post
এনআরবি বিশ্ব

চলতি বছরে প্রবাসী আয় কমতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার : বিশ্বব্যাংক

২০২১ সালে তুলনায় এ বছর প্রবাসী আয় ১ বিলিয়ন ডলার কমতে পারে বলে প্রাক্কলন করেছে বিশ্বব্যাংক।চলতি বছরে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় ২১ বিলিয়ন ডলার আসতে পারে, যা গত বছর ছিল ২২ বিলিয়ন ডলার। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য বলা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, শীর্ষ ৮ প্রবাসী আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তমস্থানে থাকবে। গত বছরও বাংলাদেশ একই অবস্থানে ছিল। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর প্রথম অবস্থানে থাকবে ভারত। দেশটিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় আসবে। এরপরেই থাকবে মেক্সিকো (৬০ বিলিয়ন ডলার), চীন (৫১ ডলার), ফিলিপাইন (৩৮ বিলিয়ন ডলার) , মিশর (৩২ বিলিয়ন ডলার) ও পাকিস্তান (২৯ বিলিয়ন ডলার)।

post
এনআরবি সাফল্য

বাংলাদেশে ঘানার 'অনারারি কনসাল' নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ইব্রাহিম দাউদ

বাংলাদেশে ঘানার 'অনারারি কনসাল' হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ইব্রাহিম দাউদ মামুন (ইমরান)। সোমবার (২৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান এম আমানুল হক বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে নিযুক্তির চূড়ান্ত পত্র প্রদান করেন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ঘানার 'অনারারি কনসাল' নিযুক্ত হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।ইব্রাহিম দাউদ মামুন ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি পেশায় একজন খ্যাতিমান ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি এবং তিনি বিলাল ট্রেডিং লিমিটেডের পরিচালক এবং একই সাথে কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড, এ্যালটেক এ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, স্টীলটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, পেপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গারদা শিল্ড সিকিউরিটি সার্ভিস, প্রিন্স ইলেক্ট্রিক্যাল, প্যারাগন এক্সপোর্ট লিমিটেড এবং কাইরোজ ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের সদস্য।  

post
এনআরবি বিশ্ব

কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার দিনক্ষণ চূড়ান্ত

কলকাতায় ‘বাংলাদেশ বইমেলা’র দিনক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণার মধ্য দিয়ে অবসান হলো বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার। কলকাতার কোথায় মেলা হবে, তা নিয়ে যখন চরম অনিশ্চয়তা, ঠিক তখনই বইমেলার জন্য জায়গা নির্ধারণ করে ফেলেছেন আয়োজকরা। চলছে সেই মেলার প্রাঙ্গণনির্মাণে চূড়ান্ত প্রস্তুতি।সব ঠিকঠাক থাকলে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় যাচ্ছেন একঝাঁক প্রকাশক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও তারকা। আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে এ মেলা চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দেখতে দেখতে কলকাতার ‘বাংলাদেশ বইমেলা’ ১০ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে এবার। কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাস এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে আসছে।২০১১ সালে এ মেলা শুরু হয়েছিল গগনেন্দ্র সভাগৃহে। এরপর সেটি রবীন্দ্রসদন চত্বর ঘুরে গেল কয়েক বছর ধরে শহরের মোহরকুঞ্জে প্রায় পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি মোহরকুঞ্জে বইমেলার আয়োজন নিয়ে শুরু হয় নানা জটিলতা। আর সে কারণে তারিখ ঘোষণা করার পরও নির্ধারিত সময় অর্থাৎ গেল সেপ্টেম্বরে শেষ মুহূর্তে এসে বাতিল করতে হয় মেলা। যদিও এখন সেই জটিলতা কেটে গেছে। বর্তমানে কলেজ স্ট্রিটের কলেজ স্কয়ারে চলছে মেলার অবকাঠামো তৈরির কাজ। ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যেই পুরো মেলা প্রাঙ্গণ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে বই পাড়ায় এবার বাংলাদেশ বইমেলা হওয়ায় খুশি স্থানীয় প্রকাশক থেকে পাঠক সবাই। কলকাতার অভিযান প্রকাশনীর কর্ণধার মারুফ হোসেন সময় সংবাদকে বলেন, বইয়ের পাঠকদের জায়গা কলেজ স্ট্রিট। আর এখানে বইমেলা, সেটিও আবার বাংলাদেশি বইয়ের মেলা। এককথায় এটা দারুণ উদ্যোগ। আগের বছরের চেয়ে এবারের বইমেলা বেশি সফল হবে, এমনটাই আশা তার। মেলার অবকাঠামো তৈরির দায়িত্ব পাওয়া সংস্থার কর্ণধার কিশোলয় বিশ্বাস জানান, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারও মেলার অবকাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। আগে শীতের সময়ও বৃষ্টি হতে দেখা গেছে। তাই এবার বৃষ্টি হলেও মেলার ছন্দপতন ঘটবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা ১ ডিসেম্বর দুপুরের মধ্যেই মেলা প্রস্তুত করে দেব।’কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন বলেন, ‘এবারের মেলা নিয়ে আমরা অনেক বেশি আশাবাদী। আশা করছি, মেলা শতভাগ সফল হবে।’ মেলা নিয়ে আগামী ১ ডিসেম্বর উপদূতাবাস সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বলেও জানান তিনি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী প্রকাশনী, সময় প্রকাশন, ভাষাচিত্র, বাতিঘর, অন্য-প্রকাশ, প্রথমা প্রকাশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, পাঠক সমাবেশসহ দশম বাংলাদেশ বইমেলায় ৬৯টি বাংলাদেশি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে।

