post
বাংলাদেশ

সুন্দর ভবিষ্যৎ ও উন্নত বিশ্বের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান শেখ হাসিনার

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বিবেচনায় নিয়ে একটি ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্য এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ ও উন্নত বিশ্বের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বৃহস্পতিবার ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘ভয়েস অব দ্য সাউথ সামিট ২০২৩’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে (ইন্যাগুরাল লিডারস সেশন) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, টেকসই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক দক্ষিণের (গ্লোবাল সাউথ) উন্নয়নের জন্য এগুলো সম্মিলিতভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। মানবতার বৃহত্তর স্বার্থে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই সম্মেলন বিশ্বজুড়ে তাদের সমকক্ষদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এক অনন্য সুযোগ করে দেবে। বাংলাদেশ গ্লোবাল সাউথের একটি দেশ। ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’ ধারণার আওতায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য জি২০-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানাই। টেকসই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রস্তাবে তিনি বলেন, প্রথমত মানবতার বৃহত্তর স্বার্থে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত একটি নতুন দৃষ্টান্ত প্রয়োজন, যা এসডিজির সমান্তরালে সামগ্রিকভাবে বৈষম্যকে মোকাবিলা করবে। তৃতীয়ত স্বল্পোন্নত দেশ, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশসহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য বিশেষ অর্থায়নের প্রয়োজন, তাদের উত্তরণের সময় এটি পূরণ করতে হবে। চতুর্থ প্রস্তাবে তিনি নারীসহ সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল ডিভাইডস’ সেতুবন্ধ রচনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনিয়োগ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধা নিন। যার জন্য অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সমর্থন অত্যাবশ্যক, তিনি যোগ করেন। তিনি বলেন, পঞ্চমত সব মানুষেরই ভালোভাবে জীবনযাপনের সমান অধিকার থাকা উচিত। বৈশ্বিক সম্প্রদায় জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতের বিষয়টি যেন ভুলে না যান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সাউথ-সাউথ ও ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করুন। এখানে অংশীদার, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, থিংক-ট্যাংক ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের কাছ থেকে সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনা বলেন, প্রায় পাঁচ দশক আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘মহান অর্থনৈতিক উত্থান’-এর মুখে একটি ন্যায়সঙ্গত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জরুরি বোধ তৈরির আহ্বান জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি২০ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিষয়ে পরামর্শমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে জি২০ প্ল্যাটফরমকে আরও অর্থবহ করার জন্য তার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি। তিনি ‘ভয়েস অব দ্য সাউথ সামিট’ আহ্বান করার জন্য এবং ‘মানবকেন্দ্রিক উন্নয়ন’বিষয়ক উদ্বোধনী নেতাদের অধিবেশনে তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানান। সূত্র: বাসস

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে কাল শুরু হচ্ছে ইজতেমা, টঙ্গীর তুরাগতীরে মুসল্লিদের ঢল

