post
এনআরবি সাফল্য

মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি হাইকমিশনার

এদিন গিয়াসউদ্দিন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অডিটোরিয়ামে সকাল, দুপুর, বিকেল ও রাতে চারটি অধিবেশনে এমআইসি’র সমাবর্তনটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন কলেজের বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠাতা প্রবাসী শিক্ষা উদ্যোক্তা আহমেদ মোত্তাকি। অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মালদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী ডা. ইব্রাহিম হাসান।অনুষ্ঠানে এমআইসি কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। সনদ প্রদান শেষে কলেজ কর্মীদের পথচলায় অনুপ্রেরণা ও সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনার এস এম আবুল কালাম আজাদকে বিশেষ সম্মাননা স্বীকৃতি পুরস্কার দেয়া হয়। এ ছাড়া এমআই ইন্টারন্যাশনাল কলেজ কৃষি ফ্যাকাল্টি হিসেবে আড্ডু শহরে স্কুল অব এগ্রিকালচারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরামর্শ ও অনন্য অবদানের জন্য শাইখ সিরাজকে বিশেষ স্বীকৃতি পুরস্কার দেয়া হয়। আহমেদ মোত্তাকির বাড়ি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। গত ৩০ বছর যাবত মালদ্বীপে বসবাস করেছেন তিনি। প্রবাস জীবনে শুরুতে মালদ্বীপের সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করলেও এখন তিনি একজন বাংলাদেশি শিক্ষা উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার মালিকানার মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারক খ্যাতি পেয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

পেনসিলভেনিয়া স্টেটে প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশি ড. নীনা

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া স্টেটে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ নারীর অন্যতম একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ। ফিলাডেলফিয়া সিটি সহ পেনসিলভেনিয়া স্টেট পার্লামেন্টের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে এই ১০০ জন নারী নেতার তালিকা করা হয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, অলাভজনক সংস্থার নেতা, মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত নেতা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন শেণী-পেশার প্রতিনিধিত্বকারি নেতাদের মধ্য থেকে সেরা নারীদের এই তালিকা ২৮ নভেম্বর প্রকাশ করেছে স্টেট ও সিটি প্রশাসন। ড. নীনার এই সম্মান প্রাপ্তির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়া’র নেতৃবৃন্দ। উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষার সর্বাধিক জনপ্রিয় ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’র পক্ষ থেকেও প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে ড. নীনার প্রতি। ড. নীনা দীর্ঘ ৩৫ বছরের অধিক সময় যাবত অভিবাসী সমাজের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করছেন। তৃণমূলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ড. নীনা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা পরিষদের একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবেও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন্স-পেনসিলভেনিয়া চ্যাপ্টারের প্রধান, ফিলাডেলফিয়া সিটির সপ্তম ওয়ার্ডের কমিটিওম্যান, পেনসিলভেনিয়া ডেমক্র্যাটিক পার্টির স্টেট কমিটির সদস্য হিসেবে এশিয়ান আমেরিকান এ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ড ককাসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ব্যক্তিজীবনে বিজ্ঞানী হয়েও ড. নীনা মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছেন। পেনসিলভেনিয়াস্থ রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট এবং ফাইন্যান্সিং সংস্থা ‘জেএনএ ক্যাপিটলের অন্যতম মালিক ড. নীনা ডেমক্র্যাটিক পার্টির একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সুনজরে রয়েছেন। প্রথম প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে নিজের কর্মের মাধ্যমে বহুজাতিক এ সমাজে বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত হবার বিরল গৌরব অর্জনের অনুভূতি প্রকাশকালে ড. নীনা আহমেদ বলেন, আমি নিজেকে গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছি, বিশেষ করে এই ধরনের ট্রেলব্লেজারদের সাথে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য। একজন তরুণ অভিবাসী হিসেবে এদেশে এসে আমি কখনো ভাবিনি যে, আমি এমনভাবে স্বীকৃত ও সম্মানিত হব। এজন্য কম্যুনিটির সকলের কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন যারা তাকে এতটুকু পথ আসতে সাহায্য করেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