post
বাংলাদেশ

'যেকোন বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ'

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ভারতের একটি নীতি রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেকোনও বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ।বুধবার (৩০ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।বাংলাদেশকে ভারতের ‘খুব ভালো বন্ধু’ উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, এই অঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে তাকে বলেছেন, বাংলাদেশ কখনোই সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম ও সীমানা নেই। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনও সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয় না এবং বাংলাদেশের মাটিকে কখনোই এই উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে দেয় না। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত সব সমস্যার সমাধান করতে পারে। তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈঠকে শেখ হাসিনা এবং ভার্মা উভয়ই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সহজতর করার জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (সিইপিএ) নিয়েও আলোচনা করেন।প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দেবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সমগ্র জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর উৎসর্গ অনুসরণ করে তিনি নিজেও দেশের মানুষের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করছেন। এ সময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

মালয়েশিয়ার মাহসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অন্যতম সেরা সম্মাননা ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হাফেজ বশির ইবনে জাফর।শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফল, এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিসে ভালো পারফরমেন্স, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সফল নেতৃত্বদান এবং আগামীর সম্ভাবনাময় তারুণ্য বিবেচনায় ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফরমেশান টেকনোলজি অনুষদের সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতি বছর তাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ফ্যাকাল্টি থেকে সেরা শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে। শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বলরুম হলে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহসা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো চ্যান্সেলর এবং চেয়ারম্যান ইয়ং বারহরমাত সিনেটর প্রফেসর তানশ্রি ড. মুহাম্মদ হানিফা বিন আবদুল্লাহ। অন্যান্য অতিথির মধ্যে চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. দাতো ইসহাক বিন আবদুল রাজাক, ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. দাতো ইকরাম শাহ বিন ইসমাইল, প্রফেসর ড. দাতো শাহরিল বিন হানিফা, জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রদূত সুবার্তো যাকাতা, সিমেট্রি ইঞ্জিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি'র ডিরেক্টর মি. চংসহ সকল ফ্যাকাল্টির ডিন ও অধ্যাপকরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মাসা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউন্সিল নির্বাচনে ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুইবার ভিপি নির্বাচিত হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন বাংলাদেশি এই শিক্ষার্থী। বশির ইবনে জাফর বলেন, ‘আজ আমি উৎফুল্ল। মালয়েশিয়ায় এসেই আমি সংকল্প করেছি আমাকে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছতে হবে। বিশেষ করে গ্র্যাজুয়েশন শেষে আমি যেন এই অ্যাওয়ার্ডটি লাভ করতে পারি সেই চিন্তা ছিল এবং আলহামদুলিল্লাহ্‌ আজ আমি সফল।’ ২০১৮ সালে রাজধানীর দনিয়া কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে স্কলারশিপে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান এই শিক্ষার্থী। মালয়েশিয়া যাওয়ার এক বছরের মধ্যেই তিনি তার মেধার সাক্ষর রাখতে শুরু করেন।বিশ্বের ৫১টি দেশের শিক্ষার্থীদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ২০২০ সালে সেখানকার ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। আমন্ত্রণ পান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদের একটি লিডারশিপ কনফারেন্সে। পরবর্তী বছর আবারও ভিপি নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়েন এই শিক্ষার্থী। একাডেমিক জীবনে বশির বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এক বছর। মাহসা ইসলামিক ক্লাবের যাকাওয়া ব্যুরো প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন এক সেশনে। ২০২২ সালে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বিএসওএম’র সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়ে প্রবাসী শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণেও কাজ করছেন বশির ইবনে জাফর।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ ও গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