সকাল থেকেই ঘন কুয়াশা। জেঁকে বসেছে শীত। এর মধ্যেই টঙ্গীর তুরাগতীরে ঢল নেমেছে মুসল্লিদের। আজ বৃহস্পতিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লিদের সংখ্যাও বাড়ছে। ধীরে ধীরে ভরে উঠছে ইজতেমার মাঠ। গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার মাঠে কাল শুক্রবার ফজরের নামাজের পর শুরু হচ্ছে তাবলিগ জামাতের সবচেয়ে বড় আসর। ইজতেমায় যোগ দিতে গত মঙ্গলবার থেকেই ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মুসল্লিরা। তবে আজ সকাল থেকে মুসল্লিদের ভিড় দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি।তাবলিগ জামাতের বিরোধের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলাদাভাবে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ইজতেমা পালন করবেন কাল থেকে। তাঁদের ইজতেমা চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা করবেন জানুয়ারির ২০, ২১ ও ২২ তারিখ। সে হিসাবে এখন যাঁরা মাঠে আছেন বা আসছেন, সবাই জুবায়েরপন্থী। আজ সকাল থেকে ইজতেমা মাঠ ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইজতেমায় যোগ দিতে মুসল্লিরা তুরাগতীরে আসছেন। কেউ বাসে, কেউ ট্রাকে, আবার কেউ পিকআপ ভ্যানে চড়ে এসেছেন ইজতেমা মাঠে। সবার হতেই একাধিক ব্যাগ ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র। মুসল্লিরা মাঠে ঢুকছেন ভিন্ন ভিন্ন ফটক দিয়ে। মাঠে ঢুকেই নিজ নিজ খিত্তায় (নির্ধারিত জায়গা) অবস্থান নিচ্ছেন মুসল্লিরা। গত মঙ্গলবার থেকেই ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা। তবে আজ সকাল থেকে মুসল্লিদের ভিড় দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি গত মঙ্গলবার থেকেই ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা। তবে আজ সকাল থেকে মুসল্লিদের ভিড় দেখা গেছে সবচেয়ে বেশিছবি: প্রথম আলো সকাল নয়টার দিকে মাঠে গিয়ে কথা হয় বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিদের সঙ্গে। এর মধ্যে ৪৫ নম্বর খিত্তায় ওয়ারেস আলী বসে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পর ইজতেমা হচ্ছে। সবাই খুব আনন্দিত। তাই আমরা সবাই আগেভাগেই চলে এসেছি। আর আগে না এলে নিজ নিজ জায়গা পেতে কষ্ট হয়।’ করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ বিরতির পর ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় মুসল্লিরা বেশ উচ্ছ্বসিত। ৩২ নম্বর খিত্তার আবুল হাসান বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর ধরে ইজতেমা করতে আসছি। এবার আবার সবার সঙ্গে দেখা হওয়ায় খুব ভালো লাগছে।’ জুবায়ের অনুসারীদের শীর্ষ পর্যায়ের মুরব্বি খন্দকার মেজবাহ উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, এ বছর বিপুলসংখ্যক সাথি ইজতেমায় অংশ নেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। মঙ্গলবার থেকেই সাথিরা বাসে, ট্রাকে করে দলে দলে আসছেন। সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর ইজতেমা হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

৭ বছর পর লাশ হয়ে মায়ের বুকে ফিরলেন প্রবাসী যুবক

বাবা মারা যাওয়ার পর সাত বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে কাতারে গিয়েছিলেন রেজুয়ানুল হক তুষার (২৫)। ফোনে বিয়েও করেছিলেন। খুব শিগগির দেশে ফিরে নববধূকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে তোলার কথা ছিল। তবে জীবিত অবস্থায় তুষারের দেশে ফেরা হলো না। কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত হওয়ার ৯ দিন পর বুধবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বোডিং মাঠ এলাকায় নিজ বাড়িতে তুষারের মরদেহ এসে পৌঁছায়। সাত বছর পর ছেলের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা আখিনুর আক্তার রেখা।বাড়িতে তুষারের মরদেহ পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অ্যাম্বুলেন্স থেকে কফিন নামানোর পরই মা আখিনুর আক্তার সন্তানের মরদেহের কফিন জড়িয়ে ধরেন। একমাত্র বোন জুঁই তার ভাইয়ের মরদেহের ওপর কান্নায় লুটিয়ে পড়েন। এসময় সারা বাড়িজুড়ে কান্নার রোল পড়ে যায়।পরে ট্যাংকের পাড় মাঠে বাদ আসর তুষারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে শহরের শেরপুর মীর শাহাবুদ্দিন (রহ.) মাজার কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের মৃত হামিদুল হকের এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে রেজুয়ানুল হক তুষার ছোট। একমাত্র বোন জুঁইকে বিয়ে দিয়েছেন শহরের কান্দিপাড়ার জাপান প্রবাসী শাহনেওয়াজ ভূইয়া রাকিবের সঙ্গে। জুঁই স্বামী-সন্তানের সঙ্গে জাপানে থাকেন। বাবা হামিদুল হক পরিবার নিয়ে জেলা শহরের বোডিং মাঠ এলাকায় বাড়ি করে বসবাস করতেন। প্রায় আট বছর আগে হামিদুল হক মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের হাল ধরতে মাকে বাড়িতে একা ফেলে কাতারে পাড়ি দেন তুষার। সেখানে গত সাত বছর ধরে তুষার একটি ফুড ডেলিভারি কোম্পানিতে চাকরি করছিলেন। গত ২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার দিকে কাতারের ছালোয়া রোডে ট্রাকচাপায় তুষারের মৃত্যু হয়।

post
বাংলাদেশ

কমছে তাপমাত্রা, বাংলাদেশে ১৮ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

