post
এনআরবি সাফল্য

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যবসায় অর্থনীতিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যবসায় অর্থনীতিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিয়েছে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া। ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর, সেলাঙ্গরের সুলতান শরাফুদ্দিন ইদ্রিস শাহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে তাকে এ সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়া হয়। বুধবার (৩০ নভেম্বর) শুরু হওয়া ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া চারদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষ হয় ৩ ডিসেম্বর। এর আগে অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার, ইউনাইটেড স্টেটস প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল পুরস্কৃত করা সাত ব্যক্তির মধ্যে একজন, গান্ধী শান্তি পুরস্কারসহ ১০টি দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিটার্সবার্গ পুরস্কার লাভ করেছেন। মালয়েশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা বারনামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস একজন বাংলাদেশি ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ এবং সুশীল সমাজের নেতা, যিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষ সংকটের পর গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং দরিদ্র ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা শুরু করার জন্য ক্ষুদ্রঋণ প্রদানে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।তাকে সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়ার পর ইউপিএম স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স জানিয়েছে, অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসকে ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে গবেষণা ও শিক্ষাদানে নেতৃত্বের বিকাশের জন্য তিন বছর মেয়াদে মন্ত্রী বেসার সেলাঙ্গর চেয়ার হোল্ডার হিসাবে নিযুক্ত করবে। অনুষ্ঠানের ভাষণে ডিন প্রফেসর ড. ব্যানি আরিফিন আমিন নুরদিন বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সহযোগিতা ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস ফ্রেমওয়ার্ক ভিত্তিক সামাজিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কমিউনিটি প্রোগ্রামে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়াকে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বিশাল জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এমন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে সামনে আমাদের স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা এবং শিল্প নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

post
এনআরবি সাফল্য

পর্তুগালে বৈজ্ঞানিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সোহেল মুর্শেদ

পর্তুগালে বৈজ্ঞানিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক এস এম সোহেল মুর্শেদ। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (এয়ারক্রাফ্ট) ওপর ব্যতিক্রমধর্মী অসামান্য বৈজ্ঞানিক অবদানের জন্য লিসবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২২ সালের এ বৈজ্ঞানিক সম্মাননা লাভ করেন। পর্তুগালের লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটো সুপিরিয়র টেকনিকোর (আইএসটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক এস এম সোহেল মুর্শেদ। তিনি রচেস্টার ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আরআইটি), নিউ ইয়র্ক এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি, ধানবাদ), ভারতের ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সিঙ্গাপুরের নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং ইউএসএ ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট্রাল ফ্লোরিডায় (ইউসিএফ) পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবেও কাজ করেছেন।অধ্যাপক মুর্শেদ বিশ্বের শীর্ষ ২% বিজ্ঞানীদের (ক্যারিয়ার এবং ২০২১ ইমপ্যাক্ট লিস্টের একক বছর উভয়ই) তালিকাভুক্ত হয়েছেন, যা স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ১০ ​​অক্টোবর, ২০২২-এ প্রকাশিত হয়েছিল। একক বছরের (২০২১) তালিকায় ২ লাখ ৪ হাজার ৯ জন বিজ্ঞানীদের মধ্যে তার অবস্থান ১৬ হাজার ৮০তম। এছাড়া তিনি ২০২১ সালের তালিকায় পর্তুগালের ৭৬৩ তালিকাভুক্ত বিজ্ঞানীদের মধ্যে ৪৫তম স্থানে রয়েছেন। ১২টি বই এবং ৩৫টি বই-অধ্যায় ছাড়াও তিনি এ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং সম্মেলনে ২০০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা লেখক এবং সহ-লেখক হিসেবে কাজ করেছেন। ওয়েব অব সায়েন্স (প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান সূচক) দ্বারা তার বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্র হাইলি উদ্ধৃত পেপার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে ইউরোপীয় কমিশন এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের তহবিল সংস্থার জন্য বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নকারী হিসেবে কাজ করছেন। এই অধ্যাপক ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের মতো অনেক আন্তর্জাতিক পিএইচডি থিসিসের পাশাপাশি "নেচার"-এর মতো শীর্ষ-স্তরের কিছুসহ প্রায় ৪০টি আন্তর্জাতিক জার্নালের জন্য এক্সটারনাল পর্যালোচনাকারী হিসেবে কাজ করেন।অসামান্য কৃতিত্বের বিষয়ে এই গুণী বিজ্ঞানী বলেন, অর্জন আমার কাছে মুখ্য বিষয় নয়, আমি শুধু আমার কাজ করে যাচ্ছি। মানবতার কল্যাণে তিনি নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানের উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম একটি সুন্দর বাসযোগ্য পৃথিবী পেতে পারে। সোহেল মুর্শেদ নড়াইল জেলার মাইজপাড়া হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। পরে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে যথাক্রমে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি এবং এমইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। এছাড়া সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (এনটিইউ) থেকে মেকানিক্যাল ও অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি অর্জন করেন। পর্তুগালে তিনি ২০১০ সাল থেকে পরিবারসহ বসবাস করছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