বাংলাদেশ ও ইউরোপের দেশ গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির সমাপ্তি স্মরণ করতে আগামী ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও গ্রিসের জাতীয় পতাকার রঙে এথেন্সের ঐতিহাসিক ওমোনিয়া স্কোয়ারকে আলোকসজ্জা করা হবে। এ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে এখনো আলোচনা চলছে। সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ। রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ জানান, প্রাচীণ সভ্যতার দেশ গ্রিসে বসবাস করেন প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি। গ্রিসের ওমোনিয়া শহরে বসবাস করেন সিংগভাগ বাংলাদেশি। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ও গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী উদযাপন সমাপ্তি স্মরণ করতে সম্প্রতি এথেন্সের টাউন হলে সেখানের মেয়রের কূটনৈতিক উপদেষ্টা তাসোস ক্রিকোকিসের সঙ্গে আলোচনা করেন। এসময় আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসে বাংলাদেশ ও গ্রিসের জাতীয় পতাকার রঙে ঐতিহাসিক ওমোনিয়া স্কোয়ারকে আলোকসজ্জা করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেখানে বসেই আগামী ১৬ই ডিসেম্বর নিজের দেশের বিজয় দিবস অনূভব করতে ও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে সবার মধ্যে তুলে ধরতে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আসুদ আহমেদ আরো বলেন, এটি সত্যিই অত্যন্ত তৃপ্তির বিষয় যে গ্রিসে থাকা আমাদের ৩০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি এখানে থেকেই নিজের দেশের বিজয় দিবস অনূভব করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া দু‘দেশের সম্পর্ককে এ দেশের মানুষের মাঝে তুলে ধরতে এই আলোকসজ্জা ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১১ মার্চ বাংলাদেশকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয় ইউরোপের দেশ গ্রিস। চলতি বছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশ-গ্রিস কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে টেলিফোনে শুভেছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস। তারা এসময়ে বাংলাদেশ-গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে পরস্পরকে অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো মজবুত করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। 