শীত আরও বেড়ে দেশের ১৮ জেলায় বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। এ অবস্থায় রাতের তাপমাত্রা আরও কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করতে পারে, একই সঙ্গে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।মঙ্গলবার পাবনা, নওগাঁ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা এবং রংপুর বিভাগের ৮ জেলাসহ ১১ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। বুধবার পুরো রাজশাহী বিভাগেই শৈত্যপ্রবাহ বইছে।তবে কিছু কিছু অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ে। বুধবার সেখানে এ তাপমাত্রা হয়েছে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি।বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী ও পাবনার ঈশ্বরদীতে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি থেকে কমে হয়েছে ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

post
বাংলাদেশ

বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে তিন ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের

বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে গত বছরের তুলনায় উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশের। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স’ -এর করা ২০২৩ সালের প্রথম সংস্করণের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ যৌথভাবে ১০১তম স্থানে রয়েছে।মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করেছে গ্লোবাল সিটিজেনশিপ ও রেসিডেন্সি পরামর্শক লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স।সূচক অনুযায়ী, গত বছরের মতো শীর্ষে রয়েছে জাপান। এই দেশটির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ১৯৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। সিঙ্গাপুর এবং দক্ষিণ কোরিয়া যৌথভাবে সূচকের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই দুই দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়া অথবা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করতে পারেন।এবারের সূচকে বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে ১০১তম স্থানে রয়েছে লিবিয়া এবং কসোভো। এর আগে, ২০২২ সালের সূচকে বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান ছিল ১০৪তম। বর্তমানে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ৪১টি দেশে অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করা যায়।দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপাল (১০৩তম), পাকিস্তান (১০৬তম) ও আফগানিস্তানের (১০৯তম) তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে মালদ্বীপ। সূচকে ৬১তম স্থানে থাকা মালদ্বীপের নাগরিকরা ৮৯টি দেশে ভিসামুক্ত অথবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন।বাংলাদেশের প্রতিবেশি দেশ ভারত ৮৫তম স্থানে রয়েছে। ভারতের নাগরিকরা বিশ্বের ৫৯টি দেশে ভিসা ছাড়া কিংবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। অন্যদিকে, গত বছরের তুলনায় একধাপ উন্নতি ঘটেছে ভুটানের। ৯০তম স্থানে থাকা ভুটানের নাগরিকরা ৫৩টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।সূচক অনুযায়ী শক্তিশালী পাসপোর্টের একেবারে তলানিতে আফগানিস্তান ১০৯তম স্থানে আছে। এছাড়া ইরাক ১০৮তম, সিরিয়া ১০৭তম, পাকিস্তান ১০৬তম ও ইয়েমেন ১০৫তম স্থানে রয়েছে।পাসপোর্ট দিয়ে কত দেশে ভিসা ছাড়া বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করা যায়, সেই তথ্যের ভিত্তিতে শক্তিশালী পাসপোর্টের এই সূচক তৈরি করে দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশি পোশাক খাতের সঙ্গে ‘অন্যায়’ করেছে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো

বিশ্বের বৃহত্তম বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো তাদের পোশাক তৈরির জন্য বাংলাদেশি কারখানাগুলোকে উৎপাদন খরচের চেয়েও কম টাকা দিয়েছে। বিভিন্ন কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও পোশাক কারখানাগুলোকে মহামারির আগের দামই দিয়েছে অনেক কোম্পানি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের এক হাজার পোশাক কারখানার পরিস্থিতি নিয়ে এ গবেষণা চালানো হয়েছে। দাতব্য সংস্থা ট্রান্সফর্ম ট্রেডের সহযোগিতায় এটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের অ্যাবারডিন ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্কুল।গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, ওই সময়ে বাংলাদেশের এক-পঞ্চমাংশ পোশাক কারখানা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ২ দশমিক ৩০ পাউন্ড (প্রায় ২৯০ টাকা) দিতে হিমশিম খেয়েছে।গবেষকরা দেখেছেন, চার বা ততোধিক কারখানা থেকে পোশাক কেনে এমন বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ৯০ শতাংশই ‘অন্যায় ক্রয় অনুশীলন’-এ জড়িত।এই ‘অন্যায়’ অনুশীলনগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্রয়াদেশ বাতিল, অর্থপ্রদানে ব্যর্থতা, অর্থপ্রদানে বিলম্ব, মূল্যছাড় বা ডিসকাউন্ট দাবি। রয়েছে বাধ্যতামূলক ওভারটাইম ও হয়রানির মতো পরোক্ষ প্রভাবও।বিবিসি জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিশ্বজুড়ে ব্যাপক মূল্যস্ফীতির কারণে এই পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন এ গবেষক। তিনি বলেছেন, ছোট ব্র্যান্ডগুলোর তুলনায় একাধিক কারখানা থেকে পোশাক কেনা বড় ব্র্যান্ডগুলোই ‘অন্যায্য ক্রয় অনুশীলন’-এ বেশি জড়িত বলে জানিয়েছেন সরবরাহকারীরা।বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই আসে পোশাক শিল্প থেকে। এই খাতের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি।

