post
বাংলাদেশ

জরুরি পণ্য আমদানিতে ১০০ টাকায় ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশে ডলার সংকট চরমে। এ সংকট দূর করতে জরুরি পণ্য আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (রিজার্ভ) থেকে ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতেই টান পড়ছে রিজার্ভে। রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করা হলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে না। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে প্রতিনিয়ত।এদিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ডলার ১০০ টাকায় বিক্রি করেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। জরুরি পণ্য আমদানির জন্য মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এ দামেই দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে ৭৮ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।রিজার্ভের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। মঙ্গলবার রিজার্ভ থেকে ৭৮ মিলিয়ন ডলার বিক্রির ফলে রিজার্ভ এখন দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে। গত বছর এ সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশের রিজার্ভ কমেছে ১২০০ কোটি বা ১২ বিলিয়ন ডলার।এর আগে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করে আসছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে হঠাৎ ডলার সংকটে পড়তে হয় দেশকে। এতে আমদানিতে সংকট তৈরি হয়। আর আমদানি পরিশোধের সুবিধার্থে গত ২ বছর ধরে বাজারে ডলার বিক্রি করছে।এতেও সংকট কাটছিল না। একের পর এক ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যায়। অস্থির বিশ্ববাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখার চেষ্টাও করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সবশেষ গত ৩০ মে থেকে উন্মুক্ত অর্থনীতির নিয়মে বাজারই ওপরই মুদ্রা বিনিময় হার ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্যাংকগুলো যে কোনো দরে ডলার নির্ধারণ করে বিক্রি করতে পারছে।সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছিল, ওপেন মার্কেট অনুযায়ী ডলারের দাম ঠিক হবে, ব্যাংকগুলো ঠিক করবে দর। এটা না হলে রেমিট্যান্স কমে যাবার শঙ্কা ছিল। তাই বাজারের ওপর ছেড়ে দিলেও বাংলাদেশ মনিটরিং করে আসছে।মূলত কোভিড পরিস্থিতি পর থেকে বিশ্বজুড়ে চাহিদা বাড়ায় পণ্যের দামও বাড়তে থাকে। এর মধ্যে ইউক্রেইন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এতে বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় খরচও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এসব কারণে মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়তে থাকে। এ কারণে অঅন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মুদ্রাও ডলারের বিপরীতে দর 

post
এনআরবি সাফল্য

আমিরাতে ১০৫ কোটি টাকা লটারি জিতলেন প্রবাসী বাংলাদেশি রায়ফুল

প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ রায়ফুল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ‘দ্য বিগ টিকিট র‌্যাফেল ড্রতে ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (১০৫ কোটি টাকা) জিতেছেন। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) আমিরাতভিত্তিক দৈনিক খালিজ টাইমস এ নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।আমিরাতের আল আইনে বসবাসরত মোহাম্মদ রায়ফুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়েছেন কর্তৃপক্ষ।আয়োজকরা জানিয়েছেন, নতুন এই কোটিপতির সঙ্গে যোগাযোগ করার আগ পর্যন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তার টিকিট নম্বর ০৪৩৬৭৮। এছাড়া তার সম্পর্কে আর কিছু জানাতে পারেনি তারা।তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন প্রবাসী সাংবাদিকরাও। প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি বিমানবন্দর ও শহরের প্রচারের জন্য বিগ টিকিট লটারি চালু করা হয়েছিল। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের মূল্য প্রতি মাসে পরিবর্তিত হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারিতে প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ কোটি দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০৫ কোটি টাকা)।এই পর্বে দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম। আরও তিন ভারতীয় নিরশাদ নজর, রবিন কাদিয়ান ও আব্দুল বুরহান পুথিয়াভেটিল প্রত্যেকে ১ লাখ দিরহাম করে জিতেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোয় ধীরগতি

