post
বাংলাদেশ

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে যে সতর্কবার্তা দিলেন ড. ইউনূস

দায়িত্ব নেওয়ার এক মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।তার এই ভাষণ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমে একযোগে প্রচার করা হয়। গণতান্ত্রিক দেশের রূপরেখা বাস্তবায়নে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সবাইকে সতর্ক করে বলেন, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কেউ সমাজে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করলে আমরা তাকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় নিয়ে আসব। বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় এমন কোনো কাজ কেউ কোনোভাবেই করবেন না। স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে এবং গণতান্ত্রিক দেশের জন্য তিনি আইন মেনে চলার আহ্বান জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, আপনাদের আমাদের সন্তানদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা তৈরি করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।আর যেন আমাদের কোন স্বৈরাচারের হাতে পড়তে না হয়, আমরা যাতে বলতে পারি আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশে বসবাস করি, আমরা যাতে সবাই দাবি করতে পারি যে এই দেশটি আমাদের। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি। ৩৩ মিনিটের ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা সব অন্যায়ের প্রতিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্বকালে যথাসম্ভব সব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।

post
এনআরবি বিশ্ব

আরব আমিরাত থেকে দেশে ফিরেছেন ক্ষমাপ্রাপ্ত ১৩ বাংলাদেশি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষমাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জন দেশে ফিরেছেন। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় তারা দেশে পৌঁছান।শাহজালাল বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ক্ষমাপ্রাপ্তদের মধ্যে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১২ জন ও ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একজন অবতরণ করেন। এসময় তাদের স্বাগত জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সম্বনয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।এর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান কর্তৃক ক্ষমা মঞ্জুর করা ১৪ জন বাংলাদেশি অভিবাসীর প্রথম দল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ও রাত ১০টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় সংহতি জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করায় ৫৭ জন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় দেশটির একটি আদালত। তাদের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর ও বাকি একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল

post
আন্তর্জাতিক

তুর্কমেনিস্তানের রহস্যময় জ্বলন্ত ‘নরকের দরজা’

মূলত তুর্কমেনিস্তানের দরওয়াজা শহরের একটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আছে যা নরকের দরজা নামে পরিচিত। অর্ধ শতাব্দী ধরে অগ্নিমুখটি অনবরত জ্বলছে বলে একে নরকের দরজা বলা হয়।দেশটির রাজধানী আশগাবাত থেকে ২৬০ কিলোমিটার দূরে আছে দারভাজা গ্রাম। খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত দারভাজা এলাকায় ১৯৭১ সালে রাশিয়ার অনুসন্ধানকারীরা আবিষ্কার করেছিলেন একটি খনি।তৎকালীন সোভিয়েন ইউনিয়ন প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ দারওয়াজা এলাকায় অনুসন্ধানের সময় ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। প্রথমে তারা মনে করেছিল এটি একটি তেল ক্ষেত্র তাই ড্রিলিং মেশিন দিয়ে তেল উত্তোলনের জন্য সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করবে। কিন্তু পরে তারা সেখান থেকে বিষাক্ত গ্যাস বের হতে দেখে। গ্যাস অনুসন্ধানের সময় অনুসন্ধানকারীরা গ্যাসবহুল গুহার মধ্যে মৃদু স্পর্শ করলে দুর্ঘটনাক্রমে মাটি ধসে পুরো ড্রিলিং রিগসহ পড়ে যায়। যদিও এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে বিষাক্ত মিথেন গ্যাসের ব্যাপারে গবেষকরা নিশ্চিত হন। পরিবেশে বিষাক্ত গ্যাস প্রতিরোধ করার জন্য ভূতত্ত্ববিদরা তখন গ্যাস বের হওয়ার মুখটি জ্বালিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের ধারণা ছিল এখানে সীমিত পরিমাণ গ্যাস থাকতে পারে। কিন্তু তাদের ধারণা ভুল প্রমাণ করে এটি ১৯৭১ সাল থেকে অনবরত জ্বলছে। এই নরকের দরজা নিয়ে অনেক রকম রহস্য ও মিথ রয়েছে। স্থানীয় লোকেরা একে অনেকেই দৈবশক্তির প্রকাশ বলেও মনে করেন। আসলে এটি একটি এমন সিদ্ধান্ত যা ভুল না ঠিক তা আজ পর্যন্ত নির্ধারণ হয়নি।