post
বাংলাদেশ

'যুক্তরাষ্ট্রে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকায় মানববন্ধন সরকার সমর্থন করেনা'

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি সৈয়দ ফয়সাল আরিফ হত্যার প্রতিবাদে হওয়া মানববন্ধন সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের সামনে এ ধরনের মানববন্ধন সরকার সমর্থন করে না বলেও জানান তিনি।সোমবার (৯ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে সতেচন নাগরিক সমাজ।মানববন্ধন শেষে নিজ দপ্তরে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি বলেন, আমেরিকায় বিচার ব্যবস্থা ভালো। বাংলাদেশি মৃত্যুর বিষয়ে তারা তদন্ত করবে।মানববন্ধনের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি তো জানি না। এ ধরনের মানববন্ধনকে আমরা উৎসাহ বা সমর্থন করি না।পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পর মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। মানববন্ধন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানববন্ধন কারা করেছেন পুরো বিষয়টা আমি জানি না। যারা করেছেন তারা এটা আমাদের চিঠি দিয়ে জানাতে পারতেন।যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলেন লবাখ ও একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছে। আজ মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তার। মার্কিন অ্যাডমিরালের মন্ত্রণালয়ে আসা কেন্দ্র করে এ মানববন্ধন কিনা- জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, কাজের চাপের কারণে আমি মানববন্ধনটা ডিটেইলে দেখতে পারিনি।বাংলাদেশির নিহতের ঘটনায় ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন ঢাকাকে আশ্বস্ত করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের রাষ্ট্রদূত তার কাউন্টারপার্টের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ন্যায়বিচার হবে।তিনি বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তার গুলিতে বাংলাদেশি মারা গেছে, তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে; একটা তথ্য আমরা ইতোমধ্যে পেয়েছি। আমরা আশা করি, বাংলাদেশি নাগরিক সুবিচার পাবেন।মানববন্ধনকে কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা- প্রশ্নের জবাবে শাহরিয়ার আলম বলেন, আমার মনে হয় না। অবস্থাটা এমন হয়েছে যে, বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে একটা পাতা নড়লেও অন্যকিছু ভাবে। এটাতে ওভার উৎসাহের কিছু দেখছি না। এটা কোনো হাইলি সেনসেটিভ ইস্যুও না।

post
বাংলাদেশ

'চলতি বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশি হজ যাত্রী হজে যাবেন'

২০২৩ সালে দেশের সম্ভাব্য হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।রোববার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এম আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব হয়।ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, যা ২০১৯ সালে বেড়ে হয় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালে হজ যাত্রীর সংখ্যা কমে দাড়ায় ৬০ হাজার ১৪৬ জনে।তিনি জানান, চলতি ২০২৩ সালে হজযাত্রীর সম্ভাব্য কোটা বেড়ে হচ্ছে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। যা ২০০৯ এর তুলনায় ১৪৮ শতাংশ বেড়েছে, যা সরকারের সাফল্যের একটি মাইল ফলক বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশির ঋণের টাকা পরিশোধে তহবিল সংগ্রহে সিঙ্গাপুরবাসী