পান্তা ভাত খেয়ে ৩ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন মালয়েশিয়া প্রবাসী

পরিবারের আর্থিক অনটন দূর করতে প্রিয়জনদের একটু সুখ-শান্তিতে রাখার নিয়তে বিদেশ-বিভুঁইয়ে পাড়ি জমান বাংলাদেশিরা। গতর খাটান, ঘাম ঝরান। শরীর ভালো, নাকি মন্দ সেদিকে কোনো খেয়াল থাকে না। প্রবাসে তাদের একটাই লক্ষ্য, কী করে একটু বেশি আয় করা যায়। কীভাবে বাড়িতে আরও কিছু বেশি টাকা পাঠানো যায়।আর তাই নিয়মিত আট ঘণ্টার কাজের বাইরেও অতিরিক্ত আরও চার-পাঁচ ঘণ্টা পরিশ্রম করেন। যতটুকু না খেলেই নয়, ততটুকু খেয়ে টাকা সঞ্চয় করেন। মাস শেষে যে বেতন পান তার বড় অংশই পাঠিয়ে দেন বাড়িতে। মালয়েশিয়ায় এমনই একজন প্রবাসীর সন্ধান মিলেছে। টাকা বাঁচাতে যিনি ভাতের সঙ্গে শুধু একটা পেঁয়াজ আর কাঁচামরিচ খান। জমানো সেই টাকার পুরোটাই দেশে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেন। ওই প্রবাসীর একটা অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (৩০ নভেম্বর) স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে ১ মিনিট ছয় সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, দুপুরের খাবারে ভাতের সঙ্গে পেঁয়াজ আর কাঁচামরিচ খাচ্ছেন ওই প্রবাসী। তবে এখন পর্যন্ত ওই প্রবাসীর নাম-ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি।ভাইরাল ভিডিওটিতে এক প্রশ্নের উত্তরে ওই প্রবাসী বলছেন, খাবারে ভাতের সঙ্গে পেঁয়াজ আর কাঁচামরিচ খেয়ে দিন পার করে দেন তিনি। আর রাতের বেলায় তিনি শসা খেয়েই থাকেন। টাকা বেশি খরচ হবে বলে মাছ-মাংস খান না। মালয়েশিয়ায় আসার প্রথম দিকে ভালো কিছু খেলেও পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা বিবেচনা করে, তারপর থেকে তিনি মাছ-মাংস খাওয়া ছেড়ে দেন।পেঁয়াজে এক কামড় আর কাঁচামরিচে এক কামড় দিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রতি মাসে ৫ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত (মালয়েশীয় মুদ্রা) আয় করেন তিনি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ১ লাখ ৩৭ হাজারের কিছু বেশি। আয় থেকে মাত্র ৩০০ রিঙ্গিত নিজের খরচের জন্য রেখে দেন। বাকিটা পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেন। অর্থাৎ প্রতিমাসে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা রেমিট্যান্স পাঠান তিনি। খেতে খেতে ওই প্রবাসী আরও জানান, পরিবার-পরিজন ছেড়ে এভাবে গত ১৯ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। আর এই সময়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন। সব টাকাই দেশে সঞ্চয় করেছেন বলেও জানান তিনি।তার কথা শুনে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। বলেন, মা-বাবার প্রতি কর্তব্য পালন করতে এত অল্প বয়সে মালয়েশিয়ায় এসে যে কষ্ট আপনি করছেন তা দেখে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রতিটি পরিবারের সন্তানদের শেখা উচিত।