post
বাংলাদেশ

উত্তরায় ‘হারুন আছে’ সন্দেহে বাড়ি ঘেরাও

আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) হারুন অর রশীদ অবস্থান করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরার একটি বাসা ঘিরে রেখে সেনাবাহিনীকে খবর দেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় উত্তরা সেক্টর ১০ এর ১২ নম্বর রোডের ৪ নম্বর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।ডিএমপির এই কর্মকর্তা ৩টি হত্যা মামলার আসামি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘ডিবি হারুন’ (সাবেক ডিবি প্রধান) এই ভবনে আছেন বলে গুঞ্জন উঠে। এরপর ফেসবুকে অনেকে লাইভ শুরু করে। লাইভ দেখেই সবাই বাড়ির সামনে এসে জড়ো হন। বাড়িটিতে অনেকগুলো পরিবার থাকে। হারুন কোন ফ্লোরে আছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে বাড়ির চারপাশে এমনভাবে ঘিরে রাখা হয়েছে তার পক্ষে পালানো সম্ভব নয়।রাত ১০ টার পর থেকে হারুনের উপস্থিতির গুঞ্জন থাকলে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসে। তবে তারা বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে হারুনকে পাননি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাত ১২টায় উত্তরা পশ্চিম থানার এক কর্মকর্তা জানান, ভবনের ভেতরে কোনো আসামি পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছে।এর আগে গত ৬ আগস্টও হারুণ অর রশীদের আটক হওয়ার গুঞ্জন উঠে। কিন্তু পরদিন তিনি নিজেই আটক হওয়ার খবরটি নাকচ করেন। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।সবশেষ ১৬ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেতে ‘লেকসিটি কনকর্ড’ এলাকায় একটি অভিযান চালিয়েছিল যৌথবাহিনী। অভিযানে লেকসিটির 'বর্ণালী' ভবন থেকে হারুনের গাড়ি সন্দেহে মালিকবিহীন পড়ে থাকা একটি সাদা মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়

post
বাংলাদেশ

পদত্যাগের দাবিতে অবরুদ্ধ করে টানাহেঁচড়ায় জ্ঞান হারালেন অধ্যক্ষ

নওগাঁ হাঁপানিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম অবরুদ্ধ অবস্থায় বুধবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ হওয়ার পর ওই অধ্যক্ষকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে (রামেক) নেওয়া হয়।শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে হাঁপানিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে গত রোববার থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছিলেন।আজ সকাল ১০টার অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসলে শিক্ষার্থীরা তাঁকে তাঁর কক্ষে অবরুদ্ধে করে রাখেন। অবরুদ্ধ অবস্থায় বিকেল ৩টার দিকে অধ্যক্ষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান।পরে তাঁকে ২৫০ বিশিষ্ট নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বিকেল ৪টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

post
বাংলাদেশ

৩ মাসে বেকার বেড়েছে আরও দেড় লাখ

দেশে বেকার জনগোষ্ঠী বেড়েছে। ৩ মাসের হিসাব ধরে ১ বছরের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার। এর বিপরীতে কাজে নিয়োজিত লোকের সংখ্যা কমেছে ১০ লাখ ৭০ হাজার। পাশাপাশি কাজে সক্ষম, এমন লোক কমেছে ৯ লাখ ৩০ হাজার। সবচেয়ে বেশি যুব কর্মসংস্থান কমেছে ১৭ লাখ ৮০ হাজার। এই সময়ে পুরুষের বেকারত্ব বেড়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার। কিন্তু নারীর বেকারত্ব কমেছে ৬০ হাজার। সব মিলে সার্বিক বেকারত্বের হার আগের ৩ দশমিক ৪১ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনা করে সারা দেশে দৈব চয়নের ভিত্তিতে ১ হাজার ২৮৪ নমুনা এলাকার ১ লাখ ২৩ হাজার ২৬৪টি খানা থেকে তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।এর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরের এপ্রিল-জুন সময়ে মোট শ্রমশক্তির পরিমাণ ছিল ৭ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এই সময় তা কমে ৬ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজারে নেমে এসেছে। অর্থাৎ এক বছরে কর্মসংস্থান কমেছে ১০ লাখ ৭০ হাজার।আবার কর্মসংস্থানে নিয়োজিত লোকের সংখ্যা কমায় বেড়েছে বেকারত্ব। গত বছর জুনে বেকার মানুষ ছিল ২৫ লাখ। চলতি বছর একই সময়ে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ২৬ লাখ ৪০ হাজারে উন্নীত হয়েছে। ফলে বছরের জুন শেষে দেশে বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ হয়েছে।

post
আন্তর্জাতিক

সুইডেনে পবিত্র কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় বিচার শুরু

