post
খেলা

মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার বিশাল জয়

কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে আগের দুই ম্যাচে বিবর্ণ ছিলেন লিওনেল মেসি। তার দলও ওই দুই ম্যাচে হার ও ড্র করে ধাক্কা খায় । তবে এবার অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল বলিভিয়ার বিপক্ষে সেরা ছন্দে ফিরলেন তিনি। করলেন অসাধারণ হ্যাটট্রিক। অধিনায়ককে সঙ্গ দিয়ে গোল পেলেন হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজরা। প্রতিপক্ষের জালে গোল উৎসব করে জিতল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে বুয়েন্স আইরেসে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা-বলিভিয়া। তাতে ৬-০ গোলে জিতেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। দলের হয়ে ৩ গোল করেন মেসি। লাউতারো, আলভারেজ ছাড়াও গোল করেন থিয়াগো আলামাদা। এই জয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে বাছাইপর্বে ২২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল আর্জেন্টিনা। প্রথম কয়েক মিনিট নিজেদের গুছিয়ে নিতে সময় নেন আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটেই আসে প্রথম গোল। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের পা থেকে বল কেড়ে মেসিকে যোগান দেন সতীর্থ। ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে নিখুঁত প্লেসিংয়ে জালে জড়িয়ে আনন্দে ভাসেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল পেয়ে যায় তারা। ৪৩ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে মেসির পাস থেকে বল নিয়ে সহজেই জালে জড়ান লাউতারো। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে মেসির লম্বা করে বাড়ানো বল ধরে তৃতীয় গোল করেন আলভারেজ। বিরতির পরও প্রতিপক্ষকে নিস্তার দেয়নি চ্যাম্পিয়নরা। ৬৯ মিনিটে নাহুয়েল মলিনার ক্রস থেকে গোল করেন আলমাদা। মেসি হ্যাটট্রিক করেন ৮০ মিনিটের পর। মাঝ মাঠ থেকে বল নিয়ে ছুটে বক্সের ঢুকে ৮৪ মিনিটে করেন দলের পঞ্চম ও নিজের দ্বিতীয় গোল। দুই মিনিট পরই ফের তার ঝলক। সতীর্থের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে বা পায়ের জোরালো শটে হ্যাটট্রিক করে ঘরের মাঠের দর্শকদের আনন্দে মাতোয়ারা করে তুলেন তিনি। 

post
বাংলাদেশ

বাতিল হচ্ছে যে ৮ জাতীয় দিবস

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চে পালিত শিশু দিবসসহ আটটি জাতীয় দিবস বাতিল করছে সরকার। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। বাতিল হওয়া জাতীয় আটটি দিবস হচ্ছে—ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

post
বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিকেলে হাসপাতালে যাবেন খালেদা জিয়া

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ বিকেলে হাসপাতালে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।তিনি জানান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ বিকাল ৫ টার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা রয়েছে।এর আগে সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। ৬ আগস্ট বঙ্গভবন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়।

post
আন্তর্জাতিক

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলের হামলা, নিহত অন্তত ২২

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় কমপক্ষে আরও ২২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। ইসরায়েল মধ্য গাজার একটি স্কুলে হামলা চালালে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।হামলার শিকার স্কুলটিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল। সোমবার (১৪ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মধ্য গাজার নুসেইরাতে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি ট্যাংকের গোলাবর্ষণে ২২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ৮০ জন আহত হয়েছেন।গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি বলেছে, নুসেইরাত ক্যাম্পের এই স্কুলটিতে রোববার ব্যাপক আর্টিলারি হামলা চালানো হয়। বর্বর এই হামলায় অনেক পুরো পরিবার নিহত হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) বলছে, তারা এই প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে।এর আগে গাজার উত্তরাঞ্চলে রাস্তার মোড়ে খেলার সময় ড্রোন হামলায় পাঁচ শিশু নিহত হয় বলে জানা গেছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪২ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৯৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

post
বাংলাদেশ

মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

পূজার ছুটি শেষে গার্মেন্টস খুলতেই বিক্ষোভ নেমেছেছে ঢাকার মিরপুরের শ্রমিকরা। বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন মিরপুর-১৪ নম্বর কচুক্ষেত এলাকার কয়েকটি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা।সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক মিরপুর-১৪ এলাকার রাস্তা অবরোধ করে রাখেন। এতে মিরপুর-১৪ থেকে কচুক্ষেত পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পর সোমবার প্রথম কর্মদিবসে এই আন্দোলনের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। সড়ক অবরোধের ফলে মিরপুর-১৪ থেকে কচুক্ষেত পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।শ্রমিকদের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের ৩ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। তাই তাদের বেতন পরিশোধ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা 