কাতারে 'বাংলাদেশ দিবস' উদযাপন

বাংলাদেশ দূতাবাস, দোহা ও কাতার সরকা‌রের উদ্যোগে বাংলাদেশ ডে উদযাপন করা হ‌য়ে‌ছে। সোমবার দোহার বাংলা‌দেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এ তথ‌্য জানায়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং বাংলাদেশ ও কাতারের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দূতাবাসের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোবাশ্বেরা কাদারি স্বাগত বক্তব্য রাখেন।বাংলাদেশের বৈচিত্রময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. মাহদী হাসান। পরে বাংলাদেশর ঐতিহ্যবাহী গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন বাংলাদেশ এম এইচ এম স্কুলের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বাউল গান পরিবেশন করেন কাতারের বাংলাদেশের চিরন্তন বাউল সংঘের সদস্যরা। এছাড়া বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি, হস্তশিল্প সামগ্রী প্রদর্শনীর জন্য উপস্থাপন করেন অনন্যাসহ (কাতারস্থ বাংলাদেশি নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন) কমিউনিটির সদস্যরা। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি শিশুদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং প্রতিযোগিদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান কর হয়।কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকরা অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের চার্জ দ্য' অ্যাফেয়ার্স ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য কাতার ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে চমৎকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। এ সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে। 

post
এনআরবি বিশ্ব

২৫ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

দেশে নভেম্বরের ২৫ দিনে প্রবাসীরা ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে)। রোববার (২৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের এক প্রতিবেদনে এ চিত্র পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৫ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ১৬০ কোটি ডলার ছাড়াবে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধপথে প্রবাসী আয় ধারাবাহিক কমছে। অর্থনীতির অন্যতম এ সূচকটির নেতিবাচক গতি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈধপথে রেমিট্যান্স আনতে বিভিন্ন শর্ত শিথিল, চার্জ ফি মওকুফসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু তারপরও ইতিবাচক সাড়া মিলছে না। নভেম্বরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ৯৮ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার, আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে দুই কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার এসেছে। এরপর অগ্রণী ব্যাংকে এসেছে ৯ কোটি ৬ লাখ, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে ৮ কোটি ৫৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৮ কোটি ১৪ লাখ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের এসেছে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।বিদেশি এক্সচেঞ্জের হাউজের মতো সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালেও প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা পাবেন প্রবাসীরা। আগে যা ছিল ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া এখন থেকে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ কোনো চার্জ বা মাশুলও নেবে না। সব‌শেষ গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া এখন বিদেশ থেকে যেকোনো পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাতে কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগে না। আবার প্রবাসী আয়ের ওপর আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রণোদনা বাড়ার পরও সর্বশেষ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে বড় পতন হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক তিন বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম।

post
এনআরবি বিশ্ব

ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ

ভারতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের পরিচয়পত্র (ক্রেডেন্সিয়াল) পেশ করেছেন বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান। আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন। হাইকমিশনার নিযুক্ত হওয়ার পর গত ১৪ অক্টোবর দিল্লি পৌঁছান মুস্তাফিজুর রহমান। এর আগে তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের অফিসে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন। পরিচয়পত্র পেশের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ পর্বে ভারতের রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। সময়ের পরীক্ষায় এই সম্পর্ক উত্তীর্ণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতীয় সেনানিরা রক্ত ঝরিয়েছেন; প্রাণ দিয়েছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নিদর্শন বিরল। মুর্মু বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দিন দিন শুধু উন্নতই হচ্ছে না, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধনও দৃঢ় হচ্ছে। বেড়ে চলেছে পারস্পরিক ভরসা ও আস্থা। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় ও যোগ্য নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। তাঁর দায়িত্ব পালনের এই অল্প সময়ের মধ্যেই দুইবার সাক্ষাৎ হয়েছে দুজনের। প্রথমবার গত সেপ্টেম্বরে শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময়। দ্বিতীয়বার ওই মাসেই লন্ডনে রানি এলিজাবেথের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে। ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেমন বাংলাদেশের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে চলেছে, তেমনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিস্তার ও ব্যাপ্তি বেড়ে চলেছে। তিনি বলেন, এই সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় হবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এ সময় ভারতের রাষ্ট্রপতিকে হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, চলমান সম্পর্ক বহুমুখী ও দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টাই তাঁর লক্ষ্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের তৎকালীন নেতৃত্বের দূরদৃষ্টি ও বিচক্ষণতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই থেকে সম্পর্কের যে বন্ধনের শুরু, দিন দিন তা আরও শক্তিশালী হয়েছে।বাংলাদেশ হাইকমিশনার বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক কোন আদর্শের হওয়া উচিত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোটা বিশ্বের কাছে সেই দৃষ্টান্ত রেখেছেন।

