post
টেক মেন্টর

ইউএপির সঙ্গে সিয়াস ও ডব্লিউইউএসটির সমঝোতা স্মারক সই

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সঙ্গে চীনের সিয়াস ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) চীনের বেইজিং কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টসের (আইএইউপি) সাধারণ পরিষদের অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সম্পর্কের সূচনা হয়েছে।চীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বারা স্বীকৃত সিয়াস ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অন্যতম একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এখানে ৩০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। ইউএপির উপাচার্য কামরুল আহসান এবং সিয়াস ইউনিভার্সিটির প্রভোস্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক লুসি লু নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারক সই করেন। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি উচ্চশিক্ষার একটি আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়। ডেভিড সোহন ২০০৮ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। একই দিনে ইউএপির উপাচার্য কামরুল আহসান এবং ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ তাঁদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ইউএপির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি যৌথভাবে একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক সামগ্রী এবং প্রকাশনাগুলো বিনিময় করবে। একই সঙ্গে ছাত্রদের জন্য যৌথ সম্মেলন ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেবে এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন, কর্মশালা, অনুষদ, কর্মী এবং ছাত্রবিনিময় প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করবে।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি ও রঙহীন ভবিষ্যৎ - আবুবকর হানিপ

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি এক কঠিন বাস্তবতা এবং গভীর আবেগপূর্ণ বিষয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সময়ের ব্যবধানে ছাত্ররাজনীতি আমাদের একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বের আলো ম্লান করে দিয়েছে এবং তরুণদের ভবিষ্যেক ঠেলে দিয়েছে অনিশ্চয়তার মুখে। ছাত্ররাজনীতির ক্ষতিকর দিকগুলোই হয়ে উঠেছে প্রকট। আমরা যদি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জাপান, সৌদি আরব বা এমনকি ভারতের মতো দেশগুলোর দিকে তাকাই, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের এক তীব্র বৈপরীত্য দেখতে পাই।ওই সব দেশে ছাত্ররাজনীতি নেই বললেই চলে। অথচ বাংলাদেশে তা শিক্ষাব্যবস্থার গভীরে প্রোথিত হয়ে রয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কোমলমতি শিক্ষার্থীর মন ও হৃদয় রাজনীতির জালে জড়িয়ে পড়ে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিপরীত মেরুর দিকে নিয়ে যায়। একসময়ে তা জাতীয় ঐক্যে আঘাত হানে আর ভেঙে দেয়।তখন সহপাঠী আর এক বেঞ্চিতে বসতে পারে না। এক পর্যায়ে এই বিভাজন কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এমন শত্রুতার বীজ বপন হয়, যা নাগরিক সমাজেও প্রতিফলিত হতে থাকে। ফলে একসময় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকা মানুষের মাঝেও সৃষ্টি করে বিরোধ।বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হওয়ার পরপরই স্রেফ হলের আসন পাওয়ার মতো মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করতেই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রবল চাপে পড়ে যায়যারা কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততায় থাকে না, তারা ভালো আসন পেতে চরম বৈষম্যে পড়ে। বলা চলে, পায়ই না। বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি পরিবেশ বিরাজ করে, যা মেধার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্যকে বেশি গুরুত্ব দেয়। আর তা নিঃসন্দেহে শিক্ষার্থীর জন্য ক্ষতিকর।ছাত্ররাজনীতির সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিকটি হলো শিক্ষার্থীর মেধার ওপর এর গভীর কালো ছায়া ফেলার ক্ষমতা।