post
বাংলাদেশ

সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় গেলেন ৩০ বাংলাদেশি কর্মী

সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ৩০ জন কর্মী নিয়ে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (লেবার) মো. নাজমুস সাদাত সেলিম। প্ল্যান্টেশন সেক্টরে কাজের উদ্দেশ্যে এই কর্মীদের পাঠিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল। এরই মধ্যে এক হাজার কর্মীর চাহিদা এলেও প্রাথমিকভাবে অল্প সংখ্যক কর্মী তিন দফায় মালয়েশিয়ায় যাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়েসেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও অতিরিক্ত সচিব ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে ৩০ জনকে পাঠিয়েছে। পর পর তিনদিন এই ফ্লাইটগুলো মালয়েশিয়ায় যাবে। আমরা এক হাজারের মতো ডিমান্ড পেয়েছি। আরও ডিমান্ড এলে আমরা সবাইকে পাঠাতে পারবো।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ‘স্পেশাল ওয়ান-অব রিক্রুটমেন্ট প্রজেক্ট’র আওতায় বাংলাদেশ থেকে বোয়েসেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর জন্য মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। এরই মধ্যে ছয়টি কোম্পানি থেকে প্রায় এক হাজার কর্মীর চাহিদা পাওয়া গেছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ডাটাবেজ থেকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন জেলায় জবফেয়ারের মাধ্যমে কর্মীর তালিকা সংগ্রহ করার মাধ্যমে ৭০০ কর্মীকে প্রস্তুত করা হয়েছে। ‘স্পেশাল ওয়ান-অব রিফ্রুটমেন্ট প্রজেক্ট’ আওতায় বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর খরচ প্রায় ৪৬ হাজার টাকা। মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্ল্যান্টেশন কোম্পানি ইউনাইটেড প্ল্যান্টেশন (ইউপি) থেকে এরই মধ্যে ৫৫০ জন কর্মীর চাহিদা পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ায় যাওয়া সংক্রান্ত সব ব্যয় ইউপি কোম্পানিটি বহন করছে। অর্থাৎ সম্পূর্ণ বিনা খরচে বোয়েসেলের মাধ্যমে নির্বাচিত কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালদ্বীপে শীর্ষ ব্যবসায়ীর পুরস্কার পেলেন আরও এক বাংলাদেশি

মালদ্বীপের ১০০ শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির মধ্যে আবারও স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশি নাগরিক আহমেদ মোক্তাকির প্রতিষ্ঠান ‘মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ’। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) মালদ্বীপের ক্রসরোড মাল্টিআইল্যান্ড রিসোর্টে এক অনুষ্ঠানে ‘গোল্ড হান্ড্রেড গালা অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয় মোত্তাকির হাতে। এর আগে ২০২১ সালে একই পুরস্কার পেয়েছিল তার প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল নাসিম। তিনি ব্যবসায়ীদের প্রশংসা করেন। পরে গোল্ড গালা অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, ভারতীয় হাইকমিশনার ও শ্রীলঙ্কার ডেপুটি হাইকমিশনার।আহমেদ মোক্তাকি একজন বাংলাদেশি। তার দেশের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের মিয়াবাড়ি। মালদ্বীপে তার কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে। এরপর তিনি সেখানে ব্যবসা শুরু করেন। আজ তিনি দেশটিতে একজন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা। তিনি মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠান মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারকের খ্যাতি পেয়েছে।