post
বাংলাদেশ

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করে প্রজ্ঞাপনের দাবি

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করে অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশীরা। প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত তারা শাহবাগে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাজধানীর শাহবাগ জাদুঘরের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচির শুরু হয়।যাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীরা ‘এক দুই তিন চার-৩৫ আমার অধিকার’, ‘আর নয় কালক্ষেপণ-দিতে হবে প্রজ্ঞাপন’, ‘দিয়েছি তো রক্ত-আরও দেবো রক্ত’স্লোগান দেন।চাকরি প্রত্যাশীরা বলেন, আজকে আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি দিনব্যাপী চলবে। সরকার যদি আমাদের দাবি মেনে না নিয়ে প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি না করে তাহলে আমাদের কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।যে কারণে পুরুষের ৩৫, নারীর ৩৭ করার সুপারিশ তারা বলেন, আমাদের সঙ্গে সরকারের যে বৈঠক হয়েছে সেখানে আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এর মধ্যে আমরা ছেলেদের ক্ষেত্রে চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স সীমা ৩৭ করার জন্য দাবি জানিয়েছি। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে উন্মুক্ত করার কথা বলেছি। সেটা সরকার বিবেচনা করবে। যদি আমাদের দাবি সরকার মেনে নেয় তাহলে সে ক্ষেত্রে অবসরের সময় যেই দুই বছর বাড়ানো হয়েছে, সেটা যেন না করা হয় সেজন্য আমরা সুপারিশ জানিয়েছি।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী দ্রুত পাশের দাবি সাংবাদিকদের

