উদ্বিগ্ন করে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে কেউ দেশের শান্ত পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে ফলাফল ভালো হবে না।

post
বাংলাদেশ

‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নেই’

তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে বিএনপি-জামায়াত অপরাজনীতি এবং ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এ আদেশের পরে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনো কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এরপরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই।’ শুক্রবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এতে সই করেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই আন্দোলনের ওপর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে। শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে? সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাদের পক্ষেই আছে। এরপরও আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনকে উসকানি দিচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখলে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণ এই আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তারা আস্থাহীন হয়ে পড়বে। একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি না কোমলমতি সব শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তারাই আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।’

post
বাংলাদেশ

‘দলীয় লোকদের দিয়ে চালালে ঢাকা কেন সারা দেশ ডুববে’

মেধাবীদের বাদ দিয়ে দলীয় লোক দিয়ে সবকিছু পরিচালনা করা হলে বৃষ্টিতে ঢাকা কেন, পুরো বাংলাদেশ ডুববে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।তিনি বলেন, ঢাকা শহর তো ডুববেই, কারণ মেধাবী লোকজন তো কোথাও নেই। পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন কাজে মেধাবীদের নিয়ে আসতে হবে। যদি দলীয় লোকজন দিয়ে সবকিছু পরিচালনা করা হয় তাহলে ঢাকা ডুববে, সারা বাংলাদেশ ডুববে। শুক্রবার (১২ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফা ও এক দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করে গণতন্ত্র মঞ্চ। বিএনপির এই নেতা বলেন, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে দেশ এমনিতেই ডুবে গেছে, এখন শুধু পানির ডুবা দেখতে পাচ্ছেন। সব দিক থেকে বাংলাদেশ ডুবে গেছে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের জন্য শিক্ষার্থীরা যেভাবে লড়াই করছে, একইভবে ভোট ও গণতন্ত্রের জন্যও তাদের লড়াই করার আহ্বান। তিনি বলেন, সরকার যেভাবে রাষ্ট্র চালাচ্ছে, এতে আগামী দিনে মেধাবী বাংলাদেশের কোনও সুযোগ নেই। দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। আমার মনে হয় না, এই সরকার দেশকে মেধাবী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। কারণ মেধাবীরা সত্যি কথা বলে, সত্যের পথে চলে, প্রতিবাদ করে, প্রতিরোধ করে।

post
বাংলাদেশ

আইনমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেনসহ উভয় পক্ষের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।শুক্রবার (১২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঢাকা থেকে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে আসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান মনির হোসেন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শোভাযাত্রাসহ স্টেশনের বাইরে সিএনজি স্ট্যান্ডের সামনে অবস্থান নেন। অন্যদিকে মন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে স্টেশনের ভেতরে অবস্থা নেন পৌর মেয়র তাকজিল খলিফার নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহবুদ্দিন বেগ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুরাদ হোসেন ভূঁইয়া। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্ত্রী স্টেশন থেকে বের হয়ে গাড়িতে কসবার উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে উপজেলার সড়ক বাজারের দিকে হাঁটা শুরু করেন উভয়পক্ষের নেতারা।

post
বাংলাদেশ

‘যারা আন্দোলনে আছে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে’

আদালতের রায়ের পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে এসেছেন জানিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, তবে, এখনও যারা আন্দোলনে আছে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। সসরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরতে এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি থেকে ফিরে আসতে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এছাড়া এই আন্দোলনের নামে নারী ও নৃতাত্ত্বিকদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে, একই ইস্যুতে কথা বলেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

post
বাংলাদেশ

বাংলা ব্লকেড আন্দোলনের কারনে যাত্রী চাপ মেট্রোরেলে, স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন আন্দোলনকারীরা। এ কারণে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর চাপ পড়েছে মেট্রোরেলের ওপর। যাত্রীদের চাপ সামলাতে মতিঝিল স্টেশনে প্রবেশ ফটক বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।আজ বিকেল পৌনে চারটায় কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, বসুন্ধরা সিটি প্রান্তের প্রবেশমুখে যাত্রীদের ভিড় সিঁড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে। স্টেশনের ভেতরে ঠাঁই নেই অবস্থা। টিকিট কাউন্টার ও টিকিট কেনার মেশিনের সামনে উপচে পড়া ভিড়।মিরপুর যাওয়ার জন্য মেট্রো স্টেশনে এসেছেন আনিসুর রহমান। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। তিনি বলেন, ‘নিচে গাড়ি নেই দেখে হেঁটে মেট্রো স্টেশনে এসেছি। এখনো স্টেশনে ঢুকতেই পারিনি। কতক্ষণে টিকিট কেটে ট্রেন পাব বুঝতে পারছি না। নিচে দাঁড়িয়ে থেকেও তো লাভ নেই।’সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ‘অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক’ কোটা বাতিল এবং সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করার দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি দল শাহবাগ মোড়ের সড়ক অবরোধ করে। এ ছাড়া কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, আগারগাঁও, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ফার্মগেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা।রাজধানীর প্রায় সব সড়কে যানবাহন স্থবির হয়ে আছে। লোকজন অনেকটা বাধ্য হয়ে মেট্রো স্টেশনে ছুটছেন, কিন্তু সেখানেও যাত্রীর চাপে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.