পবিত্র কোরআন পোড়ানোর ঘটনার বিচার শুরু করছে সুইডেনমুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ইউরোপের দেশ সুইডেনে দুই ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। গত বছরের এমন একাধিক ঘটনায় সুইডেনের প্রতি মুসলিমদের ক্ষোভ বাড়ে এবং জিহাদি হামলার হুমকি তৈরি হয়। ২০২৩ সালে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে জাতিগত ঘৃণা উসকানির দায়ে অভিযুক্ত করেছেন সুইডেনের কৌঁসুলিরা।বুধবার (২৮ আগস্ট) সুইডিশ প্রসিকিউশন অথরিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই দুই ব্যক্তি ‘একটি জাতি বা জাতীয় গোষ্ঠীকে ক্ষুব্ধ করে তোলার অপরাধ’ করেছেন।স্টকহোমে মসজিদের বাইরে এবং অন্য স্থানে চারটি আলাদা ঘটনায় জনসমক্ষে ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন পুড়িয়েছেন তারা।এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুইডেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সন্ত্রাসী হামলার সতর্কতার মাত্রা বাড়ায়। প্রতিবেশী ডেনমার্কেও কোরআন পোড়ানোর প্রবণতা শুরু হয়, যা বন্ধে আইনে কাড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।সুইডেনের জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আনা হানকিও বিবৃতিতে বলেছেন, দুই ব্যক্তিকেই মুসলিমদের বিশ্বাসের অবমাননার উদ্দেশ্যে করা ওই চারটি ঘটনার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে।ঘটনার ধারণকৃত ভিডিওতে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের মূল প্রমাণ রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে অভিযুক্তের একজন তার আইনজীবী মার্ক সাফারিয়ানের মাধ্যমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি।সাফারিয়ান জানান, তার মক্কেলের বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার সুইডেনের সংবিধানের মাধ্যমে সংরক্ষিত। তবে অন্য অভিযুক্তের আইনজীবী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।ওই অভিযুক্ত ইরাকের একজন শরণার্থী। তিনি জানিয়েছিলেন, ইসলামের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও কোরআন যাতে নিষিদ্ধ করা হয় সেই দাবি তুলতে চেয়েছেন তিনি। সুইডেনের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় তারা এই শরণার্থীকে ডিপোর্ট বা ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু নিজ দেশে তার ওপর নির্যাতনের ঝুঁকি থাকায় তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।২০২৩ সালে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতে সুইডেনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয়।জুলাইতে বাগদাদে সুইডিশ দূতাবাসের কমপাউন্ডে আগুন জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। সে বছরের আগস্টে সুইডেনের গোয়েন্দা সংস্থা স্যাপো দেশটিতে হুমকির মাত্রা চারে উন্নীত করে, যার সর্বোচ্চ মাত্রা পাঁচ।চলতি মাসের শুরুতে কৌঁসুলিরা সুইডিশ-ড্যানিশ বংশদ্ভূত আরেক ব্যক্তিকে ২০২২ সালে মালমো শহরে একই ধরনের অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। ২০২০ সালে কোরআন পোড়ানোর আরেক ঘটনায় জাতিগত ঘৃণা উসকে দেওয়ার জন্য গত বছরের অক্টোবরে এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেন সুইডিশ আদালত। মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর জন্য কারো বিরুদ্ধে দেওয়া এটিই দেশটির আদালতের প্রথম কোনো রায়।সমালোচকদের কারো কারো মতে, বিশ্বের অন্যতম উদার দেশ সুইডেন ও ডেনমার্কে কোরআন পোড়ানোকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হিসেবেই দেখা উচিত।