post
বাংলাদেশ

১৭ দিন পর বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

ফেনীর পরশুরামে বিএসএফের হাতে নিহত কৃষক মোহাম্মদ মেজবাহারের মরদেহ ১৭ দিন পর বাংলাদেশের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ। পুলিশ মেজবাহারের মরদেহ গ্রহণ করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বিলোনিয়া ইমিগ্রেশনে চেকপোস্টে সীমান্তবর্তী বিলোনিয়া স্থলবন্দরের চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশের পুলিশের কাছে মেজবাহারের মরদেহ হস্তান্তর করে। এ সময় বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন খেজুরিয়া কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওমর ফারুক ও পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম। বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ২০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সারসীমা কোম্পানি কমান্ডার সত্যিয়া পাল সিং ও ভারতীয় বিলোনিয়া থানার ওসি পরিতোস দাস। এরআগে গত ১৩ নভেম্বর উপজেলার বাঁশপদুয়া গ্রামে সীমান্তবর্তী এলাকায় ধান কাটতে গেলে বিএসএফ কৃষক মোহাম্মদ মেজবাহারকে ধরে নিয়ে যায়। তিন দিন পর স্থানীয়রা মেজবাহারের মরদেহ ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের একশ গজ ভেতরে পড়ে থাকতে দেখে বিজিবিকে খবর দেন। ১৬ নভেম্বর দিনগত রাত ৩টায় মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ। বিজিবি-বিএসএফের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে মরদেহ নিয়ে যান তারা।পরশুরামের মজুমদার হাট সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মনিরুজ্জামান জানান, বিজিবি-বিএসএফ ও পুলিশের উপস্থিতিতে আইনগত প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত মেজবাহারের স্ত্রী মরিয়ম বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীর মরদেহ চেনার উপায় নেই, অনেকটা পচে-গলে গেছে। এ ঘটনায় তিনি বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। মরিয়ম বেগমের অভিযোগ, বিএসএফ তার স্বামীকে বাংলাদেশ থেকে ধরে নিয়ে বিনা অপরাধে হত্যা করেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর নিজাম উদ্দিন সুমন জানান, গত ১৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদ মেজবাহার বাঁশপদুয়া গ্রামের ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ধান কাটতে যান। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যান। ১৭ দিন পর ওই মরদেহ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। তবে মরদেহ শনাক্তের কোনো সুযোগ নেই, পচে-গলে গেছে। ভারতের বিলোনিয়া থানার পরিদর্শক পরিতোস দাস জানান, নিহত মেজবাহারের শরীরে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখনো তাদের হাতে আসেনি। অফিসিয়ালভাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বাংলাদেশের পুলিশকে দেওয়া হবে। পরশুরাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ফেরত পাওয়ার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

জাতিসংঘ শান্তি পদক পেলেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা

মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিট-২ (রোটেশন-৪) এর ১৪০ জন সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তি পদক পরিয়ে দেন মালির জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের পুলিশপ্রধান পুলিশ কমিশনার জেনারেল বেটিনা প্যাট্রিসিয়া বুগানি।এ উপলক্ষ্যে সোমবার ব্যানএফপিইউ-২ কর্তৃক আয়োজিত মেডেল প্যারেড ও শান্তি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মিনুস্মা হেড কোয়ার্টার্সের এফপিইউ কোঅর্ডিনেটর হাম্মানজাবু স্যামুয়েল, তিন্বুক্তো রিজিওয়েনর রিজিওনাল কমান্ডার সানাও দিওফ, রিজিওনাল আ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার, ডেপুটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জাবেদ আসলাম ও মিলিটারি কন্টিনজেন্টের কমান্ডাররা। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, মেয়র ও জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তার ডেলিগেশন টিমসহ রাজধানী বামাকো থেকে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে মিনুসমা গুন্দাম ক্যাম্পের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। ব্যানএফপিইউ-২ এর কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান প্রধান অতিথিকে হেলিপ্যাডে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্যারেড গ্রাউন্ডে নিয়ে আসেন। সেখানে প্যারেড কমান্ডার ব্যানএফপিইউ ২-এর অপারেশনস্ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল সশস্ত্র সালাম ও বর্ণিল প্যারেড প্রদর্শন করেন। মনোমুগ্ধকর প্যারেড প্রদর্শনী শেষে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের ১৪০ জন পুলিশ সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়। মালিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মিনুসমা ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদক দেওয়া হয়।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে প্রতিকূল পরিবেশেও অত্যন্ত সুনামের সহিত শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ পরিচালনা করে স্থানীয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে ব্যানএফপিইউ ২-এর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম যেমন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন, বিনামূল্যে ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ, স্কুলে শিক্ষাসামগ্রী ও মসজিদে উপহারসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন।তিনি শান্তিরক্ষা মিশনে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ ও তাদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন। ব্যানএফপিইউ-২ (রোটেশন-৪)-এর কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তিনি মিনুসমা কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বক্তব্য শেষে তিনি মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে বৃক্ষরোপণ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ব্যানএফপিইউ ২-এর কমান্ডার প্রধান অতিথিসহ অন্য সব অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক ও উপহার দেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.