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও চাহিদা রয়েছে অনেক। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতি যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মূলে রয়েছে উভয় দেশের সরকার নির্ধারিত পদ্ধতি, আর্থিক খরচের বাইরে কিছু অলিখিত পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া। তাহলে কী বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দুই ধরনের নীতি অনুসরণ করছে কি না এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় প্রাইভেট রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে যেতে কর্মীকে ধারদেনা করে দিতে হচ্ছে ৪/৫ লাখ টাকা। এটিও সরকারের অধীনেই হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যেতে কর্মীকে খরচ করতে হচ্ছে না।কর্মী সরকারি-বেসরকারি যে এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাক না কেন তাকে অবশ্যই প্রবাসীকল্যাণ বোর্ড, বিএমইটি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়েই যেতে হচ্ছে। প্রত্যেক আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ যেতে ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া, বিদেশে গিয়ে প্রতারিত হওয়া বিষয়গুলো নিজেই তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানান তিনি, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফল দেখা যায় না। মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সুবিধা নিতে ব্যর্থতা এবং পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে সর্বনাশ হচ্ছে। আশির দশক থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিকর্মী গেলেও দেশটির সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার আইনি ভিত্তি পায় ২০১৬ সালে। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের পর মালয়েশিয়া সরকার লেবার সোর্স কান্ট্রি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় অর্থাৎ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা করবে, হঠাৎ করে শ্রম নিয়োগ বন্ধ করতে পারবে না।আগে যখন তখন কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিত, ফলে কর্মী প্রেরণকারী সংস্থা, এজেন্ট, সাব এজেন্ট সবাই যেনতেনভাবে ইচ্ছামতো অর্থ নিয়ে কর্মী পাঠায়। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে কোনো কঠোর অবস্থান না থাকায় প্রকৃত এজেন্সি বঞ্চিত হয় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন সময় তুলে ধরে। বাংলাদেশ সরকারের অভিবাসন নীতি, আইন, বিধি, আদেশ, নির্দেশ সবই আছে, এসব বাস্তবায়ন করার জন্য সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, দপ্তর, লোকবল, ম্যাজিস্ট্রেট সবই আছে, আরো আছে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়। কর্মীদের দেশে-বিদেশে কল্যাণ দেখবার জন্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব লোকবল আছে। রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন, নবায়ন, বাতিল, শাস্তি আরোপ এসব মন্ত্রণালয় করে। তবে কর্মী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার অভাব এবং এ সুযোগে অনিয়ম দাপটের সঙ্গে রয়ে গেছে। কর্মী অভিবাসন এক পক্ষের বিষয় নয় প্রেরক ও গ্রহণকারী উভয় দেশের বিষয় তাই এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে না তুললে সমস্যার গভীরে দেখবার কেউই থাকবে না। বাস্তবে তেমনি দেখা যাচ্ছে যে, মিশনে কর্মী নিয়ে যারা কাজ করে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশে এনে মন্ত্রণালয় বিদায় দিয়ে দেয়। এমন কি অনেককে অপমান করে তাড়ানোর নজির রয়েছে। বিপরীতে অনভিজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় যাদের তৈরি করছে তাদের বাদ দেওয়ার ট্র্যাডিশন এসেছে এজেন্সিগুলোর অপতৎপরতা থেকে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।ধারণা করা হয় কোনো কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি দূতাবাস থেকে অনৈতিক সুবিধা (অ্যাটেস্টেশন) না পেলে এবং বিদেশে কর্মীদের প্রতারিত করতে না পেলে, কর্মীদের জিম্মি করে অর্থ আয় করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর রুষ্ট হয় এবং মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরে বেনামে পত্র দিয়ে থাকে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের কাছে তদবির করে ফলে এদের কথায় গুরুত্ব দেয় এবং এমন অবস্থা গ্রহণ করে যে মন্ত্রণালয় নিজেই ঠকে। দেখা গেছে, বিদেশে কর্মী পাঠানো এজেন্সির হাল হকিকত জানা কর্মকর্তা অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পেলে সে এজেন্সি আর সাহস পায় না। মালয়েশিয়া শ্রমবাজার বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কিছু বাস্তবতা উন্মোচন করেছে অনেক আগেই। মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অনুধাবন না করার ফলে সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো জোর প্রচেষ্টা দেখা যায় না। মালয়েশিয়ায় আশির ও নব্বই দশকের পদ্ধতি থেকে বের হয়েছে এবং বাংলাদেশের জন্য আউট সোর্সিং বন্ধ করেছে। কিন্তু কর্মী প্রেরণে বাংলাদেশি এজেন্সি, তাদের এজেন্ট, সাব এজেন্ট সবই আগের নিয়ম অব্যাহত রাখতে কসরত করে যাচ্ছে।ফলে বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলেও পুরনো ঘূর্ণি থেকে বের হতে পারছে না কারণ এজেন্সি কর্মী পাঠাবে। অন্যদিকে জি-টু-জি পদ্ধতিতে সরকার কর্মী প্রেরণ করলে খরচ খুব কম হয় কিন্তু এরই মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে অর্থ বিনিয়োগকারী এজেন্সিগুলোর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় এবং ক্ষতির শিকার হয়। ফলে তারা সবসময় সরকারকে এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত কর্মী নিয়ে মালয়েশিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করায় এবং ফলে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষতির শিকার হওয়ায় মালয়েশিয়া এজেন্ট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাংলাদেশকে বললেও কোনো ফল না পাওয়া মালয়েশিয়া নিজেই এজেন্ট নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া চালু করে। এতে আগের অভ্যাসে মালয়েশিয়ায় ভিসা ক্রয় করা বাংলাদেশি এজেন্সি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ এজেন্সিগুলোর নানান যুক্তি তুলে ধরে মালয়েশিয়ায় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির করে এবং অতিষ্ঠ হয়ে মালয়েশিয়ার নতুন সরকার (মাহাথির সরকার) বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে।

post
বাংলাদেশ

নতুন সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে শুরু হলো নতুন বছর, স্বাগত ২০২৩