post
আন্তর্জাতিক

ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হলেন গুগলের সুন্দর পিচাই

ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পেয়েছেন ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও সফটওয়্যার কোম্পানি অ্যালফাবেটের শীর্ষ নির্বাহী সুন্দর পিচাই। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্যান ফ্রান্সিসকো শহরে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতের দূত তরণজিৎ সিং সান্ধু। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে সুন্দর পিচাইকে পদ্মভূষণ প্রদানের ছবি টুইট করে সান্ধু লিখেছেন, ‘সান ফ্রান্সিসকোয় গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইকে পদ্মভূষণ হস্তান্তর করতে পেরে আমরা আপ্লুত। মাদুরাই থেকে মাউন্টেন ভিউ পর্যন্ত তার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা ভারত-আমেরিকার অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে। তিনি বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনে ভারতীয় প্রতিভার অবদানকে নিশ্চিত করেছেন।’আগামী বছর ২৬ জানুয়ারি ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদয়াপন করবে ভারত। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে সুন্দর পিচাইকে এই সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পদ্মভূষণ পাওয়ার পর নিজের ব্লগে পিচাই লেখেন, ‘ভারতের সরকারের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিযুক্ত ভারতের দূত তরণজিৎ সিং সান্ধু এবং কনসাল জেনারেল প্রসাদ আমাকে পদ্মভূষণ প্রদান করেছেন। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই অপরিমেয় সম্মান প্রদানের জন্য আমি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও জনগণের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এভাবে সম্মানিত হওয়া আমার জন্য অবিশ্বাস্যভাবে অর্থপূর্ণ এবং এই অর্জন আমাকে সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা যোগাবে। ভারত আমাকে তৈরি করেছে এবং এই দেশ আমার অস্তিত্বের অংশ। আমি যেখানেই যাই, মনে সবসময়ই ভারত জেগে থাকে।’ পদ্মভূষণ প্রাপ্তির পর নিজের বাবা-মাকে স্মরণ করেছেন গুগুলের সিইও। এ প্রসঙ্গে ব্লগে তিনি লেখেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে, এমন একটি পরিবারে জন্মেছি যাঁরা শিক্ষার উপর আলাদা গুরুত্ব দিতেন। আমি কৃতজ্ঞ আমার বাবা-মায়ের কাছে। আমার ভবিষ্যতের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তাদের।’সুন্দর পিচাই ওরফে পিচাই সুন্দর রাজনের জন্ম ১৯৭২ সালের ১২ জুলাই। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে তার পৈতৃক বাড়ি। খড়্গপুর আইআইটির থেকে স্নাতক পাস করা পিচাইয়ের গুগলে যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালে। প্রথমে গুগল ক্রোম, ক্রোম, ওএস প্রভৃতি নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। পরে ওই সংস্থারই সিইও নিযুক্ত হন। নিজের ব্লগে পিচাই বলেন, ‘ভারত এবং গুগল সংস্থার মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নারীদের ভিসা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ব্রিটিশ ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া এবং জাতিসংঘ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লর্ড তারিক আহমদের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নারীদের ভিসা ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক বৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের নবগঠিত সরকারের স্টুডেন্ট ভিসা কমানোর পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী এই আহ্বান জানিয়ে বলেন, এর ফলে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের মেয়েদের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে যৌথ অনুষ্ঠান আয়োজনের আশা ব্যক্ত করেন। বৈঠকে লর্ড তারিক আহমদ তার বক্তব্যে বাংলাদেশের নারীদের ভিসা ও বৃত্তি বাড়ানোর আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।মঙ্গলবার লন্ডনে কুইন এলিজাবেথ সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী রানী এলিজাবেথের মৃত্যুতে আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করে ব্রিটেনের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যের প্রয়াত রানীর রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে যোগদান করেন। প্রতিমন্ত্রী ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সুসম্পর্ককে আরও বেশি উচ্চতায় উন্নীত করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এ সময় তারা সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘প্রিভেন্টিং সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স ইন কনফ্লিক্ট ইনিশিয়েটিভ কনফারেন্স (পিএসভিআই) ২০২২’- এ যোগ দিতে যুক্তরাজ্য সফরে রয়েছেন।

post
খেলা

বাংলাদেশকে আর্জেন্টিনার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন কোচ স্ক্যালোনি