পুলিশ, সামরিক বাহিনী, শিক্ষকতা, চিকিৎসা এবং প্রকৌশল ক্ষেত্রের নিয়োগে সরকারি প্রভাব। বিশেষ করে বিসিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক আনুগত্য প্রায়ই একাডেমিক মেধাকে ছাপিয়ে যায়। এই সমস্যা শুধু নিয়োগপ্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলছে। একাডেমিক বিষয়ে রাজনৈতিক গোষ্ঠীর, বিশেষত শাসকদলের সম্পৃক্ততা শিক্ষাজীবনের বাইরেও প্রভাব ফেলে। পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বের (উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য) নিয়োগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মেধাভিত্তিক নিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করছে, যার ফলে শিক্ষার গুণগত মানের অবনতি ঘটছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় প্রায়ই রাজনৈতিক আনুগত্য একাডেমিক মেধাকে ছাপিয়ে যায়, যা বৈশ্বিক শিক্ষাগত র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে ক্রমাগত অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর ব্যাপক সম্পৃক্ততা ও প্রভাব ক্যাম্পাসে সহিংসতা এবং অনৈতিক কার্যকলাপের জন্ম দিয়েছে। এই সমস্যাগুলো শুধু একাডেমিক কার্যক্রমকেই ব্যাহত করছে তা নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক মঙ্গলকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। লক্ষ করা গেছে, শাসকদল যখন কাউকে গুরুদায়িত্ব দেয়, সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে পদের গুরুত্বটি প্রায়ই অগ্রাধিকার হারায়, বরং সব প্রচেষ্টা থাকে পদ ধরে রাখার বা ব্যক্তিগত স্বার্থে নিজের আখের গোছানোর দিকে কেন্দ্রীভূত হয়, যা দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। শিক্ষাব্যবস্থার ওপর এই রাজনৈতিক প্রভাব মেধার বিকাশকে রুদ্ধ করছে। ফলে মেধাবীরা যথাযথ স্বীকৃতি এবং সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে দেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল মেধাবীরা হতাশায় ভুগতে শুরু করে এবং অনেকেই দেশের স্বপ্ন ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেয় কিংবা বেআইনি পথে পা বাড়ায়। মেধার যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ার কারণে জাতির ভবিষ্যৎ তরুণরা হতাশার গভীরে তলিয়ে যেতে থাকে, যা দেশের জন্য একটি গভীর সংকট তৈরি করছে। এহেন পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দেয় যে যখন রাজনৈতিক আনুগত্যের কারণে প্রকৃত যোগ্যতার মূল্যায়ন উপেক্ষিত হয়, তখন একটি পুরো জাতির সম্ভাবনা ব্যাহত হয় এবং দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়।যখন শিক্ষক নিয়োগ হয় তার রাজনৈতিক সংযোগের ভিত্তিতে এবং মেধার মূল্যায়ন উপেক্ষিত হয়, তখন এর প্রভাব শিক্ষার গুণগত মান এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক শিক্ষাগত অভিজ্ঞতার ওপর গভীরভাবে পড়ে। এই মানসিকতা বাংলাদেশের অগ্রগতির পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এর মূল্য দিতে বাধ্য হচ্ছে। প্রমাণ মেলে যখন আমরা দেখি অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মানে উন্নতি করছে, আর আমাদের রাষ্ট্রীয় এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে অনেক পিছিয়ে পড়ছে।উপযুক্ত পরিবেশ ও সহায়তা পেলে বাংলাদেশিরা বিশ্ব পর্যায়ে অনন্য অবদান রাখতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, বিদেশে অধ্যয়ন করা বাংলাদেশিরা; যেমন—নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মাইক্রোক্রেডিট এবং সামাজিক ব্যবসার পথিকৃৎ; ড. ফজলুর রহমান খান, উঁচু ভবনের জন্য ‘টিউবুলার ডিজাইনের জনক’, যিনি বিখ্যাত সিয়ার্স টাওয়ার ডিজাইন করেছিলেন এবং যাঁকে প্রায়ই ‘স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আইনস্টাইন’ এবং ‘বিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার’ বলা হয়; ড. মোহাম্মদ আতাউল করিম, একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী; ইন্টেলের সাবেক চেয়ারম্যান ড. ওমর ইশরাক; সোনো আর্সেনিক ফিল্টারের উদ্ভাবক ড. আবুল হুসাম এবং টেভোজেন বায়োর সিইও ড. রায়ান সাদি বিশ্বব্যাপী যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন। তাঁদের এই অসামান্য সাফল্য আমাদের গর্বিত করে, যা আমাদের জাতির অসীম সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। এ ছাড়া শিক্ষা, প্রকৌশল, চিকিৎসা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আইটি, এমনকি ব্যবসাক্ষেত্রেও অসংখ্য বাংলাদেশি রয়েছেন, যাঁরা প্রবাসে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন, জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে গর্বিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশের স্থানীয় রাজনীতিতেও আমরা অনেক বাংলাদেশিকে দেখি তাঁদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন। এটিই মেধার বিকাশ। সঠিক পরিবেশই তাঁদের এই অগ্রগতিতে সহায়তা করেছে।অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের একটি গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের অসামান্য ও প্রশংসনীয় ভূমিকা ছিল। কিন্তু বর্তমানে ছাত্ররাজনীতিতে বিভাজন, সংঘাত, রাজনৈতিক নেতাদের আড়ালে চাঁদাবাজি, র্যাগিং, বুলিং, সহিংসতা, অসাধু ভর্তি বাণিজ্য এবং নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মাঝে ভয় সৃষ্টির মতো নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট। বর্তমান ছাত্ররাজনীতির ভয়াবহ থাবা শিক্ষার মূল লক্ষ্য—শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবন থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিচ্ছে।