post
বাংলাদেশ

আরব সাগরে গভীর নিম্নচাপ, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

ভারতের গুজরাট উপকূলে আরব সাগরের উত্তরে একটি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। নিম্নচাপটি বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) রাত বা শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকালেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ভারত ও পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) একটি সতর্ক সংকেত জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, গুজরাট উপকূলের কাছে সৃষ্ট একটি গভীর নিম্নচাপ গত ১২ ঘন্টা ধরে ধীরে ধীরে কচ্ছের রণের ওপর দিয়ে পশ্চিম/দক্ষিণপশ্চিমে সরে গেছে এবং এখন করাচির প্রায় ২৭০ কিলোমিটার পূর্ব/দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম/দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং বৃহস্পতিবার গভীর রাত বা শুক্রবার সকাল নাগাদ সিন্ধু উপকূলে উত্তর-পূর্ব আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।’প্রায় একই কথা বলেছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগও (আইএমডি)। বৃহস্পতিবার সংস্থাটি বলেছে, শুক্রবার গুজরাট উপকূলে উত্তর আরব সাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ঘূর্ণিঝড়টির ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা কম। কারণ সৌরাষ্ট্র-কচ্ছের রণের ওপর বিরাজমান গভীর নিম্নচাপ শুক্রবারের মধ্যে উত্তর আরব সাগরে সরে যাবে।বৃহস্পতিবার সকালে আইএমডি এক ‍বিবৃতিতে বলে, গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সরে গেছে এবং ভূজের প্রায় ৬০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে, নালিয়া থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং পাকিস্তানের করাচি থেকে ২৭০কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে।এটি পূর্ণ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার পর এর নাম হবে ‘আসনা’। নামটি পাকিস্তানের দেয়া। ১৯৬৪ সালের পর এটি হবে আগস্ট মাসে আরব সাগরে সৃষ্ট দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়।আইএমডি-র নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য থেকে জানা যায় যে, আরব সাগরে উৎপন্ন নিম্নচাপ বা তাদের তীব্রতা ১৯৬১, ১৯৬৪ ও ২০২২ সালে রেকর্ড করা হয়েছিল। কিন্তু এগুলোর কোনোটিই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়নি। অন্যদিকে ১৯২৬, ১৯৪৪ ও ১৯৭৬ সালে স্থলভাগে থাকাকালীন নিম্নচাপগুলো ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছিল।এদিকে বঙ্গোপসাগরে একটি সাইক্লোনিক সার্কুলেশন অর্থাৎ ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমডি। সাইক্লোনিক সার্কুলেশনটি পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে সমুদ্রতল থেকে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এটি দক্ষিণের দিকে খানিকটা হেলে অবস্থান করছে। ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হতে চলেছে।এরপর আগামী দুদিনে এটি উত্তর ও উত্তর পশ্চিমদিকে অগ্রসর হবে। যা ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে এগিয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে এই নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে বলেও জানানো হয়েছে।সূত্র: ডন ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

post
বাংলাদেশ

পালিয়েছেন ভারতীয়রা, কী হবে সড়ক প্রকল্পের?

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-আখাউড়া নির্মাণাধীন চারলেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ফেলে রেখে চলে যায় ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ। এ অবস্থায় খানাখন্দে ভরা চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে যানবাহন চলাচলে বেড়েছে ভোগান্তি। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এ প্রকল্প কবে নাগাদ শুরু হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকে অনুমোদন হওয়ার পর, ভারতীয় নমনীয় ঋণ এলওসির অধীনে ২০১৮ সালে তিনটি প্যাকেজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া পর্যন্ত দুইলেন থেকে মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।প্রকল্পের কাজ শুরুর পর ২০১৯ ও ২০ সালে করোনা মহামারির কারণে কাজ অনেকটাই থমকে যায়। পরবর্তীতে বালু সংকটের কারণে আবারও ৬ মাস বিলম্ব হয় নির্মাণ কাজের। এরইমধ্যে ২০২২ সালে প্রকল্পটির কাজ পুরোদমে শুরু হয়। এরমধ্যে প্যাকেজ-১ এর অধীনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জের গোল চত্বর থেকে বিশ্বরোড মোড় পর্যন্ত একপাশের দুই লেনের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। প্যাকেজ-২ এর অধীনে বিশ্বরোড থেকে ধরখার পর্যন্ত এক পাশের কাজ অনেকটা শেষ হলেও, অন্যপাশটা খানাখন্দে ভরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর বাইপাস ঘাটুরা, বিরাসার, পৈরতলা, রাধিকা ও উজানি সার এলাকায় মহাসড়কের একপাশে খানাখন্দ থাকায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল করতে হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে যানচালক ও যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

post
বাংলাদেশ

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৩ ফিলিস্তিনি

অধিকৃত পশ্চিম তীরে তুলকারেম শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। ক্যাম্পে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে তুলকারেম ব্যাটালিয়ানের যোদ্ধাদের যুদ্ধ চলছে- হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেডসের এমন মন্তব্য করার পরেই সেখানে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। কাসেম ব্রিগেডসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দখলদার বাহিনীর সঙ্গে আমাদের যোদ্ধারা সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এই হামলা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল। গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ চলছে। এতে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৯০ হাজারের বেশি। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরেও হামলার পরিমাণ বেড়েছে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ৬০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। যার মধ্যে শিশু রয়েছে ১৪৪ জন। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.