post
আন্তর্জাতিক

সরকারি অর্থে বাগানের জন্য ভাস্কর্য কিনে বিতর্কের মুখে ঋষি সুনাক

বিপুল অর্থ খরচ করে বিখ্যাত ব্রিটিশ ভাস্কর হেনরি স্পেনসার মুরের তৈরি একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য সংগ্রহ করায় যুক্তরাজ্য সরকার ক্ষোভের মুখে পড়েছে। আর্থিক সংকটের এ সময়ে ভাস্কর্যটির জন্য ১৩ লাখ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ কোটি টাকা) খরচ করায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বেহিসেবি আচরণের অভিযোগ উঠেছে। খবর বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর নিলামে ভাস্কর্যটি কেনার পর এটিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে রাখার জন্য পাঠানো হয়েছে। দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ওয়ার্কিং মডেল পর সিটেড উম্যান’ নামের বিমূর্ত এ ভাস্কর্যটি তৈরি হয়েছে ১৯৮০ সালে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি গত মাসে যুক্তরাজ্যের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে এবং ব্রিটিশ সরকারের মালিকানাধীন শিল্পকর্ম সংগ্রহশালা (গভর্নমেন্ট আর্ট কালেকশন) তা সংগ্রহ করেছে। যুক্তরাজ্যে যখন মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি চলছে, জীবনযাপনের খরচ বেড়ে গেছে এবং সরকারি তহবিলে কাটছাঁট করা হচ্ছে—তখন এত অর্থ ব্যয় করে ভাস্কর্যটি সংগ্রহ করা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এক বিশেষজ্ঞ দ্য সানকে বলেন, ‘এটি দারুণ শিল্পকর্ম। মুরের তৈরি ‘বসে থাকা নারী মূর্তি’র গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত এটি। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এ ভাস্কর্যের পেছনে যে খরচ হয়েছে তাকে সরকারি তহবিলের অসংযত ব্যবহার বলা যেতে পারে।’বৃহস্পতিবার ডাউনিং স্ট্রিটে আংশিক ঢাকা ভাস্কর্যটি দেখা যায়। ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, কোনো রাজনীতিবিদ এ শিল্পকর্ম অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ক্রিস্টির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এ ভাস্কর্যটি মাতৃত্ব ও গর্ভাবস্থার এক শক্তিশালী বার্তা বহন করছে। যুক্তরাজ্য সরকারের শিল্প সংগ্রহশালার সংগ্রহে এমন ১৪ হাজারের বেশি মূল্যবান শিল্পকর্ম আছে। লন্ডনের হোয়াইট হলসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভবনে এসব শিল্পকর্ম রাখা হয়েছে। ১৯৮৬ সালে মারা যান হেনরি স্পেনসার মুর। তাঁকে বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ শিল্পীদের একজন বলে বিবেচনা করা হয়। অনেকে তাঁকে ওই সময়ে আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে সমাদৃত ভাস্কর বলে থাকেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

এসএসসি ২০২২: প্রবাসী শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৯৫.৮৭ শতাংশ

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৮টি বিদেশি কেন্দ্রে এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩৬৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাশ করেছে ৩৪৮ জন। বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের ছেলেমেয়েরা এসব কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিল।ফলাফলে দেখা যায়, প্রবাসী শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।  