তামাক নিয়ন্ত্রণে সাংবাদিকদের কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে নারী মৈত্রীর আয়োজনে “তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে সাংবাদিকদের নিকট প্রত্যাশা ও করণীয়” বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা আয়োজিত হয়েছে। বুধবার ৯ অক্টোবর ২০২৪, সকাল ১১:০০ টায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডা. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক, অনকোলজিস্ট এবং প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি, জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, লীড পলিসি এ্যাডভাইজার, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে) এবং বাংলাদেশ এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান, বিসিআইসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব রাশেদ রাব্বি, সভাপতি, হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম। শামীম মেহেদী, চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, গ্লোবাল টিভি, প্রথম আলোর যুগ্ম–সম্পাদক জনাব সোহরাব হাসান, শাহনাজ বেগম পলি, সদস্য, ব্যবস্থাপনা কমিটি, জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং জুলহাস আলম, ঢাকা ব্যুরো প্রধান, নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা—এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, জাতীয় প্রেস ক্লাব। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সুশান্ত কে সিনহা, স্পেশাল করস্পনডেন্স,৭১ টিভি। জনাব মোঃ আব্দুস সালাম মিয়া, প্রোগ্রাম ম্যানেজারস, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশ এবং হুমায়রা সুলতানা, কমিউনিকেশনস ম্যানেজার , ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশ।“তামাক কোম্পানিগুলো নানামুখী অপ-কৌশলে বিভ্রান্ত না হওয়ার কথা জানান সুশান্ত কে সিনহা, তিনি বলেন তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের অধিকতর সংশোধনী আনার যে উদ্যোগ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়েছে তা নিঃসন্দেহে একটি সময়োচিত এবং জনবান্ধব উদ্যোগ। তবে বেশ কিছু ধাপ পার হলেও আইনটিকে চূড়ান্ত রূপ পেতে হলে আরো কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। এখনও এটি পাশের অপেক্ষায় রয়েছে। এটিকে আইনে রূপান্তরের পথে নানা রকম বাধা আসার আশঙ্কা রয়েছে, বিশেষ করে সংশোধনীর বিপক্ষে তামাক কোম্পানিগুলো নানামুখী অপ-কৌশল ও অপ-তৎপরতা চালাচ্ছে। তারা নানা রকম বিভ্রান্তিমূলক তথ্য মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করে জনবিভ্রান্তি তৈরি করছে। এক্ষেত্রে আমাদের সাংবাদিক বন্ধুদেরকে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। রাশেদ রাব্বি বলেন, “ তামাক থেকে সরকারের যে রাজস্ব আয় আসে তার চেয়ে তামাক ব্যবহারজনিত কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা বাবদ ব্যয় ৩৪ শতাংশ বেশি। রাজস্ব আয় প্রায় ২২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা এবং চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। তামাকের কারণে বার্ষিক ক্ষতি প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা (ক্যান্সার সার্ভে-২০১৮)। সুতরাং মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করার পাশাপাশি প্রয়োজন তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করা” আর একটি প্রানও যাতে না হারাতে হয় তামাকের কারনে সে প্রেক্ষাপটে সোহরাব হাসান বলেন, “প্রতিদিন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন এই ভয়ঙ্কর তামাকের আগ্রাসনে। তামাকের এই সর্বগ্রাসী আগ্রাসন ও তামাক মহামারী আমাদের জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। আমাদের তামাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে আরও সোচ্চার হতে হবে ।পাশাপাশি তামাক কোম্পানির গুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করতে হবে”শামীম মেহেদী বলেন, "তরুণরা ই-সিগারেটের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে। তাদের এই আসক্তি থেকে বের করে আনতে ই-সিগারেট বাজারজাত বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন," তামাক একটি প্রাণঘাতী দ্রব্য। তামাকের পক্ষে বলার মতো একটি শব্দও নেই। তামাক পরিবেশ, অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। টোব্যাকো এটলাস ২০১৮- এর তথ্য মতে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে প্রতিবছর বাংলাদেশে ১ লক্ষ ৬১ হাজার মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মানে প্রতিদিন ৪৪২ জন মানুষ প্রাণ হারান । জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় ও জীবন রক্ষায় দ্রুততম সময়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করতে হবে এখনই। আইন শক্তিশালী করবার এই পদক্ষেপ বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারেন আমাদের গণমাধ্যমের বন্ধুগণ,যাদের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের লেখনি ও গণমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষের কাছে পৌছানোর কৌশল”বিশেষজ্ঞ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড: গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের কারণে মুত্যুর প্রায় এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী তামাক। তামাকের কারণে ফুসফুস ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার, মুখগহ্বরের ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় তামাক নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক অন টোব্যাকো কন্ট্রোল—এফসিটিসি’তে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ হলেও ধুমপানমুক্ত পরিবেশ এবং তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রণোদনা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে এখনও সর্বোত্তম মান অর্জন করতে পারেনি। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশ এবং শক্তিশালী করা অতি জরুরী। যা তামাকমুক্ত সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে।সভাপতির বক্তব্যে শাহীন আকতার ডলি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে নারীর প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস, গর্ভপাত এবং সন্তান জন্মদানে মা ও শিশু উভয়ই মৃত্যুর মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই নারী ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাসের জোরালো দাবি জানাচ্ছি।’তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী দ্রুত পাশের তাগিদ জানান অন্যান্য আলোচক ও অতিথিরা। আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে এফসিটিসির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত বিষয়গুলো যেমন- অধূমপায়ীদের সুরক্ষার জন্য সব পাবলিক প্লেস এবং পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বিলুপ্ত করা, তামাক পণ্যের প্রচার বন্ধ করার জন্য বিক্রয় কেন্দ্রে তামাক পণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট বা ইমার্জিং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা, তামাক পণ্যের সব প্রকার খুচরা ও খোলা বিক্রয় বন্ধ করা এবং সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করার প্রতি জোরারোপ করেন।

post
লাইফ স্টাইল

"তামাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে তরুণ সমাজ"