আর্থিক সচ্ছলতা, পরিবার-পরিজনের জন্য উন্নত জীবন, বৃদ্ধ মা-বাবার শেষ বয়সে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে দিনাতিপাতের নিশ্চয়তার জন্য ২ সপ্তাহ আগে সিঙ্গাপুর পাড়ি দিয়েছিলেন এক বাংলাদেশি যার বয়স মাত্র ২০ বছর। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার যক্ষ্মা ধরা পড়ার কারণে ফেরত চলে যেতে হবে ওই বাংলাদেশীকে।যে স্বপ্ন নিয়ে সিঙ্গাপুর গেলেন তার সেই স্বপ্নটা অধরাই থেকে গেল। এখন আরেকটি বাড়তি চিন্তা মাথায় যোগ হলো আর সেটি হলো, ধার-দেনা করে যে টাকা দিয়ে তিনি সিঙ্গাপুর এসেছেন সেই টাকা তিনি কিভাবে পরিশোধ করবেন।এমন সময় তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন ‘ইটস রেইনিং রেইনকোটস’ নামের স্থানীয় এনজিওর একদল সদস্য। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।সেখানে বলা হয়, সংগঠনটির একজন স্বেচ্ছাসেবক যিনি নিয়মিত অসহায় অভিবাসী শ্রমিকদের কাজে জড়িত থাকেন, তিনি দুইদিন আগে ওই বাংলাদেশীর সম্পর্কে তথ্য পান। সবকিছু শোনার পর এনজিও’র পক্ষ থেকে ওই বাংলাদেশীর ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তারা একটি অনলাইন তহবিল সংগ্রহ গঠন করেন এবং মাত্র দুই ঘণ্টার ভেতর সংগঠনটি দ্রুত তহবিল সংগ্রহ করেন এবং বৃহস্পতিবার বাংলাদেশগামী তার ফ্লাইটের কয়েকমিনিট আগেও একজন স্থানীয় নাগরিক ট্যাক্সি যোগে চাঙ্গি বিমানবন্দরে ছুটে গিয়ে তাকে আরও কিছু নগদ অর্থ তার হাতে তুলে দেন। যা দিয়ে তার ধার-দেনা পরিশোধযোগ্য হবে বলে মনে করছেন ওই বাংলাদেশি।এরপর এয়ারপোর্টের সমস্ত কাজ শেষে তার হাতে নগদ এই অর্থ তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা। এসময় উপস্থিত সবাইকে এবং যারা এই অল্প অসময়ের মধ্যে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান ওই বাংলাদেশি। এরপর হাসিমুখে তাকে বিদায় দেন স্থানীয় এনজিও’র সদস্যরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালেশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীসহ ৫৪৪ জন আটক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৫৪৪ জন অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শনিবার (৭ জানুয়ারি) ভোরের দিকে রাজধানী কুয়ালালামপুরের জালান ইম্বিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।এ সময় দেশটিতে ভ্রমণের কাগজপত্র না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্রমণ নথি এবং সামাজিক ভ্রমণ পাসের অপব্যবহারের জন্য বাংলাদেশিসহ ৫৪৪ জনকে আটক হয়েছে। তবে এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছে সেই তথ্য এখনো জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এছাড়া অভিযানের সময় মিয়ানমারের চীন জাতিগত গোষ্ঠীকে শরণার্থী কার্ড দেওয়ার একটি অনিবন্ধিত সংস্থার কার্যকলাপ উদঘাটন করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খায়রুল যাইমি দাউদের নেতৃতে দেশটির জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগের ৪৩ জন কর্মীর সহায়তায় ১১৫ জন অভিবাসন পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করেন।আটক বিদেশিদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। আটকদের সবার বয়স ১ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে।তাদের মধ্যে প্রথমে ১ হাজার ৫১ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয় এবং দেশটিতে থাকার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ৫৪৪ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাদের সবাইকে বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। আটকদের মধ্যে চীন জাতি গোষ্ঠীর ১ থেকে ১০ বছর বয়সী ৩০ জন শিশু রয়েছে।মহাপরিচালক বলেন, অনিবন্ধিত সংস্থাটি ২০০৯ সালে থেকে ওই এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এই কার্যকলাপ করে আসছিল। সংগঠনটির অফিসে তাদের নিজস্ব মেশিন ব্যবহার করে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন কার্ড জারি করে জনপ্রতি ৫০০ রিঙ্গিত সদস্য ফি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ফি বাবদ চার্জ করত।জব্দকৃত অর্থ দেওয়া রসিদের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে যে চীন জাতিগত গোষ্ঠীর ১ হাজার শরণার্থী এই সংস্থার সদস্য হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.