মহাকালের আবর্তে বিলীন হয়ে গেল আরেকটি বছর। নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে শুরু হলো নতুন বছর। স্বাগতম ইংরেজি নববর্ষ ২০২৩। অনেক প্রাপ্তি, হতাশা ও নানা ঘটনা-দুর্ঘটনায় শেষ হলো ২০২২। শনিবারের সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা, দুঃখ ও না পাওয়ার বেদনাকে বিসর্জন দিয়ে এবং আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে নতুন আশা আর নতুন সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়ে শুরু হচ্ছে ইংরেজি নতুন বছর ২০২৩। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করছে নতুন বছরকে।খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৩ উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। প্রকৃতির নিয়মেই নতুন বছর মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে এবং নব উদ্যমে সুন্দর আগামীর পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগায়।’তিনি বলেন, ‘২০২২ বাঙালি জাতির জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। ১৯৭২ সালে এশিয়ার প্রায় সবকটি দেশ, রাশিয়া, তৎকালীন সোভিয়েত ব্লকের অন্যান্য দেশ, ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ, ফ্রান্স, কানাডা, গ্রেট ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অধিকাংশ স্বাধীন রাষ্ট্র নবীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।’দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয় এবং জনগণের কল্যাণ হয়। কারণ একমাত্র আওয়ামী লীগই স্বাধীনতার সুমহান আদর্শকে ধারণ করে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে। আসুন আমরা দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি এবং ধর্মীয় উগ্রবাদসহ সন্ত্রাসবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করে, অসাম্প্রদায়িক চেতনার ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি ।এদিকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পেরিয়ে ১ জানুয়ারি ১২টা বাজার পরপরই রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষবরণ। বিশেষ করে এ সময় চারদিক কাঁপিয়ে বাজি ফোটাতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। আতশবাজির আলোয় মধ্যরাতের আকাশ ঝলমলে হয়ে ওঠে। বাজির শব্দ আর আলো সবাইকে জানিয়ে দেয়, নতুন বছর এসে গেছে।নববর্ষ বরণ ও থার্টি ফার্স্ট উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় নগরবাসীকে থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে কোনো আতশবাজি, পটকা কিংবা ফানুস না ওড়াতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