post
এনআরবি সাফল্য

২২ বছরেই ব্যারিস্টার হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানা

ব্রিটেনে আইন পেশায় ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আসছে। ২০১৭ সালে ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টার আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। আর ২০২১ সালে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী হিসেবে কিউসি নিযুক্ত হয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুলতানা তফাদার। এবার সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ বাংলাদেশি হিসেবে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করলেন ফারহানা আহমদ। তার স্বপ্ন ব্রিটেনের হাইকোর্টে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে প্রধান বিচারপতি হিসেবে কাজ করার। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানা আহমদ গত ২৪ নভেম্বর মাত্র ২২ বছর বয়সে বিশ্বখ্যাত অনারেবল সোসাইটি অব লিংকন্স ইন্ থেকে ব্যারিস্টার হন। ব্রিটেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টারদের মধ্যে ফারহানাই সর্বকনিষ্ঠ। বার-এট-ল করার পাশাপাশি মাস্টার অব লজ (এলএলএম) এ অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করেন ফারহানা। ছোটবেলা থেকে প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ও প্রখর মেধাবী ফারহানা আহমদ গত বছর বিশ্বখ্যাত লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্বনামধন্য দ্য সিটি ল স্কুল থেকে এলএলবিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছিলেন। এমন ভালো ফলাফল এর আগেও ইউনিভার্সিটির অনেক ছেলে-মেয়ে করেছে। তবে ফারহানা প্রথম হওয়ার সঙ্গে কয়েকটি সাবজেক্টে তিনি তার ইউনিভার্সিটির ল ডিপার্টমেন্টের অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ মার্কস পেয়েছিল। শিক্ষা জীবনে কোনো একটি বছর বা সেশন গ্যাপ না দিয়েই এলএলএম এবং বার-এট-ল’তে অসামান্য ফলাফল করেছেন ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ। এলএলএম-এর ডিসার্টেশন তথা থিসিসে-এ ফারহানা পেয়েছেন ৭৫ শতাংশ মার্কস। বার-এট-ল’র ক্রিমিলাল লিটিগেশনে পেয়েছেন ৭৫ শতাংশ মার্কস এবং জুডিসিয়াল রিভিউ মডিউলে পেয়েছেন ৭৭ শতাংশ মার্কস। এছাড়া ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন ৫ হাজার পাউন্ড স্কলারশিপ নিয়ে। লন্ডনে জন্ম নেওয়া ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদের পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বাহাড়া দুবাগ গ্রামে। তিনি বিলেতের প্রতিথযশা আইনজীবী, প্যাকটিসিং ব্যারিস্টার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও নিউহ্যাম কাউন্সিলের সাবেক কাউন্সিলর এবং টানা তিন টার্মের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ও কবি সালমা আহমদের দ্বিতীয় সন্তান। ২৩ বছর আগে ১৯৯৯ সালে ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদের পিতা ব্যারিস্টার নাজির আহমদও বার-এট-ল’র ফলাফলে শীর্ষস্থান লাভ করে অনারেবল সোসাইটি অব লিংকন্স ইন্ থেকে ব্যারিস্টার হয়েছিলেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ দ্বিতীয়। তার বড় বোন তাসনিয়া আহমদ গত বছর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টর থেকে সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট ডিভিশন পেয়ে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করে শিক্ষকতা পেশায় যাচ্ছেন। তার ছোট বোন তাহমিনা আহমদ লন্ডন ইউনিভার্সিটির কুইন মেরীতে বিএসসি (অনার্স) ম্যানেজমেন্টের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ফারহানার ছোট ভাই এহসান আহমদ এ বছর জিসিএসই’তে অসাধারণ ফলাফল করে এখন দেশ সেরা সিক্সথ ফর্ম ব্রাম্পটন ম্যানর একাডেমিতে এ লেভেলে পড়াশোনা করছে। তার আরেক ছোট ভাই হাসান মুর্শেদ আহমদও ব্রাম্পটন ম্যানর একাডেমিতে ইয়ার সেভেনের ছাত্র। এই অসাধারণ সাফল্য লাভের প্রাক্কালে এক প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ বলেন, প্রথমেই শ্রদ্ধাবনত চিত্তে শুকরিয়া জানাচ্ছি মহান আল্লাহ পাকের প্রতি। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতা ও শিক্ষক মন্ডলীর প্রতি যাদের সাপোর্ট, সহায়তা ও গাইডেন্স আমাকে এ পর্যন্ত আসতে সহযোগিতা করেছে। আমি আলোকিত সমাজ ও কমিউনিটি বিনির্মাণে, আইনের শাষণ প্রতিষ্ঠায় ও সুবিচার নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখতে চাই।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী মাহবুব আর নেই

মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী মাহবুব আলম (৪৮) আর নেই। গাজীপুর ভাড়া বাড়িতে বাংলাদেশ সময় পৌনে ১১টায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত প্রবাসী মাহবুব আলম ৫ মাস ধরে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১৮ নভেম্বর হাইকমিশনের সহায়তায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হয়। ইবনেসিনা হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় মাহবুবকে। গত ২২ জুন মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের শাহ আলম শহরের পানির পাইপ সরাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রবাসী মাহবুব। সেই থেকে স্থানীয় শাহ আলম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দুর্ঘটনায় প্রচন্ড আঘাতে তার মুখের হাড় ভেঙে গেছে, ডান চোখ নষ্ট হয়ে গেছে ও শিরা ছিঁড়ে মাথার ব্রেইনের গুরুতর ক্ষতি হয়। বিদেশে ব্যয়বহুল চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়া তার পরিবারের সাধ্যের বাইরে ছিল। সব মিলিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই ছিল বেশি প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অভাবে আর উন্নত চিকিৎসা করা হলো না মাহবুবের। ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে মাহবুবের বিল হয়েছিল ৭৭ হাজার রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা। এই টাকা পরিশোধ করতে পরিবারের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়েছিল। একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে বাঁচাতে, দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার-বিত্তবানদের কাছে আকুতি জানান মাহবুবের পরিবার। মাহবুবের স্ত্রী সিমা আক্তারের আবেদনের ফলে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ৯ হাজার রিঙ্গিত (বাংলাদেশি ২ লাখ টাকা) সহায়তা করেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় ছিল খুবই অপ্রতুল। অন্যদিকে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় সবধরনের সহায়তা দিলেও হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ বিল মেটাতে এগিয়ে আসেন মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশন, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া, প্রবাসী অনেকে। হাসপাতালের ৭৭ হাজার রিঙ্গিতের মধ্যে সবার সহযোগিতায় ৪৭ হাজার রিঙ্গিত বিল পরিশোধ করা হয়। এছাড়া আহত মাহবুবকে দেশে ফিরিয়ে নিতে বিমান ভাড়া চিকিৎসক নার্স স্টেচারসহ আরও ২৭ হাজার রিঙ্গিত খরচ হয়েছে। যা হাইকমিশন ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়, ২০১৬ সালে সরকারি ভিসায় পাম অয়েল বাগানে কাজ নিয়ে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ায় আসেন মাহবুব। মাহবুবের ৩ মেয়ে ও স্ত্রী থাকেন গাজীপুর বোর্ডবাজারে একটি ভাড়া বাসায়। পুরো সংসার নির্ভরশীল মাহবুবের ওপর। অসহায় এ রেমিট্যান্স যোদ্ধার স্বপ্ন ছিল ভালো কিছু করবে। তিন মেয়েকে ভালো কলেজে পড়ালেখা করাবে। কিন্তু সব স্বপ্ন তার নিমিষেই উবে গেলো। তার আর ভাগ্যের পরিবর্তন হলো না। অবশেষে জীবনযুদ্ধে হেরে গেলেন রেমিটেন্সযোদ্ধা মাহবুব। মালয়েশিয়ায় থাকা মাহবুবের ভাতিজা আনোয়ার হোসেন জানান, মাহবুব সাব এজেন্ট নেওয়া এক ইন্দোনেশিয়ানের অধীনে কাজ করতেন। রাওয়াং-এ থাকা ভাতিজা আনোয়ার নিজেও একজন শ্রমিক। কাজের ফাঁকে চাচাকে দেখতে যান। নিজের সামান্য আয় থেকে এরই মধ্যে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। আনোয়ার আরও জানান, তার চাচার পরিবার খুবই অসহায়। দেশে নিয়ে আসলাম চাচাকে। দেশেও চাচাকে চিকিৎসা করাতে পারলাম না। আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। আজ মাহবুবের মরদেহ বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জের চানপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ভাতিজা আনোয়ার।

post
এনআরবি বিশ্ব

স্পেনে পাসপোর্ট জটিলতায় ৬ শতাধিক বাংলাদেশি

স্পেনে মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ৬ শতাধিক বাংলাদেশি। বৈধ হওয়ার সুযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়া প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করছেন। স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ই-পাসপোর্ট নবায়ন জটিলতা এবং বয়স সংশোধনকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হতে থাকা সমস্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশি মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়েন্তে বাংলার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দেশটির রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাসের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিশেষ করে তথ্য সংশোধন জটিলতায় পাসপোর্ট না পাওয়ার বিষয়টি তারা রাষ্ট্রদূতের কাছে ব্যক্ত করেন এবং ই-পাসপোর্ট নবায়ন না হওয়ায় ৬শত প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ অনিশ্চিতসহ পাসপোর্ট না পাওয়ায় সৃষ্ট অভিবাসন জটিলতা তুলে ধরেন।পাসপোর্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশে একটি সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় দালালচক্রের প্রতারণার কথাও ভুক্তভোগী প্রবাসীরা রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন এবং তা প্রতিকারের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।এ সময় রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ উপস্থিত প্রত্যেক ভুক্তভোগীসহ প্রবাসী নেতাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং পাসপোর্ট দেওয়া প্রক্রিয়ায় দূতাবাসের আইনি সীমাবদ্ধতা পুনর্ব্যক্ত করেন।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রবাসীদের পাসপোর্ট সমস্যার কথা দূতাবাস নিয়মিতভাবে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে অবহিত করে। রাষ্ট্রদূত তাদের ভোগান্তির কথা সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পুনরায় তুলে ধরবেন বলে আশ্বাস দেন।স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন করে প্রবাসবান্ধব সরকারের সুফল সাধারণ প্রবাসীদের মাঝে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ প্রবাসীদের আশ্বাস দেন।এ সময় দূতালয় প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মণ্ডল, প্রথম কউন্সিলর (শ্রম) মুতাসিমুল ইসলাম, পলিটিক্যাল কউন্সিলর দীন মোহাম্মদ ইমাদুল হকসহ দূতাবাসের সব কর্মকর্তার পাশাপাশি স্পেনের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট সমস্যা, দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু, বয়সের গড়মিল, রি-ইস্যু পাসপোর্ট প্রবাসীরা দ্রুত পায় এবং যাদের বয়সের গড়মিল রয়েছে সবাইকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.