জাপান, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোতে ছাত্ররাজনীতি নেই বললেই চলে, যা তাদের শিক্ষাব্যবস্থা এবং সামগ্রিক অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই দেশগুলো তাদের শিক্ষার্থীদের শক্তিকে একাডেমিক উত্কর্ষ, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে ধাবিত করেছে রাজনৈতিক জটিলতায় জড়িয়ে না ফেলে। জাপানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার গুণমানকে অগ্রাধিকার দেয়, জার্মানির ছাত্রসংগঠনগুলো মূলত কল্যাণ ও প্রশাসনিক বিষয়ে কাজ করে। দক্ষিণ কোরিয়া, যা একসময় ছাত্র আন্দোলনের জন্য বিখ্যাত ছিল, এখন একাডেমিক বিষয়ে মনোনিবেশ করেছে। সিঙ্গাপুরে সরকারের কঠোর নিয়মাবলি শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে ছাত্ররাজনীতিকে দূরে রেখে।এই দেশগুলো তাদের ছাত্রদের গঠনমূলক বিকাশ এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য কাজে লাগিয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশও এই উদাহরণগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারে। যদি আমরা সত্যি আমাদের দেশের উন্নতি চাই, তবে আমাদেরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিরুৎসাহ করে মেধা এবং একাডেমিক উত্কর্ষের ওপর জোর দিতে হবে। বাংলাদেশ তার শিক্ষার্থীদের সেই নেতৃত্বের দিকে ধাবিত করতে পারে, যা শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং জাতি গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখবে, রাজনৈতিক বিভাজনের খেলায় নয়।এখনই সময় বাংলাদেশ এই সফল দেশগুলোর পথ অনুসরণ করে শিক্ষায় মেধার বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। ছাত্ররাজনীতির ওপর পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা চরমপন্থা মনে হতে পারে, কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় শিক্ষা এবং মেধাতন্ত্রকে প্রাধান্য দেওয়ার এক জরুরি আহ্বান জানাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে অনুপ্রাণিত করার মানেই হচ্ছে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য পথ প্রশস্ত করা। বর্তমান ছাত্ররাজনীতি চর্চার পরিবর্তে আমি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ছাত্রসংসদ’ নামে পরিচিত স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এসজিএ) কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব করছি। তবে এই সংস্থাগুলো অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে অরাজনৈতিক থাকতে হবে। এসজিএগুলো প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে পারে, এমনকি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে মতামত প্রকাশের জন্য শিক্ষার্থীদের আবেগকে চালিত করতে পারে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, মুক্তচিন্তা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার চেতনা জাগিয়ে তুলতেও এরা ভূমিকা রাখতে পারে।ছাত্রশক্তিকে একত্র করতে যে ছাত্রদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে না তার প্রমাণ আমরা সম্প্রতি বিশ্বপরিমণ্ডলে পেয়েছি গাজা যুদ্ধ ইস্যুতে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার হতে দেখেছি একটি অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে তথা মানবতার বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে। আর বাংলাদেশে আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীদের জাগরণ। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার হয়ে নিশ্চিত করেছে তাদের বিজয়। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি। বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির বর্তমান জটিলতা জাতীয় বিভাজন, মেধাতন্ত্রের ক্ষয় এবং শিক্ষার অঙ্গীকারের হ্রাস ঘটিয়েছে। ছাত্ররাজনীতি যেখানে কম প্রভাব রাখে এমন দেশের সঙ্গে এই বাস্তবতার বৈপরীত্য আমাদের জন্য একটি জাগরণী হিসেবে কাজ করা উচিত। এখন সময় এসেছে দেশপ্রেমিক এবং সচেতন মানুষের একত্র কণ্ঠে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার।আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা পুনর্বিবেচনা করা জরুরি, যাতে আমরা শিক্ষিত, উদ্ভাবনী এবং ঐক্যবদ্ধ মানুষের একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারি, যারা জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আশাভরা হৃদয়ে আমাদের তরুণদের মাঝে নতুন সম্ভাবনার আগুন প্রজ্বালিত করতে হবে, তাদের দ্রুত উত্থিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।লেখক : চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র (www.wust.edu) এবং প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পিপলএনটেক (www.peoplentech.com)