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রান হারাচ্ছেন ১ লক্ষ ৬১ হাজার জন মানুষ। প্রাণঘাতী এই নেশাদ্রব্যের হাত থেকে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবি জানান তরুণ সমাজ। আজ শনিবার (২১ সেপ্টেবর) বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বেসরকারী নারী উন্নয়ন সংস্থা ‘নারী মৈত্রী’র আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪০ জন তরুণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে “তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তরুণ সদস্যরা বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবি তুলে ধরেন। নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ডঃ গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন তনুশ্রী হালদার,সহযোগী অধ্যাপক, জেনেটিক্স এন্ড প্লান্ট ব্রিডিং ডিপার্টমেন্ট, শেরে-ই- বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার চ্যানেল আই এর উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের (সিটিএফকে) প্রোগ্রামস ম্যানেজার জনাব মোঃ আব্দুস সালাম মিয়া, কমিউনিকেশনস ম্যানেজার হুমায়রা সুলতানা এবং আতাউর রহমান, এডভোকেসি ম্যানেজার সিটিএফকে। অনুষ্ঠানের মূল বিষয় উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাছরিন আকতার। তিনি বলেন,বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭৮ লাখ লোক তামাক ব্যবহার করে এবং তামাক ব্যবহার জনিতরোগে প্রতিদিন ৪৪২ জন মানুষ মারা যায়। তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশ করা প্রয়োজন। বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে এফসিটিসির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত খসড়ায় যে বিষয়গুলো প্রস্তাব করা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :অধূমপায়ীদের সুরক্ষার জন্য সব পাবলিক প্লেস এবং পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বিলুপ্ত করা; তামাক পণ্যের প্রচার বন্ধ করার জন্য বিক্রয় কেন্দ্রে তামাক পণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা; তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা; ই-সিগারেট বা ইমার্জিং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট আমদানি, ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা; তামাক পণ্যের সব ধরনের খুচরা ও খোলা বিক্রয় বন্ধ করা; ও সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা। দেশকে তামাকের ভয়াবহ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আজকের এই তরুণ সমাজ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেন যা তামাকমুক্ত সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে। সভাপতির বক্তব্যে শাহীন আকতার ডলি বলেন, “সুস্থ প্রজন্ম বাংলাদেশ গড়তে হলে দেশকে অবশ্যই তামাকমুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশে তামাক এবং তামাকজাত পণ্যের বিস্তার হয়েছে ভয়াবহভাবে। দেশে ১৫ বছরের ওপরে ধূমপায়ীর সংখ্যা শতকরা ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ এবং এর নিচে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ শিশুই ধূমপায়ী। এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে রক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করা জরুরি। সে ক্ষেত্রে কিশোর-তরুণদের নিজ অবস্থান থেকে তামাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি”  তনুশ্রী হালদার বলেন, “দেশে ব্যাপকহারে ই-সিগারের ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভেপিং এর ব্যবহা্রের প্রবণতা তরুণদের মাঝে বেশি দেখা যায়। যা দেশের জন্য অশনিসংকেত। বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে এরইমধ্যে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষায় বাংলাদেশেও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা জরুরি” মোঃ আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক অন টোব্যাকো কন্ট্রোল—এফসিটিসি’তে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ। তামাকের মহামারী সম্পর্কিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ধুমপানমুক্ত পরিবেশ এবং তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রণোদনা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে এখনও সর্বোত্তম মান অর্জন করতে পারেনি। 'তামাকমুক্ত বাংলাদেশ'অর্জনের লক্ষ্য পূরণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশ এবং শক্তিশালী করা অতি জরুরী। অল্পবয়সীদেরকে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডে আসক্ত করতে কোম্পানিগুলো নানা ধরনের কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়। শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে বা সামনের দোকানগুলোতে তামাকপণ্য সহজলভ্য করে তোলা হচ্ছে। বিশেষত,শিশুদের পছন্দের খাবার যেমন-ক্যান্ডি, চিপস ইত্যাদির কাছাকাছি তামাক পণ্যগুলো সাজানো এবং বিক্রেতাদের বিভিন্ন বিপণন সরঞ্জাম প্রদর্শন করা হচ্ছে। তাই সংশোধীত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করতে তামাক কোম্পানির কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর কার্যক্রমে অংশগ্রহণ সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করতে হবে” হুমায়রা সুলতানা বলেন, “নারী ও শিশুদের পরোক্ষ ধূমপানের হাত থেকে রক্ষা করা জরুরি উল্লেখ করে বলেন, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার। গর্ভবতী নারী ও শিশুরা ধূমপান না করেও প্রতিনিয়ত তামাকজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই পাবলিক প্লেস, গণপরিবহনে ও রেস্তোরাঁয় ধূমপান যাতে কেও না করে সেই বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার জন্য বলেন তিনি। তরুণ ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াতে তামাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য সকলকে আহ্বান করেন উপস্থাপিকা, দীপ্তি চৌধুরী। নারী মৈত্রীর আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি বলেন “ বর্তমান যুগে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সোশ্যাল মিডিয়া এক বড় ভূমিকা পালন করে। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এখনই”এসময় তরুন সমাজকে ধুমপান ও তামাক গ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়ে তামকের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখার আহবান জানান দীপ্তি চৌধুরী।এছাড়াও তামাক বিরোধী সকল কার্যক্রমে নারী মৈত্রীর পাশে থাকার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামাকের বিরুদ্ধে নিজ অবস্থান থেকে রুখে দাঁড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।“তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তরুণ সমাজ যথাযথ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করেন প্রধান অতিথি-যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডঃ গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান । তিনি বলেন, "তামাকের কারণে প্রতিদিন ৪৪২ জন মানুষের প্রাণ ঝরছে। মৃত্যুর এই মিছিল ঠেকাতে তরুণেরা তামাক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের দাবিতে তাদের কন্ঠস্বরকে জোড়ালো করবে। পাশাপাশি নিজের পরিবারকে তামাকের প্রভাবমুক্ত রাখবে এবং অন্যান্যদের সাথে এই বিষয়ে কথা বলবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যাতে মন্ত্রীসভায় সংশোধিত আইনটি দ্রুত উত্থাপন করেন সে লক্ষ্যে সহযোগিতা করা এবং অনুমোদনের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোরালো দাবি জানানোর জন্য এই তরুণ সমাজকে কাজ করে যাবার জন্য তিনি আহবান জানান।’’ ।  এছাড়াও তামাকের বিরুদ্ধে সংশোধিত আইন বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় ভাবে উপস্থাপন করার আশ্বাসও দেন তিনি।এই কর্মশালায় ১৬টি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তামাকের বিরুদ্ধে নিরলস কাজ করে যাবে বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়।  এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন এবং তামাক বিরোধী সকল কার্যক্রমে এগিয়ে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জাগান তারা। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন নারী মৈত্রী’র প্রোগ্রাম ডিরেক্টর,খালেদ-বিন-ইউছুফ।