কয়েক দিন ধরেই বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা- ব্রাজিল উন্মাদনা নিয়ে আলোচনা বিশ্ব মিডিয়ায়। সম্প্রতি আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনও বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছে সামাজিক মাধ্যমে। আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচের আগে আর্জেন্টাইন কোচ লিওন্যাল স্ক্যালোনি বাংলাদেশকে আর্জেন্টিনার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।৪৫ মিনিট সংবাদ সম্মেলনের শেষ মুহূর্ত। আর্জেন্টিনার সাংবাদিক করোল দিয়েগো শেষ প্রশ্ন করলেন। ডি স্পোর্টস রেডিওতে কর্মরত এই সাংবাদিক সারা বিশ্বে আর্জেন্টিনার সমর্থন এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন এবং এই সমর্থন আর্জেন্টিনার খেলায় কতটুকু অনুপ্রেরণা যোগায় তা কোচ স্ক্যালোনির কাছে জানতে চান। স্ক্যালোনি শেষ প্রশ্নের উত্তরটি বেশ সুন্দরভাবেই দিয়েছেন। উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাম দুই বার উচ্চারণও করেছেন তিনই। সারা বিশ্বে আর্জেন্টিনার সমর্থনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘দিয়োগোর ( ম্যারাডোনা) অসংখ্য সমর্থক রয়েছে। এখন মেসিরও আছে। তাদের মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসে অনেক দেশ, বাংলাদেশ এর মধ্যে অন্যতম।’ এত দুরের দেশের ভালোবাসা পাওয়াটা দারুণ অনুভূতি আর্জেন্টিনা দলের জন্য। এই অনুভূতি আর্জেন্টিনার কোচ ব্যক্ত করলেন এভাবে, 'এটা আসলেই দারুণ এক অনুভূতি। আমাদের ফুটবল বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ ভালেবাসে। বাংলাদেশকে ধন্যবাদ।' বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা সমর্থকদের পাশাপাশি কাতারের স্টেডিয়ামগুলোও আর্জেন্টাইন সমর্থনে পরিপূর্ণ। এই বিষয়টি দারুণ লাগে আর্জেন্টিনার কোচের কাছে, ‘সমর্থকদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বিগত তিন ম্যাচের স্টেডিয়ামেই ৮০-৯০ শতাংশ দর্শক সমর্থন আমরা পেয়েছি। আশা করি আগামীকালের ম্যাচেও তাই হবে।’ বাংলাদেশকে নিয়ে প্রশ্ন করা আর্জেন্টাইন সাংবাদিক করোল এই প্রতিবেদকের ২ সারি সামনেই ছিলেন। সম্মেলন শেষে করোলের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা গেল আর্জেন্টিনাতেও বাংলাদেশ এখন বেশ আলোচিত নাম। 

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশকে ২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের জন্য ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বর্তমানে প্রতি ডলার ১০২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।সংস্থাটি জানায়, এ অর্থায়ন বাংলাদেশকে পরিবেশ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে এবং সবুজ বিনিয়োগে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে এই অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ প্রকল্পে এই ঋণ ব্যবহার করা হবে। দূষণ রোধে এবং পরিবেশগত মান উন্নত করতে পরিবেশগত বিধিবিধান এবং প্রয়োগের উন্নতিতেও প্রকল্পটি সহায়তা করবে। প্রকল্পের লক্ষ্যবস্তু সবুজ বিনিয়োগ উন্নীত করার জন্য নতুন অর্থায়নের পথ সৃষ্টি। এটি বায়ু দূষণ কমাতে সবুজ বিনিয়োগকে সমর্থন করার জন্য আর্থিক খাতকে উৎসাহিত করার জন্য একটি গ্রিন ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমও প্রতিষ্ঠা করবে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন দূষণ মোকাবিলায় সাহায্য করবে। বৃহত্তর ঢাকা এবং তার বাইরে বসবাসকারী ২১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। পাশাপাশি নগরায়ণের ফলে দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। দূষণ শুধু যে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে তা নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষমতাও নষ্ট করছে। পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদার। এই প্রকল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের পরিবেশ সংস্থাগুলিকে শক্তিশালী করবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বার্ষিক প্রায় ৪৬ হাজার যানবাহন পরিদর্শনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে চারটি যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা করবে। বার্ষিক সাড়ে তিন মেট্রিক টন ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার জন্য একটি ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য এক মিলিয়ন টন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে সহায়তা করা।বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং টাস্ক টিমের নেতা জিয়াং রু বলেন, পত্র-পত্রিকায় আমরা নিয়মিত ঢাকার উচ্চ মাত্রার বায়ু দূষণের প্রতিবেদন দেখি। বিশ্বব্যাংকের অনুমান দেখায় যে, ২০১৯ সালে বায়ু দূষণ এবং সীসার এক্সপোজার বাংলাদেশে মৃত্যুর এক-পঞ্চমাংশেরও বেশির জন্য দায়ী, যা দেশের জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ ব্যয় করে। পরিবেশগত বিধিবিধান এবং কঠোর পরিবেশগত প্রয়োগ বেসরকারি খাতকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সবুজ বাড়াতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে প্রকল্পটি। দেশকে ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-শূন্য নির্গমনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।বাংলাদেশকে এই ঋণ বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে দেওয়া হবে। যা পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড সহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। প্রচলিত ঋণের শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ভূয়া ওয়ার্ক পারমিট বিক্রির অভিযোগে ৩ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি সহকর্মীদের কাছে জাল ওয়ার্ক পারমিট বিক্রির অভিযোগে স্বদেশি তিনজনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জনা গেছে, অক্টোবর থেকে জাল ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু এবং বিক্রি করার সন্দেহে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।শাহ আলম প্রদেশের পুলিশ প্রধান ইকবাল ইব্রাহিম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শাহ আলমের ২৬ নম্বর সেকশনের কাম্পুং বারু হিকমে অভিযান চালিয়ে প্রথম দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর।তদন্তে জানা গেছে- এই দুজন, যারা গত তিন বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন এবং হিকম গ্লেনমারি শিল্প এলাকায় কাজ করছিলেন, তারা অক্টোবর থেকে জাল পারমিট তৈরি এবং বিক্রি করে আসছিলেন।মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বার্নামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি নাগরিকদের কাছে বিক্রি করা জাল পারমিটগেলো সহজেই পাওয়া যায় অনেক সস্তা মূল্যে যার আনুমানিক মূল্য ২০০ রিঙ্গিত। তাদের গ্রাহকদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি।ইকবাল বলেন, পুলিশ একটি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টিং মেশিন, তিনটি পাসপোর্ট, ১০টি অস্থায়ী চাকরির পাস এবং চারটি মোবাইল ফোনসহ বেশ কিছু জিনিস জব্দ করেছে।গ্রেফতারের পর ৩০ বছর বয়সী আরেক সন্দেহভাজন, একজন সহযোগী বৃহস্পতিবার রাতে শাহ আলম জেলা সদরে আত্মসমর্পণ করে। তবে অধিক তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারদের নাম প্রকাশ করেনি দেশটির আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