post
বাংলাদেশ

ঢাবিতে বিপ্লবীদের আঁকা গ্রাফিতি পরিদর্শন ড. ইউনূসের

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনি জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের সময় তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা বর্ণিল ও বিচিত্র গ্রাফিতি ঘুরে দেখেছেন।এ সময় আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রদের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহর ও নগরের দেয়ালে তরুণ শিক্ষার্থীদের আঁকা সেরা গ্রাফিতি নিয়ে একটি আর্ট বুক প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী ‘দি আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ নামের একটি আর্ট বুক প্রকাশ করা হয়।বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে তরুণ চিত্রশিল্পীদের আঁকা-লেখায় ঢাকা সারা দুনিয়ার গ্রাফিতি রাজধানী হিসেবে পরিচিতি পায়। দেয়ালগুলো পরিণত হয় প্রতিবাদ-বিক্ষোভের বিশাল ক্যানভাসে। সরকারকে নানা শক্তিশালী বার্তা দিতে তাঁরা বিভিন্ন সৃজনশীল ও হৃদয়গ্রাহী স্লোগান ও কবিতা লিখেছেন। এসব বার্তা যেন বিপ্লবের চেতনা ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার শিল্পিত প্রতিফলন। ছাত্ররা দেশবাসীর সমর্থন আদায়ে শিল্পকর্মের মাধ্যমে মুক্তির বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন।অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলকে এই আর্ট বুক উপহার দিয়েছেন। ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তাদের হাতে এ উপহার তুলে দেন তিনি।এ ছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরের সময়ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস কানাডার প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের হাতে দি আর্ট অব ট্রায়াম্ফ নামের আর্ট বুকটির কপি তুলে দেন।