post
বাংলাদেশ

ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতায় কাজ শুরু করেছেন সেনা সদস্যরা

ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতায় আজ (বুধবার) সকাল থেকে কাজ শুরু করেছেন সেনা সদস্যরা। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দুই মাস ধরে মাঠে থাকলেও এই প্রথম সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এর ফলে সেনাবাহিনীর কমিশন্ড কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রাপ্ত হলেন। ফলে অপরাধ সংঘটিত হলে তারা অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারবেন। মঙ্গলবার রাতে এই প্রজ্ঞাপন জারির পর আজ থেকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতায় সেনা সদস্যরা কাজ করতে শুরু করেছেন। সর্বশেষ ২০০২ সালে অপারেশন ক্লিনহার্টের সময় সেনা সদস্যদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে বিশেষ অভিযান চালানোর ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করেছে। বিভিন্ন কাজে মাঠ প্রশাসনকে সহায়তাও করেছে সেনাবাহিনী। সর্বশেষ ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই সময় দেশে জরুরি অবস্থা জারি ছিল। ফলে আলাদা ঘোষণা দিয়ে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হয়নি। তবে সেনা সদস্যরা আটক বা গ্রেফতার, অভিযান বা তল্লাশির মতো কাজগুলো করেছেন। বাংলাদেশের বেশিরভাগ জাতীয় নির্বাচনেই সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করে মাঠ পর্যায়ে।

post
বাংলাদেশ

আগারগাঁও-মতিঝিল রুটের মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ

আগারগাঁও-মতিঝিল রুটের মেট্রো ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এমআরটি লাইন-৬ এর দায়িত্বশীল একটি সূত্র।জানা গেছে, ত্রুটি সারানোর আগ পর্যন্ত এ পথে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। আগারগাঁও-মতিঝিল রুটে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইন্টেন্যান্স) নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওই পথে ভালো রকমের একটা সমস্যা হয়েছে। এটা ঠিক করতে সময় লাগবে। মেট্রোরেল আপাতত আগারগাঁও (উত্তরা থেকে) পর্যন্ত চালাচল করছে।’এদিকে এক বার্তায় ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, অনিবার্য কারণবশত সকাল ৯টা ৪০ মিনিট থেকে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ আছে। তবে উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও অংশে ট্রেন চলাচল অব্যাহত আছে। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলে জানানো হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.