post
বাংলাদেশ

নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘নতুন বছরে মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো জোরদার হোক, সকল সংকট দূরীভূত হোক, সকল সংকীর্ণতা পরাভূত হোক এবং সকলের জীবনে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমন্ধি- এই প্রার্থনা করি।’ খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষ্যে আজ শনিবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৩ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। প্রকৃতির নিয়মেই নতুন বছর মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে এবং নব উদ্যোমে সুন্দর আগামীর পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগায়।’ তিনি বলেন, ‘২০২২ খ্রিষ্টাব্দ বাঙালি জাতির জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। ১৯৭২ সালে এশিয়ার প্রায় সবক'টি দেশ, রাশিয়া, তৎকালীন সোভিয়েত ব্লকের অন্যান্য দেশ, ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ, ফ্রান্স, কানাডা, গ্রেট ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অধিকাংশ স্বাধীন রাষ্ট্র নবীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।’ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয় এবং জনগণের কল্যাণ হয়। কারণ একমাত্র আওয়ামী লীগই স্বাধীনতার সুমহান আদর্শকে ধারণ করে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে। আসুন, আমরা দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি এবং ধর্মীয় উগ্রবাদসহ সন্ত্রাসবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করে, অসাম্প্রদায়িক চেতনার ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি । প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলো ২০২২ সালে বছরব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শূন্য হাতে সদ্য স্বাধীন দেশকে যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে টেনে তুলেছিলেন। তখন ব্যাংকে কোন রিজার্ভ মানি ছিল না, কোন কারেন্সি নোট ছিল না। অবজ্ঞা করে কেউ কেউ বলতো তলা বিহীনঝুড়ি। সেই অবস্থা থেকে মাত্র সাড়ে তিন বছরেই তিনি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত করেন এবং জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করেন।’ ২০২২ সাল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের এক স্বর্ণযুগ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা গত বছর ২৬ জুন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মাসেতু চালু করেছি। ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার মেট্রোরেল যোগাযোগ চালু করেছি। ২১ ডিসেম্বর দেশের ৫০টি জেলায় উন্নয়নকৃত ১০০টি মহাসড়ক উদ্বোধন করেছি।’ তিনি বলেন,২৬ নভেম্বর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর তলদেশে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল'-এর দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজ সম্পন্ন করেছি। ৭ নভেম্বর দেশের ২৫টি জেলায় ১০০টি সেতু নির্মাণ করে উদ্বোধন করেছি। ১৯ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২ এর রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপন করেছি। ২১ মার্চ পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র (১ম পর্যায়) উদ্বোধন করেছি। আমাদের অন্যান্য মেগা ও মাঝারিসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করে। আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচন হতে পরপর তিন দফা জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে গত ১৪ বছরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছি। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের অর্থনীতিও কিছুটা মন্থর হয়েছিল। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক অবরোধ ও পাল্টা অবরোধ সারা পৃথিবীতে নিরীহ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই। এই দুর্যোগকালীন সময়ে আমরা দেশের প্রায় সকল মানুষকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা, করোনা ভ্যাক্সিন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে খাদ্যদ্রব্যও সরবরাহ করেছি। আমরা ১ কোটি পরিবারকে টিসিবি কার্ডের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল ও সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্য তেল, ডাল ও চিনি ক্রয়ের সুবিধা দিয়েছি। ৫০ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাল এবং আরো ৫০ লাখ অসহায় হতদরিদ্র পরিবারকে ভিজিডি ও ভিজিএফ-এর মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রতিমাসে ৩০ কেজি চাল দিচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ৩৫ লাখ মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত আবাসনের ব্যবস্থা করেছি। প্রায় ১৮,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের ঔষধ দিচ্ছি। আমাদের ১ কোটি কৃষক ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খুলে সরাসরি সরকারি ভরতুকির টাকা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা ২ কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/উপবৃত্তি দিচ্ছি। ইংরেজি বছরের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দেওয়ার কারণে বই উৎসবের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন আজ শিশু-কিশোরদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং অন্যতম সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা গ্রামাঞ্চলে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি করেছি। ফলে আমাদের অর্থনীতির ভিত্তি আরো মজবুত হয়েছে, দক্ষ জনসম্পদ সৃষ্টি হচ্ছে, মাথাপিছু আয়সহ অন্যান্য সামাজিক সূচকেও ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছি। ২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের সময় জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, আমরা ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট’ বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। আমরা ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

post
বিনোদন

রাজ-পরীর সংসারে ভাঙ্গনের সুর!

ঢাকাই সিনেমার রোমান্টিক দম্পতি রাজ-পরী। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে বছর শেষে হঠাৎ সংসার ভাঙার খবর জানালেন চিত্রনায়িকা পরীমণি।শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে নায়িকার ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।পরীমণি আরও লেখেন, জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরী আর কিছুই নেই।এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ে রাজ-পরীকে ফোন দেওয়া হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। বারবার রিং হলেও ফোনের ওপাশ থেকে কেউ রিসিভ করেননি।এদিকে পরীর এমন স্ট্যাটাসে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। ঘণ্টা না পেরুতেই প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিক্রিয়া জমা পড়েছে। এছাড়াও পাঁচ শতাধিক নেটিজেন পরীর স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন।প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন রাজ-পরী। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি তারা ঘোষণা দেন, তাদের ঘরে সন্তান আসছে। গত ১০ আগস্ট এই দম্পতির ঘর আলো করে এসেছে একমাত্র সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