post
টেক মেন্টর

মাইক্রোসফটের নামে ই-মেইল পাঠিয়ে যেভাবে প্রতারণা করছে হ্যাকাররা

মাইক্রোসফটের কর্মী বা মাইক্রোসফট অনুমোদিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে ভুয়া ই-মেইল পাঠিয়ে উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা করছে একদল হ্যাকার। এরই মধ্যে মাইক্রোসফটের ভুয়া পরিচয়ে প্রায় পাঁচ হাজার ভুয়া ই–মেইল পাঠানোর ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান চেক পয়েন্ট রিসার্চ। চেক পয়েন্ট রিসার্চের তথ্যমতে, ভুয়া ই-মেইলে মাইক্রোসফটের প্রাইভেসি নীতিমালাসহ বিভিন্ন নীতিগত বিষয় হুবহু লেখা থাকে। এমনকি মাইক্রোসফটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া থাকে। ফলে অনেকেই ই-মেইলটিকে মাইক্রোসফটের পাঠানো বলে বিশ্বাস করেন। কিন্তু ভুয়া ই-মেইলে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের প্রলোভনে এক বা একাধিক ভুয়া লগইন পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংকে ক্লিক করতে বলা হয়। লিংকগুলোতে ক্লিক করলেই যন্ত্রে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করে পাসওয়ার্ডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে হ্যাকারদের কাছে পাঠাতে থাকে। পরে এসব তথ্য বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি ই-মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ দাবি করে হ্যাকাররা।জানা গেছে, মাইক্রোসফটের নামে পাঠানো ই-মেইলগুলো এমনভাবে লেখা হয়, যা দেখে প্রথমে আসল বলেই মনে হয়৷ কারণ, ভুয়া ই-মেইলগুলো যেসব ঠিকানা থেকে পাঠানো হয়, সেগুলোর ডোমেইন নেম প্রায় মাইক্রোসফটের ডোমেইন নেমের মতোই। অর্থাৎ মাইক্রোসফটের ডোমেইন নেমের কিছু শব্দ পরিবর্তন করে এসব ডোমেইন নেম তৈরি করা হয়েছে। ফলে ভালোভাবে খেয়াল না করলে যে কেউ এ ধরনের প্রতারণার কবলে পড়তে পারেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

post
খেলা

মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার বিশাল জয়

কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে আগের দুই ম্যাচে বিবর্ণ ছিলেন লিওনেল মেসি। তার দলও ওই দুই ম্যাচে হার ও ড্র করে ধাক্কা খায় । তবে এবার অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল বলিভিয়ার বিপক্ষে সেরা ছন্দে ফিরলেন তিনি। করলেন অসাধারণ হ্যাটট্রিক। অধিনায়ককে সঙ্গ দিয়ে গোল পেলেন হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজরা। প্রতিপক্ষের জালে গোল উৎসব করে জিতল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে বুয়েন্স আইরেসে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা-বলিভিয়া। তাতে ৬-০ গোলে জিতেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। দলের হয়ে ৩ গোল করেন মেসি। লাউতারো, আলভারেজ ছাড়াও গোল করেন থিয়াগো আলামাদা। এই জয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে বাছাইপর্বে ২২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল আর্জেন্টিনা। প্রথম কয়েক মিনিট নিজেদের গুছিয়ে নিতে সময় নেন আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটেই আসে প্রথম গোল। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের পা থেকে বল কেড়ে মেসিকে যোগান দেন সতীর্থ। ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে নিখুঁত প্লেসিংয়ে জালে জড়িয়ে আনন্দে ভাসেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল পেয়ে যায় তারা। ৪৩ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে মেসির পাস থেকে বল নিয়ে সহজেই জালে জড়ান লাউতারো। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে মেসির লম্বা করে বাড়ানো বল ধরে তৃতীয় গোল করেন আলভারেজ। বিরতির পরও প্রতিপক্ষকে নিস্তার দেয়নি চ্যাম্পিয়নরা। ৬৯ মিনিটে নাহুয়েল মলিনার ক্রস থেকে গোল করেন আলমাদা। মেসি হ্যাটট্রিক করেন ৮০ মিনিটের পর। মাঝ মাঠ থেকে বল নিয়ে ছুটে বক্সের ঢুকে ৮৪ মিনিটে করেন দলের পঞ্চম ও নিজের দ্বিতীয় গোল। দুই মিনিট পরই ফের তার ঝলক। সতীর্থের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে বা পায়ের জোরালো শটে হ্যাটট্রিক করে ঘরের মাঠের দর্শকদের আনন্দে মাতোয়ারা করে তুলেন তিনি। 

post
বাংলাদেশ

বাতিল হচ্ছে যে ৮ জাতীয় দিবস

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চে পালিত শিশু দিবসসহ আটটি জাতীয় দিবস বাতিল করছে সরকার। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। বাতিল হওয়া জাতীয় আটটি দিবস হচ্ছে—ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

post
বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিকেলে হাসপাতালে যাবেন খালেদা জিয়া