post
বাংলাদেশ

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশকে টপকে গিয়েছিল ভিয়েতনাম। বরাবরের মতো চীন সবার ওপরেই আছে।বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২২-এ দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশে নেমে গেছে।বৈশ্বিক আরএমজি বাজারে বাংলাদেশের অংশ অবশ্য ২০২০ সালে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬ দশমিক ৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, গত বছর বাংলাদেশ থেকে আরএমজি রপ্তানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে এই রপ্তানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রপ্তানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২ দশমিক ৯০ শতাংশ।চীন ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে দেশটির অংশ ৩১ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২ দশমিক ৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।ডব্লিউটিও-র প্রকাশনা অনুসারে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রপ্তানিকারক। সুতরাং, প্রযুক্তিগতভাবে, বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ।ইইউ-এর সম্মিলিত রপ্তানি পরিসংখ্যান দেশভিত্তিক আলাদা করা হলে, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক হবে।তুরস্ক ও ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও পাকিস্তান।ডব্লিউটিও-র পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রপ্তানিকারকের বার্ষিক মোট রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার। যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এই মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।সূত্র: বাসস

post
বাংলাদেশ

'বিদেশফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হবে'

দেশে প্রবেশের সময় বিদেশফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা ঠিক করেছি, দেশ ত্যাগের আগে যেভাবে এইডস পরীক্ষা করে এইচআইভি নেগেটিভ হলে তারপর বিদেশে যেতে হয়, একইভাবে দেশে প্রবেশের সময়ও তাঁদেরকে পুনরায় পরীক্ষা করা হবে। এতে করে আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা দেয়া যেমন সহজ হবে, অন্যদিকে, তাদের পরিবারের অন্যান্য নিরাপদ সদস্যরাও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাবেন।’দেশে এইডস রোগীদের চিকিৎসা দেয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘বর্তমানে সরকার বিনামূল্যে এইডস রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে। চিকিৎসা নিলে এইডস রোগীরা আরও বেশিদিন সুস্থ থাকতে পারে। তবে সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথা ভেবে এইডস হলে তারা গোপন রাখে এবং সেকথা কাউকে প্রকাশ না করে অন্যদেরকেও আক্রান্ত করে ফেলে। এতে করে দেশে এইডস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।’ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (জনসংখ্যা, পরিবার কল্যাণ ও আইন অনুবিভাগ) ডা. আশরাফী আহমদ, এনডিসি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রাজেন্দ্র পোখড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর প্রমুখ। সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মুজিবুল হক।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.