post
বাংলাদেশ

বিদেশে বসেই প্রবাসীরা এনআইডি কার্ড পাবেন : এ.কে আব্দুল মোমেন

প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবাগ্রহণ আরও সহজ করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি কার্ড) জন্য প্রবাসীদেরকে আর দেশে আসতে হবে না। বিদেশে বসেই প্রবাসীরা এনআইডি কার্ড পাবেন। এছাড়া প্রবাসীদের সেবা বাড়াতে বিশেষ ট্রাইবুন্যাল করার প্রস্তাব দিলেও তা এখনো পাস হয়নি। ট্রাইব্যুনাল হলে অনেক সমস্যার সহজেই সমাধান হবে।’আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেটের একটি হোটেলে সিলেট কর অঞ্চল আয়োজিত সেরা করদাতাদের সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রবাসীদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রতিবছর ৩০ ডিসেম্বর প্রবাসী দিবস হিসেবে পালন করা হবে। ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন দিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হবে প্রবাসীদের কথা শোনা ও তাদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা।’করদাতাদের উদ্দেশে এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘দেশে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ৮-১০ শতাংশ কর দেন। এটা আমাদের জন্য লজ্জার বিষয়। দেশে করদাতার সংখ্যা কম। জনসংখ্যার তুলনায় মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ কর দিচ্ছেন। অথচ নতুন আয়কর বাড়ানোর চেষ্টা কম। আবার আয়কর যারা দেন, তাদেরকেও বিরক্ত করা হয়।’এ কে আব্দুল মোমেন আরও বলেন, ‘তিন লাখের উপরে যারা লেনদেন করবেন, বাসা-বাড়িতে ভাড়া আদায় করেন, তাদের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ করা দরকার। কর না দিলে আমরা কোনো কিছুই প্রত্যাশা করতে পারি না। কর দেব না, অথচ সুবিধা নেব, এটা হতে পারে না।’পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, সেখানে আহরিত রাজস্বের অধিকাংশই আসে আয়করের প্রত্যক্ষ কর থেকে। আমেরিকায় আয় ৩ হাজার ডলারের বেশি হলে প্রত্যেককে ট্যাক্স দিতে হয়। আর আইডি পেলেই ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হবে।’অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের চার জেলা ও সিসিকের ৩৫ ব্যক্তিকে সেরা করদাতা সম্মাননা দেওয়া হয়।সিলেট কর অঞ্চলের কমিশনার মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম, বাংলাদেশ ট্যাক্স ল-ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাহমিন আহমদ প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেলে প্রথম দিনে ভ্রমণ করেছেন ৩ হাজার ৮৫৭ জন যাত্রী

সাধারণ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় মেট্রোরেলের চলাচল শুরু হওয়ার প্রথম দিনে ৩ হাজার ৮৫৭ জন যাত্রী এতে ভ্রমণ করেছেন। আজ মেট্রোরেল চলেছে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক।সকাল ৮টা থেকে ট্রেন চলার কথা থাকলেও ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন যাত্রীরা। এই যাত্রীদের কেউ ছিলেন অফিসগামী, কেউবা এসেছিলেন পরিবারসহ। আবার অনেকেরই লক্ষ্য ছিল শুধু মেট্রোরেলে ঘোরা। তবে সকাল থেকেই যাত্রীদের অভিযোগ ছিল স্টেশনে যাত্রীদের ঢোকাতে ধীরগতিতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। তবে কর্তৃপক্ষ বলছিল শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে অভ্যস্থ করাতে কিছুটা ধীরে কাজ করা হয়েছে। তবে এসবের মাঝেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১২টার পর আর চলেনি মেট্রোরেল। ফলে মেট্রো রেলে চলার ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই শেষ পর্যন্ত স্টেশন ছাড়তে হয় হাজারো মানুষকে।   

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে এক প্রবাসীর পরিবারের সন্ধান চায় বাংলাদেশ দূতাবাস

কুয়েতে আবুল কালাম নামে এক প্রবাসীর পরিবারের সন্ধান চায় বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার স্বজনদের সন্ধান চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রবাসী আবুল কালামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর এলাকায় এবং তার বাবার নাম আনু মিয়া। তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে কুয়েতের ফরওয়ানিয়া হাসপাতালের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাংলাদেশে তার পরিবারের কাছে পাঠাতে পাসপোর্টে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করেও স্বজনদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। আবুল কালামকে দেশে পাঠানোর সুবিধার্থে কুয়েতে অথবা বাংলাদেশে তার স্বজনদের দূতাবাসে কল্যাণ সহকারী ফরিদ হোসেনের +৯৬৫৯৪৪২৯৭৪৪ এ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেল ব্যবহারে যত্নশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সবাইকে মেট্রোরেলের সঠিক সংরক্ষণের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক টাকা খরচ করে মেট্রোরেল করা হয়েছে। এ মেট্রোরেল সংরক্ষণ করা সবার দায়িত্ব। যাতে মেট্রোরেলের কোনো কিছু নষ্ট না হয়, সে জন্য তিনি সবাইকে তা ব্যবহারে যত্নশীল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। এই মেট্রোরেল পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।মেট্রোরেলকে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রার মুকুটে আরেকটি পালক হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আজকে আমরা বাংলাদেশের অহংকারে আরেকটি পালক সংযোজন করতে পারলাম।মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বুধবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে আয়োজিত সুধীসমাবেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মেট্রোরেল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রায় আরেকটি পালক দিতে পারলাম, এটিই বড় কথা।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণ সেবা করার সুযোগ দিয়েছিল। সে জন্য সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.