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ বিকেলে হাসপাতালে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।তিনি জানান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ বিকাল ৫ টার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা রয়েছে।এর আগে সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। ৬ আগস্ট বঙ্গভবন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়।

post
আন্তর্জাতিক

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলের হামলা, নিহত অন্তত ২২

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় কমপক্ষে আরও ২২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। ইসরায়েল মধ্য গাজার একটি স্কুলে হামলা চালালে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।হামলার শিকার স্কুলটিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল। সোমবার (১৪ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মধ্য গাজার নুসেইরাতে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি ট্যাংকের গোলাবর্ষণে ২২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ৮০ জন আহত হয়েছেন।গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি বলেছে, নুসেইরাত ক্যাম্পের এই স্কুলটিতে রোববার ব্যাপক আর্টিলারি হামলা চালানো হয়। বর্বর এই হামলায় অনেক পুরো পরিবার নিহত হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) বলছে, তারা এই প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে।এর আগে গাজার উত্তরাঞ্চলে রাস্তার মোড়ে খেলার সময় ড্রোন হামলায় পাঁচ শিশু নিহত হয় বলে জানা গেছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪২ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৯৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

post
বাংলাদেশ

মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

পূজার ছুটি শেষে গার্মেন্টস খুলতেই বিক্ষোভ নেমেছেছে ঢাকার মিরপুরের শ্রমিকরা। বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন মিরপুর-১৪ নম্বর কচুক্ষেত এলাকার কয়েকটি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা।সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক মিরপুর-১৪ এলাকার রাস্তা অবরোধ করে রাখেন। এতে মিরপুর-১৪ থেকে কচুক্ষেত পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পর সোমবার প্রথম কর্মদিবসে এই আন্দোলনের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। সড়ক অবরোধের ফলে মিরপুর-১৪ থেকে কচুক্ষেত পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।শ্রমিকদের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের ৩ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। তাই তাদের বেতন পরিশোধ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা 

post
বাংলাদেশ

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করে প্রজ্ঞাপনের দাবি

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করে অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশীরা। প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত তারা শাহবাগে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাজধানীর শাহবাগ জাদুঘরের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচির শুরু হয়।যাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীরা ‘এক দুই তিন চার-৩৫ আমার অধিকার’, ‘আর নয় কালক্ষেপণ-দিতে হবে প্রজ্ঞাপন’, ‘দিয়েছি তো রক্ত-আরও দেবো রক্ত’স্লোগান দেন।চাকরি প্রত্যাশীরা বলেন, আজকে আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি দিনব্যাপী চলবে। সরকার যদি আমাদের দাবি মেনে না নিয়ে প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি না করে তাহলে আমাদের কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।যে কারণে পুরুষের ৩৫, নারীর ৩৭ করার সুপারিশ তারা বলেন, আমাদের সঙ্গে সরকারের যে বৈঠক হয়েছে সেখানে আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এর মধ্যে আমরা ছেলেদের ক্ষেত্রে চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স সীমা ৩৭ করার জন্য দাবি জানিয়েছি। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে উন্মুক্ত করার কথা বলেছি। সেটা সরকার বিবেচনা করবে। যদি আমাদের দাবি সরকার মেনে নেয় তাহলে সে ক্ষেত্রে অবসরের সময় যেই দুই বছর বাড়ানো হয়েছে, সেটা যেন না করা হয় সেজন্য আমরা সুপারিশ জানিয়েছি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.